<?xml version="1.0"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom" xml:lang="bn">
	<id>https://bn.bhikitia.org/api.php?action=feedcontributions&amp;feedformat=atom&amp;user=Duyel</id>
	<title>ভিকিটিয়া - ব্যবহারকারীর অবদান [bn]</title>
	<link rel="self" type="application/atom+xml" href="https://bn.bhikitia.org/api.php?action=feedcontributions&amp;feedformat=atom&amp;user=Duyel"/>
	<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%B7:%E0%A6%85%E0%A6%AC%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%A8/Duyel"/>
	<updated>2026-10-13T03:26:56Z</updated>
	<subtitle>ব্যবহারকারীর অবদান</subtitle>
	<generator>MediaWiki 1.42.3</generator>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9E%E0%A6%BE%E0%A6%A8&amp;diff=15404</id>
		<title>মানচিত্রবিজ্ঞান</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9E%E0%A6%BE%E0%A6%A8&amp;diff=15404"/>
		<updated>2026-09-30T03:14:25Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Duyel: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;[[File:Claudius Ptolemy- The World.jpg|thumb|300px|১৪৮২ সালে জোহানেস শ্নিটজার কর্তৃক অঙ্কিত একটি মানচিত্র। এটি [[টলেমি|টলেমির]] &#039;&#039;[[Geography (Ptolemy)|ভূগোল]]&#039;&#039; গ্রন্থে দেওয়া স্থানাঙ্কের ভিত্তিতে তৈরি করা হয়।]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;মানচিত্রাঙ্কনবিদ্যা&#039;&#039;&#039; বা &#039;&#039;&#039;মানচিত্রনির্মাণবিদ্যা&#039;&#039;&#039; ({{lang-en|cartography}}) হলো [[মানচিত্র]] তৈরি ও ব্যবহারের বিদ্যা। এতে মানচিত্র তৈরির বিভিন্ন পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা ও গবেষণা করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মানচিত্রাঙ্কনবিদ্যায় পৃথিবীর বিভিন্ন স্থান ও ভৌগোলিক তথ্যকে মানচিত্রের মাধ্যমে উপস্থাপন করা হয়। এর মাধ্যমে কোনো এলাকার অবস্থান, আকার, দূরত্ব ও বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য সহজে বোঝানো যায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মানচিত্রাঙ্কনবিদ্যায় [[বিজ্ঞান]], শিল্প ও বিভিন্ন প্রযুক্তির ব্যবহার করা হয়। আধুনিক সময়ে মানচিত্র তৈরিতে [[কম্পিউটার]], [[উপগ্রহ]] এবং [[ভৌগোলিক তথ্য ব্যবস্থা]] (জিআইএস) ব্যবহার করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মানচিত্রাঙ্কনবিদ্যা [[ভূগোল|ভূগোলের]] একটি গুরুত্বপূর্ণ শাখা। ভূগোলবিদেরা বিভিন্ন গবেষণা ও তথ্য উপস্থাপনের জন্য মানচিত্র ব্যবহার করেন।&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Duyel</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9E%E0%A6%BE%E0%A6%A8&amp;diff=15403</id>
		<title>মানচিত্রবিজ্ঞান</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9E%E0%A6%BE%E0%A6%A8&amp;diff=15403"/>
		<updated>2026-09-30T03:12:34Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Duyel: নতুন পাতা&lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;[[চিত্র:Claudius Ptolemy- The World.jpg|thumb|300px|১৪৮২ সালে জোহানেস শ্নিটজার কর্তৃক অঙ্কিত একটি মানচিত্র। এটি [[টলেমি|টলেমির]] &#039;&#039;[[Geography (Ptolemy)|ভূগোল]]&#039;&#039; গ্রন্থে দেওয়া স্থানাঙ্কের ভিত্তিতে তৈরি করা হয়।]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;মানচিত্রাঙ্কনবিদ্যা&#039;&#039;&#039; বা &#039;&#039;&#039;মানচিত্রনির্মাণবিদ্যা&#039;&#039;&#039; ({{lang-en|cartography}}) হলো [[মানচিত্র]] তৈরি ও ব্যবহারের বিদ্যা। এতে মানচিত্র তৈরির বিভিন্ন পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা ও গবেষণা করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মানচিত্রাঙ্কনবিদ্যায় পৃথিবীর বিভিন্ন স্থান ও ভৌগোলিক তথ্যকে মানচিত্রের মাধ্যমে উপস্থাপন করা হয়। এর মাধ্যমে কোনো এলাকার অবস্থান, আকার, দূরত্ব ও বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য সহজে বোঝানো যায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মানচিত্রাঙ্কনবিদ্যায় [[বিজ্ঞান]], শিল্প ও বিভিন্ন প্রযুক্তির ব্যবহার করা হয়। আধুনিক সময়ে মানচিত্র তৈরিতে [[কম্পিউটার]], [[উপগ্রহ]] এবং [[ভৌগোলিক তথ্য ব্যবস্থা]] (জিআইএস) ব্যবহার করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মানচিত্রাঙ্কনবিদ্যা [[ভূগোল|ভূগোলের]] একটি গুরুত্বপূর্ণ শাখা। ভূগোলবিদেরা বিভিন্ন গবেষণা ও তথ্য উপস্থাপনের জন্য মানচিত্র ব্যবহার করেন।&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Duyel</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%AD%E0%A7%82%E0%A6%97%E0%A7%8B%E0%A6%B2%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6&amp;diff=15402</id>
		<title>ভূগোলবিদ</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%AD%E0%A7%82%E0%A6%97%E0%A7%8B%E0%A6%B2%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6&amp;diff=15402"/>
		<updated>2026-09-30T03:11:56Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Duyel: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;[[চিত্র:The Geographer.jpg|thumb|[[জোহানেস ভারমির]]-এর আঁকা &#039;&#039;ভূগোলবিদ&#039;&#039; চিত্রকর্ম]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;ভূগোলবিদ&#039;&#039;&#039; হলেন এমন একজন ব্যক্তি, যিনি [[ভূগোল]] নিয়ে পড়াশোনা ও গবেষণা করেন। তারা [[পৃথিবী|পৃথিবীর]] প্রাকৃতিক পরিবেশ, মানব [[সমাজ]] এবং এ দুয়ের সম্পর্ক নিয়ে গবেষণা করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আগে [[মানচিত্র]] তৈরি করাকে ভূগোলবিদদের একটি প্রধান কাজ মনে করা হতো। বর্তমানে মানচিত্র তৈরির বিষয়টি [[মানচিত্রবিজ্ঞান|মানচিত্রাঙ্কনবিদ্যা]] নামে পরিচিত। এটি ভূগোলের একটি গুরুত্বপূর্ণ শাখা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ভূগোলবিদেরা পৃথিবীর বিভিন্ন প্রাকৃতিক বিষয় নিয়ে গবেষণা করেন। তারা [[জলবায়ু]], [[ভূপ্রকৃতি]], [[মাটি]], [[নদী]] ও [[সমুদ্র]] নিয়ে কাজ করেন। তারা মানুষের বসবাস, জনসংখ্যা, সংস্কৃতি ও অর্থনীতিও অধ্যয়ন করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ভূগোলবিদেরা মানুষ ও পরিবেশের সম্পর্ক নিয়েও গবেষণা করেন। যেমন, প্রাকৃতিক পরিবেশ কীভাবে মানুষের জীবনকে প্রভাবিত করে এবং মানুষ কীভাবে পরিবেশের পরিবর্তন ঘটায়, তা তারা изучয়ন করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[প্রাকৃতিক ভূগোল|প্রাকৃতিক ভূগোলবিদেরা]] প্রাকৃতিক পরিবেশ নিয়ে গবেষণা করেন। অন্যদিকে [[মানবীয় ভূগোল|মানবীয় ভূগোলবিদেরা]] মানবসমাজ নিয়ে গবেষণা করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আধুনিক ভূগোলবিদেরা [[ভৌগোলিক তথ্য ব্যবস্থা]] বা জিআইএস ব্যবহার করেন। এর মাধ্যমে তারা বিভিন্ন ভৌগোলিক তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করেন। তারা বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, সরকারি সংস্থা এবং বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজ করতে পারেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== চিত্রকর্ম ==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;&#039;&#039;[[দ্য জিওগ্রাফার (চিত্রকলা)|ভূগোলবিদ]]&#039;&#039;&#039;&#039;&#039; [[জোহানেস ভারমির]]-এর একটি বিখ্যাত [[তৈলচিত্র]]। তিনি এটি ১৬৬৮–৬৯ সালে আঁকেন। একই সময়ে তিনি &#039;&#039;[[দ্য অ্যাস্ট্রোনোমার (চিত্রকলা)|জ্যোতির্বিদ]]&#039;&#039; নামে আরেকটি চিত্রকর্ম আঁকেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই দুটি চিত্রকর্মকে অনেক সময় একটি যুগল হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এগুলো সপ্তদশ শতাব্দীর ইউরোপে বিজ্ঞান ও ভূগোলচর্চার প্রতি মানুষের আগ্রহের প্রতিফলন হিসেবে বিবেচিত হয়।&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Duyel</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%AD%E0%A7%82%E0%A6%97%E0%A7%8B%E0%A6%B2%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6&amp;diff=15401</id>
		<title>ভূগোলবিদ</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%AD%E0%A7%82%E0%A6%97%E0%A7%8B%E0%A6%B2%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6&amp;diff=15401"/>
		<updated>2026-09-30T03:08:00Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Duyel: নতুন পাতা&lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;[[চিত্র:The Geographer.jpg|thumb|[[জোহানেস ভারমির]]-এর আঁকা &#039;&#039;ভূগোলবিদ&#039;&#039; চিত্রকর্ম]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;ভূগোলবিদ&#039;&#039;&#039; হলেন এমন একজন ব্যক্তি, যিনি [[ভূগোল]] নিয়ে পড়াশোনা ও গবেষণা করেন। তারা [[পৃথিবী|পৃথিবীর]] প্রাকৃতিক পরিবেশ, মানব [[সমাজ]] এবং এ দুয়ের সম্পর্ক নিয়ে গবেষণা করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আগে [[মানচিত্র]] তৈরি করাকে ভূগোলবিদদের একটি প্রধান কাজ মনে করা হতো। বর্তমানে মানচিত্র তৈরির বিষয়টি [[মানচিত্রাঙ্কনবিদ্যা]] নামে পরিচিত। এটি ভূগোলের একটি গুরুত্বপূর্ণ শাখা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ভূগোলবিদেরা পৃথিবীর বিভিন্ন প্রাকৃতিক বিষয় নিয়ে গবেষণা করেন। তারা [[জলবায়ু]], [[ভূপ্রকৃতি]], [[মাটি]], [[নদী]] ও [[সমুদ্র]] নিয়ে কাজ করেন। তারা মানুষের বসবাস, জনসংখ্যা, সংস্কৃতি ও অর্থনীতিও অধ্যয়ন করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ভূগোলবিদেরা মানুষ ও পরিবেশের সম্পর্ক নিয়েও গবেষণা করেন। যেমন, প্রাকৃতিক পরিবেশ কীভাবে মানুষের জীবনকে প্রভাবিত করে এবং মানুষ কীভাবে পরিবেশের পরিবর্তন ঘটায়, তা তারা изучয়ন করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[প্রাকৃতিক ভূগোল|প্রাকৃতিক ভূগোলবিদেরা]] প্রাকৃতিক পরিবেশ নিয়ে গবেষণা করেন। অন্যদিকে [[মানবীয় ভূগোল|মানবীয় ভূগোলবিদেরা]] মানবসমাজ নিয়ে গবেষণা করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আধুনিক ভূগোলবিদেরা [[ভৌগোলিক তথ্য ব্যবস্থা]] বা জিআইএস ব্যবহার করেন। এর মাধ্যমে তারা বিভিন্ন ভৌগোলিক তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করেন। তারা বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, সরকারি সংস্থা এবং বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজ করতে পারেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== চিত্রকর্ম ==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;&#039;&#039;[[দ্য জিওগ্রাফার (চিত্রকলা)|ভূগোলবিদ]]&#039;&#039;&#039;&#039;&#039; [[জোহানেস ভারমির]]-এর একটি বিখ্যাত [[তৈলচিত্র]]। তিনি এটি ১৬৬৮–৬৯ সালে আঁকেন। একই সময়ে তিনি &#039;&#039;[[দ্য অ্যাস্ট্রোনোমার (চিত্রকলা)|জ্যোতির্বিদ]]&#039;&#039; নামে আরেকটি চিত্রকর্ম আঁকেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই দুটি চিত্রকর্মকে অনেক সময় একটি যুগল হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এগুলো সপ্তদশ শতাব্দীর ইউরোপে বিজ্ঞান ও ভূগোলচর্চার প্রতি মানুষের আগ্রহের প্রতিফলন হিসেবে বিবেচিত হয়।&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Duyel</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF&amp;diff=15400</id>
		<title>জামদানি</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF&amp;diff=15400"/>
		<updated>2026-09-30T03:01:25Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Duyel: নতুন পাতা&lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;&#039;&#039;&#039;জামদানি&#039;&#039;&#039; হল কার্পাস তুলা দিয়ে প্রস্তুতকৃত একধরনের পরিধেয় বস্ত্র যার বয়ন পদ্ধতি অনন্য। জামদানি বুননকালে তৃতীয় একটি সুতা দিয়ে নকশা ফুটিয়ে তোলা হয়।&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Duyel</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%AD%E0%A7%8C%E0%A6%97%E0%A7%8B%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%95_%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A6%95&amp;diff=15399</id>
		<title>ভৌগোলিক নির্দেশক</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%AD%E0%A7%8C%E0%A6%97%E0%A7%8B%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%95_%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A6%95&amp;diff=15399"/>
		<updated>2026-09-30T02:59:59Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Duyel: নতুন পাতা&lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;&#039;&#039;&#039;ভৌগোলিক নির্দেশক&#039;&#039;&#039; হচ্ছে কোনো সামগ্রীতে ব্যবহার করা বিশেষ নাম বা চিহ্ন।&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Duyel</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%A7&amp;diff=15398</id>
		<title>দুধ</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%A7&amp;diff=15398"/>
		<updated>2026-09-21T23:56:14Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Duyel: নতুন পাতা&lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;&#039;&#039;&#039;দুধ&#039;&#039;&#039; হলো [[স্তন্যপায়ী প্রাণী|স্তন্যপায়ী প্রাণীর]] [[স্তন্যগ্রন্থি]] থেকে নিঃসৃত পুষ্টিকর সাদা বা হালকা বর্ণের তরল। নবজাতক স্তন্যপায়ী প্রাণীর জন্য জীবনের প্রাথমিক পর্যায়ে দুধ প্রধান খাদ্য। মানুষের খাদ্য হিসেবেও দুধ ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। [[গরু]], [[মহিষ]], [[ছাগল]], [[ভেড়া]] ও [[উট]]সহ বিভিন্ন প্রাণীর দুধ খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মানুষ সাধারণত অন্যান্য প্রাণীর দুধ পান করে এবং দুধ থেকে বিভিন্ন [[দুগ্ধজাত খাবার]] তৈরি করে। এর মধ্যে রয়েছে [[দই]], [[মাখন]], [[পনির]], [[ছানা]], [[ঘি]], [[গুঁড়া দুধ]] ও বিভিন্ন ধরনের মিষ্টান্ন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== গঠন ও পুষ্টি ==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দুধে প্রধানত পানি, চর্বি, [[প্রোটিন]], [[ল্যাক্টোজ]], খনিজ পদার্থ ও বিভিন্ন [[ভিটামিন]] থাকে। দুধের পুষ্টিগুণ ও রাসায়নিক গঠন প্রাণীর প্রজাতি, জাত, বয়স, খাদ্য এবং দুধ উৎপাদনের পর্যায়ের ওপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গরুর দুধে সাধারণত চর্বি, প্রোটিন ও ল্যাক্টোজ থাকে। এতে [[ক্যালসিয়াম]], [[ম্যাগনেসিয়াম]], [[সেলেনিয়াম]], [[রিবোফ্লাভিন]] ও [[ভিটামিন বি১২]]সহ বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== মাতৃদুগ্ধ ==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মানুষের ক্ষেত্রে নবজাতকের প্রধান খাদ্য হলো [[মাতৃদুগ্ধ]]। সন্তান জন্মের পর প্রথম দিকে নিঃসৃত দুধকে [[কলোস্ট্রাম]] বা শালদুধ বলা হয়। এতে বিভিন্ন পুষ্টি উপাদানের পাশাপাশি রোগপ্রতিরোধে সহায়ক উপাদান থাকে। নবজাতকের প্রাথমিক বৃদ্ধি ও রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থার বিকাশে মাতৃদুগ্ধ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== প্রাণীর দুধ ==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মানুষের খাদ্য হিসেবে বিভিন্ন স্তন্যপায়ী প্রাণীর দুধ ব্যবহৃত হয়। বিশ্বে দুধ উৎপাদনের সবচেয়ে বড় অংশ আসে গরু থেকে। এছাড়া মহিষ, ছাগল, ভেড়া, উট ও অন্যান্য প্রাণী থেকেও দুধ উৎপাদিত হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
=== গরুর দুধ ===&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গরুর দুধ বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত প্রাণিজ দুধগুলোর একটি। এটি সরাসরি পান করার পাশাপাশি দই, মাখন, পনির, ছানা, ঘি ও অন্যান্য দুগ্ধজাত খাদ্য তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
=== মহিষের দুধ ===&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মহিষের দুধে সাধারণত গরুর দুধের তুলনায় বেশি চর্বি থাকে। [[দক্ষিণ এশিয়া|দক্ষিণ এশিয়াসহ]] বিভিন্ন অঞ্চলে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
=== ছাগলের দুধ ===&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ছাগলের দুধ বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ক্ষুদ্র খামার ও পারিবারিক পশুপালন ব্যবস্থায় ছাগল দুধের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
=== ভেড়ার দুধ ===&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ভেড়ার দুধ প্রধানত [[ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চল]] ও [[পশ্চিম এশিয়া|পশ্চিম এশিয়ার]] কিছু দেশে ব্যবহৃত হয়। এটি বিভিন্ন ধরনের পনির তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
=== উটের দুধ ===&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শুষ্ক ও মরু অঞ্চলে উটের দুধ গুরুত্বপূর্ণ খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। [[আফ্রিকা]] ও [[এশিয়া|এশিয়ার]] কিছু অঞ্চলে উট পালন ও দুধ উৎপাদন স্থানীয় অর্থনীতির অংশ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== দুধ সংগ্রহ ==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দুধ উৎপাদনের জন্য গৃহপালিত প্রাণী যেমন গরু, মহিষ, ছাগল ও ভেড়া পালন করা হয়। প্রাণী থেকে দুধ হাতে অথবা যান্ত্রিক পদ্ধতিতে দোহন করা হয়। দুধ পচনশীল হওয়ায় সংগ্রহের পর দ্রুত শীতলীকরণ, সংরক্ষণ বা প্রক্রিয়াজাত করা প্রয়োজন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== প্রক্রিয়াজাতকরণ ==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
খাদ্য হিসেবে বাজারজাত করার আগে দুধ বিভিন্নভাবে প্রক্রিয়াজাত করা হয়। [[পাস্তুরায়ণ]] দুধের ক্ষতিকর অণুজীবের সংখ্যা কমানোর একটি প্রচলিত পদ্ধতি। এছাড়া দুধকে [[সমসত্ত্বীকরণ]] করা, ঠান্ডা করা, ঘনীভূত করা বা শুকিয়ে গুঁড়া দুধে পরিণত করা যায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দুধ প্রক্রিয়াজাত করে বিভিন্ন দুগ্ধজাত খাবার তৈরি করা হয়। এসব খাবারের মধ্যে দই, পনির, মাখন, ছানা, ঘি, গুঁড়া দুধ ও আইসক্রিম উল্লেখযোগ্য।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== বিশ্বে দুধ উৎপাদন ==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দুধ বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কৃষিজাত খাদ্যপণ্য। [[জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা]]র তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে বিশ্বে মোট দুধ উৎপাদনের পরিমাণ ছিল প্রায় ৯৮৫ মিলিয়ন টন। এর মধ্যে গরুর দুধের অংশ ছিল প্রায় ৮১ শতাংশ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[ভারত]] বিশ্বের বৃহত্তম দুধ উৎপাদনকারী দেশ। [[যুক্তরাষ্ট্র]], [[পাকিস্তান]], [[চীন]] ও [[ব্রাজিল]]ও বিশ্বের প্রধান দুধ উৎপাদনকারী দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== অর্থনৈতিক গুরুত্ব ==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দুধ উৎপাদন বিশ্বের বহু মানুষের জীবিকার সঙ্গে যুক্ত। বিশেষ করে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে ক্ষুদ্র কৃষক ও পারিবারিক খামারগুলো দুধ উৎপাদনের মাধ্যমে খাদ্য, পুষ্টি ও আয় পেয়ে থাকে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্যের চাহিদা জনসংখ্যা বৃদ্ধি, নগরায়ণ, আয় বৃদ্ধি এবং খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তনের সঙ্গে অনেক দেশে বৃদ্ধি পাচ্ছে। দুধ উৎপাদন কৃষি, পশুপালন, খাদ্যশিল্প ও বাণিজ্যের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== বাংলাদেশে দুধ ==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাংলাদেশে গরু, মহিষ ও ছাগলসহ বিভিন্ন গৃহপালিত প্রাণী থেকে দুধ উৎপাদন করা হয়। দেশে দুধ সরাসরি পান করার পাশাপাশি দই, ছানা, মিষ্টি, ঘি ও অন্যান্য দুগ্ধজাত খাবার তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাংলাদেশের খাদ্যসংস্কৃতিতে দুধের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী মিষ্টান্ন যেমন [[রসগোল্লা]], [[সন্দেশ]], [[ক্ষীর]], [[দুধ চমচম]] ও [[কাঁচাগোল্লা]] তৈরিতে দুধ বা দুধজাত উপাদান ব্যবহৃত হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== স্বাস্থ্য ও পুষ্টি ==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দুধে থাকা প্রোটিন, ক্যালসিয়াম ও বিভিন্ন ভিটামিন শরীরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি সরবরাহ করে। বিশেষ করে ক্যালসিয়াম ও প্রোটিন [[হাড়]] ও [[দাঁত|দাঁতের]] স্বাভাবিক গঠন ও রক্ষণাবেক্ষণে ভূমিকা রাখে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তবে সবার জন্য দুধ সমানভাবে উপযোগী নয়। কিছু মানুষের [[ল্যাক্টোজ অসহিষ্ণুতা]] থাকতে পারে, যার ফলে দুধ পান করার পর হজমজনিত সমস্যা দেখা দিতে পারে। দুধে অ্যালার্জিও কিছু মানুষের ক্ষেত্রে দেখা যায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== আরও দেখুন ==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
* [[মাতৃদুগ্ধ]]&lt;br /&gt;
* [[দুগ্ধজাত খাবার]]&lt;br /&gt;
* [[দুগ্ধ খামার]]&lt;br /&gt;
* [[পাস্তুরায়ণ]]&lt;br /&gt;
* [[দুধের গুঁড়া]]&lt;br /&gt;
* [[দই]]&lt;br /&gt;
* [[পনির]]&lt;br /&gt;
* [[মাখন]]&lt;br /&gt;
* [[ছানা]]&lt;br /&gt;
* [[ঘি]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== তথ্যসূত্র ==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
{{সূত্র তালিকা}}&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Duyel</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%97%E0%A6%B0%E0%A7%81&amp;diff=15397</id>
		<title>গরু</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%97%E0%A6%B0%E0%A7%81&amp;diff=15397"/>
		<updated>2026-09-21T23:52:01Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Duyel: &amp;quot;&amp;#039;&amp;#039;&amp;#039;গরু&amp;#039;&amp;#039;&amp;#039; রোমন্থক প্রাণীদের মধ্যে সবচেয়ে পরিচিত ও উপকারী।&amp;quot; দিয়ে পাতা তৈরি&lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;&#039;&#039;&#039;গরু&#039;&#039;&#039; রোমন্থক প্রাণীদের মধ্যে সবচেয়ে পরিচিত ও উপকারী।&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Duyel</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A7%8B%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BE&amp;diff=15396</id>
		<title>কাঁচাগোল্লা</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A7%8B%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BE&amp;diff=15396"/>
		<updated>2026-09-21T23:51:00Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Duyel: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;&#039;&#039;&#039;কাঁচাগোল্লা&#039;&#039;&#039; বা &#039;&#039;&#039;নাটোরের কাঁচাগোল্লা&#039;&#039;&#039; বাংলাদেশের [[নাটোর জেলা|নাটোর জেলায়]] উৎপন্ন দুধ দিয়ে তৈরি এক ধরনের মিষ্টান্ন। এই মিষ্টান্নটি [[গরু]] এর [[দুধ]] থেকে প্রাপ্ত &#039;&#039;&#039;কাঁচা ছানা&#039;&#039;&#039; দিয়ে প্রস্তুত করা হয় বলে এটি কাঁচাগোল্লা নামে পরিচিত। নাটোরে এর উৎপত্তি হলেও বর্তমানে [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশের]] বিভিন্ন জেলায় এই মিষ্টি পাওয়া যায়। পশ্চিমবঙ্গের কিছু মিষ্টান্ন ভাণ্ডারেও কাঁচাগোল্লা প্রস্তুত করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২০২৩ সালের ৮ আগস্ট নাটোরের এটিকে বাংলাদেশের ১৭তম [[ভৌগোলিক নির্দেশক|জিআই পণ্য]] হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Duyel</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A7%8B%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BE&amp;diff=15395</id>
		<title>কাঁচাগোল্লা</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A7%8B%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BE&amp;diff=15395"/>
		<updated>2026-09-21T23:49:08Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Duyel: নতুন পাতা&lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;&#039;&#039;&#039;কাঁচাগোল্লা&#039;&#039;&#039; বা &#039;&#039;&#039;নাটোরের কাঁচাগোল্লা&#039;&#039;&#039; বাংলাদেশের [[নাটোর জেলা|নাটোর জেলায়]] উৎপন্ন দুধ দিয়ে তৈরি এক ধরনের মিষ্টান্ন। এই মিষ্টান্নটি [[গরু|গরুর]] [[দুধ]] থেকে প্রাপ্ত &#039;&#039;&#039;কাঁচা ছানা&#039;&#039;&#039; দিয়ে প্রস্তুত করা হয় বলে এটি কাঁচাগোল্লা নামে পরিচিত। নাটোরে এর উৎপত্তি হলেও বর্তমানে [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশের]] বিভিন্ন জেলায় এই মিষ্টি পাওয়া যায়। পশ্চিমবঙ্গের কিছু মিষ্টান্ন ভাণ্ডারেও কাঁচাগোল্লা প্রস্তুত করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২০২৩ সালের ৮ আগস্ট নাটোরের এটিকে বাংলাদেশের ১৭তম [[ভৌগোলিক নির্দেশক|জিআই পণ্য]] হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Duyel</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A6%BF%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AE_%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%AF%E0%A6%BC&amp;diff=15394</id>
		<title>কুড়িগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A6%BF%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AE_%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%AF%E0%A6%BC&amp;diff=15394"/>
		<updated>2026-09-20T21:58:49Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Duyel: নতুন পাতা&lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;&#039;&#039;&#039;কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়&#039;&#039;&#039; হচ্ছে বাংলাদেশের কুড়িগ্রামে অবস্থিত একটি সরকারি কৃষিবিষয়ক বিশ্ববিদ্যালয়।&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Duyel</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%9A%E0%A6%BE&amp;diff=15393</id>
		<title>চা</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%9A%E0%A6%BE&amp;diff=15393"/>
		<updated>2026-09-18T21:35:40Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Duyel: নতুন পাতা&lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;&#039;&#039;&#039;চা&#039;&#039;&#039; একটি সুগন্ধযুক্ত ও স্বাদযুক্ত উষ্ণ পানীয়। [[চা বাগান]] থেকে চা পাতা সংগ্রহ করা হয়। চা পাতা পানিতে ফুটিয়ে বা গরম পানিতে ভিজিয়ে চা তৈরি করা হয়।&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Duyel</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%9A%E0%A6%BE_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%A8&amp;diff=15392</id>
		<title>চা বাগান</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%9A%E0%A6%BE_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%A8&amp;diff=15392"/>
		<updated>2026-09-18T21:31:57Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Duyel: নতুন পাতা&lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;&#039;&#039;&#039;চা বাগান&#039;&#039;&#039; হলো এমন একটি বাগান যেখানে [[চা]] গাছ চাষ করা হয়। চা গাছের পাতা সংগ্রহ করে বিভিন্ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে চা তৈরি করা হয়।&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Duyel</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%B9%E0%A6%9C%E0%A6%B0%E0%A6%A4_%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B2&amp;diff=15391</id>
		<title>হজরত শাহজালাল</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%B9%E0%A6%9C%E0%A6%B0%E0%A6%A4_%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B2&amp;diff=15391"/>
		<updated>2026-09-18T21:28:41Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Duyel: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;&#039;&#039;&#039;হজরত শাহজালাল&#039;&#039;&#039; (আরবি: شاه جلال; ১২৭১ – ১৩৪১) ভারতীয় উপমহাদেশের বিখ্যাত সুফি দরবেশ&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Duyel</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A6%B9_%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A8&amp;diff=15390</id>
		<title>শাহ পরান</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A6%B9_%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A8&amp;diff=15390"/>
		<updated>2026-09-18T21:28:02Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Duyel: নতুন পাতা&lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;&#039;&#039;&#039;শাহ পরান&#039;&#039;&#039; ছিলেন চতুর্দশ শতকের সিলেট অঞ্চলের সুফি সাধক।&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Duyel</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%9F_%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%97&amp;diff=15389</id>
		<title>সিলেট বিভাগ</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%9F_%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%97&amp;diff=15389"/>
		<updated>2026-09-18T21:27:31Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Duyel: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;&#039;&#039;&#039;[[সিলেট বিভাগ]]&#039;&#039;&#039; [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশের]] উত্তর-পূর্বাঞ্চলের একটি [[বাংলাদেশের প্রশাসনিক অঞ্চল|প্রশাসনিক বিভাগ]]। এটি দেশের অন্যতম প্রাচীন এবং ঐতিহ্যবাহী বিভাগ, যা প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, [[চা বাগান]], পাহাড়ি এলাকা এবং [[হজরত শাহজালাল]] ও [[শাহ পরান]] (রহ.) এর মাজারের জন্য পরিচিত। [[সিলেট বিভাগের জেলা|সিলেট বিভাগে ৪টি জেলা]] রয়েছে।&amp;lt;ref&amp;gt;https://bn.banglapedia.org/index.php/%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%9F_%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%97&amp;lt;/ref&amp;gt; &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
{{তথ্যছক বিভাগ|name=সিলেট বিভাগ|image=বিভাগীয় সদরদ্প্তর সিলেট.png|established_date=১৯৯৫|divisional_commissioner=[[খান মোঃ রেজা-উন-নবী]]|caption=বিভাগীয় সদরদপ্তর-এর ছবি (সিলেট বিভাগ)|parliamentary_seats=১৯ টি (সিলেট: ০৬টি; সুনামগঞ্জ :০৫টি ; মৌলভীবাজার: ০৪টি; হবিগঞ্জ: ০৪টি)|area_total_km2=১২,৫৫৮ (বার হাজার পাঁচশত আটান্ন)|population_total=১,১০,৩৪,৮৬৩|districts=৪টি|upazilas=৪১টি|time_zone=[[জিএমটি +৬]] (GMT+6)|utc_offset=+৬:০০|major_rivers=সুরমা, কুশিয়ারা, কালনী ও যাদুকাটা|key_cities=[[সিলেট]], [[সুনামগঞ্জ]], [[মৌলভীবাজার]] ও [[হবিগঞ্জ]]|transport_systems=[[সড়ক পথ]], [[আকাশ পথ]] ও [[রেল পথ]]|website=https://www.sylhetdiv.gov.bd/}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==ইতিহাস==&lt;br /&gt;
সিলেট বিভাগ গঠনের ইতিহাস দীর্ঘ এবং ঐতিহাসিক ঘটনাবলীর সঙ্গে জড়িত। ১৭৭২ সালের ১৭ মার্চ [[সিলেট জেলা]] প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৮৭৪ সাল পর্যন্ত এটি [[ঢাকা বিভাগ|ঢাকা বিভাগের]] অন্তর্ভুক্ত ছিল। একই বছর [[সিলেট জেলা|সিলেটকে]] নবগঠিত [[আসাম প্রদেশ|আসাম প্রদেশের]] অংশ করা হয়। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের সময় গণভোটের মাধ্যমে [[সিলেট জেলা]] তৎকালীন [[পূর্ব পাকিস্তান|পূর্ব পাকিস্তানে]] অন্তর্ভুক্ত হয়। এই সময় সিলেট [[চট্টগ্রাম বিভাগ|চট্টগ্রাম বিভাগের]] আওতাধীন ছিল। ১৯৮৩-৮৪ সালে বৃহত্তর [[সিলেট জেলা]] ভেঙে ৪টি নতুন জেলা ([[সিলেট বিভাগের জেলা|সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ]]) গঠিত হয়। ১৯৯৫ সালে বৃহত্তর সিলেটের এই চারটি জেলা নিয়ে সিলেট বিভাগ গঠিত হয়। এটি দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের একটি স্বতন্ত্র প্রশাসনিক বিভাগ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। সিলেট বিভাগের প্রথম বিভাগীয় কমিশনার ছিলেন মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান। সিলেট বিভাগের ইতিহাসে এ অঞ্চল তার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, চা-বাগান, হাওর অঞ্চল এবং সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের জন্য বিখ্যাত।&amp;lt;ref name=&amp;quot;:0&amp;quot; /&amp;gt;  &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
===সিলেট নামের উৎপত্তি===&lt;br /&gt;
সিলেট নামের উৎপত্তি নিয়ে বিভিন্ন মতবাদ রয়েছে। [[গৌড় রাজ্য|গৌড়ের রাজা]] গুহক তার কন্যা শীলাদেবীর নামে ‘শীলাহাট’ স্থাপন করেন, যা থেকে ‘সিলট’ বা ‘সিলেট’ নামের উৎপত্তি হতে পারে। [[হিন্দু পুরাণ]] অনুযায়ী, সতীদেবীর দুটি হাড় সিলেটে পড়েছিল। তার অপর নাম ‘শ্রী’, তাই ‘শ্রী + হড্ড’ থেকে ‘শ্রীহট্ট’ নামটি এসেছে। ৬৪০ খ্রিস্টাব্দে [[হিউয়েন সাং]] তার ভ্রমণ বিবরণীতে সিলেটকে ‘শি-লি-চা-ত-ল’ বলেন। [[আল্ বেরুনী|আল্ বেরুনীর]] ‘[[কিতাবুল হিন্দ]]’ গ্রন্থে এটি ‘সীলাহেত’ নামে উল্লেখিত। ইংরেজ শাসনে, কাছাড়ের সদর স্টেশন ‘Silchar’ থেকে পার্থক্য করতে ‘Sylhet’ নামটি চালু হয়। এভাবেই সিলেট নামটি প্রতিষ্ঠিত হয়।&amp;lt;ref name=&amp;quot;:0&amp;quot;&amp;gt;https://www.sylhetdiv.gov.bd/bn/site/page/a8xo-%E0%A6%8F%E0%A6%95-%E0%A6%A8%E0%A6%9C%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%9F-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%97&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
==ভৌগোলিক বিবরণ==  &lt;br /&gt;
===অবস্থান===  &lt;br /&gt;
সিলেট বিভাগ ২৩°৫৮´উত্তর অক্ষাংশ থেকে ২৫°১২´উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯০°৫৬´পূর্ব দ্রাঘিমাংশ থেকে ৯২°৩০´পূর্ব দ্রাঘিমাংশের মধ্যে অবস্থিত। এর সীমানা:  &lt;br /&gt;
*উত্তরে: ভারতের মেঘালয় রাজ্য।&lt;br /&gt;
*দক্ষিণে: ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য ও বাংলাদেশের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা।&lt;br /&gt;
*পূর্বে: ভারতের আসাম ও ত্রিপুরা রাজ্য।&lt;br /&gt;
*পশ্চিমে: নেত্রকোনা ও কিশোরগঞ্জ জেলা।&lt;br /&gt;
===আয়তন===  &lt;br /&gt;
সিলেট বিভাগের মোট আয়তন ১২,৫৫৮ বর্গ কিলোমিটার। জেলার ভিত্তিতে আয়তন:  &lt;br /&gt;
*[[সিলেট জেলা]]: ৩,৪৫২ বর্গ কিলোমিটার।&lt;br /&gt;
*[[সুনামগঞ্জ জেলা]]: ৩,৬৭০ বর্গ কিলোমিটার।&lt;br /&gt;
*[[মৌলভীবাজার জেলা]]: ২,৭৯৯ বর্গ কিলোমিটার।&lt;br /&gt;
*[[হবিগঞ্জ জেলা]]: ২,৬৩৭ বর্গ কিলোমিটার।&lt;br /&gt;
আয়তনের দিক থেকে সুনামগঞ্জ জেলা সর্ববৃহৎ এবং হবিগঞ্জ জেলা সর্বক্ষুদ্র।  &lt;br /&gt;
===ভূপ্রকৃতি===  &lt;br /&gt;
সিলেট বিভাগের উত্তর, পূর্ব ও দক্ষিণ দিকে উঁচু পর্বতশ্রেণীর পাহাড়ি অঞ্চল বিদ্যমান। মেঘালয়, খাসিয়া, জৈন্তিয়া, ও ত্রিপুরা পাহাড় এই অঞ্চলের প্রাকৃতিক সীমানা তৈরি করেছে। অভ্যন্তরীণ এলাকা মূলত সমতল, যেখানে রয়েছে ছোট ছোট টিলা ও জঙ্গল।  &lt;br /&gt;
==প্রশাসনিক বিবরণ==  &lt;br /&gt;
*[[সিলেট বিভাগের জেলা|জেলা]]: ৪টি&lt;br /&gt;
*[[সিলেট বিভাগের সংসদীয় আসন|সংসদীয় আসন]]: ১৯টি।&lt;br /&gt;
*[[সিলেট বিভাগের উপজেলা|উপজেলা]]: ৪১টি।&lt;br /&gt;
*[[সিলেট বিভাগের থানা|থানা]]: ৪৪টি।&lt;br /&gt;
*[[সিলেট বিভাগের সীমান্তবর্তী উপজেলা|সীমান্তবর্তী উপজেলা]]: ১৯টি।&lt;br /&gt;
===[[সিলেট বিভাগের স্থানীয় সরকার|স্থানীয় সরকার]]===  &lt;br /&gt;
*সিটি কর্পোরেশন: ১টি ([[সিলেট সিটি কর্পোরেশন]])।&lt;br /&gt;
*পৌরসভা: ২০টি।&lt;br /&gt;
*ইউনিয়ন: ৩৩৮টি।&lt;br /&gt;
==[[সিলেট বিভাগের জনসংখ্যা|জনসংখ্যা]]==  &lt;br /&gt;
[[সিলেট বিভাগ]] বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক অঞ্চল। ২০২১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী, সিলেট বিভাগের মোট জনসংখ্যা ১,১০,৩৪,৮৬৩ জন। এর মধ্যে গ্রামীণ জনসংখ্যা ৮৯,৬৩,৬৩৯ জন (৮১.২৩%) এবং শহুরে জনসংখ্যা ২০,৬৫,১২৩ জন (১৮.৭৭%)। সিলেট বিভাগের জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ৮৭৩ জন।&lt;br /&gt;
===বিভাগীয় জনসংখ্যা (জেলা অনুযায়ী)===&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;&#039;সিলেট জেলা&#039;&#039;&#039;: ৩৮,৫৭,০৩৭ জন&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;&#039;সুনামগঞ্জ জেলা&#039;&#039;&#039;: ২৬,৯৫,৪৯৫ জন&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;&#039;মৌলভীবাজার জেলা&#039;&#039;&#039;: ২১,২৩,৪৪৫ জন&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;&#039;হবিগঞ্জ জেলা&#039;&#039;&#039;: ২৩,৫৮,৮৮৬ জন&lt;br /&gt;
===ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠি===&lt;br /&gt;
সিলেট বিভাগে বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠির বসবাস রয়েছে, যার মধ্যে প্রধানতম হল:&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;&#039;মনিপুরি&#039;&#039;&#039;&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;&#039;খাসিয়া&#039;&#039;&#039;&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;&#039;গারো&#039;&#039;&#039;&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;&#039;পাত্র&#039;&#039;&#039;&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;&#039;লুসাই&#039;&#039;&#039;&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;&#039;হাজং&#039;&#039;&#039;&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;&#039;সাওতাল&#039;&#039;&#039;&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;&#039;ত্রিপুরা&#039;&#039;&#039;&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;&#039;টিপরা&#039;&#039;&#039;&lt;br /&gt;
===ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠির জনসংখ্যা===&lt;br /&gt;
সিলেট বিভাগে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠির মোট জনসংখ্যা ১,৩৬,৫৯৪ জন, যা বিভাগীয় মোট জনসংখ্যার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ।&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;&#039;সিলেট জেলা&#039;&#039;&#039;: ১৬,৪৫,৮৫৮ জন&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;&#039;সুনামগঞ্জ জেলা&#039;&#039;&#039;: ৫,২৮,৫৭ জন&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;&#039;মৌলভীবাজার জেলা&#039;&#039;&#039;: ৭৩,২৮৮ জন&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;&#039;হবিগঞ্জ জেলা&#039;&#039;&#039;: ৪১,৫৩,৬৮০ জন&lt;br /&gt;
সিলেট বিভাগের জনসংখ্যা বৈচিত্র্যময়, যেখানে শহর ও গ্রামাঞ্চলের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে এবং ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠির উপস্থিতি বিভাগের সাংস্কৃতিক ও সামাজিক বৈচিত্র্যকে প্রতিফলিত করে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==[[সিলেট বিভাগের পর্যটন|উল্লেখযোগ্য পর্যটন কেন্দ্র]]==  &lt;br /&gt;
*[[সিলেট জেলার পর্যটন|সিলেট জেলা]]: হযরত শাহজালাল (রঃ) ও শাহপরাণ (রঃ) এর মাজার, জাফলং, রাতারগুল।&lt;br /&gt;
*[[সুনামগঞ্জ জেলার পর্যটন|সুনামগঞ্জ জেলা]]: টাঙ্গুয়ার হাওর, হাছন রাজার বাড়ি।&lt;br /&gt;
*[[মৌলভীবাজার জেলার পর্যটন|মৌলভীবাজার জেলা]]: মাধবকুন্ড জলপ্রপাত, লাউয়াছড়া উদ্যান।&lt;br /&gt;
*[[হবিগঞ্জ জেলার পর্যটন|হবিগঞ্জ জেলা]]: সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==[[সিলেট বিভাগে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি|মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি]]==  &lt;br /&gt;
*[[সিলেট জেলায় মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি|সিলেট জেলা]]: জেনারেল এম এ জি ওসমানীর কবর।&lt;br /&gt;
*[[সুনামগঞ্জ জেলায় মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি|সুনামগঞ্জ জেলা]]: ডলুরা স্মৃতিস্তম্ভ।&lt;br /&gt;
*[[মৌলভীবাজার জেলায় মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি|মৌলভীবাজার জেলা]]: বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মেমোরিয়াল টাওয়ার।&lt;br /&gt;
*[[হবিগঞ্জ জেলায় মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি|হবিগঞ্জ জেলা]]: তেলিয়াপাড়া স্মৃতিসৌধ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==সিলেট বিভাগের নদনদী|উল্লেখযোগ্য নদী==  &lt;br /&gt;
*[[সিলেট জেলার নদনদী|সিলেট অঞ্চল]]: সুরমা, কুশিয়ারা, সারি।&lt;br /&gt;
*[[সুনামগঞ্জ জেলার নদনদী|সুনামগঞ্জ অঞ্চল]]: কালনী, সুরমা, যাদুকাটা।&lt;br /&gt;
*[[মৌলভীবাজার জেলার নদনদী|মৌলভীবাজার অঞ্চল]]: মনু, ধলাই।&lt;br /&gt;
*[[হবিগঞ্জ জেলার নদনদী|হবিগঞ্জ অঞ্চল]]: খোয়াই, সুতাং।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==[[বাংলাদেশের হাওর|হাওর]]==  &lt;br /&gt;
*[[হাকালুকি]], [[টাঙ্গুয়ার হাওর]], [[দেখার হাওর]]।&lt;br /&gt;
==জনসংখ্যা ও অর্থনীতি==  &lt;br /&gt;
সিলেট বিভাগ একটি জনবহুল এবং বৈদেশিক আয়ের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল। এখানকার অধিকাংশ মানুষ [[প্রবাসী]] রেমিট্যান্সের উপর নির্ভরশীল। [[চা শিল্প]] এবং [[হাওর এলাকা|হাওর অঞ্চলের]] কৃষি এই বিভাগের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।  &lt;br /&gt;
==সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য==  &lt;br /&gt;
সিলেটের সংস্কৃতি তার বৈচিত্র্যময় ঐতিহ্য এবং [[বাউল গান]] ও [[লোকগীতি|লোকসংগীতের]] জন্য পরিচিত। এখানে [[সুফি ধারার]] প্রভাব এবং বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের সহাবস্থান লক্ষ্য করা যায়।  &lt;br /&gt;
==পরিবহন==  &lt;br /&gt;
সিলেট বিভাগে [[রেলওয়ে|রেল]], [[সড়ক]], এবং [[বিমানপথ|বিমানপথে]] দেশের অন্যান্য অঞ্চলের সাথে সহজ যোগাযোগ ব্যবস্থা রয়েছে। [[ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর]] দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দর।&amp;lt;ref&amp;gt;https://www.caab.gov.bd/airports/osmani&amp;lt;/ref&amp;gt;  &lt;br /&gt;
==আরও পড়ুন==  &lt;br /&gt;
*[[বাংলাদেশের প্রশাসনিক অঞ্চল]]&lt;br /&gt;
*[[বাংলাদেশের বিভাগ|বাংলাদেশের বিভাগসমূহ]]&lt;br /&gt;
*[[সিলেট]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==তথ‍্যসূত্র==  &lt;br /&gt;
{{সূত্র তালিকা}}  &lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের বিভাগ]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:সিলেট বিভাগ]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Duyel</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%B9%E0%A6%9C%E0%A6%B0%E0%A6%A4_%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B2&amp;diff=15388</id>
		<title>হজরত শাহজালাল</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%B9%E0%A6%9C%E0%A6%B0%E0%A6%A4_%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B2&amp;diff=15388"/>
		<updated>2026-09-18T21:25:55Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Duyel: &amp;quot;শাহ পরান ছিলেন চতুর্দশ শতকের সিলেট অঞ্চলের সুফি সাধক&amp;quot; দিয়ে পাতা তৈরি&lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;শাহ পরান ছিলেন চতুর্দশ শতকের সিলেট অঞ্চলের সুফি সাধক&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Duyel</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%A3%E0%A7%80:%E0%A6%AE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%82%E0%A6%B9_%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%B0_%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BE&amp;diff=15387</id>
		<title>বিষয়শ্রেণী:ময়মনসিংহ বিভাগের জেলা</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%A3%E0%A7%80:%E0%A6%AE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%82%E0%A6%B9_%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%B0_%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BE&amp;diff=15387"/>
		<updated>2026-09-18T21:23:55Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Duyel: নতুন পাতা&lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের জেলা]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Duyel</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%AE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%82%E0%A6%B9_%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%97&amp;diff=15386</id>
		<title>ময়মনসিংহ বিভাগ</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%AE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%82%E0%A6%B9_%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%97&amp;diff=15386"/>
		<updated>2026-09-17T21:44:27Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Duyel: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;&#039;&#039;&#039;ময়মনসিংহ বিভাগ&#039;&#039;&#039; বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলে অবস্থিত একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। এটি উত্তরে জামালপুর, পূর্বে নেত্রকোণা, পশ্চিমে রাজবাড়ী, এবং দক্ষিণে ঢাকার সাথে সীমান্ত ভাগ করে। ময়মনসিংহ শহর এই বিভাগের প্রধান শহর এবং প্রশাসনিক কেন্দ্র। বিভাগটি ২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। [[ময়মনসিংহ জেলা]] এর পূর্বে যা [[ঢাকা বিভাগ|ঢাকা বিভাগের]] একটি অংশ ছিল। বিভাগের প্রতিষ্ঠার পর থেকে এটি তার নিজস্ব প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা শুরু করে এবং এর শিক্ষা, কৃষি ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এসেছে।। এর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে কৃষি ও শিক্ষা ক্ষেত্রে। ময়মনসিংহ বিভাগের আয়তন ৪,৩৭০ বর্গকিলোমিটার এবং ২০২২ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী, এর মোট জনসংখ্যা ৪,৫২,০০,০০০।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|শিরোনাম=জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২|ইউআরএল=https://bbs.portal.gov.bd/sites/default/files/files/bbs.portal.gov.bd/page/b343a8b4_956b_45ca_872f_4cf9b2f1a6e0/2024-01-31-15-51-b53c55dd692233ae401ba013060b9cbb.pdf|সংগ্রহের-তারিখ=২০২৪-০৯-২৫|ওয়েবসাইট=বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==প্রশাসনিক জেলা==&lt;br /&gt;
ময়মনসিংহ বিভাগে মোট ৪টি জেলা রয়েছে:&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
{| class=&amp;quot;wikitable&amp;quot;&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
!ক্রম!!জেলা!!প্রশাসনিক কেন্দ্র!!এলাকা (km²)!!জনসংখ্যা (২০২২)&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|[[ময়মনসিংহ জেলা]]||ময়মনসিংহ||৩,০২৪.৩||৪,৫২,০০,০০০&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|[[জামালপুর জেলা]]||জামালপুর||৩,৪৯৯.৪||২,৭৩,০০০&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|[[নেত্রকোণা জেলা]]||নেত্রকোণা||৩,৪২৫.৬||২,১৮,০০০&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|[[শেরপুর জেলা]]||শেরপুর||১,৫১২.৮||১,৫৫,০০০&lt;br /&gt;
|}&lt;br /&gt;
==শিক্ষাব্যবস্থা==&lt;br /&gt;
ময়মনসিংহ বিভাগে অনেক গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যার মধ্যে ময়মনসিংহ শহরের [[ময়মনসিংহ বিশ্ববিদ্যালয়]] উল্লেখযোগ্য। এছাড়া, জামালপুর এবং নেত্রকোণা জেলার বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে।&lt;br /&gt;
==শিল্প==&lt;br /&gt;
ময়মনসিংহ বিভাগের প্রধান শিল্প হল কৃষি। এখানে প্রধানত ধান, গম, পাট, শাকসবজি, এবং ফলমূল উৎপাদিত হয়। এছাড়া, ময়মনসিংহে হস্তশিল্প এবং পাটশিল্পও গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড। &lt;br /&gt;
==সংবাদপত্র এবং পত্রিকা==&lt;br /&gt;
ময়মনসিংহ বিভাগের কিছু প্রখ্যাত সংবাদপত্র ও পত্রিকা:&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;দৈনিক ময়মনসিংহ প্রতিদিন&#039;&#039;&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;দৈনিক জামালপুর কণ্ঠ&#039;&#039;&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;দৈনিক নেত্রকোণা নিউজ&#039;&#039;&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;ময়মনসিংহ ডেইলি&#039;&#039;&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;জামালপুর টাইমস&#039;&#039;&lt;br /&gt;
==উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিবর্গ==&lt;br /&gt;
