<?xml version="1.0"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom" xml:lang="bn">
	<id>https://bn.bhikitia.org/api.php?action=feedcontributions&amp;feedformat=atom&amp;user=Protik+Sikder</id>
	<title>ভিকিটিয়া - ব্যবহারকারীর অবদান [bn]</title>
	<link rel="self" type="application/atom+xml" href="https://bn.bhikitia.org/api.php?action=feedcontributions&amp;feedformat=atom&amp;user=Protik+Sikder"/>
	<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%B7:%E0%A6%85%E0%A6%AC%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%A8/Protik_Sikder"/>
	<updated>2026-04-16T04:41:57Z</updated>
	<subtitle>ব্যবহারকারীর অবদান</subtitle>
	<generator>MediaWiki 1.42.3</generator>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%9B%E0%A6%A6%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%A8_%E0%A6%86%E0%A6%B9%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%A6_%E0%A6%9A%E0%A7%8C%E0%A6%A7%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%80&amp;diff=12837</id>
		<title>ছদরুদ্দিন আহমেদ চৌধুরী</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%9B%E0%A6%A6%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%A8_%E0%A6%86%E0%A6%B9%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%A6_%E0%A6%9A%E0%A7%8C%E0%A6%A7%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%80&amp;diff=12837"/>
		<updated>2025-06-01T18:31:41Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Protik Sikder: &amp;quot;ছদরুদ্দিন আহমেদ চৌধুরী&amp;quot; সুরক্ষিত করা হয়েছে ([সম্পাদনা=শুধুমাত্র স্বয়ংনিশ্চিতকৃত ব্যবহারকারীদের জন্য] (অসীম) [স্থানান্তর=শুধুমাত্র স্বয়ংনিশ্চিতকৃত ব্যবহারকারীদের জন্য] (অসীম))&lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;{{তথ্যছক ব্যক্তি&lt;br /&gt;
|name= ছদরুদ্দিন আহমেদ চৌধুরী&lt;br /&gt;
| image =ছদরুদ্দিন আহমেদ চৌধুরী.jpg&lt;br /&gt;
|occupation=বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক, অধ্যাপক &lt;br /&gt;
|nationality=বাংলাদেশি&lt;br /&gt;
|birth_date={{জন্ম তারিখ|1931|1|1|df=y}}&lt;br /&gt;
|birth_place=ফুলবাড়ি, [[গোলাপগঞ্জ উপজেলা]], [[সিলেট জেলা]], [[বেঙ্গল প্রেসিডেন্সী]], [[ব্রিটিশ ভারত]]&lt;br /&gt;
|death_date={{মৃত্যু তারিখ ও বয়স|2016|7|23|1931|1|1|df=y}}&lt;br /&gt;
|death_place=[[ঢাকা]], বাংলাদেশ&lt;br /&gt;
|alma_mater=[[ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়]]&amp;lt;br/&amp;gt;[[ম্যানচেস্টার বিশ্ববিদ্যালয়]]&lt;br /&gt;
|education=পিএইচডি (স্ফটিকবিজ্ঞান)&lt;br /&gt;
}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;অধ্যাপক ড. ছদরুদ্দিন আহমেদ চৌধুরী&#039;&#039;&#039; (১ জানুয়ারি ১৯৩১ – ২৩ জুলাই ২০১৬) ছিলেন একজন [[বাংলাদেশি]] [[শিক্ষক]] এবং পদার্থবিদ।&amp;lt;ref name=&amp;quot;star&amp;quot;&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি | ইউআরএল=http://www.thedailystar.net/city/first-sust-vc-dr-sadruddin-passes-away-1258396 | শিরোনাম=First Sust VC Dr Sadruddin passes away | কর্ম=[[দ্য ডেইলি স্টার (বাংলাদেশ)|দ্য ডেইলি স্টার]] | তারিখ=24 July 2016 | সংগ্রহের-তারিখ=24 July 2016}}&amp;lt;/ref&amp;gt; তিনি [[শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়]] এবং [[সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি]]র উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করেছেন।&amp;lt;ref name=&amp;quot;siu&amp;quot;&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি | ইউআরএল=http://www.siu.edu.bd/founder-vice-chancellor/ | শিরোনাম=Founder Vice Chancellor | প্রকাশক=Sylhet International University | সংগ্রহের-তারিখ=24 July 2016}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==শিক্ষা এবং কর্মজীবন==&lt;br /&gt;
তিনি ছদরুদ্দিন মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক [[সিলেট]] থেকে সম্পন্ন করেন।  [[ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়]] থেকে [[পদার্থ বিজ্ঞান]] বিভাগ থেকে ১৯৫১ এবং ১৯৫৪ সালে যথাক্রমে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর ডিগ্রী লাভ করেন। ১৯৬৬ সালে [[ম্যানচেস্টার বিশ্ববিদ্যালয়]] থেকে স্ফটিকবিজ্ঞানে [[ডক্টরেট|পিএইচডি]] ডিগ্রী অর্জন করেন।&amp;lt;ref name=&amp;quot;siu&amp;quot; /&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ছদরুদ্দিন [[লিবিয়া]]র [[আল ফাতেহ বিশ্ববিদ্যালয়|আল ফাতেহ বিশ্ববিদ্যালয়ের]] পদার্থবিজ্ঞানের [[অধ্যাপক]] হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি ১৯৮৯-১৯৯৪ সাল পর্যন্ত [[শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়|শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের]] প্রতিষ্ঠাকালীন উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করেছেন ও [[রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়|রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের]]ও পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি | ইউআরএল=http://dept.ru.ac.bd/apee/apee_archives/teacherlist.php?pageno=1&amp;amp;t=teacher&amp;amp;RecPerPage=ALL | শিরোনাম=Archives | প্রকাশক=Rajshahi University | সংগ্রহের-তারিখ=24 July 2016 | আর্কাইভের-তারিখ=১০ আগস্ট ২০১৭ | আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20170810212156/http://dept.ru.ac.bd/apee/apee_archives/teacherlist.php?pageno=1&amp;amp;t=teacher&amp;amp;RecPerPage=ALL | ইউআরএল-অবস্থা=অকার্যকর }}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ছদরুদ্দিন বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের সিলেট ইউনিটের সভাপতি ছিলেন।&amp;lt;ref name=&amp;quot;star&amp;quot; /&amp;gt;&lt;br /&gt;
==তথ্যসূত্র==&lt;br /&gt;
{{সূত্র তালিকা}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৩১-এ জন্ম]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:২০১৬-এ মৃত্যু]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:সিলেট জেলার ব্যক্তি]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশী শিক্ষায়তনিক]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশী পদার্থবিজ্ঞানী]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:ম্যানচেস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Protik Sikder</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%87%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BF-%E0%A6%AB%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BF_%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%98%E0%A6%BE%E0%A6%A4&amp;diff=12679</id>
		<title>ইসরায়েলি-ফিলিস্তিনি সংঘাত</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%87%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BF-%E0%A6%AB%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BF_%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%98%E0%A6%BE%E0%A6%A4&amp;diff=12679"/>
		<updated>2025-04-07T03:07:06Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Protik Sikder: &amp;quot;ইসরায়েলি-ফিলিস্তিনি সংঘাত&amp;quot; সুরক্ষিত করা হয়েছে ([সম্পাদনা=শুধুমাত্র প্রশাসকদের জন্য অনুমোদিত] (অসীম) [স্থানান্তর=শুধুমাত্র প্রশাসকদের জন্য অনুমোদিত] (অসীম))&lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;ইসরায়েলি-ফিলিস্তিনি সংঘাত অনেক দিন ধরে ফিলিস্তিন ও ইসরায়েল এর মধ্যে চলে আসা সংঘাতকে নির্দেশ করে। একে বৃহত্তর অর্থে আরব-ইসরায়েল সংঘাতের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ হিসেবেও আখ্যায়িত করা যায়। দুইটি আলাদা জাতি করার জন্য অনেক পরিকল্পনাই করা হয়েছে। এই পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়িত হলে ইসরায়েলের পাশে একটি স্বাধীন-সার্বভৌম ফিলিস্তিন রাষ্ট্রও গঠিত হতো। একটি সাম্প্রতিক জরিপে দেখা গেছে, দুই দেশের অধিকাংশ মানুষই এই সংঘাত নিরসনে অন্য যেকোন পরিকল্পনার তুলনায় দুই-জাতি পরিকল্পনাকে বেশি সমর্থন করে। অধিকাংশ ফিলিস্তিনি মনে করে, তাদের ভবিষ্যৎ রাষ্ট্র হওয়া উচিত পশ্চিম তীর ও গাজা উপত্যকা-কে কেন্দ্র করে। অধিকাংশ ইসরায়েলীও এই ধারণা সমর্থন করে। হাতে গোনা মাত্র কয়েকজন শিক্ষাবিদ সবকিছু বাদ দিয়ে একটিমাত্র রাষ্ট্র গঠনকে সমর্থন করে। তাদের মতে সমগ্র ইসরায়েল, পশ্চিম তীর ও গাজা মিলে একটি দ্বি-জাতীয় রাষ্ট্র গঠিত হওয়া উচিত যেখানে সবার সমান অধিকার থাকবে। কিন্তু এ নিয়ে কোন স্থির সিদ্ধান্তে আসা সম্ভব হয়নি। কারণ প্রত্যেকেই অন্যের কোন না কোন প্রস্তাবে অসম্মতি জ্ঞাপন করছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই সংঘাতে দেশী-বিদেশী অনেকগুলো শক্তি ও বিষয় জড়িয়ে পড়েছে। সংঘাতে সরাসরি অংশ নেয়া দলগুলো হচ্ছে, এক পক্ষে ইসরায়েল সরকার যার প্রধান নেতা এহুদ ওলমার্ট। আর অন্য পক্ষে ফিলিস্তিন লিবারেশন অর্গানাইজেশন (পিএলও) যার প্রধান নেতা বর্তমানে মাহমুদ আব্বাস। এই দুই পক্ষের মধ্যে আনুষ্ঠানিক সমঝোতা তৈরীতে কেন্দ্রী চরিত্র হিসেবে কাজ করে কোয়ার্টেট অফ দ্য মিড্‌ল ইস্ট (বা শুধু কোয়ার্টেট) নামে পরিচিত একটি দল। এই দলে কূটনৈতিকভাবে অংশ নেয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং জাতিসংঘ। আরব লীগ এই সংঘাতের আরেক নায়ক যারা একটি বিকল্প শান্তি পরিকল্পনা পেশ করেছে। আরব লীগের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মিশর এতে মুখ্য ভূমিকা রাখছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২০০৬ সালের পর থেকে প্যালেস্টাইনীয় (ফিলিস্তিনি) অংশ দুটি প্রধান দলে বিভক্ত হয়ে পড়েছে: ফাতাহ এবং হামাস। এর মধ্যে ফাতাহ-ই বর্তমানে সবচেয়ে বড় দল। এর ফলে দেশের কেন্দ্রীয় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কর্তৃক শাসিত মূল ভূমি ব্যবহারিক অর্থে দুই ভাগে ভাগ হয়ে গেছে: পশ্চিম তীরে (West Bank) ফাতাহ এবং গাজা উপত্যকায় হামাস প্রভাব বিস্তার করেছে। এতে সমস্যা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে, কারণ ইসরায়েলসহ অনেকগুলো দেশই হামাসকে সন্ত্রাসী সংগঠন মনে করে। তার মানে, ২০০৬ সালে এর নির্বাচনে হামাস সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে বিজয়ী হলেও তাদেরকে কোন আন্তর্জাতিক সমঝোতা অনুষ্ঠানে অংশ নিতে দেয়া হবে না।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সবচেয়ে সাম্প্রতিক সময়ের সমঝোতা অনুষ্ঠানটি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ড অঙ্গরাজ্যের অ্যানাপোলিসে, ২০০৭ সালের নভেম্বর মাসে। এই আলোচনার মাধ্যমে ২০০৮ সালে এর শেষ নাগাদ একটি চিরস্থায়ী শান্তি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হয়েছিল। অংশগ্রহণকারী দলগুলো বলেছে, ৬ টি প্রধান বিষয় আছে যেগুলোর সমাধান না হলে শান্তি আসবে না। এগুলো হচ্ছে: জেরুসালেম, শরণার্থী, আবাসন, নিরাপত্তা, সীমান্ত এবং পানি। এই বিষয়গুলো নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের অভ্যন্তরে এই সংঘাত নিয়ে বিভিন্ন রকম মতামতের সৃষ্টি হয়েছে। এর মাধ্যমে বোঝা যায়, সংঘাতটা শুধু ইসরায়েল আর ফিলিস্তিনের মধ্যে নয়, উভয়ের অভ্যন্তরেও অনেক অন্তর্দ্বন্দ্ব বিদ্যমান। এই সংঘাতের সবচেয়ে বীভৎস দিক হচ্ছে দীর্ঘমেয়াদী সহিংসতা। অনেক দিন ধরে এই অঞ্চলে এক নাগাড়ে হতাহতের ঘটনা ঘটছে। এই যুদ্ধে অংশ নিচ্ছে সেনাবাহিনী, আধাসামরিক বাহিনী এবং সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলো। শুধু সামরিক লোকই মারা যাচ্ছে না, সাথে প্রচুর বেসামরিক হতাহতের ঘটনা ঘটছে।&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Protik Sikder</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%87%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BF-%E0%A6%AB%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BF_%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%98%E0%A6%BE%E0%A6%A4&amp;diff=12678</id>
		<title>ইসরায়েলি-ফিলিস্তিনি সংঘাত</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%87%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BF-%E0%A6%AB%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BF_%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%98%E0%A6%BE%E0%A6%A4&amp;diff=12678"/>
		<updated>2025-04-07T03:06:52Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Protik Sikder: &amp;quot;ইসরায়েলি-ফিলিস্তিনি সংঘাত অনেক দিন ধরে ফিলিস্তিন ও ইসরায়েল এর মধ্যে চলে আসা সংঘাতকে নির্দেশ করে। একে বৃহত্তর অর্থে আরব-ইসরায়েল সংঘাতের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ হিসেবেও...&amp;quot; দিয়ে পাতা তৈরি&lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;ইসরায়েলি-ফিলিস্তিনি সংঘাত অনেক দিন ধরে ফিলিস্তিন ও ইসরায়েল এর মধ্যে চলে আসা সংঘাতকে নির্দেশ করে। একে বৃহত্তর অর্থে আরব-ইসরায়েল সংঘাতের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ হিসেবেও আখ্যায়িত করা যায়। দুইটি আলাদা জাতি করার জন্য অনেক পরিকল্পনাই করা হয়েছে। এই পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়িত হলে ইসরায়েলের পাশে একটি স্বাধীন-সার্বভৌম ফিলিস্তিন রাষ্ট্রও গঠিত হতো। একটি সাম্প্রতিক জরিপে দেখা গেছে, দুই দেশের অধিকাংশ মানুষই এই সংঘাত নিরসনে অন্য যেকোন পরিকল্পনার তুলনায় দুই-জাতি পরিকল্পনাকে বেশি সমর্থন করে। অধিকাংশ ফিলিস্তিনি মনে করে, তাদের ভবিষ্যৎ রাষ্ট্র হওয়া উচিত পশ্চিম তীর ও গাজা উপত্যকা-কে কেন্দ্র করে। অধিকাংশ ইসরায়েলীও এই ধারণা সমর্থন করে। হাতে গোনা মাত্র কয়েকজন শিক্ষাবিদ সবকিছু বাদ দিয়ে একটিমাত্র রাষ্ট্র গঠনকে সমর্থন করে। তাদের মতে সমগ্র ইসরায়েল, পশ্চিম তীর ও গাজা মিলে একটি দ্বি-জাতীয় রাষ্ট্র গঠিত হওয়া উচিত যেখানে সবার সমান অধিকার থাকবে। কিন্তু এ নিয়ে কোন স্থির সিদ্ধান্তে আসা সম্ভব হয়নি। কারণ প্রত্যেকেই অন্যের কোন না কোন প্রস্তাবে অসম্মতি জ্ঞাপন করছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই সংঘাতে দেশী-বিদেশী অনেকগুলো শক্তি ও বিষয় জড়িয়ে পড়েছে। সংঘাতে সরাসরি অংশ নেয়া দলগুলো হচ্ছে, এক পক্ষে ইসরায়েল সরকার যার প্রধান নেতা এহুদ ওলমার্ট। আর অন্য পক্ষে ফিলিস্তিন লিবারেশন অর্গানাইজেশন (পিএলও) যার প্রধান নেতা বর্তমানে মাহমুদ আব্বাস। এই দুই পক্ষের মধ্যে আনুষ্ঠানিক সমঝোতা তৈরীতে কেন্দ্রী চরিত্র হিসেবে কাজ করে কোয়ার্টেট অফ দ্য মিড্‌ল ইস্ট (বা শুধু কোয়ার্টেট) নামে পরিচিত একটি দল। এই দলে কূটনৈতিকভাবে অংশ নেয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং জাতিসংঘ। আরব লীগ এই সংঘাতের আরেক নায়ক যারা একটি বিকল্প শান্তি পরিকল্পনা পেশ করেছে। আরব লীগের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মিশর এতে মুখ্য ভূমিকা রাখছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২০০৬ সালের পর থেকে প্যালেস্টাইনীয় (ফিলিস্তিনি) অংশ দুটি প্রধান দলে বিভক্ত হয়ে পড়েছে: ফাতাহ এবং হামাস। এর মধ্যে ফাতাহ-ই বর্তমানে সবচেয়ে বড় দল। এর ফলে দেশের কেন্দ্রীয় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কর্তৃক শাসিত মূল ভূমি ব্যবহারিক অর্থে দুই ভাগে ভাগ হয়ে গেছে: পশ্চিম তীরে (West Bank) ফাতাহ এবং গাজা উপত্যকায় হামাস প্রভাব বিস্তার করেছে। এতে সমস্যা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে, কারণ ইসরায়েলসহ অনেকগুলো দেশই হামাসকে সন্ত্রাসী সংগঠন মনে করে। তার মানে, ২০০৬ সালে এর নির্বাচনে হামাস সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে বিজয়ী হলেও তাদেরকে কোন আন্তর্জাতিক সমঝোতা অনুষ্ঠানে অংশ নিতে দেয়া হবে না।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সবচেয়ে সাম্প্রতিক সময়ের সমঝোতা অনুষ্ঠানটি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ড অঙ্গরাজ্যের অ্যানাপোলিসে, ২০০৭ সালের নভেম্বর মাসে। এই আলোচনার মাধ্যমে ২০০৮ সালে এর শেষ নাগাদ একটি চিরস্থায়ী শান্তি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হয়েছিল। অংশগ্রহণকারী দলগুলো বলেছে, ৬ টি প্রধান বিষয় আছে যেগুলোর সমাধান না হলে শান্তি আসবে না। এগুলো হচ্ছে: জেরুসালেম, শরণার্থী, আবাসন, নিরাপত্তা, সীমান্ত এবং পানি। এই বিষয়গুলো নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের অভ্যন্তরে এই সংঘাত নিয়ে বিভিন্ন রকম মতামতের সৃষ্টি হয়েছে। এর মাধ্যমে বোঝা যায়, সংঘাতটা শুধু ইসরায়েল আর ফিলিস্তিনের মধ্যে নয়, উভয়ের অভ্যন্তরেও অনেক অন্তর্দ্বন্দ্ব বিদ্যমান। এই সংঘাতের সবচেয়ে বীভৎস দিক হচ্ছে দীর্ঘমেয়াদী সহিংসতা। অনেক দিন ধরে এই অঞ্চলে এক নাগাড়ে হতাহতের ঘটনা ঘটছে। এই যুদ্ধে অংশ নিচ্ছে সেনাবাহিনী, আধাসামরিক বাহিনী এবং সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলো। শুধু সামরিক লোকই মারা যাচ্ছে না, সাথে প্রচুর বেসামরিক হতাহতের ঘটনা ঘটছে।&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Protik Sikder</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6_%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%80_%E0%A6%A6%E0%A6%B2&amp;diff=12647</id>
		<title>বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6_%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%80_%E0%A6%A6%E0%A6%B2&amp;diff=12647"/>
		<updated>2025-03-21T11:02:20Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Protik Sikder: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র-ডান থেকে ডানপন্থী রাজনৈতিক দল। তৎকালীন জিয়াউর রহমান ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর এই দলটি প্রতিষ্ঠা করেন। এর আগে, ১৯৭৭ সালের ৩০ এপ্রিল, [[জিয়াউর রহমান]] তার শাসনকে বেসামরিক করার উদ্দেশ্যে ১৯ দফা কর্মসূচি চালু করেন। পরবর্তীতে, রাষ্ট্রপতির পদের জন্য নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত নিলে, তার নেতৃত্বে জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক দল (জাগদল) প্রতিষ্ঠিত হয়। এই দলের সমন্বয়ক ছিলেন [[আব্দুস সাত্তার]]।&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Protik Sikder</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A6%9B%E0%A6%B0&amp;diff=11792</id>
		<title>বছর</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A6%9B%E0%A6%B0&amp;diff=11792"/>
		<updated>2025-03-04T11:33:49Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Protik Sikder: &amp;quot;বছর&amp;quot; সুরক্ষিত করা হয়েছে ([সম্পাদনা=শুধুমাত্র প্রশাসকদের জন্য অনুমোদিত] (অসীম) [স্থানান্তর=শুধুমাত্র প্রশাসকদের জন্য অনুমোদিত] (অসীম)) [প্রপাতাকার]&lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;[[File:Analemma fishburn.tif|thumb|একবছর দিনের নির্দিষ্ট সময়ে সূর্যের অবস্থান বদল ইলাস্ট্রেশন]]&lt;br /&gt;
এক &#039;&#039;&#039;বছর&#039;&#039;&#039; বলতে সূর্যকে ঘিরে কক্ষপথে পৃথিবী ঘোরার সময় একই ঘটনা দুইবার ঘটার মধ্যে সময়ের ব্যবধানকে বোঝায়। যেকোন গ্রহের ক্ষেত্রেই এই সংজ্ঞা প্রযোজ্য। যেমন - মঙ্গল গ্রহের বছর বলতে মঙ্গল গ্রহের জন্য এক বছরকে বোঝায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== প্রতীক ==&lt;br /&gt;
=== প্রতীক a ===&lt;br /&gt;
=== এসআই উপসর্গ গুণক ===&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;Ka&#039;&#039;&#039; বা &#039;&#039;&#039;কিলোবর্ষ&#039;&#039;&#039; (kiloannus জন্য), এক হাজার (১০&amp;lt;sup&amp;gt;৩&amp;lt;/sup&amp;gt;) বছর  [[সহস্রাব্দ|সমান সময়ের একটি একক]]।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;Ma&#039;&#039;&#039; বা &#039;&#039;&#039;মেগাবর্ষ&#039;&#039;&#039; (megaannus-এর জন্য), দশ [[নিযুত|লক্ষ]] (১০&amp;lt;sup&amp;gt;৬&amp;lt;/sup&amp;gt;) বছর সমান সময়ের একটি একক।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;Ga&#039;&#039;&#039; বা &#039;&#039;&#039;গিগাবর্ষ&#039;&#039;&#039; (gigaannus-এর জন্য), একশো [[কোটি]] (১০&amp;lt;sup&amp;gt;৯&amp;lt;/sup&amp;gt;) বছর সমান সময়ের একটি একক।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;Ta&#039;&#039;&#039; বা &#039;&#039;&#039;টেরাবর্ষ&#039;&#039;&#039; (teraannus-এর জন্য), এক লক্ষ [[কোটি]] (১০&amp;lt;sup&amp;gt;১২&amp;lt;/sup&amp;gt;) বছর সমান সময়ের একটি একক।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;Pa&#039;&#039;&#039; বা &#039;&#039;&#039;পিটাবর্ষ&#039;&#039;&#039; (petaannus-এর জন্য), দশ কোটি [[কোটি]] (১০&amp;lt;sup&amp;gt;১৫&amp;lt;/sup&amp;gt;) বছর সমান সময়ের একটি একক।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;Ea&#039;&#039;&#039; বা &#039;&#039;&#039;এক্সাবর্ষ&#039;&#039;&#039; (exaannus-এর জন্য), দশ হাজার কোটি [[কোটি]] (১০&amp;lt;sup&amp;gt;১৮&amp;lt;/sup&amp;gt;) বছর সমান সময়ের একটি একক।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
=== প্রতীকসমূহ y এবং yr ===&lt;br /&gt;
{|class=&amp;quot;wikitable&amp;quot;&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| এসআই সংক্ষেপ নয় || এসআই-পূর্বনির্ধারিত সমতুল্য || মাত্রার ক্রম&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| &#039;&#039;&#039;[[kyr]]&#039;&#039;&#039;|| ka ||&lt;br /&gt;
* হাজার বছর&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| &#039;&#039;&#039;[[myr]]&#039;&#039;&#039; || Ma ||&lt;br /&gt;
* দশ লাখ বছর&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| &#039;&#039;&#039;[[byr]]&#039;&#039;&#039;  || Ga ||&lt;br /&gt;
* শত কোটি বছর&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| &#039;&#039;&#039;kya&#039;&#039;&#039; বা &#039;&#039;&#039;tya&#039;&#039;&#039; || &amp;quot;ka ago&amp;quot; || {{মূল নিবন্ধ|1 E10 s|1 E11 s|1 E12 s}}&lt;br /&gt;
* &#039;&#039;[[মানুষ|হোমো স্যাপিয়েন্সের]]&#039;&#039; আবির্ভাব, {{c.|২০০}} kya&lt;br /&gt;
* [[Out-of-Africa migration]], {{c.|৬০}} kya&lt;br /&gt;
* [[Last Glacial Maximum|সর্বশেষ বরফতুল্য সর্বোচ্চ]], {{c.|২০}} kya&lt;br /&gt;
* [[Neolithic Revolution|নিওলিথিক বিপ্লব]], {{c.|১০}} kya&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| {{Anchor|mya}}&#039;&#039;&#039;mya&#039;&#039;&#039; || &amp;quot;Ma ago&amp;quot; || {{মূল নিবন্ধ|1 E13 s|1 E14 s|1 E15 s}}&lt;br /&gt;
* [[Pliocene|প্যালিওলিথিক]], ৫.৩ থেকে ২.৬ mya&lt;br /&gt;
** [[Brunhes–Matuyama reversal|সর্বশেষ ভূচৌম্বকীয় বিপরীতমুখী]] ছিল ০.৭৮ mya&amp;lt;ref&amp;gt;{{সাময়িকী উদ্ধৃতি|লেখক=Bradford M. Clement|শিরোনাম=Dependence of the duration of geomagnetic polarity reversals on site latitude|ইউআরএল=https://archive.org/details/sim_nature-uk_2004-04-08_428_6983/page/637|তারিখ=April 8, 2004|সাময়িকী=Nature|খণ্ড=428|pmid=15071591|ডিওআই=10.1038/nature02459 |সংখ্যা নং=6983 |পাতাসমূহ=637–40|বিবকোড = 2004Natur.428..637C }}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
** ([[Eemian Stage]]) [[তুষার যুগ]] শুরু হয়েছে ০.১৩ mya&lt;br /&gt;
* [[Holocene|হলোসিন]] শুরু হয়েছে ০.০১ mya&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| &#039;&#039;&#039;bya&#039;&#039;&#039; বা &#039;&#039;&#039;gya&#039;&#039;&#039; || &amp;quot;Ga ago&amp;quot; || {{মূল নিবন্ধ|1 E16 s|1 E17 s|1 E18 s}}&lt;br /&gt;
* প্রাচীনতম [[সুকেন্দ্রিক]], ২ bya&lt;br /&gt;
* [[পৃথিবী]]র বয়স, ৪.৫ bya&lt;br /&gt;
* [[মহাবিস্ফোরণ]], ১৩.৮ bya&lt;br /&gt;
|}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== তথ্যসূত্র ==&lt;br /&gt;
{{সূত্র তালিকা}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
{{Time measurement and standards}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:বছর]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:সময়ের একক]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Protik Sikder</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%AD%E0%A7%8C%E0%A6%AE%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AC&amp;diff=11791</id>