*[[শাহ্ আবদুল হান্নান]] - রাজনীতিবিদ&lt;br /&gt;
*[[মুহাম্মদ শফী]] - সাহিত্যিক&lt;br /&gt;
*[[নজরুল ইসলাম]] - গণতান্ত্রিক আন্দোলনের নেতা&lt;br /&gt;
*[[মো. সেলিম]] - সাংবাদিক&lt;br /&gt;
==তথ্যসূত্র==&lt;br /&gt;
{{সূত্র তালিকা}}&lt;br /&gt;
==বহিঃসংযোগ==&lt;br /&gt;
*[http://www.mymensinghdiv.gov.bd/ ময়মনসিংহ বিভাগের সরকারি ওয়েবসাইট]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের বিভাগ]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Duyel</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%AE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%82%E0%A6%B9_%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%97&amp;diff=15385</id>
		<title>ময়মনসিংহ বিভাগ</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%AE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%82%E0%A6%B9_%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%97&amp;diff=15385"/>
		<updated>2026-09-17T21:43:26Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Duyel: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;&#039;&#039;&#039;ময়মনসিংহ বিভাগ&#039;&#039;&#039; বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলে অবস্থিত একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। এটি ২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। [[ময়মনসিংহ জেলা]] এর পূর্বে যা [[ঢাকা বিভাগ|ঢাকা বিভাগের]] একটি অংশ ছিল। বিভাগের প্রতিষ্ঠার পর থেকে এটি তার নিজস্ব প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা শুরু করে এবং এর শিক্ষা, কৃষি ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এসেছে।। এর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে কৃষি ও শিক্ষা ক্ষেত্রে। ময়মনসিংহ বিভাগের আয়তন ৪,৩৭০ বর্গকিলোমিটার এবং ২০২২ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী, এর মোট জনসংখ্যা ৪,৫২,০০,০০০।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|শিরোনাম=জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২|ইউআরএল=https://bbs.portal.gov.bd/sites/default/files/files/bbs.portal.gov.bd/page/b343a8b4_956b_45ca_872f_4cf9b2f1a6e0/2024-01-31-15-51-b53c55dd692233ae401ba013060b9cbb.pdf|সংগ্রহের-তারিখ=২০২৪-০৯-২৫|ওয়েবসাইট=বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন}}&amp;lt;/ref&amp;gt; এটি উত্তরে জামালপুর, পূর্বে নেত্রকোণা, পশ্চিমে রাজবাড়ী, এবং দক্ষিণে ঢাকার সাথে সীমান্ত ভাগ করে। ময়মনসিংহ শহর এই বিভাগের প্রধান শহর এবং প্রশাসনিক কেন্দ্র।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==প্রশাসনিক জেলা==&lt;br /&gt;
ময়মনসিংহ বিভাগে মোট ৪টি জেলা রয়েছে:&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
{| class=&amp;quot;wikitable&amp;quot;&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
!ক্রম!!জেলা!!প্রশাসনিক কেন্দ্র!!এলাকা (km²)!!জনসংখ্যা (২০২২)&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|[[ময়মনসিংহ জেলা]]||ময়মনসিংহ||৩,০২৪.৩||৪,৫২,০০,০০০&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|[[জামালপুর জেলা]]||জামালপুর||৩,৪৯৯.৪||২,৭৩,০০০&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|[[নেত্রকোণা জেলা]]||নেত্রকোণা||৩,৪২৫.৬||২,১৮,০০০&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|[[শেরপুর জেলা]]||শেরপুর||১,৫১২.৮||১,৫৫,০০০&lt;br /&gt;
|}&lt;br /&gt;
==শিক্ষাব্যবস্থা==&lt;br /&gt;
ময়মনসিংহ বিভাগে অনেক গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যার মধ্যে ময়মনসিংহ শহরের [[ময়মনসিংহ বিশ্ববিদ্যালয়]] উল্লেখযোগ্য। এছাড়া, জামালপুর এবং নেত্রকোণা জেলার বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে।&lt;br /&gt;
==শিল্প==&lt;br /&gt;
ময়মনসিংহ বিভাগের প্রধান শিল্প হল কৃষি। এখানে প্রধানত ধান, গম, পাট, শাকসবজি, এবং ফলমূল উৎপাদিত হয়। এছাড়া, ময়মনসিংহে হস্তশিল্প এবং পাটশিল্পও গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড। &lt;br /&gt;
==সংবাদপত্র এবং পত্রিকা==&lt;br /&gt;
ময়মনসিংহ বিভাগের কিছু প্রখ্যাত সংবাদপত্র ও পত্রিকা:&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;দৈনিক ময়মনসিংহ প্রতিদিন&#039;&#039;&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;দৈনিক জামালপুর কণ্ঠ&#039;&#039;&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;দৈনিক নেত্রকোণা নিউজ&#039;&#039;&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;ময়মনসিংহ ডেইলি&#039;&#039;&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;জামালপুর টাইমস&#039;&#039;&lt;br /&gt;
==উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিবর্গ==&lt;br /&gt;
*[[শাহ্ আবদুল হান্নান]] - রাজনীতিবিদ&lt;br /&gt;
*[[মুহাম্মদ শফী]] - সাহিত্যিক&lt;br /&gt;
*[[নজরুল ইসলাম]] - গণতান্ত্রিক আন্দোলনের নেতা&lt;br /&gt;
*[[মো. সেলিম]] - সাংবাদিক&lt;br /&gt;
==তথ্যসূত্র==&lt;br /&gt;
{{সূত্র তালিকা}}&lt;br /&gt;
==বহিঃসংযোগ==&lt;br /&gt;
*[http://www.mymensinghdiv.gov.bd/ ময়মনসিংহ বিভাগের সরকারি ওয়েবসাইট]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের বিভাগ]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Duyel</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%AE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%82%E0%A6%B9_%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%97&amp;diff=15384</id>
		<title>ময়মনসিংহ বিভাগ</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%AE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%82%E0%A6%B9_%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%97&amp;diff=15384"/>
		<updated>2026-09-17T21:43:03Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Duyel: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;&#039;&#039;&#039;ময়মনসিংহ বিভাগ&#039;&#039;&#039; বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলে অবস্থিত একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। এটি ২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। [[ময়মনসিংহ জেলা]] এর পূর্বে যা [[ঢাকা বিভাগ|ঢাকা বিভাগের]] একটি অংশ ছিল। বিভাগের প্রতিষ্ঠার পর থেকে এটি তার নিজস্ব প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা শুরু করে এবং এর শিক্ষা, কৃষি ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এসেছে।। এর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে কৃষি ও শিক্ষা ক্ষেত্রে। ময়মনসিংহ বিভাগের আয়তন ৪,৩৭০ বর্গকিলোমিটার এবং ২০২২ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী, এর মোট জনসংখ্যা ৪,৫২,০০,০০০।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|শিরোনাম=জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২|ইউআরএল=https://bbs.portal.gov.bd/sites/default/files/files/bbs.portal.gov.bd/page/b343a8b4_956b_45ca_872f_4cf9b2f1a6e0/2024-01-31-15-51-b53c55dd692233ae401ba013060b9cbb.pdf|সংগ্রহের-তারিখ=২০২৪-০৯-২৫|ওয়েবসাইট=বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==ভৌগোলিক অবস্থ&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==প্রশাসনিক জেলা==&lt;br /&gt;
ময়মনসিংহ বিভাগে মোট ৪টি জেলা রয়েছে:&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
{| class=&amp;quot;wikitable&amp;quot;&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
!ক্রম!!জেলা!!প্রশাসনিক কেন্দ্র!!এলাকা (km²)!!জনসংখ্যা (২০২২)&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|[[ময়মনসিংহ জেলা]]||ময়মনসিংহ||৩,০২৪.৩||৪,৫২,০০,০০০&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|[[জামালপুর জেলা]]||জামালপুর||৩,৪৯৯.৪||২,৭৩,০০০&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|[[নেত্রকোণা জেলা]]||নেত্রকোণা||৩,৪২৫.৬||২,১৮,০০০&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|[[শেরপুর জেলা]]||শেরপুর||১,৫১২.৮||১,৫৫,০০০&lt;br /&gt;
|}&lt;br /&gt;
==শিক্ষাব্যবস্থা==&lt;br /&gt;
ময়মনসিংহ বিভাগে অনেক গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যার মধ্যে ময়মনসিংহ শহরের [[ময়মনসিংহ বিশ্ববিদ্যালয়]] উল্লেখযোগ্য। এছাড়া, জামালপুর এবং নেত্রকোণা জেলার বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে।&lt;br /&gt;
==শিল্প==&lt;br /&gt;
ময়মনসিংহ বিভাগের প্রধান শিল্প হল কৃষি। এখানে প্রধানত ধান, গম, পাট, শাকসবজি, এবং ফলমূল উৎপাদিত হয়। এছাড়া, ময়মনসিংহে হস্তশিল্প এবং পাটশিল্পও গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড। &lt;br /&gt;
==সংবাদপত্র এবং পত্রিকা==&lt;br /&gt;
ময়মনসিংহ বিভাগের কিছু প্রখ্যাত সংবাদপত্র ও পত্রিকা:&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;দৈনিক ময়মনসিংহ প্রতিদিন&#039;&#039;&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;দৈনিক জামালপুর কণ্ঠ&#039;&#039;&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;দৈনিক নেত্রকোণা নিউজ&#039;&#039;&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;ময়মনসিংহ ডেইলি&#039;&#039;&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;জামালপুর টাইমস&#039;&#039;&lt;br /&gt;
==উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিবর্গ==&lt;br /&gt;
*[[শাহ্ আবদুল হান্নান]] - রাজনীতিবিদ&lt;br /&gt;
*[[মুহাম্মদ শফী]] - সাহিত্যিক&lt;br /&gt;
*[[নজরুল ইসলাম]] - গণতান্ত্রিক আন্দোলনের নেতা&lt;br /&gt;
*[[মো. সেলিম]] - সাংবাদিক&lt;br /&gt;
==তথ্যসূত্র==&lt;br /&gt;
{{সূত্র তালিকা}}&lt;br /&gt;
==বহিঃসংযোগ==&lt;br /&gt;
*[http://www.mymensinghdiv.gov.bd/ ময়মনসিংহ বিভাগের সরকারি ওয়েবসাইট]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের বিভাগ]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Duyel</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%AE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%82%E0%A6%B9_%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%97&amp;diff=15383</id>
		<title>ময়মনসিংহ বিভাগ</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%AE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%82%E0%A6%B9_%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%97&amp;diff=15383"/>
		<updated>2026-09-17T21:41:33Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Duyel: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;&#039;&#039;&#039;ময়মনসিংহ বিভাগ&#039;&#039;&#039; বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলে অবস্থিত একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। এটি ২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। [[ময়মনসিংহ জেলা]] এর পূর্বে যা [[ঢাকা বিভাগ|ঢাকা বিভাগের]] একটি অংশ ছিল। বিভাগের প্রতিষ্ঠার পর থেকে এটি তার নিজস্ব প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা শুরু করে এবং এর শিক্ষা, কৃষি ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এসেছে।। এর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে কৃষি ও শিক্ষা ক্ষেত্রে। ময়মনসিংহ বিভাগের আয়তন ৪,৩৭০ বর্গকিলোমিটার এবং ২০২২ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী, এর মোট জনসংখ্যা ৪,৫২,০০,০০০।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|শিরোনাম=জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২|ইউআরএল=https://bbs.portal.gov.bd/sites/default/files/files/bbs.portal.gov.bd/page/b343a8b4_956b_45ca_872f_4cf9b2f1a6e0/2024-01-31-15-51-b53c55dd692233ae401ba013060b9cbb.pdf|সংগ্রহের-তারিখ=২০২৪-০৯-২৫|ওয়েবসাইট=বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==ভৌগোলিক অবস্থান==&lt;br /&gt;
ময়মনসিংহ বিভাগ বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলে অবস্থিত। এটি উত্তরে জামালপুর, পূর্বে নেত্রকোণা, পশ্চিমে রাজবাড়ী, এবং দক্ষিণে ঢাকার সাথে সীমান্ত ভাগ করে। ময়মনসিংহ শহর এই বিভাগের প্রধান শহর এবং প্রশাসনিক কেন্দ্র।&lt;br /&gt;
==প্রশাসনিক জেলা==&lt;br /&gt;
ময়মনসিংহ বিভাগে মোট ৪টি জেলা রয়েছে:&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
{| class=&amp;quot;wikitable&amp;quot;&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
!ক্রম!!জেলা!!প্রশাসনিক কেন্দ্র!!এলাকা (km²)!!জনসংখ্যা (২০২২)&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|[[ময়মনসিংহ জেলা]]||ময়মনসিংহ||৩,০২৪.৩||৪,৫২,০০,০০০&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|[[জামালপুর জেলা]]||জামালপুর||৩,৪৯৯.৪||২,৭৩,০০০&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|[[নেত্রকোণা জেলা]]||নেত্রকোণা||৩,৪২৫.৬||২,১৮,০০০&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|[[শেরপুর জেলা]]||শেরপুর||১,৫১২.৮||১,৫৫,০০০&lt;br /&gt;
|}&lt;br /&gt;
==শিক্ষাব্যবস্থা==&lt;br /&gt;
ময়মনসিংহ বিভাগে অনেক গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যার মধ্যে ময়মনসিংহ শহরের [[ময়মনসিংহ বিশ্ববিদ্যালয়]] উল্লেখযোগ্য। এছাড়া, জামালপুর এবং নেত্রকোণা জেলার বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে।&lt;br /&gt;
==শিল্প==&lt;br /&gt;
ময়মনসিংহ বিভাগের প্রধান শিল্প হল কৃষি। এখানে প্রধানত ধান, গম, পাট, শাকসবজি, এবং ফলমূল উৎপাদিত হয়। এছাড়া, ময়মনসিংহে হস্তশিল্প এবং পাটশিল্পও গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড। &lt;br /&gt;
==সংবাদপত্র এবং পত্রিকা==&lt;br /&gt;
ময়মনসিংহ বিভাগের কিছু প্রখ্যাত সংবাদপত্র ও পত্রিকা:&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;দৈনিক ময়মনসিংহ প্রতিদিন&#039;&#039;&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;দৈনিক জামালপুর কণ্ঠ&#039;&#039;&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;দৈনিক নেত্রকোণা নিউজ&#039;&#039;&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;ময়মনসিংহ ডেইলি&#039;&#039;&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;জামালপুর টাইমস&#039;&#039;&lt;br /&gt;
==উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিবর্গ==&lt;br /&gt;
*[[শাহ্ আবদুল হান্নান]] - রাজনীতিবিদ&lt;br /&gt;
*[[মুহাম্মদ শফী]] - সাহিত্যিক&lt;br /&gt;
*[[নজরুল ইসলাম]] - গণতান্ত্রিক আন্দোলনের নেতা&lt;br /&gt;
*[[মো. সেলিম]] - সাংবাদিক&lt;br /&gt;
==তথ্যসূত্র==&lt;br /&gt;
{{সূত্র তালিকা}}&lt;br /&gt;
==বহিঃসংযোগ==&lt;br /&gt;
*[http://www.mymensinghdiv.gov.bd/ ময়মনসিংহ বিভাগের সরকারি ওয়েবসাইট]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের বিভাগ]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Duyel</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%AE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%82%E0%A6%B9_%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%97&amp;diff=15382</id>
		<title>ময়মনসিংহ বিভাগ</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%AE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%82%E0%A6%B9_%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%97&amp;diff=15382"/>
		<updated>2026-09-17T21:40:43Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Duyel: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;&#039;&#039;&#039;ময়মনসিংহ বিভাগ&#039;&#039;&#039; বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলে অবস্থিত একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। এটি ২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়,এবং এর পূর্বে [[ময়মনসিংহ জেলা]] যা [[ঢাকা বিভাগ|ঢাকা বিভাগের]] একটি অংশ ছিল। বিভাগের প্রতিষ্ঠার পর থেকে এটি তার নিজস্ব প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা শুরু করে এবং এর শিক্ষা, কৃষি ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এসেছে।। এর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে কৃষি ও শিক্ষা ক্ষেত্রে। ময়মনসিংহ বিভাগের আয়তন ৪,৩৭০ বর্গকিলোমিটার এবং ২০২২ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী, এর মোট জনসংখ্যা ৪,৫২,০০,০০০।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|শিরোনাম=জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২|ইউআরএল=https://bbs.portal.gov.bd/sites/default/files/files/bbs.portal.gov.bd/page/b343a8b4_956b_45ca_872f_4cf9b2f1a6e0/2024-01-31-15-51-b53c55dd692233ae401ba013060b9cbb.pdf|সংগ্রহের-তারিখ=২০২৪-০৯-২৫|ওয়েবসাইট=বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==ভৌগোলিক অবস্থান==&lt;br /&gt;
ময়মনসিংহ বিভাগ বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলে অবস্থিত। এটি উত্তরে জামালপুর, পূর্বে নেত্রকোণা, পশ্চিমে রাজবাড়ী, এবং দক্ষিণে ঢাকার সাথে সীমান্ত ভাগ করে। ময়মনসিংহ শহর এই বিভাগের প্রধান শহর এবং প্রশাসনিক কেন্দ্র।&lt;br /&gt;
==প্রশাসনিক জেলা==&lt;br /&gt;
ময়মনসিংহ বিভাগে মোট ৪টি জেলা রয়েছে:&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
{| class=&amp;quot;wikitable&amp;quot;&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
!ক্রম!!জেলা!!প্রশাসনিক কেন্দ্র!!এলাকা (km²)!!জনসংখ্যা (২০২২)&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|[[ময়মনসিংহ জেলা]]||ময়মনসিংহ||৩,০২৪.৩||৪,৫২,০০,০০০&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|[[জামালপুর জেলা]]||জামালপুর||৩,৪৯৯.৪||২,৭৩,০০০&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|[[নেত্রকোণা জেলা]]||নেত্রকোণা||৩,৪২৫.৬||২,১৮,০০০&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|[[শেরপুর জেলা]]||শেরপুর||১,৫১২.৮||১,৫৫,০০০&lt;br /&gt;
|}&lt;br /&gt;
==শিক্ষাব্যবস্থা==&lt;br /&gt;
ময়মনসিংহ বিভাগে অনেক গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যার মধ্যে ময়মনসিংহ শহরের [[ময়মনসিংহ বিশ্ববিদ্যালয়]] উল্লেখযোগ্য। এছাড়া, জামালপুর এবং নেত্রকোণা জেলার বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে।&lt;br /&gt;
==শিল্প==&lt;br /&gt;
ময়মনসিংহ বিভাগের প্রধান শিল্প হল কৃষি। এখানে প্রধানত ধান, গম, পাট, শাকসবজি, এবং ফলমূল উৎপাদিত হয়। এছাড়া, ময়মনসিংহে হস্তশিল্প এবং পাটশিল্পও গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড। &lt;br /&gt;
==সংবাদপত্র এবং পত্রিকা==&lt;br /&gt;
ময়মনসিংহ বিভাগের কিছু প্রখ্যাত সংবাদপত্র ও পত্রিকা:&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;দৈনিক ময়মনসিংহ প্রতিদিন&#039;&#039;&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;দৈনিক জামালপুর কণ্ঠ&#039;&#039;&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;দৈনিক নেত্রকোণা নিউজ&#039;&#039;&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;ময়মনসিংহ ডেইলি&#039;&#039;&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;জামালপুর টাইমস&#039;&#039;&lt;br /&gt;
==উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিবর্গ==&lt;br /&gt;
*[[শাহ্ আবদুল হান্নান]] - রাজনীতিবিদ&lt;br /&gt;
*[[মুহাম্মদ শফী]] - সাহিত্যিক&lt;br /&gt;
*[[নজরুল ইসলাম]] - গণতান্ত্রিক আন্দোলনের নেতা&lt;br /&gt;
*[[মো. সেলিম]] - সাংবাদিক&lt;br /&gt;
==তথ্যসূত্র==&lt;br /&gt;
{{সূত্র তালিকা}}&lt;br /&gt;
==বহিঃসংযোগ==&lt;br /&gt;
*[http://www.mymensinghdiv.gov.bd/ ময়মনসিংহ বিভাগের সরকারি ওয়েবসাইট]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের বিভাগ]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Duyel</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%AE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%82%E0%A6%B9_%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%97&amp;diff=15381</id>
		<title>ময়মনসিংহ বিভাগ</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%AE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%82%E0%A6%B9_%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%97&amp;diff=15381"/>
		<updated>2026-09-17T21:39:46Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Duyel: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;&#039;&#039;&#039;ময়মনসিংহ বিভাগ&#039;&#039;&#039; বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলে অবস্থিত একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। এটি ২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়, যা [[ঢাকা বিভাগ|ঢাকা বিভাগের]] একটি অংশ ছিল। বিভাগের প্রতিষ্ঠার পর থেকে এটি তার নিজস্ব প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা শুরু করে এবং এর শিক্ষা, কৃষি ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এসেছে।। এর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে কৃষি ও শিক্ষা ক্ষেত্রে। ময়মনসিংহ বিভাগের আয়তন ৪,৩৭০ বর্গকিলোমিটার এবং ২০২২ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী, এর মোট জনসংখ্যা ৪,৫২,০০,০০০।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|শিরোনাম=জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২|ইউআরএল=https://bbs.portal.gov.bd/sites/default/files/files/bbs.portal.gov.bd/page/b343a8b4_956b_45ca_872f_4cf9b2f1a6e0/2024-01-31-15-51-b53c55dd692233ae401ba013060b9cbb.pdf|সংগ্রহের-তারিখ=২০২৪-০৯-২৫|ওয়েবসাইট=বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
 &lt;br /&gt;
==ভৌগোলিক অবস্থান==&lt;br /&gt;
ময়মনসিংহ বিভাগ বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলে অবস্থিত। এটি উত্তরে জামালপুর, পূর্বে নেত্রকোণা, পশ্চিমে রাজবাড়ী, এবং দক্ষিণে ঢাকার সাথে সীমান্ত ভাগ করে। ময়মনসিংহ শহর এই বিভাগের প্রধান শহর এবং প্রশাসনিক কেন্দ্র।&lt;br /&gt;
==প্রশাসনিক জেলা==&lt;br /&gt;
ময়মনসিংহ বিভাগে মোট ৪টি জেলা রয়েছে:&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
{| class=&amp;quot;wikitable&amp;quot;&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
!ক্রম!!জেলা!!প্রশাসনিক কেন্দ্র!!এলাকা (km²)!!জনসংখ্যা (২০২২)&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|[[ময়মনসিংহ জেলা]]||ময়মনসিংহ||৩,০২৪.৩||৪,৫২,০০,০০০&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|[[জামালপুর জেলা]]||জামালপুর||৩,৪৯৯.৪||২,৭৩,০০০&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|[[নেত্রকোণা জেলা]]||নেত্রকোণা||৩,৪২৫.৬||২,১৮,০০০&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|[[শেরপুর জেলা]]||শেরপুর||১,৫১২.৮||১,৫৫,০০০&lt;br /&gt;
|}&lt;br /&gt;
==শিক্ষাব্যবস্থা==&lt;br /&gt;
ময়মনসিংহ বিভাগে অনেক গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যার মধ্যে ময়মনসিংহ শহরের [[ময়মনসিংহ বিশ্ববিদ্যালয়]] উল্লেখযোগ্য। এছাড়া, জামালপুর এবং নেত্রকোণা জেলার বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে।&lt;br /&gt;
==শিল্প==&lt;br /&gt;
ময়মনসিংহ বিভাগের প্রধান শিল্প হল কৃষি। এখানে প্রধানত ধান, গম, পাট, শাকসবজি, এবং ফলমূল উৎপাদিত হয়। এছাড়া, ময়মনসিংহে হস্তশিল্প এবং পাটশিল্পও গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড। &lt;br /&gt;
==সংবাদপত্র এবং পত্রিকা==&lt;br /&gt;
ময়মনসিংহ বিভাগের কিছু প্রখ্যাত সংবাদপত্র ও পত্রিকা:&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;দৈনিক ময়মনসিংহ প্রতিদিন&#039;&#039;&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;দৈনিক জামালপুর কণ্ঠ&#039;&#039;&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;দৈনিক নেত্রকোণা নিউজ&#039;&#039;&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;ময়মনসিংহ ডেইলি&#039;&#039;&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;জামালপুর টাইমস&#039;&#039;&lt;br /&gt;
==উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিবর্গ==&lt;br /&gt;
*[[শাহ্ আবদুল হান্নান]] - রাজনীতিবিদ&lt;br /&gt;
*[[মুহাম্মদ শফী]] - সাহিত্যিক&lt;br /&gt;
*[[নজরুল ইসলাম]] - গণতান্ত্রিক আন্দোলনের নেতা&lt;br /&gt;
*[[মো. সেলিম]] - সাংবাদিক&lt;br /&gt;
==তথ্যসূত্র==&lt;br /&gt;
{{সূত্র তালিকা}}&lt;br /&gt;
==বহিঃসংযোগ==&lt;br /&gt;
*[http://www.mymensinghdiv.gov.bd/ ময়মনসিংহ বিভাগের সরকারি ওয়েবসাইট]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের বিভাগ]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Duyel</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%AE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%82%E0%A6%B9_%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%97&amp;diff=15380</id>
		<title>ময়মনসিংহ বিভাগ</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%AE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%82%E0%A6%B9_%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%97&amp;diff=15380"/>
		<updated>2026-09-17T21:37:20Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Duyel: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;&#039;&#039;&#039;ময়মনসিংহ বিভাগ&#039;&#039;&#039; বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলে অবস্থিত একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। এটি ২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর পূর্বে [[ময়মনসিংহ জেলা]] ছিল [[ঢাকা বিভাগ|ঢাকা বিভাগের]] অংশ ছিল। এর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে কৃষি ও শিক্ষা ক্ষেত্রে। ময়মনসিংহ বিভাগের আয়তন ৪,৩৭০ বর্গকিলোমিটার এবং ২০২২ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী, এর মোট জনসংখ্যা ৪,৫২,০০,০০০।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|শিরোনাম=জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২|ইউআরএল=https://bbs.portal.gov.bd/sites/default/files/files/bbs.portal.gov.bd/page/b343a8b4_956b_45ca_872f_4cf9b2f1a6e0/2024-01-31-15-51-b53c55dd692233ae401ba013060b9cbb.pdf|সংগ্রহের-তারিখ=২০২৪-০৯-২৫|ওয়েবসাইট=বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==প্রতিষ্ঠাকাল এবং ইতিহাস==&lt;br /&gt;
ময়মনসিংহ বিভাগ ২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়, যা ঢাকা বিভাগের একটি অংশ ছিল। বিভাগের প্রতিষ্ঠার পর থেকে এটি তার নিজস্ব প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা শুরু করে এবং এর শিক্ষা, কৃষি ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এসেছে।&lt;br /&gt;
==ভৌগোলিক অবস্থান==&lt;br /&gt;
ময়মনসিংহ বিভাগ বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলে অবস্থিত। এটি উত্তরে জামালপুর, পূর্বে নেত্রকোণা, পশ্চিমে রাজবাড়ী, এবং দক্ষিণে ঢাকার সাথে সীমান্ত ভাগ করে। ময়মনসিংহ শহর এই বিভাগের প্রধান শহর এবং প্রশাসনিক কেন্দ্র।&lt;br /&gt;
==প্রশাসনিক জেলা==&lt;br /&gt;
ময়মনসিংহ বিভাগে মোট ৪টি জেলা রয়েছে:&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
{| class=&amp;quot;wikitable&amp;quot;&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
!ক্রম!!জেলা!!প্রশাসনিক কেন্দ্র!!এলাকা (km²)!!জনসংখ্যা (২০২২)&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|[[ময়মনসিংহ জেলা]]||ময়মনসিংহ||৩,০২৪.৩||৪,৫২,০০,০০০&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|[[জামালপুর জেলা]]||জামালপুর||৩,৪৯৯.৪||২,৭৩,০০০&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|[[নেত্রকোণা জেলা]]||নেত্রকোণা||৩,৪২৫.৬||২,১৮,০০০&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|[[শেরপুর জেলা]]||শেরপুর||১,৫১২.৮||১,৫৫,০০০&lt;br /&gt;
|}&lt;br /&gt;
==শিক্ষাব্যবস্থা==&lt;br /&gt;
ময়মনসিংহ বিভাগে অনেক গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যার মধ্যে ময়মনসিংহ শহরের [[ময়মনসিংহ বিশ্ববিদ্যালয়]] উল্লেখযোগ্য। এছাড়া, জামালপুর এবং নেত্রকোণা জেলার বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে।&lt;br /&gt;
==শিল্প==&lt;br /&gt;
ময়মনসিংহ বিভাগের প্রধান শিল্প হল কৃষি। এখানে প্রধানত ধান, গম, পাট, শাকসবজি, এবং ফলমূল উৎপাদিত হয়। এছাড়া, ময়মনসিংহে হস্তশিল্প এবং পাটশিল্পও গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড। &lt;br /&gt;
==সংবাদপত্র এবং পত্রিকা==&lt;br /&gt;
ময়মনসিংহ বিভাগের কিছু প্রখ্যাত সংবাদপত্র ও পত্রিকা:&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;দৈনিক ময়মনসিংহ প্রতিদিন&#039;&#039;&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;দৈনিক জামালপুর কণ্ঠ&#039;&#039;&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;দৈনিক নেত্রকোণা নিউজ&#039;&#039;&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;ময়মনসিংহ ডেইলি&#039;&#039;&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;জামালপুর টাইমস&#039;&#039;&lt;br /&gt;
==উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিবর্গ==&lt;br /&gt;
*[[শাহ্ আবদুল হান্নান]] - রাজনীতিবিদ&lt;br /&gt;
*[[মুহাম্মদ শফী]] - সাহিত্যিক&lt;br /&gt;
*[[নজরুল ইসলাম]] - গণতান্ত্রিক আন্দোলনের নেতা&lt;br /&gt;
*[[মো. সেলিম]] - সাংবাদিক&lt;br /&gt;
==তথ্যসূত্র==&lt;br /&gt;
{{সূত্র তালিকা}}&lt;br /&gt;
==বহিঃসংযোগ==&lt;br /&gt;
*[http://www.mymensinghdiv.gov.bd/ ময়মনসিংহ বিভাগের সরকারি ওয়েবসাইট]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের বিভাগ]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Duyel</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%AE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%82%E0%A6%B9_%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%97&amp;diff=15379</id>
		<title>ময়মনসিংহ বিভাগ</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%AE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%82%E0%A6%B9_%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%97&amp;diff=15379"/>
		<updated>2026-09-17T21:37:10Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Duyel: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;&#039;&#039;&#039;ময়মনসিংহ বিভাগ&#039;&#039;&#039; বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলে অবস্থিত একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। এটি ২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর পূর্বে [[ময়মনসিংহ জেলা] ছিল [[ঢাকা বিভাগ|ঢাকা বিভাগের]] অংশ ছিল। এর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে কৃষি ও শিক্ষা ক্ষেত্রে। ময়মনসিংহ বিভাগের আয়তন ৪,৩৭০ বর্গকিলোমিটার এবং ২০২২ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী, এর মোট জনসংখ্যা ৪,৫২,০০,০০০।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|শিরোনাম=জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২|ইউআরএল=https://bbs.portal.gov.bd/sites/default/files/files/bbs.portal.gov.bd/page/b343a8b4_956b_45ca_872f_4cf9b2f1a6e0/2024-01-31-15-51-b53c55dd692233ae401ba013060b9cbb.pdf|সংগ্রহের-তারিখ=২০২৪-০৯-২৫|ওয়েবসাইট=বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==প্রতিষ্ঠাকাল এবং ইতিহাস==&lt;br /&gt;
ময়মনসিংহ বিভাগ ২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়, যা ঢাকা বিভাগের একটি অংশ ছিল। বিভাগের প্রতিষ্ঠার পর থেকে এটি তার নিজস্ব প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা শুরু করে এবং এর শিক্ষা, কৃষি ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এসেছে।&lt;br /&gt;
==ভৌগোলিক অবস্থান==&lt;br /&gt;
ময়মনসিংহ বিভাগ বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলে অবস্থিত। এটি উত্তরে জামালপুর, পূর্বে নেত্রকোণা, পশ্চিমে রাজবাড়ী, এবং দক্ষিণে ঢাকার সাথে সীমান্ত ভাগ করে। ময়মনসিংহ শহর এই বিভাগের প্রধান শহর এবং প্রশাসনিক কেন্দ্র।&lt;br /&gt;
==প্রশাসনিক জেলা==&lt;br /&gt;
ময়মনসিংহ বিভাগে মোট ৪টি জেলা রয়েছে:&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
{| class=&amp;quot;wikitable&amp;quot;&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
!ক্রম!!জেলা!!প্রশাসনিক কেন্দ্র!!এলাকা (km²)!!জনসংখ্যা (২০২২)&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|[[ময়মনসিংহ জেলা]]||ময়মনসিংহ||৩,০২৪.৩||৪,৫২,০০,০০০&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|[[জামালপুর জেলা]]||জামালপুর||৩,৪৯৯.৪||২,৭৩,০০০&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|[[নেত্রকোণা জেলা]]||নেত্রকোণা||৩,৪২৫.৬||২,১৮,০০০&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|[[শেরপুর জেলা]]||শেরপুর||১,৫১২.৮||১,৫৫,০০০&lt;br /&gt;
|}&lt;br /&gt;
==শিক্ষাব্যবস্থা==&lt;br /&gt;
ময়মনসিংহ বিভাগে অনেক গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যার মধ্যে ময়মনসিংহ শহরের [[ময়মনসিংহ বিশ্ববিদ্যালয়]] উল্লেখযোগ্য। এছাড়া, জামালপুর এবং নেত্রকোণা জেলার বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে।&lt;br /&gt;
==শিল্প==&lt;br /&gt;
ময়মনসিংহ বিভাগের প্রধান শিল্প হল কৃষি। এখানে প্রধানত ধান, গম, পাট, শাকসবজি, এবং ফলমূল উৎপাদিত হয়। এছাড়া, ময়মনসিংহে হস্তশিল্প এবং পাটশিল্পও গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড। &lt;br /&gt;
==সংবাদপত্র এবং পত্রিকা==&lt;br /&gt;
ময়মনসিংহ বিভাগের কিছু প্রখ্যাত সংবাদপত্র ও পত্রিকা:&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;দৈনিক ময়মনসিংহ প্রতিদিন&#039;&#039;&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;দৈনিক জামালপুর কণ্ঠ&#039;&#039;&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;দৈনিক নেত্রকোণা নিউজ&#039;&#039;&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;ময়মনসিংহ ডেইলি&#039;&#039;&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;জামালপুর টাইমস&#039;&#039;&lt;br /&gt;
==উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিবর্গ==&lt;br /&gt;
*[[শাহ্ আবদুল হান্নান]] - রাজনীতিবিদ&lt;br /&gt;
*[[মুহাম্মদ শফী]] - সাহিত্যিক&lt;br /&gt;
*[[নজরুল ইসলাম]] - গণতান্ত্রিক আন্দোলনের নেতা&lt;br /&gt;
*[[মো. সেলিম]] - সাংবাদিক&lt;br /&gt;
==তথ্যসূত্র==&lt;br /&gt;
{{সূত্র তালিকা}}&lt;br /&gt;
==বহিঃসংযোগ==&lt;br /&gt;
*[http://www.mymensinghdiv.gov.bd/ ময়মনসিংহ বিভাগের সরকারি ওয়েবসাইট]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের বিভাগ]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Duyel</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%AE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%82%E0%A6%B9_%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%97&amp;diff=15378</id>
		<title>ময়মনসিংহ বিভাগ</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%AE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%82%E0%A6%B9_%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%97&amp;diff=15378"/>
		<updated>2026-09-17T21:36:57Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Duyel: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;&#039;&#039;&#039;ময়মনসিংহ বিভাগ&#039;&#039;&#039; বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলে অবস্থিত একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। এটি ২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর পূর্বে ময়মনসিংহ জেলা ছিল [[ঢাকা বিভাগ|ঢাকা বিভাগের]] অংশ ছিল। এর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে কৃষি ও শিক্ষা ক্ষেত্রে। ময়মনসিংহ বিভাগের আয়তন ৪,৩৭০ বর্গকিলোমিটার এবং ২০২২ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী, এর মোট জনসংখ্যা ৪,৫২,০০,০০০।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|শিরোনাম=জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২|ইউআরএল=https://bbs.portal.gov.bd/sites/default/files/files/bbs.portal.gov.bd/page/b343a8b4_956b_45ca_872f_4cf9b2f1a6e0/2024-01-31-15-51-b53c55dd692233ae401ba013060b9cbb.pdf|সংগ্রহের-তারিখ=২০২৪-০৯-২৫|ওয়েবসাইট=বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==প্রতিষ্ঠাকাল এবং ইতিহাস==&lt;br /&gt;
ময়মনসিংহ বিভাগ ২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়, যা ঢাকা বিভাগের একটি অংশ ছিল। বিভাগের প্রতিষ্ঠার পর থেকে এটি তার নিজস্ব প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা শুরু করে এবং এর শিক্ষা, কৃষি ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এসেছে।&lt;br /&gt;
==ভৌগোলিক অবস্থান==&lt;br /&gt;
ময়মনসিংহ বিভাগ বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলে অবস্থিত। এটি উত্তরে জামালপুর, পূর্বে নেত্রকোণা, পশ্চিমে রাজবাড়ী, এবং দক্ষিণে ঢাকার সাথে সীমান্ত ভাগ করে। ময়মনসিংহ শহর এই বিভাগের প্রধান শহর এবং প্রশাসনিক কেন্দ্র।&lt;br /&gt;
==প্রশাসনিক জেলা==&lt;br /&gt;
ময়মনসিংহ বিভাগে মোট ৪টি জেলা রয়েছে:&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
{| class=&amp;quot;wikitable&amp;quot;&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
!ক্রম!!জেলা!!প্রশাসনিক কেন্দ্র!!এলাকা (km²)!!জনসংখ্যা (২০২২)&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|[[ময়মনসিংহ জেলা]]||ময়মনসিংহ||৩,০২৪.৩||৪,৫২,০০,০০০&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|[[জামালপুর জেলা]]||জামালপুর||৩,৪৯৯.৪||২,৭৩,০০০&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|[[নেত্রকোণা জেলা]]||নেত্রকোণা||৩,৪২৫.৬||২,১৮,০০০&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|[[শেরপুর জেলা]]||শেরপুর||১,৫১২.৮||১,৫৫,০০০&lt;br /&gt;
|}&lt;br /&gt;
==শিক্ষাব্যবস্থা==&lt;br /&gt;
ময়মনসিংহ বিভাগে অনেক গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যার মধ্যে ময়মনসিংহ শহরের [[ময়মনসিংহ বিশ্ববিদ্যালয়]] উল্লেখযোগ্য। এছাড়া, জামালপুর এবং নেত্রকোণা জেলার বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে।&lt;br /&gt;
==শিল্প==&lt;br /&gt;
ময়মনসিংহ বিভাগের প্রধান শিল্প হল কৃষি। এখানে প্রধানত ধান, গম, পাট, শাকসবজি, এবং ফলমূল উৎপাদিত হয়। এছাড়া, ময়মনসিংহে হস্তশিল্প এবং পাটশিল্পও গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড। &lt;br /&gt;
==সংবাদপত্র এবং পত্রিকা==&lt;br /&gt;
ময়মনসিংহ বিভাগের কিছু প্রখ্যাত সংবাদপত্র ও পত্রিকা:&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;দৈনিক ময়মনসিংহ প্রতিদিন&#039;&#039;&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;দৈনিক জামালপুর কণ্ঠ&#039;&#039;&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;দৈনিক নেত্রকোণা নিউজ&#039;&#039;&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;ময়মনসিংহ ডেইলি&#039;&#039;&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;জামালপুর টাইমস&#039;&#039;&lt;br /&gt;
==উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিবর্গ==&lt;br /&gt;
*[[শাহ্ আবদুল হান্নান]] - রাজনীতিবিদ&lt;br /&gt;
*[[মুহাম্মদ শফী]] - সাহিত্যিক&lt;br /&gt;
*[[নজরুল ইসলাম]] - গণতান্ত্রিক আন্দোলনের নেতা&lt;br /&gt;
*[[মো. সেলিম]] - সাংবাদিক&lt;br /&gt;
==তথ্যসূত্র==&lt;br /&gt;
{{সূত্র তালিকা}}&lt;br /&gt;
==বহিঃসংযোগ==&lt;br /&gt;
*[http://www.mymensinghdiv.gov.bd/ ময়মনসিংহ বিভাগের সরকারি ওয়েবসাইট]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের বিভাগ]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Duyel</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%AE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%82%E0%A6%B9_%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%97&amp;diff=15377</id>
		<title>ময়মনসিংহ বিভাগ</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%AE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%82%E0%A6%B9_%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%97&amp;diff=15377"/>
		<updated>2026-09-17T21:36:28Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Duyel: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;&#039;&#039;&#039;ময়মনসিংহ বিভাগ&#039;&#039;&#039; বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলে অবস্থিত একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। এটি ২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর পূর্বে ময়মনসিংহ জেলা ছিল [[ঢাকা বিভাগ|ঢাকা বিভাগের]] অংশ। এর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে কৃষি ও শিক্ষা ক্ষেত্রে। ময়মনসিংহ বিভাগের আয়তন ৪,৩৭০ বর্গকিলোমিটার এবং ২০২২ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী, এর মোট জনসংখ্যা ৪,৫২,০০,০০০।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|শিরোনাম=জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২|ইউআরএল=https://bbs.portal.gov.bd/sites/default/files/files/bbs.portal.gov.bd/page/b343a8b4_956b_45ca_872f_4cf9b2f1a6e0/2024-01-31-15-51-b53c55dd692233ae401ba013060b9cbb.pdf|সংগ্রহের-তারিখ=২০২৪-০৯-২৫|ওয়েবসাইট=বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==প্রতিষ্ঠাকাল এবং ইতিহাস==&lt;br /&gt;
ময়মনসিংহ বিভাগ ২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়, যা ঢাকা বিভাগের একটি অংশ ছিল। বিভাগের প্রতিষ্ঠার পর থেকে এটি তার নিজস্ব প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা শুরু করে এবং এর শিক্ষা, কৃষি ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এসেছে।&lt;br /&gt;
==ভৌগোলিক অবস্থান==&lt;br /&gt;
ময়মনসিংহ বিভাগ বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলে অবস্থিত। এটি উত্তরে জামালপুর, পূর্বে নেত্রকোণা, পশ্চিমে রাজবাড়ী, এবং দক্ষিণে ঢাকার সাথে সীমান্ত ভাগ করে। ময়মনসিংহ শহর এই বিভাগের প্রধান শহর এবং প্রশাসনিক কেন্দ্র।&lt;br /&gt;
==প্রশাসনিক জেলা==&lt;br /&gt;
ময়মনসিংহ বিভাগে মোট ৪টি জেলা রয়েছে:&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
{| class=&amp;quot;wikitable&amp;quot;&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
!ক্রম!!জেলা!!প্রশাসনিক কেন্দ্র!!এলাকা (km²)!!জনসংখ্যা (২০২২)&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|[[ময়মনসিংহ জেলা]]||ময়মনসিংহ||৩,০২৪.৩||৪,৫২,০০,০০০&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|[[জামালপুর জেলা]]||জামালপুর||৩,৪৯৯.৪||২,৭৩,০০০&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|[[নেত্রকোণা জেলা]]||নেত্রকোণা||৩,৪২৫.৬||২,১৮,০০০&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|[[শেরপুর জেলা]]||শেরপুর||১,৫১২.৮||১,৫৫,০০০&lt;br /&gt;
|}&lt;br /&gt;
==শিক্ষাব্যবস্থা==&lt;br /&gt;
ময়মনসিংহ বিভাগে অনেক গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যার মধ্যে ময়মনসিংহ শহরের [[ময়মনসিংহ বিশ্ববিদ্যালয়]] উল্লেখযোগ্য। এছাড়া, জামালপুর এবং নেত্রকোণা জেলার বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে।&lt;br /&gt;
==শিল্প==&lt;br /&gt;
ময়মনসিংহ বিভাগের প্রধান শিল্প হল কৃষি। এখানে প্রধানত ধান, গম, পাট, শাকসবজি, এবং ফলমূল উৎপাদিত হয়। এছাড়া, ময়মনসিংহে হস্তশিল্প এবং পাটশিল্পও গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড। &lt;br /&gt;
==সংবাদপত্র এবং পত্রিকা==&lt;br /&gt;
ময়মনসিংহ বিভাগের কিছু প্রখ্যাত সংবাদপত্র ও পত্রিকা:&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;দৈনিক ময়মনসিংহ প্রতিদিন&#039;&#039;&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;দৈনিক জামালপুর কণ্ঠ&#039;&#039;&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;দৈনিক নেত্রকোণা নিউজ&#039;&#039;&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;ময়মনসিংহ ডেইলি&#039;&#039;&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;জামালপুর টাইমস&#039;&#039;&lt;br /&gt;
==উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিবর্গ==&lt;br /&gt;
*[[শাহ্ আবদুল হান্নান]] - রাজনীতিবিদ&lt;br /&gt;
*[[মুহাম্মদ শফী]] - সাহিত্যিক&lt;br /&gt;
*[[নজরুল ইসলাম]] - গণতান্ত্রিক আন্দোলনের নেতা&lt;br /&gt;
*[[মো. সেলিম]] - সাংবাদিক&lt;br /&gt;
==তথ্যসূত্র==&lt;br /&gt;
{{সূত্র তালিকা}}&lt;br /&gt;
==বহিঃসংযোগ==&lt;br /&gt;
*[http://www.mymensinghdiv.gov.bd/ ময়মনসিংহ বিভাগের সরকারি ওয়েবসাইট]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের বিভাগ]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Duyel</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%A8_%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A6%A6_(%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6)&amp;diff=15376</id>
		<title>ইউনিয়ন পরিষদ (বাংলাদেশ)</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%A8_%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A6%A6_(%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6)&amp;diff=15376"/>
		<updated>2026-09-17T21:32:36Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Duyel: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;[[File:১নং বনগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়(১).jpg|থাম্ব|বর্তমান সময়ের একটি ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের ছবি]]&lt;br /&gt;
[[File:গোলাপগঞ্জ ইউনিয়ন.jpg|thumb|একটি ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স]]&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;বাংলাদেশের ইউনিয়ন পরিষদ&#039;&#039;&#039; বা &#039;&#039;&#039;সঙ্ঘ পরিষদ&#039;&#039;&#039; হলো বাংলাদেশে পল্লি অঞ্চলের সর্বনিম্ন প্রশাসনিক একক। গ্রাম চৌকিদারি আইনের ১৮৭০ এর অধীনে ইউনিয়ন পরিষদের সৃষ্টি হয়। &lt;br /&gt;
এ আইনের অধীনে প্রতিটি গ্রামে পাহারা টহল ব্যবস্থা চালু করার উদ্দেশ্যে কতগুলো গ্রাম নিয়ে একটি করে ইউনিয়ন গঠিত হয়। ইউনিয়ন গঠনের বিস্তারিত  দিকনির্দেশনা লিপিবদ্ধ রয়েছে বেঙ্গল চৌকিদারি ম্যানুয়েলের দ্বিতীয় ও তৃতীয় অনুচ্ছেদে। এই প্রক্রিয়ার বিকাশের মধ্য দিয়ে একটি স্থানীয় সরকার ইউনিটের ধারণার সৃষ্টি হয়। প্রাথমিক পর্যায়ে এর ভূমিকা নিরাপত্তামূলক কর্মকাণ্ডে সীমাবদ্ধ থাকলেও পরবর্তী কালে এটিই স্থানীয় সরকারের প্রাথমিক ইউনিটের ভিত্তিরূপে  গড়ে উঠে।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|শেষাংশ=Khan|প্রথমাংশ=Dr. Mohammad Ibrahim|শিরোনাম=Functioning of Local Government (Union Parishad): Legal and Practical Constraints|ইউআরএল=http://www.dwatch-bd.org%2FL%26P%2520constraints.pdf|প্রকাশক=Democracywatch|সংগ্রহের-তারিখ=24 March 2012|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20180417173046/http://www.dwatch-bd.org/L%26P%20constraints.pdf|আর্কাইভের-তারিখ=১৭ এপ্রিল ২০১৮|অকার্যকর-ইউআরএল=হ্যাঁ}}&amp;lt;/ref&amp;gt; [[বাংলাদেশ]]ে বর্তমানে ৪৫৭৯টি ইউনিয়ন আছে।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://lgd.gov.bd/site/page/f6edbbb4-8227-4981-b63e-f7bdda51c197/%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%A8-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A6%A6|শিরোনাম=বাংলাদেশ {{!}} জাতীয় তথ্য বাতায়ন {{!}} গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার|শেষাংশ=|প্রথমাংশ=|তারিখ=|ওয়েবসাইট=|সংগ্রহের-তারিখ=|আর্কাইভের-তারিখ=১৬ মে ২০২১|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20210516190702/https://lgd.gov.bd/site/page/f6edbbb4-8227-4981-b63e-f7bdda51c197/%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%A8-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A6%A6|ইউআরএল-অবস্থা=কার্যকর}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==পটভূমি==&lt;br /&gt;
বাংলাদেশে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার একটি দীর্ঘ ও ঐতিহ্যবাহী ইতিহাস রয়েছে। অতি প্রাচীন কাল থেকে উপমহাদেশে স্থানীয় সরকারের অস্তিত্ব খুজে পাওয়া যায়। সাধারণত স্থানীয় সরকার বলতে এমন জনসংগঠনকে বুঝায় যা অপেক্ষাকৃত ক্ষুদ্র ভৌগোলিক সীমা রেখায় একটি দেশের অঞ্চল ভিত্তিতে জাতীয় সরকারের অংশ হিসেবে কাজ করে। স্থানীয় কার্যক্রম সম্পাদনের জন্য স্থানীয়ভাবে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সমম্বয়ে গঠিত সংস্থাকে স্থানীয় সরকার বলা হয়। জাতীয় সরকারের মত স্থানীয় সরকার সার্বভৌম কোন প্রতিষ্ঠান নয়। জাতীয় সরকার বিভিন্ন সার্কুলার ও নির্দেশের মাধ্যমে স্থানীয় সরকারের কার্যাবলী নিয়ন্ত্রণ করে থাকেন। স্থানীয় সরকার নির্দিষ্ট এলাকার কর, রেট, ফিস, টোল প্রভৃতি নির্ধারণ ও আদায়ের ব্যাপারে জাতীয় সরকারের নির্দেশ অনুসরণ করে থাকে। ব্রিটিশ শাসন আমলের পূর্বে প্রাচীন ও মধ্য যুগীয় আমলে খ্রীষ্ট পূর্ব ১৫০০-১০০০ অব্দে গ্রাম পরিষদের উল্লেখ রয়েছে। এছাড়া খ্রীষ্ট পূর্ব ৩২৪-১৮৩ অব্দে মৌর্য বা মৌর্য পূর্ব যুগে গ্রাম প্রশাসনের অস্তিত্বের স্বাক্ষর পাওয়া যায়। ব্রিটিশদের আগমনের পূর্বে তৎকালীন বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান হিসেবে অধিকাংশ গ্রামে পঞ্চায়েত প্রথা প্রচলিত ছিল। পঞ্চায়েতের সদস্য সংখ্যা ছিল ৫ জন। জনগণের মতামতের উপর ভিত্তি করে সামাজিক প্রয়োজনে পঞ্চায়েত প্রথার উদ্ভব ঘটে। তাই এগুলোর আইনগত কোন ভিত্তি ছিল না।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ব্রিটিশ শাসনামলে অর্থনৈতিক প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক কারণে ও ব্রিটিশদের ভিত্তি আরও সুদৃঢ় করার জন্য লর্ড মেয়ো ১৮৭০ সালে চৌকিদারি আইন পাশ করেন। এর ফলে প্রথমবারের মত  স্থানীয় সরকারের উদ্ভব হয় এবং পঞ্চায়েত প্রথার পুনরাবৃত্তি ঘটে। চৌকিদারি পঞ্চায়েতের সদস্য সংখ্যা ছিল পাঁচ জন এবং জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট পঞ্চায়েতের সকল সদস্যকে তিন বৎসরের জন্য নিয়োগ করতেন। চৌকিদারি পঞ্চায়েত ব্যবস্থার ত্রুটির কারণে ১৮৮৫ সালে বঙ্গীয় স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন আইন প্রবর্তনের মাধ্যমে ইউনিয়ন পর্যায়ে ইউনিয়ন কমিটি গঠন করা হয়। ইউনিয়ন কমিটির সদস্য সংখ্যা ছিল ৫-৯ জন এবং গ্রামবাসী কর্তৃক নির্বাচিত হতেন এবং ইউনিয়ন কমিটির পাশাপাশি চৌকিদারি পঞ্চায়েত কাজ করতো। এর ফলে  দ্বৈত শাসনের অসুবিধা সমূহ প্রকটভাবে দেখা দেয়। অতঃপর ১৯১৯ সালে চৌকিদারি পঞ্চায়েত ও ইউনিয়ন কমিটি বিলুপ্ত করে ইউনিয়ন পর্যায়ে ইউনিয়ন বোর্ড গঠন করা হয়। ইউনিয়ন বোর্ডের সদস্য ১/৩ অংশ সরকারের পক্ষে জেলা প্রশাসক মনোনয়ন দান করতেন অবশিষ্ট সদস্যগণ জনগণের দ্বারা নির্বাচিত হতেন। সদস্যগণ তাদের মধ্য থেকে প্রেসিডেন্ট ও একজন ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত করতেন। কার্যকাল ছিল ৩ (তিন) বৎসর। তবে ১৯৩৬ সাল হতে ৪ (চার) বৎসর করা হয় এবং মনোনয়ন প্রথা ১৯৪৬ সালে রহিত করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মৌলিক গণতন্ত্র আদেশ,১৯৫৯ এর অধীনে ইউনিয়ন কাউন্সিল গঠন করা হয় এবং সদস্য সংখ্যা ছিল ১০-১৫ জন। মোট সদস্যের ২/৩ অংশ জনগণের ভোটে নির্বাচিত হতো এবং অবশিষ্ট ১/৩ অংশ মহুকুমা প্রশাসক সরকারের পক্ষ থেকে মনোনয়ন প্রদান করতেন। ১৯৬২ সালে শাসনতন্ত্র প্রবর্তনের ফলে মনোনয়ন প্রথা রহিত করা হয়। সদস্যগণ তাদের মধ্য থেকে একজন চেয়ারম্যান ও একজন ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচন করতেন। পরবর্তীতে ভাইস চেয়ারম্যানের পদটি বিলুপ্ত করা হয়। ইউনিয়ন কাউন্সিলের মেয়াদ ছিল ৫ বছর বাংলাদেশে স্থানীয় সরকারের যে কাঠামো রয়েছে তার সূচনা হয়েছিল ব্রিটিশ আমলে প্রণীত কিছু কিছু আইনের মাধ্যমে। অষ্টাদশ শতকের শেষ ভাগে শহর অঞ্চল এবং ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষভাগে  স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেয়া হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==ইতিকথা==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
{{familytree/start}}&lt;br /&gt;
{{familytree | }}&lt;br /&gt;
{{familytree  | | | GOV | GOV=[[স্থানীয় সরকার]]}}&lt;br /&gt;
{{familytree  | | | |!| | | | | }}&lt;br /&gt;
{{familytree  | | | |!| | | | | }}&lt;br /&gt;
{{familytree  | | | DIS | DIS=[[বাংলাদেশের জেলাসমূহ|জেলা পরিষদ]]}}&lt;br /&gt;
{{familytree  | | | |!| | | | | }}&lt;br /&gt;
{{familytree  | | | UPZ | UPZ=[[উপজেলা পরিষদ]]}}&lt;br /&gt;
{{familytree  | | | |!| | | | | }}&lt;br /&gt;
{{familytree  | | | UNC | UNC=[[ইউনিয়ন পরিষদ]]}}&lt;br /&gt;
{{familytree | }}&lt;br /&gt;
{{familytree/end}}&lt;br /&gt;
&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি |ইউআরএল=http://www.bangladesh.gov.bd/?q=en |শিরোনাম=সংরক্ষণাগারভুক্ত অনুলিপি |সংগ্রহের-তারিখ=১২ এপ্রিল ২০১৬ |আর্কাইভের-তারিখ=১ জুলাই ২০১৪ |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20140701154222/http://bangladesh.gov.bd/?q=en |ইউআরএল-অবস্থা=কার্যকর }}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বর্তমানে  তিন ধরনের স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান কাজ করছে:&lt;br /&gt;
# [[ইউনিয়ন পরিষদ]]&lt;br /&gt;
# [[উপজেলা পরিষদ]] &lt;br /&gt;
# [[জেলা|জেলা পরিষদ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাংলাদেশে স্বাধীনতা উত্তরকালে রাষ্ট্রপতির আদেশ নং ৭,১৯৭২ বলে ইউনিয়ন কাউন্সিল বাতিল করে ইউনিয়ন পঞ্চায়েত নামকরণ করা হয় এবং রাষ্ট্রপতির আদেশ নং ২২, ১৯৭৩ অনুযায়ী ইউনিয়ন পঞ্চায়েতের নাম পরিবর্তন করে নামকরণ করা হয় ইউনিয়ন পরিষদ। ইউনিয়ন পরিষদের প্রত্যক্ষ ভোটে ৯ জন সদস্য, একজন চেয়ারম্যান ও একজন ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতেন। পরবর্তীতে স্থানীয় সরকার অধ্যাদেশ ১৯৭৬ অনুযায়ী ভাইস চেয়ারম্যানের পদটি বিলুপ্ত করা হয়। এছাড়া দুজন মনোনীত মহিলা সদস্য এবং ইউনিয়ন পরিষদকে দুজন প্রতিনিধি সদস্য (কৃষকের মধ্য থেকে) পরিষদে অর্ন্তভূক্ত করা হয়। সর্বোপরি ১৯৮৩ ও ১৯৯৩ সালে স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) অধ্যাদেশ অনুয়ায়ী প্রত্যক্ষ ভোটে একজন চেয়ারম্যান ও ০৯ জন সাধারণ সদস্য এবং সংরক্ষিত আসনে ০৩ জন মহিলা সদস্য নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ গঠন করা হয়। ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদকাল- ৫ বছর।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==নামকরণ==&lt;br /&gt;
ইউনিয়ন পরিষদের নামকরণ:&lt;br /&gt;
{{static row numbers}}&lt;br /&gt;
{{mw-datatable}}&lt;br /&gt;
{| class=&amp;quot;wikitable sortable mw-datatable static-row-numbers&amp;quot;&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
!সাল&lt;br /&gt;
!স্থানীয় সরকার&lt;br /&gt;
!ব্যবস্থার নাম&lt;br /&gt;
!সভাপতি&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|১৮৭০-১৮৮৫&lt;br /&gt;
|চৌকিদারি&lt;br /&gt;
|পঞ্চায়েত&lt;br /&gt;
|পঞ্চায়েত&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|১৯১৮&lt;br /&gt;
|ইউনিয়ন&lt;br /&gt;
|কমিটি&lt;br /&gt;
|পঞ্চায়েত&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|১৯১৯-১৯৩৫&lt;br /&gt;
|ইউনিয়ন&lt;br /&gt;
|বোর্ড&lt;br /&gt;
|প্রেসিডেন্ট&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|১৯৩৬-১৯৫৮&lt;br /&gt;
|ইউনিয়ন&lt;br /&gt;
|বোর্ড&lt;br /&gt;
|প্রেসিডেন্ট&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|১৯৫৯-১৯৬১&lt;br /&gt;
|ইউনিয়ন&lt;br /&gt;
|কাউন্সিল&lt;br /&gt;
|চেয়ারম্যান&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|১৯৬২&lt;br /&gt;
|ইউনিয়ন&lt;br /&gt;
|কাউন্সিল&lt;br /&gt;
|চেয়ারম্যান&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|১৯৬৩-১৯৭১&lt;br /&gt;
|ইউনিয়ন&lt;br /&gt;
|কাউন্সিল&lt;br /&gt;
|চেয়ারম্যান&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|১৯৭২&lt;br /&gt;
|ইউনিয়ন&lt;br /&gt;
|পঞ্চায়েত&lt;br /&gt;
|পঞ্চায়েত&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|১৯৭৩-১৯৭৫&lt;br /&gt;
|ইউনিয়ন&lt;br /&gt;
|পরিষদ&lt;br /&gt;
|চেয়ারম্যান&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|১৯৭৬-১৯৮২&lt;br /&gt;
|ইউনিয়ন&lt;br /&gt;
|পরিষদ&lt;br /&gt;
|চেয়ারম্যান&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|১৯৮৩-বর্তমান&lt;br /&gt;
|ইউনিয়ন&lt;br /&gt;
|পরিষদ&lt;br /&gt;
|চেয়ারম্যান&lt;br /&gt;
|}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==বিস্তারিত ইতিহাস==&lt;br /&gt;
ইউনিয়ন পরিষদ হলো বাংলাদেশে পল্লি অঞ্চলের সর্বনিম্ন প্রশাসনিক একক। গ্রাম চৌকিদারি আইনের ১৮৭০ এর অধীনে ইউনিয়ন পরিষদের সৃষ্টি হয়। প্রাথমিক পর্যায়ে এর ভূমিকা নিরাপত্তামূলক কর্মকাণ্ডে সীমাবদ্ধ থাকলেও পরবর্তী কালে এটিই স্থানীয় সরকারের প্রাথমিক ইউনিটের ভিত্তিরুপে গড়ে উঠে। বর্তমানে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ট্রেড লাইসেন্স, চারিত্রিক সনদপত্র, ভূমিহীন সনদপত্র, ওয়ারিশান সনদপত্র, অবিবাহিত সনদপত্র, প্রত্যয়নপত্র, অস্বচ্ছল প্রত্যয়নপত্র, নাগরিক সনদপত্র, উত্তরাধিকার সনদপত্র ইত্যাদি সেবা প্রদান করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
===ব্রিটিশ আমল=== &lt;br /&gt;
১৮৬১ সালে তৎকালীন অর্থমন্ত্রী বাজেটে ঘোষণা করেন যে, স্থানীয় এলাকায় উন্নতির জন্য কিছু ক্ষমতা স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর উপর অর্পণ করা প্রয়োজন। ১৮৬৯ সালের ১৪ই ডিসেম্বর লর্ড মেয়ো স্থানীয় এলাকার উন্নতির জন্য গুরুত্ব আরোপ করেন। তারপর ১৮৮২ সালে রর্ড রিপনই সর্ব প্রথম এদেশে  স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য জনসাধারণকে অধিকতর রাজনৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে চেয়েছেন। লর্ড রিপনের এ প্রস্তাবনার প্রতি তৎকালীন ইংল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী গ্লাডস্টোনের পূর্ণ সমর্থন ছিল। এরপর লর্ড রিপন ১৮৮২ সালের ১৮ই মে ঐতিহাসিক প্রস্তাবনা ঘোষণা করেন। তার প্রস্তাবনার ভিত্তিতে ১৮৮৩ সালের জানুয়ারি মাসে বাংলায় বিধান সভায় একটা বিল উত্থাপন করা হয় ও  গ্রাম এলাকায় জনসাধারণের কল্যাণের জন্য প্রথম ইউনিয়ন কমিটি গঠন করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১৮৮৫ সাল থেকে ১৯১৯ সাল পর্যন্ত বর্তমান ইউনিয়ন পরিষদের নাম ছিল ইউনিয়ন কমিটি। হাওড়া জেলা প্রশাসক ই কে ওয়েস্টম্যান কোট নামে একজন আই.সি.এস অফিসারকে এ বিষয়ের জন্য বিশেষ দায়িত্বে নিয়োগ করা হয়। অর্পিত দায়িত্ব পালনের জন্য তিনি বর্ধমান ডিভিশন এবং ঢাকা জেলার মুন্সীগঞ্জ মহকুমার মধ্যে প্রথম ১৮০টি ইউনিয়ন কমিটি গঠন করেন। ১৮৮৪ সালের ৩১শে মার্চ সরকার এক প্রস্তাবনার মাধ্যমে বিষয়টি গ্রহণ করেন। কিন্তু তৎকালীন সেক্রেটারী জেনারেলের বিরোধিতার জন্য আইনটি পাস হতে বিলম্ব ঘটে। অতপর ১৮৮৫ সালের মার্চ মাসে মিস্টার ম্যাকুলে বিলটি পুনঃ উত্থাপন করেন। ঐ বছর ৪ঠা এপ্রিল বিলটি চূড়ান্তভাবে পাস করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১৮৮৫ সালের আইনে তিনস্তর বিশিষ্ট গ্রাম স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠা করা হয়। স্তরগুলো হলো:&lt;br /&gt;
# জেলা কমিটি&lt;br /&gt;
# থানা কমিটি&lt;br /&gt;
# ইউনিয়ন কমিটি&lt;br /&gt;
তখন এর সদস্য সংখ্যা ছিল ৫ থেকে ৯ জন। তারা ইউনিয়নের অধিবাসীদের দ্বারা নির্বাচিত হতেন। প্রথম অবস্থায় ইউনিয়ন কমিটির চেয়ারম্যান পদ ১৮৮৫ সালের বিধানে ছিল না। ১৯০৮ সালে পশ্চিম বাংলায় ১৮৮৫ সালের আইনের সংশোধন কালে চেয়ারম্যান পদের সৃষ্টি করা হয়। সে অনুসারে ১৯১৪ সালে পূর্ব বাংলায় প্রচলিত হয়। তখন সদস্যগণের মধ্য থেকে চেয়ারম্যান নিয়োগের প্রথা ছিল। ইউনিয়ন কমিটির কার্যকাল ছিল মাত্র ২ বছর। ১৮৯৬-৯৭ সালে স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন নিয়ে পুনরায় চিন্তাভাবনা করা হয়। সে সময় পূর্ব বাংলায় ছিল প্রবল বন্যা। এই বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য তখন প্রথম ইউনিয়ন কমিটির হাতে স্থানীয় করারোপ করা ছাড়াও কিছু ক্ষমতা প্রদান করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১৯১৩ সালে মিস্টার লিভিঞ্জের সভাপতিত্বে অন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়। উক্ত কমিটি স্থানীয় স্বায়ত্ত শাসনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ মতামত প্রদান করতে সক্ষম হয়। উক্ত ইউনিয়ন কমিটি বাতিলের জন্য পরামর্শ দেয়। ১৯১৮ সালের ২৪শে এপ্রিল স্যার সুরেন্দ্র প্রাসানা সিনহা ১৮৭০ সালের গ্রাম পঞ্চায়েতী আইন এবং ১৮৮৫ সালের ইউনিয়ন কমিটি ভেঙ্গে একটি নতুন কমিটি গঠন করার সুপারিশ পেশ করেন। নতুন এই কমিটির নামকরণ করা হয় ইউনিয়ন বোর্ড। ১৯১৯ সালের ২১শে জানুয়ারি মিস্টার হেনরী হুইলার বিলটি সিলেক্ট কমিটির নিকট পেশ করেন। আলোচনাকালে জনাব শের-ই-বাংলা এ কে এম ফজলুল হক জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের পরিবর্তে ইউনিয়ন বোর্ডকে জেলা বোর্ডের নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য সুপারিশ করেন। বিলটির উপর সামান্য আলোচনা-সমালোচনার পর ঐ বছরই গ্রাম স্বায়ত্ত শাসন আইন ১৯১৯ সালে পাস হয়। উক্ত আইনে বলা হয়, সাধারণত গড়ে ১০টি গ্রাম নিয়ে একটি ইউনিয়ন বোর্ড গঠিত হবে। ইউনিয়নের গড় আয়তন ছিল ১০ থেকে ১৫ মাইলের মধ্যে, এর গড় জনসংখ্যা ছিল ১০ হাজার। পিরোজপুর জেলার প্রায় ইউনিয়নই ১৯১৯ সালের আইন অনুযায়ী ১৯২০ সাল থেকেই ইউনিয়ন বোর্ড চালু হয়। উক্ত ইউনিয়ন বোর্ডের কার্যকাল ছিল ৩ বছর। স্যার সুরেন্দ্রনাথ ব্যানার্জি সর্ব প্রথম স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন বিষয়ক মন্ত্রী হন। ১৯৩৫ সালে ইউনিয়ন বোর্ডের কার্যকাল ৪ বছর করা হয়। এই আইনে প্রেসিডেন্ট ছাড়াও একজন ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ব্যবস্থা করা হয়েছিল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
===পাকিস্তান আমল=== &lt;br /&gt;
[[১৯৫৭]] সালে [[পূর্ব পাকিস্তান]] আইন নং ৩৫, [[১৯১৯]] সালের আইন সংশোধন করে তৈরী হয়েছে। প্রকাশ্যে ভোটদান বাতিল করে গোপন ব্যালটে ভোট চালু হয়। ইউনিয়নকে ৩টি ওয়ার্ডে বিভক্ত করা হয়। এই আইনে সর্বপ্রথম নারীদের ভোটাধিকার দেয়া হয়। [[১৯৫৯]] সালের [[২৬ অক্টোবর]] ফিল্ড মার্শাল [[আইয়ুব খান]] মৌলিক [[গণতন্ত্র]] চালু করেন এবং ইউনিয়ন বোর্ডের নাম পরিবর্তন করে নাম রাখেন ইউনিয়ন কাউন্সিল।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|শেষাংশ=প্রতিবেদক|প্রথমাংশ=নিজস্ব|তারিখ=2016-11-29|ভাষা=bn|শিরোনাম=আইয়ুবের &#039;বেসিক ডেমোক্রেসি&#039; পাচ্ছি|ইউআরএল=https://www.prothomalo.com/opinion/column/%E0%A6%86%E0%A6%87%E0%A7%9F%E0%A7%81%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E2%80%98%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%95-%E0%A6%A1%E0%A7%87%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87%E2%80%8B%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E2%80%99-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%9B%E0%A6%BF|সংগ্রহের-তারিখ=2025-01-19|ওয়েবসাইট=দৈনিক প্রথম আলো}}&amp;lt;/ref&amp;gt; উক্ত ইউনিয়ন কাউন্সিলের কার্যকাল ছিল ৫ বছর। ভাইস চেয়ারম্যান পদ [[১৯৬৫]] সালে বাতিল করা হয়। [[১৯৭১]] সালে ইউনিয়ন কাউন্সিলের নাম পরিবর্তন করে নাম রাখা হয় ত্রাণ কমিটি।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|শিরোনাম=ইউনিয়ন পরিষদ সৃষ্টির ইতিহাস|ইউআরএল=https://khadimnagarup.sylhet.gov.bd/bn/site/page/z5SA-%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%A8-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A6%A6-%E0%A6%B8%E0%A7%83%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%87%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8|সংগ্রহের-তারিখ=2025-01-19|ওয়েবসাইট=khadimnagarup.sylhet.gov.bd|আর্কাইভের-তারিখ=২০২২-০৬-১৮|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20220618000408/http://khadimnagarup.sylhet.gov.bd/bn/site/page/z5SA-%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%A8-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A6%A6-%E0%A6%B8%E0%A7%83%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%87%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8|ইউআরএল-অবস্থা=কার্যকর}}&amp;lt;/ref&amp;gt; [[১৯৭২]] সালের [[১ জানুয়ারি]] ইউনিয়ন কাউন্সিল ও ত্রাণ কমিটি ভেঙ্গে ইউনিয়ন পঞ্চায়েত নামকরণ করা হয়। [[১৯৭২]] সালের [[১৪ ডিসেম্বর]] নতুন সংবিধান প্রণীত হয়। [[১৯৭৩]] সালের [[৩০ জুন]] [[জাতীয় সংসদ]] কর্তৃক বিধি প্রণীত হয়। ইউনিয়ন পঞ্চায়েত-এর নাম পরিবর্তন করে নাম রাখা হয় ইউনিয়ন পরিষদ।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|শিরোনাম=&amp;quot;ইউনিয়ন পরিষদের পটভূমি|ইউআরএল=https://file-dhaka.portal.gov.bd/uploads/1a4b86d1-61d8-49e9-a3f9-a0508b093b51//646/338/29b/64633829bce7b694438387.pdf|ওয়েবসাইট=portal.gov.bd}}&amp;lt;/ref&amp;gt; [[জিয়াউর রহমান|জিয়ার]] সামরিক শাসনামলে [[১৯৭৬]] সালের [[২০ নভেম্বর]] স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন অধ্যাদেশ জারি করা হয়। ইউনিয়ন পরিষদের নাম ঠিক রেখেই সব সরকার কাজ চালিয়ে যান। [[১৯৯৬]] সালে [[আওয়ামী লীগ]] সরকার ক্ষমতায় এসে ৩টি ওয়ার্ডের পরিবর্তে ৯টি ওয়ার্ড সৃষ্টি করেন এবং ৩ জন মহিলা সদস্যকে সরাসরি নির্বাচনে অংশগ্রহণের ব্যবস্থা করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==গঠন কাঠামো==&lt;br /&gt;
প্রতিটি ইউনিয়নভুক্ত গ্রামগুলোকে জনসংখ্যার ভিত্তিতে ৯টি ওয়ার্ডে বিভক্ত করে প্রত্যিটি ওয়ার্ড থেকে ১ জন করে সাধারণ সদস্য এবং প্রতি তিনটি ওয়ার্ড হতে ১ জন সংরক্ষিত (মহিলা) সদস্য সংশ্লিষ্ট এলাকার জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হন। এছাড়াও পুরো ইউনিয়ন হতে একজন [[চেয়ারম্যান]] নির্বাচিত করা হয়। ফলে, ১ জন চেয়ারম্যান ও ১২ জন সদস্য নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত হয়। এছাড়াও পরিষদের কার্যক্রমে সহায়তা করার জন্য রয়েছে একজন [[ইউনিয়ন প্রশাসনিক কর্মকর্তা|ইউনিয়ন পরিষদ প্রশাসনিক কর্মকর্তা]], ০১ জন হিসাব সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর এবং কয়েকজন [[গ্রাম পুলিশ]] প্রভৃতি।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|শিরোনাম=Local Government (Union Parishads) Act, 2009 (in Bangla).|ইউআরএল=http://bdlaws.minlaw.gov.bd/bangla_all_sections.php?id=1027|কর্ম=Bangladesh Code|প্রকাশক=Ministry of Law, Government of Bangladesh|সংগ্রহের-তারিখ=১২ এপ্রিল ২০১৬|আর্কাইভের-তারিখ=২১ জানুয়ারি ২০১৪|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20140121152051/http://bdlaws.minlaw.gov.bd/bangla_all_sections.php?id=1027|ইউআরএল-অবস্থা=কার্যকর}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
===ইউনিয়ন পরিষদ সচিব===&lt;br /&gt;
ইউনিয়ন পরিষদ সচিব নামে পূর্বে পদটি পরিচিত থাকলেও বর্তমানে গেজেটের মাধ্যমে পদের নামটি ইউনিয়ন পরিষদ প্রশাসনিক কর্মকর্তা&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|শিরোনাম=স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯|ইউআরএল=http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-1027.html|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20200116172600/http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-1027.html|সংগ্রহের-তারিখ=১৯ ডিসেম্বর ২০২৪|ওয়েবসাইট=bdlaws.minlaw.gov.bd|আর্কাইভের-তারিখ=১৬ জানুয়ারি ২০২০|ইউআরএল-অবস্থা=bot: unknown}}&amp;lt;/ref&amp;gt; করা হয়েছে। এ পদের বেতন সরকারি রাজস্ব খাত থেকে ৭৫ ভাগ এবং বাকি ২৫ ভাগ ইউনিয়ন পরিষদের রাজস্ব খাত থেকে দেওয়া হয়। ইউনিয়ন পরিষদ (পরিষদের কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগ ও চাকরির শর্তাবলী) বিধিমালা, ২০১১ নামে ইউপি সচিব নিয়োগের একটি স্বতন্ত্র নিয়োগ বিধি আছে। এ পদের পদোন্নতি নেই, তবে গ্রেড ও স্কেল পরিবর্তন হয়। সরকারি সকল সুবিধা পেলেও পেনশন পান না। অবসরে গেলে মূল বেতনের ৮০ মাসের সমপরিমাণ টাকা (এককালীন) দেয় সরকার।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==ক্যাশলেস ইউনিয়ন পরিষদ সেবা==&lt;br /&gt;
বর্তমানে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ট্রেড লাইসেন্স, চারিত্রিক সনদপত্র, ভূমিহীন সনদপত্র, ওয়ারিশান সনদপত্র, অবিবাহিত সনদপত্র, প্রত্যয়নপত্র, অস্বচ্ছল প্রত্যয়নপত্র, নাগরিক সনদপত্র, উত্তরাধিকার সনদপত্র ইত্যাদি সেবা প্রদান করা হয়।&lt;br /&gt;
বহুল প্রচলিত এই সকল সেবাকে জনবান্ধব করার জন্য একটি ডিজিটাল প্লাটফর্ম অত্যাবশ্যকীয় হয়ে পড়ে। সে লক্ষ্যে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে প্রদত্ত সেবাসমূহকে জনগণের কাছে স্বল্প খরচে, স্বল্প সময়ে এবং হয়রানিমুক্তভাবে প্রদান নিশ্চিত করার জন্য একটি এ্যাপ্লিকেশন থেকে সকল সেবা প্রদানের নিমিত্ত গত ২০১৯-২০ অর্থ-বছরে সম্ভব্যতা যাচাইয়ের মাধ্যমে [http://www.uniontax.gov.bd www.uniontax.gov.bd] নামক একটি অনলাইন সিস্টেম কার্যক্রম চালু করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==আরও দেখুন==&lt;br /&gt;
* [[বাংলাদেশ]]&lt;br /&gt;
* [[বাংলাদেশ সম্পর্কিত বিষয়ের তালিকা]]&lt;br /&gt;
* [[বাংলাদেশের রূপরেখা]]&lt;br /&gt;
* [[বাংলাদেশের বিভাগসমূহ]]&lt;br /&gt;
* [[বাংলাদেশের জেলা]]&lt;br /&gt;
* [[বাংলাদেশের জেলার তালিকা]]&lt;br /&gt;
* [[বাংলাদেশের উপজেলা]]&lt;br /&gt;
* [[বাংলাদেশের উপজেলার তালিকা]]&lt;br /&gt;
* [[বাংলাদেশের ইউনিয়নের তালিকা]]&lt;br /&gt;
* [[বাংলাদেশের সিটি কর্পোরেশনের তালিকা]]&lt;br /&gt;
* [[বাংলাদেশের পৌরসভার তালিকা]]&lt;br /&gt;
* [[বাংলাদেশের শহরের তালিকা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==তথ্যসূত্র==&lt;br /&gt;
{{সূত্র তালিকা}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== বহিঃসংযোগ ==&lt;br /&gt;
* [http://bn.banglapedia.org/index.php?title=ইউনিয়ন বাংলাপিডিয়া নিবন্ধ]&lt;br /&gt;
{{বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার}}&lt;br /&gt;
{{বাংলাদেশের বিষয়াবলী}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:প্রশাসনিক একক]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Duyel</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%A8_%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A6%A6_(%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6)&amp;diff=15375</id>
		<title>ইউনিয়ন পরিষদ (বাংলাদেশ)</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%A8_%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A6%A6_(%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6)&amp;diff=15375"/>
		<updated>2026-09-17T21:31:28Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Duyel: Duyel বাংলাদেশের ইউনিয়ন পাতাটিকে ইউনিয়ন পরিষদ (বাংলাদেশ) শিরোনামে কোনো পুনর্নির্দেশনা ছাড়াই স্থানান্তর করেছেন&lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;[[File:১নং বনগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়(১).jpg|থাম্ব|বর্তমান সময়ের একটি ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের ছবি]]&lt;br /&gt;
[[File:গোলাপগঞ্জ ইউনিয়ন.jpg|thumb|একটি ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স]]&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;বাংলাদেশের ইউনিয়ন পরিষদ&#039;&#039;&#039; বা &#039;&#039;&#039;সঙ্ঘ পরিষদ&#039;&#039;&#039; হলো বাংলাদেশে পল্লি অঞ্চলের সর্বনিম্ন প্রশাসনিক একক। গ্রাম চৌকিদারি আইনের ১৮৭০ এর অধীনে [[ইউনিয়ন]] পরিষদের সৃষ্টি হয়। &lt;br /&gt;
এ আইনের অধীনে প্রতিটি গ্রামে পাহারা টহল ব্যবস্থা চালু করার উদ্দেশ্যে কতগুলো গ্রাম নিয়ে একটি করে ইউনিয়ন গঠিত হয়। ইউনিয়ন গঠনের বিস্তারিত  দিকনির্দেশনা লিপিবদ্ধ রয়েছে বেঙ্গল চৌকিদারি ম্যানুয়েলের দ্বিতীয় ও তৃতীয় অনুচ্ছেদে। এই প্রক্রিয়ার বিকাশের মধ্য দিয়ে একটি স্থানীয় সরকার ইউনিটের ধারণার সৃষ্টি হয়। প্রাথমিক পর্যায়ে এর ভূমিকা নিরাপত্তামূলক কর্মকাণ্ডে সীমাবদ্ধ থাকলেও পরবর্তী কালে এটিই স্থানীয় সরকারের প্রাথমিক ইউনিটের ভিত্তিরূপে  গড়ে উঠে।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|শেষাংশ=Khan|প্রথমাংশ=Dr. Mohammad Ibrahim|শিরোনাম=Functioning of Local Government (Union Parishad): Legal and Practical Constraints|ইউআরএল=http://www.dwatch-bd.org%2FL%26P%2520constraints.pdf|প্রকাশক=Democracywatch|সংগ্রহের-তারিখ=24 March 2012|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20180417173046/http://www.dwatch-bd.org/L%26P%20constraints.pdf|আর্কাইভের-তারিখ=১৭ এপ্রিল ২০১৮|অকার্যকর-ইউআরএল=হ্যাঁ}}&amp;lt;/ref&amp;gt; [[বাংলাদেশ]]ে বর্তমানে ৪৫৭৯টি ইউনিয়ন আছে।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://lgd.gov.bd/site/page/f6edbbb4-8227-4981-b63e-f7bdda51c197/%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%A8-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A6%A6|শিরোনাম=বাংলাদেশ {{!}} জাতীয় তথ্য বাতায়ন {{!}} গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার|শেষাংশ=|প্রথমাংশ=|তারিখ=|ওয়েবসাইট=|সংগ্রহের-তারিখ=|আর্কাইভের-তারিখ=১৬ মে ২০২১|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20210516190702/https://lgd.gov.bd/site/page/f6edbbb4-8227-4981-b63e-f7bdda51c197/%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%A8-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A6%A6|ইউআরএল-অবস্থা=কার্যকর}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==পটভূমি==&lt;br /&gt;
বাংলাদেশে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার একটি দীর্ঘ ও ঐতিহ্যবাহী ইতিহাস রয়েছে। অতি প্রাচীন কাল থেকে উপমহাদেশে স্থানীয় সরকারের অস্তিত্ব খুজে পাওয়া যায়। সাধারণত স্থানীয় সরকার বলতে এমন জনসংগঠনকে বুঝায় যা অপেক্ষাকৃত ক্ষুদ্র ভৌগোলিক সীমা রেখায় একটি দেশের অঞ্চল ভিত্তিতে জাতীয় সরকারের অংশ হিসেবে কাজ করে। স্থানীয় কার্যক্রম সম্পাদনের জন্য স্থানীয়ভাবে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সমম্বয়ে গঠিত সংস্থাকে স্থানীয় সরকার বলা হয়। জাতীয় সরকারের মত স্থানীয় সরকার সার্বভৌম কোন প্রতিষ্ঠান নয়। জাতীয় সরকার বিভিন্ন সার্কুলার ও নির্দেশের মাধ্যমে স্থানীয় সরকারের কার্যাবলী নিয়ন্ত্রণ করে থাকেন। স্থানীয় সরকার নির্দিষ্ট এলাকার কর, রেট, ফিস, টোল প্রভৃতি নির্ধারণ ও আদায়ের ব্যাপারে জাতীয় সরকারের নির্দেশ অনুসরণ করে থাকে। ব্রিটিশ শাসন আমলের পূর্বে প্রাচীন ও মধ্য যুগীয় আমলে খ্রীষ্ট পূর্ব ১৫০০-১০০০ অব্দে গ্রাম পরিষদের উল্লেখ রয়েছে। এছাড়া খ্রীষ্ট পূর্ব ৩২৪-১৮৩ অব্দে মৌর্য বা মৌর্য পূর্ব যুগে গ্রাম প্রশাসনের অস্তিত্বের স্বাক্ষর পাওয়া যায়। ব্রিটিশদের আগমনের পূর্বে তৎকালীন বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান হিসেবে অধিকাংশ গ্রামে পঞ্চায়েত প্রথা প্রচলিত ছিল। পঞ্চায়েতের সদস্য সংখ্যা ছিল ৫ জন। জনগণের মতামতের উপর ভিত্তি করে সামাজিক প্রয়োজনে পঞ্চায়েত প্রথার উদ্ভব ঘটে। তাই এগুলোর আইনগত কোন ভিত্তি ছিল না।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ব্রিটিশ শাসনামলে অর্থনৈতিক প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক কারণে ও ব্রিটিশদের ভিত্তি আরও সুদৃঢ় করার জন্য লর্ড মেয়ো ১৮৭০ সালে চৌকিদারি আইন পাশ করেন। এর ফলে প্রথমবারের মত  স্থানীয় সরকারের উদ্ভব হয় এবং পঞ্চায়েত প্রথার পুনরাবৃত্তি ঘটে। চৌকিদারি পঞ্চায়েতের সদস্য সংখ্যা ছিল পাঁচ জন এবং জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট পঞ্চায়েতের সকল সদস্যকে তিন বৎসরের জন্য নিয়োগ করতেন। চৌকিদারি পঞ্চায়েত ব্যবস্থার ত্রুটির কারণে ১৮৮৫ সালে বঙ্গীয় স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন আইন প্রবর্তনের মাধ্যমে ইউনিয়ন পর্যায়ে ইউনিয়ন কমিটি গঠন করা হয়। ইউনিয়ন কমিটির সদস্য সংখ্যা ছিল ৫-৯ জন এবং গ্রামবাসী কর্তৃক নির্বাচিত হতেন এবং ইউনিয়ন কমিটির পাশাপাশি চৌকিদারি পঞ্চায়েত কাজ করতো। এর ফলে  দ্বৈত শাসনের অসুবিধা সমূহ প্রকটভাবে দেখা দেয়। অতঃপর ১৯১৯ সালে চৌকিদারি পঞ্চায়েত ও ইউনিয়ন কমিটি বিলুপ্ত করে ইউনিয়ন পর্যায়ে ইউনিয়ন বোর্ড গঠন করা হয়। ইউনিয়ন বোর্ডের সদস্য ১/৩ অংশ সরকারের পক্ষে জেলা প্রশাসক মনোনয়ন দান করতেন অবশিষ্ট সদস্যগণ জনগণের দ্বারা নির্বাচিত হতেন। সদস্যগণ তাদের মধ্য থেকে প্রেসিডেন্ট ও একজন ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত করতেন। কার্যকাল ছিল ৩ (তিন) বৎসর। তবে ১৯৩৬ সাল হতে ৪ (চার) বৎসর করা হয় এবং মনোনয়ন প্রথা ১৯৪৬ সালে রহিত করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মৌলিক গণতন্ত্র আদেশ,১৯৫৯ এর অধীনে ইউনিয়ন কাউন্সিল গঠন করা হয় এবং সদস্য সংখ্যা ছিল ১০-১৫ জন। মোট সদস্যের ২/৩ অংশ জনগণের ভোটে নির্বাচিত হতো এবং অবশিষ্ট ১/৩ অংশ মহুকুমা প্রশাসক সরকারের পক্ষ থেকে মনোনয়ন প্রদান করতেন। ১৯৬২ সালে শাসনতন্ত্র প্রবর্তনের ফলে মনোনয়ন প্রথা রহিত করা হয়। সদস্যগণ তাদের মধ্য থেকে একজন চেয়ারম্যান ও একজন ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচন করতেন। পরবর্তীতে ভাইস চেয়ারম্যানের পদটি বিলুপ্ত করা হয়। ইউনিয়ন কাউন্সিলের মেয়াদ ছিল ৫ বছর বাংলাদেশে স্থানীয় সরকারের যে কাঠামো রয়েছে তার সূচনা হয়েছিল ব্রিটিশ আমলে প্রণীত কিছু কিছু আইনের মাধ্যমে। অষ্টাদশ শতকের শেষ ভাগে শহর অঞ্চল এবং ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষভাগে  স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেয়া হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==ইতিকথা==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
{{familytree/start}}&lt;br /&gt;
{{familytree | }}&lt;br /&gt;
{{familytree  | | | GOV | GOV=[[স্থানীয় সরকার]]}}&lt;br /&gt;
{{familytree  | | | |!| | | | | }}&lt;br /&gt;
{{familytree  | | | |!| | | | | }}&lt;br /&gt;
{{familytree  | | | DIS | DIS=[[বাংলাদেশের জেলাসমূহ|জেলা পরিষদ]]}}&lt;br /&gt;
{{familytree  | | | |!| | | | | }}&lt;br /&gt;
{{familytree  | | | UPZ | UPZ=[[উপজেলা পরিষদ]]}}&lt;br /&gt;
{{familytree  | | | |!| | | | | }}&lt;br /&gt;
{{familytree  | | | UNC | UNC=[[ইউনিয়ন পরিষদ]]}}&lt;br /&gt;
{{familytree | }}&lt;br /&gt;
{{familytree/end}}&lt;br /&gt;
&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি |ইউআরএল=http://www.bangladesh.gov.bd/?q=en |শিরোনাম=সংরক্ষণাগারভুক্ত অনুলিপি |সংগ্রহের-তারিখ=১২ এপ্রিল ২০১৬ |আর্কাইভের-তারিখ=১ জুলাই ২০১৪ |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20140701154222/http://bangladesh.gov.bd/?q=en |ইউআরএল-অবস্থা=কার্যকর }}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বর্তমানে  তিন ধরনের স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান কাজ করছে:&lt;br /&gt;
# [[ইউনিয়ন পরিষদ]]&lt;br /&gt;
# [[উপজেলা পরিষদ]] &lt;br /&gt;
# [[জেলা|জেলা পরিষদ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাংলাদেশে স্বাধীনতা উত্তরকালে রাষ্ট্রপতির আদেশ নং ৭,১৯৭২ বলে ইউনিয়ন কাউন্সিল বাতিল করে ইউনিয়ন পঞ্চায়েত নামকরণ করা হয় এবং রাষ্ট্রপতির আদেশ নং ২২, ১৯৭৩ অনুযায়ী ইউনিয়ন পঞ্চায়েতের নাম পরিবর্তন করে নামকরণ করা হয় ইউনিয়ন পরিষদ। ইউনিয়ন পরিষদের প্রত্যক্ষ ভোটে ৯ জন সদস্য, একজন চেয়ারম্যান ও একজন ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতেন। পরবর্তীতে স্থানীয় সরকার অধ্যাদেশ ১৯৭৬ অনুযায়ী ভাইস চেয়ারম্যানের পদটি বিলুপ্ত করা হয়। এছাড়া দুজন মনোনীত মহিলা সদস্য এবং ইউনিয়ন পরিষদকে দুজন প্রতিনিধি সদস্য (কৃষকের মধ্য থেকে) পরিষদে অর্ন্তভূক্ত করা হয়। সর্বোপরি ১৯৮৩ ও ১৯৯৩ সালে স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) অধ্যাদেশ অনুয়ায়ী প্রত্যক্ষ ভোটে একজন চেয়ারম্যান ও ০৯ জন সাধারণ সদস্য এবং সংরক্ষিত আসনে ০৩ জন মহিলা সদস্য নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ গঠন করা হয়। ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদকাল- ৫ বছর।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==নামকরণ==&lt;br /&gt;
ইউনিয়ন পরিষদের নামকরণ:&lt;br /&gt;
{{static row numbers}}&lt;br /&gt;
{{mw-datatable}}&lt;br /&gt;
{| class=&amp;quot;wikitable sortable mw-datatable static-row-numbers&amp;quot;&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
!সাল&lt;br /&gt;
!স্থানীয় সরকার&lt;br /&gt;
!ব্যবস্থার নাম&lt;br /&gt;
!সভাপতি&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|১৮৭০-১৮৮৫&lt;br /&gt;
|চৌকিদারি&lt;br /&gt;
|পঞ্চায়েত&lt;br /&gt;
|পঞ্চায়েত&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|১৯১৮&lt;br /&gt;
|ইউনিয়ন&lt;br /&gt;
|কমিটি&lt;br /&gt;
|পঞ্চায়েত&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|১৯১৯-১৯৩৫&lt;br /&gt;
|ইউনিয়ন&lt;br /&gt;
|বোর্ড&lt;br /&gt;
|প্রেসিডেন্ট&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|১৯৩৬-১৯৫৮&lt;br /&gt;
|ইউনিয়ন&lt;br /&gt;
|বোর্ড&lt;br /&gt;
|প্রেসিডেন্ট&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|১৯৫৯-১৯৬১&lt;br /&gt;
|ইউনিয়ন&lt;br /&gt;
|কাউন্সিল&lt;br /&gt;
|চেয়ারম্যান&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|১৯৬২&lt;br /&gt;
|ইউনিয়ন&lt;br /&gt;
|কাউন্সিল&lt;br /&gt;
|চেয়ারম্যান&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|১৯৬৩-১৯৭১&lt;br /&gt;
|ইউনিয়ন&lt;br /&gt;
|কাউন্সিল&lt;br /&gt;
|চেয়ারম্যান&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|১৯৭২&lt;br /&gt;
|ইউনিয়ন&lt;br /&gt;
|পঞ্চায়েত&lt;br /&gt;
|পঞ্চায়েত&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|১৯৭৩-১৯৭৫&lt;br /&gt;
|ইউনিয়ন&lt;br /&gt;
|পরিষদ&lt;br /&gt;
|চেয়ারম্যান&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|১৯৭৬-১৯৮২&lt;br /&gt;
|ইউনিয়ন&lt;br /&gt;
|পরিষদ&lt;br /&gt;
|চেয়ারম্যান&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|১৯৮৩-বর্তমান&lt;br /&gt;
|ইউনিয়ন&lt;br /&gt;
|পরিষদ&lt;br /&gt;
|চেয়ারম্যান&lt;br /&gt;
|}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==বিস্তারিত ইতিহাস==&lt;br /&gt;
ইউনিয়ন পরিষদ হলো বাংলাদেশে পল্লি অঞ্চলের সর্বনিম্ন প্রশাসনিক একক। গ্রাম চৌকিদারি আইনের ১৮৭০ এর অধীনে ইউনিয়ন পরিষদের সৃষ্টি হয়। প্রাথমিক পর্যায়ে এর ভূমিকা নিরাপত্তামূলক কর্মকাণ্ডে সীমাবদ্ধ থাকলেও পরবর্তী কালে এটিই স্থানীয় সরকারের প্রাথমিক ইউনিটের ভিত্তিরুপে গড়ে উঠে। বর্তমানে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ট্রেড লাইসেন্স, চারিত্রিক সনদপত্র, ভূমিহীন সনদপত্র, ওয়ারিশান সনদপত্র, অবিবাহিত সনদপত্র, প্রত্যয়নপত্র, অস্বচ্ছল প্রত্যয়নপত্র, নাগরিক সনদপত্র, উত্তরাধিকার সনদপত্র ইত্যাদি সেবা প্রদান করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
===ব্রিটিশ আমল=== &lt;br /&gt;
১৮৬১ সালে তৎকালীন অর্থমন্ত্রী বাজেটে ঘোষণা করেন যে, স্থানীয় এলাকায় উন্নতির জন্য কিছু ক্ষমতা স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর উপর অর্পণ করা প্রয়োজন। ১৮৬৯ সালের ১৪ই ডিসেম্বর লর্ড মেয়ো স্থানীয় এলাকার উন্নতির জন্য গুরুত্ব আরোপ করেন। তারপর ১৮৮২ সালে রর্ড রিপনই সর্ব প্রথম এদেশে  স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য জনসাধারণকে অধিকতর রাজনৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে চেয়েছেন। লর্ড রিপনের এ প্রস্তাবনার প্রতি তৎকালীন ইংল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী গ্লাডস্টোনের পূর্ণ সমর্থন ছিল। এরপর লর্ড রিপন ১৮৮২ সালের ১৮ই মে ঐতিহাসিক প্রস্তাবনা ঘোষণা করেন। তার প্রস্তাবনার ভিত্তিতে ১৮৮৩ সালের জানুয়ারি মাসে বাংলায় বিধান সভায় একটা বিল উত্থাপন করা হয় ও  গ্রাম এলাকায় জনসাধারণের কল্যাণের জন্য প্রথম ইউনিয়ন কমিটি গঠন করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১৮৮৫ সাল থেকে ১৯১৯ সাল পর্যন্ত বর্তমান ইউনিয়ন পরিষদের নাম ছিল ইউনিয়ন কমিটি। হাওড়া জেলা প্রশাসক ই কে ওয়েস্টম্যান কোট নামে একজন আই.সি.এস অফিসারকে এ বিষয়ের জন্য বিশেষ দায়িত্বে নিয়োগ করা হয়। অর্পিত দায়িত্ব পালনের জন্য তিনি বর্ধমান ডিভিশন এবং ঢাকা জেলার মুন্সীগঞ্জ মহকুমার মধ্যে প্রথম ১৮০টি ইউনিয়ন কমিটি গঠন করেন। ১৮৮৪ সালের ৩১শে মার্চ সরকার এক প্রস্তাবনার মাধ্যমে বিষয়টি গ্রহণ করেন। কিন্তু তৎকালীন সেক্রেটারী জেনারেলের বিরোধিতার জন্য আইনটি পাস হতে বিলম্ব ঘটে। অতপর ১৮৮৫ সালের মার্চ মাসে মিস্টার ম্যাকুলে বিলটি পুনঃ উত্থাপন করেন। ঐ বছর ৪ঠা এপ্রিল বিলটি চূড়ান্তভাবে পাস করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১৮৮৫ সালের আইনে তিনস্তর বিশিষ্ট গ্রাম স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠা করা হয়। স্তরগুলো হলো:&lt;br /&gt;
# জেলা কমিটি&lt;br /&gt;
# থানা কমিটি&lt;br /&gt;
# ইউনিয়ন কমিটি&lt;br /&gt;
তখন এর সদস্য সংখ্যা ছিল ৫ থেকে ৯ জন। তারা ইউনিয়নের অধিবাসীদের দ্বারা নির্বাচিত হতেন। প্রথম অবস্থায় ইউনিয়ন কমিটির চেয়ারম্যান পদ ১৮৮৫ সালের বিধানে ছিল না। ১৯০৮ সালে পশ্চিম বাংলায় ১৮৮৫ সালের আইনের সংশোধন কালে চেয়ারম্যান পদের সৃষ্টি করা হয়। সে অনুসারে ১৯১৪ সালে পূর্ব বাংলায় প্রচলিত হয়। তখন সদস্যগণের মধ্য থেকে চেয়ারম্যান নিয়োগের প্রথা ছিল। ইউনিয়ন কমিটির কার্যকাল ছিল মাত্র ২ বছর। ১৮৯৬-৯৭ সালে স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন নিয়ে পুনরায় চিন্তাভাবনা করা হয়। সে সময় পূর্ব বাংলায় ছিল প্রবল বন্যা। এই বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য তখন প্রথম ইউনিয়ন কমিটির হাতে স্থানীয় করারোপ করা ছাড়াও কিছু ক্ষমতা প্রদান করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১৯১৩ সালে মিস্টার লিভিঞ্জের সভাপতিত্বে অন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়। উক্ত কমিটি স্থানীয় স্বায়ত্ত শাসনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ মতামত প্রদান করতে সক্ষম হয়। উক্ত ইউনিয়ন কমিটি বাতিলের জন্য পরামর্শ দেয়। ১৯১৮ সালের ২৪শে এপ্রিল স্যার সুরেন্দ্র প্রাসানা সিনহা ১৮৭০ সালের গ্রাম পঞ্চায়েতী আইন এবং ১৮৮৫ সালের ইউনিয়ন কমিটি ভেঙ্গে একটি নতুন কমিটি গঠন করার সুপারিশ পেশ করেন। নতুন এই কমিটির নামকরণ করা হয় ইউনিয়ন বোর্ড। ১৯১৯ সালের ২১শে জানুয়ারি মিস্টার হেনরী হুইলার বিলটি সিলেক্ট কমিটির নিকট পেশ করেন। আলোচনাকালে জনাব শের-ই-বাংলা এ কে এম ফজলুল হক জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের পরিবর্তে ইউনিয়ন বোর্ডকে জেলা বোর্ডের নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য সুপারিশ করেন। বিলটির উপর সামান্য আলোচনা-সমালোচনার পর ঐ বছরই গ্রাম স্বায়ত্ত শাসন আইন ১৯১৯ সালে পাস হয়। উক্ত আইনে বলা হয়, সাধারণত গড়ে ১০টি গ্রাম নিয়ে একটি ইউনিয়ন বোর্ড গঠিত হবে। ইউনিয়নের গড় আয়তন ছিল ১০ থেকে ১৫ মাইলের মধ্যে, এর গড় জনসংখ্যা ছিল ১০ হাজার। পিরোজপুর জেলার প্রায় ইউনিয়নই ১৯১৯ সালের আইন অনুযায়ী ১৯২০ সাল থেকেই ইউনিয়ন বোর্ড চালু হয়। উক্ত ইউনিয়ন বোর্ডের কার্যকাল ছিল ৩ বছর। স্যার সুরেন্দ্রনাথ ব্যানার্জি সর্ব প্রথম স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন বিষয়ক মন্ত্রী হন। ১৯৩৫ সালে ইউনিয়ন বোর্ডের কার্যকাল ৪ বছর করা হয়। এই আইনে প্রেসিডেন্ট ছাড়াও একজন ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ব্যবস্থা করা হয়েছিল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
===পাকিস্তান আমল=== &lt;br /&gt;
[[১৯৫৭]] সালে [[পূর্ব পাকিস্তান]] আইন নং ৩৫, [[১৯১৯]] সালের আইন সংশোধন করে তৈরী হয়েছে। প্রকাশ্যে ভোটদান বাতিল করে গোপন ব্যালটে ভোট চালু হয়। ইউনিয়নকে ৩টি ওয়ার্ডে বিভক্ত করা হয়। এই আইনে সর্বপ্রথম নারীদের ভোটাধিকার দেয়া হয়। [[১৯৫৯]] সালের [[২৬ অক্টোবর]] ফিল্ড মার্শাল [[আইয়ুব খান]] মৌলিক [[গণতন্ত্র]] চালু করেন এবং ইউনিয়ন বোর্ডের নাম পরিবর্তন করে নাম রাখেন ইউনিয়ন কাউন্সিল।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|শেষাংশ=প্রতিবেদক|প্রথমাংশ=নিজস্ব|তারিখ=2016-11-29|ভাষা=bn|শিরোনাম=আইয়ুবের &#039;বেসিক ডেমোক্রেসি&#039; পাচ্ছি|ইউআরএল=https://www.prothomalo.com/opinion/column/%E0%A6%86%E0%A6%87%E0%A7%9F%E0%A7%81%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E2%80%98%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%95-%E0%A6%A1%E0%A7%87%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87%E2%80%8B%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E2%80%99-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%9B%E0%A6%BF|সংগ্রহের-তারিখ=2025-01-19|ওয়েবসাইট=দৈনিক প্রথম আলো}}&amp;lt;/ref&amp;gt; উক্ত ইউনিয়ন কাউন্সিলের কার্যকাল ছিল ৫ বছর। ভাইস চেয়ারম্যান পদ [[১৯৬৫]] সালে বাতিল করা হয়। [[১৯৭১]] সালে ইউনিয়ন কাউন্সিলের নাম পরিবর্তন করে নাম রাখা হয় ত্রাণ কমিটি।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|শিরোনাম=ইউনিয়ন পরিষদ সৃষ্টির ইতিহাস|ইউআরএল=https://khadimnagarup.sylhet.gov.bd/bn/site/page/z5SA-%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%A8-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A6%A6-%E0%A6%B8%E0%A7%83%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%87%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8|সংগ্রহের-তারিখ=2025-01-19|ওয়েবসাইট=khadimnagarup.sylhet.gov.bd|আর্কাইভের-তারিখ=২০২২-০৬-১৮|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20220618000408/http://khadimnagarup.sylhet.gov.bd/bn/site/page/z5SA-%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%A8-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A6%A6-%E0%A6%B8%E0%A7%83%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%87%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8|ইউআরএল-অবস্থা=কার্যকর}}&amp;lt;/ref&amp;gt; [[১৯৭২]] সালের [[১ জানুয়ারি]] ইউনিয়ন কাউন্সিল ও ত্রাণ কমিটি ভেঙ্গে ইউনিয়ন পঞ্চায়েত নামকরণ করা হয়। [[১৯৭২]] সালের [[১৪ ডিসেম্বর]] নতুন সংবিধান প্রণীত হয়। [[১৯৭৩]] সালের [[৩০ জুন]] [[জাতীয় সংসদ]] কর্তৃক বিধি প্রণীত হয়। ইউনিয়ন পঞ্চায়েত-এর নাম পরিবর্তন করে নাম রাখা হয় ইউনিয়ন পরিষদ।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|শিরোনাম=&amp;quot;ইউনিয়ন পরিষদের পটভূমি|ইউআরএল=https://file-dhaka.portal.gov.bd/uploads/1a4b86d1-61d8-49e9-a3f9-a0508b093b51//646/338/29b/64633829bce7b694438387.pdf|ওয়েবসাইট=portal.gov.bd}}&amp;lt;/ref&amp;gt; [[জিয়াউর রহমান|জিয়ার]] সামরিক শাসনামলে [[১৯৭৬]] সালের [[২০ নভেম্বর]] স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন অধ্যাদেশ জারি করা হয়। ইউনিয়ন পরিষদের নাম ঠিক রেখেই সব সরকার কাজ চালিয়ে যান। [[১৯৯৬]] সালে [[আওয়ামী লীগ]] সরকার ক্ষমতায় এসে ৩টি ওয়ার্ডের পরিবর্তে ৯টি ওয়ার্ড সৃষ্টি করেন এবং ৩ জন মহিলা সদস্যকে সরাসরি নির্বাচনে অংশগ্রহণের ব্যবস্থা করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==গঠন কাঠামো==&lt;br /&gt;
প্রতিটি ইউনিয়নভুক্ত গ্রামগুলোকে জনসংখ্যার ভিত্তিতে ৯টি ওয়ার্ডে বিভক্ত করে প্রত্যিটি ওয়ার্ড থেকে ১ জন করে সাধারণ সদস্য এবং প্রতি তিনটি ওয়ার্ড হতে ১ জন সংরক্ষিত (মহিলা) সদস্য সংশ্লিষ্ট এলাকার জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হন। এছাড়াও পুরো ইউনিয়ন হতে একজন [[চেয়ারম্যান]] নির্বাচিত করা হয়। ফলে, ১ জন চেয়ারম্যান ও ১২ জন সদস্য নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত হয়। এছাড়াও পরিষদের কার্যক্রমে সহায়তা করার জন্য রয়েছে একজন [[ইউনিয়ন প্রশাসনিক কর্মকর্তা|ইউনিয়ন পরিষদ প্রশাসনিক কর্মকর্তা]], ০১ জন হিসাব সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর এবং কয়েকজন [[গ্রাম পুলিশ]] প্রভৃতি।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|শিরোনাম=Local Government (Union Parishads) Act, 2009 (in Bangla).|ইউআরএল=http://bdlaws.minlaw.gov.bd/bangla_all_sections.php?id=1027|কর্ম=Bangladesh Code|প্রকাশক=Ministry of Law, Government of Bangladesh|সংগ্রহের-তারিখ=১২ এপ্রিল ২০১৬|আর্কাইভের-তারিখ=২১ জানুয়ারি ২০১৪|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20140121152051/http://bdlaws.minlaw.gov.bd/bangla_all_sections.php?id=1027|ইউআরএল-অবস্থা=কার্যকর}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
===ইউনিয়ন পরিষদ সচিব===&lt;br /&gt;
ইউনিয়ন পরিষদ সচিব নামে পূর্বে পদটি পরিচিত থাকলেও বর্তমানে গেজেটের মাধ্যমে পদের নামটি ইউনিয়ন পরিষদ প্রশাসনিক কর্মকর্তা&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|শিরোনাম=স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯|ইউআরএল=http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-1027.html|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20200116172600/http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-1027.html|সংগ্রহের-তারিখ=১৯ ডিসেম্বর ২০২৪|ওয়েবসাইট=bdlaws.minlaw.gov.bd|আর্কাইভের-তারিখ=১৬ জানুয়ারি ২০২০|ইউআরএল-অবস্থা=bot: unknown}}&amp;lt;/ref&amp;gt; করা হয়েছে। এ পদের বেতন সরকারি রাজস্ব খাত থেকে ৭৫ ভাগ এবং বাকি ২৫ ভাগ ইউনিয়ন পরিষদের রাজস্ব খাত থেকে দেওয়া হয়। ইউনিয়ন পরিষদ (পরিষদের কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগ ও চাকরির শর্তাবলী) বিধিমালা, ২০১১ নামে ইউপি সচিব নিয়োগের একটি স্বতন্ত্র নিয়োগ বিধি আছে। এ পদের পদোন্নতি নেই, তবে গ্রেড ও স্কেল পরিবর্তন হয়। সরকারি সকল সুবিধা পেলেও পেনশন পান না। অবসরে গেলে মূল বেতনের ৮০ মাসের সমপরিমাণ টাকা (এককালীন) দেয় সরকার।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==ক্যাশলেস ইউনিয়ন পরিষদ সেবা==&lt;br /&gt;
বর্তমানে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ট্রেড লাইসেন্স, চারিত্রিক সনদপত্র, ভূমিহীন সনদপত্র, ওয়ারিশান সনদপত্র, অবিবাহিত সনদপত্র, প্রত্যয়নপত্র, অস্বচ্ছল প্রত্যয়নপত্র, নাগরিক সনদপত্র, উত্তরাধিকার সনদপত্র ইত্যাদি সেবা প্রদান করা হয়।&lt;br /&gt;
বহুল প্রচলিত এই সকল সেবাকে জনবান্ধব করার জন্য একটি ডিজিটাল প্লাটফর্ম অত্যাবশ্যকীয় হয়ে পড়ে। সে লক্ষ্যে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে প্রদত্ত সেবাসমূহকে জনগণের কাছে স্বল্প খরচে, স্বল্প সময়ে এবং হয়রানিমুক্তভাবে প্রদান নিশ্চিত করার জন্য একটি এ্যাপ্লিকেশন থেকে সকল সেবা প্রদানের নিমিত্ত গত ২০১৯-২০ অর্থ-বছরে সম্ভব্যতা যাচাইয়ের মাধ্যমে [http://www.uniontax.gov.bd www.uniontax.gov.bd] নামক একটি অনলাইন সিস্টেম কার্যক্রম চালু করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==আরও দেখুন==&lt;br /&gt;
* [[বাংলাদেশ]]&lt;br /&gt;
* [[বাংলাদেশ সম্পর্কিত বিষয়ের তালিকা]]&lt;br /&gt;
* [[বাংলাদেশের রূপরেখা]]&lt;br /&gt;
* [[বাংলাদেশের বিভাগসমূহ]]&lt;br /&gt;
* [[বাংলাদেশের জেলা]]&lt;br /&gt;
* [[বাংলাদেশের জেলার তালিকা]]&lt;br /&gt;
* [[বাংলাদেশের উপজেলা]]&lt;br /&gt;
* [[বাংলাদেশের উপজেলার তালিকা]]&lt;br /&gt;
* [[বাংলাদেশের ইউনিয়নের তালিকা]]&lt;br /&gt;
* [[বাংলাদেশের সিটি কর্পোরেশনের তালিকা]]&lt;br /&gt;
* [[বাংলাদেশের পৌরসভার তালিকা]]&lt;br /&gt;
* [[বাংলাদেশের শহরের তালিকা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==তথ্যসূত্র==&lt;br /&gt;
{{সূত্র তালিকা}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== বহিঃসংযোগ ==&lt;br /&gt;
* [http://bn.banglapedia.org/index.php?title=ইউনিয়ন বাংলাপিডিয়া নিবন্ধ]&lt;br /&gt;
{{বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার}}&lt;br /&gt;