		<title>সার্বভৌমত্ব</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%AD%E0%A7%8C%E0%A6%AE%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AC&amp;diff=11791"/>
		<updated>2025-03-04T11:33:06Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Protik Sikder: &amp;quot;সার্বভৌমত্ব&amp;quot; সুরক্ষিত করা হয়েছে ([সম্পাদনা=শুধুমাত্র প্রশাসকদের জন্য অনুমোদিত] (অসীম) [স্থানান্তর=শুধুমাত্র প্রশাসকদের জন্য অনুমোদিত] (অসীম)) [প্রপাতাকার]&lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;&#039;&#039;&#039;সার্বভৌমত্ব  :&#039;&#039;&#039; কোনো [[রাষ্ট্র]] যে ক্ষমতাবলে  রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ সকল ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের উপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে পারে এবং বহির্শক্তির নিয়ন্ত্রণ ও হস্তক্ষেপ থেকে মুক্ত থাকতে পারে,  তাকে সার্বভৌমত্ত্ব বলে।  সার্বভৌমত্ব কোনো পরিচালনা পরিষদের বাইরের কোনো উৎস বা সংগঠনের হস্তক্ষেপ ছাড়া কাজ করার পূর্ণ অধিকার ও ক্ষমতা।&amp;lt;ref name=&amp;quot;:1&amp;quot;&amp;gt;{{বই উদ্ধৃতি|শেষাংশ=Spruyt|প্রথমাংশ=Hendrik|ইউআরএল=https://www.jstor.org/stable/j.ctvzxx91t|শিরোনাম=The Sovereign State and Its Competitors: An Analysis of Systems Change|তারিখ=1994|খণ্ড=176|প্রকাশক=Princeton University Press|আইএসবিএন=978-0-691-03356-3|পাতাসমূহ=3–7|ডিওআই=10.2307/j.ctvzxx91t|jstor=j.ctvzxx91t|s2cid=221904936}}&amp;lt;/ref&amp;gt; রাজনৈতিক তত্ত্ব অনুযায়ী, সার্বভৌমত্ব কোনো একটি রাষ্ট্রব্যবস্থার উপর সর্বোচ্চ ক্ষমতা নির্দেশকারী একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিভাষা।&amp;lt;ref name=&amp;quot;Britannica&amp;quot;&amp;gt;{{বিশ্বকোষ উদ্ধৃতি|বিশ্বকোষ=[[Encyclopædia Britannica]]|শিরোনাম=sovereignty (politics)|ইউআরএল=http://www.britannica.com/EBchecked/topic/557065/sovereignty|সংগ্রহের-তারিখ=5 August 2010|আর্কাইভের-তারিখ=৩ মে ২০১৫|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20150503104728/http://www.britannica.com/EBchecked/topic/557065/sovereignty|ইউআরএল-অবস্থা=কার্যকর}}&amp;lt;/ref&amp;gt; এটি রাষ্ট্রগঠনের সার্বভৌমত্বকেন্দ্রিক মতবাদের একটি মূলনীতি। এটি রাষ্ট্র গঠনের মূখ্য উপাদান। আর সার্বভৌমের আদর্শই হলো আইন।এই উপাদান ব্যতীত কোন রাষ্ট্র গঠিত হতে পারে না।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==সার্বভৌমত্বের প্রকারভেদ ==&lt;br /&gt;
সার্বভৌমত্বের বিভিন্ন ধারণা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রচুর আলোচনা হয়েছে, এবং এই বিতর্ক এখনো চলমান রয়েছে। এর ফলে সার্বভৌমত্বের সংজ্ঞা, ধারণা এবং প্রয়োগে পরিবর্তন এসেছে, বিশেষ করে আলোকায়নের সময়ে। সার্বভৌমত্বের বর্তমান ধারণায় ভূখণ্ড, জনসংখ্যা, কর্তৃপক্ষ এবং স্বীকৃতি– এই চারটি দিক রয়েছে। স্টিফেন ডি. ক্রাসনার এর মতে, এই শব্দটি চারটি ভিন্ন ভিন্ন উপায়ে অনুধাবন করা যায়ঃ&lt;br /&gt;
* অভ্যন্তরীন সার্বভৌমত্ব – রাষ্ট্রের অভ্যন্তরে রাষ্ট্রের কোনো কর্তৃপক্ষের চর্চিত সর্বময় ক্ষমতা।&lt;br /&gt;
* আন্তঃনির্ভরশীল সার্বভৌমত্ব – রাষ্ট্রের সীমান্ত আছে ধরে নিয়ে তাতে চলাচলের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ।&lt;br /&gt;
* আন্তর্জাতিক আইনি সার্বভৌমত্ব – অন্যান্য সার্বভৌম রাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি। আন্তর্জাতিক আইনি সার্বভৌমত্বের উদাহরণ হিসেবে বলা যেতে পারে যে, শায়েখতান্ত্রিক সার্বভৌমত্ব [[শায়েখতন্ত্র]], রাজকীয় সার্বভৌমত্ব, রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব ও ইসলামিক সার্বভৌমত্ব ইত্যাদি।&lt;br /&gt;
* ওয়েস্টফ্যালিয়ান সার্বভৌমত্ব – রাষ্ট্রের অভ্যন্তরে অন্যান্য কর্তৃপক্ষের  উপর রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষের কর্তৃত্ব (এই ধরনের প্রতিষ্ঠানের উদাহরণঃ বাহ্যিক ধর্মীয় কিংবা রাজনৈতিক সংগঠন কিংবা অন্য কোনো বাহ্যিক শক্তি)।&lt;br /&gt;
আমরা প্রায়ই এই চারটি ধারণাকে একত্রে আসতে দেখি, কিন্তু এটি অপরিহার্য নয়। এই চারটি দিক একটি আরেকটির দ্বারা প্রভাবিত নয়, এবং এক দিয়ে সার্বভৌম না হয়েও অন্য দিক দিয়ে সার্বভৌম ছিল, এ ধরনের রাষ্ট্রের উদাহরণ ইতিহাসে পাওয়া যায়। ইমানুয়েল ওয়ালারস্টেইনের মতে, সার্বভৌমত্বের আরেকটি মৌলিক বৈশিষ্ট্য হল একে অর্থবহ হতে হলে বাকিদের কাছ থেকে এর স্বীকৃতি থাকতে হবে, &amp;quot;সার্বভৌমত্ব একটি আইনি ব্যাপারের বাইরেও কিছু একটা, (...যার) পারস্পারিক স্বীকৃতি দরকার হয়। সার্বভৌমত্ব একটি কাল্পনিক বাণিজ্য, যাতে দুটি সম্ভাব্য বিরোধী পক্ষ বাস্তব সক্ষমতাকে সম্মান করে এই ধরনের স্বীকৃতিকে তাদের সবচেয়ে কম ব্যয়বহুল কৌশল হিসাবে গ্রহণ করে।&amp;quot;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== ইতিহাস ==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
=== ধ্রুপদী ধারণা ===&lt;br /&gt;
রোমান আইনজ্ঞ উলপিয়ান লক্ষ করেন যে&lt;br /&gt;
* জনগণ তাদের নিয়ন্ত্রণ এবং ক্ষমতা সম্রাটের কাছে স্থানান্তর করে। Cum lege regia, quae de imperio eius lata est, populus ei et in eum omne suum imperium et potestatem conferat (Digest I.4.1)&lt;br /&gt;
* সম্রাট কোনো আইনের অধীন নন। Princeps legibus solutus est (Digest I.3.31)&lt;br /&gt;
* সম্রাটের ইচ্ছাই সংবিধান। Quod principi placuit legis habet vigorem. (Digest I.4.1)&lt;br /&gt;
যদিও তিনি সরাসরি বলেননি, তবু সম্রাট এক ধরনের চূড়ান্ত ক্ষমতা চর্চা করতেন, যার উৎপত্তি জনতার থেকেই, এমন একটি ধারণা উলপিয়ান ব্যক্ত করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
=== মধ্যযুগীয় ধারণা ===&lt;br /&gt;
উলপিয়ানের ধ্রুপদী বক্তব্য মধ্যযুগীয় ইউরোপে অজানা ছিল না, কিন্তু মধ্যযুগীয় সময়ে সার্বভৌমত্ব একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণা ছিল। [[মধ্যযুগ|মধ্যযুগে]]&amp;lt;nowiki/&amp;gt;র রাজারা সার্বভৌম ছিলেন না, অন্ততঃ অতটা শক্তিশালী না, কারণ তাদের অভিজাত সামন্তদের সাথে ক্ষমতা ভাগ করতে হত এবং সামন্তরা তাদের কাজ নিয়ন্ত্রণ করতেন। উপরন্তু, দুই শ্রেণীকেই প্রথা মেনে চলতে হত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মধ্যযুগে সার্বভৌমত্ব রাজন্য ও অভিজাতদের de jure অধিকার হিসাবে এবং ব্যক্তি জীবনে তাদের নিজস্ব পছন্দগুলি তৈরি করার de facto ক্ষমতা হিসাবে উপস্থিত ছিল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১৩৮০ থেক ১৮০০ সালের কাছাকাছি সময়ে জ্যোফ্রে চৌসাটারের মিডল ইংলিশ সংগ্রহে ক্যানটারবেরী টেলস, বিশেষত দ্য ওয়াইফ অফ বাথের গল্পে নারীবাদী সার্বভৌমত্বের বিষয়টি নিয়ে কথা বলা হয়েছিল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পরে ইংরেজ আর্থারিয়ান রোম্যান্স, দ্য ওয়েডিং অফ স্যার গোয়াইন ও ডাম র‍্যাগনিয়েল (1450 খ্রিষ্টাব্দ), দ্য ওয়াইফ অফ বাথ গল্পের অনেক উপাদান ব্যবহার করে, তবে রাজা আর্থার এবং নাইটদের আদালতের প্রেক্ষাপটে গল্পটি সাজায়। এর গল্প নাইট স্যার গোয়েনের তার নববঁধু ডাম র‍্যাগনিয়েলকে সার্বভৌমত্ব প্রদানকে ঘিরে আবর্তিত হয়, যাকে নারীদের চূড়ান্ত চাওয়া হিসাবে দেখানো হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
=== পুণর্জাগরণ ===&lt;br /&gt;
মধ্যযুগে সার্বভৌমত্ব অভিজাতদের &#039;ডেই জুরে&#039; অধিকার হিসাবে এবং ব্যক্তির নিজের জীবনের সিদ্ধান্ত নেয়ার &#039;ডেই ফ্যাক্টো&#039; সক্ষমতা হিসাবে বর্তমান ছিল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
একটি ধারণা হিসাবে সার্বভৌমত্বের পূণর্জাগরণ ঘটে ষোড়শ শতাব্দীতে, এমন একটি সময়ে যখন গৃহযুদ্ধ একটি কেন্দ্রীয় শক্তিশালী কর্তৃপক্ষের বাসনা তৈরি করেছিল, যখন সামন্ত রাজারা তাদের আভিজাত্যের বিনিময়ে নিজেদের হাতে ক্ষমতা পুঞ্জিভূত করছিল, এবং আধুনিক জাতিরাষ্ট্র গড়ে উঠছিল। জীন বোদিন, কিছুটা ফ্রান্সের ধর্মযুদ্ধগুলোর প্রতিক্রিয়াস্বরূপ শক্তিশালী কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষ হিসাবে পরম রাজতন্ত্রের আকারে সার্বভৌমত্বের তত্ত্ব প্রদান করেন। ১৫৭৬ সালে তিনি তার বই &#039;&#039;Les Six Livres de la République&#039;&#039; (প্রজাতন্ত্রের ছয়টি বই) এ যুক্তি দেখান, সহজাতভাবেই সার্বভৌমত্বকে হতে হবেঃ&lt;br /&gt;
* পরমঃ এই অংশে তিনি বলেন যে সার্বভৌম সত্ত্বাকে অবশ্যই দায়িত্ব ও শর্ত থেকে স্বাধীন হতে হবে, অধীনদের অনুমোদন ছাড়াও আইন প্রণয়নের ক্ষমতা থাকতে হবে, পূর্বসূরীদের আইনের অধীন হবে না, এবং নিজের আইনেরও অধীনে থাকবে না, কারণ এটি অযৌক্তিক।&lt;br /&gt;
* স্থায়ীঃ এটি কোনো জরুরী অবস্থায় কোনো নেতা কিংবা কোনো রাষ্ট্রীয় কর্মচারী যেমন ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পিত দায়িত্ব নয়। যিনি সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী তাকে স্থায়ী হতে হবে, কারণ সময়সীমা আরোপ করার সক্ষমতা আছে এমন কাউকে অবশ্যই সার্বভৌম শক্তির চেয়েও শক্তিশালী হতে হবে, যা পরম ক্ষমতার অধিকারী কর্তৃপক্ষের ক্ষেত্রে অসম্ভব।&lt;br /&gt;
জনগণের কাছ থেকে শাসকের কাছে (সার্বভৌম হিসাবেও পরিচিত) সার্বভৌমত্ব স্থানান্তরের ধারণা বোদিন প্রত্যাখ্যান করেছিলেন; প্রাকৃতিক নিয়ম এবং ঐশ্বরিক আইন সার্বভৌম শাসন করার অধিকার প্রদান করে। এবং সার্বভৌম ব্যক্তি ঐশ্বরিক আইন বা প্রাকৃতিক নিয়মের ঊর্ধ্বে নন, বরং তিনি কেবল মানবসৃষ্ট আইনের উর্ধ্বে। তিনি ঐশ্বরিক আইন থেকে উদ্ভূত কিছু মৌলিক নিয়ম, প্রাকৃতিক নিয়ম, যুক্তি, সকল দেশের জন্য প্রযোজ্য সাধারণ আইন এবং সার্বভৌম ও তার উত্তরসুরি নির্ধারণ এবং সার্বভৌমের ক্ষমতার সীমা কী হবে এসব ব্যাপার নির্ধারণকারী রাষ্ট্রের মৌলিক আইনের প্রতি সার্বভৌমের লক্ষ রাখার ব্যাপারে জোর দেন। এইভাবে, বোদিনের সার্বভৌমের ক্ষমতা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক আইন এবং প্রতিটি মানুষের উপর আরোপিত উচ্চতর আইন দ্বারা সীমাবদ্ধ ছিল। সার্বভৌমের ঐশ্বরিক ও প্রাকৃতিক আইন মেনে চলার ব্যাপারটি তার কাজকর্মে কিছু নৈতিক সীমারেখা টেনে দেয়। বোদিন lois royales বা ফরাসী রাজতন্ত্রের কিছু মৌলিক আইন যার দ্বারা উত্তরাধিকারের মত ব্যাপারগুলো নিয়ন্ত্রিত হত, কেও প্রাকৃতিক নিয়ম এবং ফরাসী সার্বভৌমের অবশ্য পালনীয় হিসাবে তুলে ধরেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পরমত্বের ধারণায় বিশ্বাসী হওয়ার পরেও বাস্তবক্ষেত্রে সরকারের কীভাবে কাজ করা উচিত, এ ব্যাপারে বোদিনের কিছু মধ্যপন্থী মতামত ছিল। তিনি বলেন, সার্বভৌম বাধ্য না হলেও বাস্তবে উপদেশ পাওয়ার জন্য তার একটি সিনেট আহ্বান করা উচিত, আইনের মাধ্যমে বিচারকদের হাতে কিছু প্রাশাসনিক ক্ষমতা প্রদান করা উচিত এবং জনগণের সাথে যোগাযোগের উপায় হিসেবে একটি ব্যবস্থাপক সভা রাখা উচিত। বোদিন বিশ্বাস করতেন &amp;quot;সবচেয়ে ঐশ্বরিক, সবচেয়ে চমৎকার এবং সঠিক রাষ্ট্র&amp;quot; আংশিকভাবে গণতান্ত্রিক উপায়ে ও আংশিকভাবে অভিজাতদের দ্বারা শাসিত হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বোদিন তার মতবাদে রাজাদের ঐশ্বরিক ক্ষমতাকে নির্ধারণ করে দেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
=== আলোকায়নের যুগ ===&lt;br /&gt;
আলোকায়নের যুগে সার্বভৌমত্বের ধারণা পশ্চিমা রাষ্ট্রের বর্ণনায় আইনি ও নৈতিক শক্তি হয়ে উঠে। নির্দিষ্ট করে সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠার উপায় হিসাবে &amp;quot;সামাজিক চুক্তি&amp;quot;র চুক্তির প্রস্তাব করা হয়, এবং ১৮০০ সালের মধ্যে ফ্রান্স ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ব্যাপকভাবে গৃহীত হয়, যদিও ব্রিটেনেও কিছুটা কম পরিমাণে হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
লেভিয়াথানে থমাস হোবস বোদিনের মতই সার্বভৌমত্বের একটি ধারণায় পৌঁছান, যেটি অন্য কারণে &amp;quot;পিস অব ওয়েস্টফেলিয়া&amp;quot;য় আইনি কাঠামো লাভ করে। তিনি প্রথমবারের মত সামাজিক চুক্তির একটি আধুনিক সংস্করণ তৈরি করেন, এবং যুক্তি দেখান যে মানুষের মধ্যে পারস্পারিক সহযোগিতা ছাড়া জীবনের কদর্য, পাশবিক ও ইতর গুণগুলোকে কাটিয়ে উঠতে মানূষের অবশ্যই একটি রাষ্ট্রীয় কাঠামোর আসতে হবে এবং একটি সার্বভৌম শক্তির কাছে নিজেকে সমর্পণ করতে হবে যা তাদের সামগ্রিক কল্যাণের জন্য কাজ করতে বাধ্য করবে। এই যুক্তিটি সার্বভৌমত্বের প্রথম প্রবর্তকদের আকৃষ্ট করেছিল। হোবস বোদিনের ও ওয়েস্টফেলিয়ান ধারণার বাইরেও সার্বভৌমত্বের সংজ্ঞাকে আরো দৃঢ় করেন এবং বলেন একে অবশ্যই হবে হবেঃ&lt;br /&gt;
* পরমঃ কারণ সার্বভৌমের উপর শর্ত আরোপ করা যাবে কেবল যদি তার বাইরেও কোনো সালিশি শক্তি থাকে যে নির্ধারণ করবে কখন সার্বভৌম এসব শর্ত ভঙ্গ করেছে। কিন্তু এক্ষেত্রে সার্বভৌমের চূড়ান্ত কর্তৃত্ব থাকবে না।&lt;br /&gt;
* অদৃশ্যঃ সার্বভৌম কেবল নিজের এলাকার চূড়ান্ত কর্তাই নয়, সে তার কর্তৃত্ব আর কারো সাথে ভাগ করে না। হোবস একে সত্য বলে ধরে নেন কারণ এছাড়া একাধিক কর্তৃপক্ষের মধ্যে মতবিরোধের নিষ্পত্তি করার কোনো উপায় থাকবে না।&lt;br /&gt;
তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য জনগণ শাসককে সার্বভৌমত্ব দেয় হোবস এই অনুমান থেকে এই সিদ্ধান্তে আসেন যে শাসক কখনো ব্যর্থ হলে নিজেদের রক্ষা করার ক্ষমতা নতুন একটি সামাজিক চুক্তি করার মাধ্যমে ফিরে পায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
হোবসের এই তত্ত্ব সামাজিক চুক্তি তত্ত্ব ব্যবহার করে সার্বভৌমত্বের ধারণাকে দৃঢ়ভাবে আকার প্রদান করে। জাঁ-জ্যাক রুশো (১৭২১-১৭৭৮ খ্রি.) জনপ্রিয় সার্বভৌমত্বের সংজ্ঞা প্রদান করে বলেন (ফ্রান্সিসকো সুরেজের শক্তির উত্থানের তত্ত্বের প্রথম দিকের সূত্র অনুগামী) যে জনগণই একমাত্র বৈধ সার্বভৌম। রুসো সার্বভৌমত্বকে অবিচ্ছিন্ন বলে বিবেচনা করা; তিনি উৎস এবং সার্বভৌমত্ব প্রয়োগকারী সত্ত্বার মধ্যে পার্থক্যের নিন্দা করেছেন, যার উপর ভিত্তি করে সাংবিধানিক রাজতন্ত্র ও প্রতিনিধিত্বশীল [[গণতন্ত্র]] প্রতিষ্ঠিত। [[জন লক]] এবং মন্টেসকিউও সার্বভৌমত্বের ধারণার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব। অবিচ্ছিন্নতার ব্যাপারে তাদের দৃষ্টিভঙ্গি রুশো এবং হোবসের সাথে চেয়ে ভিন্ন ছিল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== তথ্যসূত্র ==&lt;br /&gt;
{{সূত্র তালিকা}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:রাষ্ট্রবিজ্ঞান]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:সরকার]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:সার্বভৌমত্ব]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:কর্তৃপক্ষ]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Protik Sikder</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%B6%E0%A7%87_%E0%A6%AA%E0%A6%A6%E0%A6%95&amp;diff=11594</id>
		<title>একুশে পদক</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%B6%E0%A7%87_%E0%A6%AA%E0%A6%A6%E0%A6%95&amp;diff=11594"/>
		<updated>2025-03-01T10:19:42Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Protik Sikder: &amp;quot;একুশে পদক&amp;quot; সুরক্ষিত করা হয়েছে ([সম্পাদনা=শুধুমাত্র প্রশাসকদের জন্য অনুমোদিত] (অসীম) [স্থানান্তর=শুধুমাত্র প্রশাসকদের জন্য অনুমোদিত] (অসীম)) [প্রপাতাকার]&lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;&#039;&#039;&#039;একুশে পদক&#039;&#039;&#039; [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশের]] একটি জাতীয় এবং দ্বিতীয় সর্বোচ্চ [[বাংলাদেশের পদমর্যাদা, সম্মাননা ও পদক|বেসামরিক পুরস্কার]]। বাংলাদেশের বিশিষ্ট ভাষাসৈনিক, ভাষাবিদ, সাহিত্যিক, শিল্পী, শিক্ষাবিদ, গবেষক, সাংবাদিক, অর্থনীতিবিদ, দারিদ্র্য বিমোচনে অবদানকারী, সামাজিক ব্যক্তিত্ব ও প্রতিষ্ঠানকে জাতীয় পর্যায়ে অনন্য অবদানের স্বীকৃতি প্রদানের উদ্দেশ্যে ১৯৭৬ সাল থেকে একুশে পদক প্রদান করা হচ্ছে। [[ভাষা আন্দোলন|ভাষা আন্দোলনের]] শহিদদের স্মরণে ১৯৭৬ সালে এই পদকের প্রচলন করা হয়।&amp;lt;ref&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://www.bbc.com/bengali/news-60452164|শিরোনাম=একুশে পদক কে কে পাবেন তা কীভাবে নির্ধারিত হয়, কারা করেন|কর্ম=[[বিবিসি বাংলা]]|সংগ্রহের-তারিখ=2023-04-07|ভাষা=bn}}&amp;lt;/ref&amp;gt; ২০১২ সাল পর্যন্ত ৩৬১ জন গুণী ব্যক্তি ও ২টি প্রতিষ্ঠানকে একুশে পদক প্রদান করা হয়েছে।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি |শিরোনাম=জাতীয় পুরস্কার/পদক সংক্রান্ত নির্দেশাবলি (১৫/০৫/২০১৭) |ইউআরএল=https://cabinet.portal.gov.bd/sites/default/files/files/cabinet.portal.gov.bd/policies/00cd3e8f_e751_4dab_a98d_d895f05b8794/Instructions%20of%20Award0001%20(2).pdf |ওয়েবসাইট=বাংলাদেশ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ |সংগ্রহের-তারিখ=১৩ জুলাই ২০১৯}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&amp;lt;ref name=&amp;quot;বিডিনিউজ২৪&amp;quot;&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি |শিরোনাম=বিডিনিউজ২৪ |ইউআরএল=http://www.bdnews24.com/bangla/details.php?id=186507&amp;amp;cid=2 |সংগ্রহের-তারিখ=২০ ফেব্রুয়ারি ২০১২ |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20120224164345/http://www.bdnews24.com/bangla/details.php?id=186507&amp;amp;cid=2 |আর্কাইভের-তারিখ=২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১২ |অকার্যকর-ইউআরএল=হ্যাঁ }}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
== তথ্যসূত্র ==&lt;br /&gt;
{{সূত্র তালিকা}}&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Protik Sikder</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%86%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B6_%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%A6&amp;diff=11541</id>
		<title>আকাশ মাহমুদ</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%86%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B6_%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%A6&amp;diff=11541"/>
		<updated>2025-02-27T06:22:12Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Protik Sikder: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;আকাশ মাহমুদ&#039;&#039;&#039; একজন বাংলাদেশি সঙ্গীতশিল্পী, গীতিকার ও সুরকার। তিনি লোকগীতি ও আধুনিক গানের মিশ্রণে শ্রোতাদের মন জয় করেছেন। ফরিদপুর জেলার একটি সাধারণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করা আকাশ তার সঙ্গীত প্রতিভার মাধ্যমে দেশব্যাপী জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন।&lt;br /&gt;
----&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== প্রাথমিক জীবন ==&lt;br /&gt;
আকাশ মাহমুদ ফরিদপুর জেলার একটি পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বাবা &#039;&#039;&#039;জাকির হোসেন&#039;&#039;&#039; ও মা &#039;&#039;&#039;আনজুয়ারা বেগমের&#039;&#039;&#039; সন্তান। দুই ভাই ও দুই বোনের মধ্যে তিনি দ্বিতীয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শৈশব থেকেই তার সঙ্গীতের প্রতি ঝোঁক ছিল। তৃতীয় শ্রেণি থেকেই তিনি সঙ্গীতচর্চা শুরু করেন। তার প্রথম গুরু ছিলেন &#039;&#039;&#039;মোহাম্মদ আবু তালেব&#039;&#039;&#039;।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== সঙ্গীত ক্যারিয়ার ==&lt;br /&gt;
আকাশ মাহমুদ লোকগীতি, আধুনিক ও রোমান্টিক গানের মাধ্যমে নিজেকে জনপ্রিয় করে তুলেছেন। তার গানগুলো সাধারণত সামাজিক, আবেগপ্রবণ এবং হৃদয়ছোঁয়া কথায় ভরপুর।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;জনপ্রিয় গানগুলো:&#039;&#039;&#039;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
* কই রইলা বন্ধু রে&lt;br /&gt;
* সোনা বন্ধু চান্দে&lt;br /&gt;
* আমার মত বেহায়া নাই&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি নিয়মিত স্টেজ শো করেন এবং তার গান বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে শ্রোতাদের কাছে পৌঁছে দেন।&lt;br /&gt;
----&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== স্টাইল ও বৈশিষ্ট্য ==&lt;br /&gt;
আকাশ মাহমুদ তার গানে বাংলা সংস্কৃতির ছোঁয়া রাখেন এবং শ্রোতাদের আবেগপূর্ণ গানের মাধ্যমে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==তথ্যসূত্র==&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Protik Sikder</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A7%AE_%E0%A6%85%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%8B%E0%A6%AC%E0%A6%B0&amp;diff=11537</id>
		<title>৮ অক্টোবর</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A7%AE_%E0%A6%85%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%8B%E0%A6%AC%E0%A6%B0&amp;diff=11537"/>
		<updated>2025-02-24T04:15:41Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Protik Sikder: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;{{মাসের পঞ্জিকা}}&lt;br /&gt;
{{দিন}}&lt;br /&gt;
== বহিঃসংযোগ ==&lt;br /&gt;
{{ইংরেজি মাস}}&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:গ্রেগরীয় পঞ্জিকার দিন]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Protik Sikder</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%AE%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%9F:%E0%A6%85%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A7%82%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A3&amp;diff=11536</id>
		<title>টেমপ্লেট:অসম্পূর্ণ</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%AE%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%9F:%E0%A6%85%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A7%82%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A3&amp;diff=11536"/>
		<updated>2025-02-24T04:14:43Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Protik Sikder: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;{{Meta banner&lt;br /&gt;
 | backgroundColour= #0000&lt;br /&gt;
 | borderColour    = red &lt;br /&gt;
 | bannerStyle     = width:80%;&amp;lt;!-- Additional CSS style for the banner --&amp;gt;&lt;br /&gt;
 | title           = অসম্পূর্ণ নিবন্ধ!&lt;br /&gt;
 | text            = &#039;&#039;এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ,এই নিবন্ধটি সম্পূর্ণ ও [[ভিকিটিয়া]] সমৃদ্ধ করতে অবদান রাখুন...&#039;&#039; &amp;lt;span style=&amp;quot;font-weight: bolder; font-variant-caps: small-caps;&amp;quot;&amp;gt;{{BASEPAGENAME}}&amp;lt;/span&amp;gt; এ ছাড়াও [[:বিষয়শ্রেণী:ভিকিটিয়ার অসম্পূর্ণ নিবন্ধ|অন‍্যান‍্য অসম্পূর্ণ নিবন্ধ!]] দেখুন&lt;br /&gt;
}}&amp;lt;includeonly&amp;gt;&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:ভিকিটিয়ার অসম্পূর্ণ নিবন্ধ]]&lt;br /&gt;
{{BASEPAGENAME}}]]&amp;lt;/includeonly&amp;gt;&lt;br /&gt;
&amp;lt;noinclude&amp;gt;{{Documentation}}&amp;lt;/noinclude&amp;gt; __INDEX__&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Protik Sikder</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A7%AE_%E0%A6%85%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%8B%E0%A6%AC%E0%A6%B0&amp;diff=11535</id>
		<title>৮ অক্টোবর</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A7%AE_%E0%A6%85%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%8B%E0%A6%AC%E0%A6%B0&amp;diff=11535"/>
		<updated>2025-02-24T04:12:50Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Protik Sikder: /* বহিঃসংযোগ */&lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;{{মাসের পঞ্জিকা}}&lt;br /&gt;
{{দিন}}&lt;br /&gt;
== বহিঃসংযোগ ==&lt;br /&gt;
{{ইংরেজি মাস}}&lt;br /&gt;
{{অসম্পূর্ণ}}&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:গ্রেগরীয় পঞ্জিকার দিন]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Protik Sikder</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%AE%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%9F:%E0%A6%85%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A7%82%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A3&amp;diff=11534</id>
		<title>টেমপ্লেট:অসম্পূর্ণ</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%AE%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%9F:%E0%A6%85%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A7%82%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A3&amp;diff=11534"/>