{{বাংলাদেশের বিষয়াবলী}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:প্রশাসনিক একক]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Duyel</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%A8_%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A6%A6_(%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6)&amp;diff=15374</id>
		<title>ইউনিয়ন পরিষদ (বাংলাদেশ)</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%A8_%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A6%A6_(%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6)&amp;diff=15374"/>
		<updated>2026-09-17T21:30:48Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Duyel: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;[[File:১নং বনগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়(১).jpg|থাম্ব|বর্তমান সময়ের একটি ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের ছবি]]&lt;br /&gt;
[[File:গোলাপগঞ্জ ইউনিয়ন.jpg|thumb|একটি ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স]]&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;বাংলাদেশের ইউনিয়ন পরিষদ&#039;&#039;&#039; বা &#039;&#039;&#039;সঙ্ঘ পরিষদ&#039;&#039;&#039; হলো বাংলাদেশে পল্লি অঞ্চলের সর্বনিম্ন প্রশাসনিক একক। গ্রাম চৌকিদারি আইনের ১৮৭০ এর অধীনে [[ইউনিয়ন]] পরিষদের সৃষ্টি হয়। &lt;br /&gt;
এ আইনের অধীনে প্রতিটি গ্রামে পাহারা টহল ব্যবস্থা চালু করার উদ্দেশ্যে কতগুলো গ্রাম নিয়ে একটি করে ইউনিয়ন গঠিত হয়। ইউনিয়ন গঠনের বিস্তারিত  দিকনির্দেশনা লিপিবদ্ধ রয়েছে বেঙ্গল চৌকিদারি ম্যানুয়েলের দ্বিতীয় ও তৃতীয় অনুচ্ছেদে। এই প্রক্রিয়ার বিকাশের মধ্য দিয়ে একটি স্থানীয় সরকার ইউনিটের ধারণার সৃষ্টি হয়। প্রাথমিক পর্যায়ে এর ভূমিকা নিরাপত্তামূলক কর্মকাণ্ডে সীমাবদ্ধ থাকলেও পরবর্তী কালে এটিই স্থানীয় সরকারের প্রাথমিক ইউনিটের ভিত্তিরূপে  গড়ে উঠে।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|শেষাংশ=Khan|প্রথমাংশ=Dr. Mohammad Ibrahim|শিরোনাম=Functioning of Local Government (Union Parishad): Legal and Practical Constraints|ইউআরএল=http://www.dwatch-bd.org%2FL%26P%2520constraints.pdf|প্রকাশক=Democracywatch|সংগ্রহের-তারিখ=24 March 2012|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20180417173046/http://www.dwatch-bd.org/L%26P%20constraints.pdf|আর্কাইভের-তারিখ=১৭ এপ্রিল ২০১৮|অকার্যকর-ইউআরএল=হ্যাঁ}}&amp;lt;/ref&amp;gt; [[বাংলাদেশ]]ে বর্তমানে ৪৫৭৯টি ইউনিয়ন আছে।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://lgd.gov.bd/site/page/f6edbbb4-8227-4981-b63e-f7bdda51c197/%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%A8-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A6%A6|শিরোনাম=বাংলাদেশ {{!}} জাতীয় তথ্য বাতায়ন {{!}} গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার|শেষাংশ=|প্রথমাংশ=|তারিখ=|ওয়েবসাইট=|সংগ্রহের-তারিখ=|আর্কাইভের-তারিখ=১৬ মে ২০২১|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20210516190702/https://lgd.gov.bd/site/page/f6edbbb4-8227-4981-b63e-f7bdda51c197/%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%A8-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A6%A6|ইউআরএল-অবস্থা=কার্যকর}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==পটভূমি==&lt;br /&gt;
বাংলাদেশে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার একটি দীর্ঘ ও ঐতিহ্যবাহী ইতিহাস রয়েছে। অতি প্রাচীন কাল থেকে উপমহাদেশে স্থানীয় সরকারের অস্তিত্ব খুজে পাওয়া যায়। সাধারণত স্থানীয় সরকার বলতে এমন জনসংগঠনকে বুঝায় যা অপেক্ষাকৃত ক্ষুদ্র ভৌগোলিক সীমা রেখায় একটি দেশের অঞ্চল ভিত্তিতে জাতীয় সরকারের অংশ হিসেবে কাজ করে। স্থানীয় কার্যক্রম সম্পাদনের জন্য স্থানীয়ভাবে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সমম্বয়ে গঠিত সংস্থাকে স্থানীয় সরকার বলা হয়। জাতীয় সরকারের মত স্থানীয় সরকার সার্বভৌম কোন প্রতিষ্ঠান নয়। জাতীয় সরকার বিভিন্ন সার্কুলার ও নির্দেশের মাধ্যমে স্থানীয় সরকারের কার্যাবলী নিয়ন্ত্রণ করে থাকেন। স্থানীয় সরকার নির্দিষ্ট এলাকার কর, রেট, ফিস, টোল প্রভৃতি নির্ধারণ ও আদায়ের ব্যাপারে জাতীয় সরকারের নির্দেশ অনুসরণ করে থাকে। ব্রিটিশ শাসন আমলের পূর্বে প্রাচীন ও মধ্য যুগীয় আমলে খ্রীষ্ট পূর্ব ১৫০০-১০০০ অব্দে গ্রাম পরিষদের উল্লেখ রয়েছে। এছাড়া খ্রীষ্ট পূর্ব ৩২৪-১৮৩ অব্দে মৌর্য বা মৌর্য পূর্ব যুগে গ্রাম প্রশাসনের অস্তিত্বের স্বাক্ষর পাওয়া যায়। ব্রিটিশদের আগমনের পূর্বে তৎকালীন বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান হিসেবে অধিকাংশ গ্রামে পঞ্চায়েত প্রথা প্রচলিত ছিল। পঞ্চায়েতের সদস্য সংখ্যা ছিল ৫ জন। জনগণের মতামতের উপর ভিত্তি করে সামাজিক প্রয়োজনে পঞ্চায়েত প্রথার উদ্ভব ঘটে। তাই এগুলোর আইনগত কোন ভিত্তি ছিল না।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ব্রিটিশ শাসনামলে অর্থনৈতিক প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক কারণে ও ব্রিটিশদের ভিত্তি আরও সুদৃঢ় করার জন্য লর্ড মেয়ো ১৮৭০ সালে চৌকিদারি আইন পাশ করেন। এর ফলে প্রথমবারের মত  স্থানীয় সরকারের উদ্ভব হয় এবং পঞ্চায়েত প্রথার পুনরাবৃত্তি ঘটে। চৌকিদারি পঞ্চায়েতের সদস্য সংখ্যা ছিল পাঁচ জন এবং জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট পঞ্চায়েতের সকল সদস্যকে তিন বৎসরের জন্য নিয়োগ করতেন। চৌকিদারি পঞ্চায়েত ব্যবস্থার ত্রুটির কারণে ১৮৮৫ সালে বঙ্গীয় স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন আইন প্রবর্তনের মাধ্যমে ইউনিয়ন পর্যায়ে ইউনিয়ন কমিটি গঠন করা হয়। ইউনিয়ন কমিটির সদস্য সংখ্যা ছিল ৫-৯ জন এবং গ্রামবাসী কর্তৃক নির্বাচিত হতেন এবং ইউনিয়ন কমিটির পাশাপাশি চৌকিদারি পঞ্চায়েত কাজ করতো। এর ফলে  দ্বৈত শাসনের অসুবিধা সমূহ প্রকটভাবে দেখা দেয়। অতঃপর ১৯১৯ সালে চৌকিদারি পঞ্চায়েত ও ইউনিয়ন কমিটি বিলুপ্ত করে ইউনিয়ন পর্যায়ে ইউনিয়ন বোর্ড গঠন করা হয়। ইউনিয়ন বোর্ডের সদস্য ১/৩ অংশ সরকারের পক্ষে জেলা প্রশাসক মনোনয়ন দান করতেন অবশিষ্ট সদস্যগণ জনগণের দ্বারা নির্বাচিত হতেন। সদস্যগণ তাদের মধ্য থেকে প্রেসিডেন্ট ও একজন ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত করতেন। কার্যকাল ছিল ৩ (তিন) বৎসর। তবে ১৯৩৬ সাল হতে ৪ (চার) বৎসর করা হয় এবং মনোনয়ন প্রথা ১৯৪৬ সালে রহিত করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মৌলিক গণতন্ত্র আদেশ,১৯৫৯ এর অধীনে ইউনিয়ন কাউন্সিল গঠন করা হয় এবং সদস্য সংখ্যা ছিল ১০-১৫ জন। মোট সদস্যের ২/৩ অংশ জনগণের ভোটে নির্বাচিত হতো এবং অবশিষ্ট ১/৩ অংশ মহুকুমা প্রশাসক সরকারের পক্ষ থেকে মনোনয়ন প্রদান করতেন। ১৯৬২ সালে শাসনতন্ত্র প্রবর্তনের ফলে মনোনয়ন প্রথা রহিত করা হয়। সদস্যগণ তাদের মধ্য থেকে একজন চেয়ারম্যান ও একজন ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচন করতেন। পরবর্তীতে ভাইস চেয়ারম্যানের পদটি বিলুপ্ত করা হয়। ইউনিয়ন কাউন্সিলের মেয়াদ ছিল ৫ বছর বাংলাদেশে স্থানীয় সরকারের যে কাঠামো রয়েছে তার সূচনা হয়েছিল ব্রিটিশ আমলে প্রণীত কিছু কিছু আইনের মাধ্যমে। অষ্টাদশ শতকের শেষ ভাগে শহর অঞ্চল এবং ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষভাগে  স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেয়া হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==ইতিকথা==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
{{familytree/start}}&lt;br /&gt;
{{familytree | }}&lt;br /&gt;
{{familytree  | | | GOV | GOV=[[স্থানীয় সরকার]]}}&lt;br /&gt;
{{familytree  | | | |!| | | | | }}&lt;br /&gt;
{{familytree  | | | |!| | | | | }}&lt;br /&gt;
{{familytree  | | | DIS | DIS=[[বাংলাদেশের জেলাসমূহ|জেলা পরিষদ]]}}&lt;br /&gt;
{{familytree  | | | |!| | | | | }}&lt;br /&gt;
{{familytree  | | | UPZ | UPZ=[[উপজেলা পরিষদ]]}}&lt;br /&gt;
{{familytree  | | | |!| | | | | }}&lt;br /&gt;
{{familytree  | | | UNC | UNC=[[ইউনিয়ন পরিষদ]]}}&lt;br /&gt;
{{familytree | }}&lt;br /&gt;
{{familytree/end}}&lt;br /&gt;
&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি |ইউআরএল=http://www.bangladesh.gov.bd/?q=en |শিরোনাম=সংরক্ষণাগারভুক্ত অনুলিপি |সংগ্রহের-তারিখ=১২ এপ্রিল ২০১৬ |আর্কাইভের-তারিখ=১ জুলাই ২০১৪ |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20140701154222/http://bangladesh.gov.bd/?q=en |ইউআরএল-অবস্থা=কার্যকর }}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বর্তমানে  তিন ধরনের স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান কাজ করছে:&lt;br /&gt;
# [[ইউনিয়ন পরিষদ]]&lt;br /&gt;
# [[উপজেলা পরিষদ]] &lt;br /&gt;
# [[জেলা|জেলা পরিষদ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাংলাদেশে স্বাধীনতা উত্তরকালে রাষ্ট্রপতির আদেশ নং ৭,১৯৭২ বলে ইউনিয়ন কাউন্সিল বাতিল করে ইউনিয়ন পঞ্চায়েত নামকরণ করা হয় এবং রাষ্ট্রপতির আদেশ নং ২২, ১৯৭৩ অনুযায়ী ইউনিয়ন পঞ্চায়েতের নাম পরিবর্তন করে নামকরণ করা হয় ইউনিয়ন পরিষদ। ইউনিয়ন পরিষদের প্রত্যক্ষ ভোটে ৯ জন সদস্য, একজন চেয়ারম্যান ও একজন ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতেন। পরবর্তীতে স্থানীয় সরকার অধ্যাদেশ ১৯৭৬ অনুযায়ী ভাইস চেয়ারম্যানের পদটি বিলুপ্ত করা হয়। এছাড়া দুজন মনোনীত মহিলা সদস্য এবং ইউনিয়ন পরিষদকে দুজন প্রতিনিধি সদস্য (কৃষকের মধ্য থেকে) পরিষদে অর্ন্তভূক্ত করা হয়। সর্বোপরি ১৯৮৩ ও ১৯৯৩ সালে স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) অধ্যাদেশ অনুয়ায়ী প্রত্যক্ষ ভোটে একজন চেয়ারম্যান ও ০৯ জন সাধারণ সদস্য এবং সংরক্ষিত আসনে ০৩ জন মহিলা সদস্য নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ গঠন করা হয়। ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদকাল- ৫ বছর।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==নামকরণ==&lt;br /&gt;
ইউনিয়ন পরিষদের নামকরণ:&lt;br /&gt;
{{static row numbers}}&lt;br /&gt;
{{mw-datatable}}&lt;br /&gt;
{| class=&amp;quot;wikitable sortable mw-datatable static-row-numbers&amp;quot;&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
!সাল&lt;br /&gt;
!স্থানীয় সরকার&lt;br /&gt;
!ব্যবস্থার নাম&lt;br /&gt;
!সভাপতি&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|১৮৭০-১৮৮৫&lt;br /&gt;
|চৌকিদারি&lt;br /&gt;
|পঞ্চায়েত&lt;br /&gt;
|পঞ্চায়েত&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|১৯১৮&lt;br /&gt;
|ইউনিয়ন&lt;br /&gt;
|কমিটি&lt;br /&gt;
|পঞ্চায়েত&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|১৯১৯-১৯৩৫&lt;br /&gt;
|ইউনিয়ন&lt;br /&gt;
|বোর্ড&lt;br /&gt;
|প্রেসিডেন্ট&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|১৯৩৬-১৯৫৮&lt;br /&gt;
|ইউনিয়ন&lt;br /&gt;
|বোর্ড&lt;br /&gt;
|প্রেসিডেন্ট&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|১৯৫৯-১৯৬১&lt;br /&gt;
|ইউনিয়ন&lt;br /&gt;
|কাউন্সিল&lt;br /&gt;
|চেয়ারম্যান&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|১৯৬২&lt;br /&gt;
|ইউনিয়ন&lt;br /&gt;
|কাউন্সিল&lt;br /&gt;
|চেয়ারম্যান&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|১৯৬৩-১৯৭১&lt;br /&gt;
|ইউনিয়ন&lt;br /&gt;
|কাউন্সিল&lt;br /&gt;
|চেয়ারম্যান&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|১৯৭২&lt;br /&gt;
|ইউনিয়ন&lt;br /&gt;
|পঞ্চায়েত&lt;br /&gt;
|পঞ্চায়েত&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|১৯৭৩-১৯৭৫&lt;br /&gt;
|ইউনিয়ন&lt;br /&gt;
|পরিষদ&lt;br /&gt;
|চেয়ারম্যান&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|১৯৭৬-১৯৮২&lt;br /&gt;
|ইউনিয়ন&lt;br /&gt;
|পরিষদ&lt;br /&gt;
|চেয়ারম্যান&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|১৯৮৩-বর্তমান&lt;br /&gt;
|ইউনিয়ন&lt;br /&gt;
|পরিষদ&lt;br /&gt;
|চেয়ারম্যান&lt;br /&gt;
|}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==বিস্তারিত ইতিহাস==&lt;br /&gt;
ইউনিয়ন পরিষদ হলো বাংলাদেশে পল্লি অঞ্চলের সর্বনিম্ন প্রশাসনিক একক। গ্রাম চৌকিদারি আইনের ১৮৭০ এর অধীনে ইউনিয়ন পরিষদের সৃষ্টি হয়। প্রাথমিক পর্যায়ে এর ভূমিকা নিরাপত্তামূলক কর্মকাণ্ডে সীমাবদ্ধ থাকলেও পরবর্তী কালে এটিই স্থানীয় সরকারের প্রাথমিক ইউনিটের ভিত্তিরুপে গড়ে উঠে। বর্তমানে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ট্রেড লাইসেন্স, চারিত্রিক সনদপত্র, ভূমিহীন সনদপত্র, ওয়ারিশান সনদপত্র, অবিবাহিত সনদপত্র, প্রত্যয়নপত্র, অস্বচ্ছল প্রত্যয়নপত্র, নাগরিক সনদপত্র, উত্তরাধিকার সনদপত্র ইত্যাদি সেবা প্রদান করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
===ব্রিটিশ আমল=== &lt;br /&gt;
১৮৬১ সালে তৎকালীন অর্থমন্ত্রী বাজেটে ঘোষণা করেন যে, স্থানীয় এলাকায় উন্নতির জন্য কিছু ক্ষমতা স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর উপর অর্পণ করা প্রয়োজন। ১৮৬৯ সালের ১৪ই ডিসেম্বর লর্ড মেয়ো স্থানীয় এলাকার উন্নতির জন্য গুরুত্ব আরোপ করেন। তারপর ১৮৮২ সালে রর্ড রিপনই সর্ব প্রথম এদেশে  স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য জনসাধারণকে অধিকতর রাজনৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে চেয়েছেন। লর্ড রিপনের এ প্রস্তাবনার প্রতি তৎকালীন ইংল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী গ্লাডস্টোনের পূর্ণ সমর্থন ছিল। এরপর লর্ড রিপন ১৮৮২ সালের ১৮ই মে ঐতিহাসিক প্রস্তাবনা ঘোষণা করেন। তার প্রস্তাবনার ভিত্তিতে ১৮৮৩ সালের জানুয়ারি মাসে বাংলায় বিধান সভায় একটা বিল উত্থাপন করা হয় ও  গ্রাম এলাকায় জনসাধারণের কল্যাণের জন্য প্রথম ইউনিয়ন কমিটি গঠন করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১৮৮৫ সাল থেকে ১৯১৯ সাল পর্যন্ত বর্তমান ইউনিয়ন পরিষদের নাম ছিল ইউনিয়ন কমিটি। হাওড়া জেলা প্রশাসক ই কে ওয়েস্টম্যান কোট নামে একজন আই.সি.এস অফিসারকে এ বিষয়ের জন্য বিশেষ দায়িত্বে নিয়োগ করা হয়। অর্পিত দায়িত্ব পালনের জন্য তিনি বর্ধমান ডিভিশন এবং ঢাকা জেলার মুন্সীগঞ্জ মহকুমার মধ্যে প্রথম ১৮০টি ইউনিয়ন কমিটি গঠন করেন। ১৮৮৪ সালের ৩১শে মার্চ সরকার এক প্রস্তাবনার মাধ্যমে বিষয়টি গ্রহণ করেন। কিন্তু তৎকালীন সেক্রেটারী জেনারেলের বিরোধিতার জন্য আইনটি পাস হতে বিলম্ব ঘটে। অতপর ১৮৮৫ সালের মার্চ মাসে মিস্টার ম্যাকুলে বিলটি পুনঃ উত্থাপন করেন। ঐ বছর ৪ঠা এপ্রিল বিলটি চূড়ান্তভাবে পাস করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১৮৮৫ সালের আইনে তিনস্তর বিশিষ্ট গ্রাম স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠা করা হয়। স্তরগুলো হলো:&lt;br /&gt;
# জেলা কমিটি&lt;br /&gt;
# থানা কমিটি&lt;br /&gt;
# ইউনিয়ন কমিটি&lt;br /&gt;
তখন এর সদস্য সংখ্যা ছিল ৫ থেকে ৯ জন। তারা ইউনিয়নের অধিবাসীদের দ্বারা নির্বাচিত হতেন। প্রথম অবস্থায় ইউনিয়ন কমিটির চেয়ারম্যান পদ ১৮৮৫ সালের বিধানে ছিল না। ১৯০৮ সালে পশ্চিম বাংলায় ১৮৮৫ সালের আইনের সংশোধন কালে চেয়ারম্যান পদের সৃষ্টি করা হয়। সে অনুসারে ১৯১৪ সালে পূর্ব বাংলায় প্রচলিত হয়। তখন সদস্যগণের মধ্য থেকে চেয়ারম্যান নিয়োগের প্রথা ছিল। ইউনিয়ন কমিটির কার্যকাল ছিল মাত্র ২ বছর। ১৮৯৬-৯৭ সালে স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন নিয়ে পুনরায় চিন্তাভাবনা করা হয়। সে সময় পূর্ব বাংলায় ছিল প্রবল বন্যা। এই বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য তখন প্রথম ইউনিয়ন কমিটির হাতে স্থানীয় করারোপ করা ছাড়াও কিছু ক্ষমতা প্রদান করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১৯১৩ সালে মিস্টার লিভিঞ্জের সভাপতিত্বে অন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়। উক্ত কমিটি স্থানীয় স্বায়ত্ত শাসনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ মতামত প্রদান করতে সক্ষম হয়। উক্ত ইউনিয়ন কমিটি বাতিলের জন্য পরামর্শ দেয়। ১৯১৮ সালের ২৪শে এপ্রিল স্যার সুরেন্দ্র প্রাসানা সিনহা ১৮৭০ সালের গ্রাম পঞ্চায়েতী আইন এবং ১৮৮৫ সালের ইউনিয়ন কমিটি ভেঙ্গে একটি নতুন কমিটি গঠন করার সুপারিশ পেশ করেন। নতুন এই কমিটির নামকরণ করা হয় ইউনিয়ন বোর্ড। ১৯১৯ সালের ২১শে জানুয়ারি মিস্টার হেনরী হুইলার বিলটি সিলেক্ট কমিটির নিকট পেশ করেন। আলোচনাকালে জনাব শের-ই-বাংলা এ কে এম ফজলুল হক জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের পরিবর্তে ইউনিয়ন বোর্ডকে জেলা বোর্ডের নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য সুপারিশ করেন। বিলটির উপর সামান্য আলোচনা-সমালোচনার পর ঐ বছরই গ্রাম স্বায়ত্ত শাসন আইন ১৯১৯ সালে পাস হয়। উক্ত আইনে বলা হয়, সাধারণত গড়ে ১০টি গ্রাম নিয়ে একটি ইউনিয়ন বোর্ড গঠিত হবে। ইউনিয়নের গড় আয়তন ছিল ১০ থেকে ১৫ মাইলের মধ্যে, এর গড় জনসংখ্যা ছিল ১০ হাজার। পিরোজপুর জেলার প্রায় ইউনিয়নই ১৯১৯ সালের আইন অনুযায়ী ১৯২০ সাল থেকেই ইউনিয়ন বোর্ড চালু হয়। উক্ত ইউনিয়ন বোর্ডের কার্যকাল ছিল ৩ বছর। স্যার সুরেন্দ্রনাথ ব্যানার্জি সর্ব প্রথম স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন বিষয়ক মন্ত্রী হন। ১৯৩৫ সালে ইউনিয়ন বোর্ডের কার্যকাল ৪ বছর করা হয়। এই আইনে প্রেসিডেন্ট ছাড়াও একজন ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ব্যবস্থা করা হয়েছিল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
===পাকিস্তান আমল=== &lt;br /&gt;
[[১৯৫৭]] সালে [[পূর্ব পাকিস্তান]] আইন নং ৩৫, [[১৯১৯]] সালের আইন সংশোধন করে তৈরী হয়েছে। প্রকাশ্যে ভোটদান বাতিল করে গোপন ব্যালটে ভোট চালু হয়। ইউনিয়নকে ৩টি ওয়ার্ডে বিভক্ত করা হয়। এই আইনে সর্বপ্রথম নারীদের ভোটাধিকার দেয়া হয়। [[১৯৫৯]] সালের [[২৬ অক্টোবর]] ফিল্ড মার্শাল [[আইয়ুব খান]] মৌলিক [[গণতন্ত্র]] চালু করেন এবং ইউনিয়ন বোর্ডের নাম পরিবর্তন করে নাম রাখেন ইউনিয়ন কাউন্সিল।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|শেষাংশ=প্রতিবেদক|প্রথমাংশ=নিজস্ব|তারিখ=2016-11-29|ভাষা=bn|শিরোনাম=আইয়ুবের &#039;বেসিক ডেমোক্রেসি&#039; পাচ্ছি|ইউআরএল=https://www.prothomalo.com/opinion/column/%E0%A6%86%E0%A6%87%E0%A7%9F%E0%A7%81%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E2%80%98%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%95-%E0%A6%A1%E0%A7%87%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87%E2%80%8B%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E2%80%99-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%9B%E0%A6%BF|সংগ্রহের-তারিখ=2025-01-19|ওয়েবসাইট=দৈনিক প্রথম আলো}}&amp;lt;/ref&amp;gt; উক্ত ইউনিয়ন কাউন্সিলের কার্যকাল ছিল ৫ বছর। ভাইস চেয়ারম্যান পদ [[১৯৬৫]] সালে বাতিল করা হয়। [[১৯৭১]] সালে ইউনিয়ন কাউন্সিলের নাম পরিবর্তন করে নাম রাখা হয় ত্রাণ কমিটি।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|শিরোনাম=ইউনিয়ন পরিষদ সৃষ্টির ইতিহাস|ইউআরএল=https://khadimnagarup.sylhet.gov.bd/bn/site/page/z5SA-%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%A8-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A6%A6-%E0%A6%B8%E0%A7%83%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%87%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8|সংগ্রহের-তারিখ=2025-01-19|ওয়েবসাইট=khadimnagarup.sylhet.gov.bd|আর্কাইভের-তারিখ=২০২২-০৬-১৮|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20220618000408/http://khadimnagarup.sylhet.gov.bd/bn/site/page/z5SA-%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%A8-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A6%A6-%E0%A6%B8%E0%A7%83%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%87%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8|ইউআরএল-অবস্থা=কার্যকর}}&amp;lt;/ref&amp;gt; [[১৯৭২]] সালের [[১ জানুয়ারি]] ইউনিয়ন কাউন্সিল ও ত্রাণ কমিটি ভেঙ্গে ইউনিয়ন পঞ্চায়েত নামকরণ করা হয়। [[১৯৭২]] সালের [[১৪ ডিসেম্বর]] নতুন সংবিধান প্রণীত হয়। [[১৯৭৩]] সালের [[৩০ জুন]] [[জাতীয় সংসদ]] কর্তৃক বিধি প্রণীত হয়। ইউনিয়ন পঞ্চায়েত-এর নাম পরিবর্তন করে নাম রাখা হয় ইউনিয়ন পরিষদ।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|শিরোনাম=&amp;quot;ইউনিয়ন পরিষদের পটভূমি|ইউআরএল=https://file-dhaka.portal.gov.bd/uploads/1a4b86d1-61d8-49e9-a3f9-a0508b093b51//646/338/29b/64633829bce7b694438387.pdf|ওয়েবসাইট=portal.gov.bd}}&amp;lt;/ref&amp;gt; [[জিয়াউর রহমান|জিয়ার]] সামরিক শাসনামলে [[১৯৭৬]] সালের [[২০ নভেম্বর]] স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন অধ্যাদেশ জারি করা হয়। ইউনিয়ন পরিষদের নাম ঠিক রেখেই সব সরকার কাজ চালিয়ে যান। [[১৯৯৬]] সালে [[আওয়ামী লীগ]] সরকার ক্ষমতায় এসে ৩টি ওয়ার্ডের পরিবর্তে ৯টি ওয়ার্ড সৃষ্টি করেন এবং ৩ জন মহিলা সদস্যকে সরাসরি নির্বাচনে অংশগ্রহণের ব্যবস্থা করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==গঠন কাঠামো==&lt;br /&gt;
প্রতিটি ইউনিয়নভুক্ত গ্রামগুলোকে জনসংখ্যার ভিত্তিতে ৯টি ওয়ার্ডে বিভক্ত করে প্রত্যিটি ওয়ার্ড থেকে ১ জন করে সাধারণ সদস্য এবং প্রতি তিনটি ওয়ার্ড হতে ১ জন সংরক্ষিত (মহিলা) সদস্য সংশ্লিষ্ট এলাকার জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হন। এছাড়াও পুরো ইউনিয়ন হতে একজন [[চেয়ারম্যান]] নির্বাচিত করা হয়। ফলে, ১ জন চেয়ারম্যান ও ১২ জন সদস্য নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত হয়। এছাড়াও পরিষদের কার্যক্রমে সহায়তা করার জন্য রয়েছে একজন [[ইউনিয়ন প্রশাসনিক কর্মকর্তা|ইউনিয়ন পরিষদ প্রশাসনিক কর্মকর্তা]], ০১ জন হিসাব সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর এবং কয়েকজন [[গ্রাম পুলিশ]] প্রভৃতি।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|শিরোনাম=Local Government (Union Parishads) Act, 2009 (in Bangla).|ইউআরএল=http://bdlaws.minlaw.gov.bd/bangla_all_sections.php?id=1027|কর্ম=Bangladesh Code|প্রকাশক=Ministry of Law, Government of Bangladesh|সংগ্রহের-তারিখ=১২ এপ্রিল ২০১৬|আর্কাইভের-তারিখ=২১ জানুয়ারি ২০১৪|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20140121152051/http://bdlaws.minlaw.gov.bd/bangla_all_sections.php?id=1027|ইউআরএল-অবস্থা=কার্যকর}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
===ইউনিয়ন পরিষদ সচিব===&lt;br /&gt;
ইউনিয়ন পরিষদ সচিব নামে পূর্বে পদটি পরিচিত থাকলেও বর্তমানে গেজেটের মাধ্যমে পদের নামটি ইউনিয়ন পরিষদ প্রশাসনিক কর্মকর্তা&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|শিরোনাম=স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯|ইউআরএল=http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-1027.html|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20200116172600/http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-1027.html|সংগ্রহের-তারিখ=১৯ ডিসেম্বর ২০২৪|ওয়েবসাইট=bdlaws.minlaw.gov.bd|আর্কাইভের-তারিখ=১৬ জানুয়ারি ২০২০|ইউআরএল-অবস্থা=bot: unknown}}&amp;lt;/ref&amp;gt; করা হয়েছে। এ পদের বেতন সরকারি রাজস্ব খাত থেকে ৭৫ ভাগ এবং বাকি ২৫ ভাগ ইউনিয়ন পরিষদের রাজস্ব খাত থেকে দেওয়া হয়। ইউনিয়ন পরিষদ (পরিষদের কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগ ও চাকরির শর্তাবলী) বিধিমালা, ২০১১ নামে ইউপি সচিব নিয়োগের একটি স্বতন্ত্র নিয়োগ বিধি আছে। এ পদের পদোন্নতি নেই, তবে গ্রেড ও স্কেল পরিবর্তন হয়। সরকারি সকল সুবিধা পেলেও পেনশন পান না। অবসরে গেলে মূল বেতনের ৮০ মাসের সমপরিমাণ টাকা (এককালীন) দেয় সরকার।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==ক্যাশলেস ইউনিয়ন পরিষদ সেবা==&lt;br /&gt;
বর্তমানে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ট্রেড লাইসেন্স, চারিত্রিক সনদপত্র, ভূমিহীন সনদপত্র, ওয়ারিশান সনদপত্র, অবিবাহিত সনদপত্র, প্রত্যয়নপত্র, অস্বচ্ছল প্রত্যয়নপত্র, নাগরিক সনদপত্র, উত্তরাধিকার সনদপত্র ইত্যাদি সেবা প্রদান করা হয়।&lt;br /&gt;
বহুল প্রচলিত এই সকল সেবাকে জনবান্ধব করার জন্য একটি ডিজিটাল প্লাটফর্ম অত্যাবশ্যকীয় হয়ে পড়ে। সে লক্ষ্যে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে প্রদত্ত সেবাসমূহকে জনগণের কাছে স্বল্প খরচে, স্বল্প সময়ে এবং হয়রানিমুক্তভাবে প্রদান নিশ্চিত করার জন্য একটি এ্যাপ্লিকেশন থেকে সকল সেবা প্রদানের নিমিত্ত গত ২০১৯-২০ অর্থ-বছরে সম্ভব্যতা যাচাইয়ের মাধ্যমে [http://www.uniontax.gov.bd www.uniontax.gov.bd] নামক একটি অনলাইন সিস্টেম কার্যক্রম চালু করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==আরও দেখুন==&lt;br /&gt;
* [[বাংলাদেশ]]&lt;br /&gt;
* [[বাংলাদেশ সম্পর্কিত বিষয়ের তালিকা]]&lt;br /&gt;
* [[বাংলাদেশের রূপরেখা]]&lt;br /&gt;
* [[বাংলাদেশের বিভাগসমূহ]]&lt;br /&gt;
* [[বাংলাদেশের জেলা]]&lt;br /&gt;
* [[বাংলাদেশের জেলার তালিকা]]&lt;br /&gt;
* [[বাংলাদেশের উপজেলা]]&lt;br /&gt;
* [[বাংলাদেশের উপজেলার তালিকা]]&lt;br /&gt;
* [[বাংলাদেশের ইউনিয়নের তালিকা]]&lt;br /&gt;
* [[বাংলাদেশের সিটি কর্পোরেশনের তালিকা]]&lt;br /&gt;
* [[বাংলাদেশের পৌরসভার তালিকা]]&lt;br /&gt;
* [[বাংলাদেশের শহরের তালিকা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==তথ্যসূত্র==&lt;br /&gt;
{{সূত্র তালিকা}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== বহিঃসংযোগ ==&lt;br /&gt;
* [http://bn.banglapedia.org/index.php?title=ইউনিয়ন বাংলাপিডিয়া নিবন্ধ]&lt;br /&gt;
{{বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার}}&lt;br /&gt;
{{বাংলাদেশের বিষয়াবলী}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:প্রশাসনিক একক]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Duyel</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%A3%E0%A7%80:%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A6%A8%E0%A6%97%E0%A6%B0_%E0%A6%89%E0%A6%AA%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B0_%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%A8&amp;diff=15373</id>
		<title>বিষয়শ্রেণী:মুরাদনগর উপজেলার ইউনিয়ন</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%A3%E0%A7%80:%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A6%A8%E0%A6%97%E0%A6%B0_%E0%A6%89%E0%A6%AA%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B0_%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%A8&amp;diff=15373"/>
		<updated>2026-09-17T21:27:06Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Duyel: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের উপজেলার ইউনিয়ন]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Duyel</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%A3%E0%A7%80:%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A6%A8%E0%A6%97%E0%A6%B0_%E0%A6%89%E0%A6%AA%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B0_%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%A8&amp;diff=15372</id>
		<title>বিষয়শ্রেণী:মুরাদনগর উপজেলার ইউনিয়ন</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%A3%E0%A7%80:%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A6%A8%E0%A6%97%E0%A6%B0_%E0%A6%89%E0%A6%AA%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B0_%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%A8&amp;diff=15372"/>
		<updated>2026-09-17T21:26:49Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Duyel: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশপর উপজেলার ইউনিয়ন]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Duyel</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%A3%E0%A7%80:%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A6%A8%E0%A6%97%E0%A6%B0_%E0%A6%89%E0%A6%AA%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B0_%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%A8&amp;diff=15371</id>
		<title>বিষয়শ্রেণী:মুরাদনগর উপজেলার ইউনিয়ন</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%A3%E0%A7%80:%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A6%A8%E0%A6%97%E0%A6%B0_%E0%A6%89%E0%A6%AA%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B0_%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%A8&amp;diff=15371"/>
		<updated>2026-09-17T21:26:12Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Duyel: New page&lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Duyel</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A6%B2%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80_%E0%A6%89%E0%A6%AA%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BE&amp;diff=15370</id>
		<title>চিতলমারী উপজেলা</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A6%B2%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80_%E0%A6%89%E0%A6%AA%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BE&amp;diff=15370"/>
		<updated>2026-09-17T21:24:35Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Duyel: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;&#039;&#039;&#039;চিতলমারী উপজেলা&#039;&#039;&#039; বাংলাদেশের [[খুলনা জেলা]]র অন্তর্গত [[বাগেরহাট জেলা]]র একটি [[উপজেলা]]।&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:বাগেরহাট জেলার উপজেলা]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Duyel</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%95%E0%A7%82%E0%A6%9F%E0%A6%A8%E0%A7%80%E0%A6%A4%E0%A6%BF&amp;diff=15369</id>
		<title>কূটনীতি</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%95%E0%A7%82%E0%A6%9F%E0%A6%A8%E0%A7%80%E0%A6%A4%E0%A6%BF&amp;diff=15369"/>
		<updated>2026-09-17T20:52:37Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Duyel: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;[[চিত্র:United Nations HQ - New York City.jpg|thumb|240px|নিউ ইয়র্ক শহরে জাতি সংঘের মহাসদর, বৃহত্তম আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক সংস্থা।]]&lt;br /&gt;
[[File:Symmetry of Diplomacy.jpg|thumb|Ger van Elk, &#039;&#039;Symmetry of Diplomacy&#039;&#039;, 1975, Groninger Museum.]]&lt;br /&gt;
[[চিত্র:Talleyrand-perigord.jpg|thumb|240px|right|ফরাসী কূটনৈতিক চার্লস মাউরিস দ্য ট্যালেয়ার‌্যান্ড-পেরীগোর্ডকে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ একজন কূটনৈতিক ভাবা হয়।]]&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;কূটনীতি&#039;&#039;&#039; ({{lang-en|Diplomacy}}) হচ্ছে [[আন্তর্জাতিক সম্পর্ক]]বিদ্যার একটি শাখা যেখানে রাষ্ট্র ও রাষ্ট্র সম্পর্কিত প্রতিষ্ঠান গুলোর মধ্যে পারস্পরিক চুক্তি বা আলোচনা সর্ম্পকিত কলা কৌশল অধ্যয়ন করা হয়। সাধারণ অর্থে কূটনীতি হচ্ছে কোন রাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে পরিচালিত সরকারি কার্যক্রম।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==নামকরণ==&lt;br /&gt;
বাংলা কূটনীতি শব্দটি কূট এবং নীতি শব্দের সন্ধিতে উৎপন্ন হয়েছে। কূট শব্দটির সমার্থক শব্দ হলো কুটিল, জটিল, কপট, মিথ্যা, কৌশলপূর্ণ ইত্যাদি। আর নীতি শব্দের সমার্থক শব্দ হল রীতি, নিয়ম, প্রথা ইত্যাদি। তাই কূটনীতি শব্দের অর্থ হলো কৌশলপূর্ণ নিয়ম। প্রধানত রাষ্ট্রের সঙ্গে রাষ্ট্রের পারস্পরিক সম্পর্ক, স্বার্থ বিষয়ক কর্মকাণ্ড বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহৃত হয়। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কূটনীতির ইংরেজি প্রতিশব্দ ডিপ্লোম্যাসী&#039;র উদ্ভব ঘটেছে প্রাচীন গ্রিক শব্দ হতে। [[গ্রীক]] &amp;quot;ডিপ্লোমা&amp;quot; শব্দটি থেকে &amp;quot;ডিপ্লোম্যাসী&amp;quot; শব্দটির সৃষ্টি বলে ধারণা করা হয়। ডিপ্লোমা শব্দটি গ্রীক ক্রিয়াশব্দ &amp;quot;ডিপ্লোন&amp;quot; থেকে এসেছে। ডিপ্লোন মানে হচ্ছে- ভাঁজ করা। ফ্রান্সে ১৭শতক থেকে বিদেশে অবস্থানকারী বাণিজ্যিক ও সরকারি প্রতিনিধি দলকে কূটনৈতিক দল বলা শুরু হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কূটনীতি শব্দটি ১৭৯৬ সালে এডমন্ড বার্ক প্রচলিত ফরাসী শব্দ diplomatie থেকে প্রচলন হয়।বাংলা কূটনীতি শব্দটি সংস্কৃত শব্দ &amp;quot;কূটানীতি&amp;quot; থেকে আগত। প্রথম মৌর্য্য সম্রাট চন্দ্রগুপ্তের উপদেষ্টা চাণক্য কৌটিল্য’র নাম থেকে কূটানীতি শব্দটির উদ্ভব ঘটে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==গ্রন্থতালিকা==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
*রোনাল্ড পিটার বার্সটন,&#039;&#039; মডার্ন ডিপ্লম্যাসী&#039;&#039;, পিয়ারসন এডুকেশন, ২০০৬, পৃস্টাঃ১&lt;br /&gt;
*হ্যারল্ড কিলসন, &#039;&#039;ডিপ্লোম্যাসী&#039;&#039; অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় প্রকামনা, ১৯৬৯, পৃষ্টাঃ১২&lt;br /&gt;
*জি আর বেরিজ, &#039;&#039;ডিপ্লোম্যাসীঃ থিওরী অ্যান্ড প্র্যাকটিস&#039;&#039;, প্যালগ্রেইভ, ২০০২।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==বহিঃসংযোগ==&lt;br /&gt;
[https://web.archive.org/web/20131029191134/http://foia.state.gov/masterdocs/05fah01/CH0610.pdf U.S. Dept. of State Foreign Affairs Handbook - Using Diplomatic Notes]&lt;br /&gt;
*[http://memory.loc.gov/ammem/collections/diplomacy/index.html Frontline Diplomacy: The Foreign Affairs Oral History Collection of the Association for Diplomatic Studies and Training] &amp;amp;mdash; American diplomats describe their careers on the [[American Memory]] website at the [[Library of Congress]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:কূটনীতি| ]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Duyel</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1%E0%A6%B8&amp;diff=15368</id>
		<title>নেদারল্যান্ডস</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1%E0%A6%B8&amp;diff=15368"/>
		<updated>2026-09-17T20:50:50Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Duyel: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;&lt;br /&gt;
[[চিত্র:Map provinces Netherlands-en.svg|থাম্ব|নেদারল্যান্ডসের প্রদেশ এবং অঞ্চলসমূহ]]&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;নেদারল্যান্ডস&#039;&#039;&#039; বা &#039;&#039;&#039;নেদারল্যান্ড&#039;&#039;&#039; , [[নিম্ন দেশগুলির পরিভাষা|অনানুষ্ঠানিকভাবে]] &#039;&#039;&#039;হল্যান্ড&#039;&#039;&#039;, উত্তর-[[পশ্চিম ইউরোপ]]ের একটি রাষ্ট্র। দেশটিকে অনেক সময় হল্যান্ড (Holland &#039;&#039;হলান্ট্‌&#039;&#039;) নামেও ডাকা হয়, যদিও [[হল্যান্ড]] মূলত নেদারল্যান্ডসের একটি ঐতিহাসিক অঙ্গরাজ্যের নাম। [[ক্যারিবীয় নেদারল্যান্ডস]]ের তিনটি দ্বীপকে নিয়ে এটি নেদারল্যান্ডস রাজ্য (Koninkrijk der Nederlanden &#039;&#039;কোনিংক্রেইক্‌ ডের্‌ নেড্যর্লান্ডেন্‌&#039;&#039;) গঠন করেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নেদারল্যান্ডস ১২টি প্রদেশ নিয়ে গঠিত। দেশটির সাথে পূর্বে [[জার্মানি]] ও দক্ষিণে [[বেলজিয়াম]]ের স্থলসীমান্ত আছে। দেশটি [[উত্তর সাগর]]ের উপকূলে অবস্থিত; পশ্চিমে [[বেলজিয়াম]] ও [[যুক্তরাজ্য]]ের সাথে ও পূর্বে জার্মানির সাথে দেশটির সামুদ্রিক সীমান্ত আছে।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি |ইউআরএল=http://www.defensie.nl/english/topics/hydrography/contents/maritime-zones-and-boundaries/netherlands-boundaries-in-the-north-sea |শিরোনাম=Netherlands boundaries in the North Sea |প্রকাশক=Ministry of Defence |সংগ্রহের-তারিখ=15 August 2014 |অকার্যকর-ইউআরএল=yes |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20140819083824/http://www.defensie.nl/english/topics/hydrography/contents/maritime-zones-and-boundaries/netherlands-boundaries-in-the-north-sea |আর্কাইভের-তারিখ=19 August 2014 |df=dmy-all }}&amp;lt;/ref&amp;gt; নেদারল্যান্ডসের রাজধানী শহরের নাম [[আমস্টারডাম]]। এছাড়া [[রটারডাম]], [[হেগ]], [[উট্রেখট]] ও [[আইন্ডহোফেন]] চারটি বৃহৎ শহর।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি |শেষাংশ=Dutch Wikisource |শিরোনাম=Grondwet voor het Koninkrijk der Nederlanden |অনূদিত-শিরোনাম=Constitution for the Kingdom of the Netherlands |ভাষা=Dutch |ইউআরএল=http://nl.wikisource.org/wiki/Grondwet_voor_het_Koninkrijk_der_Nederlanden |at=[http://nl.wikisource.org/wiki/Nederlandse_grondwet/Hoofdstuk_2#Artikel_32 Chapter 2, Article 32] |উক্তি=&#039;&#039;... de hoofdstad Amsterdam ...&#039;&#039; |সংগ্রহের-তারিখ=3 July 2013}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;quot;নেদারল্যান্ডস&amp;quot; কথাটির আক্ষরিক অর্থ হল &amp;quot;নিম্নভূমি&amp;quot;। এ নামকরণটি যথার্থ, কারণ দেশটির মাত্র ৫০% ভূখণ্ড [[সমুদ্রসমতল|সমুদ্রসমতলের]] ১ মিটারের বেশি উচ্চতায় অবস্থিত।&amp;lt;ref name=&amp;quot;Eupedia&amp;quot;&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.eupedia.com/netherlands/trivia.shtml |শিরোনাম=Netherlands Guide – Interesting facts about the Netherlands |প্রকাশক=Eupedia |তারিখ=19 April 1994 |সংগ্রহের-তারিখ=29 April 2010}}&amp;lt;/ref&amp;gt; দেশটির বেশির ভাগ ভূখণ্ডই সমুদ্রসমতলের নিচে অবস্থিত, যা [[ভূমি পুনর্দখল]] প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সৃষ্টি করা হয়েছে। দেশটির বর্তমান আয়তনের প্রায় ১৭% [[সাগর]] ও [[হ্রদ]] থেকে পুনর্দখল করা হয়েছে, এই অঞ্চলগুলিকে স্থানীয় [[ওলন্দাজ ভাষা]]য় পোল্ডার বলা হয়। নেদারল্যান্ডসের দক্ষিণ ও পূর্ব অঞ্চলগুলির বেশিরভাগই সমতল ভূমি নিয়ে গঠিত যেগুলিতে খুব স্বল্পসংখ্যক উঁচু [[পাহাড়]] পাওয়া যায়। দেশের উত্তর ও পশ্চিমভাগ নিম্নভূমি, যা মূলত [[রাইন নদী|রাইন]], [[মোজ নদী|মোজ]] ও [[শেল্ডে নদী]] তিনটির সম্মিলিত [[ব-দ্বীপ]]। [[জুইডারজে]]তে পোল্ডার আছে। উপকূলীয় এলাকাগুলি সম্পূর্ণ সাগরের নিচে এবং এগুলিকে চর ও কৃত্রিম সমুদ্রবাঁধের মাধ্যমে সুরক্ষিত করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দেশটির জনসংখ্যা ১ কোটি ৭২.৫ লক্ষ। নেদারল্যান্ডস একটি  [[জনঘনত্ব]]বিশিষ্ট দেশ। এখানে প্রতি বর্গকিলোমিটারে ৪১৫ জনের বাস। বৃহৎ জনসংখ্যাবিশিষ্ট দেশগুলির মধ্যে কেবল [[বাংলাদেশ]], [[দক্ষিণ কোরিয়া]] ও [[তাইওয়ান|তাইওয়ানের]] জনঘনত্ব এর চেয়ে বেশি। উচ্চ জনঘনত্বের দেশ হলেও এটির [[জন্মহার]] নিম্ন। নেদারল্যান্ডসের সিংহভাগ জনগণ [[ওলন্দাজ জাতি]]ভুক্ত। [[ওলন্দাজ]] একমাত্র সরকারী ভাষা কিন্তু [[ইংরেজি]] ব্যাপকভাবে প্রচলিত। [[খ্রিস্টধর্ম]] ([[রোমান ক্যাথলিক]] ও [[প্রতিবাদী ঘরানা]]) মূল ধর্ম, তবে [[ইসলাম]] বৃহত্তম সংখ্যালঘু ধর্ম।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নেদারল্যান্ডস একটি [[সাংবিধানিক রাজতন্ত্র]]। এর [[আইনসভা]]টি একটি দুই কক্ষবিশিষ্ট [[সংসদীয় ব্যবস্থা]]। ১৮৪৮ সাল থেকে নেদারল্যান্ডসে সংসদীয় গণতন্ত্র বিদ্যমান; এটি বিশ্বের ৩য় প্রাচীনতম সংসদীয় সরকারব্যবস্থা। [[নেদারল্যান্ডসের রাজা]] রাষ্ট্রপ্রধান এবং [[নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রী|প্রধানমন্ত্রী]] সরকার প্রধান। [[হেগ]] শহরে নেদারল্যান্ডসের দ্বিকাক্ষিক আইনসভা, মন্ত্রিসভা ও সর্বোচ্চ আদালত অবস্থিত।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://netherlandsmission.org/article.asp?articleref=AR00000154EN&amp;amp;categoryvalue=netherlands&amp;amp;subcategoryvalue=nlgeneralinfo |লেখক=Permanent Mission of the Netherlands to the UN |শিরোনাম=General Information |সংগ্রহের-তারিখ=26 June 2013 |অকার্যকর-ইউআরএল=yes |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20131005025411/http://netherlandsmission.org/article.asp?articleref=AR00000154EN&amp;amp;categoryvalue=netherlands&amp;amp;subcategoryvalue=nlgeneralinfo |আর্কাইভের-তারিখ=5 October 2013 }}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নেদারল্যান্ডসে একটি [[মিশ্র|মিশ্র অর্থনীতি]], নিয়ন্ত্রিত [[বাজার ব্যবস্থা]]র অর্থনীতি বিদ্যমান, যার সিংহভাগ [[আর্থিক সেবা]], হালকা ও ভারী [[শিল্প]] এবং বাণিজ্যের উপর ভিত্তি করে গঠিত। দেশটির [[মুদ্রা]] [[ইউরো]]। [[অর্থনৈতিক স্বাধীনতার সূচক]] অনুসারে দেশটি ১৭৭টি দেশের মধ্যে ১৭তম স্থান অধিকার করেছে।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|শিরোনাম=Netherlands|ইউআরএল=http://www.heritage.org/index/country/netherlands|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20130510115657/http://www.heritage.org/index/country/netherlands|আর্কাইভের-তারিখ=10 May 2013|সংগ্রহের-তারিখ=10 May 2013|অকার্যকর-ইউআরএল=bot: unknown|df=dmy}}, [[Index of Economic Freedom]]. heritage.org.&amp;lt;/ref&amp;gt; [[আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল|আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের]] হিসাব অনুযায়ী এটি বিশ্বের ১৩তম সর্বোচ্চ মাথাপিছু [[স্থুল আভ্যন্তরীণ উৎপাদন]]ধারী ([[ক্রয়ক্ষমতা সাম্য|ক্রয়ক্ষমতা সাম্যের]] বিচারে) দেশ। ২০১৭ সালে [[জাতিসংঘের]] [[বিশ্ব সুখ প্রতিবেদন|বিশ্ব সুখ প্রতিবেদনে]] দেশটির বিশ্বের ৬ষ্ঠ সর্বোচ্চ সুখী দেশের মর্যাদা দেওয়া হয়, যা দেশটির জীবনযাত্রার উচ্চমানের  প্রতিফলন। &amp;lt;ref&amp;gt;{{বই উদ্ধৃতি |লেখক=Helliwell |প্রথমাংশ=John |লেখক২=Layard |প্রথমাংশ২=Richard |লেখক৩=Sachs |প্রথমাংশ৩=Jeffrey |ইউআরএল=http://worldhappiness.report/wp-content/uploads/sites/2/2017/03/HR17.pdf |শিরোনাম=World Happiness Report 2017 |প্রকাশক=[[United Nations]] [[SDSN-SEA|Sustainable Development Solutions Network]] |তারিখ=20 March 2017 |আইএসবিএন=978-0-9968513-5-0 |সংগ্রহের-তারিখ=18 June 2017 |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20170712180233/http://worldhappiness.report/wp-content/uploads/sites/2/2017/03/HR17.pdf |আর্কাইভের-তারিখ=১২ জুলাই ২০১৭ |অকার্যকর-ইউআরএল=হ্যাঁ }}&amp;lt;/ref&amp;gt; ২০১৮ সালের [[ওইসিডি]] প্রকাশিত [[উন্নততর জীবন সূচক]] অনুযায়ী নেদারল্যান্ডস কাজ-জীবন ভারসাম্যের বিচারে বিশ্বের ১ম স্থান অধিকারী রাষ্ট্র।&amp;lt;ref&amp;gt;[https://www.iamsterdam.com/en/business/news-and-insights/news/2018/the-netherlands-ranks-first-in-the-world-for-work-life-balance The Netherlands ranks first in the world for work-life balance] {{ওয়েব আর্কাইভ|ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20180612152211/https://www.iamsterdam.com/en/business/news-and-insights/news/2018/the-netherlands-ranks-first-in-the-world-for-work-life-balance |তারিখ=১২ জুন ২০১৮ }}, iamsterdam.com, 8 March 2018.&amp;lt;/ref&amp;gt; [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের]] পরে নেদারল্যান্ডস [[বিশ্বের]] ২য় বৃহত্তম কৃষি ও খাদ্যপণ্য রপ্তানিকারক [[রাষ্ট্র]]।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.freshplaza.com/article/133941/Netherlands-Agricultural-exports-top-80-billion-Euros|শিরোনাম=Netherlands: Agricultural exports top 80 billion Euros|প্রকাশক=|সংগ্রহের-তারিখ=১ সেপ্টেম্বর ২০১৮|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20150122103304/http://www.freshplaza.com/article/133941/Netherlands-Agricultural-exports-top-80-billion-Euros|আর্কাইভের-তারিখ=২২ জানুয়ারি ২০১৫|অকার্যকর-ইউআরএল=হ্যাঁ}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&amp;lt;ref name=&amp;quot;hollandtrade.com&amp;quot;&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.hollandtrade.com/sector-information/agriculture-and-food/?bstnum=4909|শিরোনাম=Agriculture and food|প্রথমাংশ=Netherlands Enterprise Agency|শেষাংশ=(RVO)|কর্ম=hollandtrade.com|সংগ্রহের-তারিখ=26 August 2016|আর্কাইভের-তারিখ=১ জানুয়ারি ২০১৬|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20160101082732/http://www.hollandtrade.com/sector-information/agriculture-and-food/?bstnum=4909|ইউআরএল-অবস্থা=অকার্যকর}}&amp;lt;/ref&amp;gt; মাটির উর্বরতা, মৃদ্য জলবায়ু এবং অত্যন্ত উন্নত নিবিড় কৃষিপদ্ধতির কারণে এই সাফল্য সম্ভব হয়েছে। [[রটারডাম বন্দর]]টি ইউরোপের বৃহত্তম এবং এশিয়ার বাইরে বিশ্বের বৃহত্তম [[সমুদ্রবন্দর]]&amp;lt;ref&amp;gt;{{cite press release |date=1 June 2014 |title=Port Statistics 2013 |url=https://www.portofrotterdam.com/sites/default/files/Port-statistics-2013.pdf |page=8 |publisher=Rotterdam Port Authority |accessdate=28 June 2014 |আর্কাইভের-তারিখ=৮ আগস্ট ২০১৯ |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20190808001139/https://www.portofrotterdam.com/sites/default/files/Port-statistics-2013.pdf |ইউআরএল-অবস্থা=অকার্যকর }}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নেদারল্যান্ডস একটি উদার [[জনকল্যাণমূলক রাষ্ট্র]] যেখানে সমস্ত নাগরিককে বিনামূল্যে বা অত্যন্ত স্বল্পমূল্যে  স্বাস্থ্যসেবা, সরকারী প্রতিষ্ঠানে শিক্ষা এবং পরিবহন অবকাঠামো ব্যবহারের সুবিধাসহ আরও বহু ধরনের সামাজিক সুবিধা দেওয়া হয়েছে। অর্থনৈতিক বৈষম্যের সাথে সামঞ্জস্য বিধান করে গণনা করা [[মানব উন্নয়ন সূচক|মানব উন্নয়ন সূচকের]] তালিকায় এটি [[অস্ট্রেলিয়া]] সাথে যৌথভাবে ৩য় সর্বোচ্চ স্থানে অবস্থান করছে।  উদারপন্থী দেশটিতে [[পতিতাবৃত্তি]], [[গর্ভপাত]] ও [[যন্ত্রণাহীন [[স্বেচ্ছামৃত্যু]]]] আইনসম্মত কর্মকাণ্ড।  একই সাথে দেশটির ওষুধ ও মাদক নীতিও অনেক উদার। ১৮৭০ সালে দেশটি মৃত্যুদণ্ড বেআইনি ঘোষণা করে এবং ১৯১৭ সালে [[নারীর ভোটাধিকার|নারীদের ভোটদানের ক্ষমতা]] প্রদান করে। ২০০১ সালে বিশ্বের প্রথম রাষ্ট্র হিসেবে এটি সমকামীদের বিবাহ আইনসিদ্ধ করে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নেদারল্যান্ডস [[ইউরোপীয় ইউনিয়ন]], [[ইউরোজোন]], [[জি১০]], [[নেটো]], [[ওইসিডি]] এবং [[বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা]]র প্রতিষ্ঠাতা সদস্যরাষ্ট্রগুলির একটি। এছাড়া এটি [[শেঙেন এলাকা]] ও ত্রিপাক্ষিক [[বেনেলাক্স ইউনিয়ন|বেনেলাক্স ইউনিয়নের]] অংশ। দেশটিতে [[রাসায়নিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ সংস্থা]], [[আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত]], [[ইউরোপীয় ইউনিয়নের অপরাধ অনুসরণ সংস্থা]], [[জাতিসংঘ আটক ইউনিট]] অবস্থিত।  &amp;quot;[[সীমান্তহীন সংবাদ প্রতিবেদক]]&amp;quot; সংস্থার প্রকাশিত সংবাদপত্র স্বাধীনতা সূচকে [[দেশ]]টি বিশ্বে ২য় স্থান অধিকার করেছে। &amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://rsf.org/en/ranking|শিরোনাম=2016 World Press Freedom Index - RSF|তারিখ=1 February 2017|ওয়েবসাইট=Rsf.org|অকার্যকর-ইউআরএল=bot: unknown|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20170201195036/https://rsf.org/en/ranking|আর্কাইভের-তারিখ=1 February 2017|df=dmy-all}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রাচীনকালে নেদারল্যান্ডসে [[কেল্টীয় জাতি|কেল্টীয়]] ও [[জার্মানীয় জাতি|জার্মানীয়]] গোত্রের লোকেরা বাস করত। [[রোমান]]রা অঞ্চলটি বিজয় করার পর এখানে শিল্প-বাণিজ্যের বিকাশ ঘটে। খ্রিস্টীয় ৩য় শতকে পুনর্জাগরিত জার্মান গোত্রদের আক্রমণে ও সমুদ্রের করালগ্রাসে [[রোমান]]দের শক্তি হ্রাস পায়। শেষ পর্যন্ত ৫ম শতকে এক জার্মানীয় আক্রমণ [[রোমান]] শক্তির অবসান ঘটায়। প্রথমে [[মেরোভিঙ্গীয় রাজবংশ|মেরোভিঙ্গীয়]] ও পরে ৭ম শতকে [[কারোলিঙ্গীয় রাজবংশ]] এখানে শাসন করে এবং শেষোক্ত রাজারা দেশটির জনগণকে [[খ্রিস্টধর্ম।|খ্রিস্টধর্মে]] ধর্মান্তরিত করেন। ৮১৪ সালে রাজা [[শার্লমাইন]] বা মহান চার্লসের মৃত্যুর পরে এটি মধ্যযুগীয় [[লোথারিঙিয়া]] রাজ্যের অন্তর্গত হয়। এখানে [[রাজকীয় গির্জা]] নামের একটি ধর্মনিরপেক্ষ গির্জার অনুসারী সম্প্রদায় গড়ে ওঠে, যারা [[পবিত্র রোমান সাম্রাজ্য]] অধীনস্থ ছিল না।  ১২শ শতকের শুরু থকে সমুদ্রবাঁধ বা [[ডাইক]] নির্মাণ শুরু হয়ে এবং বড় আকারে [[সমুদ্র]] থেকে [[ভূমি পুনরুদ্ধারকরণ]] প্রক্রিয়া শুরু হয়। এসময় [[ফ্লান্ডার্স]] অঞ্চলটি বস্ত্রশিল্পের কেন্দ্র হিসেবে বিকাশ লাভ করে। ১৪শ শতকের শেষভাবে [[বুর্গোইনের ডিউকেরা]] এবং তার পরে ১৬শ শতকের শুরুতে স্পেনের [[হাবসবুর্গ রাজবংশ]] দেশটি শাসন করেন। মৎস্যশিকার ও জাহাজনির্মাণে ওলন্দাজদের জুড়ি ছিল না। ১৭শ শতকে ওলন্দাজ জাতি অসাধারণ সমৃদ্ধি অর্জন করে। [[ইয়ান ফান আইক]], [[কেম্পিসের টমাস]] এবং [[দেসিদেরিউস এরাসমুস|দেসিদেরিউস এরাসমুসের]] মত বিখ্যাত সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের জন্ম হয় এবং [[ক্যালভিনবাদ]] ও [[অ্যানাবাপ্টিস্টবাদের]] মত মতবাদগুলি জনপ্রিয়তা লাভ করে। ১৫৮১ সালে ক্যালভিনবাদীদের নেতৃত্বে উত্তরের ৭টি প্রদেশ স্পেনের কাছ থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা করে। ১৬৪৮ সালে [[ত্রিশ বছরের যুদ্ধ]] শেষে [[স্পেন]] [[নেদারল্যান্ডসের স্বাধীনতা|ওলন্দাজদের স্বাধীনতা]]কে স্বীকৃতি দেয়। ১৭শ শতকে [[ওলন্দাজ সভ্যতা]]র স্বর্ণযুগে [[স্পিনোজার বেনেডিক্ট]] এবং [[রনে দেকার্ত]] বুদ্ধিবৃত্তিক স্বাধীনতা উপভোগ করেনে এবং চিত্রশিল্পী [[রেমব্রান্ট]] ও [[ইয়োহানেস ফারমিয়ার]] তাদের সর্বোৎকৃষ্ট চিত্রকর্মগুলি এসময় সৃষ্টি করেন। [[ওলন্দাজ পূর্ব ভারত কোম্পানি]] [[এশিয়া]]তে উপনিবেশ স্থাপন করে এবং দেশের জীবনযাত্রার মান উঁচু হতে থাকে। ১৮শ শতকে ওলন্দাজদের সামুদ্রিক শক্তি হ্রাস পায়। [[ফরাসি বৈপ্লবিক যুদ্ধ]]গুলির সময় [[ফরাসি]]রা অঞ্চলটি বিজয় করে। ১৮০৬ সালে [[নেপোলিয়ন|নেপোলিয়নের]] অধীনে এটি [[হল্যান্ড রাজ্য]] নামে পরিচিত হয়। ১ম বিশ্বযুদ্ধে এটি নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করে। [[২য় বিশ্বযুদ্ধে]] নিরপেক্ষতা ঘোষণা করলেও [[জার্মানি]] অঞ্চলটি দখল করে। যুদ্ধের পরে ১৯৪৯ সালে দেশটি [[নেদারল্যান্ডস ভারতীয় দ্বীপপুঞ্জ]] (বর্তমান [[ইন্দোনেশিয়া]]) এবং ১৯৬২ সালে [[নেদারল্যান্ডস নতুন গিনি]]র (বর্তমান [[ইরিয়ান জায়া]]) উপর কর্তৃত্ব হারায়। ১৯৪৯ সালে দেশটি [[নেটো]]তে যোগদান করে। ২১শ শতকের শুরুতে এসে দেশটি অভিবাসনজনিত সামাজিক ও অর্থনৈতিক সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছে। &lt;br /&gt;
[[File:Moinho Parque Historico Carambei.jpg|thumb|বামে ডাচ আর্কিটেকচারের কারাম্বি ঐতিহাসিক পার্ক মিল ও ঘরগুলি দেখুন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==রাজনীতি==&lt;br /&gt;
১৮১৫ সাল থেকে নেদারল্যান্ডসে [[সাংবিধানিক রাজতন্ত্র]] প্রচলিত। ১৮৪৮ সাল থেকে [[সংসদীয় গণতন্ত্র]] চালু রয়েছে। ২০১০ সালে ইকোনমিষ্ট পত্রিকা নেদারল্যান্ডসকে দশম শক্তিশালী গনতান্ত্রিক দেশ হিসেবে ঘোষণা করে। &#039;&#039;&#039;নেদারল্যান্ড্‌সের রাজনীতি&#039;&#039;&#039; একটি সংসদীয় প্রতিনিধিত্বমূলক গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা, একটি সাংবিধানিক রাজতন্ত্র এবং একটি বিকেন্দ্রীকৃত ঐক্যমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থার কাঠামোতে পরিচালিত হয়। নেদারল্যান্ডসকে একটি consociational রাষ্ট্র হিসেবে বর্ণনা করা যায়। ওলন্দাজ রাজনীতি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক ও রাজনৈতিক ইস্যুসমূহের উপর ব্যাপক ঐকমত্যে পৌঁছানোর প্রচেষ্টাকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২০০৬ সালের ওলন্দাজ সংসদ নির্বাচনে সোশালিস্ট পার্টি বা Socialistische Partij বৃহত্তম রাজনৈতিক দল হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==প্রশাসনিক অঞ্চলসমূহ==&lt;br /&gt;
নেদারল্যান্ডস বারটি প্রশাসনিক অঞ্চলে বিভক্ত। এদেরকে প্রভিয়েন্স বলা হয়। প্রত্যেকটি প্রভিয়েন্স একজন গর্ভনর দ্বারা শাসিত, যাকে কমিশনার অব দ্য কুইন বা কমিস্যারিস ভ্যান দ্য কোনিগিন বলা হয়। শুধু মাত্র লিমবার্গ প্রভিয়েন্সের প্রধানকে গর্ভনর বলা হয়। প্রতিটি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র [[মিউনিসিপালিটিসে]] বিভক্ত। ২০১০ সালের হিসেবে ৪৩০টি [[প্রভিয়েন্স]] আছে।&lt;br /&gt;
{| class=&amp;quot;wikitable sortable&amp;quot;&lt;br /&gt;
!প্রদেশ&lt;br /&gt;
!মূলধন&lt;br /&gt;
!বৃহত্তম শহর&lt;br /&gt;
!মোট এলাকা&lt;br /&gt;
(কিমি &amp;lt;sup&amp;gt;2&amp;lt;/sup&amp;gt; ) &lt;br /&gt;
!ভূমি এলাকা&lt;br /&gt;
(কিমি &amp;lt;sup&amp;gt;2&amp;lt;/sup&amp;gt; ) &lt;br /&gt;
!জনসংখ্যা&lt;br /&gt;
(2023) &lt;br /&gt;
!ঘনত্ব&lt;br /&gt;
(/কিমি &amp;lt;sup&amp;gt;2&amp;lt;/sup&amp;gt; )&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ড্রেনথে&lt;br /&gt;
|অ্যাসেন&lt;br /&gt;
|এমেন&lt;br /&gt;
|2,680&lt;br /&gt;
|2,633&lt;br /&gt;
|502,051&lt;br /&gt;
|191&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ফ্লেভোল্যান্ড&lt;br /&gt;
|লেলিস্টাড&lt;br /&gt;
|আলমেরে&lt;br /&gt;
|2,413&lt;br /&gt;
|1,412&lt;br /&gt;
|444,701&lt;br /&gt;
|315&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ফ্রিজল্যান্ড&lt;br /&gt;
| colspan=&amp;quot;2&amp;quot; |লিউওয়ার্ডেন&lt;br /&gt;
|৫,৭৪৯&lt;br /&gt;
|৩,৩৩৬&lt;br /&gt;
|659,551&lt;br /&gt;
|198&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|গেলডারল্যান্ড&lt;br /&gt;
|আর্নহেম&lt;br /&gt;
|নিজমেগেন&lt;br /&gt;
|৫,১৩৬&lt;br /&gt;
|4,964&lt;br /&gt;
|2,133,708&lt;br /&gt;
|430&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|গ্রোনিংজেন&lt;br /&gt;
| colspan=&amp;quot;2&amp;quot; |গ্রোনিংজেন&lt;br /&gt;
|2,960&lt;br /&gt;
|২,৩২৪&lt;br /&gt;
|596,075&lt;br /&gt;
|256&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|লিম্বুর্গ&lt;br /&gt;
| colspan=&amp;quot;2&amp;quot; |মাস্ট্রিক্ট&lt;br /&gt;
|2,210&lt;br /&gt;
|2,147&lt;br /&gt;
|1,128,367&lt;br /&gt;
|526&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|উত্তর ব্রাবন্ট&lt;br /&gt;
|s-Hertogenbosch&lt;br /&gt;
|আইন্ডহোভেন&lt;br /&gt;
|৫,০৮২&lt;br /&gt;
|4,905&lt;br /&gt;
|2,626,210&lt;br /&gt;
|535&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|[[উত্তর হল্যান্ড]]&lt;br /&gt;
|হারলেম&lt;br /&gt;
|[[আমস্টারডাম]]&lt;br /&gt;
|4,092&lt;br /&gt;
|2,665&lt;br /&gt;
|2,952,622&lt;br /&gt;
|1,108&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ওভারিজসেল&lt;br /&gt;
|Zwolle&lt;br /&gt;
|এনশেডে&lt;br /&gt;
|৩,৪২১&lt;br /&gt;
|3,319&lt;br /&gt;
|1,184,333&lt;br /&gt;
|357&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|[[দক্ষিণ হল্যান্ড]]&lt;br /&gt;
|[[হেগ]]&lt;br /&gt;
|[[রটার্ডাম]]&lt;br /&gt;
|৩,৪১৯&lt;br /&gt;
|2,700&lt;br /&gt;
|3,804,906&lt;br /&gt;
|1,409&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|উট্রেখ্ট&lt;br /&gt;
| colspan=&amp;quot;2&amp;quot; |[[ইউট্রেখ্ট‌]]&lt;br /&gt;
|1,449&lt;br /&gt;
|1,485&lt;br /&gt;
|1,387,643&lt;br /&gt;
|934&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|জিল্যান্ড&lt;br /&gt;
| colspan=&amp;quot;2&amp;quot; |মিডেলবার্গ&lt;br /&gt;
|2,934&lt;br /&gt;
|1,782&lt;br /&gt;
|391,124&lt;br /&gt;
|219&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
! colspan=&amp;quot;3&amp;quot; |মূল ভূখণ্ড&lt;br /&gt;
|৪১,৫৪৫&lt;br /&gt;
|33,671&lt;br /&gt;
|17,811,291&lt;br /&gt;
|529&lt;br /&gt;
|}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==জনসংখ্যা==&lt;br /&gt;
২০০৯ সালের সরকারি হিসেবে নেদারল্যান্ডসের জনসংখ্যা ১,৬৪,৯১,৮৫২ জন। নেদারল্যান্ডস [[ইউরোপে]]র ১১তম বৃহৎ জনসংখ্যা সমৃদ্ধ ও [[পৃথিবী]]তে ৬১ তম [[দেশ]]। ২০০৮ সালের হিসেবে নেদারল্যান্ডসের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ০.৪৩৬%।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;lt;!--নেদারল্যান্ডসের প্রধান ধর্মগুলি হল [[খ্রিস্টধর্ম]] ও [[ইসলাম]]। খ্রিস্টানদের বেশির ভাগই [[প্রোটেস্ট্যান্ট মতবাদ|প্রোটেস্ট্যান্ট]] ১০,০০০০ [[রোমান ক্যাথলিক]]দের মধ্যে গির্জা অনুযারীদের বেশি  [[মুসলমান]]দের সবচেয়ে বেশির ভাগ মানুষ তুর্কী, বসনীয়, [[মরক্কো]]ন, সোমালি ও ইরাকী বংশোদ্ভূত ১০০,০০ %। --&amp;gt;==পরিবহন==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
===বিমান পরিবহন===&lt;br /&gt;
[[আমস্টারডাম বিমানবন্দর স্কিপহোল]] , আমস্টারডামের ঠিক দক্ষিণ-পশ্চিমে, নেদারল্যান্ডসের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং যাত্রী সংখ্যায় ইউরোপের তৃতীয় ব্যস্ততম বিমানবন্দর । স্কিফোল হল [[কেএলএম]]&amp;lt;nowiki/&amp;gt;এর প্রধান কেন্দ্র , দেশের পতাকাবাহী এবং বিশ্বের প্রাচীনতম বিমান সংস্থা।  2016 সালে, রয়্যাল শিফোল গ্রুপ বিমানবন্দরগুলি 70 মিলিয়ন যাত্রী পরিচালনা করেছিল।  সমস্ত বিমান ট্র্যাফিক আন্তর্জাতিক এবং শিফোল বিমানবন্দর বিশ্বব্যাপী 300 টিরও বেশি গন্তব্যের সাথে সংযুক্ত, অন্য যেকোনো ইউরোপীয় বিমানবন্দরের চেয়ে বেশি।  264  বিমানবন্দরটি একটি প্রধান মালবাহী হাবও, যা 2020 সালে 1.44 মিলিয়ন টন কার্গো প্রক্রিয়াকরণ করে । নেদারল্যান্ডসের ক্যারিবিয়ান অংশের জন্য বিমান পরিবহন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, সমস্ত দ্বীপের নিজস্ব বিমানবন্দর রয়েছে। এর মধ্যে সাবার বিশ্বের সবচেয়ে ছোট রানওয়ে রয়েছে ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ভারতীয় উপমহাদেশে একমাত্র দিল্লি , মুম্বাই ও বেঙ্গালুরুর সাথে সরাসরি বিমান যোগাযোগ আছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==তথ্যসূত্র==&lt;br /&gt;
{{সূত্র তালিকা}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==আরও দেখুন==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==বহিঃসংযোগ==&lt;br /&gt;
{{দেশের নিবন্ধ|নেদারল্যান্ড্‌স}}&lt;br /&gt;
{{ইউরোপ}}&lt;br /&gt;
{{ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:ইউরোপের রাষ্ট্র]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্র]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:ইউরোপ কাউন্সিলের সদস্য রাষ্ট্র]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:ন্যাটোর সদস্য রাষ্ট্র]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:ওইসিডি সদস্য]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:আন্তঃমহাদেশীয় রাষ্ট্র]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:নেদারল্যান্ডস]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:সার্বভৌম রাষ্ট্র]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Duyel</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%98&amp;diff=15367</id>
		<title>জাতিসংঘ</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%98&amp;diff=15367"/>
		<updated>2026-09-17T20:49:39Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Duyel: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;[[চিত্র:UN building.jpg|right|thumb|220px|নিউ ইয়র্কে অবস্থিত জাতিসংঘ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;জাতিসংঘ&#039;&#039;&#039; বা &#039;&#039;&#039;রাষ্ট্রপুঞ্জ&#039;&#039;&#039; একটি [[আন্তর্জাতিক সংস্থা]]। সদর দপ্তর [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|যুক্তরাষ্ট্রের]] নিউইয়র্ক শহরে অবস্থিত।  এটি মূল উদ্দেশ্য হলো [[আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা]] বজায় রাখা। এটি বিশ্বের দেশগুলোর মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলতে, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়াতে এবং দেশগুলোর কার্যক্রমে সমন্বয় সাধন করতে কাজ করে। জাতিসংঘ বিশ্বের বৃহত্তম আন্তর্জাতিক সংস্থা। এছাড়াও [[জেনেভা]], [[নাইরোবি]], [[ভিয়েনা]] ও [[হেগ]] শহরে এর অন্যান্য দপ্তর আছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==ইতিহাস==&lt;br /&gt;
২৪ অক্টোবর ১৯৪৫ সালের ৫১টি রাষ্ট্র [[জাতিসংঘ সনদ]] স্বাক্ষর করে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠা করে। এটি [[লীগ অব নেশন্স|সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের]] স্থলাভিষিক্ত হয়, যা ১৯২০ সালে গঠিত হয়েছিল কিন্তু পরে বিলুপ্ত হয়। [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ|দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের]] পর যুদ্ধ প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে বিজয়ী মিত্র শক্তিগুলো জাতিসংঘ গঠনের উদ্যোগ নেয়। সেই সময়ের রাজনৈতিক বাস্তবতা এখনো জাতিসংঘের কাঠামোতে প্রতিফলিত হয়। [[জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ|নিরাপত্তা পরিষদের]] ৫টি স্থায়ী সদস্য দেশ হলো: [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র]], [[যুক্তরাজ্য]], [[ফ্রান্স]], [[রাশিয়া]] ও [[চীন]]। এদের প্রত্যেকের [[ভেটো]] দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে।  &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ|সাধারণ পরিষদ]], [[জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ|নিরাপত্তা পরিষদ]], [[জাতিসংঘ অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ|অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ]], [[জাতিসংঘ সচিবালয়|সচিবালয়]], [[জাতিসংঘ অছি পরিষদ|অছি পরিষদ]] এবং [[আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত|আন্তর্জাতিক আদালত]] জাতিসংঘের প্রধান অঙ্গ। এছাড়াও এর অধীনে [[বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা]], [[ইউনেস্কো]], [[ইউনিসেফ]]-এর মতো সংস্থাগুলো রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জাতিসংঘের প্রধান নির্বাহী হলেন মহাসচিব। ২০১৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে [[পর্তুগাল|পর্তুগালের]] রাজনীতিবিদ [[অ্যান্টোনিও গুতারেস|অ্যান্টোনিও গুতারেস]] এই দায়িত্ব পালন করছেন। জাতিসংঘের সব কাজের লক্ষ্য হলো বিশ্বজনগণের কল্যাণ সাধন ও মানুষের জীবনমান উন্নয়ন করা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==সদস্যরাষ্ট্র==&lt;br /&gt;
[[চিত্র:United Nations (Member States and Territories).svg|thumb|center|500px|বিশ্ব মানচিত্রে জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রসমূহ (নীল রঙে চিহ্নিত)]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অক্টোবর ২০১৬ অনুযায়ী জাতিসংঘের সদস্য সংখ্যা ১৯৩টি। এর মধ্যে ২টি দেশ পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র হিসেবে অন্তর্ভুক্ত।&amp;lt;ref&amp;gt;[http://www.un.org/depts/dhl/unms/whatisms.shtml &amp;quot;What are Member States?&amp;quot;. United Nations.]&amp;lt;/ref&amp;gt; তবে কিছু ব্যতিক্রম আছে, যেমন [[তাইওয়ান]] (প্রজাতন্ত্রী চীন নামে পরিচিত) এবং [[ভ্যাটিকান সিটি]]। এছাড়াও কিছু অস্বীকৃত অঞ্চল, যেমন ট্রান্সনিস্ট্রিয়া ও উত্তর সাইপ্রাসের তুর্কি প্রজাতন্ত্র, জাতিসংঘের সদস্য নয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জাতিসংঘে যোগদানকারী সর্বশেষ দেশ হলো [[দক্ষিণ সুদান]]। এটি ২০১১ সালের ১৪ জুলাই ১৯৩তম সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে জাতিসংঘে যোগ দেয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[চিত্র:United Nations HQ - New York City.jpg|right|thumb|নিউইয়র্ক শহরে জাতিসংঘের সদর দপ্তর।]] এটি সদর দপ্তরটি  ১৯৪৯ হতে ১৯৫০ সালের মধ্যে ১৬ একর জমিতে নির্মাণ করা হয়। ভবনটি [[ইস্ট নদী|ইস্ট নদীর]] তীরে অবস্থিত। সদর দপ্তর স্থাপনের জমি কেনার জন্য [[জন ডি রকফেলার জুনিয়র]] ৮.৫ মিলিয়ন ডলার ব্যয় করেন। তিনি জাতিসংঘকে এই জমি দান করেন।  &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সদর দপ্তরের মূল ভবনটির নকশা প্রণয়ন করে- [[লে করবুসিয়ে]], [[অস্কার নিয়েমেয়ার]]সহ আরো অনেক খ্যাতনামা স্থপতি। নেলসন রকফেলারের উপদেষ্টা [[ওয়ালেস কে হ্যারিসন]] এই স্থপতি দলের নেতৃত্ব দেন। আনুষ্ঠানিকভাবে সদর দপ্তরের উদ্বোধন হয় ১৯৫১ সালের [[জানুয়ারি ৯|৯ই জানুয়ারি]] তারিখে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সদর দপ্তর নিউইয়র্কে হলেও জাতিসংঘের বেশ কিছু অঙ্গ সংগঠনের প্রধান কার্যালয় [[সুইজারল্যান্ড]]ের [[জেনেভা]], [[নেদারল্যান্ডস]]ের [[হেগ]], [[অস্ট্রিয়া]]র [[ভিয়েনা]], [[কানাডা]]র [[মন্ট্রিয়ল]], [[ডেনমার্ক]]ের [[কোপেনহেগেন]], জার্মানীর [[বন]] ও অন্যত্র অবস্থিত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
:&lt;br /&gt;
:&lt;br /&gt;
:&lt;br /&gt;
[[নিরাপত্তা|নিরাপত্তার]] খাতিরে এই ঠিকানায় প্রেরিত সকল ধরনের চিঠিপত্র পরীক্ষণ-নিরীক্ষণসহ জীবাণুমুক্ত করা হয়।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি&lt;br /&gt;
  | লেখক = Information Technology Section&lt;br /&gt;
  | শিরোনাম = Security Notice&lt;br /&gt;
  | প্রকাশক = United Nations&lt;br /&gt;
  | তারিখ = 2001&lt;br /&gt;
  | ইউআরএল = http://www.un.org/aboutun/security_notice.htm&lt;br /&gt;
  | সংগ্রহের-তারিখ =  }}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জাতিসংঘের সদর দপ্তরের পুরানো ভবনের সংস্কার কার্য উপলক্ষে ম্যানহাটানের ফার্স্ট অ্যাভিনিউতে [[ফুমিহিকো মাকি]]র নকশায় অস্থায়ী দপ্তর নির্মাণ করা হচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১৯৪৯ সালের আগে পর্যন্ত [[লন্ডন]] ও নিউইয়র্কের বিভিন্ন স্থানে জাতিসংঘের কার্যালয়ের অবস্থান ছিল।&amp;lt;ref name=&amp;quot;UNHeadquarters&amp;quot;&amp;gt;[http://www.un.org/geninfo/faq/factsheets/FS23.HTM The Story of United Nations Headquarters] &lt;br /&gt;
http://www.un.org, United Nations, Accessed September 20, 2006&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==উদ্দেশ্যসমূহ==&lt;br /&gt;
জাতিসংঘ একটি আন্তর্জাতিক তথা বিশ্ব প্রতিষ্ঠান। বিশ্বের যে কোনো স্বাধীন রাষ্ট্র জাতিসংঘের সদস্য হতে পারে।জাতিসংঘ কিছু মহৎ উদ্দেশ্য অর্জনের লক্ষ্যে গঠিত হয়েছে।জাতিসংঘ গঠনের সাতটি লক্ষ ও উদ্দেশ্য হচ্ছে-&lt;br /&gt;
*বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা।&lt;br /&gt;
*বিভিন্ন জাতি তথা দেশের মধ্যে সম্প্রীতি স্থাপন করা।&lt;br /&gt;
*অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে বিভিন্ন দেশের মধ্যে সহযোগিতা গড়ে তোলা।&lt;br /&gt;
*জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সবার স্বাধীনতা ও মৌলিক অধিকারের প্রতি সম্মান গড়ে তোলা।&lt;br /&gt;
*বিভিন্ন দেশের মধ্যে বিদ্যমান বিবাদ মীমাংসা করা।&lt;br /&gt;
*প্রত্যেক জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকারের স্বীকৃতি ও তার সমুন্নত রাখা, এবং&lt;br /&gt;
*উদ্দেশ্যসমূহ বাস্তবায়নের জন্য জাতিসংঘের কার্যধারা অনুসরণ করা ৷&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
উদ্দেশ্যগুলো বাস্তবায়নের জন্য জাতিসংঘ তার ছয়টি শাখার মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের কাজ করে থাকে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==ভাষা==&lt;br /&gt;
জাতিসংঘের ছয়টি দাপ্তরিক ভাষাগুলে হলো [[আরবি ভাষা|আরবি]], [[চীনা ভাষা|চীনা]], [[ইংরেজি ভাষা|ইংরেজি]], [[ফরাসি ভাষা|ফরাসি]], [[রুশ ভাষা|রুশ]] এবং [[স্পেনীয় ভাষা]]।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.un.org/Depts/DGACM/faq_languages.htm|শিরোনাম=What are the official languages of the United Nations?|প্রকাশক=United Nations|ভাষা=English|সংগ্রহের-তারিখ=2006-12-23}}&amp;lt;/ref&amp;gt; জাতিসংঘের সচিবালয়ে যে দুটি ভাষা ব্যবহৃত হয় তা হলো [[ইংরেজি ভাষা|ইংরেজি]] ও [[ফরাসি ভাষা|ফরাসি]]। জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষাগুলোর মধ্যে [[ইংরেজি ভাষা|ইংরেজি]] ৫৪টি সদস্য দেশের সরকারি ভাষা। [[ফরাসি ভাষা|ফরাসি]] হলো ২৯টি দেশের, [[আরবি ভাষা|আরবি]] ২৪টি দেশের, [[স্পেনীয় ভাষা|স্পেনীয়]] ২১টি দেশের, [[রুশ ভাষা|রুশ]] ১০টি দেশের, এবং [[চীনা ভাষা]] ৪টি দেশের সরকারি ভাষা। এছাড়াও জাতিসংঘে কিছু প্রস্তাবিত দাপ্তরিক ভাষা হলো [[বাংলা ভাষা|বাংলা]], [[হিন্দি ভাষা|হিন্দি]], [[জার্মান ভাষা|জার্মান]], [[পর্তুগিজ ভাষা|পর্তুগিজ]], [[মালয় ভাষা|মালয়]], [[তুর্কি ভাষা|তুর্কি]], [[জাপানি ভাষা|জাপানি]], [[সোয়াহিলি ভাষা|সোয়াহিলি]] ইত্যাদি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==অঙ্গসংস্থাসমূহ==&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;জাতিসংঘের প্রধান অঙ্গসংস্থা বা অঙ্গসংগঠন রয়েছে মোট ৬টি।&#039;&#039;&#039;এগুলো হলো &lt;br /&gt;
*[[জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ|সাধারণ পরিষদ]],&lt;br /&gt;
*[[জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ|নিরাপত্তা পরিষদ]]&lt;br /&gt;
*[[জাতিসংঘ অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ|অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ]]&lt;br /&gt;
*[[জাতিসংঘ অছি পরিষদ|অছি পরিষদ]]&lt;br /&gt;
*[[আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত|আন্তর্জাতিক আদালত]]&lt;br /&gt;
*[[জাতিসংঘ সচিবালয়|সচিবালয়]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;জাতিসংঘের অংগসংগঠনের সংক্ষিপ্ত পরিচয়ঃ&#039;&#039;&#039;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;১. সাধারণ পরিষদঃ&#039;&#039;&#039;&lt;br /&gt;
[[চিত্র:UN_General_Assembly.jpg|থাম্ব|জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ]]&lt;br /&gt;
জাতিসংঘের সকল রাষ্ট্রই এর সদস্য। প্রতিটি সদস্য রাষ্ট্রের ১টি ভোটাধিকার রয়েছে।সাধারণ সভায় ৫ জন প্রতিনিধি প্রতিটি সাধারণ সভায় একটিদেশের প্রতিনিধিত্ব করতে পারে।সেপ্টেম্বর মাসের তৃতীয় মঙ্গলবার সাধারণসভার বার্ষিক অধিবেশন শুরু হয়।১০টি অস্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র নির্বাচন এবং ECOSOC এর ৫৪ জন সদস্য নির্বাচন করে। সভাপতির কার্যকাল ১ বছর।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;২. নিরাপত্তাপরিষদঃ&#039;&#039;&#039;&lt;br /&gt;
[[চিত্র:United_Nations_Security_Council.jpg|থাম্ব|জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ]]&lt;br /&gt;
*নিরাপত্তা পরিষদ প্রতিষ্ঠাকালীন (১৯৬৫ সালের পূর্ব পর্যন্ত) সদস্য- ১১টি।&lt;br /&gt;
*নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য নির্বাচিত হয়- ২বছরের জন্য।&lt;br /&gt;
*নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্থাব বাস্তবায়নের জন্য- ৯টি সদস্যরাষ্ট্রের সম্মতির প্রয়োজন (৫টি স্থায়ী ও ৪টি অস্থায়ী)&lt;br /&gt;
*নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য- (স্থায়ী- ৫, অস্থায়ী-১০)&lt;br /&gt;
*নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়- ১মাসের জন্য।&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;Veto&#039;&#039; শব্দটি ল্যাটিন; এর শব্দগত অর্থ ‘আমিমানিনা’।&lt;br /&gt;
*ভেটো- কোন প্রস্থাবে স্থায়ী সদস্যদের ‘না’ বলার সাংবিধানিক অধিকার, নিরাপত্তা পরিষদের সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য কমপক্ষে ৯টি ভোটের প্রয়োজন (স্থায়ী ৫টি ও অস্থায়ী ৪টি), ৫টি স্থায়ী সদস্যের ভেটো ক্ষমতা আছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য সমূহ-&#039;&#039;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য (ভেটো ক্ষমতা সম্পন্ন) দেশ রয়েছে ৫টি।এগুলো হলো- ১.যুক্তরাষ্ট্র ২.যুক্তরাজ্য ৩.ফ্রান্স ৪. রাশিয়া ৫. চীন। নিরাপত্তা পরিষদের আরো ১০টি অস্থায়ী সদস্য রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;৩. অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদঃ&#039;&#039;&#039; &lt;br /&gt;
[[চিত্র:UN_Economic_and_Social_Council.jpg|থাম্ব|জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ]]&lt;br /&gt;
এটিকে জাতিসংঘ পরিবার বলা হয়। বর্তমান সদস্য ৫৪ এবং সদস্য রাষ্ট্রের মেয়াদ তিন বছর। প্রতি বছর ১৮টি দেশ অবসর এবং নতুন ১৮টি দেশ অন্তর্ভূক্ত হয়।বছরে ২ বার অধিবেশন বসে। যথা- জেনেভাতে। এ পরিষদের ৫টি আঞ্চলিক কমিটি আছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;(ক)&#039;&#039;&#039; ESCAP- Economic and social Commission for Asia and pacific.&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;সদর দপ্তরঃ ব্যাংকক (থাইল্যান্ড) (১৯৪৭)&#039;&#039;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;(খ)&#039;&#039;&#039; ECA- Economic Commission For Africa.&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;সদর দপ্তরঃ আদ্দিস-আবাবা (ইথিওপিয়া) (১৯৫৮)&#039;&#039;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;(গ)&#039;&#039;&#039; ECE- Economic Commission For Europe.&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;সদর দপ্তরঃ জেনেভা (সুইজারল্যান্ড) (১৯৪৭)&#039;&#039;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;(ঘ)&#039;&#039;&#039; ECLAC- Economic Commission For Latin American and Carabian.&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;সদর দপ্তরঃ সান্টিয়াগো (চিলি) (১৯৪৮)&#039;&#039;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;(ঙ)&#039;&#039;&#039; ESCWA- Economic and Social Commission For Western Asia.&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;সদরদপ্তরঃ বৈরুত (লেবানন) (১৯৪৭)&#039;&#039;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;৪. অছিপরিষদঃ&#039;&#039;&#039; &lt;br /&gt;
[[চিত্র:UN_Trusteeship_Council.jpg|থাম্ব|জাতিসংঘের অছি পরিষদ]]&lt;br /&gt;
নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী রাষ্ট্র এর সদস্য। ট্রাস্ট বা সাহায্য ভূক্তসমূহের রক্ষনাবেক্ষণ ,এদের নিয়ন্ত্রণ এ পরিচালিত হয়।জাতিসংঘের মাধ্যমে নাউরু, নিউগিনি, রুয়ান্ডা, বুরুন্ডি, ক্যামেরুন স্বাধীনতা পায়।১৯৯৪ সালে পালাউ এর স্বাধীনতা প্রাপ্তির মাধ্যমে সকল অছিভুক্ত দেশ স্বাধীনতা লাভ করেছে।বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের প্যাসিফিক আইল্যান্ড একমাত্র অছিপরিষদভুক্ত অঞ্চল।১৯৯৪সালের পর অছিপরিষদের কার্যক্রম স্থগিত রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;৫. আন্তর্জাতিক আদালতঃ&#039;&#039;&#039; &lt;br /&gt;
[[চিত্র:International Court of Justice HQ 2006.jpg|থাম্ব|জাতিসংঘ দ্বারা পরিচালিত আন্তর্জাতিক আদালত]]&lt;br /&gt;
৩ এপ্রিল ১৯৪৬ থেকে এর কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।১৫জন বিচারপতি নিয়ে জাতিসংঘের আওতায় এর কার্যক্রম পরিচালিত। বিচারকদের কার্যকাল ৯ বছর।একটি দেশ থেকে কেবল একজন বিচারক একই সময়ে বিচারক নিযুক্ত হতে পারে। রোজালিনহ্যাগিন্স (টক) এই আদালতের প্রথম মহিলা বিচারপতি।সভাপতির মেয়াদকাল ৩ বৎসর। নেদারল্যান্ডের দ্যা হেগে এর প্রধান সদরদপ্তর।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;৬. সচিবালয়ঃ&#039;&#039;&#039; &lt;br /&gt;
[[চিত্র:United_Nations_Secretariat_building_in_june_2007.jpg|থাম্ব|জাতিসংঘ সচিবালয়ের ভবন]]&lt;br /&gt;
সকল প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু সচিবালয় মহাসচিব নিযুক্তির ক্ষেত্রে পরিষদের দুই তৃতীয়াংশ ভোটে মহাসচিব ৫ বৎসরের জন্য নির্বাচিত হন। এর ইউরোপীয় সদরদপ্তর জেনেভা।জাতিসংঘ সচিবালয় যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থিত। এর প্রধানের উপাধি হলো সেক্রেটারিজেনারেল বা মহাসচিব।এর দপ্তর সংখ্যা ৮টি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==মহাসচিব==&lt;br /&gt;
[[চিত্র:António Guterres 2021.jpg|থাম্ব|জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিব [[আন্তোনিও গুতেরেস]]]]&lt;br /&gt;
জাতিসংঘের প্রধান হিসেবে রয়েছেন [[জাতিসংঘের মহাসচিব|মহাসচিব]]।  জাতিসংঘ সনদের ৯৭ অনুচ্ছেদ মোতাবেক মহাসচিবকে “প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা” হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ঐ সনদে আরো বলা হয়েছে যে, মহাসচিব যে-কোন বিশ্ব শান্তিভঙ্গের আশঙ্কা ও নিরাপত্তার খাতিরে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের লক্ষ্যে নিরাপত্তা পরিষদে প্রস্তাব আনতে পারবেন। মহাসচিব পদটি দ্বৈত ভূমিকার অধিকারী - জাতিসংঘের প্রশাসক এবং কুটনৈতিক ও মধ্যস্থতাকারী হিসেবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ|নিরাপত্তা পরিষদের]] সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুসারে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ মহাসচিব নিযুক্ত করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পদের মেয়াদ সম্পর্কে নির্দিষ্ট কোন নীতিমালা নেই। কিন্তু পূর্ব থেকেই এক বা দুই মেয়াদে ৫ বছরের জন্য ভৌগোলিক চক্রাবর্তে মহাসচিব পদে মনোনীত করার বিধান চলে আসছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
{| class=&amp;quot;wikitable&amp;quot; style=&amp;quot;font-size:90%; text-align:left;&amp;quot;&lt;br /&gt;
|+ style=&amp;quot;padding-top:1em;&amp;quot; |জাতিসংঘ মহাসচিবদের তালিকা&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|শিরোনাম=Former Secretaries-General &amp;amp;#124; United Nations Secretary-General|ইউআরএল=https://www.un.org/sg/en/content/former-secretaries-general|সংগ্রহের-তারিখ=2022-06-29|ওয়েবসাইট=www.un.org}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
!ক্রমিক নং!!নাম!!যে দেশে জন্ম নিয়েছেন!!কার্যভার গ্রহণ!!কার্যভার প্রদান!!মন্তব্য&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|(১)||[[ট্রিগভে হাভডেন লি|ট্রিগভে লি]]||{{পতাকা|নরওয়ে}}||২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪৬||১০ নভেম্বর, ১৯৫২||পদত্যাগ; ১ম মহাসচিব: স্ক্যান্ডিনেভিয়া দেশ থেকে&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|(২)||[[দগ হামারহোল্ড|ডগ হামারশোল্ড]]||{{পতাকা|সুইডেন}}||১০ এপ্রিল, ১৯৫৩||১৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৬১||কর্মরত অবস্থায় মৃত্যু। শান্তিতে নোবেলজয়ী&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|(৩)||[[উ থান্ট]]||{{পতাকা|মিয়ানমার}}||৩০ নভেম্বর, ১৯৬১||১ জানুয়ারি, ১৯৭২||[[এশিয়া]] থেকে নির্বাচিত ১ম মহাসচিব&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|(৪)||[[কার্ট ওয়াল্ডহেইম|কুর্ট ওয়াল্ডহেইম]]||{{পতাকা|অস্ট্রিয়া}}||১ জানুয়ারি, ১৯৭২||১ জানুয়ারি, ১৯৮২||&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|(৫)||[[হাভিয়ের পেরেস দে কুয়েইয়ার]]||{{পতাকা|পেরু}}||১ জানুয়ারি, ১৯৮২||১ জানুয়ারি, ১৯৯২||আমেরিকা থেকে নির্বাচিত ১ম মহাসচিব&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|(৬)||[[বুট্রোস বুট্রোস-ঘালি]]||{{পতাকা|মিশর}}||১ জানুয়ারি, ১৯৯২||১ জানুয়ারি, ১৯৯৭||আফ্রিকা থেকে নির্বাচিত ১ম মহাসচিব&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|(৭)||[[কফি আন্নান]]||{{পতাকা|ঘানা}}||১ জানুয়ারি, ১৯৯৭||১ জানুয়ারি, ২০০৭||মুসলিম মহাসচিব। নোবেলজয়ী&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|(৮)||[[বান কি মুন]]||{{পতাকা|দক্ষিণ কোরিয়া}}||১ জানুয়ারি, ২০০৭||৩১ ডিসেম্বর, ২০১৬||২য় এশীয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|(৯)||[[আন্তোনিও গুতেরেস|অ্যান্টোনিও গুতেরেস]]||{{পতাকা|পর্তুগাল}}||১ জানুয়ারি, ২০১৭||-||UNHCR সাবেক মহাসচিব&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==শুভেচ্ছা দূত==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জাতিসংঘ তার সদস্যভূক্ত দেশগুলোর মাঝে নির্দিষ্ট লক্ষ্য, উদ্দেশ্য, পরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে [[শুভেচ্ছা দূত]] নিয়োগ করে থাকে। শুভেচ্ছা দূতের মধ্যে - বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় নেতা, [[খেলোয়াড়]], চলচ্চিত্র তারকা প্রমুখ পেশাজীবিদেরকে সম্পৃক্ত করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জাতিসংঘ শান্তি বার্তাবাহক, খাদ্য ও কৃষি সংস্থা, এইচআইভি ও এইডস্‌ কর্মসূচী, পরিবেশ কার্যক্রম, ইউএনডিপি, [[ইউনেস্কো]], ইউনোডিসি, ইউএনএফপিএ, জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশন, ইউনিসেফ, ইউনিডো, ইউনিফেম, বিশ্ব খাদ্য সংস্থা, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা প্রমূখ প্রতিষ্ঠান বা সংস্থাগুলো তাদের কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য শুভেচ্ছা দূত হিসেবে সময়ে সময়ে বিখ্যাত ব্যক্তিত্বকে নিয়োগ করে থাকে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==আরও দেখুন==&lt;br /&gt;
*[[জাতিসংঘের মহাসচিব]]&lt;br /&gt;
*[[জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ]]&lt;br /&gt;
*[[জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ]]&lt;br /&gt;
*[[জাতিসংঘে বাংলাদেশ]]&lt;br /&gt;
*[[জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থাসমূহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==টীকা==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==তথ্যসূত্র==&lt;br /&gt;
{{সূত্র তালিকা}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==বহিঃসংযোগ==&lt;br /&gt;
*[https://bangladesh.un.org/bn জাতিসংঘ, বাংলাদেশের প্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট]&lt;br /&gt;
*[[২০০১ নোবেল পুরস্কার বিজয়ী]]&lt;br /&gt;
*[[নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী ২০০১-২০২৫]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:জাতিসংঘ]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৪৫-এ প্রতিষ্ঠিত]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী সংস্থা]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৪৫-এ প্রতিষ্ঠিত সংগঠন]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:চুক্তি অনুযায়ী প্রতিষ্ঠিত আন্তঃসরকারি সংস্থা]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:নিউইয়র্ক সিটি ভিত্তিক সংগঠন]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:শান্তি সংগঠন]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:শাখারভ পুরস্কার প্রাপক]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Duyel</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%98&amp;diff=15366</id>
		<title>জাতিসংঘ</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%98&amp;diff=15366"/>
		<updated>2026-09-17T20:46:05Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Duyel: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;[[চিত্র:UN building.jpg|right|thumb|220px|নিউ ইয়র্কে অবস্থিত জাতিসংঘ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;জাতিসংঘ&#039;&#039;&#039; বা &#039;&#039;&#039;রাষ্ট্রপুঞ্জ&#039;&#039;&#039; একটি [[আন্তর্জাতিক সংস্থা]]। সদর দপ্তর [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|যুক্তরাষ্ট্রের]] নিউইয়র্ক শহরে অবস্থিত।  এটি মূল উদ্দেশ্য হলো [[আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা]] বজায় রাখা। এটি বিশ্বের দেশগুলোর মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলতে, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়াতে এবং দেশগুলোর কার্যক্রমে সমন্বয় সাধন করতে কাজ করে। জাতিসংঘ বিশ্বের বৃহত্তম আন্তর্জাতিক সংস্থা। এছাড়াও [[জেনেভা]], [[নাইরোবি]], [[ভিয়েনা]] ও [[হেগ]] শহরে এর অন্যান্য দপ্তর আছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==ইতিহাস==&lt;br /&gt;
২৪ অক্টোবর ১৯৪৫ সালের ৫১টি রাষ্ট্র [[জাতিসংঘ সনদ]] স্বাক্ষর করে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠা করে। এটি [[লীগ অব নেশন্স|সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের]] স্থলাভিষিক্ত হয়, যা ১৯২০ সালে গঠিত হয়েছিল কিন্তু পরে বিলুপ্ত হয়। [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ|দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের]] পর যুদ্ধ প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে বিজয়ী মিত্র শক্তিগুলো জাতিসংঘ গঠনের উদ্যোগ নেয়। সেই সময়ের রাজনৈতিক বাস্তবতা এখনো জাতিসংঘের কাঠামোতে প্রতিফলিত হয়। [[জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ|নিরাপত্তা পরিষদের]] ৫টি স্থায়ী সদস্য দেশ হলো: [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র]], [[যুক্তরাজ্য]], [[ফ্রান্স]], [[রাশিয়া]] ও [[চীন]]। এদের প্রত্যেকের [[ভেটো]] দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে।  &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ|সাধারণ পরিষদ]], [[জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ|নিরাপত্তা পরিষদ]], [[জাতিসংঘ অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ|অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ]], [[জাতিসংঘ সচিবালয়|সচিবালয়]], [[জাতিসংঘ অছি পরিষদ|অছি পরিষদ]] এবং [[আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত|আন্তর্জাতিক আদালত]] জাতিসংঘের প্রধান অঙ্গ। এছাড়াও এর অধীনে [[বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা]], [[ইউনেস্কো]], [[ইউনিসেফ]]-এর মতো সংস্থাগুলো রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জাতিসংঘের প্রধান নির্বাহী হলেন মহাসচিব। ২০১৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে [[পর্তুগাল|পর্তুগালের]] রাজনীতিবিদ [[অ্যান্টোনিও গুতারেস|অ্যান্টোনিও গুতারেস]] এই দায়িত্ব পালন করছেন। জাতিসংঘের সব কাজের লক্ষ্য হলো বিশ্বজনগণের কল্যাণ সাধন ও মানুষের জীবনমান উন্নয়ন করা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==সদস্যরাষ্ট্র==&lt;br /&gt;
[[চিত্র:United Nations (Member States and Territories).svg|thumb|center|500px|বিশ্ব মানচিত্রে জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রসমূহ (নীল রঙে চিহ্নিত)]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অক্টোবর ২০১৬ অনুযায়ী জাতিসংঘের সদস্য সংখ্যা ১৯৩টি। এর মধ্যে ২টি দেশ পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র হিসেবে অন্তর্ভুক্ত।&amp;lt;ref&amp;gt;[http://www.un.org/depts/dhl/unms/whatisms.shtml &amp;quot;What are Member States?&amp;quot;. United Nations.]&amp;lt;/ref&amp;gt; তবে কিছু ব্যতিক্রম আছে, যেমন [[তাইওয়ান]] (প্রজাতন্ত্রী চীন নামে পরিচিত) এবং [[ভ্যাটিকান সিটি]]। এছাড়াও কিছু অস্বীকৃত অঞ্চল, যেমন ট্রান্সনিস্ট্রিয়া ও উত্তর সাইপ্রাসের তুর্কি প্রজাতন্ত্র, জাতিসংঘের সদস্য নয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জাতিসংঘে যোগদানকারী সর্বশেষ দেশ হলো [[দক্ষিণ সুদান]]। এটি ২০১১ সালের ১৪ জুলাই ১৯৩তম সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে জাতিসংঘে যোগ দেয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[চিত্র:United Nations HQ - New York City.jpg|right|thumb|নিউইয়র্ক শহরে জাতিসংঘের সদর দপ্তর।]] এটি ১৬ একর জমিতে ১৯৪৯ হতে ১৯৫০ সালের মধ্যে নির্মাণ করা হয়। ভবনটি [[ইস্ট নদী|ইস্ট নদীর]] তীরে অবস্থিত। সদর দপ্তর স্থাপনের জমি কেনার জন্য [[জন ডি রকফেলার জুনিয়র]] ৮.৫ মিলিয়ন ডলার ব্যয় করেন। তিনি জাতিসংঘকে এই জমি দান করেন। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সদর দপ্তরের মূল ভবনটির নকশা প্রণয়ন করে- [[লে করবুসিয়ে]], [[অস্কার নিয়েমেয়ার]]সহ আরো অনেক খ্যাতনামা স্থপতি। নেলসন রকফেলারের উপদেষ্টা [[ওয়ালেস কে হ্যারিসন]] এই স্থপতি দলের নেতৃত্ব দেন। আনুষ্ঠানিকভাবে সদর দপ্তরের উদ্বোধন হয় ১৯৫১ সালের [[জানুয়ারি ৯|৯ই জানুয়ারি]] তারিখে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সদর দপ্তর নিউইয়র্কে হলেও জাতিসংঘের বেশ কিছু অঙ্গ সংগঠনের প্রধান কার্যালয় [[সুইজারল্যান্ড]]ের [[জেনেভা]], [[নেদারল্যান্ডস]]ের [[হেগ]], [[অস্ট্রিয়া]]র [[ভিয়েনা]], [[কানাডা]]র [[মন্ট্রিয়ল]], [[ডেনমার্ক]]ের [[কোপেনহেগেন]], জার্মানীর [[বন]] ও অন্যত্র অবস্থিত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
:&lt;br /&gt;
:&lt;br /&gt;
:&lt;br /&gt;
[[নিরাপত্তা|নিরাপত্তার]] খাতিরে এই ঠিকানায় প্রেরিত সকল ধরনের চিঠিপত্র পরীক্ষণ-নিরীক্ষণসহ জীবাণুমুক্ত করা হয়।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি&lt;br /&gt;
  | লেখক = Information Technology Section&lt;br /&gt;
  | শিরোনাম = Security Notice&lt;br /&gt;
  | প্রকাশক = United Nations&lt;br /&gt;
  | তারিখ = 2001&lt;br /&gt;
  | ইউআরএল = http://www.un.org/aboutun/security_notice.htm&lt;br /&gt;
  | সংগ্রহের-তারিখ =  }}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জাতিসংঘের সদর দপ্তরের পুরানো ভবনের সংস্কার কার্য উপলক্ষে ম্যানহাটানের ফার্স্ট অ্যাভিনিউতে [[ফুমিহিকো মাকি]]র নকশায় অস্থায়ী দপ্তর নির্মাণ করা হচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১৯৪৯ সালের আগে পর্যন্ত [[লন্ডন]] ও নিউইয়র্কের বিভিন্ন স্থানে জাতিসংঘের কার্যালয়ের অবস্থান ছিল।&amp;lt;ref name=&amp;quot;UNHeadquarters&amp;quot;&amp;gt;[http://www.un.org/geninfo/faq/factsheets/FS23.HTM The Story of United Nations Headquarters] &lt;br /&gt;
http://www.un.org, United Nations, Accessed September 20, 2006&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==উদ্দেশ্যসমূহ==&lt;br /&gt;
জাতিসংঘ একটি আন্তর্জাতিক তথা বিশ্ব প্রতিষ্ঠান। বিশ্বের যে কোনো স্বাধীন রাষ্ট্র জাতিসংঘের সদস্য হতে পারে।জাতিসংঘ কিছু মহৎ উদ্দেশ্য অর্জনের লক্ষ্যে গঠিত হয়েছে।জাতিসংঘ গঠনের সাতটি লক্ষ ও উদ্দেশ্য হচ্ছে-&lt;br /&gt;
*বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা।&lt;br /&gt;
*বিভিন্ন জাতি তথা দেশের মধ্যে সম্প্রীতি স্থাপন করা।&lt;br /&gt;
*অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে বিভিন্ন দেশের মধ্যে সহযোগিতা গড়ে তোলা।&lt;br /&gt;
*জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সবার স্বাধীনতা ও মৌলিক অধিকারের প্রতি সম্মান গড়ে তোলা।&lt;br /&gt;
*বিভিন্ন দেশের মধ্যে বিদ্যমান বিবাদ মীমাংসা করা।&lt;br /&gt;
*প্রত্যেক জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকারের স্বীকৃতি ও তার সমুন্নত রাখা, এবং&lt;br /&gt;
*উদ্দেশ্যসমূহ বাস্তবায়নের জন্য জাতিসংঘের কার্যধারা অনুসরণ করা ৷&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
উদ্দেশ্যগুলো বাস্তবায়নের জন্য জাতিসংঘ তার ছয়টি শাখার মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের কাজ করে থাকে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==ভাষা==&lt;br /&gt;
জাতিসংঘের ছয়টি দাপ্তরিক ভাষাগুলে হলো [[আরবি ভাষা|আরবি]], [[চীনা ভাষা|চীনা]], [[ইংরেজি ভাষা|ইংরেজি]], [[ফরাসি ভাষা|ফরাসি]], [[রুশ ভাষা|রুশ]] এবং [[স্পেনীয় ভাষা]]।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.un.org/Depts/DGACM/faq_languages.htm|শিরোনাম=What are the official languages of the United Nations?|প্রকাশক=United Nations|ভাষা=English|সংগ্রহের-তারিখ=2006-12-23}}&amp;lt;/ref&amp;gt; জাতিসংঘের সচিবালয়ে যে দুটি ভাষা ব্যবহৃত হয় তা হলো [[ইংরেজি ভাষা|ইংরেজি]] ও [[ফরাসি ভাষা|ফরাসি]]। জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষাগুলোর মধ্যে [[ইংরেজি ভাষা|ইংরেজি]] ৫৪টি সদস্য দেশের সরকারি ভাষা। [[ফরাসি ভাষা|ফরাসি]] হলো ২৯টি দেশের, [[আরবি ভাষা|আরবি]] ২৪টি দেশের, [[স্পেনীয় ভাষা|স্পেনীয়]] ২১টি দেশের, [[রুশ ভাষা|রুশ]] ১০টি দেশের, এবং [[চীনা ভাষা]] ৪টি দেশের সরকারি ভাষা। এছাড়াও জাতিসংঘে কিছু প্রস্তাবিত দাপ্তরিক ভাষা হলো [[বাংলা ভাষা|বাংলা]], [[হিন্দি ভাষা|হিন্দি]], [[জার্মান ভাষা|জার্মান]], [[পর্তুগিজ ভাষা|পর্তুগিজ]], [[মালয় ভাষা|মালয়]], [[তুর্কি ভাষা|তুর্কি]], [[জাপানি ভাষা|জাপানি]], [[সোয়াহিলি ভাষা|সোয়াহিলি]] ইত্যাদি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==অঙ্গসংস্থাসমূহ==&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;জাতিসংঘের প্রধান অঙ্গসংস্থা বা অঙ্গসংগঠন রয়েছে মোট ৬টি।&#039;&#039;&#039;এগুলো হলো &lt;br /&gt;
*[[জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ|সাধারণ পরিষদ]],&lt;br /&gt;
*[[জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ|নিরাপত্তা পরিষদ]]&lt;br /&gt;
*[[জাতিসংঘ অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ|অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ]]&lt;br /&gt;
*[[জাতিসংঘ অছি পরিষদ|অছি পরিষদ]]&lt;br /&gt;
*[[আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত|আন্তর্জাতিক আদালত]]&lt;br /&gt;
*[[জাতিসংঘ সচিবালয়|সচিবালয়]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;জাতিসংঘের অংগসংগঠনের সংক্ষিপ্ত পরিচয়ঃ&#039;&#039;&#039;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;১. সাধারণ পরিষদঃ&#039;&#039;&#039;&lt;br /&gt;
[[চিত্র:UN_General_Assembly.jpg|থাম্ব|জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ]]&lt;br /&gt;
জাতিসংঘের সকল রাষ্ট্রই এর সদস্য। প্রতিটি সদস্য রাষ্ট্রের ১টি ভোটাধিকার রয়েছে।সাধারণ সভায় ৫ জন প্রতিনিধি প্রতিটি সাধারণ সভায় একটিদেশের প্রতিনিধিত্ব করতে পারে।সেপ্টেম্বর মাসের তৃতীয় মঙ্গলবার সাধারণসভার বার্ষিক অধিবেশন শুরু হয়।১০টি অস্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র নির্বাচন এবং ECOSOC এর ৫৪ জন সদস্য নির্বাচন করে। সভাপতির কার্যকাল ১ বছর।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;২. নিরাপত্তাপরিষদঃ&#039;&#039;&#039;&lt;br /&gt;
[[চিত্র:United_Nations_Security_Council.jpg|থাম্ব|জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ]]&lt;br /&gt;
*নিরাপত্তা পরিষদ প্রতিষ্ঠাকালীন (১৯৬৫ সালের পূর্ব পর্যন্ত) সদস্য- ১১টি।&lt;br /&gt;
*নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য নির্বাচিত হয়- ২বছরের জন্য।&lt;br /&gt;
*নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্থাব বাস্তবায়নের জন্য- ৯টি সদস্যরাষ্ট্রের সম্মতির প্রয়োজন (৫টি স্থায়ী ও ৪টি অস্থায়ী)&lt;br /&gt;
*নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য- (স্থায়ী- ৫, অস্থায়ী-১০)&lt;br /&gt;
*নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়- ১মাসের জন্য।&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;Veto&#039;&#039; শব্দটি ল্যাটিন; এর শব্দগত অর্থ ‘আমিমানিনা’।&lt;br /&gt;
*ভেটো- কোন প্রস্থাবে স্থায়ী সদস্যদের ‘না’ বলার সাংবিধানিক অধিকার, নিরাপত্তা পরিষদের সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য কমপক্ষে ৯টি ভোটের প্রয়োজন (স্থায়ী ৫টি ও অস্থায়ী ৪টি), ৫টি স্থায়ী সদস্যের ভেটো ক্ষমতা আছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য সমূহ-&#039;&#039;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য (ভেটো ক্ষমতা সম্পন্ন) দেশ রয়েছে ৫টি।এগুলো হলো- ১.যুক্তরাষ্ট্র ২.যুক্তরাজ্য ৩.ফ্রান্স ৪. রাশিয়া ৫. চীন। নিরাপত্তা পরিষদের আরো ১০টি অস্থায়ী সদস্য রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;৩. অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদঃ&#039;&#039;&#039; &lt;br /&gt;
[[চিত্র:UN_Economic_and_Social_Council.jpg|থাম্ব|জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ]]&lt;br /&gt;
এটিকে জাতিসংঘ পরিবার বলা হয়। বর্তমান সদস্য ৫৪ এবং সদস্য রাষ্ট্রের মেয়াদ তিন বছর। প্রতি বছর ১৮টি দেশ অবসর এবং নতুন ১৮টি দেশ অন্তর্ভূক্ত হয়।বছরে ২ বার অধিবেশন বসে। যথা- জেনেভাতে। এ পরিষদের ৫টি আঞ্চলিক কমিটি আছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;(ক)&#039;&#039;&#039; ESCAP- Economic and social Commission for Asia and pacific.&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;সদর দপ্তরঃ ব্যাংকক (থাইল্যান্ড) (১৯৪৭)&#039;&#039;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;(খ)&#039;&#039;&#039; ECA- Economic Commission For Africa.&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;সদর দপ্তরঃ আদ্দিস-আবাবা (ইথিওপিয়া) (১৯৫৮)&#039;&#039;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;(গ)&#039;&#039;&#039; ECE- Economic Commission For Europe.&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;সদর দপ্তরঃ জেনেভা (সুইজারল্যান্ড) (১৯৪৭)&#039;&#039;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;(ঘ)&#039;&#039;&#039; ECLAC- Economic Commission For Latin American and Carabian.&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;সদর দপ্তরঃ সান্টিয়াগো (চিলি) (১৯৪৮)&#039;&#039;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;(ঙ)&#039;&#039;&#039; ESCWA- Economic and Social Commission For Western Asia.&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;সদরদপ্তরঃ বৈরুত (লেবানন) (১৯৪৭)&#039;&#039;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;৪. অছিপরিষদঃ&#039;&#039;&#039; &lt;br /&gt;