		<updated>2025-02-24T04:11:19Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Protik Sikder: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;{{Meta banner&lt;br /&gt;
 | backgroundColour= #0000&lt;br /&gt;
 | borderColour    = red &lt;br /&gt;
 | bannerStyle     = width:80%;&amp;lt;!-- Additional CSS style for the banner --&amp;gt;&lt;br /&gt;
 | title           = অসম্পূর্ণ নিবন্ধ!&lt;br /&gt;
 | text            = &#039;&#039;এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ,এই নিবন্ধটি সম্পূর্ণ ও [[ভিকিটিয়া]] সমৃদ্ধ করতে অবদান রাখুন...&#039;&#039; &amp;lt;span style=&amp;quot;font-weight: bolder; font-variant-caps: small-caps;&amp;quot;&amp;gt;{{BASEPAGENAME}}&amp;lt;/span&amp;gt; এ ছাড়াও [[ অন‍্যান‍্য অসম্পূর্ণ নিবন্ধ!]] দেখুন&lt;br /&gt;
}}&amp;lt;includeonly&amp;gt;&lt;br /&gt;
{{BASEPAGENAME}}]]&amp;lt;/includeonly&amp;gt;&lt;br /&gt;
&amp;lt;noinclude&amp;gt;{{Documentation}}&amp;lt;/noinclude&amp;gt; __INDEX__&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Protik Sikder</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%B0_%E0%A6%B0%E0%A6%B9%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8_%E0%A6%9A%E0%A7%8C%E0%A6%A7%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%80&amp;diff=11521</id>
		<title>মিজানুর রহমান চৌধুরী</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%B0_%E0%A6%B0%E0%A6%B9%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8_%E0%A6%9A%E0%A7%8C%E0%A6%A7%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%80&amp;diff=11521"/>
		<updated>2025-02-23T10:35:32Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Protik Sikder: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;* একই নামের অন্যান্য ব্যাক্তিদের দেখতে [[মিজানুর রহমান চৌধুরী (দ্ব্যর্থতা নিরসন)]] দেখুন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;মিজানুর রহমান চৌধুরী&#039;&#039;&#039; (১৯ অক্টোবর ১৯২৮ - ২ ফেব্রুয়ারি ২০০৬) [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশের]] একজন রাজনীতিবিদ ছিলেন যিনি রাষ্ট্রপতি [[হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ|এরশাদের]] আমলে ৯ জুলাই ১৯৮৬ থেকে ২৭ মার্চ ১৯৮৮ পর্যন্ত [[বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী]] হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।&amp;lt;ref name=&amp;quot;:0&amp;quot;&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%9A%E0%A7%8C%E0%A6%A7%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%80,_%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%B0_%E0%A6%B0%E0%A6%B9%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8|শিরোনাম=চৌধুরী, মিজানুর রহমান|শেষাংশ=আবু মো. দেলোয়ার হোসেন|প্রথমাংশ=|তারিখ=২৬ নভেম্বর ২০১৪|ওয়েবসাইট=[[বাংলাপিডিয়া]]|আর্কাইভের-ইউআরএল=|আর্কাইভের-তারিখ=২৩ জানুয়ারি ২০২১|সংগ্রহের-তারিখ=২৩ জানুয়ারি ২০২১}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&amp;lt;ref&amp;gt;{{বই উদ্ধৃতি|শিরোনাম=হিস্টরিকাল ডিকশেনারী অফ বাংলাদেশ|শেষাংশ=সায়েদুর রহমান|প্রথমাংশ=|বছর=|প্রকাশক=|অবস্থান=[[বাংলাদেশ]]|পাতাসমূহ=৭১|আইএসবিএন=978-0-8108-7453-4}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== জন্ম ==&lt;br /&gt;
মিজানুর রহমান চৌধুরী ১৯২৮ সালের ১৯ অক্টোবর [[চাঁদপুর]] জেলার পুরাণবাজারস্থ পূর্ব শ্রীরামদী গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত [[মুসলিম]] পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মরহুম মোঃ হাফিজ চৌধুরী এবং মাতা মরহুমা মোসাম্মৎ মাহমুদা বেগম।&amp;lt;ref name=&amp;quot;:0&amp;quot; /&amp;gt;&lt;br /&gt;
==তথ্যসূত্র==&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Protik Sikder</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%A6_%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%B0_%E0%A6%B0%E0%A6%B9%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8&amp;diff=11520</id>
		<title>মুহাম্মদ মিজানুর রহমান</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%A6_%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%B0_%E0%A6%B0%E0%A6%B9%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8&amp;diff=11520"/>
		<updated>2025-02-23T10:33:11Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Protik Sikder: &amp;quot;মুহাম্মদ মিজানুর রহমান&amp;quot; সুরক্ষিত করা হয়েছে ([সম্পাদনা=শুধুমাত্র প্রশাসকদের জন্য অনুমোদিত] (অসীম)) [প্রপাতাকার]&lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;মুহাম্মদ মিজানুর রহমান&#039;&#039;&#039; (জন্ম: ০১ জুন, ১৯৫৭) [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশের]] [[খুলনা-২]] আসনের সাবেক সংসদ সদস্য। তিনি ২০১৪ সালে [[বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ]] থেকে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.parliament.gov.bd/index.php/bn/mps-bangla/members-of-parliament-bangla/former-mp-s/2014-03-23-11-44-22?layout=edit&amp;amp;id=2520|শিরোনাম=Constituency 100_10th_Bn|শেষাংশ=খুলনা-২|প্রথমাংশ=মুহাম্মদ মিজানুর রহমান|ওয়েবসাইট=www.parliament.gov.bd|ভাষা=bn-bd|সংগ্রহের-তারিখ=2018-07-06|আর্কাইভের-তারিখ=২০১৯-০১-১৬|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20190116035250/http://www.parliament.gov.bd/index.php/bn/mps-bangla/members-of-parliament-bangla/former-mp-s/2014-03-23-11-44-22?layout=edit&amp;amp;id=2520|ইউআরএল-অবস্থা=অকার্যকর}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==জন্ম ও শিক্ষাজীবন==&lt;br /&gt;
মিজানুর রহমানের পৈতৃক বাড়ি [[খুলনা জেলা]]র সদর উপজেলার ইসলামপুর রোড এলাকায়। তিনি [[সেন্ট জোসেফ্‌স উচ্চ বিদ্যালয়]] হতে ম্যাট্রিকুলেশন পাস করেন।  তিনি স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==কর্মজীবন==&lt;br /&gt;
পেশার ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয় ভাবে যুক্ত আছেন। তিনি প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==তথ্যসূত্র ==&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Protik Sikder</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%A6_%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%B0_%E0%A6%B0%E0%A6%B9%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8&amp;diff=11519</id>
		<title>মুহাম্মদ মিজানুর রহমান</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%A6_%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%B0_%E0%A6%B0%E0%A6%B9%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8&amp;diff=11519"/>
		<updated>2025-02-23T10:32:57Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Protik Sikder: &amp;quot; &amp;#039;&amp;#039;&amp;#039;মুহাম্মদ মিজানুর রহমান&amp;#039;&amp;#039;&amp;#039; (জন্ম: ০১ জুন, ১৯৫৭) বাংলাদেশের খুলনা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য। তিনি ২০১৪ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচি...&amp;quot; দিয়ে পাতা তৈরি&lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;মুহাম্মদ মিজানুর রহমান&#039;&#039;&#039; (জন্ম: ০১ জুন, ১৯৫৭) [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশের]] [[খুলনা-২]] আসনের সাবেক সংসদ সদস্য। তিনি ২০১৪ সালে [[বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ]] থেকে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.parliament.gov.bd/index.php/bn/mps-bangla/members-of-parliament-bangla/former-mp-s/2014-03-23-11-44-22?layout=edit&amp;amp;id=2520|শিরোনাম=Constituency 100_10th_Bn|শেষাংশ=খুলনা-২|প্রথমাংশ=মুহাম্মদ মিজানুর রহমান|ওয়েবসাইট=www.parliament.gov.bd|ভাষা=bn-bd|সংগ্রহের-তারিখ=2018-07-06|আর্কাইভের-তারিখ=২০১৯-০১-১৬|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20190116035250/http://www.parliament.gov.bd/index.php/bn/mps-bangla/members-of-parliament-bangla/former-mp-s/2014-03-23-11-44-22?layout=edit&amp;amp;id=2520|ইউআরএল-অবস্থা=অকার্যকর}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==জন্ম ও শিক্ষাজীবন==&lt;br /&gt;
মিজানুর রহমানের পৈতৃক বাড়ি [[খুলনা জেলা]]র সদর উপজেলার ইসলামপুর রোড এলাকায়। তিনি [[সেন্ট জোসেফ্‌স উচ্চ বিদ্যালয়]] হতে ম্যাট্রিকুলেশন পাস করেন।  তিনি স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==কর্মজীবন==&lt;br /&gt;
পেশার ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয় ভাবে যুক্ত আছেন। তিনি প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==তথ্যসূত্র ==&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Protik Sikder</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%B0_%E0%A6%B0%E0%A6%B9%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8_%E0%A6%9A%E0%A7%8C%E0%A6%A7%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%80_(%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%A4%E0%A6%BE_%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%B8%E0%A6%A8)&amp;diff=11518</id>
		<title>মিজানুর রহমান চৌধুরী (দ্ব্যর্থতা নিরসন)</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%B0_%E0%A6%B0%E0%A6%B9%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8_%E0%A6%9A%E0%A7%8C%E0%A6%A7%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%80_(%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%A4%E0%A6%BE_%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%B8%E0%A6%A8)&amp;diff=11518"/>
		<updated>2025-02-23T10:30:48Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Protik Sikder: &amp;quot;মিজানুর রহমান চৌধুরী (দ্ব্যর্থতা নিরসন)&amp;quot; সুরক্ষিত করা হয়েছে ([সম্পাদনা=শুধুমাত্র প্রশাসকদের জন্য অনুমোদিত] (অসীম) [স্থানান্তর=শুধুমাত্র প্রশাসকদের জন্য অনুমোদিত] (অসীম)) [প্রপাতাকার]&lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;&#039;&#039;&#039;মিজানুর রহমান চৌধুরী&#039;&#039;&#039; বলতে যাদেরকে বোঝানো হতে পারে;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
* [[মিজানুর রহমান চৌধুরী (রংপুরের রাজনীতিবিদ)]] -[[বাংলাদেশ|বাংলাদেশের]] [[রংপুর জেলা|রংপুর জেলার]] একজন রাজনীতিবিদ। তিনি বাংলাদেশের একজন [[সংসদ সদস্য|নির্বাচিত সংসদ সদস্য]] হিসেবেও দায়ীত্ব পালন করেন।&lt;br /&gt;
* [[মিজানুর রহমান চৌধুরী (নীলফামারীর রাজনীতিবিদ)]] - বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতিবিদ, মুক্তিযোদ্ধা ও  [[নীলফামারী-৩]] আসনের সাবেক সংসদ সদস্য।&lt;br /&gt;
* [[মিজানুর রহমান চৌধুরী]] - (১৯২৮-২০০৬), বাংলাদেশের রাজনীতিবিদ ও  সাবেক প্রধানমন্ত্রী&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
* [[মিজানুর রহমান]] -দ্ব্যর্থতা নিরসন পাতা।&lt;br /&gt;
* [[মিজানুর রহমান খান (দ্ব্যর্থতা নিরসন)]] -দ্ব্যর্থতা নিরসন পাতা।&lt;br /&gt;
* [[মীজানুর রহমান (দ্ব্যর্থতা নিরসন)]] -দ্ব্যর্থতা নিরসন পাতা।&lt;br /&gt;
* [[মিজানুর রহমান সাঈদ]] -বাংলাদেশের [[ওলামা|ইসলামিক পণ্ডিত]]।&lt;br /&gt;
* [[মিজানুর রহমান সিনহা]] -বাংলাদেশি শিল্পপতি, [[রাজনীতিবিদ]], সাবেক [[সংসদ সদস্য]] ও সাবেক [[প্রতিমন্ত্রী]]।&lt;br /&gt;
* [[মিজানুর রহমান আরিয়ান]] -[[বাংলাদেশ|বাংলাদেশের]] একজন জনপ্রিয় চলচ্চিত্র পরিচালক, চিত্রনাট্যকার এবং [[নাট্য]] নির্মাতা&lt;br /&gt;
* [[মিজানুর রহমান খান দিপু]] -বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একজন রাজনীতিবিদ ও আইনজীবী। তিনি ২০০৮ সাধারণ নির্বাচনে [[ঢাকা-৬]] আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।&lt;br /&gt;
* [[মিজানুর রহমান মিনু]] - বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট রাজনিতিবিদ, [[রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন|রাজশাহী সিটি করপোরেশনের]] সাবেক মেয়র ও [[জাতীয় সংসদ|বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের]] সাবেক এমপি।&lt;br /&gt;
* [[মিজানুর রহমান মানু]] -  [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশের]] [[দিনাজপুর জেলা|দিনাজপুর জেলার]] একজন রাজনীতিবিদ। তিনি বাংলাদেশের একজন [[সংসদ সদস্য|নির্বাচিত সংসদ সদস্য]] হিসেবেও দায়ীত্ব পালন করেন।&lt;br /&gt;
* [[মিজানুর রহমান শেলী]] -(১৯৪৩–২০১৯) একজন সাবেক মন্ত্রী, রাজনীতি বিশ্লেষক, রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ও শিক্ষাবিদ ছিলেন।&lt;br /&gt;
* [[মিজানুর রহমান (ইসলামিক পণ্ডিত)]] - (জন্ম ১৯৮৩), ব্রিটিশ নাগরিককে হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত।&lt;br /&gt;
* [[মিজানুর রহমান (কবি)]] (জন্ম ১৯৮৩), - ইংরেজি কথ্য কবিতা, তার মঞ্চের নাম কবি হিসেবে পরিচিত।&lt;br /&gt;
* [[এম মিজানুর রহমান]] - (জন্ম: ১ নভেম্বর, ১৯৪৬) [[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ|বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের]] একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। [[বীর প্রতীক]]।&lt;br /&gt;
* [[মোঃ মিজানুর রহমান]] - (জন্ম ১৯৭৮), বাংলাদেশী কাবাডি খেলোয়াড়।&lt;br /&gt;
* [[মুহাম্মদ মিজানুর রহমান]] - [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশের]] [[খুলনা-২]] আসনের সংসদ সদস্য। তিনি ২০১৪ সালে [[বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ]] থেকে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।&lt;br /&gt;
* [[এস. বি. এম. মিজানুর রহমান চৌধুরী]] - [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশের]] মুক্তিযোদ্ধা ও সমাজসেবক। ২০১৪ সালে তাকে “[[স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে স্বাধীনতা পুরস্কার]]” প্রদান করা হয়।&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Protik Sikder</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%B0_%E0%A6%B0%E0%A6%B9%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8_%E0%A6%9A%E0%A7%8C%E0%A6%A7%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%80_(%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%A4%E0%A6%BE_%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%B8%E0%A6%A8)&amp;diff=11517</id>
		<title>মিজানুর রহমান চৌধুরী (দ্ব্যর্থতা নিরসন)</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%B0_%E0%A6%B0%E0%A6%B9%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8_%E0%A6%9A%E0%A7%8C%E0%A6%A7%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%80_(%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%A4%E0%A6%BE_%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%B8%E0%A6%A8)&amp;diff=11517"/>
		<updated>2025-02-23T10:30:30Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Protik Sikder: &amp;quot;&amp;#039;&amp;#039;&amp;#039;মিজানুর রহমান চৌধুরী&amp;#039;&amp;#039;&amp;#039; বলতে যাদেরকে বোঝানো হতে পারে;  * মিজানুর রহমান চৌধুরী (রংপুরের রাজনীতিবিদ) -বাংলাদেশের রংপুর জেলার একজন রাজনীতিবিদ। তিনি ব...&amp;quot; দিয়ে পাতা তৈরি&lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;&#039;&#039;&#039;মিজানুর রহমান চৌধুরী&#039;&#039;&#039; বলতে যাদেরকে বোঝানো হতে পারে;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
* [[মিজানুর রহমান চৌধুরী (রংপুরের রাজনীতিবিদ)]] -[[বাংলাদেশ|বাংলাদেশের]] [[রংপুর জেলা|রংপুর জেলার]] একজন রাজনীতিবিদ। তিনি বাংলাদেশের একজন [[সংসদ সদস্য|নির্বাচিত সংসদ সদস্য]] হিসেবেও দায়ীত্ব পালন করেন।&lt;br /&gt;
* [[মিজানুর রহমান চৌধুরী (নীলফামারীর রাজনীতিবিদ)]] - বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতিবিদ, মুক্তিযোদ্ধা ও  [[নীলফামারী-৩]] আসনের সাবেক সংসদ সদস্য।&lt;br /&gt;
* [[মিজানুর রহমান চৌধুরী]] - (১৯২৮-২০০৬), বাংলাদেশের রাজনীতিবিদ ও  সাবেক প্রধানমন্ত্রী&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
* [[মিজানুর রহমান]] -দ্ব্যর্থতা নিরসন পাতা।&lt;br /&gt;
* [[মিজানুর রহমান খান (দ্ব্যর্থতা নিরসন)]] -দ্ব্যর্থতা নিরসন পাতা।&lt;br /&gt;
* [[মীজানুর রহমান (দ্ব্যর্থতা নিরসন)]] -দ্ব্যর্থতা নিরসন পাতা।&lt;br /&gt;
* [[মিজানুর রহমান সাঈদ]] -বাংলাদেশের [[ওলামা|ইসলামিক পণ্ডিত]]।&lt;br /&gt;
* [[মিজানুর রহমান সিনহা]] -বাংলাদেশি শিল্পপতি, [[রাজনীতিবিদ]], সাবেক [[সংসদ সদস্য]] ও সাবেক [[প্রতিমন্ত্রী]]।&lt;br /&gt;
* [[মিজানুর রহমান আরিয়ান]] -[[বাংলাদেশ|বাংলাদেশের]] একজন জনপ্রিয় চলচ্চিত্র পরিচালক, চিত্রনাট্যকার এবং [[নাট্য]] নির্মাতা&lt;br /&gt;
* [[মিজানুর রহমান খান দিপু]] -বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একজন রাজনীতিবিদ ও আইনজীবী। তিনি ২০০৮ সাধারণ নির্বাচনে [[ঢাকা-৬]] আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।&lt;br /&gt;
* [[মিজানুর রহমান মিনু]] - বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট রাজনিতিবিদ, [[রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন|রাজশাহী সিটি করপোরেশনের]] সাবেক মেয়র ও [[জাতীয় সংসদ|বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের]] সাবেক এমপি।&lt;br /&gt;
* [[মিজানুর রহমান মানু]] -  [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশের]] [[দিনাজপুর জেলা|দিনাজপুর জেলার]] একজন রাজনীতিবিদ। তিনি বাংলাদেশের একজন [[সংসদ সদস্য|নির্বাচিত সংসদ সদস্য]] হিসেবেও দায়ীত্ব পালন করেন।&lt;br /&gt;
* [[মিজানুর রহমান শেলী]] -(১৯৪৩–২০১৯) একজন সাবেক মন্ত্রী, রাজনীতি বিশ্লেষক, রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ও শিক্ষাবিদ ছিলেন।&lt;br /&gt;
* [[মিজানুর রহমান (ইসলামিক পণ্ডিত)]] - (জন্ম ১৯৮৩), ব্রিটিশ নাগরিককে হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত।&lt;br /&gt;
* [[মিজানুর রহমান (কবি)]] (জন্ম ১৯৮৩), - ইংরেজি কথ্য কবিতা, তার মঞ্চের নাম কবি হিসেবে পরিচিত।&lt;br /&gt;
* [[এম মিজানুর রহমান]] - (জন্ম: ১ নভেম্বর, ১৯৪৬) [[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ|বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের]] একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। [[বীর প্রতীক]]।&lt;br /&gt;
* [[মোঃ মিজানুর রহমান]] - (জন্ম ১৯৭৮), বাংলাদেশী কাবাডি খেলোয়াড়।&lt;br /&gt;
* [[মুহাম্মদ মিজানুর রহমান]] - [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশের]] [[খুলনা-২]] আসনের সংসদ সদস্য। তিনি ২০১৪ সালে [[বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ]] থেকে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।&lt;br /&gt;
* [[এস. বি. এম. মিজানুর রহমান চৌধুরী]] - [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশের]] মুক্তিযোদ্ধা ও সমাজসেবক। ২০১৪ সালে তাকে “[[স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে স্বাধীনতা পুরস্কার]]” প্রদান করা হয়।&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Protik Sikder</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%B0_%E0%A6%B0%E0%A6%B9%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8_%E0%A6%9A%E0%A7%8C%E0%A6%A7%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%80&amp;diff=11516</id>
		<title>মিজানুর রহমান চৌধুরী</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%B0_%E0%A6%B0%E0%A6%B9%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8_%E0%A6%9A%E0%A7%8C%E0%A6%A7%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%80&amp;diff=11516"/>
		<updated>2025-02-23T10:28:16Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Protik Sikder: &amp;quot;মিজানুর রহমান চৌধুরী&amp;quot; সুরক্ষিত করা হয়েছে ([সম্পাদনা=শুধুমাত্র প্রশাসকদের জন্য অনুমোদিত] (অসীম) [স্থানান্তর=শুধুমাত্র প্রশাসকদের জন্য অনুমোদিত] (অসীম)) [প্রপাতাকার]&lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;মিজানুর রহমান চৌধুরী&#039;&#039;&#039; (১৯ অক্টোবর ১৯২৮ - ২ ফেব্রুয়ারি ২০০৬) [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশের]] একজন রাজনীতিবিদ ছিলেন যিনি রাষ্ট্রপতি [[হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ|এরশাদের]] আমলে ৯ জুলাই ১৯৮৬ থেকে ২৭ মার্চ ১৯৮৮ পর্যন্ত [[বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী]] হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।&amp;lt;ref name=&amp;quot;:0&amp;quot;&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%9A%E0%A7%8C%E0%A6%A7%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%80,_%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%B0_%E0%A6%B0%E0%A6%B9%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8|শিরোনাম=চৌধুরী, মিজানুর রহমান|শেষাংশ=আবু মো. দেলোয়ার হোসেন|প্রথমাংশ=|তারিখ=২৬ নভেম্বর ২০১৪|ওয়েবসাইট=[[বাংলাপিডিয়া]]|আর্কাইভের-ইউআরএল=|আর্কাইভের-তারিখ=২৩ জানুয়ারি ২০২১|সংগ্রহের-তারিখ=২৩ জানুয়ারি ২০২১}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&amp;lt;ref&amp;gt;{{বই উদ্ধৃতি|শিরোনাম=হিস্টরিকাল ডিকশেনারী অফ বাংলাদেশ|শেষাংশ=সায়েদুর রহমান|প্রথমাংশ=|বছর=|প্রকাশক=|অবস্থান=[[বাংলাদেশ]]|পাতাসমূহ=৭১|আইএসবিএন=978-0-8108-7453-4}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== জন্ম ==&lt;br /&gt;
মিজানুর রহমান চৌধুরী ১৯২৮ সালের ১৯ অক্টোবর [[চাঁদপুর]] জেলার পুরাণবাজারস্থ পূর্ব শ্রীরামদী গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত [[মুসলিম]] পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মরহুম মোঃ হাফিজ চৌধুরী এবং মাতা মরহুমা মোসাম্মৎ মাহমুদা বেগম।&amp;lt;ref name=&amp;quot;:0&amp;quot; /&amp;gt;&lt;br /&gt;
==তথ্যসূত্র==&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Protik Sikder</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%B0_%E0%A6%B0%E0%A6%B9%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8_%E0%A6%9A%E0%A7%8C%E0%A6%A7%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%80&amp;diff=11515</id>
		<title>মিজানুর রহমান চৌধুরী</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%B0_%E0%A6%B0%E0%A6%B9%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8_%E0%A6%9A%E0%A7%8C%E0%A6%A7%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%80&amp;diff=11515"/>
		<updated>2025-02-23T10:27:57Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Protik Sikder: &amp;quot; &amp;#039;&amp;#039;&amp;#039;মিজানুর রহমান চৌধুরী&amp;#039;&amp;#039;&amp;#039; (১৯ অক্টোবর ১৯২৮ - ২ ফেব্রুয়ারি ২০০৬) বাংলাদেশের একজন রাজনীতিবিদ ছিলেন যিনি রাষ্ট্রপতি এরশাদের আমলে ৯ জুলাই ১৯...&amp;quot; দিয়ে পাতা তৈরি&lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;মিজানুর রহমান চৌধুরী&#039;&#039;&#039; (১৯ অক্টোবর ১৯২৮ - ২ ফেব্রুয়ারি ২০০৬) [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশের]] একজন রাজনীতিবিদ ছিলেন যিনি রাষ্ট্রপতি [[হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ|এরশাদের]] আমলে ৯ জুলাই ১৯৮৬ থেকে ২৭ মার্চ ১৯৮৮ পর্যন্ত [[বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী]] হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।&amp;lt;ref name=&amp;quot;:0&amp;quot;&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%9A%E0%A7%8C%E0%A6%A7%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%80,_%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%B0_%E0%A6%B0%E0%A6%B9%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8|শিরোনাম=চৌধুরী, মিজানুর রহমান|শেষাংশ=আবু মো. দেলোয়ার হোসেন|প্রথমাংশ=|তারিখ=২৬ নভেম্বর ২০১৪|ওয়েবসাইট=[[বাংলাপিডিয়া]]|আর্কাইভের-ইউআরএল=|আর্কাইভের-তারিখ=২৩ জানুয়ারি ২০২১|সংগ্রহের-তারিখ=২৩ জানুয়ারি ২০২১}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&amp;lt;ref&amp;gt;{{বই উদ্ধৃতি|শিরোনাম=হিস্টরিকাল ডিকশেনারী অফ বাংলাদেশ|শেষাংশ=সায়েদুর রহমান|প্রথমাংশ=|বছর=|প্রকাশক=|অবস্থান=[[বাংলাদেশ]]|পাতাসমূহ=৭১|আইএসবিএন=978-0-8108-7453-4}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== জন্ম ==&lt;br /&gt;
মিজানুর রহমান চৌধুরী ১৯২৮ সালের ১৯ অক্টোবর [[চাঁদপুর]] জেলার পুরাণবাজারস্থ পূর্ব শ্রীরামদী গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত [[মুসলিম]] পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মরহুম মোঃ হাফিজ চৌধুরী এবং মাতা মরহুমা মোসাম্মৎ মাহমুদা বেগম।&amp;lt;ref name=&amp;quot;:0&amp;quot; /&amp;gt;&lt;br /&gt;
==তথ্যসূত্র==&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Protik Sikder</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%A8%E0%A7%83%E0%A6%97%E0%A7%8B%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%A0%E0%A7%80&amp;diff=11514</id>
		<title>নৃগোষ্ঠী</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%A8%E0%A7%83%E0%A6%97%E0%A7%8B%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%A0%E0%A7%80&amp;diff=11514"/>
		<updated>2025-02-21T13:59:10Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Protik Sikder: &amp;quot;নৃগোষ্ঠী&amp;quot; সুরক্ষিত করা হয়েছে ([সম্পাদনা=শুধুমাত্র প্রশাসকদের জন্য অনুমোদিত] (অসীম) [স্থানান্তর=শুধুমাত্র প্রশাসকদের জন্য অনুমোদিত] (অসীম)) [প্রপাতাকার]&lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;[[চিত্র:Collage of ethnic groups.jpg|থাম্ব|বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর কোলাজ: আফার মানুষ, তুয়ারেগ মানুষ, সান ম্যান, কানাডার ইনুইট মানুষ, ব্রাজিলের তেরেনা আদিবাসী মানুষ, কাজাখ মানুষ, জাপানি মানুষ, রাজস্থানী মানুষ (ভারত), বুরিয়াত মানুষ, মালয় মানুষ, কাতারের আরব মানুষ, সামি নরওয়ের মানুষ, সুইডিশ মানুষ, ইতালিয়ান মানুষ, টোঙ্গান মানুষ, আদিবাসী অস্ট্রেলিয়ান।]]&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;নৃগোষ্ঠী&#039;&#039;&#039; ({{lang-en|Ethnic group}}) বলতে কোনও মানবসমাজে বিদ্যমান বহুসংখ্যক মানুষের একটি গোষ্ঠীকে বোঝায় যার সদস্যরা কিছু অংশিদারী সামাজিক অভিজ্ঞতা ও বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে একে অপরের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে এবং অনুরূপ অন্যান্য গোষ্ঠী থেকে নিজেদেরকে স্বতন্ত্র হিসেবে গণ্য করে। অংশীদারী অভিজ্ঞতা ও বৈশিষ্ট্যগুলি ইতিহাস, ঐতিহ্য, পূর্বপুরুষ, বংশ, ভাষা, সংস্কৃতি, ধর্ম, সামাজিক রীতিনীতি, ইত্যাদির যেকোনও ধরনের সমবায় হতে পারে।&amp;lt;ref name=&amp;quot;:0&amp;quot;&amp;gt;{{বই উদ্ধৃতি|শেষাংশ=Chandra|প্রথমাংশ=Kanchan|ইউআরএল=http://worldcat.org/oclc/829678440|শিরোনাম=Constructivist theories of ethnic politics|তারিখ=2012|প্রকাশক=Oxford University Press|আইএসবিএন=978-0-19-989315-7|পাতাসমূহ=69–70|oclc=829678440}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি |শিরোনাম=ethnicity: definition of ethnicity |ইউআরএল=http://www.oxforddictionaries.com/definition/english/ethnicity?q=ethnicity |কর্ম=Oxford Dictionaries |প্রকাশক=Oxford University Press |সংগ্রহের-তারিখ=28 December 2013 |আর্কাইভের-তারিখ=৬ মার্চ ২০১৬ |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20160306102617/http://www.oxforddictionaries.com/definition/english/ethnicity?q=ethnicity |ইউআরএল-অবস্থা=অকার্যকর }}&amp;lt;/ref&amp;gt;&amp;lt;ref&amp;gt;{{বই উদ্ধৃতি |শিরোনাম=Humanity: An Introduction to Cultural Anthropology |শেষাংশ১=People |প্রথমাংশ১=James |প্রথমাংশ২=Garrick |শেষাংশ২=Bailey |বছর=2010 |সংস্করণ=9th |পাতা=389 |প্রকাশক=Wadsworth Cengage learning |উক্তি=In essence, an ethnic group is a named social category of people based on perceptions of shared social experience or one&#039;s ancestors&#039; experiences. Members of the ethnic group see themselves as sharing cultural traditions and history that distinguish them from other groups. Ethnic group identity has a strong psychological or emotional component that divides the people of the world into opposing categories of &#039;us&#039; and &#039;them&#039;. In contrast to social stratification, which divides and unifies people along a series of horizontal axes based on socioeconomic factors, ethnic identities divide and unify people along a series of vertical axes. Thus, ethnic groups, at least theoretically, cut across socioeconomic class differences, drawing members from all strata of the population.}}&amp;lt;/ref&amp;gt; তাত্ত্বিকভাবে নৃগোষ্ঠী এমন এক ধরনের সামাজিক বিভাজন যার সাথে মানুষের আর্থ-সামাজিক মর্যাদার কোনও সম্পর্ক নেই; বরং একই নৃগোষ্ঠীতে সমাজের সকল আর্থ-সামাজিক স্তরের মানুষ থাকতে পারে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
যদিও নৃগোষ্ঠী ও জাতি দুইটি স্বতন্ত্র ধারণা, তার পরেও কখনও কখনও [[নৃগোষ্ঠীগত জাতীয়তাবাদ|নৃগোষ্ঠীগত জাতীয়তাবাদের]] (Ethnic nationalism) ক্ষেত্রে নৃগোষ্ঠী ও জাতি পরিভাষা দুইটি সম অর্থে ব্যবহৃত হতে পারে। নৃগোষ্ঠী সাথে সম্পর্কিত কিন্তু স্বতন্ত্র আরেকটি ধারণা হল [[নরগোষ্ঠী]] (Race), যাতে সাংস্কৃতিক অনুষঙ্গের চেয়ে শারীরিক বৈশিষ্ট্যগুলির উপরে বেশি জোর দেওয়া হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নৃগোষ্ঠীগত পরিচয় মানুষ বংশানুক্রমে অর্জন করতে পারে, কিংবা যে সমাজে বাস করে তার উপর ভিত্তি করে এই পরিচয় নির্মিত হতে পারে। একটি নৃগোষ্ঠীকে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, বংশ, অভিন্ন উৎস-সংক্রান্ত পৌরাণিক কাহিনী বা কিংবদন্তি, ইতিহাস, মাতৃভূমি, ভাষা, উপভাষা, প্রতীকী ব্যবস্থা যেমন ধর্ম, পুরাণ, ধর্মীর আচারানুষ্ঠান, রন্ধনশৈলী, পোশাকশৈলী, শিল্পকলা, এমনকি বাহ্যিক দৈহিক রূপ, ইত্যাদির অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে সংজ্ঞায়িত করা হয়।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|তারিখ=2015-05-25|শিরোনাম=Insight into Ethnic Differences|ইউআরএল=https://www.nih.gov/news-events/nih-research-matters/insight-into-ethnic-differences|সংগ্রহের-তারিখ=2021-08-02|ওয়েবসাইট=National Institutes of Health (NIH)|ভাষা=EN}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&amp;lt;ref&amp;gt;{{সাময়িকী উদ্ধৃতি|শেষাংশ১=Banda|প্রথমাংশ১=Yambazi|শেষাংশ২=Kvale|প্রথমাংশ২=Mark N.|শেষাংশ৩=Hoffmann|প্রথমাংশ৩=Thomas J.|শেষাংশ৪=Hesselson|প্রথমাংশ৪=Stephanie E.|শেষাংশ৫=Ranatunga|প্রথমাংশ৫=Dilrini|শেষাংশ৬=Tang|প্রথমাংশ৬=Hua|শেষাংশ৭=Sabatti|প্রথমাংশ৭=Chiara|শেষাংশ৮=Croen|প্রথমাংশ৮=Lisa A.|শেষাংশ৯=Dispensa|প্রথমাংশ৯=Brad P.|শেষাংশ১০=Henderson|প্রথমাংশ১০=Mary|শেষাংশ১১=Iribarren|প্রথমাংশ১১=Carlos|তারিখ=2015-08-01|শিরোনাম=Characterizing Race/Ethnicity and Genetic Ancestry for 100,000 Subjects in the Genetic Epidemiology Research on Adult Health and Aging (GERA) Cohort|ইউআরএল=https://www.genetics.org/content/200/4/1285|সাময়িকী=Genetics|ভাষা=en|খণ্ড=200|সংখ্যা নং=4|পাতাসমূহ=1285–1295|ডিওআই=10.1534/genetics.115.178616|issn=0016-6731|pmid=26092716|pmc=4574246}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&amp;lt;ref&amp;gt;{{সাময়িকী উদ্ধৃতি|তারিখ=2013-07-01|শিরোনাম=J.P. Rushton&#039;s theory of ethnic nepotism|ইউআরএল=https://www.sciencedirect.com/science/article/abs/pii/S0191886912005569|সাময়িকী=Personality and Individual Differences|ভাষা=en|খণ্ড=55|সংখ্যা নং=3|পাতাসমূহ=256–260|ডিওআই=10.1016/j.paid.2012.11.014|issn=0191-8869|শেষাংশ১=Salter|প্রথমাংশ১=Frank|শেষাংশ২=Harpending|প্রথমাংশ২=Henry}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নৃগোষ্ঠীর ধারণাটি সুদৃঢ় ও সুস্পষ্ট বিভাজনমূলক নয়, বরং স্থিতিস্থাপক ও পরিবর্তনশীল। [[ভাষিক সরণ]] (language shift), [[ভিন্ন সংস্কৃতি আত্তীকরণ]] (acculturation), [[পরিগ্রহণ]] (adoption) এবং [[ধর্মান্তরকরণ]] (religious conversion) ইত্যাদি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কোনও ব্যক্তি বা গোষ্ঠী এক নৃগোষ্ঠী পরিত্যাগ করে আরেক নৃগোষ্ঠীর সদস্যে পরিণত হতে পারে। একটি নৃগোষ্ঠী থেকে অনেকগুলি উপগোষ্ঠী বা গোত্রের উৎপত্তি হতে পারে। এই অপত্য উপগোষ্ঠীগুলি সময়ের সাথে সাথে সবর্ণবিবাহ কিংবা ভৌগোলিক বিচ্ছিন্নতার কারণে তাদের মাতৃ-নৃগোষ্ঠী থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে স্বতন্ত্র নৃগোষ্ঠীতে পরিণত হতে পারে। এর বিপরীতে অতীতে পৃথক ছিল, এমন একাধিক নৃগোষ্ঠী একত্রিত বা সংযুক্তি হয়ে একটি সর্ব-নৃগোষ্ঠী (Pan-ethnicity) গঠন করতে পারে এবং এইরূপ মিলনের শেষ পরিণতি হিসেবে একটি মাত্র নৃগোষ্ঠীর উদ্ভব হতে পারে। বিভাজনের মাধ্যমেই হোক বা সম্মিলনের মাধ্যমেই হোক, নতুন ও পৃথক কোনও নৃগোষ্ঠী গঠিত হওয়ার ঘটনাটিকে &amp;quot;[[নৃগোষ্ঠীর উদ্ভব]]&amp;quot; (Ethnogenesis) বলা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নৃগোষ্ঠীর প্রকৃতি নিয়ে এখনও বিশেষজ্ঞ পণ্ডিতদের মধ্যে বিতর্ক চলমান। আদিমবাদীরা (Primordialists) নৃগোষ্ঠীগুলিকে একটি বাস্তব ঘটনা হিসেবে গণ্য করেন, যাদের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য প্রাচীনকাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত টিকে আছে।&amp;lt;ref&amp;gt;{{সাময়িকী উদ্ধৃতি|শেষাংশ=Bayar|প্রথমাংশ=Murat|তারিখ=2009-10-14|শিরোনাম=Reconsidering primordialism: an alternative approach to the study of ethnicity|ইউআরএল=https://www.tandfonline.com/doi/full/10.1080/01419870902763878|সাময়িকী=Ethnic and Racial Studies|খণ্ড=32|সংখ্যা নং=9|পাতাসমূহ=1639–1657|ভাষা=en|ডিওআই=10.1080/01419870902763878|s2cid=143391013}}&amp;lt;/ref&amp;gt; এর বিপরীতে অন্য অনেক পণ্ডিত নৃগোষ্ঠীগুলিকে এক ধরনের সামাজিক নির্মিতি হিসেবে গণ্য করেন; তাদের মতে সমাজের প্রচলিত নিয়ম মেনে ব্যক্তির গায়ে এক ধরনের নৃগোষ্ঠীগত পরিচয় এঁটে দেওয়া হয়।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি |ইউআরএল=https://www.nytimes.com/roomfordebate/2015/06/16/how-fluid-is-racial-identity/race-and-racial-identity-are-social-constructs |শিরোনাম=Race and Racial Identity Are Social Constructs |সংবাদপত্র=The New York Times |তারিখ=6 September 2016 |লেখক=Angela Onwuachi-Willig}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&amp;lt;ref&amp;gt;{{সাময়িকী উদ্ধৃতি |তারিখ=29 April 2010 |লেখক১=Chandra Ford |লেখক২= Nina T Harawa |শিরোনাম=A new conceptualization of ethnicity for social epidemiologic and health equity research |সাময়িকী=Soc Sci Med|খণ্ড=71 |সংখ্যা নং=2 |পাতাসমূহ=251–258 |ডিওআই=10.1016/j.socscimed.2010.04.008 |pmid=20488602 |pmc=2908006 }}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== আরও দেখুন ==&lt;br /&gt;
*[[বিক্ষিপ্ত উদ্বাসন]]&lt;br /&gt;
*[[জাতিগত নিধন]]&lt;br /&gt;
*[[স্বজাত্যবোধ]]&lt;br /&gt;
*[[নৃকুলবিদ্যা]]&lt;br /&gt;
*[[জন্মভূমি]]&lt;br /&gt;
*[[জাতি]]&lt;br /&gt;
*[[জাতীয় প্রতীক]]&lt;br /&gt;
*[[বহুজাতিকতা]]&lt;br /&gt;
*[[জনসংখ্যা বংশাণুবিজ্ঞান]]&lt;br /&gt;
*[[উপজাতি]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==তথ্যসূত্র==&lt;br /&gt;
{{সূত্র তালিকা}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:নৃগোষ্ঠী]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:নৃগোষ্ঠীগত পরিচয়]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:সংখ্যাগুরু-সংখ্যালঘু সম্পর্ক]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:বহুনরগোষ্ঠীগত বিষয়]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:মূল বিষয়ের নিবন্ধ]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Protik Sikder</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9E%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80_%E0%A6%AE%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A5%E0%A7%87%E0%A6%B0&amp;diff=11513</id>
		<title>জ্ঞানশ্রী মহাথের</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9E%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80_%E0%A6%AE%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A5%E0%A7%87%E0%A6%B0&amp;diff=11513"/>
		<updated>2025-02-21T13:58:00Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Protik Sikder: &amp;quot;জ্ঞানশ্রী মহাথের&amp;quot; সুরক্ষিত করা হয়েছে ([সম্পাদনা=শুধুমাত্র প্রশাসকদের জন্য অনুমোদিত] (অসীম) [স্থানান্তর=শুধুমাত্র প্রশাসকদের জন্য অনুমোদিত] (অসীম)) [প্রপাতাকার]&lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;{{তথ্যছক ব্যক্তি&lt;br /&gt;
| honorific_prefix   = সংঘরাজ,সদ্ধর্মাদিত্য শ্রীমৎ&lt;br /&gt;
| name               = জ্ঞানশ্রী মহাথের&lt;br /&gt;
| image              =&lt;br /&gt;
| alt                = &lt;br /&gt;
| caption            = &lt;br /&gt;
| birth_date         = ১৮ নভেম্বর ১৯২৫&lt;br /&gt;
| birth_place        = উত্তর গুজরা ডোমখালী গ্রাম, [[রাউজান উপজেলা|রাউজান]], [[চট্টগ্রাম জেলা]], [[বেঙ্গল প্রেসিডেন্সি]], [[ব্রিটিশ ভারত]]। &amp;lt;br/&amp;gt;&amp;lt;small&amp;gt;(বর্তমান [[বাংলাদেশ]])&amp;lt;/small&amp;gt;&lt;br /&gt;
| death_date         = &lt;br /&gt;
| death_place        = &lt;br /&gt;
| nationality        = বাংলাদেশী&lt;br /&gt;
| organization       = বাংলাদেশ বুদ্ধ শাসন কল্যাণ ট্রাস্ট&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
| known_for          = মহামান্য সংঘরাজ,বৌদ্ধ ভিক্ষু,অনাথ পিতা,সমাজ সংস্কারক,সমাজ কল্যাণ&lt;br /&gt;
| term               = &lt;br /&gt;
| father             = প্রেমলাল বড়ুয়া&lt;br /&gt;
| awards             = [[একুশে পদক]] (২০২২)&lt;br /&gt;
}}&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;জ্ঞানশ্রী মহাথের&#039;&#039;&#039; (জন্ম ১৮ নভেম্বর ১৯২৫) [[বাংলাদেশের]] একজন বৌদ্ধ ধর্মগুরু যিনি দেশীয় বৌদ্ধদের সর্বোচ্চ ধর্মীয় গুরু। সমাজসেবায় গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে ২০২২ সালে [[একুশে পদক]] প্রদান করে।&amp;lt;ref&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://www.prothomalo.com/bangladesh/%E0%A7%A8%E0%A7%A6%E0%A7%A8%E0%A7%A8-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%B6%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%A6%E0%A6%95-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%9B%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A7%A8%E0%A7%AA-%E0%A6%9C%E0%A6%A8-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F-%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%95|শিরোনাম=২০২২ সালের একুশে পদক পাচ্ছেন ২৪ বিশিষ্ট নাগরিক|তারিখ=৩ ফেব্রুয়ারি ২০২২|কর্ম=[[দৈনিক প্রথম আলো]]|সংগ্রহের-তারিখ=৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&amp;lt;ref&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://www.kalerkantho.com/online/entertainment/2022/02/03/1117039|শিরোনাম=একুশে পদক পেলেন ৭ গুণী সংস্কৃতিজন|তারিখ=৩ ফেব্রুয়ারি ২০২২|কর্ম=[[দৈনিক কালের কণ্ঠ]]|সংগ্রহের-তারিখ=৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== জীবনী ==&lt;br /&gt;
জ্ঞানশ্রী মহাথের ১৮ নভেম্বর ১৯২৫ চট্টগ্রাম জেলার রাউজানের উত্তর গুজরা ডোমখালী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৫৮ সালে [[পার্বত্য চট্টগ্রাম|পার্বত্য চট্টগ্রামে]] গমন করেন। ২০০৩ সাল থেকে তিনি চট্টগ্রাম [[নন্দনকানন বৌদ্ধ বিহার|নন্দনকানন বৌদ্ধ বিহারে]] অবস্থান করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি ১৯৪৪ সালে শ্রামণ এবং ১৯৪৯ সালে ভিক্ষু হিসেবে উপসম্পদা লাভ করেন। তিনি প্রবেশিকা পর্যন্ত পড়ালেখা করেন। তিনি [[পার্বত্য চট্টগ্রাম|পার্বত্য চট্টগ্রামের]] সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক, সামাজিক, ধর্মীয় ও শিক্ষা বিস্তারের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। পার্বত্য অঞ্চল ও সমতল এলাকায় অনেক ধর্মীয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। ১৯৭৪ সালে তিনি মোনঘর প্রতিষ্ঠা করেন, যেখানে আবাসিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করে বৌদ্ধ দু:স্থ, অনাথ ও অসহায় শিশুদের সাধারণ শিক্ষা দেয়া হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জয়পুরহাট ও রংপুরে তিনি কয়েকটি বৌদ্ধ শিক্ষা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== সম্মাননা ==&lt;br /&gt;
* [[শাসন শোভন জ্ঞানভানক]] ১৯৮১,ওয়াট পাকনাম,বসিচরণ,ব্যাংকক,থাইল্যান্ড&lt;br /&gt;
*[[বিনয়াচার্য্য]] ২০০১,বাংলাদেশ সংঘরাজ ভিক্ষু মহাসভা &lt;br /&gt;
* [[মহাসদ্ধর্মজ্যোতিকাধবজ]] ২০০৭, মায়ানমার সরকার&lt;br /&gt;
* [[একুশে পদক]],২০২২  গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার&lt;br /&gt;
* অগ্রমহাপন্ডিত, ২০২৩ মায়ানমার সরকার&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== [https://vnewsbd.com/%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%B6%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%A6%E0%A6%95%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%A4-%E0%A6%B8%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%98%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9C/ তথ্যসূত্র] {{ওয়েব আর্কাইভ|url=https://web.archive.org/web/20220316170938/https://vnewsbd.com/%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%B6%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%A6%E0%A6%95%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%A4-%E0%A6%B8%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%98%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9C/ |date=১৬ মার্চ ২০২২ }} ==&lt;br /&gt;
{{সূত্র তালিকা|২}}&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Protik Sikder</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9E%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80_%E0%A6%AE%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A5%E0%A7%87%E0%A6%B0&amp;diff=11512</id>
		<title>জ্ঞানশ্রী মহাথের</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9E%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80_%E0%A6%AE%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A5%E0%A7%87%E0%A6%B0&amp;diff=11512"/>
		<updated>2025-02-21T13:57:34Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Protik Sikder: &amp;quot;{{তথ্যছক ব্যক্তি | honorific_prefix   = সংঘরাজ,সদ্ধর্মাদিত্য শ্রীমৎ | name               = জ্ঞানশ্রী মহাথের | image              = | alt                =  | caption            =  | birth_date         = ১৮ নভেম্বর ১৯২৫ | birth_place        = উত্তর গুজরা ডোমখালী গ্রাম, র...&amp;quot; দিয়ে পাতা তৈরি&lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;{{তথ্যছক ব্যক্তি&lt;br /&gt;
| honorific_prefix   = সংঘরাজ,সদ্ধর্মাদিত্য শ্রীমৎ&lt;br /&gt;
| name               = জ্ঞানশ্রী মহাথের&lt;br /&gt;
| image              =&lt;br /&gt;
| alt                = &lt;br /&gt;
| caption            = &lt;br /&gt;
| birth_date         = ১৮ নভেম্বর ১৯২৫&lt;br /&gt;
| birth_place        = উত্তর গুজরা ডোমখালী গ্রাম, [[রাউজান উপজেলা|রাউজান]], [[চট্টগ্রাম জেলা]], [[বেঙ্গল প্রেসিডেন্সি]], [[ব্রিটিশ ভারত]]। &amp;lt;br/&amp;gt;&amp;lt;small&amp;gt;(বর্তমান [[বাংলাদেশ]])&amp;lt;/small&amp;gt;&lt;br /&gt;
| death_date         = &lt;br /&gt;
| death_place        = &lt;br /&gt;
| nationality        = বাংলাদেশী&lt;br /&gt;
| organization       = বাংলাদেশ বুদ্ধ শাসন কল্যাণ ট্রাস্ট&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
| known_for          = মহামান্য সংঘরাজ,বৌদ্ধ ভিক্ষু,অনাথ পিতা,সমাজ সংস্কারক,সমাজ কল্যাণ&lt;br /&gt;
| term               = &lt;br /&gt;
| father             = প্রেমলাল বড়ুয়া&lt;br /&gt;
| awards             = [[একুশে পদক]] (২০২২)&lt;br /&gt;
}}&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;জ্ঞানশ্রী মহাথের&#039;&#039;&#039; (জন্ম ১৮ নভেম্বর ১৯২৫) [[বাংলাদেশের]] একজন বৌদ্ধ ধর্মগুরু যিনি দেশীয় বৌদ্ধদের সর্বোচ্চ ধর্মীয় গুরু। সমাজসেবায় গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে ২০২২ সালে [[একুশে পদক]] প্রদান করে।&amp;lt;ref&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://www.prothomalo.com/bangladesh/%E0%A7%A8%E0%A7%A6%E0%A7%A8%E0%A7%A8-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%B6%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%A6%E0%A6%95-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%9B%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A7%A8%E0%A7%AA-%E0%A6%9C%E0%A6%A8-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F-%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%95|শিরোনাম=২০২২ সালের একুশে পদক পাচ্ছেন ২৪ বিশিষ্ট নাগরিক|তারিখ=৩ ফেব্রুয়ারি ২০২২|কর্ম=[[দৈনিক প্রথম আলো]]|সংগ্রহের-তারিখ=৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&amp;lt;ref&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://www.kalerkantho.com/online/entertainment/2022/02/03/1117039|শিরোনাম=একুশে পদক পেলেন ৭ গুণী সংস্কৃতিজন|তারিখ=৩ ফেব্রুয়ারি ২০২২|কর্ম=[[দৈনিক কালের কণ্ঠ]]|সংগ্রহের-তারিখ=৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== জীবনী ==&lt;br /&gt;
জ্ঞানশ্রী মহাথের ১৮ নভেম্বর ১৯২৫ চট্টগ্রাম জেলার রাউজানের উত্তর গুজরা ডোমখালী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৫৮ সালে [[পার্বত্য চট্টগ্রাম|পার্বত্য চট্টগ্রামে]] গমন করেন। ২০০৩ সাল থেকে তিনি চট্টগ্রাম [[নন্দনকানন বৌদ্ধ বিহার|নন্দনকানন বৌদ্ধ বিহারে]] অবস্থান করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি ১৯৪৪ সালে শ্রামণ এবং ১৯৪৯ সালে ভিক্ষু হিসেবে উপসম্পদা লাভ করেন। তিনি প্রবেশিকা পর্যন্ত পড়ালেখা করেন। তিনি [[পার্বত্য চট্টগ্রাম|পার্বত্য চট্টগ্রামের]] সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক, সামাজিক, ধর্মীয় ও শিক্ষা বিস্তারের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। পার্বত্য অঞ্চল ও সমতল এলাকায় অনেক ধর্মীয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। ১৯৭৪ সালে তিনি মোনঘর প্রতিষ্ঠা করেন, যেখানে আবাসিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করে বৌদ্ধ দু:স্থ, অনাথ ও অসহায় শিশুদের সাধারণ শিক্ষা দেয়া হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জয়পুরহাট ও রংপুরে তিনি কয়েকটি বৌদ্ধ শিক্ষা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== সম্মাননা ==&lt;br /&gt;
* [[শাসন শোভন জ্ঞানভানক]] ১৯৮১,ওয়াট পাকনাম,বসিচরণ,ব্যাংকক,থাইল্যান্ড&lt;br /&gt;
*[[বিনয়াচার্য্য]] ২০০১,বাংলাদেশ সংঘরাজ ভিক্ষু মহাসভা &lt;br /&gt;
* [[মহাসদ্ধর্মজ্যোতিকাধবজ]] ২০০৭, মায়ানমার সরকার&lt;br /&gt;
* [[একুশে পদক]],২০২২  গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার&lt;br /&gt;