[[চিত্র:UN_Trusteeship_Council.jpg|থাম্ব|জাতিসংঘের অছি পরিষদ]]&lt;br /&gt;
নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী রাষ্ট্র এর সদস্য। ট্রাস্ট বা সাহায্য ভূক্তসমূহের রক্ষনাবেক্ষণ ,এদের নিয়ন্ত্রণ এ পরিচালিত হয়।জাতিসংঘের মাধ্যমে নাউরু, নিউগিনি, রুয়ান্ডা, বুরুন্ডি, ক্যামেরুন স্বাধীনতা পায়।১৯৯৪ সালে পালাউ এর স্বাধীনতা প্রাপ্তির মাধ্যমে সকল অছিভুক্ত দেশ স্বাধীনতা লাভ করেছে।বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের প্যাসিফিক আইল্যান্ড একমাত্র অছিপরিষদভুক্ত অঞ্চল।১৯৯৪সালের পর অছিপরিষদের কার্যক্রম স্থগিত রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;৫. আন্তর্জাতিক আদালতঃ&#039;&#039;&#039; &lt;br /&gt;
[[চিত্র:International Court of Justice HQ 2006.jpg|থাম্ব|জাতিসংঘ দ্বারা পরিচালিত আন্তর্জাতিক আদালত]]&lt;br /&gt;
৩ এপ্রিল ১৯৪৬ থেকে এর কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।১৫জন বিচারপতি নিয়ে জাতিসংঘের আওতায় এর কার্যক্রম পরিচালিত। বিচারকদের কার্যকাল ৯ বছর।একটি দেশ থেকে কেবল একজন বিচারক একই সময়ে বিচারক নিযুক্ত হতে পারে। রোজালিনহ্যাগিন্স (টক) এই আদালতের প্রথম মহিলা বিচারপতি।সভাপতির মেয়াদকাল ৩ বৎসর। নেদারল্যান্ডের দ্যা হেগে এর প্রধান সদরদপ্তর।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;৬. সচিবালয়ঃ&#039;&#039;&#039; &lt;br /&gt;
[[চিত্র:United_Nations_Secretariat_building_in_june_2007.jpg|থাম্ব|জাতিসংঘ সচিবালয়ের ভবন]]&lt;br /&gt;
সকল প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু সচিবালয় মহাসচিব নিযুক্তির ক্ষেত্রে পরিষদের দুই তৃতীয়াংশ ভোটে মহাসচিব ৫ বৎসরের জন্য নির্বাচিত হন। এর ইউরোপীয় সদরদপ্তর জেনেভা।জাতিসংঘ সচিবালয় যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থিত। এর প্রধানের উপাধি হলো সেক্রেটারিজেনারেল বা মহাসচিব।এর দপ্তর সংখ্যা ৮টি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==মহাসচিব==&lt;br /&gt;
[[চিত্র:António Guterres 2021.jpg|থাম্ব|জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিব [[আন্তোনিও গুতেরেস]]]]&lt;br /&gt;
জাতিসংঘের প্রধান হিসেবে রয়েছেন [[জাতিসংঘের মহাসচিব|মহাসচিব]]।  জাতিসংঘ সনদের ৯৭ অনুচ্ছেদ মোতাবেক মহাসচিবকে “প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা” হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ঐ সনদে আরো বলা হয়েছে যে, মহাসচিব যে-কোন বিশ্ব শান্তিভঙ্গের আশঙ্কা ও নিরাপত্তার খাতিরে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের লক্ষ্যে নিরাপত্তা পরিষদে প্রস্তাব আনতে পারবেন। মহাসচিব পদটি দ্বৈত ভূমিকার অধিকারী - জাতিসংঘের প্রশাসক এবং কুটনৈতিক ও মধ্যস্থতাকারী হিসেবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ|নিরাপত্তা পরিষদের]] সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুসারে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ মহাসচিব নিযুক্ত করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পদের মেয়াদ সম্পর্কে নির্দিষ্ট কোন নীতিমালা নেই। কিন্তু পূর্ব থেকেই এক বা দুই মেয়াদে ৫ বছরের জন্য ভৌগোলিক চক্রাবর্তে মহাসচিব পদে মনোনীত করার বিধান চলে আসছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
{| class=&amp;quot;wikitable&amp;quot; style=&amp;quot;font-size:90%; text-align:left;&amp;quot;&lt;br /&gt;
|+ style=&amp;quot;padding-top:1em;&amp;quot; |জাতিসংঘ মহাসচিবদের তালিকা&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|শিরোনাম=Former Secretaries-General &amp;amp;#124; United Nations Secretary-General|ইউআরএল=https://www.un.org/sg/en/content/former-secretaries-general|সংগ্রহের-তারিখ=2022-06-29|ওয়েবসাইট=www.un.org}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
!ক্রমিক নং!!নাম!!যে দেশে জন্ম নিয়েছেন!!কার্যভার গ্রহণ!!কার্যভার প্রদান!!মন্তব্য&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|(১)||[[ট্রিগভে হাভডেন লি|ট্রিগভে লি]]||{{পতাকা|নরওয়ে}}||২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪৬||১০ নভেম্বর, ১৯৫২||পদত্যাগ; ১ম মহাসচিব: স্ক্যান্ডিনেভিয়া দেশ থেকে&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|(২)||[[দগ হামারহোল্ড|ডগ হামারশোল্ড]]||{{পতাকা|সুইডেন}}||১০ এপ্রিল, ১৯৫৩||১৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৬১||কর্মরত অবস্থায় মৃত্যু। শান্তিতে নোবেলজয়ী&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|(৩)||[[উ থান্ট]]||{{পতাকা|মিয়ানমার}}||৩০ নভেম্বর, ১৯৬১||১ জানুয়ারি, ১৯৭২||[[এশিয়া]] থেকে নির্বাচিত ১ম মহাসচিব&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|(৪)||[[কার্ট ওয়াল্ডহেইম|কুর্ট ওয়াল্ডহেইম]]||{{পতাকা|অস্ট্রিয়া}}||১ জানুয়ারি, ১৯৭২||১ জানুয়ারি, ১৯৮২||&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|(৫)||[[হাভিয়ের পেরেস দে কুয়েইয়ার]]||{{পতাকা|পেরু}}||১ জানুয়ারি, ১৯৮২||১ জানুয়ারি, ১৯৯২||আমেরিকা থেকে নির্বাচিত ১ম মহাসচিব&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|(৬)||[[বুট্রোস বুট্রোস-ঘালি]]||{{পতাকা|মিশর}}||১ জানুয়ারি, ১৯৯২||১ জানুয়ারি, ১৯৯৭||আফ্রিকা থেকে নির্বাচিত ১ম মহাসচিব&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|(৭)||[[কফি আন্নান]]||{{পতাকা|ঘানা}}||১ জানুয়ারি, ১৯৯৭||১ জানুয়ারি, ২০০৭||মুসলিম মহাসচিব। নোবেলজয়ী&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|(৮)||[[বান কি মুন]]||{{পতাকা|দক্ষিণ কোরিয়া}}||১ জানুয়ারি, ২০০৭||৩১ ডিসেম্বর, ২০১৬||২য় এশীয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|(৯)||[[আন্তোনিও গুতেরেস|অ্যান্টোনিও গুতেরেস]]||{{পতাকা|পর্তুগাল}}||১ জানুয়ারি, ২০১৭||-||UNHCR সাবেক মহাসচিব&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==শুভেচ্ছা দূত==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জাতিসংঘ তার সদস্যভূক্ত দেশগুলোর মাঝে নির্দিষ্ট লক্ষ্য, উদ্দেশ্য, পরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে [[শুভেচ্ছা দূত]] নিয়োগ করে থাকে। শুভেচ্ছা দূতের মধ্যে - বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় নেতা, [[খেলোয়াড়]], চলচ্চিত্র তারকা প্রমুখ পেশাজীবিদেরকে সম্পৃক্ত করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জাতিসংঘ শান্তি বার্তাবাহক, খাদ্য ও কৃষি সংস্থা, এইচআইভি ও এইডস্‌ কর্মসূচী, পরিবেশ কার্যক্রম, ইউএনডিপি, [[ইউনেস্কো]], ইউনোডিসি, ইউএনএফপিএ, জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশন, ইউনিসেফ, ইউনিডো, ইউনিফেম, বিশ্ব খাদ্য সংস্থা, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা প্রমূখ প্রতিষ্ঠান বা সংস্থাগুলো তাদের কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য শুভেচ্ছা দূত হিসেবে সময়ে সময়ে বিখ্যাত ব্যক্তিত্বকে নিয়োগ করে থাকে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==আরও দেখুন==&lt;br /&gt;
*[[জাতিসংঘের মহাসচিব]]&lt;br /&gt;
*[[জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ]]&lt;br /&gt;
*[[জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ]]&lt;br /&gt;
*[[জাতিসংঘে বাংলাদেশ]]&lt;br /&gt;
*[[জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থাসমূহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==টীকা==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==তথ্যসূত্র==&lt;br /&gt;
{{সূত্র তালিকা}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==বহিঃসংযোগ==&lt;br /&gt;
*[https://bangladesh.un.org/bn জাতিসংঘ, বাংলাদেশের প্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট]&lt;br /&gt;
*[[২০০১ নোবেল পুরস্কার বিজয়ী]]&lt;br /&gt;
*[[নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী ২০০১-২০২৫]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:জাতিসংঘ]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৪৫-এ প্রতিষ্ঠিত]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী সংস্থা]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৪৫-এ প্রতিষ্ঠিত সংগঠন]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:চুক্তি অনুযায়ী প্রতিষ্ঠিত আন্তঃসরকারি সংস্থা]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:নিউইয়র্ক সিটি ভিত্তিক সংগঠন]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:শান্তি সংগঠন]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:শাখারভ পুরস্কার প্রাপক]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Duyel</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%98&amp;diff=15365</id>
		<title>জাতিসংঘ</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%98&amp;diff=15365"/>
		<updated>2026-09-17T20:43:39Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Duyel: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;[[চিত্র:UN building.jpg|right|thumb|220px|নিউ ইয়র্কে অবস্থিত জাতিসংঘ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;জাতিসংঘ&#039;&#039;&#039; বা &#039;&#039;&#039;রাষ্ট্রপুঞ্জ&#039;&#039;&#039; একটি [[আন্তর্জাতিক সংস্থা]], যার মূল উদ্দেশ্য হলো [[আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা]] বজায় রাখা। এটি বিশ্বের দেশগুলোর মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলতে, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়াতে এবং দেশগুলোর কার্যক্রমে সমন্বয় সাধন করতে কাজ করে। জাতিসংঘ বিশ্বের বৃহত্তম আন্তর্জাতিক সংস্থা। [[জাতিসংঘ সদর দপ্তর|এর প্রধান দপ্তর]] [[যুক্তরাষ্ট্র|যুক্তরাষ্ট্রের]] [[নিউ ইয়র্ক শহর|নিউ ইয়র্ক শহরে]] অবস্থিত। এছাড়াও [[জেনেভা]], [[নাইরোবি]], [[ভিয়েনা]] ও [[হেগ]] শহরে এর অন্যান্য দপ্তর আছে।&lt;br /&gt;
==ইতিহাস==&lt;br /&gt;
২৪ অক্টোবর ১৯৪৫ সালের ৫১টি রাষ্ট্র [[জাতিসংঘ সনদ]] স্বাক্ষর করে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠা করে। এটি [[লীগ অব নেশন্স|সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের]] স্থলাভিষিক্ত হয়, যা ১৯২০ সালে গঠিত হয়েছিল কিন্তু পরে বিলুপ্ত হয়। [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ|দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের]] পর যুদ্ধ প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে বিজয়ী মিত্র শক্তিগুলো জাতিসংঘ গঠনের উদ্যোগ নেয়। সেই সময়ের রাজনৈতিক বাস্তবতা এখনো জাতিসংঘের কাঠামোতে প্রতিফলিত হয়। [[জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ|নিরাপত্তা পরিষদের]] ৫টি স্থায়ী সদস্য দেশ হলো: [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র]], [[যুক্তরাজ্য]], [[ফ্রান্স]], [[রাশিয়া]] ও [[চীন]]। এদের প্রত্যেকের [[ভেটো]] দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে।  &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ|সাধারণ পরিষদ]], [[জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ|নিরাপত্তা পরিষদ]], [[জাতিসংঘ অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ|অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ]], [[জাতিসংঘ সচিবালয়|সচিবালয়]], [[জাতিসংঘ অছি পরিষদ|অছি পরিষদ]] এবং [[আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত|আন্তর্জাতিক আদালত]] জাতিসংঘের প্রধান অঙ্গ। এছাড়াও এর অধীনে [[বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা]], [[ইউনেস্কো]], [[ইউনিসেফ]]-এর মতো সংস্থাগুলো রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জাতিসংঘের প্রধান নির্বাহী হলেন মহাসচিব। ২০১৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে [[পর্তুগাল|পর্তুগালের]] রাজনীতিবিদ [[অ্যান্টোনিও গুতারেস|অ্যান্টোনিও গুতারেস]] এই দায়িত্ব পালন করছেন। জাতিসংঘের সব কাজের লক্ষ্য হলো বিশ্বজনগণের কল্যাণ সাধন ও মানুষের জীবনমান উন্নয়ন করা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==সদস্যরাষ্ট্র==&lt;br /&gt;
[[চিত্র:United Nations (Member States and Territories).svg|thumb|center|500px|বিশ্ব মানচিত্রে জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রসমূহ (নীল রঙে চিহ্নিত)]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অক্টোবর ২০১৬ অনুযায়ী জাতিসংঘের সদস্য সংখ্যা ১৯৩টি। এর মধ্যে ২টি দেশ পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র হিসেবে অন্তর্ভুক্ত।&amp;lt;ref&amp;gt;[http://www.un.org/depts/dhl/unms/whatisms.shtml &amp;quot;What are Member States?&amp;quot;. United Nations.]&amp;lt;/ref&amp;gt; তবে কিছু ব্যতিক্রম আছে, যেমন [[তাইওয়ান]] (প্রজাতন্ত্রী চীন নামে পরিচিত) এবং [[ভ্যাটিকান সিটি]]। এছাড়াও কিছু অস্বীকৃত অঞ্চল, যেমন ট্রান্সনিস্ট্রিয়া ও উত্তর সাইপ্রাসের তুর্কি প্রজাতন্ত্র, জাতিসংঘের সদস্য নয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জাতিসংঘে যোগদানকারী সর্বশেষ দেশ হলো [[দক্ষিণ সুদান]]। এটি ২০১১ সালের ১৪ জুলাই ১৯৩তম সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে জাতিসংঘে যোগ দেয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[চিত্র:United Nations HQ - New York City.jpg|right|thumb|নিউইয়র্ক শহরে জাতিসংঘের সদর দপ্তর।]] এটি ১৬ একর জমিতে ১৯৪৯ হতে ১৯৫০ সালের মধ্যে নির্মাণ করা হয়। ভবনটি [[ইস্ট নদী|ইস্ট নদীর]] তীরে অবস্থিত। সদর দপ্তর স্থাপনের জমি কেনার জন্য [[জন ডি রকফেলার জুনিয়র]] ৮.৫ মিলিয়ন ডলার ব্যয় করেন। তিনি জাতিসংঘকে এই জমি দান করেন। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সদর দপ্তরের মূল ভবনটির নকশা প্রণয়ন করে- [[লে করবুসিয়ে]], [[অস্কার নিয়েমেয়ার]]সহ আরো অনেক খ্যাতনামা স্থপতি। নেলসন রকফেলারের উপদেষ্টা [[ওয়ালেস কে হ্যারিসন]] এই স্থপতি দলের নেতৃত্ব দেন। আনুষ্ঠানিকভাবে সদর দপ্তরের উদ্বোধন হয় ১৯৫১ সালের [[জানুয়ারি ৯|৯ই জানুয়ারি]] তারিখে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সদর দপ্তর নিউইয়র্কে হলেও জাতিসংঘের বেশ কিছু অঙ্গ সংগঠনের প্রধান কার্যালয় [[সুইজারল্যান্ড]]ের [[জেনেভা]], [[নেদারল্যান্ডস]]ের [[হেগ]], [[অস্ট্রিয়া]]র [[ভিয়েনা]], [[কানাডা]]র [[মন্ট্রিয়ল]], [[ডেনমার্ক]]ের [[কোপেনহেগেন]], জার্মানীর [[বন]] ও অন্যত্র অবস্থিত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
:&lt;br /&gt;
:&lt;br /&gt;
:&lt;br /&gt;
[[নিরাপত্তা|নিরাপত্তার]] খাতিরে এই ঠিকানায় প্রেরিত সকল ধরনের চিঠিপত্র পরীক্ষণ-নিরীক্ষণসহ জীবাণুমুক্ত করা হয়।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি&lt;br /&gt;
  | লেখক = Information Technology Section&lt;br /&gt;
  | শিরোনাম = Security Notice&lt;br /&gt;
  | প্রকাশক = United Nations&lt;br /&gt;
  | তারিখ = 2001&lt;br /&gt;
  | ইউআরএল = http://www.un.org/aboutun/security_notice.htm&lt;br /&gt;
  | সংগ্রহের-তারিখ =  }}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জাতিসংঘের সদর দপ্তরের পুরানো ভবনের সংস্কার কার্য উপলক্ষে ম্যানহাটানের ফার্স্ট অ্যাভিনিউতে [[ফুমিহিকো মাকি]]র নকশায় অস্থায়ী দপ্তর নির্মাণ করা হচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১৯৪৯ সালের আগে পর্যন্ত [[লন্ডন]] ও নিউইয়র্কের বিভিন্ন স্থানে জাতিসংঘের কার্যালয়ের অবস্থান ছিল।&amp;lt;ref name=&amp;quot;UNHeadquarters&amp;quot;&amp;gt;[http://www.un.org/geninfo/faq/factsheets/FS23.HTM The Story of United Nations Headquarters] &lt;br /&gt;
http://www.un.org, United Nations, Accessed September 20, 2006&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==উদ্দেশ্যসমূহ==&lt;br /&gt;
জাতিসংঘ একটি আন্তর্জাতিক তথা বিশ্ব প্রতিষ্ঠান। বিশ্বের যে কোনো স্বাধীন রাষ্ট্র জাতিসংঘের সদস্য হতে পারে।জাতিসংঘ কিছু মহৎ উদ্দেশ্য অর্জনের লক্ষ্যে গঠিত হয়েছে।জাতিসংঘ গঠনের সাতটি লক্ষ ও উদ্দেশ্য হচ্ছে-&lt;br /&gt;
*বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা।&lt;br /&gt;
*বিভিন্ন জাতি তথা দেশের মধ্যে সম্প্রীতি স্থাপন করা।&lt;br /&gt;
*অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে বিভিন্ন দেশের মধ্যে সহযোগিতা গড়ে তোলা।&lt;br /&gt;
*জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সবার স্বাধীনতা ও মৌলিক অধিকারের প্রতি সম্মান গড়ে তোলা।&lt;br /&gt;
*বিভিন্ন দেশের মধ্যে বিদ্যমান বিবাদ মীমাংসা করা।&lt;br /&gt;
*প্রত্যেক জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকারের স্বীকৃতি ও তার সমুন্নত রাখা, এবং&lt;br /&gt;
*উদ্দেশ্যসমূহ বাস্তবায়নের জন্য জাতিসংঘের কার্যধারা অনুসরণ করা ৷&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
উদ্দেশ্যগুলো বাস্তবায়নের জন্য জাতিসংঘ তার ছয়টি শাখার মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের কাজ করে থাকে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==ভাষা==&lt;br /&gt;
জাতিসংঘের ছয়টি দাপ্তরিক ভাষাগুলে হলো [[আরবি ভাষা|আরবি]], [[চীনা ভাষা|চীনা]], [[ইংরেজি ভাষা|ইংরেজি]], [[ফরাসি ভাষা|ফরাসি]], [[রুশ ভাষা|রুশ]] এবং [[স্পেনীয় ভাষা]]।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.un.org/Depts/DGACM/faq_languages.htm|শিরোনাম=What are the official languages of the United Nations?|প্রকাশক=United Nations|ভাষা=English|সংগ্রহের-তারিখ=2006-12-23}}&amp;lt;/ref&amp;gt; জাতিসংঘের সচিবালয়ে যে দুটি ভাষা ব্যবহৃত হয় তা হলো [[ইংরেজি ভাষা|ইংরেজি]] ও [[ফরাসি ভাষা|ফরাসি]]। জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষাগুলোর মধ্যে [[ইংরেজি ভাষা|ইংরেজি]] ৫৪টি সদস্য দেশের সরকারি ভাষা। [[ফরাসি ভাষা|ফরাসি]] হলো ২৯টি দেশের, [[আরবি ভাষা|আরবি]] ২৪টি দেশের, [[স্পেনীয় ভাষা|স্পেনীয়]] ২১টি দেশের, [[রুশ ভাষা|রুশ]] ১০টি দেশের, এবং [[চীনা ভাষা]] ৪টি দেশের সরকারি ভাষা। এছাড়াও জাতিসংঘে কিছু প্রস্তাবিত দাপ্তরিক ভাষা হলো [[বাংলা ভাষা|বাংলা]], [[হিন্দি ভাষা|হিন্দি]], [[জার্মান ভাষা|জার্মান]], [[পর্তুগিজ ভাষা|পর্তুগিজ]], [[মালয় ভাষা|মালয়]], [[তুর্কি ভাষা|তুর্কি]], [[জাপানি ভাষা|জাপানি]], [[সোয়াহিলি ভাষা|সোয়াহিলি]] ইত্যাদি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==অঙ্গসংস্থাসমূহ==&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;জাতিসংঘের প্রধান অঙ্গসংস্থা বা অঙ্গসংগঠন রয়েছে মোট ৬টি।&#039;&#039;&#039;এগুলো হলো &lt;br /&gt;
*[[জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ|সাধারণ পরিষদ]],&lt;br /&gt;
*[[জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ|নিরাপত্তা পরিষদ]]&lt;br /&gt;
*[[জাতিসংঘ অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ|অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ]]&lt;br /&gt;
*[[জাতিসংঘ অছি পরিষদ|অছি পরিষদ]]&lt;br /&gt;
*[[আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত|আন্তর্জাতিক আদালত]]&lt;br /&gt;
*[[জাতিসংঘ সচিবালয়|সচিবালয়]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;জাতিসংঘের অংগসংগঠনের সংক্ষিপ্ত পরিচয়ঃ&#039;&#039;&#039;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;১. সাধারণ পরিষদঃ&#039;&#039;&#039;&lt;br /&gt;
[[চিত্র:UN_General_Assembly.jpg|থাম্ব|জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ]]&lt;br /&gt;
জাতিসংঘের সকল রাষ্ট্রই এর সদস্য। প্রতিটি সদস্য রাষ্ট্রের ১টি ভোটাধিকার রয়েছে।সাধারণ সভায় ৫ জন প্রতিনিধি প্রতিটি সাধারণ সভায় একটিদেশের প্রতিনিধিত্ব করতে পারে।সেপ্টেম্বর মাসের তৃতীয় মঙ্গলবার সাধারণসভার বার্ষিক অধিবেশন শুরু হয়।১০টি অস্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র নির্বাচন এবং ECOSOC এর ৫৪ জন সদস্য নির্বাচন করে। সভাপতির কার্যকাল ১ বছর।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;২. নিরাপত্তাপরিষদঃ&#039;&#039;&#039;&lt;br /&gt;
[[চিত্র:United_Nations_Security_Council.jpg|থাম্ব|জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ]]&lt;br /&gt;
*নিরাপত্তা পরিষদ প্রতিষ্ঠাকালীন (১৯৬৫ সালের পূর্ব পর্যন্ত) সদস্য- ১১টি।&lt;br /&gt;
*নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য নির্বাচিত হয়- ২বছরের জন্য।&lt;br /&gt;
*নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্থাব বাস্তবায়নের জন্য- ৯টি সদস্যরাষ্ট্রের সম্মতির প্রয়োজন (৫টি স্থায়ী ও ৪টি অস্থায়ী)&lt;br /&gt;
*নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য- (স্থায়ী- ৫, অস্থায়ী-১০)&lt;br /&gt;
*নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়- ১মাসের জন্য।&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;Veto&#039;&#039; শব্দটি ল্যাটিন; এর শব্দগত অর্থ ‘আমিমানিনা’।&lt;br /&gt;
*ভেটো- কোন প্রস্থাবে স্থায়ী সদস্যদের ‘না’ বলার সাংবিধানিক অধিকার, নিরাপত্তা পরিষদের সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য কমপক্ষে ৯টি ভোটের প্রয়োজন (স্থায়ী ৫টি ও অস্থায়ী ৪টি), ৫টি স্থায়ী সদস্যের ভেটো ক্ষমতা আছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য সমূহ-&#039;&#039;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য (ভেটো ক্ষমতা সম্পন্ন) দেশ রয়েছে ৫টি।এগুলো হলো- ১.যুক্তরাষ্ট্র ২.যুক্তরাজ্য ৩.ফ্রান্স ৪. রাশিয়া ৫. চীন। নিরাপত্তা পরিষদের আরো ১০টি অস্থায়ী সদস্য রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;৩. অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদঃ&#039;&#039;&#039; &lt;br /&gt;
[[চিত্র:UN_Economic_and_Social_Council.jpg|থাম্ব|জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ]]&lt;br /&gt;
এটিকে জাতিসংঘ পরিবার বলা হয়। বর্তমান সদস্য ৫৪ এবং সদস্য রাষ্ট্রের মেয়াদ তিন বছর। প্রতি বছর ১৮টি দেশ অবসর এবং নতুন ১৮টি দেশ অন্তর্ভূক্ত হয়।বছরে ২ বার অধিবেশন বসে। যথা- জেনেভাতে। এ পরিষদের ৫টি আঞ্চলিক কমিটি আছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;(ক)&#039;&#039;&#039; ESCAP- Economic and social Commission for Asia and pacific.&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;সদর দপ্তরঃ ব্যাংকক (থাইল্যান্ড) (১৯৪৭)&#039;&#039;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;(খ)&#039;&#039;&#039; ECA- Economic Commission For Africa.&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;সদর দপ্তরঃ আদ্দিস-আবাবা (ইথিওপিয়া) (১৯৫৮)&#039;&#039;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;(গ)&#039;&#039;&#039; ECE- Economic Commission For Europe.&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;সদর দপ্তরঃ জেনেভা (সুইজারল্যান্ড) (১৯৪৭)&#039;&#039;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;(ঘ)&#039;&#039;&#039; ECLAC- Economic Commission For Latin American and Carabian.&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;সদর দপ্তরঃ সান্টিয়াগো (চিলি) (১৯৪৮)&#039;&#039;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;(ঙ)&#039;&#039;&#039; ESCWA- Economic and Social Commission For Western Asia.&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;সদরদপ্তরঃ বৈরুত (লেবানন) (১৯৪৭)&#039;&#039;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;৪. অছিপরিষদঃ&#039;&#039;&#039; &lt;br /&gt;
[[চিত্র:UN_Trusteeship_Council.jpg|থাম্ব|জাতিসংঘের অছি পরিষদ]]&lt;br /&gt;
নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী রাষ্ট্র এর সদস্য। ট্রাস্ট বা সাহায্য ভূক্তসমূহের রক্ষনাবেক্ষণ ,এদের নিয়ন্ত্রণ এ পরিচালিত হয়।জাতিসংঘের মাধ্যমে নাউরু, নিউগিনি, রুয়ান্ডা, বুরুন্ডি, ক্যামেরুন স্বাধীনতা পায়।১৯৯৪ সালে পালাউ এর স্বাধীনতা প্রাপ্তির মাধ্যমে সকল অছিভুক্ত দেশ স্বাধীনতা লাভ করেছে।বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের প্যাসিফিক আইল্যান্ড একমাত্র অছিপরিষদভুক্ত অঞ্চল।১৯৯৪সালের পর অছিপরিষদের কার্যক্রম স্থগিত রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;৫. আন্তর্জাতিক আদালতঃ&#039;&#039;&#039; &lt;br /&gt;
[[চিত্র:International Court of Justice HQ 2006.jpg|থাম্ব|জাতিসংঘ দ্বারা পরিচালিত আন্তর্জাতিক আদালত]]&lt;br /&gt;
৩ এপ্রিল ১৯৪৬ থেকে এর কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।১৫জন বিচারপতি নিয়ে জাতিসংঘের আওতায় এর কার্যক্রম পরিচালিত। বিচারকদের কার্যকাল ৯ বছর।একটি দেশ থেকে কেবল একজন বিচারক একই সময়ে বিচারক নিযুক্ত হতে পারে। রোজালিনহ্যাগিন্স (টক) এই আদালতের প্রথম মহিলা বিচারপতি।সভাপতির মেয়াদকাল ৩ বৎসর। নেদারল্যান্ডের দ্যা হেগে এর প্রধান সদরদপ্তর।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;৬. সচিবালয়ঃ&#039;&#039;&#039; &lt;br /&gt;
[[চিত্র:United_Nations_Secretariat_building_in_june_2007.jpg|থাম্ব|জাতিসংঘ সচিবালয়ের ভবন]]&lt;br /&gt;
সকল প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু সচিবালয় মহাসচিব নিযুক্তির ক্ষেত্রে পরিষদের দুই তৃতীয়াংশ ভোটে মহাসচিব ৫ বৎসরের জন্য নির্বাচিত হন। এর ইউরোপীয় সদরদপ্তর জেনেভা।জাতিসংঘ সচিবালয় যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থিত। এর প্রধানের উপাধি হলো সেক্রেটারিজেনারেল বা মহাসচিব।এর দপ্তর সংখ্যা ৮টি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==মহাসচিব==&lt;br /&gt;
[[চিত্র:António Guterres 2021.jpg|থাম্ব|জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিব [[আন্তোনিও গুতেরেস]]]]&lt;br /&gt;
জাতিসংঘের প্রধান হিসেবে রয়েছেন [[জাতিসংঘের মহাসচিব|মহাসচিব]]।  জাতিসংঘ সনদের ৯৭ অনুচ্ছেদ মোতাবেক মহাসচিবকে “প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা” হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ঐ সনদে আরো বলা হয়েছে যে, মহাসচিব যে-কোন বিশ্ব শান্তিভঙ্গের আশঙ্কা ও নিরাপত্তার খাতিরে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের লক্ষ্যে নিরাপত্তা পরিষদে প্রস্তাব আনতে পারবেন। মহাসচিব পদটি দ্বৈত ভূমিকার অধিকারী - জাতিসংঘের প্রশাসক এবং কুটনৈতিক ও মধ্যস্থতাকারী হিসেবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ|নিরাপত্তা পরিষদের]] সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুসারে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ মহাসচিব নিযুক্ত করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পদের মেয়াদ সম্পর্কে নির্দিষ্ট কোন নীতিমালা নেই। কিন্তু পূর্ব থেকেই এক বা দুই মেয়াদে ৫ বছরের জন্য ভৌগোলিক চক্রাবর্তে মহাসচিব পদে মনোনীত করার বিধান চলে আসছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
{| class=&amp;quot;wikitable&amp;quot; style=&amp;quot;font-size:90%; text-align:left;&amp;quot;&lt;br /&gt;
|+ style=&amp;quot;padding-top:1em;&amp;quot; |জাতিসংঘ মহাসচিবদের তালিকা&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|শিরোনাম=Former Secretaries-General &amp;amp;#124; United Nations Secretary-General|ইউআরএল=https://www.un.org/sg/en/content/former-secretaries-general|সংগ্রহের-তারিখ=2022-06-29|ওয়েবসাইট=www.un.org}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
!ক্রমিক নং!!নাম!!যে দেশে জন্ম নিয়েছেন!!কার্যভার গ্রহণ!!কার্যভার প্রদান!!মন্তব্য&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|(১)||[[ট্রিগভে হাভডেন লি|ট্রিগভে লি]]||{{পতাকা|নরওয়ে}}||২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪৬||১০ নভেম্বর, ১৯৫২||পদত্যাগ; ১ম মহাসচিব: স্ক্যান্ডিনেভিয়া দেশ থেকে&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|(২)||[[দগ হামারহোল্ড|ডগ হামারশোল্ড]]||{{পতাকা|সুইডেন}}||১০ এপ্রিল, ১৯৫৩||১৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৬১||কর্মরত অবস্থায় মৃত্যু। শান্তিতে নোবেলজয়ী&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|(৩)||[[উ থান্ট]]||{{পতাকা|মিয়ানমার}}||৩০ নভেম্বর, ১৯৬১||১ জানুয়ারি, ১৯৭২||[[এশিয়া]] থেকে নির্বাচিত ১ম মহাসচিব&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|(৪)||[[কার্ট ওয়াল্ডহেইম|কুর্ট ওয়াল্ডহেইম]]||{{পতাকা|অস্ট্রিয়া}}||১ জানুয়ারি, ১৯৭২||১ জানুয়ারি, ১৯৮২||&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|(৫)||[[হাভিয়ের পেরেস দে কুয়েইয়ার]]||{{পতাকা|পেরু}}||১ জানুয়ারি, ১৯৮২||১ জানুয়ারি, ১৯৯২||আমেরিকা থেকে নির্বাচিত ১ম মহাসচিব&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|(৬)||[[বুট্রোস বুট্রোস-ঘালি]]||{{পতাকা|মিশর}}||১ জানুয়ারি, ১৯৯২||১ জানুয়ারি, ১৯৯৭||আফ্রিকা থেকে নির্বাচিত ১ম মহাসচিব&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|(৭)||[[কফি আন্নান]]||{{পতাকা|ঘানা}}||১ জানুয়ারি, ১৯৯৭||১ জানুয়ারি, ২০০৭||মুসলিম মহাসচিব। নোবেলজয়ী&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|(৮)||[[বান কি মুন]]||{{পতাকা|দক্ষিণ কোরিয়া}}||১ জানুয়ারি, ২০০৭||৩১ ডিসেম্বর, ২০১৬||২য় এশীয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|(৯)||[[আন্তোনিও গুতেরেস|অ্যান্টোনিও গুতেরেস]]||{{পতাকা|পর্তুগাল}}||১ জানুয়ারি, ২০১৭||-||UNHCR সাবেক মহাসচিব&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==শুভেচ্ছা দূত==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জাতিসংঘ তার সদস্যভূক্ত দেশগুলোর মাঝে নির্দিষ্ট লক্ষ্য, উদ্দেশ্য, পরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে [[শুভেচ্ছা দূত]] নিয়োগ করে থাকে। শুভেচ্ছা দূতের মধ্যে - বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় নেতা, [[খেলোয়াড়]], চলচ্চিত্র তারকা প্রমুখ পেশাজীবিদেরকে সম্পৃক্ত করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জাতিসংঘ শান্তি বার্তাবাহক, খাদ্য ও কৃষি সংস্থা, এইচআইভি ও এইডস্‌ কর্মসূচী, পরিবেশ কার্যক্রম, ইউএনডিপি, [[ইউনেস্কো]], ইউনোডিসি, ইউএনএফপিএ, জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশন, ইউনিসেফ, ইউনিডো, ইউনিফেম, বিশ্ব খাদ্য সংস্থা, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা প্রমূখ প্রতিষ্ঠান বা সংস্থাগুলো তাদের কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য শুভেচ্ছা দূত হিসেবে সময়ে সময়ে বিখ্যাত ব্যক্তিত্বকে নিয়োগ করে থাকে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==আরও দেখুন==&lt;br /&gt;
*[[জাতিসংঘের মহাসচিব]]&lt;br /&gt;
*[[জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ]]&lt;br /&gt;
*[[জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ]]&lt;br /&gt;
*[[জাতিসংঘে বাংলাদেশ]]&lt;br /&gt;
*[[জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থাসমূহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==টীকা==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==তথ্যসূত্র==&lt;br /&gt;
{{সূত্র তালিকা}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==বহিঃসংযোগ==&lt;br /&gt;
*[https://bangladesh.un.org/bn জাতিসংঘ, বাংলাদেশের প্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট]&lt;br /&gt;
*[[২০০১ নোবেল পুরস্কার বিজয়ী]]&lt;br /&gt;
*[[নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী ২০০১-২০২৫]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:জাতিসংঘ]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৪৫-এ প্রতিষ্ঠিত]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী সংস্থা]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৪৫-এ প্রতিষ্ঠিত সংগঠন]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:চুক্তি অনুযায়ী প্রতিষ্ঠিত আন্তঃসরকারি সংস্থা]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:নিউইয়র্ক সিটি ভিত্তিক সংগঠন]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:শান্তি সংগঠন]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:শাখারভ পুরস্কার প্রাপক]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Duyel</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%98&amp;diff=15364</id>
		<title>জাতিসংঘ</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%98&amp;diff=15364"/>
		<updated>2026-09-17T20:42:34Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Duyel: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;[[চিত্র:UN building.jpg|right|thumb|220px|নিউ ইয়র্কে অবস্থিত জাতিসংঘ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;জাতিসংঘ&#039;&#039;&#039; বা &#039;&#039;&#039;রাষ্ট্রপুঞ্জ&#039;&#039;&#039; একটি [[আন্তর্জাতিক সংস্থা]], যার মূল উদ্দেশ্য হলো [[আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা]] বজায় রাখা। এটি বিশ্বের দেশগুলোর মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলতে, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়াতে এবং দেশগুলোর কার্যক্রমে সমন্বয় সাধন করতে কাজ করে। জাতিসংঘ বিশ্বের বৃহত্তম আন্তর্জাতিক সংস্থা। [[জাতিসংঘ সদর দপ্তর|এর প্রধান দপ্তর]] [[যুক্তরাষ্ট্র|যুক্তরাষ্ট্রের]] [[নিউ ইয়র্ক শহর|নিউ ইয়র্ক শহরে]] অবস্থিত। এছাড়াও [[জেনেভা]], [[নাইরোবি]], [[ভিয়েনা]] ও [[হেগ]] শহরে এর অন্যান্য দপ্তর আছে।&lt;br /&gt;
==ইতিহাস==&lt;br /&gt;
২৪ অক্টোবর ১৯৪৫ সালের ৫১টি রাষ্ট্র [[জাতিসংঘ সনদ]] স্বাক্ষর করে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠা করে। এটি [[লীগ অব নেশন্স|সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের]] স্থলাভিষিক্ত হয়, যা ১৯২০ সালে গঠিত হয়েছিল কিন্তু পরে বিলুপ্ত হয়। [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ|দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের]] পর যুদ্ধ প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে বিজয়ী মিত্র শক্তিগুলো জাতিসংঘ গঠনের উদ্যোগ নেয়। সেই সময়ের রাজনৈতিক বাস্তবতা এখনো জাতিসংঘের কাঠামোতে প্রতিফলিত হয়। [[জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ|নিরাপত্তা পরিষদের]] ৫টি স্থায়ী সদস্য দেশ হলো: [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র]], [[যুক্তরাজ্য]], [[ফ্রান্স]], [[রাশিয়া]] ও [[চীন]]। এদের প্রত্যেকের [[ভেটো]] দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে।  &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ|সাধারণ পরিষদ]], [[জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ|নিরাপত্তা পরিষদ]], [[জাতিসংঘ অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ|অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ]], [[জাতিসংঘ সচিবালয়|সচিবালয়]], [[জাতিসংঘ অছি পরিষদ|অছি পরিষদ]] এবং [[আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত|আন্তর্জাতিক আদালত]] জাতিসংঘের প্রধান অঙ্গ। এছাড়াও এর অধীনে [[বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা]], [[ইউনেস্কো]], [[ইউনিসেফ]]-এর মতো সংস্থাগুলো রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জাতিসংঘের প্রধান নির্বাহী হলেন মহাসচিব। ২০১৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে [[পর্তুগাল|পর্তুগালের]] রাজনীতিবিদ [[অ্যান্টোনিও গুতারেস|অ্যান্টোনিও গুতারেস]] এই দায়িত্ব পালন করছেন। জাতিসংঘের সব কাজের লক্ষ্য হলো বিশ্বজনগণের কল্যাণ সাধন ও মানুষের জীবনমান উন্নয়ন করা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==সদস্যরাষ্ট্র==&lt;br /&gt;
[[চিত্র:United Nations (Member States and Territories).svg|thumb|center|500px|বিশ্ব মানচিত্রে জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রসমূহ (নীল রঙে চিহ্নিত)]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অক্টোবর ২০১৬ অনুযায়ী জাতিসংঘের সদস্য সংখ্যা ১৯৩টি। এর মধ্যে ২টি দেশ পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র হিসেবে অন্তর্ভুক্ত।&amp;lt;ref&amp;gt;[http://www.un.org/depts/dhl/unms/whatisms.shtml &amp;quot;What are Member States?&amp;quot;. United Nations.]&amp;lt;/ref&amp;gt; তবে কিছু ব্যতিক্রম আছে, যেমন [[তাইওয়ান]] (প্রজাতন্ত্রী চীন নামে পরিচিত) এবং [[ভ্যাটিকান সিটি]]। এছাড়াও কিছু অস্বীকৃত অঞ্চল, যেমন ট্রান্সনিস্ট্রিয়া ও উত্তর সাইপ্রাসের তুর্কি প্রজাতন্ত্র, জাতিসংঘের সদস্য নয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জাতিসংঘে যোগদানকারী সর্বশেষ দেশ হলো [[দক্ষিণ সুদান]]। এটি ২০১১ সালের ১৪ জুলাই ১৯৩তম সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে জাতিসংঘে যোগ দেয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==সদর দপ্তর==&lt;br /&gt;
[[চিত্র:United Nations HQ - New York City.jpg|right|thumb|নিউইয়র্ক শহরে জাতিসংঘের সদর দপ্তর।]]&lt;br /&gt;
জাতিসংঘের সদর দপ্তর [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|যুক্তরাষ্ট্রের]] নিউইয়র্ক শহরে অবস্থিত। এটি ১৬ একর জমিতে ১৯৪৯ হতে ১৯৫০ সালের মধ্যে নির্মাণ করা হয়। ভবনটি [[ইস্ট নদী|ইস্ট নদীর]] তীরে অবস্থিত। সদর দপ্তর স্থাপনের জমি কেনার জন্য [[জন ডি রকফেলার জুনিয়র]] ৮.৫ মিলিয়ন ডলার ব্যয় করেন। তিনি জাতিসংঘকে এই জমি দান করেন। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সদর দপ্তরের মূল ভবনটির নকশা প্রণয়ন করে- [[লে করবুসিয়ে]], [[অস্কার নিয়েমেয়ার]]সহ আরো অনেক খ্যাতনামা স্থপতি। নেলসন রকফেলারের উপদেষ্টা [[ওয়ালেস কে হ্যারিসন]] এই স্থপতি দলের নেতৃত্ব দেন। আনুষ্ঠানিকভাবে সদর দপ্তরের উদ্বোধন হয় ১৯৫১ সালের [[জানুয়ারি ৯|৯ই জানুয়ারি]] তারিখে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সদর দপ্তর নিউইয়র্কে হলেও জাতিসংঘের বেশ কিছু অঙ্গ সংগঠনের প্রধান কার্যালয় [[সুইজারল্যান্ড]]ের [[জেনেভা]], [[নেদারল্যান্ডস]]ের [[হেগ]], [[অস্ট্রিয়া]]র [[ভিয়েনা]], [[কানাডা]]র [[মন্ট্রিয়ল]], [[ডেনমার্ক]]ের [[কোপেনহেগেন]], জার্মানীর [[বন]] ও অন্যত্র অবস্থিত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
:&lt;br /&gt;
:&lt;br /&gt;
:&lt;br /&gt;
[[নিরাপত্তা|নিরাপত্তার]] খাতিরে এই ঠিকানায় প্রেরিত সকল ধরনের চিঠিপত্র পরীক্ষণ-নিরীক্ষণসহ জীবাণুমুক্ত করা হয়।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি&lt;br /&gt;
  | লেখক = Information Technology Section&lt;br /&gt;
  | শিরোনাম = Security Notice&lt;br /&gt;
  | প্রকাশক = United Nations&lt;br /&gt;
  | তারিখ = 2001&lt;br /&gt;
  | ইউআরএল = http://www.un.org/aboutun/security_notice.htm&lt;br /&gt;
  | সংগ্রহের-তারিখ =  }}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জাতিসংঘের সদর দপ্তরের পুরানো ভবনের সংস্কার কার্য উপলক্ষে ম্যানহাটানের ফার্স্ট অ্যাভিনিউতে [[ফুমিহিকো মাকি]]র নকশায় অস্থায়ী দপ্তর নির্মাণ করা হচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১৯৪৯ সালের আগে পর্যন্ত [[লন্ডন]] ও নিউইয়র্কের বিভিন্ন স্থানে জাতিসংঘের কার্যালয়ের অবস্থান ছিল।&amp;lt;ref name=&amp;quot;UNHeadquarters&amp;quot;&amp;gt;[http://www.un.org/geninfo/faq/factsheets/FS23.HTM The Story of United Nations Headquarters] &lt;br /&gt;
http://www.un.org, United Nations, Accessed September 20, 2006&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==উদ্দেশ্যসমূহ==&lt;br /&gt;
জাতিসংঘ একটি আন্তর্জাতিক তথা বিশ্ব প্রতিষ্ঠান। বিশ্বের যে কোনো স্বাধীন রাষ্ট্র জাতিসংঘের সদস্য হতে পারে।জাতিসংঘ কিছু মহৎ উদ্দেশ্য অর্জনের লক্ষ্যে গঠিত হয়েছে।জাতিসংঘ গঠনের সাতটি লক্ষ ও উদ্দেশ্য হচ্ছে-&lt;br /&gt;
*বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা।&lt;br /&gt;
*বিভিন্ন জাতি তথা দেশের মধ্যে সম্প্রীতি স্থাপন করা।&lt;br /&gt;
*অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে বিভিন্ন দেশের মধ্যে সহযোগিতা গড়ে তোলা।&lt;br /&gt;
*জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সবার স্বাধীনতা ও মৌলিক অধিকারের প্রতি সম্মান গড়ে তোলা।&lt;br /&gt;
*বিভিন্ন দেশের মধ্যে বিদ্যমান বিবাদ মীমাংসা করা।&lt;br /&gt;
*প্রত্যেক জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকারের স্বীকৃতি ও তার সমুন্নত রাখা, এবং&lt;br /&gt;
*উদ্দেশ্যসমূহ বাস্তবায়নের জন্য জাতিসংঘের কার্যধারা অনুসরণ করা ৷&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
উদ্দেশ্যগুলো বাস্তবায়নের জন্য জাতিসংঘ তার ছয়টি শাখার মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের কাজ করে থাকে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==ভাষা==&lt;br /&gt;
জাতিসংঘের ছয়টি দাপ্তরিক ভাষাগুলে হলো [[আরবি ভাষা|আরবি]], [[চীনা ভাষা|চীনা]], [[ইংরেজি ভাষা|ইংরেজি]], [[ফরাসি ভাষা|ফরাসি]], [[রুশ ভাষা|রুশ]] এবং [[স্পেনীয় ভাষা]]।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.un.org/Depts/DGACM/faq_languages.htm|শিরোনাম=What are the official languages of the United Nations?|প্রকাশক=United Nations|ভাষা=English|সংগ্রহের-তারিখ=2006-12-23}}&amp;lt;/ref&amp;gt; জাতিসংঘের সচিবালয়ে যে দুটি ভাষা ব্যবহৃত হয় তা হলো [[ইংরেজি ভাষা|ইংরেজি]] ও [[ফরাসি ভাষা|ফরাসি]]। জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষাগুলোর মধ্যে [[ইংরেজি ভাষা|ইংরেজি]] ৫৪টি সদস্য দেশের সরকারি ভাষা। [[ফরাসি ভাষা|ফরাসি]] হলো ২৯টি দেশের, [[আরবি ভাষা|আরবি]] ২৪টি দেশের, [[স্পেনীয় ভাষা|স্পেনীয়]] ২১টি দেশের, [[রুশ ভাষা|রুশ]] ১০টি দেশের, এবং [[চীনা ভাষা]] ৪টি দেশের সরকারি ভাষা। এছাড়াও জাতিসংঘে কিছু প্রস্তাবিত দাপ্তরিক ভাষা হলো [[বাংলা ভাষা|বাংলা]], [[হিন্দি ভাষা|হিন্দি]], [[জার্মান ভাষা|জার্মান]], [[পর্তুগিজ ভাষা|পর্তুগিজ]], [[মালয় ভাষা|মালয়]], [[তুর্কি ভাষা|তুর্কি]], [[জাপানি ভাষা|জাপানি]], [[সোয়াহিলি ভাষা|সোয়াহিলি]] ইত্যাদি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==অঙ্গসংস্থাসমূহ==&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;জাতিসংঘের প্রধান অঙ্গসংস্থা বা অঙ্গসংগঠন রয়েছে মোট ৬টি।&#039;&#039;&#039;এগুলো হলো &lt;br /&gt;
*[[জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ|সাধারণ পরিষদ]],&lt;br /&gt;
*[[জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ|নিরাপত্তা পরিষদ]]&lt;br /&gt;
*[[জাতিসংঘ অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ|অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ]]&lt;br /&gt;
*[[জাতিসংঘ অছি পরিষদ|অছি পরিষদ]]&lt;br /&gt;
*[[আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত|আন্তর্জাতিক আদালত]]&lt;br /&gt;
*[[জাতিসংঘ সচিবালয়|সচিবালয়]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;জাতিসংঘের অংগসংগঠনের সংক্ষিপ্ত পরিচয়ঃ&#039;&#039;&#039;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;১. সাধারণ পরিষদঃ&#039;&#039;&#039;&lt;br /&gt;
[[চিত্র:UN_General_Assembly.jpg|থাম্ব|জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ]]&lt;br /&gt;
জাতিসংঘের সকল রাষ্ট্রই এর সদস্য। প্রতিটি সদস্য রাষ্ট্রের ১টি ভোটাধিকার রয়েছে।সাধারণ সভায় ৫ জন প্রতিনিধি প্রতিটি সাধারণ সভায় একটিদেশের প্রতিনিধিত্ব করতে পারে।সেপ্টেম্বর মাসের তৃতীয় মঙ্গলবার সাধারণসভার বার্ষিক অধিবেশন শুরু হয়।১০টি অস্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র নির্বাচন এবং ECOSOC এর ৫৪ জন সদস্য নির্বাচন করে। সভাপতির কার্যকাল ১ বছর।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;২. নিরাপত্তাপরিষদঃ&#039;&#039;&#039;&lt;br /&gt;
[[চিত্র:United_Nations_Security_Council.jpg|থাম্ব|জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ]]&lt;br /&gt;
*নিরাপত্তা পরিষদ প্রতিষ্ঠাকালীন (১৯৬৫ সালের পূর্ব পর্যন্ত) সদস্য- ১১টি।&lt;br /&gt;
*নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য নির্বাচিত হয়- ২বছরের জন্য।&lt;br /&gt;
*নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্থাব বাস্তবায়নের জন্য- ৯টি সদস্যরাষ্ট্রের সম্মতির প্রয়োজন (৫টি স্থায়ী ও ৪টি অস্থায়ী)&lt;br /&gt;
*নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য- (স্থায়ী- ৫, অস্থায়ী-১০)&lt;br /&gt;
*নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়- ১মাসের জন্য।&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;Veto&#039;&#039; শব্দটি ল্যাটিন; এর শব্দগত অর্থ ‘আমিমানিনা’।&lt;br /&gt;
*ভেটো- কোন প্রস্থাবে স্থায়ী সদস্যদের ‘না’ বলার সাংবিধানিক অধিকার, নিরাপত্তা পরিষদের সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য কমপক্ষে ৯টি ভোটের প্রয়োজন (স্থায়ী ৫টি ও অস্থায়ী ৪টি), ৫টি স্থায়ী সদস্যের ভেটো ক্ষমতা আছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য সমূহ-&#039;&#039;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য (ভেটো ক্ষমতা সম্পন্ন) দেশ রয়েছে ৫টি।এগুলো হলো- ১.যুক্তরাষ্ট্র ২.যুক্তরাজ্য ৩.ফ্রান্স ৪. রাশিয়া ৫. চীন। নিরাপত্তা পরিষদের আরো ১০টি অস্থায়ী সদস্য রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;৩. অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদঃ&#039;&#039;&#039; &lt;br /&gt;
[[চিত্র:UN_Economic_and_Social_Council.jpg|থাম্ব|জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ]]&lt;br /&gt;
এটিকে জাতিসংঘ পরিবার বলা হয়। বর্তমান সদস্য ৫৪ এবং সদস্য রাষ্ট্রের মেয়াদ তিন বছর। প্রতি বছর ১৮টি দেশ অবসর এবং নতুন ১৮টি দেশ অন্তর্ভূক্ত হয়।বছরে ২ বার অধিবেশন বসে। যথা- জেনেভাতে। এ পরিষদের ৫টি আঞ্চলিক কমিটি আছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;(ক)&#039;&#039;&#039; ESCAP- Economic and social Commission for Asia and pacific.&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;সদর দপ্তরঃ ব্যাংকক (থাইল্যান্ড) (১৯৪৭)&#039;&#039;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;(খ)&#039;&#039;&#039; ECA- Economic Commission For Africa.&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;সদর দপ্তরঃ আদ্দিস-আবাবা (ইথিওপিয়া) (১৯৫৮)&#039;&#039;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;(গ)&#039;&#039;&#039; ECE- Economic Commission For Europe.&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;সদর দপ্তরঃ জেনেভা (সুইজারল্যান্ড) (১৯৪৭)&#039;&#039;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;(ঘ)&#039;&#039;&#039; ECLAC- Economic Commission For Latin American and Carabian.&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;সদর দপ্তরঃ সান্টিয়াগো (চিলি) (১৯৪৮)&#039;&#039;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;(ঙ)&#039;&#039;&#039; ESCWA- Economic and Social Commission For Western Asia.&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;সদরদপ্তরঃ বৈরুত (লেবানন) (১৯৪৭)&#039;&#039;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;৪. অছিপরিষদঃ&#039;&#039;&#039; &lt;br /&gt;
[[চিত্র:UN_Trusteeship_Council.jpg|থাম্ব|জাতিসংঘের অছি পরিষদ]]&lt;br /&gt;
নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী রাষ্ট্র এর সদস্য। ট্রাস্ট বা সাহায্য ভূক্তসমূহের রক্ষনাবেক্ষণ ,এদের নিয়ন্ত্রণ এ পরিচালিত হয়।জাতিসংঘের মাধ্যমে নাউরু, নিউগিনি, রুয়ান্ডা, বুরুন্ডি, ক্যামেরুন স্বাধীনতা পায়।১৯৯৪ সালে পালাউ এর স্বাধীনতা প্রাপ্তির মাধ্যমে সকল অছিভুক্ত দেশ স্বাধীনতা লাভ করেছে।বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের প্যাসিফিক আইল্যান্ড একমাত্র অছিপরিষদভুক্ত অঞ্চল।১৯৯৪সালের পর অছিপরিষদের কার্যক্রম স্থগিত রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;৫. আন্তর্জাতিক আদালতঃ&#039;&#039;&#039; &lt;br /&gt;
[[চিত্র:International Court of Justice HQ 2006.jpg|থাম্ব|জাতিসংঘ দ্বারা পরিচালিত আন্তর্জাতিক আদালত]]&lt;br /&gt;
৩ এপ্রিল ১৯৪৬ থেকে এর কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।১৫জন বিচারপতি নিয়ে জাতিসংঘের আওতায় এর কার্যক্রম পরিচালিত। বিচারকদের কার্যকাল ৯ বছর।একটি দেশ থেকে কেবল একজন বিচারক একই সময়ে বিচারক নিযুক্ত হতে পারে। রোজালিনহ্যাগিন্স (টক) এই আদালতের প্রথম মহিলা বিচারপতি।সভাপতির মেয়াদকাল ৩ বৎসর। নেদারল্যান্ডের দ্যা হেগে এর প্রধান সদরদপ্তর।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;৬. সচিবালয়ঃ&#039;&#039;&#039; &lt;br /&gt;