* অগ্রমহাপন্ডিত, ২০২৩ মায়ানমার সরকার&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== [https://vnewsbd.com/%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%B6%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%A6%E0%A6%95%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%A4-%E0%A6%B8%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%98%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9C/ তথ্যসূত্র] {{ওয়েব আর্কাইভ|url=https://web.archive.org/web/20220316170938/https://vnewsbd.com/%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%B6%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%A6%E0%A6%95%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%A4-%E0%A6%B8%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%98%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9C/ |date=১৬ মার্চ ২০২২ }} ==&lt;br /&gt;
{{সূত্র তালিকা|২}}&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Protik Sikder</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%AC%E0%A7%8B%E0%A6%A7%E0%A6%BF_%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A7%81&amp;diff=11511</id>
		<title>জিনবোধি ভিক্ষু</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%AC%E0%A7%8B%E0%A6%A7%E0%A6%BF_%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A7%81&amp;diff=11511"/>
		<updated>2025-02-21T13:53:30Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Protik Sikder: &amp;quot;জিনবোধি ভিক্ষু&amp;quot; সুরক্ষিত করা হয়েছে ([সম্পাদনা=শুধুমাত্র প্রশাসকদের জন্য অনুমোদিত] (অসীম) [স্থানান্তর=শুধুমাত্র প্রশাসকদের জন্য অনুমোদিত] (অসীম)) [প্রপাতাকার]&lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;{{তথ্যছক ব্যক্তি&lt;br /&gt;
| name               = জিনবোধি ভিক্ষু&lt;br /&gt;
| image              = &lt;br /&gt;
| caption            = &lt;br /&gt;
| birth_date         =&lt;br /&gt;
| birth_place        = &lt;br /&gt;
| death_place        = &lt;br /&gt;
| nationality        = বাংলাদেশি&lt;br /&gt;
| alma_mater         = [[চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়]]&lt;br /&gt;
| occupation         = অধ্যাপক&lt;br /&gt;
| spouses            =&lt;br /&gt;
| awards             = [[একুশে পদক]] (২০২৪)&lt;br /&gt;
}}&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;ড.জিনবোধি ভিক্ষু&#039;&#039;&#039; হলেন একজন বাংলাদেশি অধ্যাপক যিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পালি বিভাগে অধ্যাপনা করছেন।&amp;lt;ref name=&amp;quot;ডেইলি ক্যাম্পাস&amp;quot;/&amp;gt; [[শিক্ষায় একুশে পদক বিজয়ীদের তালিকা|শিক্ষায়]] বিশেষ অবদানের জন্য [[বাংলাদেশ সরকার]] তাকে ২০২৪ সালে [[একুশে পদক]] প্রদান করে।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|শিরোনাম=একুশে পদক প্রদান-২০২৪ অনুষ্ঠানে প্রাপ্ত সুধীজনদের তালিকা|ইউআরএল=http://www.moca.gov.bd/sites/default/files/files/moca.portal.gov.bd/notices/0c1da276_cb7b_4796_b9b7_43992f4120f7/IMG_0006.pdf|সংগ্রহের-তারিখ=2024-02-13|ওয়েবসাইট=www.moca.gov.bd}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==জীবনী==&lt;br /&gt;
জিনবোধি চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পালি বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে একই বিভাগে শিক্ষক হিসেবে যোগদান করে এবং অবসর গ্রহণ অবধি উক্ত বিভাগের চ্যোয়ারম্যান ছিলেন।চট্টগ্রাম  বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের &#039;বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল&#039; ও &#039;অতীশ দীপঙ্কর হল&#039; নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।&amp;lt;ref name=&amp;quot;ডেইলি ক্যাম্পাস&amp;quot;&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি |শিরোনাম=একুশে পদক পাচ্ছেন চবি অধ্যাপক জিনবোধি |ইউআরএল=https://thedailycampus.com/universities/135691/%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%B6%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%A6%E0%A6%95-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%9B%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%9A%E0%A6%AC%E0%A6%BF-%E0%A6%85%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A6%95-%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%AC%E0%A7%8B%E0%A6%A7%E0%A6%BF |সংগ্রহের-তারিখ=১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ |কর্ম=ডেইলি ক্যাম্পাস |ভাষা=bn}}&amp;lt;/ref&amp;gt; &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শিক্ষকতার পাশাপাশি তিনি বৌদ্ধ দর্শন নিয়ে গবেষণায় যুক্ত রয়েছেন। বৌব্ধ ধর্ম নিয়ে এ সংক্রান্ত তার লেখা &#039;বৌদ্ধ দর্শনে প্রজ্ঞাতত্ত্ব ও বিমুক্তিমার্গ&#039; নামের একটি বই বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়াও &#039;জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শতবর্ষের ভাবনায়&#039; নামের আরও একটি বই ২০২৩ সালে প্রকাশিত হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==তথ্যসূত্র==&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Protik Sikder</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%AC%E0%A7%8B%E0%A6%A7%E0%A6%BF_%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A7%81&amp;diff=11510</id>
		<title>জিনবোধি ভিক্ষু</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%AC%E0%A7%8B%E0%A6%A7%E0%A6%BF_%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A7%81&amp;diff=11510"/>
		<updated>2025-02-21T13:53:15Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Protik Sikder: &amp;quot;{{তথ্যছক ব্যক্তি | name               = জিনবোধি ভিক্ষু | image              =  | caption            =  | birth_date         = | birth_place        =  | death_place        =  | nationality        = বাংলাদেশি | alma_mater         = চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় | occupation         = অধ্যাপক | spouses            = | awards...&amp;quot; দিয়ে পাতা তৈরি&lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;{{তথ্যছক ব্যক্তি&lt;br /&gt;
| name               = জিনবোধি ভিক্ষু&lt;br /&gt;
| image              = &lt;br /&gt;
| caption            = &lt;br /&gt;
| birth_date         =&lt;br /&gt;
| birth_place        = &lt;br /&gt;
| death_place        = &lt;br /&gt;
| nationality        = বাংলাদেশি&lt;br /&gt;
| alma_mater         = [[চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়]]&lt;br /&gt;
| occupation         = অধ্যাপক&lt;br /&gt;
| spouses            =&lt;br /&gt;
| awards             = [[একুশে পদক]] (২০২৪)&lt;br /&gt;
}}&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;ড.জিনবোধি ভিক্ষু&#039;&#039;&#039; হলেন একজন বাংলাদেশি অধ্যাপক যিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পালি বিভাগে অধ্যাপনা করছেন।&amp;lt;ref name=&amp;quot;ডেইলি ক্যাম্পাস&amp;quot;/&amp;gt; [[শিক্ষায় একুশে পদক বিজয়ীদের তালিকা|শিক্ষায়]] বিশেষ অবদানের জন্য [[বাংলাদেশ সরকার]] তাকে ২০২৪ সালে [[একুশে পদক]] প্রদান করে।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|শিরোনাম=একুশে পদক প্রদান-২০২৪ অনুষ্ঠানে প্রাপ্ত সুধীজনদের তালিকা|ইউআরএল=http://www.moca.gov.bd/sites/default/files/files/moca.portal.gov.bd/notices/0c1da276_cb7b_4796_b9b7_43992f4120f7/IMG_0006.pdf|সংগ্রহের-তারিখ=2024-02-13|ওয়েবসাইট=www.moca.gov.bd}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==জীবনী==&lt;br /&gt;
জিনবোধি চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পালি বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে একই বিভাগে শিক্ষক হিসেবে যোগদান করে এবং অবসর গ্রহণ অবধি উক্ত বিভাগের চ্যোয়ারম্যান ছিলেন।চট্টগ্রাম  বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের &#039;বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল&#039; ও &#039;অতীশ দীপঙ্কর হল&#039; নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।&amp;lt;ref name=&amp;quot;ডেইলি ক্যাম্পাস&amp;quot;&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি |শিরোনাম=একুশে পদক পাচ্ছেন চবি অধ্যাপক জিনবোধি |ইউআরএল=https://thedailycampus.com/universities/135691/%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%B6%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%A6%E0%A6%95-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%9B%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%9A%E0%A6%AC%E0%A6%BF-%E0%A6%85%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A6%95-%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%AC%E0%A7%8B%E0%A6%A7%E0%A6%BF |সংগ্রহের-তারিখ=১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ |কর্ম=ডেইলি ক্যাম্পাস |ভাষা=bn}}&amp;lt;/ref&amp;gt; &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শিক্ষকতার পাশাপাশি তিনি বৌদ্ধ দর্শন নিয়ে গবেষণায় যুক্ত রয়েছেন। বৌব্ধ ধর্ম নিয়ে এ সংক্রান্ত তার লেখা &#039;বৌদ্ধ দর্শনে প্রজ্ঞাতত্ত্ব ও বিমুক্তিমার্গ&#039; নামের একটি বই বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়াও &#039;জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শতবর্ষের ভাবনায়&#039; নামের আরও একটি বই ২০২৩ সালে প্রকাশিত হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==তথ্যসূত্র==&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Protik Sikder</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%A3&amp;diff=11509</id>
		<title>বিকিরণ</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%A3&amp;diff=11509"/>
		<updated>2025-02-21T13:50:44Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Protik Sikder: &amp;quot;বিকিরণ&amp;quot; সুরক্ষিত করা হয়েছে ([সম্পাদনা=শুধুমাত্র প্রশাসকদের জন্য অনুমোদিত] (অসীম) [স্থানান্তর=শুধুমাত্র প্রশাসকদের জন্য অনুমোদিত] (অসীম)) [প্রপাতাকার]&lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;[[চিত্র:Alfa_beta_gamma_radiation_penetration.svg|ডান|থাম্ব|আপেক্ষিক ক্ষমতার তিনটি ভিন্ন ধরনের আয়োনাজিং বিকিরণ কঠিন বস্তুর মধ্য দিয়ে প্রবেশের চিত্রণ।  সাধারণত আলফা কণা (α) এক টুকরা  কাগজের দ্বারাই থেমে যায়, যেখানে বিটা কণা (β) থামানো হয় একটি অ্যালুমিনিয়াম প্লেট দ্বারা।গামা বিকিরণ (γ) তীব্রতা ঈষৎ হ্রাস পায় যখন এটি সীসার মধ্যে  প্রবেশ করে।]]&lt;br /&gt;
[[চিত্র:Radioactive.svg|থাম্ব|ক্ষতিকর ও অরক্ষিত বিকিরনের আন্তর্জাতিক প্রতীক যা মানুষের জন্য বিপদজ্জনক ও অনিরাপদ। বিকিরণ সাধারণত আলো এবং শব্দ হিসেবে প্রকৃতিতে বিদ্যমান।]]&lt;br /&gt;
[[পদার্থবিজ্ঞান|পদার্থবিদ্যা]]&amp;lt;nowiki/&amp;gt;য়, &#039;&#039;&#039;বিকিরণ&#039;&#039;&#039; হল, এক প্রকার [[শক্তি]] স্থানান্তর বা  নির্গমন প্রক্রিয়া যা [[তরঙ্গ]] বা কণা আকারে শূন্য স্থান বা মাধ্যমের মধ্য দিয়ে ভ্রমণ করে।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://scienceworld.wolfram.com/physics/Radiation.html|শিরোনাম=Radiation|শেষাংশ=Weisstein|প্রথমাংশ=Eric W.|ওয়েবসাইট=Eric Weisstein&#039;s World of Physics|প্রকাশক=Wolfram Research|সংগ্রহের-তারিখ=2014-01-11}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.thefreedictionary.com/radiation|শিরোনাম=Radiation|ওয়েবসাইট=The free dictionary by Farlex|প্রকাশক=Farlex, Inc.|সংগ্রহের-তারিখ=2014-01-11}}&amp;lt;/ref&amp;gt; এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে:&lt;br /&gt;
* [[তড়িৎ-চৌম্বকীয় বিকিরণ|ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক বিকিরণ]], যেমন [[তাপ]], [[বেতার তরঙ্গ|রেডিও তরঙ্গ]], [[আলো|দৃশ্যমান আলো]], [[রঞ্জন রশ্মি|এক্স-রে]], ও [[গামা রশ্মি|গামা বিকিরণ (γ)]]&lt;br /&gt;
* কণা বিকিরণ, যেমন আলফা বিকিরণ (α), [[বিটা কণিকা|বিটা, বিকিরণ (β)]]&amp;lt;nowiki/&amp;gt;এবং নিউট্রন বিকিরণ (কণার নন-জিরো বিশ্রাম শক্তি)&lt;br /&gt;
* [[শব্দবিজ্ঞান|শাব্দ]]  বিকিরণ, যেমন আল্ট্রাসাউন্ড, [[শব্দ]], এবং সিসমিক তরঙ্গ (একটি বাহ্যিক ট্রান্সমিশন মাধ্যমের উপর নির্ভরশীল)&lt;br /&gt;
* [[মহাকর্ষীয় তরঙ্গ|মহাকর্ষীয় বিকিরণ]], বিকিরণ যা মহাকর্ষীয় তরঙ্গের বা  স্থান-কাল বক্রতা রূপ নেয়। &lt;br /&gt;
বিচ্ছুরিত কণার শক্তির উপর নির্ভর করে বিকিরণকে প্রায়ই আয়োনাজিং বা নন-আয়োনাজিং হিসাবে শ্রেণীকরণ করা হয়। পরমাণু ও অনুকে আয়নিত করার এবং[[রাসায়নিক বন্ধন]]  ভাঙার মত পর্যাপ্ত শক্তি প্রায় ১০ ইলেক্ট্রো ভোল্ট শক্তি আয়নাজিং বিকিরন বহন করে। [[তেজস্ক্রিয়তা|তেজস্ক্রিয়]] পদার্থ যা  α, β, বা γ  রশ্মির সাথে সাথে  হিলিয়াম নিউক্লিয়াস,[[ইলেকট্রন]] বা পজিট্রনেরএবং [[ফোটন]]  নির্গত করে তা আয়নাজিং বিকিরনের একটি সাধারণ উৎস। অন্যান্য উৎসের মধ্যে রয়েছে[[এক্স-রে| এক্স-রে, পজিট্রনের, নিউট্রন, মেসন]] সেকেন্ডারি [[মহাজাগতিক রশ্মি|কসমিক রে]] যা প্রাইমারি কসমিক রে পৃথিবীর বায়ু মন্ডলের সাথে আন্তক্রিয়ার পড়ে উৎপাদিত হয়। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গামা রশ্মি, এক্স-রে এবং অতিবেগুনী রশ্মির উচ্চতর শক্তি পরিসর ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক বর্ণালীর আয়নাইজিং অংশ গঠন করে। &amp;quot;আয়নাইজ&amp;quot; শব্দটি একটি পরমাণু থেকে দূরে এক বা একাধিক ইলেক্ট্রন ভেঙ্গে যাওয়াকে বোঝায়, এমন একটি ক্রিয়া যার জন্য অপেক্ষাকৃত উচ্চ শক্তির প্রয়োজন হয় যা এই ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক তরঙ্গ সরবরাহ করে। বর্ণালীতে আরও নিচে, নিম্ন অতিবেগুনি বর্ণালীর অ-আয়নাইজিং নিম্ন শক্তিগুলি পরমাণুকে আয়নিত করতে পারে না, কিন্তু আন্তঃপারমাণবিক বন্ধনগুলিকে ব্যাহত করতে পারে যা অণু গঠন করে, যার ফলে পরমাণুর পরিবর্তে অণুগুলি ভেঙে যায়; এর একটি ভাল উদাহরণ হল দীর্ঘ তরঙ্গদৈর্ঘ্য সৌর অতিবেগুনী দ্বারা সৃষ্ট রোদে পোড়া। দৃশ্যমান আলো, ইনফ্রারেড এবং মাইক্রোওয়েভ ফ্রিকোয়েন্সিতে UV এর চেয়ে দীর্ঘ তরঙ্গদৈর্ঘ্যের তরঙ্গগুলি বন্ধন ভাঙতে পারে না তবে তাপ হিসাবে অনুভূত বন্ধনে কম্পন সৃষ্টি করতে পারে। রেডিও তরঙ্গদৈর্ঘ্য এবং তার নিচে সাধারণত জৈবিক সিস্টেমের জন্য ক্ষতিকারক হিসাবে বিবেচিত হয় না। এগুলি শক্তির তীক্ষ্ণ বর্ণনা নয়; নির্দিষ্ট ফ্রিকোয়েন্সির প্রভাবে কিছু ওভারল্যাপ আছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;quot;বিকিরণ&amp;quot; শব্দটি একটি উৎস থেকে বিকিরণকারী তরঙ্গের ঘটনা (অর্থাৎ, সমস্ত দিকে বাইরের দিকে ভ্রমণ) থেকে উদ্ভূত হয়। এই দিকটি পরিমাপ এবং শারীরিক এককগুলির একটি সিস্টেমের দিকে নিয়ে যায় যা সমস্ত ধরনের বিকিরণে প্রযোজ্য। কারণ এই ধরনের বিকিরণ মহাকাশের মধ্য দিয়ে যাওয়ার সাথে সাথে প্রসারিত হয় এবং এর শক্তি সংরক্ষিত (শূন্যতায়), একটি বিন্দু উত্স থেকে সমস্ত ধরনের বিকিরণের তীব্রতা তার উত্স থেকে দূরত্বের সাথে সম্পর্কিত একটি বিপরীত-বর্গীয় আইন অনুসরণ করে। যে কোনো আদর্শ আইনের মতো, বিপরীত-বর্গীয় আইন একটি পরিমাপিত বিকিরণের তীব্রতাকে আনুমানিক করে যে পরিমাণ উৎসটি একটি জ্যামিতিক বিন্দুকে আনুমানিক করে।&lt;br /&gt;
== আরো দেখুন ==&lt;br /&gt;
&amp;lt;div style=&amp;quot;z-index: 2; opacity: 1; transform: translate(379.188px, 19070.3px);&amp;quot; class=&amp;quot;_e725ae-textarea_btn _e725ae-show _e725ae-anonymous _e725ae-field_hovered&amp;quot; data-grammarly-reactid=&amp;quot;.e&amp;quot;&amp;gt;&amp;lt;div class=&amp;quot;_e725ae-transform_wrap&amp;quot; data-grammarly-reactid=&amp;quot;.e.0&amp;quot;&amp;gt;&lt;br /&gt;
&amp;lt;/div&amp;gt;&amp;lt;/div&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== নোট এবং রেফারেন্স ==&lt;br /&gt;
{{সূত্র তালিকা}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:পদার্থবিজ্ঞান]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:তরঙ্গ]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:ভৌত ঘটনা]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:বিকিরণ]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Protik Sikder</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6&amp;diff=11439</id>
		<title>তাজবিদ</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6&amp;diff=11439"/>
		<updated>2025-02-20T14:42:58Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Protik Sikder: &amp;quot;তাজবিদ&amp;quot; সুরক্ষিত করা হয়েছে ([সম্পাদনা=শুধুমাত্র প্রশাসকদের জন্য অনুমোদিত] (অসীম) [স্থানান্তর=শুধুমাত্র প্রশাসকদের জন্য অনুমোদিত] (অসীম))&lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;{{কুরআন}}&lt;br /&gt;
[[File:Quran-Mus&#039;haf Al Tajweed.jpg|thumb|235px|middle|&#039;&#039;মুসহাফ আল-তাজউইদ&#039;&#039;, তাজবিদ অনুসারে পড়ার সুবিধার জন্য রঙিন হরফযুক্ত কুরআন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;তাজবিদের&#039;&#039;&#039; আভিধানিক অর্থ সৌন্দর্য মণ্ডিত করা বা যথাযথ ভাবে সম্পন্ন করা। যে বিষয়টিতে [[কুরআন]] মাজিদ সঠিক উচ্চারণে তিলাওয়াতের নিয়মাবলী উল্লেখ করা হয় তাকে তাজবিদ বলে৷ সঠিক উচ্চারণ মাখরাজ ও সিফাত অনুসারে উচ্চারণের উপর অধিক নির্ভর করে৷ তাজবিদ অনুসারে [[কুরআন]] তিলাওয়াত করা [[ওয়াজিব]] (আবশ্যক)৷ তাজবিদ অনুসারে উচ্চারণ না করলে সাধারণত অর্থ বিকৃত হয়ে যায়৷ তাজবিদের উদ্দেশ্য হলো কুরআন মাজিদের প্রত্যেকটি হরফকে যথাযথ ভাবে পাঠ করা, কুরআন মাজিদের শব্দ ও হরফগুলো পাশাপাশি আসার ফলে যে সকল কায়দার (গুন্না, পুর, বারিক, মাদ, ইত্তেকাউস সাকিনাইন, ওয়াকফ) সৃষ্টি হয় তা সঠিকভাবে পাঠ করা, কুরআন মাজিদ তিলাওয়াত করার সময় অতিরিক্ত কোনোকিছু যাতে যুক্ত না হয়, প্রয়োজনীয় কিছু যাতে বাদ না পড়ে, কুরআন মাজিদের বিশেষ&amp;amp;nbsp; [[সেজদার আয়াত|আয়াতুস সাজদা]], সাকতা, ইমালা, তাসহিল)&amp;amp;nbsp; সম্পর্কে আলোচনা&amp;amp;nbsp; সর্বোপরি [[কুরআন]] মাজিদকে সঠিকভাবে [[তিলাওয়াত]]ের&amp;amp;nbsp; জন্য সম্ভাব্য সকল আলোচনা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==তাজবিদের প্রয়োজনীয়তা==&lt;br /&gt;
&amp;lt;span style=&amp;quot;font-size:x-large;line-height:normal;&amp;quot;&amp;gt;{{script/Arabic| وَرَتِّلِ اَلْقُرْاٰنَ تَرْتِيْلَا }}&amp;lt;/span&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
(কুরআনটি তেলাওয়াত কর ধীরে ধীরে স্পষ্ট ও সুন্দর ভাবে।) --আল-কুরআন, সুরা:মুজাম্মিল,আয়াত:৪&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কুরআনকে ধীরে ধীরে স্পষ্ট ও সুন্দর ভাবে পড়া মুসলিমদের জন্য [[ফরজ|ফরয]] (আবশ্যিক) কারণ [[আল্লাহ]]্ তাআলা স্বয়ং নির্দেশ দিয়েছেন। স্পষ্ট ও সুন্দর ভাবে পড়তে হলে কীভাবে&amp;amp;nbsp; পড়তে হয় তা আগে জানতে হবে এবং তা তাজবিদেই বর্ণনা করা হয়। তাই তাজবিদ সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে, না হলে কুরআন মাজিদ পড়ার সময় অনেক ভুল হবে এবং অনেক সময় কুরআনের আয়াতের অর্থের বিপরীত অর্থ হয়ে যাবে&amp;amp;nbsp; ফলস্বরূপ কুরআন মাজিদ পড়ার&amp;amp;nbsp; মূল উদ্দেশ্যই বিফল হবে। তাছাড়া শ্রবণকারী ভুল উচ্চারণ শোনে কুরআন মাজিদ সম্পর্কে ভুল ধারণা জন্মাতে পারে যা অনেক সময় বিশৃঙ্খলার কারণ হয়ে দাড়াতে পারে, যা মোটেই কাম্য নয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==আরবি বর্ণমালা==&lt;br /&gt;
{{মূল নিবন্ধ | আরবি লিপি}}&lt;br /&gt;
[[আরবি]] ভাষায় মোট ২৮ টি&amp;lt;ref name=&amp;quot;:0&amp;quot;&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.arabic-keyboard.org/arabic/arabic-alphabet.php|শিরোনাম=Arabic|ওয়েবসাইট=www.arabic-keyboard.org|সংগ্রহের-তারিখ=2018-08-08}}&amp;lt;/ref&amp;gt; [[হরফ]] আছে৷ তবে ء&#039;কে হরফ হিসাবে যদি ধরা হয়, তাহলে ২৯টি হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;lt;ref name=&amp;quot;:0&amp;quot; /&amp;gt;&amp;lt;span style=&amp;quot;font-size:x-large;line-height:normal;&amp;quot;&amp;gt;{{script/Arabic|ا ب ت ث ج ح خ د ذ ر ز س ش ص ض ط ظ ع غ ف ق ك ل م ن و ہ ي}}&amp;lt;/span&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==মাখরাজ==&lt;br /&gt;
{{আরও দেখুন|আধুনিক প্রমিত আরবি}}&lt;br /&gt;
মাখরাজ ([[আরবি]]: مخرج)-এর অর্থ বের হওয়ার স্থান৷ আরবি ভাষায় হরফসমূহ উচ্চারণের স্থানকে মাখরাজ বলে৷ হরফসমূহ মোট ১৭ টি স্থান থেকে উচ্চারিত হয়৷&lt;br /&gt;
এই ১৭ টি মাখরাজ আবার ৫ টি মাকাম (ঘর, এখানে মাকাম বলতে বৃহৎ অর্থে উচ্চারণের স্থান বোঝান হয়েছে) এর অন্তর্ভুক্ত। ৫ টি মাকামের নাম&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://tajweed.me/tag/points-of-articulation/|শিরোনাম=points of articulation – Tajweed Me|ওয়েবসাইট=tajweed.me|ভাষা=en|সংগ্রহের-তারিখ=2018-08-08}}&amp;lt;/ref&amp;gt; :&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
#جوف - জওফ (মুখের ভিতরের খালি জায়গা)&lt;br /&gt;
#حلق - হলক (কণ্ঠনালী)&lt;br /&gt;
#لسن - লিসান (জিহ্বা)&lt;br /&gt;
#شفتان - শাফাতান (দুই ঠোঁট)&lt;br /&gt;
#خيشوم - খাইশুম (নাসিকামূল)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
{| class=&amp;quot;wikitable&amp;quot;&lt;br /&gt;
|+আরবি ২৯ টি হরফের মাখরাজ (উচ্চারণের স্থান)&lt;br /&gt;
!মাকাম (উচ্চারনের স্থান)&lt;br /&gt;
!মাখরাজ (উচ্চারণের উপস্থান) সংখ্যা &lt;br /&gt;
!মাখরাজ (উচ্চারণের উপস্থান)&lt;br /&gt;
!হরফ সংখ্যা &lt;br /&gt;
!হরফ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|জওফ&lt;br /&gt;
|১ টি&lt;br /&gt;
|মুখের ভিতরের খালি জায়গা&lt;br /&gt;
|৩ টি (শর্ত সাপেক্ষে)&lt;br /&gt;
|و ، ا ، ي&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| rowspan=&amp;quot;3&amp;quot; |হলক&lt;br /&gt;
| rowspan=&amp;quot;3&amp;quot; |৩ টি&lt;br /&gt;
|আদনায়ে হলক&lt;br /&gt;
| rowspan=&amp;quot;3&amp;quot; |৬ টি&lt;br /&gt;
|خ ، غ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|অসতে হলক&lt;br /&gt;
|ع ،ح&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আকসায়ে হলক&lt;br /&gt;
|ء ،ه&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| rowspan=&amp;quot;10&amp;quot; |লিসান&lt;br /&gt;
| rowspan=&amp;quot;10&amp;quot; |১০ টি&lt;br /&gt;
|আকসায়ে লিসান (আলজিব) ও তালু&lt;br /&gt;
| rowspan=&amp;quot;10&amp;quot; |১৮ টি&lt;br /&gt;
|ق&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আকসায়ে লিসান ও তালু থেকে (সামান্য মুখের দিকে সরে)&lt;br /&gt;
|ك&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ওছতে লিসান (জিহ্বার মধ্যস্থল) ও তালু&lt;br /&gt;
|ج ، ش ، ى&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|জিহ্বার ডান/বাম কিনারা ও আদরাসে উলিয়া (পিষণ দাঁত) এর মাড়ি&lt;br /&gt;
|ض&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|জিহ্বার সামনের কিনারা ও উপরের দাঁতের মাড়ি ও তালুর কিছু অংশ&lt;br /&gt;
|ل&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|উপরের মাখরাজ থেকে সামান্য মুখের দিকে সরে&lt;br /&gt;
|ن&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|জিহ্বার সামনের অংশের পিঠ ও সানায়া উলিয়া (উপরের মধ্যভাগের দুই দাঁত) এর মাড়ি&lt;br /&gt;
|ر&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|জিহ্বার অগ্রভাগ ও সানায়া উলিয়ার মাড়ি ও তালুর কিছু অংশ&lt;br /&gt;
|ت ، د ، ط&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|জিহ্বার অগ্রভাগ এবং সানায়া উলিয়া ও সানায়া সুফলা (নিচের মধ্যভাগের দুই দাঁত) এর মধ্যভাগ&lt;br /&gt;
|ز ، س ، ص&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|জিহ্বার অগ্রভাগ ও সানায়া উলিয়া এর অগ্রভাগ&lt;br /&gt;
|ث ، ذ ، ظ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| rowspan=&amp;quot;2&amp;quot; |শাফাতান&lt;br /&gt;
| rowspan=&amp;quot;2&amp;quot; |২ টি&lt;br /&gt;
|সানায়া উলিয়ার অগ্রভাগ ও নিচের ঠোটের ভিতরের অংশ&lt;br /&gt;
| rowspan=&amp;quot;2&amp;quot; |৪ টি&lt;br /&gt;
|ف&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|উভয় ঠোটকে মিলিয়ে&lt;br /&gt;
|ب ، م ، و&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|খাইশুম&lt;br /&gt;
|১টি&lt;br /&gt;
|নাকের মূল&lt;br /&gt;
|২ টি (শর্ত সাপেক্ষে)&lt;br /&gt;
|ن ، م&lt;br /&gt;
|}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==সিফাত==&lt;br /&gt;
সিফাত অর্থ উচ্চারণের বিশেষ অবস্থা বা [[গুণ]] ৷&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কোনো কোনো [[আরবি]] [[হরফ]] মোট স্বরে উচ্চারণ করা হয়৷&lt;br /&gt;
কোনো হরফকে আবার [[শক্ত]] করে [[উচ্চারণ]] করতে হয়।&lt;br /&gt;
আবার কোনো হরফ উচ্চারণ করতে হয় [[চূড়ই]] পাখির মতো [[আওয়াজ]] করে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বুঝার সুবিধার জন্য উপরে হরফ উচ্চারণের ৩ টি [[সিফাত]] (গুন) এর কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এ ধরনের ১৭ টি সিফাত রয়েছে। &lt;br /&gt;
সিফাত প্রথমত ২ প্রকার:&lt;br /&gt;
#লাজিমাহ (স্থায়ি) &lt;br /&gt;
#আ’রীদি (অস্থায়ি)।&amp;lt;ref name=&amp;quot;tajweed.me&amp;quot;&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://tajweed.me/tag/sifaat-al-huruf/|শিরোনাম=sifaat al-huruf – Tajweed Me|ওয়েবসাইট=tajweed.me|ভাষা=en|সংগ্রহের-তারিখ=2018-08-08}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
{| class=&amp;quot;wikitable&amp;quot;&lt;br /&gt;
|+সিফাতের শ্রেণিবিভাগ &lt;br /&gt;
!বিভাগ&lt;br /&gt;
!উপবিভাগ&lt;br /&gt;
!সিফাত সংখ্যা&lt;br /&gt;
!সিফাত&lt;br /&gt;
!সিফাতের বৈশিষ্ট্য (উচ্চারণের সময়)&lt;br /&gt;
!হরফ সংখ্যা&lt;br /&gt;
!হরফ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| rowspan=&amp;quot;17&amp;quot; |লাজিমাহ (স্থায়ী)&lt;br /&gt;
| rowspan=&amp;quot;10&amp;quot; |মুতাদ্বাদ্দাহ ( পরস্পর বিরোধি)&lt;br /&gt;
| rowspan=&amp;quot;10&amp;quot; |১০ টি&lt;br /&gt;
|জাহর&lt;br /&gt;
|সবল, শ্বাস বন্ধ&lt;br /&gt;
|১৯ টি &lt;br /&gt;
|ا ، ب ، ج ، د ، ذ ، ر ، ز ، ض ، ط ، ظ ، ع ، غ ، ق ، ل ، م ، ن ، و ، ء ، ى&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হামস (পাতলা আওয়াজ)&lt;br /&gt;
|শ্বাস জারি&lt;br /&gt;
|১০&lt;br /&gt;
|ح ، ث ، ه ، ش ، خ ، ص ، ف ، س ، ك ، ت&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|শিদ্দাঁত (সবলতা)&lt;br /&gt;
|আওয়াজ বন্ধ&lt;br /&gt;
|৮&lt;br /&gt;
|ا ، ج ، د ، ق ، ط ، ب ، ك ، ت&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রিখাওয়াত(নরম) + তাওয়াস্সু্ত(মধ্যম)&lt;br /&gt;
|আওয়াজ জারি + আওয়াজ বন্ধও নয় জারিও নয়(মধ্যম)&lt;br /&gt;
|১৬+৫&lt;br /&gt;
|ا ، ث ، ح ، خ ، ذ ، ز ، س ، ش ، ص ، ض ، ظ ، غ ، ف ، و ، ه ، ى + ل ، ن ، ع ، م ، ر&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইস্তেয়া’লা (উন্নতি)&lt;br /&gt;
|পুর (বলিষ্ঠ) করে উচ্চারণ, জিহ্বা তালুর সাথে মিলানো &lt;br /&gt;
|৭&lt;br /&gt;
|خ ، ص ، ض ، غ ، ط ، ق ، ظ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইস্তেফাল (পতিত)&lt;br /&gt;
|বলিষ্ঠ নয়, জিহ্বা তালু থেকে আলাদা রাখা&lt;br /&gt;
|২২&lt;br /&gt;
|ث ، ب ، ت ، ع ، ز ، م ، ن ، ى ، ج ، و ، د ، ح ، ر ، ف ، ه ، ء ، ذ ، س ، ل ، ش ، ك ، ا&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইতবাক্ব (যুক্ত করা)&lt;br /&gt;
|অত্যধিক পুর (বলিষ্ঠ) করে উচ্চারণ,জিহ্বা তালুর সাথে যুক্ত করা&lt;br /&gt;
|৪&lt;br /&gt;
|ص ، ض ، ط. ظ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইনফিতাহ (আলাদা)&lt;br /&gt;
|জিহ্বা তালু থেকে আলাদা রাখা&lt;br /&gt;
|২৫&lt;br /&gt;
|م ، ن ، ء ، خ ، ذ ، و ، ج ، د ، س ، ع ، ت ، ف ، ز ، ك ، ا ، ح ، ق ، ل ، ه ، ش ، ر ، ب ، غ ، ى ، ث&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইজলাক্ব (কিনারা)&lt;br /&gt;
|জিহ্বা/ঠোটের কিনারার উপর নির্ভার করা&lt;br /&gt;
|৬&lt;br /&gt;
|ف ، ر ، م ، ن ، ل ، ب&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইস্মাত (নিষেধ)&lt;br /&gt;
|জিহ্বা/ঠোটের কিনারার উপর নির্ভার করা নিষেধ&lt;br /&gt;
|২৩&lt;br /&gt;
|ج ، ز ، غ ، ش ، س ، ا ، خ ، ط ، ص ، د ، ث ، ق ، ت ، ء ، ذ ، و ، ع ، ظ ، ه ، ى ، ح ، ض ، ك&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| rowspan=&amp;quot;7&amp;quot; |গ্বাইরে মুতাদ্বাদ্দাহ। (পরস্পর বিরোধি সিফাত নেই)&lt;br /&gt;
| rowspan=&amp;quot;7&amp;quot; |৭ টি&lt;br /&gt;
|সফির(চূড়ই পাখির আওয়াজ)&lt;br /&gt;
|জিহ্বার অগ্রভাগ সানায়া দাঁতের অগ্রভাগের সাথে মিলবে&lt;br /&gt;
|৩&lt;br /&gt;
|ز ، س ، ص&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|গুন্নাহ&lt;br /&gt;
|হরফকে উচ্চারণের সময় নাকের মূল থেকে আওয়াজ নির্গত করা&lt;br /&gt;
|২&lt;br /&gt;
|ن ، م&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|লীন (নরম)&lt;br /&gt;
|হরফকে অনায়াসে তার উচ্চারণের স্থান হতে উচ্চারন করা &lt;br /&gt;
|২ টি (শর্তসাপেক্ষে)&lt;br /&gt;
শর্ত নং.&lt;br /&gt;
১/ و/ى সাকিন তার পূর্বে জবর&lt;br /&gt;
২/ ওয়াকফ (থামা) এর অবস্থায়&lt;br /&gt;
|و ، ى&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইনহিরাফ (ঝুকে পড়া)&lt;br /&gt;
|জিহ্বার কিনারা উপরের দিকে ঝুঁকানো&lt;br /&gt;
|২&lt;br /&gt;
|ر ، ل&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|তাকরীর (পুনরাবৃত্তি)&lt;br /&gt;
|উচ্চারণের সময় জিহ্বা কম্পিত করা&lt;br /&gt;
|১&lt;br /&gt;
|ر&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|তাফাশশী (ছড়াইয়া দেওয়া)&lt;br /&gt;
|হরফ উচ্চারণের সময় মুখের ভিতর হাওয়া ছড়াইয়া দেওয়া&lt;br /&gt;
|১&lt;br /&gt;
|ش&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইস্তেত্বালাত (বিস্তৃত)&lt;br /&gt;
|জিহ্বার প্রারম্ভ থেকে শেষ পর্যন্ত বিস্তৃত করে পড়া&lt;br /&gt;
|১&lt;br /&gt;
|ض&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আরীদ্বি (অস্থায়ী)&lt;br /&gt;
|নাই&lt;br /&gt;
|১ টি&lt;br /&gt;
|ক্বালক্বালাহ (কম্পিত হওয়া)&lt;br /&gt;
|হরফকে সাকিন অবস্থায় উচ্চারণের সময় অতিরিক্ত আওয়াজ তৈরি করা। বাংলা বর্ণে হস চিহ্ন(্) না থাকলে যেরুপ হয়&lt;br /&gt;
|৫ টি (শর্তসাপেক্ষে: অবশ্যই সাকিন হতে হবে অন্যথায় ক্বালক্বালাহ হবে না )&lt;br /&gt;
|ق ، ط ، ب ، ج ، د&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
|}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
===লাজিমাহ (স্থায়ি)===&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সিফাতুল লাজিমাহে হরফের শুধুমাত্র ঐ সিফাত গুলো অন্তর্ভুক্ত যা হরফে সর্বাবস্থায় প্রয়োগ করতে হয়। যেমন: ب একটি হরফ, [[কুরআন]] মাজীদ এর যেকোনো জায়গায় এই হরফটি আসুক না কেন&lt;br /&gt;
#এটি উচ্চারণের শেষ পর্যায়ে হাওয়ার উপর নির্ভরশীল হবে না।&lt;br /&gt;
#একে শক্ত করে [[উচ্চারণ]] করতে হবে।&lt;br /&gt;
#একে পুর করে পড়া যাবে না।&lt;br /&gt;
#একে উচ্চারণের সময় [[জিহ্বা]] [[তালু]]র সাথে লাগবে না।&lt;br /&gt;
#একে উচ্চারণের সময় ঠোটের কিনারার উপর নির্ভার করতে হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
উপরের ৫ টি সিফাত সিফাতে লাজিমাহ এর অন্তর্ভুক্ত অন্যদিকে ب এর ১ টি সিফাত রয়েছে যা সিফাতে লাজিমার অন্তর্ভুক্ত নয়। যেমন:&lt;br /&gt;
ب শাকিন হলে ب এর সাথে অতিরিক্ত এক ধরনের উচ্চারণ (ক্বাল্ক্বালাহ) হয়। যেমন:&amp;lt;span style=&amp;quot;font-size:x-large;line-height:normal;&amp;quot;&amp;gt;{{script/Arabic| لَهَبْ }}&amp;lt;/span&amp;gt; (লাহাব না পড়ে লাহা&amp;quot;ব&amp;quot; পড়তে হবে) কিন্তু এটি সুধুমাত্র ب সাকিন হলে প্রযোজ্য হবে, এর সাথে জবর/জের/পেশ/তানউইন থাকলে প্রযোজ্য হবে না। অর্থাৎ এটি স্থায়ী সিফাত নয়, অস্থায়ী সিফাত আ’রীদি এর অন্তর্ভুক্ত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সিফাতুল লাজিমাহ আবার ১৭ প্রকার। এই ১৭ প্রকার সিফতকে আবার ২ ভাগে ভাগ করা হয়েছে। &amp;lt;ref name=&amp;quot;tajweed.me&amp;quot;/&amp;gt;&lt;br /&gt;
#মুতাদ্বাদ্দাহ ( পরস্পর বিরোধি)&lt;br /&gt;
#গ্বাইরে মুতাদ্বাদ্দাহ। (পরস্পর বিরোধি সিফাত নেই)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
====মুতাদ্বাদ্দাহ (পরস্পর বিরোধি)====&lt;br /&gt;
মুতাদ্বাদ্দাহ এর অন্তর্ভুক্ত ৫ জোড়া পরস্পর বিরোধি ১০ টি সিফাত রয়েছে। প্রত্যেক জোড়ার ১ টি সিফাত ঐ জোড়ার অন্য সিফাতটির বিপরীত। যেমন: ১ টি সিফাত সবল হলে অন্যটি দূর্বল।&amp;amp;nbsp; প্রত্যেক জোড়া পরস্পর বিরোধি সিফাতের অন্তর্ভুক্ত হরফগুলো ভিন্ন এবং প্রত্যেক জোড়া সিফাতে আরবি ২৯ টিই হরফ রয়েছে। যেমন: পরস্পর বিরোধি ১ টি সিফাতে&amp;amp;nbsp; ২০ টি হরফ থাকলে অপরটিতে অবশ্যই ৯ টি হরফ থাকবে কারণ উভয় সিফাত মিলে আরবি ২৯ টি হরফ অন্তর্ভুক্ত হতে হবে (২০+৯ = ২৯)। অন্যভাবে বললে আরবি ২৯ টি হরফের মধ্যে ২০ টি হরফ সবল হলে ৯ টি হরফ সবল হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
#জাহর:জাহর শব্দের অর্থ জাহির করা বা খুলাখুলি বর্ণনা করা। ا ، ب ، ج ، د ، ذ ، ر ، ز ، ض ، ط ، ظ ، ع ، غ ، ق ، ل ، م ، ن ، و ، ء ، ى জাহরের অন্তর্গত এই ১৯ টি হরফকে উচ্চারণের সময় মাখরাজের উপর সবল নির্ভর থাকে ও শ্বাস বন্ধ হয়ে জায়।&lt;br /&gt;
#হামস (পাতলা আওয়াজ বা ক্ষিণ ধ্বনি): ح ، ث ، ه ، ش ، خ ، ص ، ف ، س ، ك ، ت এই ১০ হরফেকে জোড় দিয়ে&amp;amp;nbsp; উচ্চারণ না করার কারণে উচ্চারণের সময় শ্বাস জারি থাকে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
#শিদ্দাঁত (সবলতা):ا ، ج ، د ، ق ، ط ، ب ، ك ، ت এই ৮ টি হরফকে জোড় দিয়ে&amp;amp;nbsp; উচ্চারণ করার কারার কারণে উচ্চারণের সময় আওয়াজ বন্ধ হয়ে যায়। &lt;br /&gt;
#রিখাওয়াত (নরম) + তাওয়াস্সু্ত(মধ্যম): তাওয়াস্সু্ত ও রিখাওয়াত ২ টি ভিন্ন সিফাত। তবে অধিকাংশ তাজউইদে তাওয়াস্সু্তকে শিদ্দাঁত এর অন্তর্ভুক্ত না করে রিখাওয়াতের অন্তর্ভুক্ত করা হয় কারণ তাওয়াস্সু্ত সিফাত বিশিষ্ট হরফকে উচ্চারণের সময় শ্বাস বন্ধ হওয়ার থেকে জারি থাকে বেশি।&amp;amp;nbsp; ا ، ث ، ح ، خ ، ذ ، ز ، س ، ش ، ص ، ض ، ظ ، غ ، ف ، و ، ه ، ى + ل ، ن ، ع ، م ، ر এই ১৬+৫ টি হরফের যে সকল গুন উচ্চারণের সময় প্রয়োগ করতে হবে: মাখরাজের উপর হরফের নির্ভর দুর্বল থাকার কারণে আওয়াজ জারি থাকবে + আওয়াজ বন্ধও নয় জারিও নয় মধ্যম (তাওয়াস্সু্ত এর ক্ষেত্রে)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
#ইস্তেয়া’লা (উন্নতি):হরফ সংখ্যা: ৭ টিخ ، ص ، ض ، غ ، ط ، ق ، ظ এই হরফ গুলো উচ্চারণের সময় জিহ্বা তালুর সাথে মিলাতে হবে যাতে আওয়াজ বলিষ্ঠ হয়।&lt;br /&gt;
তবে এর অর্থ এই নয় যে উক্ত হরফগুলোতে ফাতহা (যবর) থাকলে বাংলা আ-কার ছাড়া অক্ষরের মত করে পড়তে হবে৷ যেমন কেহ কেহ قال (ক্বালা) কে ক্বলা পড়ে থাকেন৷ এ হরফগুলোকে ফাতহাযুক্ত অবস্থায় মোটা আওয়াজে বাংলা আ-কারের মত করে পড়তে হবে৷ তদ্রূপ তাকরীর সিফাতের ر হরফটিকে ফাতহাযুক্ত অবস্থায় &#039;র&#039; উচ্চারণ না করে মোটা করে &amp;quot;রা&amp;quot; (ড়া) এর মত করে পড়তে হবে৷&lt;br /&gt;
#ইস্তেফাল(পতিত): হরফ সংখ্যা:২২ث ، ب ، ت ، ع ، ز ، م ، ن ، ى ، ج ، و ، د ، ح ، ر ، ف ، ه ، ء ، ذ ، س ، ل ، ش ، ك ، ا হরফের যে সকল গুন উচ্চারণের সময় প্রয়োগ করতে হবে: বলিষ্ঠ নয়, জিহ্বা তালু থেকে আলাদা রাখা&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
#ইতবাক্ব (যুক্ত করা):হরফ সংখ্যা: ৪ص ، ض ، ط. ظ এই হরফ গুলো উচ্চারণের সময় জিহ্বা তালুর সাথে মিলাতে হবে যাতে আওয়াজ অত্যধিক বলিষ্ঠ হয়।&lt;br /&gt;
#ইনফিতাহ(আলাদা):হরফ সংখ্যা: ২৫م ، ن ، ء ، خ ، ذ ، و ، ج ، د ، س ، ع ، ت ، ف ، ز ، ك ، ا ، ح ، ق ، ل ، ه ، ش ، ر ، ب ، غ ، ى ، ث হরফের যে সকল গুন উচ্চারণের সময় প্রয়োগ করতে হবে: জিহ্বা তালু থেকে আলাদা রাখা&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
#ইজলাক্ব (কিনারা): হরফ সংখ্যা:৬ف ، ر ، م ، ن ، ل ، ب হরফের যে সকল গুন উচ্চারণের সময় প্রয়োগ করতে হবে:জিহ্বা/ঠোটের কিনারার উপর নির্ভার করা&lt;br /&gt;
#ইস্মাত(নিষেধ): হরফ সংখ্যা:২৩ج ، ز ، غ ، ش ، س ، ا ، خ ، ط ، ص ، د ، ث ، ق ، ت ، ء ، ذ ، و ، ع ، ظ ، ه ، ى ، ح ، ض ،&amp;amp;nbsp; হরফের যে সকল গুন উচ্চারণের সময় প্রয়োগ করতে হবে:জিহ্বা/ঠোটের কিনারার উপর নির্ভার করা নিষেধ&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
====গ্বাইরে মুতাদ্বাদ্দাহ (পরস্পর বিরোধি সিফাত নেই)====&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
#সফির(চূড়ই পাখির আওয়াজ):হরফ সংখ্যা:৩ز ، س ، ص হরফের যে সকল গুন উচ্চারণের সময় প্রয়োগ করতে হবে:জিহ্বার অগ্রভাগ সানায়া দাঁতের অগ্রভাগের সাথে মিলবে&lt;br /&gt;
#গুন্নাহ:হরফ সংখ্যা:২ن ، م হরফের যে সকল গুন উচ্চারণের সময় প্রয়োগ করতে হবে:হরফকে উচ্চারণের সময় নাকের মূল থেকে আওয়াজ নির্গত করা&lt;br /&gt;
#লীন(নরম):হরফ সংখ্যা:২ টি و ، ى (শর্তসাপেক্ষে) শর্তগুলো&amp;amp;nbsp; হলো:&amp;amp;nbsp; و/ى সাকিন তার পূর্বে জবর এবং ওয়াকফ (থামা) এর অবস্থায়। হরফের যে সকল গুন উচ্চারণের সময় প্রয়োগ করতে হবে:হরফকে অনায়াসে তার উচ্চারণের স্থান হতে উচ্চারন করা।&lt;br /&gt;
#ইনহিরাফ(ঝুকে পড়া):হরফ সংখ্যা:২ر ، ل হরফের যে সকল গুন উচ্চারণের সময় প্রয়োগ করতে হবে:জিহ্বার কিনারা উপরের দিকে ঝুঁকানো&lt;br /&gt;
#তাকরীর (পুনরাবৃত্তি):হরফ সংখ্যা:১ر হরফের যে সকল গুন উচ্চারণের সময় প্রয়োগ করতে হবে:উচ্চারণের সময় জিহ্বা কম্পিত করা&lt;br /&gt;
#তাফাশশী (ছড়াইয়া দেওয়া)হরফ সংখ্যা::১ش হরফের যে সকল গুন উচ্চারণের সময় প্রয়োগ করতে হবে:হরফ উচ্চারণের সময় মুখের ভিতর হাওয়া ছড়াইয়া দেওয়া&lt;br /&gt;
#ইস্তেত্বালাত (বিস্তৃত):হরফ সংখ্যা:১ض হরফের যে সকল গুন উচ্চারণের সময় প্রয়োগ করতে হবে:জিহ্বার প্রারম্ভ থেকে শেষ পর্যন্ত বিস্তৃত করে পড়া&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
===আ’রীদি (অস্থায়ী)===&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সিফাতে আ’রীদি এ হরফের শুধুমাত্র ঐ সিফাত গুলো অন্তর্ভুক্ত যা হরফে সর্বাবস্থায় প্রয়োগ করতে হয় না । যেমন: [[ب]] একটি [[হরফ]], [[কুরআন]] মাজীদ এর বিভিন্ন জায়গায় এই হরফটি এসেছে। এই হরফটি উচ্চারণের সময় সবসময় অতিরিক্ত আওয়াজ( ক্বাল্ক্বালাহ) করতে হয় না। শুধুমাত্র [[ب]] [[সাকিন]] হলে এরকম করতে হয়। যেমন: &amp;lt;span style=&amp;quot;font-size:x-large;line-height:normal;&amp;quot;&amp;gt;{{script/Arabic| لَهَبْ }}&amp;lt;/span&amp;gt; (লাহাব না পড়ে লাহা&amp;quot;ব&amp;quot; পড়তে হবে)&lt;br /&gt;
এটি সুধুমাত্র ب সাকিন হলে প্রযোজ্য হবে, এর সাথে [[জবর]]/[[জের]]/[[পেশ]]/তানউইন থাকলে প্রযোজ্য হবে না। তাই এই সিফাতটি আ’রীদি এর অন্তর্ভুক্ত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অন্যদিকে ب এর ৫ টি সিফাত রয়েছে যা সিফাতে আ’রীদির অন্তর্ভুক্ত নয় যা উপরে আলোচনা করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সিফাতে আ’রীদির অন্তর্গত ১টি মাত্র সিফাত রয়েছে তা হলো:&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
====ক্বালক্বালাহ (কম্পিত হওয়া)====&lt;br /&gt;
ক্বালক্বালাহ শব্দের অর্থ কম্পিত হওয়া বা নাড়া দেওয়া। ق ، ط ، ب ، ج&amp;amp;nbsp; ، د এই ৫ টি হরফকে সাকিন অবস্থায়&amp;amp;nbsp; একধরনের অতিরিক্ত আওয়াজ করে উচ্চারণ করতে হয়(বংলা এ/ও এর মতো)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
যেমন: &amp;lt;span style=&amp;quot;font-size:x-large;line-height:normal;&amp;quot;&amp;gt;{{script/Arabic| لَهَبْ }}&amp;lt;/span&amp;gt; (লাহাব না পড়ে লাহা&amp;quot;ব&amp;quot; পড়তে হবে)&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;বি দ্র:&#039;&#039;&#039; এটি শুধুমাত্র ب সাকিন হলে প্রযোজ্য হবে, এর সাথে জবর/জের/পেশ/তানউইন থাকলে প্রযোজ্য হবে না।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ক্বালক্বালাহ ২ প্রকার:&lt;br /&gt;
#ক্বালক্বালাহ ক্বুবরা (বড় ক্বালক্বালাহ): ق ، ط ، ب ، ج&amp;amp;nbsp; ، د এই হরফ গুলোতে থামলে ক্বালক্বালাহ ক্বুবরা (বড় ক্বালক্বালাহ) করতে হয় (বেশি স্পষ্ট করে বাংলা এ/ও এর মতো উচ্চারণ&amp;amp;nbsp; করতে হয়। তবে যত বেশি স্পষ্ট করেই এ/ও এর মতো উচ্চারণ করা হোক না কেন পুরোপুরি এ/ও এর মতো উচ্চারণ করা যাবে না। অবশ্যই যোগ্য শীক্ষক কীভাবে পড়েন তা লক্ষ করতে হবে) উদাহরণ : &amp;lt;span style=&amp;quot;font-size:x-large;line-height:normal;&amp;quot;&amp;gt;{{script/Arabic| لَهَبْ }}&amp;lt;/span&amp;gt; (লাহা&amp;quot;ব&amp;quot; পড়তে হবে,মুটামুটি ৭০%)&lt;br /&gt;
#ক্বালক্বালাহ সুগরাহ (ছোট ক্বালক্বালাহ):&amp;amp;nbsp; ق ، ط ، ب ، ج&amp;amp;nbsp; ، د এই হরফ গুলোতে না থামলে ক্বালক্বালাহ সুগরা (ছোট ক্বালক্বালাহ) করতে হয় (কম স্পষ্ট করে বাংলা এ/ও এর মতো উচ্চারণ&amp;amp;nbsp; করতে হবে) উদাহরণ :&amp;amp;nbsp; (আ&amp;quot;ব&amp;quot;রার পড়তে হবে, ৪০%) &amp;lt;span style=&amp;quot;font-size:x-large;line-height:normal;&amp;quot;&amp;gt;{{script/Arabic| أَبْرَارْ&lt;br /&gt;
}}&amp;lt;/span&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;বি দ্র:&#039;&#039;&#039; ق ، ط এই ২ টি ইসতে&#039;য়ালার হরফকে উচ্চারণের সময় অতিরিক্ত উচ্চারণ বাংলা ও এর মতো হয় এবং ب ، ج ، د এই ৩ টি ইসতেফালের হরফকে উচ্চারণের সময় অতিরিক্ত উচ্চারণ বাংলা এ এর মতো হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==নুন সাকিন ও তানবিন==&lt;br /&gt;
নুন সাকিন &amp;lt;big&amp;gt;(نْ)&amp;lt;/big&amp;gt; ও তানবিনের &amp;lt;big&amp;gt;( ً / ٍ&amp;amp;nbsp; / ٌ )&amp;lt;/big&amp;gt; অবস্থা ৫ টি। এগুলো জানা প্রয়োজন কারণ, [[কোরআন]] মাজিদ এ কিছুক্ষণ পরপরই এই অবস্থাগুলো আসে। এগুলো না জানলে উচ্চারণ &lt;br /&gt;
শুদ্ধ হবে না। নিচে এগুলো বর্ণনা করা হয়েছে :&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
===ইজহার-ই-হাকিকী=== &lt;br /&gt;
ইজহার অর্থ প্রকাশ করা। এখানে নুন সাকিন ও তানউইনের উচ্চারণকে স্পষ্ট করে পড়া বুঝান হচ্ছে যখন এদের পর ء ، ه ، ح ، خ ، ع ، غ এই ৬ টি [[হরফ]] থেকে যেকোনো হরফ আসে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
উদাহরণ انعمت.  والنحر&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
===ইখফা-ই-হাকিকী=== &lt;br /&gt;
ইখফা [[অর্থ]] গোপন করা। এর হরফ ১৫ টি।এখানে নুন সাকিন ও তানউইনের পর যেকোনো একটি হরফ আসলে তাকে নাসিকাযোগে গোপন করে এক আলিফ পরিমাণ দীর্ঘ করে পড়াকে    ইখফা বলে। ت ، ث ، ج، د ، ذ ، ز ، س ، ش ، ص ، ض ، ط ، ظ ، ف ، ق ، ك হলো ইখফা এর ১৫ টি হরফ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
উদাহরণ :&amp;lt;big&amp;gt; مَنْ تَابٍ ، مَنْ جَاءَ&amp;lt;/big&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
===ইদগামে মা’ল গুন্নাহ অথবা বা গুন্নাহ=== &lt;br /&gt;
ইদগাম শব্দের অর্থ মিলিয়ে দেওয়া এবং মা’ল গুন্নাহ অর্থ গুন্নাহ([[নাক]] থেকে [[উচ্চারণ]];[[বাংলা]] [[চন্দ্রবিন্দু]] উচ্চারণের মতো) এর সহিত উচ্চারণ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এখানে নুন সাকিন ও তানউইনকে পরের হরফের সাথে মিলিয়ে গুন্নার সহিত উচ্চারণ করে পড়া বুঝান হচ্ছে যখন এদের পর ى ، ن ، م ، و এই ৪ টি হরফ থেকে যেকোনো হরফ আসে।&amp;amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
উদাহরণ :&amp;lt;big&amp;gt; مَنْ يَّعْمَلْ&amp;lt;/big&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
===ইদগামে বেলা গুন্নাহ=== &lt;br /&gt;
বেলা গুন্নাহ অর্থ গুন্নাহ ছাড়া উচ্চারণ করা। এখানে নুন সাকিন ও তানউইনকে পরের হরফের সাথে মিলিয়ে পড়া বুঝান হচ্ছে যখন এদের পর ر ، ل এই ২ টি হরফ থেকে যেকোনো হরফ আসে। তবে এক্ষেত্রে অবশ্যই গুন্নাহ ছাড়া [[উচ্চারণ]] করতে হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
উদাহরণ :&amp;lt;big&amp;gt; مِنْ رَبِّهِمْ ، غَفُوْرٌ رَّحِيْمٌ&amp;lt;/big&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
===ইক্বলাব=== &lt;br /&gt;
ইক্বলাব অর্থ [[পরিবর্তন]] করা। এখানে নুন সাকিন ও তানউইনের উচ্চারণকে م এর মতো করে পড়া বুঝান হচ্ছে যখন এদের পর ب এই ১ টি হরফ আসে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
উদাহরণ :&amp;lt;big&amp;gt;عَلِيْمٌ بِمَا&amp;lt;/big&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==মিম সাকিন==&lt;br /&gt;
মিম সাকিনের &amp;lt;big&amp;gt;(مْ)&amp;lt;/big&amp;gt; অবস্থা ৩ টি। এগুলো জানা প্রয়োজন কারণ, [[কোরআন]] মাজিদ এ কিছুদূর পরই এই অবস্থাগুলো আসে। এগুলো না জানলে উচ্চারণ শুদ্ধ হবে না। নিচে এগুলো বর্ণনা করা হয়েছে :&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
===ইজহারে শফওয়ী=== &lt;br /&gt;
ইজহার অর্থ স্পষ্ট করা। শফওয়ী মূলত ঠোটের সাথে সম্পর্কিত (এখানে মিম সাকিনের পর বিশেষভাবে &amp;lt;big&amp;gt;و ، ف&amp;lt;/big&amp;gt; এই দুটি হরফকে স্পস্ট করে পড়ায় গুরুত্বারুপ করার জন্য ব্যবহিত হয়েছে, কারণ এ ধরনের অবস্থায় প্রায়শই ভুল উচ্চারণ হয়)&lt;br /&gt;
&amp;amp;nbsp; &lt;br /&gt;
এখানে বুঝান হয়েছে মিম সাকিনের পর ب ، م ছাড়া [[আরবি]] যেকোনো [[হরফ]] আসলে মিম সাকিনকে স্পষ্ট করে পড়তে হবে&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
উদাহরণ :&amp;lt;big&amp;gt;اَمْ جَعَلُ ، تَمْتَرُوْنَ&amp;lt;/big&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
===ইখফায়ে শফওয়ী===&lt;br /&gt;
ইখফা অর্থ অস্পষ্ট করা। এখানে বুঝান হয়েছে মিম সাকিনের পর ب হরফ আসলে মিম সাকিনকে গুন্নার সহিত করে পড়তে হবে&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
উদাহরণ :&amp;lt;big&amp;gt;هُمْ بِالْاَ خِرَة&amp;lt;/big&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
===ইদগামে মিসলাইন সগির=== &lt;br /&gt;
ইদগাম অর্থ মিলান আর মিসলাইন অর্থ একই জাতিয় এবং সগির দ্বারা এক্ষেত্রে প্রথম হফ সাকিন দ্বিতীয় হরফ হারকাত ( َ ، ِ ، ُ) যুক্ত বুঝান হয়েছে। তাহলে একত্রে অর্থ দ্বারায়: প্রথম হফ সাকিন দ্বিতীয় হরফ হারকাত ( َ ، ِ ، ُ) যুক্ত একই জাতিয় হরফকে মিলান। তাই মিম সাকিনের পর মিম আসলে ইদগামে মিসলাইন সগির হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
উদাহরণ : &amp;lt;big&amp;gt;لَكُمْ مَّاكَسَبْتُمْ&amp;lt;/big&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তবে শুধু মিম সাকিনের পর মিম নয়, বা সাকিনের পর বা, তা সাকিনের পর তা ইত্যাদি যেকোনো সাকিন হরফের পর ঐ হরফ আবার আসলে(হারকাত যুক্ত হয়ে) ইদগামে মিসলাইন সগির হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
উদাহরণ :&amp;lt;big&amp;gt;اِذْهَبْ بِكِتَابِىْ&amp;lt;/big&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==হরকত==&lt;br /&gt;
{{আরও দেখুন | আরবি লিপি}}&lt;br /&gt;
জের( ِ ), যবর( َ ), পেশ( ُ ) এগুলোকে হরকত বলা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১ হরকত বা ২ হরকত আসলে কী?&lt;br /&gt;
১ হরকত বলতে একটি হরকত যুক্ত হরফকে উচ্চারণ করতে যে সময় লাগে তা বুঝায়। &lt;br /&gt;
যেমন: بَ ، تَ ، تِ ، كُ এগুলার যেকোনো ১টি উচ্চারণ করতে যে সময় লাগে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এরুপ ২ হরকত বলতে দুইটি হরকত যুক্ত হরফকে উচ্চারণ করতে যে সময় লাগে তা বুঝায়। &lt;br /&gt;
এ বিষয়ে জানা প্রয়োজন কারণ মাদ্দ ও গুন্নাহ্ কতটুকু লম্বা করতে হবে তা বুঝা যাবে না এ বিষয়ে না জানলে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==মাদ্দ্==&lt;br /&gt;
মাদ্দ অর্থ বর্ধিত করা, দীর্ঘ করা। হরকতের উচ্চারণ দীর্ঘ করে পড়াকে মাদ্দ বলে। মাদ্দের হরফ ৩টি : &amp;lt;big&amp;gt;و ، ا ، ى&amp;lt;/big&amp;gt; তবে শর্ত হলো :&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
# ওয়াও و সাকিন( ْ ) হতে হবে ও আগের হরফে (ডানে) পেশ( ُ ) হতে হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
# আলিফ ا হরকতবিহীন আগের হরফে জবর ( َ ) হতে হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
# ইয়া ى সাকিন( ْ ) হতে হবে ও আগের হরফে (ডানে) জের( ِ ) হতে হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
উদাহরণ : &amp;lt;big&amp;gt;نُوْ حِيْ هَا&amp;lt;/big&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
{| class=&amp;quot;wikitable&amp;quot;&lt;br /&gt;
|+মাদ্দের শ্রেণিবিন্যাস&lt;br /&gt;
!বিভাগ&lt;br /&gt;
!উপবিভাগ&lt;br /&gt;
!মাদ্দ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|مد اصلى আসলি&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
|&amp;lt;center&amp;gt;-&amp;lt;/center&amp;gt;&lt;br /&gt;