[[চিত্র:United_Nations_Secretariat_building_in_june_2007.jpg|থাম্ব|জাতিসংঘ সচিবালয়ের ভবন]]&lt;br /&gt;
সকল প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু সচিবালয় মহাসচিব নিযুক্তির ক্ষেত্রে পরিষদের দুই তৃতীয়াংশ ভোটে মহাসচিব ৫ বৎসরের জন্য নির্বাচিত হন। এর ইউরোপীয় সদরদপ্তর জেনেভা।জাতিসংঘ সচিবালয় যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থিত। এর প্রধানের উপাধি হলো সেক্রেটারিজেনারেল বা মহাসচিব।এর দপ্তর সংখ্যা ৮টি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==মহাসচিব==&lt;br /&gt;
[[চিত্র:António Guterres 2021.jpg|থাম্ব|জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিব [[আন্তোনিও গুতেরেস]]]]&lt;br /&gt;
জাতিসংঘের প্রধান হিসেবে রয়েছেন [[জাতিসংঘের মহাসচিব|মহাসচিব]]।  জাতিসংঘ সনদের ৯৭ অনুচ্ছেদ মোতাবেক মহাসচিবকে “প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা” হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ঐ সনদে আরো বলা হয়েছে যে, মহাসচিব যে-কোন বিশ্ব শান্তিভঙ্গের আশঙ্কা ও নিরাপত্তার খাতিরে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের লক্ষ্যে নিরাপত্তা পরিষদে প্রস্তাব আনতে পারবেন। মহাসচিব পদটি দ্বৈত ভূমিকার অধিকারী - জাতিসংঘের প্রশাসক এবং কুটনৈতিক ও মধ্যস্থতাকারী হিসেবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ|নিরাপত্তা পরিষদের]] সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুসারে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ মহাসচিব নিযুক্ত করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পদের মেয়াদ সম্পর্কে নির্দিষ্ট কোন নীতিমালা নেই। কিন্তু পূর্ব থেকেই এক বা দুই মেয়াদে ৫ বছরের জন্য ভৌগোলিক চক্রাবর্তে মহাসচিব পদে মনোনীত করার বিধান চলে আসছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
{| class=&amp;quot;wikitable&amp;quot; style=&amp;quot;font-size:90%; text-align:left;&amp;quot;&lt;br /&gt;
|+ style=&amp;quot;padding-top:1em;&amp;quot; |জাতিসংঘ মহাসচিবদের তালিকা&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|শিরোনাম=Former Secretaries-General &amp;amp;#124; United Nations Secretary-General|ইউআরএল=https://www.un.org/sg/en/content/former-secretaries-general|সংগ্রহের-তারিখ=2022-06-29|ওয়েবসাইট=www.un.org}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
!ক্রমিক নং!!নাম!!যে দেশে জন্ম নিয়েছেন!!কার্যভার গ্রহণ!!কার্যভার প্রদান!!মন্তব্য&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|(১)||[[ট্রিগভে হাভডেন লি|ট্রিগভে লি]]||{{পতাকা|নরওয়ে}}||২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪৬||১০ নভেম্বর, ১৯৫২||পদত্যাগ; ১ম মহাসচিব: স্ক্যান্ডিনেভিয়া দেশ থেকে&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|(২)||[[দগ হামারহোল্ড|ডগ হামারশোল্ড]]||{{পতাকা|সুইডেন}}||১০ এপ্রিল, ১৯৫৩||১৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৬১||কর্মরত অবস্থায় মৃত্যু। শান্তিতে নোবেলজয়ী&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|(৩)||[[উ থান্ট]]||{{পতাকা|মিয়ানমার}}||৩০ নভেম্বর, ১৯৬১||১ জানুয়ারি, ১৯৭২||[[এশিয়া]] থেকে নির্বাচিত ১ম মহাসচিব&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|(৪)||[[কার্ট ওয়াল্ডহেইম|কুর্ট ওয়াল্ডহেইম]]||{{পতাকা|অস্ট্রিয়া}}||১ জানুয়ারি, ১৯৭২||১ জানুয়ারি, ১৯৮২||&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|(৫)||[[হাভিয়ের পেরেস দে কুয়েইয়ার]]||{{পতাকা|পেরু}}||১ জানুয়ারি, ১৯৮২||১ জানুয়ারি, ১৯৯২||আমেরিকা থেকে নির্বাচিত ১ম মহাসচিব&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|(৬)||[[বুট্রোস বুট্রোস-ঘালি]]||{{পতাকা|মিশর}}||১ জানুয়ারি, ১৯৯২||১ জানুয়ারি, ১৯৯৭||আফ্রিকা থেকে নির্বাচিত ১ম মহাসচিব&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|(৭)||[[কফি আন্নান]]||{{পতাকা|ঘানা}}||১ জানুয়ারি, ১৯৯৭||১ জানুয়ারি, ২০০৭||মুসলিম মহাসচিব। নোবেলজয়ী&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|(৮)||[[বান কি মুন]]||{{পতাকা|দক্ষিণ কোরিয়া}}||১ জানুয়ারি, ২০০৭||৩১ ডিসেম্বর, ২০১৬||২য় এশীয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|(৯)||[[আন্তোনিও গুতেরেস|অ্যান্টোনিও গুতেরেস]]||{{পতাকা|পর্তুগাল}}||১ জানুয়ারি, ২০১৭||-||UNHCR সাবেক মহাসচিব&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==শুভেচ্ছা দূত==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জাতিসংঘ তার সদস্যভূক্ত দেশগুলোর মাঝে নির্দিষ্ট লক্ষ্য, উদ্দেশ্য, পরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে [[শুভেচ্ছা দূত]] নিয়োগ করে থাকে। শুভেচ্ছা দূতের মধ্যে - বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় নেতা, [[খেলোয়াড়]], চলচ্চিত্র তারকা প্রমুখ পেশাজীবিদেরকে সম্পৃক্ত করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জাতিসংঘ শান্তি বার্তাবাহক, খাদ্য ও কৃষি সংস্থা, এইচআইভি ও এইডস্‌ কর্মসূচী, পরিবেশ কার্যক্রম, ইউএনডিপি, [[ইউনেস্কো]], ইউনোডিসি, ইউএনএফপিএ, জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশন, ইউনিসেফ, ইউনিডো, ইউনিফেম, বিশ্ব খাদ্য সংস্থা, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা প্রমূখ প্রতিষ্ঠান বা সংস্থাগুলো তাদের কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য শুভেচ্ছা দূত হিসেবে সময়ে সময়ে বিখ্যাত ব্যক্তিত্বকে নিয়োগ করে থাকে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==আরও দেখুন==&lt;br /&gt;
*[[জাতিসংঘের মহাসচিব]]&lt;br /&gt;
*[[জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ]]&lt;br /&gt;
*[[জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ]]&lt;br /&gt;
*[[জাতিসংঘে বাংলাদেশ]]&lt;br /&gt;
*[[জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থাসমূহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==টীকা==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==তথ্যসূত্র==&lt;br /&gt;
{{সূত্র তালিকা}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==বহিঃসংযোগ==&lt;br /&gt;
*[https://bangladesh.un.org/bn জাতিসংঘ, বাংলাদেশের প্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট]&lt;br /&gt;
*[[২০০১ নোবেল পুরস্কার বিজয়ী]]&lt;br /&gt;
*[[নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী ২০০১-২০২৫]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:জাতিসংঘ]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৪৫-এ প্রতিষ্ঠিত]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী সংস্থা]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৪৫-এ প্রতিষ্ঠিত সংগঠন]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:চুক্তি অনুযায়ী প্রতিষ্ঠিত আন্তঃসরকারি সংস্থা]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:নিউইয়র্ক সিটি ভিত্তিক সংগঠন]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:শান্তি সংগঠন]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:শাখারভ পুরস্কার প্রাপক]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Duyel</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%B6_%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A4&amp;diff=15363</id>
		<title>ব্রিটিশ ভারত</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%B6_%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A4&amp;diff=15363"/>
		<updated>2026-09-17T20:38:33Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Duyel: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;&#039;&#039;&#039;ব্রিটিশ ভারত&#039;&#039;&#039; একটি শব্দ যা  ভারতীয় উপমহাদেশের সেই অঞ্চলগুলিকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা ১৮৫৮ থেকে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত সময়কালে ব্রিটিশ শাসনের অধীনে ছিল।&amp;lt;ref&amp;gt;Oxford English Dictionary, 2nd edition, 1989. &amp;quot;b. spec. the British dominion or rule in the Indian sub-continent (before 1947). In full, &#039;&#039;British raj&#039;&#039;.&amp;lt;/ref&amp;gt;&amp;lt;ref&amp;gt;{{বই উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://books.google.com/books?id=QY4zdTDwMAQC&amp;amp;pg=GBS.PA107|শিরোনাম=A History of India|শেষাংশ=Stein|প্রথমাংশ=Burton|তারিখ=2010-02-04|বছর=|প্রকাশক=John Wiley &amp;amp; Sons|অবস্থান=|পাতাসমূহ=১০৭|ভাষা=en|আইএসবিএন=978-1-4443-2351-1}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&amp;lt;ref&amp;gt;{{বই উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://books.google.com/books?id=UMMECgAAQBAJ&amp;amp;pg=PT71|শিরোনাম=The Intimacies of Four Continents|শেষাংশ=Lowe|প্রথমাংশ=Lisa|তারিখ=2015-06-27|বছর=|প্রকাশক=Duke University Press|অবস্থান=|পাতাসমূহ=৭১|ভাষা=en|আইএসবিএন=978-0-8223-7564-7}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&amp;lt;ref&amp;gt;{{বই উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://books.google.com/books?id=POAwBwAAQBAJ&amp;amp;pg=PA537|শিরোনাম=A Dictionary of World History|শেষাংশ=Wright|প্রথমাংশ=Thomas Edmund Farnsworth|শেষাংশ২=Kerr|প্রথমাংশ২=Anne|শেষাংশ৩=Wright|প্রথমাংশ৩=Edmund|তারিখ=2015|বছর=|প্রকাশক=Oxford University Press|অবস্থান=|পাতাসমূহ=৫৩৭|ভাষা=en|আইএসবিএন=978-0-19-968569-1}}&amp;lt;/ref&amp;gt; বর্তমানে [[ভারত]], [[বাংলাদেশ]] ও [[পাকিস্তান]] রাষ্ট্রে বিভক্ত ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের এই অংশের মধ্যে অন্তর্গত ছিল প্রত্যক্ষভাবে [[যুক্তরাজ্য|ব্রিটিশ]]-শাসিত [[ভারতের প্রদেশ|প্রদেশ]] &amp;lt;ref&amp;gt;First the [[United Kingdom of Great Britain and Ireland]] then, after 1927, the [[United Kingdom of Great Britain and Northern Ireland]]&amp;lt;/ref&amp;gt; ও ব্রিটিশ সার্বভৌমত্বের অধীনে আদিবাসী শাসকদের দ্বারা শাসিত অঞ্চলগুলি, যেগুলোকে [[দেশীয় রাজ্য|করদ রাজ্য]] বলা হতো। ১৮৭৬ সালে সমগ্র অঞ্চলটিকে সরকারিভাবে &#039;&#039;&#039;ভারতীয় সাম্রাজ্য&#039;&#039;&#039; নামে অভিহিত করা হয় এবং এই নামেই পাসপোর্ট ইস্যু করা হতে থাকে। &#039;&#039;ভারত&#039;&#039; নামে এই দেশ [[সম্মিলিত জাতিপুঞ্জ]] ও [[জাতিসংঘ|জাতিসংঘের]] প্রতিষ্ঠাতাকালীন সদস্য। এই নামেই ভারত [[১৯২০ গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকে ভারত|১৯০০]], [[১৯২০ গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকে ভারত|১৯২০]], [[১৯২৮ গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকে ভারত|১৯২৮]], [[১৯৩২ গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকে ভারত|১৯৩২]] ও [[১৯৩৬ গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক|১৯৩৬]] সালের গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকে অংশগ্রহণ করে।&amp;lt;ref&amp;gt;{{বই উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://books.google.com/books?id=DJkOAQAAMAAJ|শিরোনাম=Constitutional relations between Britain and India|শেষাংশ=Mansergh|প্রথমাংশ=Nicholas|বছর=|প্রকাশক=H.M.S.O|অবস্থান=|পাতাসমূহ=xxx|ভাষা=en|আইএসবিএন=}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১৮৫৮ সালে ভারতের [[ভারতে কোম্পানি শাসন|শাসনভার]] [[ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি|ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির]] হাত থেকে ব্রিটিশ রাজশক্তির হাতে স্থানান্তরিত হয়। [[রাণী ভিক্টোরিয়া]] নিজ হস্তে ভারতের শাসনভার তুলে নেন। এর সঙ্গে সঙ্গে ভারতে আনুষ্ঠানিকভাবে ব্রিটিশ ভারতীয় সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৮৭৬ সালে ভিক্টোরিয়া ভারত সম্রাজ্ঞী উপাধি গ্রহণ করেন। ১৯৪৮ সালে ব্রিটিশ ভারতীয় সাম্রাজ্য [[ভারতীয় অধিরাজ্য]] (পরবর্তীকালে [[ভারতীয় প্রজাতন্ত্র]]) ও [[পাকিস্তান অধিরাজ্য]] (পরবর্তীকালে [[পাকিস্তান]]) নামে দুটি অধিরাজ্যে [[ভারত বিভাগ|বিভক্ত]] হলে ভারতে ব্রিটিশ শাসনের অবসান ঘটে। ১৯৩৭ সালে [[বার্মায় ব্রিটিশ শাসন|ব্রহ্মদেশকে]] (বর্তমানে [[মিয়ানমার]]) ভারত থেকে বিচ্ছিন্ন করা হয়েছিল। ১৯৪৮ সালে এই দেশ স্বাধীনতা অর্জন করে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==পাদটীকা==&lt;br /&gt;
{{সূত্র তালিকা|colwidth=30em}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==তথ্যসূত্র ও অতিরিক্ত পাঠ==&lt;br /&gt;
{{div col}}&lt;br /&gt;
===আধুনিক সাধারণ পাঠ্যপুস্তক===&lt;br /&gt;
*{{Citation | last1=Bandyopadhyay| first1=Sekhar| year=2004| title=From Plassey to Partition: A History of Modern India| place=| publisher=New Delhi and London: Orient Longmans. Pp. xx, 548.| isbn=8125025960}}.&lt;br /&gt;
*{{Citation| last1=Bose| first1=Sugata| authorlink1=Sugata Bose| last2=Jalal| first2=Ayesha| authorlink2=Ayesha Jalal| year=2003| title=Modern South Asia: History, Culture, Political Economy| place=| publisher=London and New York: Routledge, 2nd edition. Pp. xiii, 304| isbn=0415307872}}.&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
===মনোগ্রাফ ও সংগ্রহ===&lt;br /&gt;
*{{Citation | last = Anderson | first = Clare | year = 2007 | title = Indian Uprising of 1857–8: Prisons, Prisoners and Rebellion | publisher = New York: Anthem Press, Pp. 217 | isbn = 9781843312499 | url = http://atlantis.terrassl.net/anthempress.com/product_info.php?cPath=52&amp;amp;products_id=293&amp;amp;osCsid=9a2s9o8mdu8066m551rr407123 | সংগ্রহের-তারিখ = ৫ সেপ্টেম্বর ২০১০ | আর্কাইভের-ইউআরএল = https://web.archive.org/web/20090211011055/http://atlantis.terrassl.net/anthempress.com/product_info.php?cPath=52&amp;amp;products_id=293&amp;amp;osCsid=9a2s9o8mdu8066m551rr407123 | আর্কাইভের-তারিখ = ১১ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ | অকার্যকর-ইউআরএল = হ্যাঁ }}&lt;br /&gt;
*{{Citation | last = Ansari | first = Sarah | year = 2005 | title = Life after Partition: Migration, Community and Strife in Sindh: 1947–1962 | publisher = Oxford and London: Oxford University Press, Pp. 256 | isbn = ISBN 0-19-597834-X}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
===পত্রিকা নিবন্ধ ও সংগ্রহ===&lt;br /&gt;
*{{Citation | last1 = Banthia | first1 = Jayant | last2 = Dyson | first2 = Tim | year = 1999 | title = Smallpox in Nineteenth-Century India | journal = Population and Development Review | volume = 25 | issue = 4 | pages = 649–689 | url = http://links.jstor.org/sici?sici=0098-7921%28199912%2925%3A4%3C649%3ASINI%3E2.0.CO%3B2-K }}&lt;br /&gt;
*{{Citation | last1=Brown | first1=Judith M. | chapter=India | pages = 421–446 | year=2001 | editor1-last=Brown | editor1-first=Judith M. | editor2-last=Louis | editor2-first=Wm. Roger | title=Oxford History of the British Empire: The Twentieth Century | publisher=Oxford and New York: Oxford University Press | isbn=0199246793 }}&lt;br /&gt;
*{{Citation | last = Goswami | first = Manu | year = 1998 | title = From Swadeshi to Swaraj: Nation, Economy, Territory in Colonial South Asia, 1870 to 1907 | journal = Comparative Studies in Society and History | volume = 40 | issue = 4 | pages = 609–636 | url = http://links.jstor.org/sici?sici=0010-4175%28199810%2940%3A4%3C609%3AFSTSNE%3E2.0.CO%3B2-Q }}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
===ধ্রুপদি ইতিহাস ও গেজেট===&lt;br /&gt;
*{{Citation | last = Imperial Gazetteer of India vol. II | first = | title = The Indian Empire, Historical | publisher = Published under the authority of His Majesty&#039;s [[India Office|Secretary of State for India in Council]], Oxford at the Clarendon Press. Pp. xxxv, 1 map, 573. | year = 1908}}&lt;br /&gt;
*{{Citation | last = Imperial Gazetteer of India vol. III | first = | title = The Indian Empire, Economic (Chapter X: Famine, pp. 475–502 | publisher = Published under the authority of His Majesty&#039;s Secretary of State for India in Council, Oxford at the Clarendon Press. Pp. xxxvi, 1 map, 520. | year = 1907}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
===তৃতীয় সূত্র===&lt;br /&gt;
*{{Citation | last1=Oldenburg | first1=Philip | chapter=[http://encarta.msn.com/encyclopedia_761557562_13/India.html#S133 &amp;quot;India: Movement for Freedom&amp;quot;] | year=2007 | editor1-last= | editor1-first= | editor2-last= | editor2-first= | title=Encarta Encyclopedia | url= | isbn= }}. [https://web.archive.org/web/20091028104618/http://encarta.msn.com/encyclopedia_761557562_13/India.html Archived] 2009-10-31.&lt;br /&gt;
*{{Citation | last1=Wolpert | first1=Stanley | chapter=[http://www.britannica.com/eb/article-47042/India India: British Imperial Power 1858-1947 (Indian nationalism and the British response, 1885-1920; Prelude to Independence, 1920-1947)] | year=2007 | title=Encyclopædia Britannica | url= | isbn= }}.&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
===সম্পর্কিত রচনাবলি===&lt;br /&gt;
*Bairoch, Paul, &#039;&#039;Economics and World History&#039;&#039;, [[University of Chicago Press]], 1995&lt;br /&gt;
*Bhatia, B. M., &#039;&#039;Famines in India: A study in Some Aspects of the Economic History of India with Special Reference to Food Problem&#039;&#039;, Delhi: Konark Publishers Pvt. Ltd, 1985&lt;br /&gt;
{{div col end}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==আরও দেখুন==&lt;br /&gt;
*[[ফরাসী ভারত]]&lt;br /&gt;
*[[পর্তুগীজ ভারত]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==বহিঃসংযোগ==&lt;br /&gt;
*[http://www.sscnet.ucla.edu/southasia/History/British/BrIndia.html ওয়েবসাইট: ব্রিটিশ ভারত]&lt;br /&gt;
*[https://web.archive.org/web/20100919003056/http://www.britishempirehistory.com/pages/3.html ব্রিটিশ রাজের ভারত একত্রীকরন]&lt;br /&gt;
*[[:s:The New Student&#039;s Reference Work/India|The New Student&#039;s Reference Work/India]] (১৯১৪)&lt;br /&gt;
*[http://www.imagesofempire.com/ রাজকীয় চিত্রসংগ্রহশালা ও গ্রন্থাগার, ব্রিষ্টল, যুক্তরাজ্য] {{ওয়েব আর্কাইভ|ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20210224152959/http://www.imagesofempire.com/ |তারিখ=২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১ }}&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:সাম্রাজ্য]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:ব্রিটিশ ভারত]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:১৮৫৮-এ ব্রিটিশ ভারতে প্রতিষ্ঠিত]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৪৭-এ বিলুপ্ত রাষ্ট্র ও অঞ্চল]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশ ও কমনওয়েলথ অব নেশন্স]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:এশিয়ায় প্রাক্তন ব্রিটিশ উপনিবেশ ও আশ্রিত রাজ্য]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:ভারত ও কমনওয়েলথ অব নেশনস]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতের সাম্রাজ্য ও রাজ্য]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Duyel</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%A2%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE_%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%AF%E0%A6%BC&amp;diff=15362</id>
		<title>ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%A2%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE_%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%AF%E0%A6%BC&amp;diff=15362"/>
		<updated>2026-09-17T20:38:13Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Duyel: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&#039;&#039;&#039; (ঢাবি) [[ঢাকা|ঢাকায়]] অবস্থিত [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশের]] সর্বপ্রথম [[সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়|সরকারি]] স্বায়ত্তশাসিত [[গবেষণাধর্মী বিশ্ববিদ্যালয়|বিশ্ববিদ্যালয়]]। ১৯২১ সালে তদানীন্তন [[ব্রিটিশ ভারত|ব্রিটিশ ভারতে]] [[অক্সব্রিজ]] শিক্ষা ব্যবস্থা অনুসরণে এটি স্থাপিত হয়।  ১ জুলাই  ১৯২১ সালে থেকে এর শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|শেষাংশ=হাওলাদার|প্রথমাংশ=আসিফ|ভাষা=bn|শিরোনাম=গৌরবোজ্জ্বল অতীত নিয়ে শতবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়|ইউআরএল=https://www.prothomalo.com/bangladesh/%E0%A6%97%E0%A7%8C%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A7%8B%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%B2-%E0%A6%85%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A6%A4-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%B6%E0%A6%A4%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A7%87-%E0%A6%A2%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%9F|সংগ্রহের-তারিখ=2022-05-21|ওয়েবসাইট=[[দৈনিক প্রথম আলো]]}}&amp;lt;/ref&amp;gt; সূচনালগ্নে ছাত্র-শিক্ষকদের প্রচেষ্টায় কঠোরভাবে মান নিয়ন্ত্রিত হবার প্রেক্ষাপটে এটি &amp;quot;প্রাচ্যের অক্সফোর্ড&amp;quot; নামে খ্যাতি লাভ করে।&amp;lt;ref name=&amp;quot;বাংলাপিডিয়া&amp;quot;&amp;gt;{{বই উদ্ধৃতি|লেখক=মিয়া, সাজাহান |অধ্যায়=ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় |ইউআরএল=https://bn.banglapedia.org/index.php/%E0%A6%A2%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE_%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%AF%E0%A6%BC |শিরোনাম=বাংলাপিডিয়া: বাংলাদেশের জাতীয় জ্ঞানকোষ |সম্পাদক=ইসলাম, সিরাজুল |প্রকাশক=[[বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি]]|সংগ্রহের-তারিখ=২৯ জুন ২০২১}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&amp;lt;ref&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি |ইউআরএল=https://samakal.com/todays-print-edition/tp-editorial-comments/article/1507150498/%E0%A6%A2%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%A8-%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AD%E0%A6%AC |শিরোনাম=ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিবর্তন সম্ভব? |লেখক=ড. খুরশিদ আলম |তারিখ=২২ জুলাই ২০১৫ |কর্ম=[[দৈনিক সমকাল]] |সংগ্রহের-তারিখ=সেপ্টেম্বর ১২, ২০১৯ |আর্কাইভের-তারিখ=২ মে ২০২০ |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20200502150738/https://samakal.com/todays-print-edition/tp-editorial-comments/article/1507150498/%E0%A6%A2%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%A8-%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AD%E0%A6%AC |ইউআরএল-অবস্থা=অকার্যকর }}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==তথ্যসূত্র==&lt;br /&gt;
{{সূত্র তালিকা}}&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:১৯২১-এ প্রতিষ্ঠিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Duyel</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A3%E0%A6%AB%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A7%80_%E0%A6%A8%E0%A6%A6%E0%A7%80&amp;diff=15361</id>
		<title>কর্ণফুলী নদী</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A3%E0%A6%AB%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A7%80_%E0%A6%A8%E0%A6%A6%E0%A7%80&amp;diff=15361"/>
		<updated>2026-09-17T20:35:55Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Duyel: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;&#039;&#039;&#039;কর্ণফুলি নদী&#039;&#039;&#039; ([[মিজো ভাষা|মিজো]] ভাষায় &#039;&#039;খাওৎলাং তুইপুই&#039;&#039; যার অর্থ &amp;quot;পশ্চিম নদী&amp;quot; এবং চাকমা ভাষায় বোরগাং, যার অর্থ &amp;quot;বড় নদী&amp;quot;) বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব অংশে প্রবাহিত [[চট্টগ্রাম|চট্টগ্রামের]] ও [[পার্বত্য চট্টগ্রাম|পার্বত্য চট্টগ্রামের]] বৃহত্তম এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ৬৬৭-মিটার (২,১৮৮-ফুট) প্রশস্ত একটি নদী।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==ব্যুৎপত্তি==&lt;br /&gt;
[[চট্টগ্রামের ইতিহাস|চট্টগ্রামের ইতিহাসে]] আরব ব্যবসায়ী ও বণিকদের উপস্থিতির কারণে চট্টগ্রামের অনেক এলাকায় আরবি বংশোদ্ভূত নাম রয়েছে। &#039;&#039;কর্ণফুল&#039;&#039; থেকে এই নদীর নাম এসেছে বলে মনে করা হয়। আরবিতে যার অর্থ &#039;&#039;[[লবঙ্গ]]&#039;&#039; এবং এটি এমন একটি ঘটনাকে নির্দেশ করে যেখানে লবঙ্গ ভরা একটি আরব জাহাজ এই নদীতে ডুবে যায়।{{sfn|চৌধুরী|১৯৮০|pp=২৪}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
===নামের ইতিকথা===&lt;br /&gt;
কর্ণফুলি নদীর নামের উৎস সম্পর্কে বিভিন্ন কাহিনী প্রচলিত আছে। কথিত আছে যে, আরাকানের এক রাজকন্যা চট্টগ্রামের এক পাহাড়ি রাজপুত্রের প্রেমে পড়েন। এক জ্যোৎস্নাস্নাত রাতে তারা দুইজন এই নদীতে নৌভ্রমণ উপভোগ করছিলেন। নদীর পানিতে চাঁদের প্রতিফলন দেখার সময় রাজকন্যার কানে গোঁজা একটি ফুল পানিতে পড়ে যায়। ফুলটি হারিয়ে কাতর রাজকন্যা সেটা উদ্ধারের জন্য পানিতে ঝাঁপিয়ে পড়েন। কিন্তু প্রবল স্রোতে রাজকন্যা ভেসে যান, তার আর খোঁজ পাওয়া যায় নি। রাজপুত্র রাজকন্যাকে বাঁচাতে পানিতে লাফ দেন, কিন্তু সফল হন নি। রাজকন্যার শোকে রাজপুত্র পানিতে ডুবে আত্মাহুতি দেন। এই করুণ কাহিনী থেকেই নদীটির নাম হয় &#039;&#039;কর্ণফুলী&#039;&#039;। জাতীয় কবি [[কাজী নজরুল ইসলাম|কাজী নজরুল ইসলামে]]&amp;lt;nowiki/&amp;gt;র &#039;কর্ণফুলী&#039; কাব্য হতে নামকরণের এ ঘটনা সম্পর্কে আরো স্পষ্ট হওয়া যায়। যেথায় তিনি লিখেছেন,&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
{{cquote|ওগো ও কর্ণফুলী&amp;lt;br/&amp;gt;&lt;br /&gt;
তোমার সলিলে পড়েছিল কবে কার কানফুল খুলি&amp;lt;br/&amp;gt;&lt;br /&gt;
তোমার স্রোতের উজান ঠেলিয়া কোন তরুণী, কে জানে&amp;lt;br/&amp;gt;&lt;br /&gt;
সাম্পান নায়ে ফিরেছিল তার দয়িতের সন্ধানে।&amp;lt;br/&amp;gt;&lt;br /&gt;
আনমনে তার খুলে গেলো খোঁপা, কান- ফুল গেল খুলি।&amp;lt;br/&amp;gt;&lt;br /&gt;
সে ফুল যতনে পড়িয়া কর্ণে, হলে কি কর্ণফুলী?}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এছাড়া মনে করা হয় আরবি শব্দ করণফোল থেকেও কর্ণফুলী নামটি এসেছে। চট্টগ্রামের বিজ্ঞমুসলমান পণ্ডিতগণের মতে, আরব বণিকেরা চট্টগ্রামের পার্বত্য অঞ্চল থেকে লবঙ্গ নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় রপ্তানি করতো। আরবিতে লবঙ্গকে বলা হয় করণফোল। একদিন এই করণফোল বোঝাই জাহাজ নদীতে ডুবে যায়। এই ঘটনা থেকেই এই নদী করণফোল নামে পরিচিত হল। কিন্তু চট্টগ্রামবাসীর মুখে এই নাম পরিবর্তিত হয়ে কর্ণফুলী নামে পরিচিত হয়।&amp;lt;ref&amp;gt;{{বই উদ্ধৃতি |শিরোনাম=শহর চট্টগ্রামের ইতিকথা |অধ্যায়= নদীর নাম কর্ণফুলী |লেখক=আব্দুল হক চৌধুরী| প্রকাশক=কথামালা প্রকাশনা |পাতা=৭৪ |সংস্করণ=১ম |সংগ্রহের-তারিখ=২৮ এপ্রিল ২০২৩}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মধ্যযুগীয় পুঁথিতে নদীটিকে &#039;&#039;&#039;কাঁইচা খাল&#039;&#039;&#039; লিখা হয়েছে, মার্মা উপজাতিদের কাছে নদীটির নাম &#039;&#039;&#039;কান্সা খিওং&#039;&#039;&#039; এবং মিজোরামে কর্ণফুলীর নাম &#039;&#039;&#039;[[:en:Khawthlangtuipui River|খাওৎলাং তুইপুই]]&#039;&#039;&#039;।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==প্রবাহ==&lt;br /&gt;
কর্ণফুলী নদী [[ভারত|ভারতের]] [[মিজোরাম|মিজোরাম প্রদেশের]] [[মমিত|মমিত জেলার]] শৈতা গ্রাম ([[লুসাই পাহাড়]]) হতে শুরু হয়ে [[পার্বত্য চট্টগ্রাম]] ও চট্টগ্রামের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে চট্টগ্রামের [[পতেঙ্গা]]র কাছে বঙ্গোপসাগরে মিলিত হয়েছে। এই নদীর মোহনাতে বাংলাদেশের প্রধান সমুদ্র বন্দর [[চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর]] অবস্থিত। এই নদীর দৈর্ঘ্য ৩২০ কিলোমিটার। [[রাঙ্গামাটি জেলা]]র [[বরকল উপজেলা]]র [[থেগা নদী]]র মোহনা বা ঠেগামুখ হতে বড় হরিণার মুখ পর্যন্ত এই ৬ কিলোমিটার কর্ণফুলী ভারত বাংলাদেশের সীমানা নির্ধারণ করেছে। এই ছয় কিলোমিটার নদীর ডান পাশে [[ভারত]] এবং বাম পাশে [[বাংলাদেশ]]।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
===চট্টগ্রাম শহর===&lt;br /&gt;
[[চিত্র:PORT CTG TAZMEEM.JPG|থাম্ব|নদীর তীরে [[চট্টগ্রাম বন্দর]]]]&lt;br /&gt;
[[পার্বত্য চট্টগ্রাম]] ও [[বঙ্গোপসাগর|বঙ্গোপসাগরের]] মাঝখানে কর্ণফুলী নদীর তীরে চট্টগ্রাম অবস্থিত। শহরটি দক্ষিণ-পূর্ব বাংলাদেশের একটি উল্লেখযোগ্য সমুদ্রতীরবর্তী বন্দর নগরী এবং [[বাংলাদেশের অর্থনীতি|অর্থনৈতিক কেন্দ্রবিন্দু]]। বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকার জনসংখ্যা প্রায় ৮.৯ মিলিয়নেরও বেশি।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.chittagongchamber.com/elc.php|শিরোনাম=Economics Landscape of Chittagong|লেখক=E-Vision Software Limited|কর্ম=chittagongchamber.com|সংগ্রহের-তারিখ=১৩ আগস্ট ২০২৪|আর্কাইভের-তারিখ=৭ জানুয়ারি ২০১৯|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20190107000014/http://www.chittagongchamber.com/elc.php%20|ইউআরএল-অবস্থা=কার্যকর}}&amp;lt;/ref&amp;gt; বন্দরের পানির চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে কর্ণফুলী নদীর পানি ব্যবহারের জন্য [[চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ]] একটি পানি শোধনাগার স্থাপন করেছে।{{r|স্টার-চৌধুরী}} নদীটি চট্টগ্রাম শহরের [[পতেঙ্গা]]হয়ে বঙ্গোপসাগরে প্রবাহিত হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
===তলবুং===&lt;br /&gt;
তলবুং [[মিজোরাম|মিজোরামের]] [[লুংলেই জেলা|লুংলেই]] জেলার কর্ণফুলির তীরে অবস্থিত। কর্ণফুলী মিজোরামকে বঙ্গোপসাগরের তীরে চট্টগ্রামের বন্দর নগরীর সাথে যুক্ত করেছে। ঔপনিবেশিক আমলে মিজোরামে পৌঁছানোর জন্য ব্রিটিশ সৈন্য ও ধর্মপ্রচারকরা এই পথ ব্যবহার করত। মোটরবোটে চট্টগ্রাম থেকে তলবুং পর্যন্ত পৌঁছাতে ৫ দিন সময় লাগত, প্রায় ৯০ কিলোমিটার দূরত্ব তারপর তারা আরও ৩৫ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে লুংলেই পৌঁছাতেন।{{sfn|পাচুয়াউ|২০১৫|pp=১৫০}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==কর্ণফুলি নদীর চর==&lt;br /&gt;
[[চিত্র:শীতকালে কর্ণফুলি নদীতে ভাটার সময় জেগে উঠা চর.jpg|থাম্ব|শীতকালে নদীতে ভাটার সময় জেগে উঠা চর]]&lt;br /&gt;
১৮৮৩ সালে কর্ণফুলির মোহনায় সৃষ্টি হয় লুকিয়া চর। ১৮৭৭ সালে জুলদিয়া চ্যানেল। জুলদিয়া চ্যানেলটি আড়াই মাইল দীর্ঘ এবং দেড় মাইল প্রশস্ত। ১৯০১ সাল থেকে ১৯১৭ সালের মধ্যে পতেঙ্গা চ্যানেলটি জুলদিয়া চ্যানেল থেকে প্রায় দেড় হাজার ফুট পশ্চিমে সরে যায়। হালদা নদীর সাথে কর্ণফুলীর সংযোগ স্থলে আছে বিশাল চর। যা হালদা চর হিসাবে পরিচিত। নদীর প্রবাহের কিছু অংশ নাজিরচর ঘেঁষে, কিছু অংশ বালু চ্যানেলের মধ্যে দিয়ে এবং কিছু মুল স্রোত হিসেবে প্রবাহিত হচ্ছে। ১৯৩০ সালে কালুরঘাট রেলওয়ে সেতু নির্মাণের আগে নদীর মূল প্রবাহ প্রধানত কুলাগাঁও অভিমুখে বাম তীর ঘেষেই প্রবাহিত হত। [[কালুরঘাট সেতু]] হওয়ার পর সেতুর ডান দিকে আরও একটি প্রবাহের মুখ তৈরি হয়। ফলে নদীর মাঝ পথে সৃষ্টি হয় বিশাল একটি [[চর]]- যা কুলাগাঁও চর নামে পরিচিত।&amp;lt;ref&amp;gt;[http://www.dailysangram.com/news_details.php?news_id=47793, কর্ণফুলী নদী সংকুচিত হচ্ছে জেগে উঠছে অসংখ্য চর]{{অকার্যকর সংযোগ|তারিখ=ফেব্রুয়ারি ২০১৯ |bot=InternetArchiveBot |ঠিক করার প্রচেষ্টা=yes }}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==কাপ্তাই বাঁধ==&lt;br /&gt;
{{মূল নিবন্ধ|কাপ্তাই বাঁধ}}&lt;br /&gt;
কর্ণফুলি নদীর উপর বাঁধ দিয়ে [[রাঙামাটি জেলা]]র কাপ্তাই উপজেলায় [[কাপ্তাই বাঁধ]] তৈরি করা হয় ১৯৬৪ খ্রিস্টাব্দে। এই বাঁধে সঞ্চিত পানি ব্যবহার করে [[কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র|কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রে]] বিদ্যুৎ উৎপন্ন করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==জলজ জীবন==&lt;br /&gt;
নদীটি বিপন্ন প্রজাতির [[গঙ্গা নদী শুশুক|গঙ্গা নদী শুশুকের]] আবাসস্থল।{{r|worldwildlife}} আগে নদীতে [[ইলিশ]] পাওয়া যেত, কিন্তু দূষণের কারণে নদী থেকে ইলিশ প্রায় হারিয়ে গেছে।{{r|TDS-Roy}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==পরিবহন==&lt;br /&gt;
[[চিত্র:Karnafully Bridge CHittagong.jpg|থাম্ব| [[শাহ আমানত সেতু]]]]&lt;br /&gt;
১৯৩০ সালে ব্রিটিশ শাসনামলে কর্ণফুলী নদীর মোহনা হতে ৭/৮ মাইল উজানে কালুরঘাট নামক স্থানে [[কালুরঘাট সেতু|কালুরঘাট রেল সেতু]] নির্মিত হয়। এটি কর্ণফুলী নদীর দ্বারা দ্বিখন্ডিত বৃহত্তর চট্টগ্রাম জেলাকে উত্তর ও দক্ষিণাংশে সংযুক্ত করে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২০১১ সালে কর্ণফুলী নদীর উপর [[শাহ আমানত সেতু]] নির্মআন করা হয়। সেতুটি কর্ণফুলীর দক্ষিণ পাড়ের শিল্প এলাকায় শিল্পের বিকাশে সহায়ক হওয়ার পাশাপাশি, বান্দরবান এবং কক্সবাজারকে চট্টগ্রাম শহরের সাথে যুক্ত করে।&amp;lt;ref name=&amp;quot;এপিপি বাংলা&amp;quot;&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.appbangla.com/16/post/2010/09/63.html|শিরোনাম=প্রধানমন্ত্রী আজ তৃতীয় কর্ণফুলী সেতুসহ চার প্রকল্প উদ্বোধন করবেন|তারিখ=আগস্ট 9, 2010|প্রকাশক=এপিপি বাংলা}}{{অকার্যকর সংযোগ|তারিখ=এপ্রিল ২০১৯ |bot=InternetArchiveBot |ঠিক করার প্রচেষ্টা=yes }}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২০২৩ সালের অক্টোবরে কর্ণফুলী নদীর তলদেশে দুই লেনের [[কর্ণফুলী টানেল]] নির্মাণ করা হয়েছে, যেটি বাংলাদেশের প্রথম আন্ডারওয়াটার টানেল।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি |শিরোনাম=বঙ্গবন্ধু টানেলের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা |ইউআরএল=https://www.prothomalo.com/bangladesh/o23srmbnef |ওয়েবসাইট=প্রথম আলো |সংগ্রহের-তারিখ=২৮ অক্টোবর ২০২৩ |ভাষা=bn |তারিখ=২৮ অক্টোবর ২০২৩}}&amp;lt;/ref&amp;gt; সুড়ঙ্গটি [[বাংলাদেশ নেভাল একাডেমি]]র পাশ দিয়ে শুরু হয়ে নদীর দক্ষিণ পাড়ের [[আনোয়ারা উপজেলা|আনোয়ারা]] উপজেলার [[চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেড]] এবং [[কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড]] কারখানার মাঝামাঝি স্থানে নদীর দুই তীরের অঞ্চলকে যুক্ত করেছে। এই সুড়ঙ্গের মধ্য দিয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক যুক্ত হয়।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি |তারিখ=৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ |ভাষা=bn |শিরোনাম=বঙ্গবন্ধু টানেলের ৯৬ শতাংশ নির্মাণকাজ সম্পন্ন |ইউআরএল=https://www.prothomalo.com/bangladesh/ufq7w5a3ko |সংগ্রহের-তারিখ=১৩ জুলাই ২০২৩ |ওয়েবসাইট=প্রথম আলো}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==দূষণ==&lt;br /&gt;
বাংলাদেশের অনেক নদীর মতো কর্ণফুলীও শিল্প ও কৃষি প্রবাহের কারণে ব্যাপকভাবে দূষিত। ফলে উপলব্ধ অক্সিজেনের পরিমাণ হ্রাস এবং নদীর জলজ প্রাণীর ক্ষতি সাধিত হচ্ছে।{{r|স্টার-চৌধুরী}} ২০১৫ সালে, তেলবাহী একটি ট্রেন নদীর একটি উপনদীতে বিধ্বস্ত হলে নদীতে তেল ছড়িয়ে পড়ে [[পরিবেশের অবনতি]] ঘটায়।{{r|TDS-Spilled}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==জনপ্রিয় সংস্কৃতিতে প্রভাব==&lt;br /&gt;
কবি [[ওহীদুল আলম]] ১৯৪৬ সালে &#039;&#039;&#039;কর্ণফুলীর মাঝি&#039;&#039;&#039; নামে একটি কাহিনী-কাব্য রচনা করেন। ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, কবি [[আলাউদ্দিন আল আজাদ]] ১৯৬২ সালে রচনা করেন তার উপন্যাস &#039;&#039;&#039;কর্ণফুলী&#039;&#039;&#039;। জাতীয় কবি [[কাজী নজরুল ইসলাম]] তার কবিতায় লিখেছেন,&lt;br /&gt;
{{cquote|ওগো ও কর্ণফুলী&amp;lt;br/&amp;gt;&lt;br /&gt;
তোমার সলিলে পড়েছিল কবে কার কানফুল খুলি&amp;lt;br/&amp;gt;&lt;br /&gt;
তোমার স্রোতের উজান ঠেলিয়া কোন তরুণী, কে জানে&amp;lt;br/&amp;gt;&lt;br /&gt;
সাম্পান নায়ে ফিরেছিল তার দয়িতের সন্ধানে।&amp;lt;br/&amp;gt;&lt;br /&gt;
আনমনে তার খুলে গেলো খোঁপা, কান- ফুল গেল খুলি।&amp;lt;br/&amp;gt;&lt;br /&gt;
সে ফুল যতনে পড়িয়া কর্ণে, হলে কি কর্ণফুলী?}}&lt;br /&gt;
এছাড়াও চট্টগ্রামী ভাষার গানে এবং লোক-সংস্কৃতিতে এই নদীর প্রভাব অনেক। চট্টগ্রামী ভাষার ক’টি জনপ্রিয় গান,&amp;lt;br /&amp;gt;&lt;br /&gt;
১. ছোড ছোড ঢেউ তুলি পানিত ছোড ছোড ঢেউ তুলি&amp;lt;br /&amp;gt;&lt;br /&gt;
লুসাই ফা-রত্তুন লামিয়ারে যারগই কর্ণফুলী’।&amp;lt;br /&amp;gt;&lt;br /&gt;
২. মৌসুমী এবং ফেরদৌস এর‘ওরে সাম্পানওয়ালা, ,তুই আমারে করলি দিওয়ানা যেটি তুমুল জনপ্রিয় একটি গান॥&lt;br /&gt;
৩.কিংবদন্তী চিত্রনায়িকা মৌসুমী অভিনীত কর্ণফুলী নদী নিয়ে আরো দুইটি গান সিনেমায় জনপ্রিয়॥ওরে কর্ণফুলী রে সাক্ষী রাখিলাম তোরে এবং কর্ণফুলী সম্পান ওয়ালা আমার মন কাড়িয়া নিলো।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি |ইউআরএল=http://archive.prothom-alo.com/detail/news/146790 |শিরোনাম=দৈনিক প্রথম আলো |সংগ্রহের-তারিখ=১২ জানুয়ারি ২০১৪ |আর্কাইভের-তারিখ=২৪ জুলাই ২০২০ |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20200724024459/http://archive.prothom-alo.com/detail/news/146790 |ইউআরএল-অবস্থা=অকার্যকর }}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==আরও দেখুন==&lt;br /&gt;
*[[বাংলাদেশের নদীর তালিকা]]&lt;br /&gt;
*[[বাংলাদেশের বড় নদীসমূহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==তথ্যসূত্র==&lt;br /&gt;
{{সূত্র তালিকা|2|refs=&lt;br /&gt;
&amp;lt;ref name=&amp;quot;বাংলাপিডিয়া&amp;quot;&amp;gt;{{বাংলাপিডিয়া উদ্ধৃতি |অধ্যায়= কর্ণফুলি_নদী |লেখক=মেসবাহ-উস-সালেহীন, সিফাতুল কাদের চৌধুরী}}&amp;lt;/ref&amp;gt; &lt;br /&gt;
&amp;lt;ref name=&amp;quot;স্টার-চৌধুরী&amp;quot;&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি |শেষাংশ১=চৌধুরী |প্রথমাংশ১=সারোয়ার এ |শিরোনাম=Chittagong port sets up water treatment plant|ইউআরএল=http://www.thedailystar.net/chittagong-port-sets-up-water-treatment-plant-63709|কর্ম=[[দ্য ডেইলি স্টার (বাংলাদেশ)|দ্য ডেইলি স্টার]] |সংগ্রহের-তারিখ=16 July 2015}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&amp;lt;ref name=&amp;quot;TDS-Roy&amp;quot;&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি|শেষাংশ১=রায়|প্রথমাংশ১=পিনাকী|শিরোনাম=Hilsa spawning less and less|ইউআরএল=http://www.thedailystar.net/frontpage/hilsa-spawning-less-and-less-78387|কর্ম=দ্য ডেইলি স্টার|সংগ্রহের-তারিখ=16 July 2015|আর্কাইভের-তারিখ=২২ নভেম্বর ২০২২|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20221122113330/https://www.thedailystar.net/frontpage/hilsa-spawning-less-and-less-78387|ইউআরএল-অবস্থা=কার্যকর}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&amp;lt;ref name=&amp;quot;TDS-Spilled&amp;quot;&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি |তারিখ=20 June 2015 |শিরোনাম=Spilled oil flows towards Karnaphuli |ইউআরএল=http://www.thedailystar.net/city/spilled-oil-flows-towards-karnaphuly-100180 |সংবাদপত্র=দ্য ডেইলি স্টার |সংগ্রহের-তারিখ=16 July 2015 |আর্কাইভের-তারিখ=১৬ জুলাই ২০১৫ |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20150716163423/http://www.thedailystar.net/city/spilled-oil-flows-towards-karnaphuly-100180 |ইউআরএল-অবস্থা=কার্যকর }}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&amp;lt;ref name=&amp;quot;worldwildlife&amp;quot;&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|শিরোনাম=Ganges River dolphin OVERVIEW|ইউআরএল=http://www.worldwildlife.org/species/ganges-river-dolphin|ওয়েবসাইট=worldwildlife.org|প্রকাশক=বিশ্ব বন্যপ্রাণী তহবিল|সংগ্রহের-তারিখ=17 December 2015|আর্কাইভের-তারিখ=৭ ডিসেম্বর ২০২৩|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20231207093513/https://www.worldwildlife.org/species/ganges-river-dolphin|ইউআরএল-অবস্থা=কার্যকর}}&amp;lt;/ref&amp;gt; &lt;br /&gt;
}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
;উৎস&lt;br /&gt;
{{div col}}&lt;br /&gt;
{{বই উদ্ধৃতি |শেষাংশ১=চৌধুরী |প্রথমাংশ১=আব্দুল হক |শিরোনাম=চট্টগ্রামের সমাজ ও সংস্কৃতি |অনূদিত-শিরোনাম=Society and culture of Chittagong |বছর=১৯৮০|প্রকাশক=J.B. Chowdhury|সূত্র=harv}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
{{বই উদ্ধৃতি |শেষাংশ১=তান|প্রথমাংশ১=খি গিয়াপ |শেষাংশ২=লো |প্রথমাংশ২=লিন্ডা |শেষাংশ৩=তান |প্রথমাংশ৩=কং ইয়াম |শেষাংশ৪=রাও |প্রথমাংশ৪=ভিট্টল কার্তিক |ইউআরএল=https://books.google.com/books?id=Yv62CgAAQBAJ&amp;amp;pg=PA676|শিরোনাম=Annual Analysis Of Competitiveness, Simulation Studies And Development Perspective For 35 States And Federal Territories Of India: 2000-2010 |তারিখ=২০১৩ |প্রকাশক=World Scientific|আইএসবিএন=978-981-4579-49-0|ভাষা=en |সূত্র=harv}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
{{বই উদ্ধৃতি |শেষাংশ=পাচুয়াউ |প্রথমাংশ=রিন্টলুয়াঙ্গা |শিরোনাম=Mizoram: A Study in Comprehensive Geography|ইউআরএল=https://books.google.com/books?id=MYaYKXgAwLwC&amp;amp;pg=PA40|সংগ্রহের-তারিখ=8 August 2012|তারিখ=2009 |প্রকাশক=Northern Book Centre|আইএসবিএন=978-81-7211-264-6 |সূত্র=harv}}&lt;br /&gt;
{{বই উদ্ধৃতি |শেষাংশ১=পাচুয়াউ |প্রথমাংশ১=জয় |শিরোনাম=The Camera as a Witness |ইউআরএল=https://archive.org/details/cameraaswitnesss0000pach |তারিখ=২০১৫ |প্রকাশক=Cambridge University |আইএসবিএন=9781107073395 |সূত্র=harv}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
{{বই উদ্ধৃতি |শেষাংশ১=রাজ্জাক |প্রথমাংশ১=মানিক মোহাম্মদ |শিরোনাম=বাংলাদেশের নদনদী: বর্তমান গতিপ্রকৃতি |অধ্যায়=পূর্ব-পাহাড়ি অঞ্চলের নদী |সংস্করণ=প্রথম |অবস্থান=[[ঢাকা]] |প্রকাশক=কথাপ্রকাশ |বছর=২০১৫ |পাতা=২৮২-২৮৩ |আইএসবিএন=984-70120-0436-4 |আইএসবিএন-ত্রুটি-উপেক্ষা-করুন=হ্যাঁ |সংগ্রহের-তারিখ=2016-12-17 |সূত্র=harv}}&lt;br /&gt;
{{div col end}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==বহিঃসংযোগ==&lt;br /&gt;
{{কমন্স বিষয়শ্রেণী}}&lt;br /&gt;
*{{বাংলাপিডিয়া}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
{{বাংলাদেশের নদ-নদী}}&lt;br /&gt;
{{বাংলার নদী}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:কর্ণফুলী নদী| ]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:চট্টগ্রাম জেলার নদী]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের নদী]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:মিজোরামের নদী]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতের নদী]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:এশিয়ার আন্তর্জাতিক নদী]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:চট্টগ্রাম জেলা]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:চট্টগ্রামের পরিবেশ]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Duyel</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A3%E0%A6%AB%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A7%80_%E0%A6%A8%E0%A6%A6%E0%A7%80&amp;diff=15360</id>
		<title>কর্ণফুলী নদী</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A3%E0%A6%AB%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A7%80_%E0%A6%A8%E0%A6%A6%E0%A7%80&amp;diff=15360"/>
		<updated>2026-09-17T20:33:44Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Duyel: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;&#039;&#039;&#039;কর্ণফুলি নদী&#039;&#039;&#039; ([[মিজো ভাষা|মিজো]] ভাষায় &#039;&#039;খাওৎলাং তুইপুই&#039;&#039; যার অর্থ &amp;quot;পশ্চিম নদী&amp;quot; এবং চাকমা ভাষায় বোরগাং, যার অর্থ &amp;quot;বড় নদী&amp;quot;) বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব অংশে প্রবাহিত[[চট্টগ্রাম|চট্টগ্রামের]] ও [[পার্বত্য চট্টগ্রাম|পার্বত্য চট্টগ্রামের]] বৃহত্তম এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশস্ত একটি নদী। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==ব্যুৎপত্তি==&lt;br /&gt;
[[চট্টগ্রামের ইতিহাস|চট্টগ্রামের ইতিহাসে]] আরব ব্যবসায়ী ও বণিকদের উপস্থিতির কারণে চট্টগ্রামের অনেক এলাকায় আরবি বংশোদ্ভূত নাম রয়েছে। &#039;&#039;কর্ণফুল&#039;&#039; থেকে এই নদীর নাম এসেছে বলে মনে করা হয়। আরবিতে যার অর্থ &#039;&#039;[[লবঙ্গ]]&#039;&#039; এবং এটি এমন একটি ঘটনাকে নির্দেশ করে যেখানে লবঙ্গ ভরা একটি আরব জাহাজ এই নদীতে ডুবে যায়।{{sfn|চৌধুরী|১৯৮০|pp=২৪}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
===নামের ইতিকথা===&lt;br /&gt;
কর্ণফুলি নদীর নামের উৎস সম্পর্কে বিভিন্ন কাহিনী প্রচলিত আছে। কথিত আছে যে, আরাকানের এক রাজকন্যা চট্টগ্রামের এক পাহাড়ি রাজপুত্রের প্রেমে পড়েন। এক জ্যোৎস্নাস্নাত রাতে তারা দুইজন এই নদীতে নৌভ্রমণ উপভোগ করছিলেন। নদীর পানিতে চাঁদের প্রতিফলন দেখার সময় রাজকন্যার কানে গোঁজা একটি ফুল পানিতে পড়ে যায়। ফুলটি হারিয়ে কাতর রাজকন্যা সেটা উদ্ধারের জন্য পানিতে ঝাঁপিয়ে পড়েন। কিন্তু প্রবল স্রোতে রাজকন্যা ভেসে যান, তার আর খোঁজ পাওয়া যায় নি। রাজপুত্র রাজকন্যাকে বাঁচাতে পানিতে লাফ দেন, কিন্তু সফল হন নি। রাজকন্যার শোকে রাজপুত্র পানিতে ডুবে আত্মাহুতি দেন। এই করুণ কাহিনী থেকেই নদীটির নাম হয় &#039;&#039;কর্ণফুলী&#039;&#039;। জাতীয় কবি [[কাজী নজরুল ইসলাম|কাজী নজরুল ইসলামে]]&amp;lt;nowiki/&amp;gt;র &#039;কর্ণফুলী&#039; কাব্য হতে নামকরণের এ ঘটনা সম্পর্কে আরো স্পষ্ট হওয়া যায়। যেথায় তিনি লিখেছেন,&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
{{cquote|ওগো ও কর্ণফুলী&amp;lt;br/&amp;gt;&lt;br /&gt;
তোমার সলিলে পড়েছিল কবে কার কানফুল খুলি&amp;lt;br/&amp;gt;&lt;br /&gt;
তোমার স্রোতের উজান ঠেলিয়া কোন তরুণী, কে জানে&amp;lt;br/&amp;gt;&lt;br /&gt;
সাম্পান নায়ে ফিরেছিল তার দয়িতের সন্ধানে।&amp;lt;br/&amp;gt;&lt;br /&gt;
আনমনে তার খুলে গেলো খোঁপা, কান- ফুল গেল খুলি।&amp;lt;br/&amp;gt;&lt;br /&gt;
সে ফুল যতনে পড়িয়া কর্ণে, হলে কি কর্ণফুলী?}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এছাড়া মনে করা হয় আরবি শব্দ করণফোল থেকেও কর্ণফুলী নামটি এসেছে। চট্টগ্রামের বিজ্ঞমুসলমান পণ্ডিতগণের মতে, আরব বণিকেরা চট্টগ্রামের পার্বত্য অঞ্চল থেকে লবঙ্গ নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় রপ্তানি করতো। আরবিতে লবঙ্গকে বলা হয় করণফোল। একদিন এই করণফোল বোঝাই জাহাজ নদীতে ডুবে যায়। এই ঘটনা থেকেই এই নদী করণফোল নামে পরিচিত হল। কিন্তু চট্টগ্রামবাসীর মুখে এই নাম পরিবর্তিত হয়ে কর্ণফুলী নামে পরিচিত হয়।&amp;lt;ref&amp;gt;{{বই উদ্ধৃতি |শিরোনাম=শহর চট্টগ্রামের ইতিকথা |অধ্যায়= নদীর নাম কর্ণফুলী |লেখক=আব্দুল হক চৌধুরী| প্রকাশক=কথামালা প্রকাশনা |পাতা=৭৪ |সংস্করণ=১ম |সংগ্রহের-তারিখ=২৮ এপ্রিল ২০২৩}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মধ্যযুগীয় পুঁথিতে নদীটিকে &#039;&#039;&#039;কাঁইচা খাল&#039;&#039;&#039; লিখা হয়েছে, মার্মা উপজাতিদের কাছে নদীটির নাম &#039;&#039;&#039;কান্সা খিওং&#039;&#039;&#039; এবং মিজোরামে কর্ণফুলীর নাম &#039;&#039;&#039;[[:en:Khawthlangtuipui River|খাওৎলাং তুইপুই]]&#039;&#039;&#039;।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==প্রবাহ==&lt;br /&gt;