|مد اصلى আসলি&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| rowspan=&amp;quot;5&amp;quot; |مد فرعى ফার’য়ি&lt;br /&gt;
| rowspan=&amp;quot;3&amp;quot; |হামজার উপর নির্ভরশীল মাদ্দ&lt;br /&gt;
|مد متصل মাদ্দে মুত্তাসিল&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|مد منفصل মাদ্দে মুনফা&lt;br /&gt;
|مد لازم মাদ্দে সত্য মুক্তি দেয় আর মিথ্যা ধ্বংস করে” এটি প্রমাণিত সত্য। মিথ্যাবাদীকে কেউ ভালোবাসেনা। এজন্য ইসলাম মিথ্যার কুফল বর্ণনা করে তার অনুসারীদেরকে উক্ত খারাপ অভ্যাস থেকে বিরত থাকতে উপদেশ দিয়েছে। যেমন, আল্লাহর বাণী&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
بسم الله الرحمن الرحيم&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
قلے إذا جاءك المنافقون قالوا نشهد إنك لرسول الله والله يعلم إنك لرسوله، والله يشهد إنّ المتفقين لكذبون&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মুনাফিকরা আপনার কাছে এসে বলে: আমরা সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আপনি নিশ্চয়ই আল্লাহর রসুল। আল্লাহ জানেন যে, আপনি অবশ্যই আল্লাহর রসুল এবং আল্লাহ সাক্ষ্য দিচ্ছেন যে মুনাফিকরা অবশ্যই মিথ্যাবাদী। (সুরা মুনাফিকুন -1)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
١٠ ـ ويل يو ميذ للمكذبين&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
اا- الذين يكذبون بيوم الدين&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
١٢ ـ وما يكتب به الاكل معتد اليم&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
١٣ ـ إذا تتلى عليه ايثنا قال أساطير الأولين&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
 ۱۴ ـ گلا “ بل ران على قلوبهم ما كانوا يكسبون&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
۱۵ ـ كلا إنهم عن ربهم يومين لمخجوبون&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
١٢ـ ثم إنهم لصالوا الجحيم&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
 17- ثم يقال هذا الذي كنتم به تكذبون&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
(১০) সেদিন দুর্ভোগ মিথ্যারোপকারীদের,&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
(১১) যারা প্রতিফল দিবসকে মিথ্যারোপ করে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
(১২) প্রত্যেক সীমালংঘনকারী পাপিষ্টই&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কেবল একে মিথ্যারোপ করে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
 (১৩) তার কাছে আমার আয়াতসমূহ পাঠ করা হলে সে বলে, পুরাকালের উপকথা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
 (১৪) কখনও না, বরং তারা যা করে, তাই তাদের হৃদয়ে মরিচা ধরিয়ে দিয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
(১৫) কখনও না, তারা সেদিন তাদের পালনকর্তার থেকে পর্দার অন্তরালে থাকবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
(১৬) অতঃপর তারা জাহান্নামে প্রবেশ করবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
(১৭) এরপর বলা হবে, একেই তো তোমরা মিথ্যারোপ করতে। (সুরা মুতাফফিফিন)&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|مد عارض للسكون মা&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
|}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;lt;big&amp;gt;মাদ্দ এর প্রকারভেদ : &amp;lt;/big&amp;gt; মাদ্দ প্রধানত ২ প্রকার: &lt;br /&gt;
#মাদ্দে আসলি&lt;br /&gt;
#মাদ্দে ফার’য়ি&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
===مد اصلى মাদ্দে আসলি===&lt;br /&gt;
যে মাদ্দ কোনো কারণের উপর নির্ভর্শীল নয়(যেমন: হামজা (ء) বা সাকিনের ( ْ ) কারণে মাদ্দ হয় নাই) তাকে মাদ্দে আসলি বলে।&amp;amp;nbsp; একে মাদ্দে ত্বাব’য়ি (مد طبعى) ও মাদ্দে ক্বাস্বার (مد قصر) ও বলা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
===مد فرعى মাদ্দে ফার’য়ি=== &lt;br /&gt;
যে মাদ্দ হয় হামজা (ء) বা সাকিনের ( ْ ) কারণে তাকে মাদ্দে ফার’য়ি বলা হয়। মাদ্দে ফার’য়ি আবার বিভিন্ন প্রকার।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
====مد متصل মাদ্দে মুত্তাসিল====&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
{| class=&amp;quot;wikitable&amp;quot;&lt;br /&gt;
|+মদ্দে মুত্তাসিলের বিবরণ&lt;br /&gt;
!সঙ্গা&lt;br /&gt;
|মাদ্দ এর হরফের পর একই শব্দে হামজাহ (ء) আসলে মাদ্দে মুত্তাসিল হয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
!মাদ্দ&lt;br /&gt;
|৪ হারকাত বা ৫ হারকাত লম্বা হবে । ওয়াকফের সময় মাদ্দে অ&#039;রিদ্ব লিসসুকুন এর নিয়মে লম্বা হবে।&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
!উদাহরণ&lt;br /&gt;
|مَنْ يَشَاء ، سَوَاء &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
!উদাহরণের ব্যাখ্যা &lt;br /&gt;
|হারকাত বিহীন আলিফ এর আগের হরফ (শীন,ওয়াও) এর উপরে জবর রয়েছে তাই আলিফ গুলো মাদ্দ এর হরফে পরিণত হয়েছে। এরপর একই শব্দে হামজাহ এসেছে। এজন্য এগুলো মাদ্দে মুত্তাসিলের উদাহরণ&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
|}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==== مد منفصل মাদ্দে মুনফাসিল====&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
{| class=&amp;quot;wikitable&amp;quot;&lt;br /&gt;
|+মদ্দে মুনফাসিলের বিবরণ&lt;br /&gt;
!সঙ্গা&lt;br /&gt;
|মাদ্দ এর হরফের পর পৃথক শব্দে লম্বা হামজাহ্ আসলে মাদ্দে মুনফাসিলের হয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
!মাদ্দ&lt;br /&gt;
|৪ হারকাত বা ৫ হারকাত লম্বা হবে । হদরের সময় (দ্রুত পাঠ করার সময়) ২ হারকাত লম্বা করলেও হবে&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
!উদাহরণ&lt;br /&gt;
|فِىْ اَنْفُسِهِمْ ، لَا أُقْسِمُ &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
!উদাহরণের ব্যাখ্যা &lt;br /&gt;
|হারকাত বিহীন আলিফ এর আগের হরফ লাম এর উপরে জবর, ইয়া সাকিন ডানে জের রয়েছে তাই আলিফ ও ইয়া মাদ্দ এর হরফে পরিণত হয়েছে। এরপর পৃথক শব্দে হামজাহ এসেছে। এজন্য এগুলো মাদ্দে মুনফাসিলের উদাহরণ&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
|}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
====مد بدل মাদ্দে বাদাল====&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
{| class=&amp;quot;wikitable&amp;quot;&lt;br /&gt;
|+মাদ্দে বাদালের বিবরণ&lt;br /&gt;
!সঙ্গা&lt;br /&gt;
|হারকাত যুক্ত হামজার পর সাকিন হামজাহ আসলে ঐ সাকিন হামজাকে হারকাত যুক্ত হামজার হারকাত অনুযায়ী হরফ দ্বারা পরিবর্তন করাকে মাদ্দে বাদাল বলা হয়।&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
!উল্লেখ্য &lt;br /&gt;
|হারকাত যুক্ত হামজায় : জবর থাকলে সাকিন হামজাহ আলিফ হয়ে যাবে, জের থাকলে ইয়া হয়ে যাবে এবং পেশ থাকলে ওয়াও হয়ে যাবে।&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
!মাদ্দ দীর্ঘ হবে&lt;br /&gt;
|২ হারকাত বা ১ আলিফ লম্বা হবে ।&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
!উদাহরণ&lt;br /&gt;
|أَأْمَنُوْا থেকে اٰمَنُوْا &amp;lt;br&amp;gt;&lt;br /&gt;
إِأْمَانًا থেকে إِيْمَانًا &amp;lt;br&amp;gt;&lt;br /&gt;
أُأْتُوْا থেকে أُوْتُوْا&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
!উদাহরণের ব্যাখ্যা &lt;br /&gt;
|হারকাত যুক্ত হামজায় যথাক্রমে জবর,জের,পেশ থাকার কারণে সাকিন হামজাহ যথাক্রমে আলিফ,ইয়া,ওয়াও এ রুপান্তরিত হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
|}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==== مد لازم মাদ্দে লাজিম====&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
{| class=&amp;quot;wikitable&amp;quot;&lt;br /&gt;
|+মাদ্দে লাজিমের বিবরণ&lt;br /&gt;
!অর্থ&lt;br /&gt;
| colspan=&amp;quot;4&amp;quot; |অত্যাবশ্যকীয় মাদ্দ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
!সঙ্গা &lt;br /&gt;
| colspan=&amp;quot;4&amp;quot; |যে মাদ্দ ইদগাম,সাকিন ও শাদ্দাহ এর উপর নির্ভরশীল তা মাদ্দে লাজিম&amp;amp;nbsp; &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
!মাদ্দ লম্বা হবে&lt;br /&gt;
| colspan=&amp;quot;4&amp;quot; |অবশ্যই ৬ হারকাত বা ৩ আলিফ লম্বা করে পড়তে হবে। &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
!বিভাগ&lt;br /&gt;
!বিবরণ&amp;amp;nbsp; &lt;br /&gt;
!উপবিভাগ&lt;br /&gt;
!বিবরণ&lt;br /&gt;
!উদাহরণ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| rowspan=&amp;quot;2&amp;quot; |কালমি &lt;br /&gt;
| rowspan=&amp;quot;2&amp;quot; |কালিমা বা শব্দের মধ্যে কিন্তু হরফের মধ্যে কায়দা না হলে।&lt;br /&gt;
|কালমি মুসাক্কাল&lt;br /&gt;
|মদের হরফের পর মুশাদ্দাদ হরফ আসলে কালমি মুসাক্কাল হয়&lt;br /&gt;
|حَاخَّكَ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|কালমি মুখাফফাফ&lt;br /&gt;
|মদের হরফের পর সাকিন হরফ আসলে কালমি মুখাফফাফ হয়&lt;br /&gt;
|اٰلْءٰنَ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| rowspan=&amp;quot;2&amp;quot; |হরফি&lt;br /&gt;
| rowspan=&amp;quot;2&amp;quot; |হরফের মধ্যে কায়দা হলে।&lt;br /&gt;
|হরফি মুসাক্কাল&lt;br /&gt;
|মদের হরফের পর ইদগাম হইলে হরফি মুসাক্কাল হয়&lt;br /&gt;
|الم এর ل&amp;amp;nbsp; এবং طسم এর س &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হরফি মুখাফফাফ&lt;br /&gt;
|মদের হরফের পর সাকিন হরফ আসলে হরফি মুখাফফাফ হয়&lt;br /&gt;
|الم এর م ও طسم এর م&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
|}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==== مد عارض للسكون মাদ্দে আ’রিদ্ব লিসসুকুন====&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
{| class=&amp;quot;wikitable&amp;quot;&lt;br /&gt;
|+মাদ্দে আ’রিদ্ব লিসসুকুন এর বিবরণ&lt;br /&gt;
!বিবরণ&lt;br /&gt;
| colspan=&amp;quot;4&amp;quot; |যে মাদ্দ অস্থায়ী সাকিনের জন্য হয় তা মাদ্দে আ’রিদ্ব লিসসুকুন&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
!অস্থায়ী সাকিনের কী&lt;br /&gt;
| colspan=&amp;quot;4&amp;quot; |যেকোনা শব্দের শেষ হরফে হারকাত থাকলে ওয়াকফের অবস্থায় তা সাকিন হয়ে যায়। ঐ সাকিনকে অস্থায়ী সাকিন বলা হয়। &amp;lt;br&amp;gt;&lt;br /&gt;
যেমন: تَمَ কে ওয়াকফের অবস্থায়(থামার সময়) تَمْ পড়তে হয়। &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
!روم রাউম কী &lt;br /&gt;
| colspan=&amp;quot;4&amp;quot; |উপরের অস্থায়ী সাকিনের পরিবর্তে আসলে যে হারকাত ছিলো (এক্ষেত্রে জবর বাদে) তা এতটুকু আস্তে উচ্চারণ করতে হবে জাতে দূর থেকে কেউ শুনতে না পায় বা ⅓ হারকাত (১ হারকাতের ৩ ভাগের ১ ভাগ) উচ্চারণ করতে হবে যাতে দর্শক বুঝতে পারে ঐ জায়গায় আসলে জের বা পেশ ছিল। &amp;lt;br&amp;gt;&lt;br /&gt;
যা দর্শকদের অর্থ বুঝতে সহায়তা করবে।&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
!ইশমাম কী&lt;br /&gt;
| colspan=&amp;quot;4&amp;quot; |উপরের অস্থায়ী সাকিনের পরিবর্তে আসলে যে হারকাত ছিলো (এক্ষেত্রে শুধুমাত্র পেশ) তা উচ্চারণ না করে শুধুমাত্র ঠোট গোল করতে হবে যাতে দর্শক বুঝতে পারে ঐ জায়গায় আসলে পেশ ছিল। &amp;lt;br&amp;gt;&lt;br /&gt;
যা দর্শকদের অর্থ বুঝতে সহায়তা করবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পুরা কুরআন শরীফে ইশমাম এক জায়গা আছে। (সূরা ইউসুফ, আয়াত নাম্বার ১১)&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
!প্রকার &lt;br /&gt;
!কখন হয়&lt;br /&gt;
!কতভাবে পড়া যায়&lt;br /&gt;
!উদাহরণ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|منصوب মানস্বুব&lt;br /&gt;
|জখন জবরের পরিবর্তে অস্থায়ী সাকিন হয়&lt;br /&gt;
|৩ ভাবে পড়া যায়: &amp;lt;br&amp;gt;&lt;br /&gt;
قصر ক্বাসার: ২ হারকাত &amp;lt;br&amp;gt;&lt;br /&gt;
توسط তাওয়াসসুত: ৪ হারকাত &amp;lt;br&amp;gt;&lt;br /&gt;
طول তুল: ৬ হারকাত লম্বা করে&lt;br /&gt;
|عَالَمِيْنَ &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|مَجْرُوْر মাজরুর&lt;br /&gt;
|জখন জেরের পরিবর্তে অস্থায়ী সাকিন হয়&lt;br /&gt;
|৪ ভাবে পড়া যায়: &amp;lt;br&amp;gt;&lt;br /&gt;
قصر ক্বাসার: ২ হারকাত &amp;lt;br&amp;gt;&lt;br /&gt;
توسط তাওয়াসসুত: ৪ হারকাত &amp;lt;br&amp;gt;&lt;br /&gt;
طول তুল: ৬ হারকাত লম্বা করে &amp;lt;br&amp;gt;&lt;br /&gt;
روم مع القصر রাউম মা’য়াল ক্বাসার: রাউম এর সহিত ১ আলিফ লম্বা করে&lt;br /&gt;
|دِيْنِ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|مرفوع মারফু’&lt;br /&gt;
|জখন জের বা পেশের পরিবর্তে অস্থায়ী সাকিন হয়&lt;br /&gt;
|৭ ভাবে পড়া যায়: &amp;lt;br&amp;gt;&lt;br /&gt;
قصر ক্বাসার: ২ হারকাত &amp;lt;br&amp;gt;&lt;br /&gt;
توسط তাওয়াসসুত: ৪ হারকাত বা ২ আলিফ &amp;lt;br&amp;gt;&lt;br /&gt;
طول তুল: ৬ হারকাত লম্বা করে &amp;lt;br&amp;gt;&lt;br /&gt;
قصر مع الاشمام ক্বাসার মা’য়াল ইশমাম: ইশ্মামের সহিত ২ হারকাত &amp;lt;br&amp;gt;&lt;br /&gt;
توسط مع الاشماك তাওয়াসসুত মা’য়াল ইশমাম: ইশ্মামের সহিত ৪ হারকাত &amp;lt;br&amp;gt;&lt;br /&gt;
طول مع الاشمام তুল মা’য়াল ইশমাম: ইশ্মামের সহিত ৬ হারকাত বা ৩ আলিফ &amp;lt;br&amp;gt;&lt;br /&gt;
روم مع القصر রাউম মা’য়াল ক্বাসার: রাউম এর সহিত ১ আলিফ লম্বা করে&lt;br /&gt;
|نَسْتَعِيْنُ&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
|}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==গুন্নাহ্==&lt;br /&gt;
নাকের মূল হতে নির্গত আওয়াজকে গুন্নাহ্ বলা হয়। অনেকটা [[বাংলা]] [[চন্দ্রবিন্দু]] উচ্চারণের মতো গুন্নাহ্ উচ্চারিত হয়।কোন কোন অবস্থায় গুন্নাহের সহিত পড়তে হয় নিচে তার সম্পূর্ণ তালিকা দেওয়া হয়েছে :&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;lt;big&amp;gt;যেসব গুন্নাহ্ ১ হরকত (সাভাবিক একটি [[হরফ]] উচ্চারণ করতে যে সময় লাগে) বা ½ [[আলিফ]] পরিমাণ&amp;amp;nbsp; লম্বা করে পড়তে হবে :&amp;lt;/big&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
#নুন সাকিন &amp;lt;big&amp;gt;(نْ)&amp;lt;/big&amp;gt;&lt;br /&gt;
#মিম সাকিন&amp;lt;big&amp;gt;(مْ)&amp;lt;/big&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;lt;big&amp;gt;যেসব গুন্নাহ্ ২ হরকত বা ১ আলিফ পরিমাণ লম্বা করে পড়তে হবে :&amp;lt;/big&amp;gt;&lt;br /&gt;
 &#039;&#039;&#039;বি দ্র.&#039;&#039;&#039; এই শ্রেণীর গুন্নাহ্ কে হদরের সহিত অর্থাৎ দ্রুত গতিতে পড়ার সময় দেড় হরকত পরিমানও লম্বা করা যাবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
#ইখফা&lt;br /&gt;
#ইদগামে মা’ল গুন্নাহ&lt;br /&gt;
#ইকলাব&lt;br /&gt;
#ইখফায়ে শফওয়ী&lt;br /&gt;
#ইদগামে মিসলাইন সগির&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;lt;big&amp;gt;যেসব গুন্নাহ্ ৩ হরকত বা দেড় আলিফ পরিমাণ লম্বা করে পড়া যাবে :&amp;lt;/big&amp;gt;&lt;br /&gt;
 &#039;&#039;&#039;বি দ্র.&#039;&#039;&#039; এই শ্রেণীর গুন্নাহ্ কে ২ হরকত বা ১ আলিফ পরিমানও লম্বা করা যাবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
#নুন মুশাদ্দাদ &amp;lt;big&amp;gt;(نّ)&amp;lt;/big&amp;gt;&lt;br /&gt;
#মিম মুশাদ্দাদ &amp;lt;big&amp;gt;(مّ)&amp;lt;/big&amp;gt;সত্য মুক্তি দেয় আর মিথ্যা ধ্বংস করে” এটি প্রমাণিত সত্য। মিথ্যাবাদীকে কেউ ভালোবাসেনা। এজন্য ইসলাম মিথ্যার কুফল বর্ণনা করে তার অনুসারীদেরকে উক্ত খারাপ অভ্যাস থেকে বিরত থাকতে উপদেশ দিয়েছে। যেমন, আল্লাহর বাণী&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
بسم الله الرحمن الرحيم&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
قلے إذا جاءك المنافقون قالوا نشهد إنك لرسول الله والله يعلم إنك لرسوله، والله يشهد إنّ المتفقين لكذبون&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মুনাফিকরা আপনার কাছে এসে বলে: আমরা সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আপনি নিশ্চয়ই আল্লাহর রসুল। আল্লাহ জানেন যে, আপনি অবশ্যই আল্লাহর রসুল এবং আল্লাহ সাক্ষ্য দিচ্ছেন যে মুনাফিকরা অবশ্যই মিথ্যাবাদী। (সুরা মুনাফিকুন -1)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
١٠ ـ ويل يو ميذ للمكذبين&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
اا- الذين يكذبون بيوم الدين&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
١٢ ـ وما يكتب به الاكل معتد اليم&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
١٣ ـ إذا تتلى عليه ايثنا قال أساطير الأولين&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
 ۱۴ ـ گلا “ بل ران على قلوبهم ما كانوا يكسبون&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
۱۵ ـ كلا إنهم عن ربهم يومين لمخجوبون&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
١٢ـ ثم إنهم لصالوا الجحيم&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
 17- ثم يقال هذا الذي كنتم به تكذبون&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
(১০) সেদিন দুর্ভোগ মিথ্যারোপকারীদের,&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
(১১) যারা প্রতিফল দিবসকে মিথ্যারোপ করে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
(১২) প্রত্যেক সীমালংঘনকারী পাপিষ্টই&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কেবল একে মিথ্যারোপ করে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
 (১৩) তার কাছে আমার আয়াতসমূহ পাঠ করা হলে সে বলে, পুরাকালের উপকথা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
 (১৪) কখনও না, বরং তারা যা করে, তাই তাদের হৃদয়ে মরিচা ধরিয়ে দিয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
(১৫) কখনও না, তারা সেদিন তাদের পালনকর্তার থেকে পর্দার অন্তরালে থাকবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
(১৬) অতঃপর তারা জাহান্নামে প্রবেশ করবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
(১৭) এরপর বলা হবে, একেই তো তোমরা মিথ্যারোপ করতে। (সুরা মুতাফফিফিন)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==আরও দেখুন==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
* [[কুরআন]]&lt;br /&gt;
* [[ক্বারী]]&lt;br /&gt;
*:[[আব্দুল বাসিত আব্দুস সামাদ]]&lt;br /&gt;
*:[[আব্দুল রহমান আল-সুদাইস]]&lt;br /&gt;
*:[[সৌদ আল-শুরাইম]]&lt;br /&gt;
*:[[মিশারি রশিদ আল-আফাসি]]&lt;br /&gt;
*:[[শাইখ ক্বারী আহমাদ বিন ইউসুফ আল আজহারী]]&lt;br /&gt;
*:[[হাফিজ নাজমুস সাক্বিব]]&lt;br /&gt;
* [[সালাত]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== তথ্যসূত্র&amp;amp;nbsp; ==&lt;br /&gt;
&amp;lt;references /&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:কুরআন তিলাওয়াত]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:ধ্বনিবিজ্ঞান]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:ইসলামি পরিভাষা]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:আরবি ভাষা]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:ধ্বনিতত্ত্ব]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Protik Sikder</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%AF%E0%A6%BC_%E0%A6%95%E0%A7%83%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%A3_%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%B8&amp;diff=11438</id>
		<title>চিন্ময় কৃষ্ণ দাস</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%AF%E0%A6%BC_%E0%A6%95%E0%A7%83%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%A3_%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%B8&amp;diff=11438"/>
		<updated>2025-02-20T14:41:36Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Protik Sikder: &amp;quot;চিন্ময় কৃষ্ণ দাস&amp;quot; সুরক্ষিত করা হয়েছে ([সম্পাদনা=শুধুমাত্র প্রশাসকদের জন্য অনুমোদিত] (অসীম) [স্থানান্তর=শুধুমাত্র প্রশাসকদের জন্য অনুমোদিত] (অসীম)) [প্রপাতাকার]&lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;চিন্ময় কৃষ্ণ দাস&#039;&#039;&#039; (পূর্বাশ্রমের নাম &#039;&#039;&#039;চন্দন কুমার ধর&#039;&#039;&#039;)&amp;lt;ref&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি  |তারিখ=26 November 2024 |শিরোনাম=চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারী কে? এই সনাতন সাধুকে কেন গ্রেফতার করা হল বাংলাদেশে |ইউআরএল=https://www.thewall.in/bangladesh/who-is-chinmoy-krishna-das-why-he-was-arrested/tid/143362 |ওয়েবসাইট=thewall.in |সংগ্রহের-তারিখ=27 November 2024 |উক্তি=চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর (Chinmoy Krishna Das bramhachari) আসল নাম ছিল চন্দন কুমার ধর। }}&amp;lt;/ref&amp;gt;&amp;lt;ref&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি  |তারিখ=26 November 2024 |শিরোনাম=কে এই চিন্ময় কৃষ্ণ দাস |ইউআরএল=https://www.deshrupantor.com/554280/কে-এই-চিন্ময়-কৃষ্ণ-দাস |সংগ্রহের-তারিখ=27 November 2024 |কর্ম=[[দৈনিক দেশ রূপান্তর]] |উক্তি=চিন্ময় কৃষ্ণ দাস আসল নাম ছিল চন্দন কুমার ধর। }}&amp;lt;/ref&amp;gt;&amp;lt;ref&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি  |তারিখ=26 November 2024 |শিরোনাম=কে এই চিন্ময় কৃষ্ণ দাস, তাকে গ্রেপ্তার নিয়ে কেন এত আলোচনা-হইচই |ইউআরএল=https://www.bhorerkagoj.com/national/754897 |সংগ্রহের-তারিখ=27 November 2024 |কর্ম=[[দৈনিক ভোরের কাগজ]] |উক্তি=মামলার আসামিরা হলেন- ইসকনের চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও পুণ্ডরীক ধাম মন্দিরের অধ্যক্ষ চন্দন কুমার ধর প্রকাশ চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারী.... }}&amp;lt;/ref&amp;gt; একজন [[বাংলাদেশী]] [[হিন্দু]] নেতা ও ধর্মগুরু। তিনি বাংলাদেশ সনাতন জাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র। [[চট্টগ্রাম|চট্টগ্রামে]] [[বিএনপি]]র বহিষ্কৃত নেতা&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|শেষাংশ=Channel24|ভাষা=en|শিরোনাম=&#039;বিএনপি থেকে বহিস্কার করা হয় মামলাকারী ফিরোজ খানকে&#039; {{!}}|ইউআরএল=https://www.channel24bd.tv/video/show/27172|সংগ্রহের-তারিখ=2024-11-27|ওয়েবসাইট=Channel 24}}&amp;lt;/ref&amp;gt; [[ফিরোজ খান (রাজনীতিবিদ)|ফিরোজ খানের]] দায়েরকৃত অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।&amp;lt;ref name=&amp;quot;k160&amp;quot;&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|তারিখ=26 November 2024|শিরোনাম=Why was Hindu monk Chinmoy Krishna Das arrested in Bangladesh?|ইউআরএল=https://www.theweek.in/news/world/2024/11/26/why-was-hindu-monk-chinmay-krishna-das-arrested-in-bangladesh.html|সংগ্রহের-তারিখ=26 November 2024|ওয়েবসাইট=The Week}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&amp;lt;ref name=&amp;quot;d572&amp;quot;&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|তারিখ=26 November 2024|শিরোনাম=Bangladesh ISKCON priest Chinmoy Krishna Das arrested amid protests against Hindu atrocities|ইউআরএল=https://economictimes.indiatimes.com/news/international/world-news/bangladesh-iskcon-priest-chinmoy-krishna-das-arrested-amid-protests-against-hindu-atrocities/articleshow/115676546.cms|সংগ্রহের-তারিখ=26 November 2024|ওয়েবসাইট=The Economic Times}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&amp;lt;ref name=&amp;quot;p883&amp;quot;&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|তারিখ=26 November 2024|শিরোনাম=Chinmoy Krishna Das sent to jail|ইউআরএল=https://www.dhakatribune.com/bangladesh/nation/366290/chinmoy-krishna-das-handed-over-to-cmp|সংগ্রহের-তারিখ=26 November 2024|ওয়েবসাইট=[[ঢাকা ট্রিবিউন]]}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== প্রারম্ভিক জীবন ==&lt;br /&gt;
পূর্বে তিনি [[আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ|ইসকনের]] [[চট্টগ্রাম]] বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। &amp;lt;ref&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://economictimes.indiatimes.com/news/new-updates/all-about-the-iskcon-priest-who-has-been-arrested-in-bangladesh/articleshow/115694394.cms?from=mdr|শিরোনাম=Who is Chinmoy Krishna Das and why has he been arrested in Bangladesh?|তারিখ=2024-11-26|কর্ম=The Economic Times|সংগ্রহের-তারিখ=2024-11-26|issn=0013-0389}}&amp;lt;/ref&amp;gt; বর্তমানে তিনি চট্টগ্রামের হাটহাজারীর পুন্ডরীক ধামের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্বরত আছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== গ্রেফতার ও কারাবরণ ==&lt;br /&gt;