কর্ণফুলী নদী [[ভারত|ভারতের]] [[মিজোরাম|মিজোরাম প্রদেশের]] [[মমিত|মমিত জেলার]] শৈতা গ্রাম ([[লুসাই পাহাড়]]) হতে শুরু হয়ে [[পার্বত্য চট্টগ্রাম]] ও চট্টগ্রামের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে চট্টগ্রামের [[পতেঙ্গা]]র কাছে বঙ্গোপসাগরে মিলিত হয়েছে। এই নদীর মোহনাতে বাংলাদেশের প্রধান সমুদ্র বন্দর [[চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর]] অবস্থিত। এই নদীর দৈর্ঘ্য ৩২০ কিলোমিটার। [[রাঙ্গামাটি জেলা]]র [[বরকল উপজেলা]]র [[থেগা নদী]]র মোহনা বা ঠেগামুখ হতে বড় হরিণার মুখ পর্যন্ত এই ৬ কিলোমিটার কর্ণফুলী ভারত বাংলাদেশের সীমানা নির্ধারণ করেছে। এই ছয় কিলোমিটার নদীর ডান পাশে [[ভারত]] এবং বাম পাশে [[বাংলাদেশ]]।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
===চট্টগ্রাম শহর===&lt;br /&gt;
[[চিত্র:PORT CTG TAZMEEM.JPG|থাম্ব|নদীর তীরে [[চট্টগ্রাম বন্দর]]]]&lt;br /&gt;
[[পার্বত্য চট্টগ্রাম]] ও [[বঙ্গোপসাগর|বঙ্গোপসাগরের]] মাঝখানে কর্ণফুলী নদীর তীরে চট্টগ্রাম অবস্থিত। শহরটি দক্ষিণ-পূর্ব বাংলাদেশের একটি উল্লেখযোগ্য সমুদ্রতীরবর্তী বন্দর নগরী এবং [[বাংলাদেশের অর্থনীতি|অর্থনৈতিক কেন্দ্রবিন্দু]]। বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকার জনসংখ্যা প্রায় ৮.৯ মিলিয়নেরও বেশি।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.chittagongchamber.com/elc.php|শিরোনাম=Economics Landscape of Chittagong|লেখক=E-Vision Software Limited|কর্ম=chittagongchamber.com|সংগ্রহের-তারিখ=১৩ আগস্ট ২০২৪|আর্কাইভের-তারিখ=৭ জানুয়ারি ২০১৯|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20190107000014/http://www.chittagongchamber.com/elc.php%20|ইউআরএল-অবস্থা=কার্যকর}}&amp;lt;/ref&amp;gt; বন্দরের পানির চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে কর্ণফুলী নদীর পানি ব্যবহারের জন্য [[চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ]] একটি পানি শোধনাগার স্থাপন করেছে।{{r|স্টার-চৌধুরী}} নদীটি চট্টগ্রাম শহরের [[পতেঙ্গা]]হয়ে বঙ্গোপসাগরে প্রবাহিত হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
===তলবুং===&lt;br /&gt;
তলবুং [[মিজোরাম|মিজোরামের]] [[লুংলেই জেলা|লুংলেই]] জেলার কর্ণফুলির তীরে অবস্থিত। কর্ণফুলী মিজোরামকে বঙ্গোপসাগরের তীরে চট্টগ্রামের বন্দর নগরীর সাথে যুক্ত করেছে। ঔপনিবেশিক আমলে মিজোরামে পৌঁছানোর জন্য ব্রিটিশ সৈন্য ও ধর্মপ্রচারকরা এই পথ ব্যবহার করত। মোটরবোটে চট্টগ্রাম থেকে তলবুং পর্যন্ত পৌঁছাতে ৫ দিন সময় লাগত, প্রায় ৯০ কিলোমিটার দূরত্ব তারপর তারা আরও ৩৫ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে লুংলেই পৌঁছাতেন।{{sfn|পাচুয়াউ|২০১৫|pp=১৫০}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==কর্ণফুলি নদীর চর==&lt;br /&gt;
[[চিত্র:শীতকালে কর্ণফুলি নদীতে ভাটার সময় জেগে উঠা চর.jpg|থাম্ব|শীতকালে নদীতে ভাটার সময় জেগে উঠা চর]]&lt;br /&gt;
১৮৮৩ সালে কর্ণফুলির মোহনায় সৃষ্টি হয় লুকিয়া চর। ১৮৭৭ সালে জুলদিয়া চ্যানেল। জুলদিয়া চ্যানেলটি আড়াই মাইল দীর্ঘ এবং দেড় মাইল প্রশস্ত। ১৯০১ সাল থেকে ১৯১৭ সালের মধ্যে পতেঙ্গা চ্যানেলটি জুলদিয়া চ্যানেল থেকে প্রায় দেড় হাজার ফুট পশ্চিমে সরে যায়। হালদা নদীর সাথে কর্ণফুলীর সংযোগ স্থলে আছে বিশাল চর। যা হালদা চর হিসাবে পরিচিত। নদীর প্রবাহের কিছু অংশ নাজিরচর ঘেঁষে, কিছু অংশ বালু চ্যানেলের মধ্যে দিয়ে এবং কিছু মুল স্রোত হিসেবে প্রবাহিত হচ্ছে। ১৯৩০ সালে কালুরঘাট রেলওয়ে সেতু নির্মাণের আগে নদীর মূল প্রবাহ প্রধানত কুলাগাঁও অভিমুখে বাম তীর ঘেষেই প্রবাহিত হত। [[কালুরঘাট সেতু]] হওয়ার পর সেতুর ডান দিকে আরও একটি প্রবাহের মুখ তৈরি হয়। ফলে নদীর মাঝ পথে সৃষ্টি হয় বিশাল একটি [[চর]]- যা কুলাগাঁও চর নামে পরিচিত।&amp;lt;ref&amp;gt;[http://www.dailysangram.com/news_details.php?news_id=47793, কর্ণফুলী নদী সংকুচিত হচ্ছে জেগে উঠছে অসংখ্য চর]{{অকার্যকর সংযোগ|তারিখ=ফেব্রুয়ারি ২০১৯ |bot=InternetArchiveBot |ঠিক করার প্রচেষ্টা=yes }}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==কাপ্তাই বাঁধ==&lt;br /&gt;
{{মূল নিবন্ধ|কাপ্তাই বাঁধ}}&lt;br /&gt;
কর্ণফুলি নদীর উপর বাঁধ দিয়ে [[রাঙামাটি জেলা]]র কাপ্তাই উপজেলায় [[কাপ্তাই বাঁধ]] তৈরি করা হয় ১৯৬৪ খ্রিস্টাব্দে। এই বাঁধে সঞ্চিত পানি ব্যবহার করে [[কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র|কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রে]] বিদ্যুৎ উৎপন্ন করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==জলজ জীবন==&lt;br /&gt;
নদীটি বিপন্ন প্রজাতির [[গঙ্গা নদী শুশুক|গঙ্গা নদী শুশুকের]] আবাসস্থল।{{r|worldwildlife}} আগে নদীতে [[ইলিশ]] পাওয়া যেত, কিন্তু দূষণের কারণে নদী থেকে ইলিশ প্রায় হারিয়ে গেছে।{{r|TDS-Roy}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==পরিবহন==&lt;br /&gt;
[[চিত্র:Karnafully Bridge CHittagong.jpg|থাম্ব| [[শাহ আমানত সেতু]]]]&lt;br /&gt;
১৯৩০ সালে ব্রিটিশ শাসনামলে কর্ণফুলী নদীর মোহনা হতে ৭/৮ মাইল উজানে কালুরঘাট নামক স্থানে [[কালুরঘাট সেতু|কালুরঘাট রেল সেতু]] নির্মিত হয়। এটি কর্ণফুলী নদীর দ্বারা দ্বিখন্ডিত বৃহত্তর চট্টগ্রাম জেলাকে উত্তর ও দক্ষিণাংশে সংযুক্ত করে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২০১১ সালে কর্ণফুলী নদীর উপর [[শাহ আমানত সেতু]] নির্মআন করা হয়। সেতুটি কর্ণফুলীর দক্ষিণ পাড়ের শিল্প এলাকায় শিল্পের বিকাশে সহায়ক হওয়ার পাশাপাশি, বান্দরবান এবং কক্সবাজারকে চট্টগ্রাম শহরের সাথে যুক্ত করে।&amp;lt;ref name=&amp;quot;এপিপি বাংলা&amp;quot;&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.appbangla.com/16/post/2010/09/63.html|শিরোনাম=প্রধানমন্ত্রী আজ তৃতীয় কর্ণফুলী সেতুসহ চার প্রকল্প উদ্বোধন করবেন|তারিখ=আগস্ট 9, 2010|প্রকাশক=এপিপি বাংলা}}{{অকার্যকর সংযোগ|তারিখ=এপ্রিল ২০১৯ |bot=InternetArchiveBot |ঠিক করার প্রচেষ্টা=yes }}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২০২৩ সালের অক্টোবরে কর্ণফুলী নদীর তলদেশে দুই লেনের [[কর্ণফুলী টানেল]] নির্মাণ করা হয়েছে, যেটি বাংলাদেশের প্রথম আন্ডারওয়াটার টানেল।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি |শিরোনাম=বঙ্গবন্ধু টানেলের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা |ইউআরএল=https://www.prothomalo.com/bangladesh/o23srmbnef |ওয়েবসাইট=প্রথম আলো |সংগ্রহের-তারিখ=২৮ অক্টোবর ২০২৩ |ভাষা=bn |তারিখ=২৮ অক্টোবর ২০২৩}}&amp;lt;/ref&amp;gt; সুড়ঙ্গটি [[বাংলাদেশ নেভাল একাডেমি]]র পাশ দিয়ে শুরু হয়ে নদীর দক্ষিণ পাড়ের [[আনোয়ারা উপজেলা|আনোয়ারা]] উপজেলার [[চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেড]] এবং [[কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড]] কারখানার মাঝামাঝি স্থানে নদীর দুই তীরের অঞ্চলকে যুক্ত করেছে। এই সুড়ঙ্গের মধ্য দিয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক যুক্ত হয়।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি |তারিখ=৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ |ভাষা=bn |শিরোনাম=বঙ্গবন্ধু টানেলের ৯৬ শতাংশ নির্মাণকাজ সম্পন্ন |ইউআরএল=https://www.prothomalo.com/bangladesh/ufq7w5a3ko |সংগ্রহের-তারিখ=১৩ জুলাই ২০২৩ |ওয়েবসাইট=প্রথম আলো}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==দূষণ==&lt;br /&gt;
বাংলাদেশের অনেক নদীর মতো কর্ণফুলীও শিল্প ও কৃষি প্রবাহের কারণে ব্যাপকভাবে দূষিত। ফলে উপলব্ধ অক্সিজেনের পরিমাণ হ্রাস এবং নদীর জলজ প্রাণীর ক্ষতি সাধিত হচ্ছে।{{r|স্টার-চৌধুরী}} ২০১৫ সালে, তেলবাহী একটি ট্রেন নদীর একটি উপনদীতে বিধ্বস্ত হলে নদীতে তেল ছড়িয়ে পড়ে [[পরিবেশের অবনতি]] ঘটায়।{{r|TDS-Spilled}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==জনপ্রিয় সংস্কৃতিতে প্রভাব==&lt;br /&gt;
কবি [[ওহীদুল আলম]] ১৯৪৬ সালে &#039;&#039;&#039;কর্ণফুলীর মাঝি&#039;&#039;&#039; নামে একটি কাহিনী-কাব্য রচনা করেন। ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, কবি [[আলাউদ্দিন আল আজাদ]] ১৯৬২ সালে রচনা করেন তার উপন্যাস &#039;&#039;&#039;কর্ণফুলী&#039;&#039;&#039;। জাতীয় কবি [[কাজী নজরুল ইসলাম]] তার কবিতায় লিখেছেন,&lt;br /&gt;
{{cquote|ওগো ও কর্ণফুলী&amp;lt;br/&amp;gt;&lt;br /&gt;
তোমার সলিলে পড়েছিল কবে কার কানফুল খুলি&amp;lt;br/&amp;gt;&lt;br /&gt;
তোমার স্রোতের উজান ঠেলিয়া কোন তরুণী, কে জানে&amp;lt;br/&amp;gt;&lt;br /&gt;
সাম্পান নায়ে ফিরেছিল তার দয়িতের সন্ধানে।&amp;lt;br/&amp;gt;&lt;br /&gt;
আনমনে তার খুলে গেলো খোঁপা, কান- ফুল গেল খুলি।&amp;lt;br/&amp;gt;&lt;br /&gt;
সে ফুল যতনে পড়িয়া কর্ণে, হলে কি কর্ণফুলী?}}&lt;br /&gt;
এছাড়াও চট্টগ্রামী ভাষার গানে এবং লোক-সংস্কৃতিতে এই নদীর প্রভাব অনেক। চট্টগ্রামী ভাষার ক’টি জনপ্রিয় গান,&amp;lt;br /&amp;gt;&lt;br /&gt;
১. ছোড ছোড ঢেউ তুলি পানিত ছোড ছোড ঢেউ তুলি&amp;lt;br /&amp;gt;&lt;br /&gt;
লুসাই ফা-রত্তুন লামিয়ারে যারগই কর্ণফুলী’।&amp;lt;br /&amp;gt;&lt;br /&gt;
২. মৌসুমী এবং ফেরদৌস এর‘ওরে সাম্পানওয়ালা, ,তুই আমারে করলি দিওয়ানা যেটি তুমুল জনপ্রিয় একটি গান॥&lt;br /&gt;
৩.কিংবদন্তী চিত্রনায়িকা মৌসুমী অভিনীত কর্ণফুলী নদী নিয়ে আরো দুইটি গান সিনেমায় জনপ্রিয়॥ওরে কর্ণফুলী রে সাক্ষী রাখিলাম তোরে এবং কর্ণফুলী সম্পান ওয়ালা আমার মন কাড়িয়া নিলো।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি |ইউআরএল=http://archive.prothom-alo.com/detail/news/146790 |শিরোনাম=দৈনিক প্রথম আলো |সংগ্রহের-তারিখ=১২ জানুয়ারি ২০১৪ |আর্কাইভের-তারিখ=২৪ জুলাই ২০২০ |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20200724024459/http://archive.prothom-alo.com/detail/news/146790 |ইউআরএল-অবস্থা=অকার্যকর }}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==আরও দেখুন==&lt;br /&gt;
*[[বাংলাদেশের নদীর তালিকা]]&lt;br /&gt;
*[[বাংলাদেশের বড় নদীসমূহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==তথ্যসূত্র==&lt;br /&gt;
{{সূত্র তালিকা|2|refs=&lt;br /&gt;
&amp;lt;ref name=&amp;quot;বাংলাপিডিয়া&amp;quot;&amp;gt;{{বাংলাপিডিয়া উদ্ধৃতি |অধ্যায়= কর্ণফুলি_নদী |লেখক=মেসবাহ-উস-সালেহীন, সিফাতুল কাদের চৌধুরী}}&amp;lt;/ref&amp;gt; &lt;br /&gt;
&amp;lt;ref name=&amp;quot;স্টার-চৌধুরী&amp;quot;&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি |শেষাংশ১=চৌধুরী |প্রথমাংশ১=সারোয়ার এ |শিরোনাম=Chittagong port sets up water treatment plant|ইউআরএল=http://www.thedailystar.net/chittagong-port-sets-up-water-treatment-plant-63709|কর্ম=[[দ্য ডেইলি স্টার (বাংলাদেশ)|দ্য ডেইলি স্টার]] |সংগ্রহের-তারিখ=16 July 2015}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&amp;lt;ref name=&amp;quot;TDS-Roy&amp;quot;&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি|শেষাংশ১=রায়|প্রথমাংশ১=পিনাকী|শিরোনাম=Hilsa spawning less and less|ইউআরএল=http://www.thedailystar.net/frontpage/hilsa-spawning-less-and-less-78387|কর্ম=দ্য ডেইলি স্টার|সংগ্রহের-তারিখ=16 July 2015|আর্কাইভের-তারিখ=২২ নভেম্বর ২০২২|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20221122113330/https://www.thedailystar.net/frontpage/hilsa-spawning-less-and-less-78387|ইউআরএল-অবস্থা=কার্যকর}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&amp;lt;ref name=&amp;quot;TDS-Spilled&amp;quot;&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি |তারিখ=20 June 2015 |শিরোনাম=Spilled oil flows towards Karnaphuli |ইউআরএল=http://www.thedailystar.net/city/spilled-oil-flows-towards-karnaphuly-100180 |সংবাদপত্র=দ্য ডেইলি স্টার |সংগ্রহের-তারিখ=16 July 2015 |আর্কাইভের-তারিখ=১৬ জুলাই ২০১৫ |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20150716163423/http://www.thedailystar.net/city/spilled-oil-flows-towards-karnaphuly-100180 |ইউআরএল-অবস্থা=কার্যকর }}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&amp;lt;ref name=&amp;quot;worldwildlife&amp;quot;&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|শিরোনাম=Ganges River dolphin OVERVIEW|ইউআরএল=http://www.worldwildlife.org/species/ganges-river-dolphin|ওয়েবসাইট=worldwildlife.org|প্রকাশক=বিশ্ব বন্যপ্রাণী তহবিল|সংগ্রহের-তারিখ=17 December 2015|আর্কাইভের-তারিখ=৭ ডিসেম্বর ২০২৩|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20231207093513/https://www.worldwildlife.org/species/ganges-river-dolphin|ইউআরএল-অবস্থা=কার্যকর}}&amp;lt;/ref&amp;gt; &lt;br /&gt;
}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
;উৎস&lt;br /&gt;
{{div col}}&lt;br /&gt;
{{বই উদ্ধৃতি |শেষাংশ১=চৌধুরী |প্রথমাংশ১=আব্দুল হক |শিরোনাম=চট্টগ্রামের সমাজ ও সংস্কৃতি |অনূদিত-শিরোনাম=Society and culture of Chittagong |বছর=১৯৮০|প্রকাশক=J.B. Chowdhury|সূত্র=harv}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
{{বই উদ্ধৃতি |শেষাংশ১=তান|প্রথমাংশ১=খি গিয়াপ |শেষাংশ২=লো |প্রথমাংশ২=লিন্ডা |শেষাংশ৩=তান |প্রথমাংশ৩=কং ইয়াম |শেষাংশ৪=রাও |প্রথমাংশ৪=ভিট্টল কার্তিক |ইউআরএল=https://books.google.com/books?id=Yv62CgAAQBAJ&amp;amp;pg=PA676|শিরোনাম=Annual Analysis Of Competitiveness, Simulation Studies And Development Perspective For 35 States And Federal Territories Of India: 2000-2010 |তারিখ=২০১৩ |প্রকাশক=World Scientific|আইএসবিএন=978-981-4579-49-0|ভাষা=en |সূত্র=harv}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
{{বই উদ্ধৃতি |শেষাংশ=পাচুয়াউ |প্রথমাংশ=রিন্টলুয়াঙ্গা |শিরোনাম=Mizoram: A Study in Comprehensive Geography|ইউআরএল=https://books.google.com/books?id=MYaYKXgAwLwC&amp;amp;pg=PA40|সংগ্রহের-তারিখ=8 August 2012|তারিখ=2009 |প্রকাশক=Northern Book Centre|আইএসবিএন=978-81-7211-264-6 |সূত্র=harv}}&lt;br /&gt;
{{বই উদ্ধৃতি |শেষাংশ১=পাচুয়াউ |প্রথমাংশ১=জয় |শিরোনাম=The Camera as a Witness |ইউআরএল=https://archive.org/details/cameraaswitnesss0000pach |তারিখ=২০১৫ |প্রকাশক=Cambridge University |আইএসবিএন=9781107073395 |সূত্র=harv}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
{{বই উদ্ধৃতি |শেষাংশ১=রাজ্জাক |প্রথমাংশ১=মানিক মোহাম্মদ |শিরোনাম=বাংলাদেশের নদনদী: বর্তমান গতিপ্রকৃতি |অধ্যায়=পূর্ব-পাহাড়ি অঞ্চলের নদী |সংস্করণ=প্রথম |অবস্থান=[[ঢাকা]] |প্রকাশক=কথাপ্রকাশ |বছর=২০১৫ |পাতা=২৮২-২৮৩ |আইএসবিএন=984-70120-0436-4 |আইএসবিএন-ত্রুটি-উপেক্ষা-করুন=হ্যাঁ |সংগ্রহের-তারিখ=2016-12-17 |সূত্র=harv}}&lt;br /&gt;
{{div col end}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==বহিঃসংযোগ==&lt;br /&gt;
{{কমন্স বিষয়শ্রেণী}}&lt;br /&gt;
*{{বাংলাপিডিয়া}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
{{বাংলাদেশের নদ-নদী}}&lt;br /&gt;
{{বাংলার নদী}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:কর্ণফুলী নদী| ]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:চট্টগ্রাম জেলার নদী]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের নদী]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:মিজোরামের নদী]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতের নদী]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:এশিয়ার আন্তর্জাতিক নদী]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:চট্টগ্রাম জেলা]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:চট্টগ্রামের পরিবেশ]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Duyel</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A3%E0%A6%AB%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A7%80_%E0%A6%A8%E0%A6%A6%E0%A7%80&amp;diff=15359</id>
		<title>কর্ণফুলী নদী</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A3%E0%A6%AB%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A7%80_%E0%A6%A8%E0%A6%A6%E0%A7%80&amp;diff=15359"/>
		<updated>2026-09-17T20:30:20Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Duyel: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;&#039;&#039;&#039;কর্ণফুলি নদী&#039;&#039;&#039; ([[মিজো ভাষা|মিজো]] ভাষায় &#039;&#039;খাওৎলাং তুইপুই&#039;&#039; যার অর্থ &amp;quot;পশ্চিম নদী&amp;quot;{{sfn|তান|লো|তান|রাও|২০১৩|pp=৬৭৬}} এবং চাকমা ভাষায় বোরগাং, যার অর্থ &amp;quot;বড় নদী&amp;quot;) [[চট্টগ্রাম|চট্টগ্রামের]] ও [[পার্বত্য চট্টগ্রাম|পার্বত্য চট্টগ্রামের]] বৃহত্তম এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নদী। এটি [[বাংলাদেশ]]-[[ভারত|ভারতের]] একটি সর্পিলাকার [[আন্তঃসীমান্ত নদী]]।{{r|বাংলাপিডিয়া}} এটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব অংশে প্রবাহিত {{রূপান্তর|667|m|ft|adj=on}} প্রশস্ত একটি নদী। ভারতের [[মিজোরাম|মিজোরামের]] [[মমিত জেল|মমিত]] জেলার শৈতা গ্রাম থেকে উদ্ভূত {{রূপান্তর|270|km|mi}} নদীটি দক্ষিণ-পশ্চিমে চট্টগ্রাম পার্বত্য অঞ্চল এবং চট্টগ্রাম শহর হয়ে [[বঙ্গোপসাগর|বঙ্গোপসাগরে]] প্রবাহিত হয়েছে। [[পদ্মা নদী|পদ্মার]] পর এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে দ্রুত প্রবাহিত নদী। এটি &amp;quot;মিজোরামের সমগ্র দক্ষিণ-পশ্চিম অংশের জল নিষ্কাশন ব্যবস্থার প্রতিনিধিত্ব করে&amp;quot;।{{sfn|পাচুয়াউ|২০০৯|pp=৪০}} ১৯৬০ সালে [[কাপ্তাই উপজেলা|কাপ্তাই উপজেলার]] কর্ণফুলীতে একটি [[কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র|পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র]] নির্মিত হয়েছিল। এই নদীর মোহনায় বাংলাদেশের বৃহত্তম এবং ব্যস্ততম সমুদ্রবন্দর [[চট্টগ্রাম বন্দর]] অবস্থিত। এর প্রধান উপনদীগুলির মধ্যে রয়েছে কাওরপুই বা থেগা, তুইচাং, ফায়ারুয়াং, [[হালদা নদী|হালদা]] (বোয়ালখালী), [[কাসালং নদী|কাসালং]] এবং সাহনী। [[বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড]] কর্তৃক কর্ণফুলী নদীর প্রদত্ত পরিচিতি নম্বর হলো পূর্ব-পাহাড়ি অঞ্চলের নদী নং ০৩।{{sfn|রাজ্জাক|২০০৫|pp=২৮২-২৮৩}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== ব্যুৎপত্তি ==&lt;br /&gt;
[[চট্টগ্রামের ইতিহাস|চট্টগ্রামের ইতিহাসে]] আরব ব্যবসায়ী ও বণিকদের উপস্থিতির কারণে চট্টগ্রামের অনেক এলাকায় আরবি বংশোদ্ভূত নাম রয়েছে। &#039;&#039;কর্ণফুল&#039;&#039; থেকে এই নদীর নাম এসেছে বলে মনে করা হয়। আরবিতে যার অর্থ &#039;&#039;[[লবঙ্গ]]&#039;&#039; এবং এটি এমন একটি ঘটনাকে নির্দেশ করে যেখানে লবঙ্গ ভরা একটি আরব জাহাজ এই নদীতে ডুবে যায়।{{sfn|চৌধুরী|১৯৮০|pp=২৪}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
=== নামের ইতিকথা ===&lt;br /&gt;
কর্ণফুলি নদীর নামের উৎস সম্পর্কে বিভিন্ন কাহিনী প্রচলিত আছে। কথিত আছে যে, আরাকানের এক রাজকন্যা চট্টগ্রামের এক পাহাড়ি রাজপুত্রের প্রেমে পড়েন। এক জ্যোৎস্নাস্নাত রাতে তারা দুইজন এই নদীতে নৌভ্রমণ উপভোগ করছিলেন। নদীর পানিতে চাঁদের প্রতিফলন দেখার সময় রাজকন্যার কানে গোঁজা একটি ফুল পানিতে পড়ে যায়। ফুলটি হারিয়ে কাতর রাজকন্যা সেটা উদ্ধারের জন্য পানিতে ঝাঁপিয়ে পড়েন। কিন্তু প্রবল স্রোতে রাজকন্যা ভেসে যান, তার আর খোঁজ পাওয়া যায় নি। রাজপুত্র রাজকন্যাকে বাঁচাতে পানিতে লাফ দেন, কিন্তু সফল হন নি। রাজকন্যার শোকে রাজপুত্র পানিতে ডুবে আত্মাহুতি দেন। এই করুণ কাহিনী থেকেই নদীটির নাম হয় &#039;&#039;কর্ণফুলী&#039;&#039;। জাতীয় কবি [[কাজী নজরুল ইসলাম|কাজী নজরুল ইসলামে]]&amp;lt;nowiki/&amp;gt;র &#039;কর্ণফুলী&#039; কাব্য হতে নামকরণের এ ঘটনা সম্পর্কে আরো স্পষ্ট হওয়া যায়। যেথায় তিনি লিখেছেন,&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
{{cquote|ওগো ও কর্ণফুলী&amp;lt;br/&amp;gt;&lt;br /&gt;
তোমার সলিলে পড়েছিল কবে কার কানফুল খুলি&amp;lt;br/&amp;gt;&lt;br /&gt;
তোমার স্রোতের উজান ঠেলিয়া কোন তরুণী, কে জানে&amp;lt;br/&amp;gt;&lt;br /&gt;
সাম্পান নায়ে ফিরেছিল তার দয়িতের সন্ধানে।&amp;lt;br/&amp;gt;&lt;br /&gt;
আনমনে তার খুলে গেলো খোঁপা, কান- ফুল গেল খুলি।&amp;lt;br/&amp;gt;&lt;br /&gt;
সে ফুল যতনে পড়িয়া কর্ণে, হলে কি কর্ণফুলী?}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এছাড়া মনে করা হয় আরবি শব্দ করণফোল থেকেও কর্ণফুলী নামটি এসেছে। চট্টগ্রামের বিজ্ঞমুসলমান পণ্ডিতগণের মতে, আরব বণিকেরা চট্টগ্রামের পার্বত্য অঞ্চল থেকে লবঙ্গ নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় রপ্তানি করতো। আরবিতে লবঙ্গকে বলা হয় করণফোল। একদিন এই করণফোল বোঝাই জাহাজ নদীতে ডুবে যায়। এই ঘটনা থেকেই এই নদী করণফোল নামে পরিচিত হল। কিন্তু চট্টগ্রামবাসীর মুখে এই নাম পরিবর্তিত হয়ে কর্ণফুলী নামে পরিচিত হয়।&amp;lt;ref&amp;gt;{{বই উদ্ধৃতি |শিরোনাম=শহর চট্টগ্রামের ইতিকথা |অধ্যায়= নদীর নাম কর্ণফুলী |লেখক=আব্দুল হক চৌধুরী| প্রকাশক=কথামালা প্রকাশনা |পাতা=৭৪ |সংস্করণ=১ম |সংগ্রহের-তারিখ=২৮ এপ্রিল ২০২৩}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মধ্যযুগীয় পুঁথিতে নদীটিকে &#039;&#039;&#039;কাঁইচা খাল&#039;&#039;&#039; লিখা হয়েছে, মার্মা উপজাতিদের কাছে নদীটির নাম &#039;&#039;&#039;কান্সা খিওং&#039;&#039;&#039; এবং মিজোরামে কর্ণফুলীর নাম &#039;&#039;&#039;[[:en:Khawthlangtuipui River|খাওৎলাং তুইপুই]]&#039;&#039;&#039;।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== প্রবাহ ==&lt;br /&gt;
কর্ণফুলী নদী [[ভারত|ভারতের]] [[মিজোরাম|মিজোরাম প্রদেশের]] [[মমিত|মমিত জেলার]] শৈতা গ্রাম ([[লুসাই পাহাড়]]) হতে শুরু হয়ে [[পার্বত্য চট্টগ্রাম]] ও চট্টগ্রামের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে চট্টগ্রামের [[পতেঙ্গা]]র কাছে বঙ্গোপসাগরে মিলিত হয়েছে। এই নদীর মোহনাতে বাংলাদেশের প্রধান সমুদ্র বন্দর [[চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর]] অবস্থিত। এই নদীর দৈর্ঘ্য ৩২০ কিলোমিটার। [[রাঙ্গামাটি জেলা]]র [[বরকল উপজেলা]]র [[থেগা নদী]]র মোহনা বা ঠেগামুখ হতে বড় হরিণার মুখ পর্যন্ত এই ৬ কিলোমিটার কর্ণফুলী ভারত বাংলাদেশের সীমানা নির্ধারণ করেছে। এই ছয় কিলোমিটার নদীর ডান পাশে [[ভারত]] এবং বাম পাশে [[বাংলাদেশ]]।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
=== চট্টগ্রাম শহর ===&lt;br /&gt;
[[চিত্র:PORT CTG TAZMEEM.JPG|থাম্ব|নদীর তীরে [[চট্টগ্রাম বন্দর]]]]&lt;br /&gt;
[[পার্বত্য চট্টগ্রাম]] ও [[বঙ্গোপসাগর|বঙ্গোপসাগরের]] মাঝখানে কর্ণফুলী নদীর তীরে চট্টগ্রাম অবস্থিত। শহরটি দক্ষিণ-পূর্ব বাংলাদেশের একটি উল্লেখযোগ্য সমুদ্রতীরবর্তী বন্দর নগরী এবং [[বাংলাদেশের অর্থনীতি|অর্থনৈতিক কেন্দ্রবিন্দু]]। বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকার জনসংখ্যা প্রায় ৮.৯ মিলিয়নেরও বেশি।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.chittagongchamber.com/elc.php|শিরোনাম=Economics Landscape of Chittagong|লেখক=E-Vision Software Limited|কর্ম=chittagongchamber.com|সংগ্রহের-তারিখ=১৩ আগস্ট ২০২৪|আর্কাইভের-তারিখ=৭ জানুয়ারি ২০১৯|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20190107000014/http://www.chittagongchamber.com/elc.php%20|ইউআরএল-অবস্থা=কার্যকর}}&amp;lt;/ref&amp;gt; বন্দরের পানির চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে কর্ণফুলী নদীর পানি ব্যবহারের জন্য [[চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ]] একটি পানি শোধনাগার স্থাপন করেছে।{{r|স্টার-চৌধুরী}} নদীটি চট্টগ্রাম শহরের [[পতেঙ্গা]]হয়ে বঙ্গোপসাগরে প্রবাহিত হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
=== তলবুং ===&lt;br /&gt;
তলবুং [[মিজোরাম|মিজোরামের]] [[লুংলেই জেলা|লুংলেই]] জেলার কর্ণফুলির তীরে অবস্থিত। কর্ণফুলী মিজোরামকে বঙ্গোপসাগরের তীরে চট্টগ্রামের বন্দর নগরীর সাথে যুক্ত করেছে। ঔপনিবেশিক আমলে মিজোরামে পৌঁছানোর জন্য ব্রিটিশ সৈন্য ও ধর্মপ্রচারকরা এই পথ ব্যবহার করত। মোটরবোটে চট্টগ্রাম থেকে তলবুং পর্যন্ত পৌঁছাতে ৫ দিন সময় লাগত, প্রায় ৯০ কিলোমিটার দূরত্ব তারপর তারা আরও ৩৫ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে লুংলেই পৌঁছাতেন।{{sfn|পাচুয়াউ|২০১৫|pp=১৫০}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== কর্ণফুলি নদীর চর ==&lt;br /&gt;
[[চিত্র:শীতকালে কর্ণফুলি নদীতে ভাটার সময় জেগে উঠা চর.jpg|থাম্ব|শীতকালে নদীতে ভাটার সময় জেগে উঠা চর]]&lt;br /&gt;
১৮৮৩ সালে কর্ণফুলির মোহনায় সৃষ্টি হয় লুকিয়া চর। ১৮৭৭ সালে জুলদিয়া চ্যানেল। জুলদিয়া চ্যানেলটি আড়াই মাইল দীর্ঘ এবং দেড় মাইল প্রশস্ত। ১৯০১ সাল থেকে ১৯১৭ সালের মধ্যে পতেঙ্গা চ্যানেলটি জুলদিয়া চ্যানেল থেকে প্রায় দেড় হাজার ফুট পশ্চিমে সরে যায়। হালদা নদীর সাথে কর্ণফুলীর সংযোগ স্থলে আছে বিশাল চর। যা হালদা চর হিসাবে পরিচিত। নদীর প্রবাহের কিছু অংশ নাজিরচর ঘেঁষে, কিছু অংশ বালু চ্যানেলের মধ্যে দিয়ে এবং কিছু মুল স্রোত হিসেবে প্রবাহিত হচ্ছে। ১৯৩০ সালে কালুরঘাট রেলওয়ে সেতু নির্মাণের আগে নদীর মূল প্রবাহ প্রধানত কুলাগাঁও অভিমুখে বাম তীর ঘেষেই প্রবাহিত হত। [[কালুরঘাট সেতু]] হওয়ার পর সেতুর ডান দিকে আরও একটি প্রবাহের মুখ তৈরি হয়। ফলে নদীর মাঝ পথে সৃষ্টি হয় বিশাল একটি [[চর]]- যা কুলাগাঁও চর নামে পরিচিত।&amp;lt;ref&amp;gt;[http://www.dailysangram.com/news_details.php?news_id=47793, কর্ণফুলী নদী সংকুচিত হচ্ছে জেগে উঠছে অসংখ্য চর]{{অকার্যকর সংযোগ|তারিখ=ফেব্রুয়ারি ২০১৯ |bot=InternetArchiveBot |ঠিক করার প্রচেষ্টা=yes }}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== কাপ্তাই বাঁধ ==&lt;br /&gt;
{{মূল নিবন্ধ|কাপ্তাই বাঁধ}}&lt;br /&gt;
কর্ণফুলি নদীর উপর বাঁধ দিয়ে [[রাঙামাটি জেলা]]র কাপ্তাই উপজেলায় [[কাপ্তাই বাঁধ]] তৈরি করা হয় ১৯৬৪ খ্রিস্টাব্দে। এই বাঁধে সঞ্চিত পানি ব্যবহার করে [[কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র|কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রে]] বিদ্যুৎ উৎপন্ন করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== জলজ জীবন ==&lt;br /&gt;
নদীটি বিপন্ন প্রজাতির [[গঙ্গা নদী শুশুক|গঙ্গা নদী শুশুকের]] আবাসস্থল।{{r|worldwildlife}} আগে নদীতে [[ইলিশ]] পাওয়া যেত, কিন্তু দূষণের কারণে নদী থেকে ইলিশ প্রায় হারিয়ে গেছে।{{r|TDS-Roy}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== পরিবহন ==&lt;br /&gt;
[[চিত্র:Karnafully Bridge CHittagong.jpg|থাম্ব| [[শাহ আমানত সেতু]]]]&lt;br /&gt;
১৯৩০ সালে ব্রিটিশ শাসনামলে কর্ণফুলী নদীর মোহনা হতে ৭/৮ মাইল উজানে কালুরঘাট নামক স্থানে [[কালুরঘাট সেতু|কালুরঘাট রেল সেতু]] নির্মিত হয়। এটি কর্ণফুলী নদীর দ্বারা দ্বিখন্ডিত বৃহত্তর চট্টগ্রাম জেলাকে উত্তর ও দক্ষিণাংশে সংযুক্ত করে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২০১১ সালে কর্ণফুলী নদীর উপর [[শাহ আমানত সেতু]] নির্মআন করা হয়। সেতুটি কর্ণফুলীর দক্ষিণ পাড়ের শিল্প এলাকায় শিল্পের বিকাশে সহায়ক হওয়ার পাশাপাশি, বান্দরবান এবং কক্সবাজারকে চট্টগ্রাম শহরের সাথে যুক্ত করে।&amp;lt;ref name=&amp;quot;এপিপি বাংলা&amp;quot;&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.appbangla.com/16/post/2010/09/63.html|শিরোনাম=প্রধানমন্ত্রী আজ তৃতীয় কর্ণফুলী সেতুসহ চার প্রকল্প উদ্বোধন করবেন|তারিখ=আগস্ট 9, 2010|প্রকাশক=এপিপি বাংলা}}{{অকার্যকর সংযোগ|তারিখ=এপ্রিল ২০১৯ |bot=InternetArchiveBot |ঠিক করার প্রচেষ্টা=yes }}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২০২৩ সালের অক্টোবরে কর্ণফুলী নদীর তলদেশে দুই লেনের [[কর্ণফুলী টানেল]] নির্মাণ করা হয়েছে, যেটি বাংলাদেশের প্রথম আন্ডারওয়াটার টানেল।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি |শিরোনাম=বঙ্গবন্ধু টানেলের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা |ইউআরএল=https://www.prothomalo.com/bangladesh/o23srmbnef |ওয়েবসাইট=প্রথম আলো |সংগ্রহের-তারিখ=২৮ অক্টোবর ২০২৩ |ভাষা=bn |তারিখ=২৮ অক্টোবর ২০২৩}}&amp;lt;/ref&amp;gt; সুড়ঙ্গটি [[বাংলাদেশ নেভাল একাডেমি]]র পাশ দিয়ে শুরু হয়ে নদীর দক্ষিণ পাড়ের [[আনোয়ারা উপজেলা|আনোয়ারা]] উপজেলার [[চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেড]] এবং [[কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড]] কারখানার মাঝামাঝি স্থানে নদীর দুই তীরের অঞ্চলকে যুক্ত করেছে। এই সুড়ঙ্গের মধ্য দিয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক যুক্ত হয়।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি |তারিখ=৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ |ভাষা=bn |শিরোনাম=বঙ্গবন্ধু টানেলের ৯৬ শতাংশ নির্মাণকাজ সম্পন্ন |ইউআরএল=https://www.prothomalo.com/bangladesh/ufq7w5a3ko |সংগ্রহের-তারিখ=১৩ জুলাই ২০২৩ |ওয়েবসাইট=প্রথম আলো}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== দূষণ ==&lt;br /&gt;
বাংলাদেশের অনেক নদীর মতো কর্ণফুলীও শিল্প ও কৃষি প্রবাহের কারণে ব্যাপকভাবে দূষিত। ফলে উপলব্ধ অক্সিজেনের পরিমাণ হ্রাস এবং নদীর জলজ প্রাণীর ক্ষতি সাধিত হচ্ছে।{{r|স্টার-চৌধুরী}} ২০১৫ সালে, তেলবাহী একটি ট্রেন নদীর একটি উপনদীতে বিধ্বস্ত হলে নদীতে তেল ছড়িয়ে পড়ে [[পরিবেশের অবনতি]] ঘটায়।{{r|TDS-Spilled}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== জনপ্রিয় সংস্কৃতিতে প্রভাব ==&lt;br /&gt;
কবি [[ওহীদুল আলম]] ১৯৪৬ সালে &#039;&#039;&#039;কর্ণফুলীর মাঝি&#039;&#039;&#039; নামে একটি কাহিনী-কাব্য রচনা করেন। ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, কবি [[আলাউদ্দিন আল আজাদ]] ১৯৬২ সালে রচনা করেন তার উপন্যাস &#039;&#039;&#039;কর্ণফুলী&#039;&#039;&#039;। জাতীয় কবি [[কাজী নজরুল ইসলাম]] তার কবিতায় লিখেছেন,&lt;br /&gt;
{{cquote|ওগো ও কর্ণফুলী&amp;lt;br/&amp;gt;&lt;br /&gt;
তোমার সলিলে পড়েছিল কবে কার কানফুল খুলি&amp;lt;br/&amp;gt;&lt;br /&gt;
তোমার স্রোতের উজান ঠেলিয়া কোন তরুণী, কে জানে&amp;lt;br/&amp;gt;&lt;br /&gt;
সাম্পান নায়ে ফিরেছিল তার দয়িতের সন্ধানে।&amp;lt;br/&amp;gt;&lt;br /&gt;
আনমনে তার খুলে গেলো খোঁপা, কান- ফুল গেল খুলি।&amp;lt;br/&amp;gt;&lt;br /&gt;
সে ফুল যতনে পড়িয়া কর্ণে, হলে কি কর্ণফুলী?}}&lt;br /&gt;
এছাড়াও চট্টগ্রামী ভাষার গানে এবং লোক-সংস্কৃতিতে এই নদীর প্রভাব অনেক। চট্টগ্রামী ভাষার ক’টি জনপ্রিয় গান,&amp;lt;br/&amp;gt;&lt;br /&gt;
১. ছোড ছোড ঢেউ তুলি পানিত ছোড ছোড ঢেউ তুলি&amp;lt;br/&amp;gt;&lt;br /&gt;
লুসাই ফা-রত্তুন লামিয়ারে যারগই কর্ণফুলী’।&amp;lt;br/&amp;gt;&lt;br /&gt;
২. মৌসুমী এবং ফেরদৌস এর‘ওরে সাম্পানওয়ালা, ,তুই আমারে করলি দিওয়ানা যেটি তুমুল জনপ্রিয় একটি গান॥&lt;br /&gt;
৩.কিংবদন্তী চিত্রনায়িকা মৌসুমী অভিনীত কর্ণফুলী নদী নিয়ে আরো দুইটি গান সিনেমায় জনপ্রিয়॥ওরে কর্ণফুলী রে সাক্ষী রাখিলাম তোরে এবং কর্ণফুলী সম্পান ওয়ালা আমার মন কাড়িয়া নিলো।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি |ইউআরএল=http://archive.prothom-alo.com/detail/news/146790 |শিরোনাম=দৈনিক প্রথম আলো |সংগ্রহের-তারিখ=১২ জানুয়ারি ২০১৪ |আর্কাইভের-তারিখ=২৪ জুলাই ২০২০ |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20200724024459/http://archive.prothom-alo.com/detail/news/146790 |ইউআরএল-অবস্থা=অকার্যকর }}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== আরও দেখুন ==&lt;br /&gt;
* [[বাংলাদেশের নদীর তালিকা]]&lt;br /&gt;
* [[বাংলাদেশের বড় নদীসমূহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== তথ্যসূত্র ==&lt;br /&gt;
{{সূত্র তালিকা|2|refs=&lt;br /&gt;
&amp;lt;ref name=&amp;quot;বাংলাপিডিয়া&amp;quot;&amp;gt;{{বাংলাপিডিয়া উদ্ধৃতি |অধ্যায়= কর্ণফুলি_নদী |লেখক=মেসবাহ-উস-সালেহীন, সিফাতুল কাদের চৌধুরী}}&amp;lt;/ref&amp;gt; &lt;br /&gt;
&amp;lt;ref name=&amp;quot;স্টার-চৌধুরী&amp;quot;&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি |শেষাংশ১=চৌধুরী |প্রথমাংশ১=সারোয়ার এ |শিরোনাম=Chittagong port sets up water treatment plant|ইউআরএল=http://www.thedailystar.net/chittagong-port-sets-up-water-treatment-plant-63709|কর্ম=[[দ্য ডেইলি স্টার (বাংলাদেশ)|দ্য ডেইলি স্টার]] |সংগ্রহের-তারিখ=16 July 2015}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&amp;lt;ref name=&amp;quot;TDS-Roy&amp;quot;&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি|শেষাংশ১=রায়|প্রথমাংশ১=পিনাকী|শিরোনাম=Hilsa spawning less and less|ইউআরএল=http://www.thedailystar.net/frontpage/hilsa-spawning-less-and-less-78387|কর্ম=দ্য ডেইলি স্টার|সংগ্রহের-তারিখ=16 July 2015|আর্কাইভের-তারিখ=২২ নভেম্বর ২০২২|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20221122113330/https://www.thedailystar.net/frontpage/hilsa-spawning-less-and-less-78387|ইউআরএল-অবস্থা=কার্যকর}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&amp;lt;ref name=&amp;quot;TDS-Spilled&amp;quot;&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি |তারিখ=20 June 2015 |শিরোনাম=Spilled oil flows towards Karnaphuli |ইউআরএল=http://www.thedailystar.net/city/spilled-oil-flows-towards-karnaphuly-100180 |সংবাদপত্র=দ্য ডেইলি স্টার |সংগ্রহের-তারিখ=16 July 2015 |আর্কাইভের-তারিখ=১৬ জুলাই ২০১৫ |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20150716163423/http://www.thedailystar.net/city/spilled-oil-flows-towards-karnaphuly-100180 |ইউআরএল-অবস্থা=কার্যকর }}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&amp;lt;ref name=&amp;quot;worldwildlife&amp;quot;&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|শিরোনাম=Ganges River dolphin OVERVIEW|ইউআরএল=http://www.worldwildlife.org/species/ganges-river-dolphin|ওয়েবসাইট=worldwildlife.org|প্রকাশক=বিশ্ব বন্যপ্রাণী তহবিল|সংগ্রহের-তারিখ=17 December 2015|আর্কাইভের-তারিখ=৭ ডিসেম্বর ২০২৩|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20231207093513/https://www.worldwildlife.org/species/ganges-river-dolphin|ইউআরএল-অবস্থা=কার্যকর}}&amp;lt;/ref&amp;gt; &lt;br /&gt;
}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
;উৎস&lt;br /&gt;
{{div col}}&lt;br /&gt;
{{বই উদ্ধৃতি |শেষাংশ১=চৌধুরী |প্রথমাংশ১=আব্দুল হক |শিরোনাম=চট্টগ্রামের সমাজ ও সংস্কৃতি |অনূদিত-শিরোনাম=Society and culture of Chittagong |বছর=১৯৮০|প্রকাশক=J.B. Chowdhury|সূত্র=harv}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
{{বই উদ্ধৃতি |শেষাংশ১=তান|প্রথমাংশ১=খি গিয়াপ |শেষাংশ২=লো |প্রথমাংশ২=লিন্ডা |শেষাংশ৩=তান |প্রথমাংশ৩=কং ইয়াম |শেষাংশ৪=রাও |প্রথমাংশ৪=ভিট্টল কার্তিক |ইউআরএল=https://books.google.com/books?id=Yv62CgAAQBAJ&amp;amp;pg=PA676|শিরোনাম=Annual Analysis Of Competitiveness, Simulation Studies And Development Perspective For 35 States And Federal Territories Of India: 2000-2010 |তারিখ=২০১৩ |প্রকাশক=World Scientific|আইএসবিএন=978-981-4579-49-0|ভাষা=en |সূত্র=harv}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
{{বই উদ্ধৃতি |শেষাংশ=পাচুয়াউ |প্রথমাংশ=রিন্টলুয়াঙ্গা |শিরোনাম=Mizoram: A Study in Comprehensive Geography|ইউআরএল=https://books.google.com/books?id=MYaYKXgAwLwC&amp;amp;pg=PA40|সংগ্রহের-তারিখ=8 August 2012|তারিখ=2009 |প্রকাশক=Northern Book Centre|আইএসবিএন=978-81-7211-264-6 |সূত্র=harv}}&lt;br /&gt;
{{বই উদ্ধৃতি |শেষাংশ১=পাচুয়াউ |প্রথমাংশ১=জয় |শিরোনাম=The Camera as a Witness |ইউআরএল=https://archive.org/details/cameraaswitnesss0000pach |তারিখ=২০১৫ |প্রকাশক=Cambridge University |আইএসবিএন=9781107073395 |সূত্র=harv}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
{{বই উদ্ধৃতি |শেষাংশ১=রাজ্জাক |প্রথমাংশ১=মানিক মোহাম্মদ |শিরোনাম=বাংলাদেশের নদনদী: বর্তমান গতিপ্রকৃতি |অধ্যায়=পূর্ব-পাহাড়ি অঞ্চলের নদী |সংস্করণ=প্রথম |অবস্থান=[[ঢাকা]] |প্রকাশক=কথাপ্রকাশ |বছর=২০১৫ |পাতা=২৮২-২৮৩ |আইএসবিএন=984-70120-0436-4 |আইএসবিএন-ত্রুটি-উপেক্ষা-করুন=হ্যাঁ |সংগ্রহের-তারিখ=2016-12-17 |সূত্র=harv}}&lt;br /&gt;
{{div col end}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== বহিঃসংযোগ ==&lt;br /&gt;
{{কমন্স বিষয়শ্রেণী}}&lt;br /&gt;
* {{বাংলাপিডিয়া}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
{{বাংলাদেশের নদ-নদী}}&lt;br /&gt;
{{বাংলার নদী}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:কর্ণফুলী নদী| ]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:চট্টগ্রাম জেলার নদী]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের নদী]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:মিজোরামের নদী]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতের নদী]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:এশিয়ার আন্তর্জাতিক নদী]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:চট্টগ্রাম জেলা]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:চট্টগ্রামের পরিবেশ]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Duyel</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%9A%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AE_%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0&amp;diff=15358</id>
		<title>চট্টগ্রাম বন্দরের</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%9A%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AE_%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0&amp;diff=15358"/>
		<updated>2026-09-17T20:28:28Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Duyel: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;&#039;&#039;&#039;চট্টগ্রাম বন্দর&#039;&#039;&#039; [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশের]] দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের [[চট্টগ্রাম]] শহরে [[কর্ণফুলী নদী|কর্ণফুলী নদীর]] মোহনায় অবস্থিত বাংলাদেশের প্রধান সামুদ্রিক বন্দর। এটি ইংরেজ শাসনের প্রথম দিকে ইংরেজ ও দেশীয় ব্যবসায়ীরা বার্ষিক এক টাকা সেলামির বিনিময়ে নিজ ব্যয়ে কর্ণফুলি নদীতে কাঠের জেটি নির্মাণ করেন।পরে ১৮৬০ খ্রিস্টাব্দে প্রথম দুটি অস্থায়ী জেটি নির্মিত হয়। ১৮৭৭ খ্রিস্টাব্দে চট্টগ্রাম পোর্ট কমিশনার গঠিত হয়। ১৮৮৮ খ্রিস্টাব্দে চট্টগ্রাম বন্দরে দুটি মুরিং জেটি নির্মিত হয়। ১৮৮৮ খ্রিস্টাব্দে ২৫ এপ্রিল চট্টগ্রাম পোর্ট কমিশনার কার্যকর হয়।&amp;lt;ref&amp;gt;চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ, ইয়ার বুক ১৯৮০, পৃঃ১৭&amp;lt;/ref&amp;gt; ১৮৯৯-১৯১০ সালের মধ্যে চট্টগ্রাম পোর্ট কমিশনার ও আসাম বেঙ্গল রেলওয়ে যুক্তভাবে চারটি স্থায়ী জেটি নির্মাণ করে ।&amp;lt;ref&amp;gt;চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ, ইয়ার বুক ১৯৮০, পৃঃ১৮&amp;lt;/ref&amp;gt; ১৯১০ সালে চট্টগ্রাম বন্দরের সাথে রেলওয়ে সংযোগ সাধিত হয়। ১৯২৬ সালে চট্টগ্রাম বন্দরকে মেজর পোর্ট ঘোষণা করা হয়।&amp;lt;ref&amp;gt;মাহবুবুল হক, চিটাগাং গাইড, পৃঃ১৫&amp;lt;/ref&amp;gt; পাকিস্তান আমলে ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দের জুলাই মাসে চট্টগ্রাম পোর্ট কমিশনারকে চট্টগ্রাম পোর্ট ট্রাস্ট-এ পরিণত করা হয়, বাংলাদেশ আমলে ১৯৭৬ খ্রিস্টাব্দের সেপ্টেম্বর মাসে চট্টগ্রাম পোর্ট ট্রাস্ট-কে চট্টগ্রাম পোর্ট অথরিটিতে পরিণত করা হয়। &amp;lt;ref&amp;gt;চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ, ইয়ার বুক ১৯৮২, পৃঃ ২১&amp;lt;/ref&amp;gt; এটি একটি স্বায়ত্তশাসিত সরকারি সংস্থা।&lt;br /&gt;
== তথ্যসূত্র ==&lt;br /&gt;
{{সূত্র তালিকা}}&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Duyel</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%9A%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AE_%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0&amp;diff=15357</id>
		<title>চট্টগ্রাম বন্দরের</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%9A%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AE_%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0&amp;diff=15357"/>
		<updated>2026-09-17T20:27:04Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Duyel: নতুন পাতা&lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;&#039;&#039;&#039;চট্টগ্রাম বন্দর&#039;&#039;&#039; [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশের]] দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের [[চট্টগ্রাম]] শহরে অবস্থিত বাংলাদেশের প্রধান সামুদ্রিক বন্দর। এটি [[কর্ণফুলী নদী|কর্ণফুলী নদীর]] মোহনায় অবস্থিত। ইংরেজ শাসনের প্রথম দিকে ইংরেজ ও দেশীয় ব্যবসায়ীরা বার্ষিক এক টাকা সেলামির বিনিময়ে নিজ ব্যয়ে কর্ণফুলি নদীতে কাঠের জেটি নির্মাণ করেন।পরে ১৮৬০ খ্রিস্টাব্দে প্রথম দুটি অস্থায়ী জেটি নির্মিত হয়। ১৮৭৭ খ্রিস্টাব্দে চট্টগ্রাম পোর্ট কমিশনার গঠিত হয়। ১৮৮৮ খ্রিস্টাব্দে চট্টগ্রাম বন্দরে দুটি মুরিং জেটি নির্মিত হয়। ১৮৮৮ খ্রিস্টাব্দে ২৫ এপ্রিল চট্টগ্রাম পোর্ট কমিশনার কার্যকর হয়।&amp;lt;ref&amp;gt;চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ, ইয়ার বুক ১৯৮০, পৃঃ১৭&amp;lt;/ref&amp;gt; ১৮৯৯-১৯১০ সালের মধ্যে চট্টগ্রাম পোর্ট কমিশনার ও আসাম বেঙ্গল রেলওয়ে যুক্তভাবে চারটি স্থায়ী জেটি নির্মাণ করে ।&amp;lt;ref&amp;gt;চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ, ইয়ার বুক ১৯৮০, পৃঃ১৮&amp;lt;/ref&amp;gt; ১৯১০ সালে চট্টগ্রাম বন্দরের সাথে রেলওয়ে সংযোগ সাধিত হয়। ১৯২৬ সালে চট্টগ্রাম বন্দরকে মেজর পোর্ট ঘোষণা করা হয়।&amp;lt;ref&amp;gt;মাহবুবুল হক, চিটাগাং গাইড, পৃঃ১৫&amp;lt;/ref&amp;gt; পাকিস্তান আমলে ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দের জুলাই মাসে চট্টগ্রাম পোর্ট কমিশনারকে চট্টগ্রাম পোর্ট ট্রাস্ট-এ পরিণত করা হয়, বাংলাদেশ আমলে ১৯৭৬ খ্রিস্টাব্দের সেপ্টেম্বর মাসে চট্টগ্রাম পোর্ট ট্রাস্ট-কে চট্টগ্রাম পোর্ট অথরিটিতে পরিণত করা হয়। &amp;lt;ref&amp;gt;চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ, ইয়ার বুক ১৯৮২, পৃঃ ২১&amp;lt;/ref&amp;gt; এটি একটি স্বায়ত্তশাসিত সরকারি সংস্থা।&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Duyel</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A7%8D_%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%A4_%E0%A6%86%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95_%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%B0&amp;diff=15356</id>
		<title>শাহ্ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A7%8D_%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%A4_%E0%A6%86%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95_%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%B0&amp;diff=15356"/>
		<updated>2026-09-17T20:25:30Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Duyel: নতুন পাতা&lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;&#039;&#039;&#039;শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর&#039;&#039;&#039; এর পূর্বের নাম এম এ হান্নান আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর ছিল। এটা চট্টগ্রামে অবস্থিত বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বিমানবন্দর।&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Duyel</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%9A%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AE_%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%97&amp;diff=15355</id>
		<title>চট্টগ্রাম বিভাগ</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%9A%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AE_%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%97&amp;diff=15355"/>
		<updated>2026-09-17T20:23:45Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Duyel: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;&#039;&#039;&#039;[[চট্টগ্রাম বিভাগ]]&#039;&#039;&#039; [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশের]] দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের একটি [[বাংলাদেশের প্রশাসনিক অঞ্চল|প্রশাসনিক বিভাগ]]। এটি দেশের বৃহত্তম [[বাংলাদেশের বিভাগ|বিভাগ]] এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, পাহাড়ি এলাকা ও প্রধান সমুদ্রবন্দর [[চট্টগ্রাম]] শহরের জন্য বিখ্যাত। চট্টগ্রাম বিভাগে মোট ১১টি জেলা রয়েছে।&amp;lt;ref&amp;gt;https://bn.banglapedia.org/index.php/%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6&amp;lt;/ref&amp;gt; &lt;br /&gt;
==জেলার তালিকা==  &lt;br /&gt;
চট্টগ্রাম বিভাগের অন্তর্ভুক্ত জেলাগুলো নিম্নরূপ:  &lt;br /&gt;
#[[চট্টগ্রাম জেলা]]&lt;br /&gt;
#[[কক্সবাজার জেলা]]&lt;br /&gt;
#[[বান্দরবান জেলা]]&lt;br /&gt;
#[[রাঙ্গামাটি জেলা]]&lt;br /&gt;
#[[খাগড়াছড়ি জেলা]]&lt;br /&gt;
#[[ফেনী জেলা]]&lt;br /&gt;
#[[ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা]]&lt;br /&gt;
#[[নোয়াখালী জেলা]]&lt;br /&gt;
#[[লক্ষ্মীপুর জেলা]]&lt;br /&gt;
#[[চাঁদপুর জেলা]]&lt;br /&gt;
#[[কুমিল্লা জেলা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==ভৌগোলিক অবস্থান==  &lt;br /&gt;
চট্টগ্রাম বিভাগের উত্তরে [[রংপুর বিভাগ]] ও [[রাজশাহী বিভাগ]], পশ্চিমে [[ঢাকা বিভাগ]] ও [[বরিশাল বিভাগ]], পূর্বে [[মিজোরাম]] ও [[ত্রিপুরা]] (ভারত), এবং দক্ষিণে [[বঙ্গোপসাগর]] অবস্থিত।  &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==উল্লেখযোগ্য শহর ও স্থান==  &lt;br /&gt;
*[[চট্টগ্রাম শহর]]: বাংলাদেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর এবং অর্থনৈতিক কেন্দ্র।&lt;br /&gt;
*[[কক্সবাজার]]: বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতের জন্য বিখ্যাত।&lt;br /&gt;
*[[সেন্ট মার্টিন দ্বীপ]]: বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ।&lt;br /&gt;
*[[রাঙ্গামাটি]]: পাহাড়ি এলাকা এবং [[কাপ্তাই হ্রদ|কাপ্তাই হ্রদের]] জন্য বিখ্যাত।&lt;br /&gt;
*[[বান্দরবান]]: [[নীলগিরি]] ও [[চিম্বুক পাহাড়|চিম্বুক পাহাড়ের]] জন্য পরিচিত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==জনসংখ্যা ও অর্থনীতি==  &lt;br /&gt;
চট্টগ্রাম বিভাগ বাংলাদেশের অন্যতম জনবহুল এবং অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল। এই অঞ্চলে প্রধানত [[শিল্প]], [[বন্দর কার্যক্রম]], [[পর্যটন]], এবং [[কৃষি]]র উপর নির্ভর করে অর্থনীতি গড়ে উঠেছে। [[চট্টগ্রাম বন্দরের]] মাধ্যমে দেশের অধিকাংশ আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম পরিচালিত হয়।  &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য==&lt;br /&gt;
চট্টগ্রাম বিভাগে [[চাকমা]], [[মারমা]], [[ত্রিপুরা]] এবং অন্যান্য পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতির বৈচিত্র্য দেখা যায়। এখানকার মানুষ [[বৌদ্ধ ধর্ম]], [[হিন্দু ধর্ম]], এবং [[ইসলাম ধর্ম|ইসলামের]] মিশ্র সংস্কৃতি ধারণ করে।  &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==পরিবহন==&lt;br /&gt;
চট্টগ্রাম বিভাগে [[রেলওয়ে|রেল]], [[সড়ক]] এবং [[নৌপথ|নৌপথের]] মাধ্যমে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের সাথে সহজ যোগাযোগ ব্যবস্থা রয়েছে। চট্টগ্রাম [[শাহ্ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর]] দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দর।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==আরও পড়ুন==  &lt;br /&gt;
*[[বাংলাদেশের প্রশাসনিক অঞ্চল]]&lt;br /&gt;
*[[বাংলাদেশের বিভাগসমূহ]]&lt;br /&gt;
*[[চট্টগ্রাম বন্দর]]&lt;br /&gt;
==তথ‍্যসূত্র==&lt;br /&gt;
{{সূত্র তালিকা}}&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের বিভাগ]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Duyel</name></author>
	</entry>
</feed>