{{আরও দেখুন|সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যাকাণ্ড}}&lt;br /&gt;
২০২৪ সালের ২৫শে নভেম্বরে চিন্ময়কে [[ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ]] [[ঢাকা বিমানবন্দর]] থেকে গ্রেপ্তার করে। জাতীয় পতাকার উপরে [[গেরুয়া পতাকা]] উত্তোলনের অভিযোগে একটি সমাবেশ সম্পর্কিত অভিযোগের পরে তার বিরুদ্ধে [[রাষ্ট্রদ্রোহিতা|রাষ্ট্রদ্রোহের]] অভিযোগ আনা হয়। &amp;lt;ref name=&amp;quot;Redwan sg&amp;quot;&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|শেষাংশ=|ভাষা=en|শিরোনাম=চিন্ময় দাশকে গ্রেপ্তারে ‘গভীর উদ্বেগ’ ভারতের|ইউআরএল=https://bangla.bdnews24.com/bangladesh/b5d292acd0a2|সংগ্রহের-তারিখ=2024-11-26|ওয়েবসাইট=[[বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম]]}}&amp;lt;/ref&amp;gt; পরদিন ২৬শে নভেম্বর চট্টগ্রাম ষষ্ঠ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়, যেখানে ম্যাজিস্ট্রেট কাজী শরিফুল ইসলাম তার জামিন আবেদন নাকচ করে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।&amp;lt;ref&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://www.hindustantimes.com/india-news/ensure-safety-of-hindus-india-tells-bangladesh-after-arrest-of-iskcon-monk-101732610199445.html|শিরোনাম=Ensure safety of Hindus, India tells Bangladesh after arrest of ISKCON monk|তারিখ=2024-11-27|কর্ম=Hindustan Times|সংগ্রহের-তারিখ=2024-11-27}}&amp;lt;/ref&amp;gt; তার আইনজীবীরা কারাগারে থাকাকালীন তাকে ধর্মীয় অনুশীলন অনুসরণ করার অনুমতি দেওয়ার অনুরোধ করে, যাতে আদালত কারাগারের নিয়ম মেনে চলার নির্দেশ দেয়।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|শেষাংশ=|ভাষা=bn|শিরোনাম=চিন্ময় দাশের মুক্তির দাবিতে জেলায় জেলায় বিক্ষোভ|ইউআরএল=https://bangla.bdnews24.com/samagrabangladesh/a71668450f1c|সংগ্রহের-তারিখ=2024-11-26|ওয়েবসাইট=[[বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম]]}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
চিন্ময়ের জামিন মঞ্জুর না হওয়ার পর, তার অনুসারীরা আদালত ভবনের সামনে বিক্ষোভ করে, যেটি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষের পর সহিংস হয়ে উঠে। সহিংসতার সময়, [[সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যাকাণ্ড|সাইফুল ইসলাম আলিফ]] নামে এক আইনজীবীকে কুপিয়ে হত্যা করে।&amp;lt;ref&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি |শিরোনাম=চট্টগ্রাম আদালত এলাকায় হামলা, আইনজীবী নিহত |ইউআরএল=https://www.dhakapost.com/national/325424 |প্রকাশক=ঢাকা পোস্ট |সংগ্রহের-তারিখ=২০২৪-১১-২৬}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&amp;lt;ref&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি |শিরোনাম=আইনজীবী আলিফ হত্যা: ভিডিও ফুটেজে শনাক্তের পর আটক ৬ |ইউআরএল=https://www.itvbd.com/national/185998/আইনজীবী-আলিফ-হত্যা-ভিডিও-ফুটেজে-শনাক্তের-পর-আটক-৬ |প্রকাশক=ইনডিপেনডেন্ট টিভি |সংগ্রহের-তারিখ=২০২৪-১১-২৬}}&amp;lt;/ref&amp;gt; তার মৃত্যুতে আইনজীবী ও বিভিন্ন সংগঠন দেশজুড়ে পাল্টা বিক্ষোভ করে এবং ইসকন নিষিদ্ধের দাবি জানায়।&amp;lt;ref name=&amp;quot;:0&amp;quot;/&amp;gt; [[বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা|প্রধান উপদেষ্টা]] [[মুহাম্মদ ইউনূস]] এই হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানান এবং ঘটনাটির যথাযথ তদন্তের আহ্বান জানান।&amp;lt;ref name=&amp;quot;:0&amp;quot;&amp;gt;https://stories.apexnews-sea.com/news/detail/4c8774c4fc00022dd4b31400f8882b27?country=bd&amp;amp;language=bn&amp;amp;entry_id=52f81710241127bn_bd&amp;amp;request_id=PUSH_35dbb053-e6e6-4695-bfdb-b73e49fbd7b2&amp;amp;from=opera_push&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== নিষেধাজ্ঞা ও বিতর্ক ==&lt;br /&gt;
২০২৩ সালের ৬ অক্টোবর, [[শিশু যৌন নির্যাতন|শিশু যৌন নিপীড়নের]] অভিযোগে ইসকন যুক্তরাজ্যের আন্তর্জাতিক শিশু সুরক্ষা কার্যালয় (সিপিটি) কর্তৃক চিন্ময়ের উপর ৫টি নিষেধাজ্ঞা জারি করে।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|তারিখ=২৮ নভেম্বর ২০২৪|ভাষা=|শিরোনাম=চিন্ময়ের বিরুদ্ধে শিশুদেরও ছিল অভিযোগ, ৫ নিষেধাজ্ঞা ছিল ইসকনের|ইউআরএল=https://www.ntvbd.com/bangladesh/news-1484173|ইউআরএল-অবস্থা=কার্যকর|সংগ্রহের-তারিখ=২৯ নভেম্বর ২০২৪|ওয়েবসাইট=[[এনটিভি]]}}&amp;lt;/ref&amp;gt; চিন্ময়কে ইসকনের নেতৃস্থানীয় পদে না থাকা, শিশু ও নারীদের সাথে যোগাযোগে বিরত থাকাসহ বিভিন্ন বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|শেষাংশ=|প্রথমাংশ=|তারিখ=২৭ নভেম্বর ২০২৪|ভাষা=|শিরোনাম=ইসকন নেতা চিন্ময় শিশুদের সাথে বলাৎকার ও নারীদের সঙ্গে যৌন কাজে লিপ্ত থাকত!|ইউআরএল=https://www.dailyjanakantha.com/national/news/747803|ইউআরএল-অবস্থা=কার্যকর|সংগ্রহের-তারিখ=২৯ নভেম্বর ২০২৪|ওয়েবসাইট=[[দৈনিক জনকণ্ঠ]]}}&amp;lt;/ref&amp;gt; ইসকনের সিপিটি যুক্তরাজ্য দপ্তর‌ আরোপিত নিষেধাজ্ঞার সত্যতা নিশ্চিত করে,যা এখনও বহাল রয়েছে।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|শেষাংশ=|প্রথমাংশ=|তারিখ=২৬ নভেম্বর ২০২৪|ভাষা=|শিরোনাম=চিন্ময় ব্রহ্মচারী শিশু নিপীড়নকারী, এজন্য বিধিনিষেধও দেওয়া হয়েছিল|ইউআরএল=https://www.ekushey-tv.com/national/1360873111111154133|ইউআরএল-অবস্থা=কার্যকর|সংগ্রহের-তারিখ=২৭ নভেম্বর ২০২৪|ওয়েবসাইট=[[একুশে টেলিভিশন]]}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|তারিখ=২৮ নভেম্বর ২০২৪|ভাষা=|শিরোনাম=ইসকনের চিন্ময়কে শিশু বলাৎকারের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়|ইউআরএল=https://www.jaijaidinbd.com/politics/510963|ইউআরএল-অবস্থা=অকার্যকর|সংগ্রহের-তারিখ=২৯ নভেম্বর ২০২৪|ওয়েবসাইট=[[যায়যায়দিন]]|আর্কাইভের-তারিখ=১ ডিসেম্বর ২০২৪|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20241201101726/https://www.jaijaidinbd.com/politics/510963}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&amp;lt;ref&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://dailyinqilab.com/bangladesh/news/706852|শিরোনাম=দুশ্চরিত্র চিন্ময়কে নিয়ে দ্বিধা-বিভক্ত সনাতন ধর্মাবলম্বীরা|তারিখ=২৭ নভেম্বর ২০২৪|কর্ম=[[দৈনিক ইনকিলাব]]|সংগ্রহের-তারিখ=২৯ নভেম্বর ২০২৪}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
চিন্ময় বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক বিভাজন তৈরি করার লক্ষ্যে বিভিন্ন সমাবেশে মিথ্যা ও উস্কানিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন [[বাংলাদেশ সরকার| বাংলাদেশ সরকারের]] তথ্য উপদেষ্টা [[নাহিদ ইসলাম]]।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|শিরোনাম=দেশে সম্প্রীতি নষ্ট করার পরিকল্পনা নিয়ে চিন্ময় কাজ করছিল: উপদেষ্টা নাহিদ|ইউআরএল=https://dailyinqilab.com/national/news/706830|সংগ্রহের-তারিখ=2024-11-27|ওয়েবসাইট=দৈনিক ইনকিলাব}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ভাষা=bn|শিরোনাম=আইনজীবীকে যেভাবে কু*পিয়ে হত্যা করা হয়েছে, তা নজিরবিহীন: নাহিদ ইসলাম|ইউআরএল=https://www.banglatribune.com/national/874696/%E0%A6%86%E0%A6%87%E0%A6%A8%E0%A6%9C%E0%A7%80%E0%A6%AC%E0%A7%80%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%B9%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%98%E0%A6%9F%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%A8%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A7%80%E0%A6%A8-%E0%A6%89%E0%A6%AA%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BE|সংগ্রহের-তারিখ=2024-11-27|ওয়েবসাইট=Bangla Tribune}}&amp;lt;/ref&amp;gt; [[দৈনিক ইনকিলাব|দৈনিক ইনকিলাবে]] প্রকাশিত প্রতিবেদনে ২০২৪ সালে চট্টগ্রামের হাজারী গলিতে সেনা ও পুলিশ সদস্যদের ওপর এসিড হামলার নেপথ্যে তার ভূমিকা থাকার কথা উল্লেখ করা হয়। প্রতিবেদনে আরও বলা হয় চিন্ময় ইসকন প্রবর্তক মন্দিরের বিভিন্ন দায়িত্বে ছিলেন, সেখানে তার বিরুদ্ধে অনাথ কয়েকজন শিশুকে জোরপূর্বক বলৎকারের অভিযোগ উঠে, একপর্যায়ে তাকে মন্দিরের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়।&amp;lt;ref name=&amp;quot;ইনকিলাব&amp;quot;&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|শিরোনাম=অবশেষে গ্রেফতার ইসকনের সেই চিন্ময়|ইউআরএল=https://dailyinqilab.com/national/article/706528|সংগ্রহের-তারিখ=2024-11-27|ওয়েবসাইট=দৈনিক ইনকিলাব}}&amp;lt;/ref&amp;gt; তার বিরুদ্ধে চট্টগ্রামের হাটহাজারীর শ্রীশ্রী পুণ্ডরীক ধামে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান [[মীর মোহাম্মদ নাসিরুদ্দিন|মীর মোহাম্মদ নাসির উদ্দিনের]] মালিকানাধীন পুকুর দখলের অভিযোগ রয়েছে।&amp;lt;ref name=&amp;quot;ইনকিলাব&amp;quot;/&amp;gt; এছাড়া, চট্টগ্রামের নিউমার্কেট চত্বরে মুক্তমঞ্চে জাতীয় পতাকার ওপর গেরুয়া পতাকা উড়িয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার অবমাননা&amp;lt;ref name=&amp;quot;ইনকিলাব&amp;quot;/&amp;gt;&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|শেষাংশ=প্রতিবেদক|প্রথমাংশ=নিজস্ব|তারিখ=2024-10-30|শিরোনাম=জাতীয় পতাকার ওপর গেরুয়া পতাকা উত্তোলনের ঘটনায় দুই যুবক গ্রেপ্তার|ইউআরএল=https://www.dhakapost.com/national/319142|সংগ্রহের-তারিখ=2024-11-27|ওয়েবসাইট=dhakapost.com}}&amp;lt;/ref&amp;gt; এবং [[মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার|বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে]] বিব্রত করতে একের পর এক কর্মসূচির নামে সহিংসতার মদদ দেওয়াসহ সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সৃষ্টির চেষ্টা করার অভিযোগ রয়েছে।&amp;lt;ref name=&amp;quot;ইনকিলাব&amp;quot;/&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২০২৪ সালের জুলাইয়ে চিন্ময়কে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে ইসকন থেকে বহিষ্কার করা হয়। এর আগে তিনি [[ইসকন|ইসকনের]] চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|শিরোনাম=‘শৃঙ্খলাবিরোধী কার্যকলাপে’ জুলাইয়ে ইসকন থেকে বহিষ্কার হন চিন্ময় কৃষ্ণ দাস|ইউআরএল=https://www.dhakatimes24.com/2024/11/26/372991|সংগ্রহের-তারিখ=2024-11-27|ওয়েবসাইট=Dhakatimes News}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== প্রতিক্রিয়া ==&lt;br /&gt;
{{মূল নিবন্ধ|২০২৪-এ ভারতে বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশনে হামলা}}&lt;br /&gt;
২৮ নভেম্বর, আইনজীবী আলিফ হত্যাকাণ্ড ও চিন্ময়ের মুক্তির দাবির আন্দোলনে ইসকন বাংলাদেশের সম্পৃক্ততা নেই দাবি করে ইসকন বাংলাদেশ এবং সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে চিন্ময়কে সংগঠন থেকে বহিষ্কারের কথাও বলে।&amp;lt;ref&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি |শিরোনাম=চিন্ময়ের কার্যক্রমে ইসকন দায়ী নয় |ইউআরএল=https://www.dhakapost.com/national/325878 |প্রকাশক=ঢাকা পোস্ট |সংগ্রহের-তারিখ=২০২৪-১১-২৮}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (ভারত)|ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়]] তার গ্রেফতারের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং শান্তিপূর্ণ সমাবেশের অধিকারের ওপর জোর দিয়ে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য বাংলাদেশ সরকারকে আহ্বান জানিয়েছে।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|তারিখ=2024-11-26|শিরোনাম=India voices concern over arrest of Hindu monk in Bangladesh, urges govt to ensure minority protection|ইউআরএল=https://www.financialexpress.com/india-news/india-voices-concern-over-arrest-of-hindu-monk-in-bangladesh-urges-govt-to-ensure-minority-protection/3677686/|সংগ্রহের-তারিখ=2024-11-26|ওয়েবসাইট=Financial Express}}&amp;lt;/ref&amp;gt; বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে হিন্দু ধর্মীয় নেতা চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের গ্রেফতার নিয়ে ভারত সরকারের এই বক্তব্যকে “ভিত্তিহীন” অভিহিত করে বলেছে, এ’ধরনের বক্তব্য দু’দেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের পরিপন্থী। পাশাপাশি বলা হয় ভারত চিন্ময় দাসের গ্রেফতারের ভুল ব্যাখ্যা দিয়েছে।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|তারিখ=2024-11-27|ভাষা=bn|শিরোনাম=চিন্ময় কৃষ্ণ দাসঃ ভারতের বক্তব্য খণ্ডন করে বাংলাদেশের বিবৃতি|ইউআরএল=https://www.voabangla.com/a/7877960.html|সংগ্রহের-তারিখ=2024-11-27|ওয়েবসাইট=VOA বাংলা}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== তথ্যসূত্র ==&lt;br /&gt;
{{সূত্র তালিকা}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৮৫-এ জন্ম]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশী হিন্দু]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের বন্দী ও আটক]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘের ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:হিন্দু সন্ন্যাসী]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তি]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Protik Sikder</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%AF%E0%A6%BC_%E0%A6%95%E0%A7%83%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%A3_%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%B8&amp;diff=11437</id>
		<title>চিন্ময় কৃষ্ণ দাস</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%AF%E0%A6%BC_%E0%A6%95%E0%A7%83%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%A3_%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%B8&amp;diff=11437"/>
		<updated>2025-02-20T14:41:20Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Protik Sikder: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;চিন্ময় কৃষ্ণ দাস&#039;&#039;&#039; (পূর্বাশ্রমের নাম &#039;&#039;&#039;চন্দন কুমার ধর&#039;&#039;&#039;)&amp;lt;ref&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি  |তারিখ=26 November 2024 |শিরোনাম=চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারী কে? এই সনাতন সাধুকে কেন গ্রেফতার করা হল বাংলাদেশে |ইউআরএল=https://www.thewall.in/bangladesh/who-is-chinmoy-krishna-das-why-he-was-arrested/tid/143362 |ওয়েবসাইট=thewall.in |সংগ্রহের-তারিখ=27 November 2024 |উক্তি=চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর (Chinmoy Krishna Das bramhachari) আসল নাম ছিল চন্দন কুমার ধর। }}&amp;lt;/ref&amp;gt;&amp;lt;ref&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি  |তারিখ=26 November 2024 |শিরোনাম=কে এই চিন্ময় কৃষ্ণ দাস |ইউআরএল=https://www.deshrupantor.com/554280/কে-এই-চিন্ময়-কৃষ্ণ-দাস |সংগ্রহের-তারিখ=27 November 2024 |কর্ম=[[দৈনিক দেশ রূপান্তর]] |উক্তি=চিন্ময় কৃষ্ণ দাস আসল নাম ছিল চন্দন কুমার ধর। }}&amp;lt;/ref&amp;gt;&amp;lt;ref&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি  |তারিখ=26 November 2024 |শিরোনাম=কে এই চিন্ময় কৃষ্ণ দাস, তাকে গ্রেপ্তার নিয়ে কেন এত আলোচনা-হইচই |ইউআরএল=https://www.bhorerkagoj.com/national/754897 |সংগ্রহের-তারিখ=27 November 2024 |কর্ম=[[দৈনিক ভোরের কাগজ]] |উক্তি=মামলার আসামিরা হলেন- ইসকনের চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও পুণ্ডরীক ধাম মন্দিরের অধ্যক্ষ চন্দন কুমার ধর প্রকাশ চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারী.... }}&amp;lt;/ref&amp;gt; একজন [[বাংলাদেশী]] [[হিন্দু]] নেতা ও ধর্মগুরু। তিনি বাংলাদেশ সনাতন জাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র। [[চট্টগ্রাম|চট্টগ্রামে]] [[বিএনপি]]র বহিষ্কৃত নেতা&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|শেষাংশ=Channel24|ভাষা=en|শিরোনাম=&#039;বিএনপি থেকে বহিস্কার করা হয় মামলাকারী ফিরোজ খানকে&#039; {{!}}|ইউআরএল=https://www.channel24bd.tv/video/show/27172|সংগ্রহের-তারিখ=2024-11-27|ওয়েবসাইট=Channel 24}}&amp;lt;/ref&amp;gt; [[ফিরোজ খান (রাজনীতিবিদ)|ফিরোজ খানের]] দায়েরকৃত অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।&amp;lt;ref name=&amp;quot;k160&amp;quot;&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|তারিখ=26 November 2024|শিরোনাম=Why was Hindu monk Chinmoy Krishna Das arrested in Bangladesh?|ইউআরএল=https://www.theweek.in/news/world/2024/11/26/why-was-hindu-monk-chinmay-krishna-das-arrested-in-bangladesh.html|সংগ্রহের-তারিখ=26 November 2024|ওয়েবসাইট=The Week}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&amp;lt;ref name=&amp;quot;d572&amp;quot;&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|তারিখ=26 November 2024|শিরোনাম=Bangladesh ISKCON priest Chinmoy Krishna Das arrested amid protests against Hindu atrocities|ইউআরএল=https://economictimes.indiatimes.com/news/international/world-news/bangladesh-iskcon-priest-chinmoy-krishna-das-arrested-amid-protests-against-hindu-atrocities/articleshow/115676546.cms|সংগ্রহের-তারিখ=26 November 2024|ওয়েবসাইট=The Economic Times}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&amp;lt;ref name=&amp;quot;p883&amp;quot;&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|তারিখ=26 November 2024|শিরোনাম=Chinmoy Krishna Das sent to jail|ইউআরএল=https://www.dhakatribune.com/bangladesh/nation/366290/chinmoy-krishna-das-handed-over-to-cmp|সংগ্রহের-তারিখ=26 November 2024|ওয়েবসাইট=[[ঢাকা ট্রিবিউন]]}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== প্রারম্ভিক জীবন ==&lt;br /&gt;
পূর্বে তিনি [[আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ|ইসকনের]] [[চট্টগ্রাম]] বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। &amp;lt;ref&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://economictimes.indiatimes.com/news/new-updates/all-about-the-iskcon-priest-who-has-been-arrested-in-bangladesh/articleshow/115694394.cms?from=mdr|শিরোনাম=Who is Chinmoy Krishna Das and why has he been arrested in Bangladesh?|তারিখ=2024-11-26|কর্ম=The Economic Times|সংগ্রহের-তারিখ=2024-11-26|issn=0013-0389}}&amp;lt;/ref&amp;gt; বর্তমানে তিনি চট্টগ্রামের হাটহাজারীর পুন্ডরীক ধামের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্বরত আছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== গ্রেফতার ও কারাবরণ ==&lt;br /&gt;
{{আরও দেখুন|সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যাকাণ্ড}}&lt;br /&gt;
২০২৪ সালের ২৫শে নভেম্বরে চিন্ময়কে [[ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ]] [[ঢাকা বিমানবন্দর]] থেকে গ্রেপ্তার করে। জাতীয় পতাকার উপরে [[গেরুয়া পতাকা]] উত্তোলনের অভিযোগে একটি সমাবেশ সম্পর্কিত অভিযোগের পরে তার বিরুদ্ধে [[রাষ্ট্রদ্রোহিতা|রাষ্ট্রদ্রোহের]] অভিযোগ আনা হয়। &amp;lt;ref name=&amp;quot;Redwan sg&amp;quot;&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|শেষাংশ=|ভাষা=en|শিরোনাম=চিন্ময় দাশকে গ্রেপ্তারে ‘গভীর উদ্বেগ’ ভারতের|ইউআরএল=https://bangla.bdnews24.com/bangladesh/b5d292acd0a2|সংগ্রহের-তারিখ=2024-11-26|ওয়েবসাইট=[[বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম]]}}&amp;lt;/ref&amp;gt; পরদিন ২৬শে নভেম্বর চট্টগ্রাম ষষ্ঠ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়, যেখানে ম্যাজিস্ট্রেট কাজী শরিফুল ইসলাম তার জামিন আবেদন নাকচ করে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।&amp;lt;ref&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://www.hindustantimes.com/india-news/ensure-safety-of-hindus-india-tells-bangladesh-after-arrest-of-iskcon-monk-101732610199445.html|শিরোনাম=Ensure safety of Hindus, India tells Bangladesh after arrest of ISKCON monk|তারিখ=2024-11-27|কর্ম=Hindustan Times|সংগ্রহের-তারিখ=2024-11-27}}&amp;lt;/ref&amp;gt; তার আইনজীবীরা কারাগারে থাকাকালীন তাকে ধর্মীয় অনুশীলন অনুসরণ করার অনুমতি দেওয়ার অনুরোধ করে, যাতে আদালত কারাগারের নিয়ম মেনে চলার নির্দেশ দেয়।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|শেষাংশ=|ভাষা=bn|শিরোনাম=চিন্ময় দাশের মুক্তির দাবিতে জেলায় জেলায় বিক্ষোভ|ইউআরএল=https://bangla.bdnews24.com/samagrabangladesh/a71668450f1c|সংগ্রহের-তারিখ=2024-11-26|ওয়েবসাইট=[[বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম]]}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
চিন্ময়ের জামিন মঞ্জুর না হওয়ার পর, তার অনুসারীরা আদালত ভবনের সামনে বিক্ষোভ করে, যেটি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষের পর সহিংস হয়ে উঠে। সহিংসতার সময়, [[সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যাকাণ্ড|সাইফুল ইসলাম আলিফ]] নামে এক আইনজীবীকে কুপিয়ে হত্যা করে।&amp;lt;ref&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি |শিরোনাম=চট্টগ্রাম আদালত এলাকায় হামলা, আইনজীবী নিহত |ইউআরএল=https://www.dhakapost.com/national/325424 |প্রকাশক=ঢাকা পোস্ট |সংগ্রহের-তারিখ=২০২৪-১১-২৬}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&amp;lt;ref&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি |শিরোনাম=আইনজীবী আলিফ হত্যা: ভিডিও ফুটেজে শনাক্তের পর আটক ৬ |ইউআরএল=https://www.itvbd.com/national/185998/আইনজীবী-আলিফ-হত্যা-ভিডিও-ফুটেজে-শনাক্তের-পর-আটক-৬ |প্রকাশক=ইনডিপেনডেন্ট টিভি |সংগ্রহের-তারিখ=২০২৪-১১-২৬}}&amp;lt;/ref&amp;gt; তার মৃত্যুতে আইনজীবী ও বিভিন্ন সংগঠন দেশজুড়ে পাল্টা বিক্ষোভ করে এবং ইসকন নিষিদ্ধের দাবি জানায়।&amp;lt;ref name=&amp;quot;:0&amp;quot;/&amp;gt; [[বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা|প্রধান উপদেষ্টা]] [[মুহাম্মদ ইউনূস]] এই হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানান এবং ঘটনাটির যথাযথ তদন্তের আহ্বান জানান।&amp;lt;ref name=&amp;quot;:0&amp;quot;&amp;gt;https://stories.apexnews-sea.com/news/detail/4c8774c4fc00022dd4b31400f8882b27?country=bd&amp;amp;language=bn&amp;amp;entry_id=52f81710241127bn_bd&amp;amp;request_id=PUSH_35dbb053-e6e6-4695-bfdb-b73e49fbd7b2&amp;amp;from=opera_push&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== নিষেধাজ্ঞা ও বিতর্ক ==&lt;br /&gt;
২০২৩ সালের ৬ অক্টোবর, [[শিশু যৌন নির্যাতন|শিশু যৌন নিপীড়নের]] অভিযোগে ইসকন যুক্তরাজ্যের আন্তর্জাতিক শিশু সুরক্ষা কার্যালয় (সিপিটি) কর্তৃক চিন্ময়ের উপর ৫টি নিষেধাজ্ঞা জারি করে।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|তারিখ=২৮ নভেম্বর ২০২৪|ভাষা=|শিরোনাম=চিন্ময়ের বিরুদ্ধে শিশুদেরও ছিল অভিযোগ, ৫ নিষেধাজ্ঞা ছিল ইসকনের|ইউআরএল=https://www.ntvbd.com/bangladesh/news-1484173|ইউআরএল-অবস্থা=কার্যকর|সংগ্রহের-তারিখ=২৯ নভেম্বর ২০২৪|ওয়েবসাইট=[[এনটিভি]]}}&amp;lt;/ref&amp;gt; চিন্ময়কে ইসকনের নেতৃস্থানীয় পদে না থাকা, শিশু ও নারীদের সাথে যোগাযোগে বিরত থাকাসহ বিভিন্ন বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|শেষাংশ=|প্রথমাংশ=|তারিখ=২৭ নভেম্বর ২০২৪|ভাষা=|শিরোনাম=ইসকন নেতা চিন্ময় শিশুদের সাথে বলাৎকার ও নারীদের সঙ্গে যৌন কাজে লিপ্ত থাকত!|ইউআরএল=https://www.dailyjanakantha.com/national/news/747803|ইউআরএল-অবস্থা=কার্যকর|সংগ্রহের-তারিখ=২৯ নভেম্বর ২০২৪|ওয়েবসাইট=[[দৈনিক জনকণ্ঠ]]}}&amp;lt;/ref&amp;gt; ইসকনের সিপিটি যুক্তরাজ্য দপ্তর‌ আরোপিত নিষেধাজ্ঞার সত্যতা নিশ্চিত করে,যা এখনও বহাল রয়েছে।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|শেষাংশ=|প্রথমাংশ=|তারিখ=২৬ নভেম্বর ২০২৪|ভাষা=|শিরোনাম=চিন্ময় ব্রহ্মচারী শিশু নিপীড়নকারী, এজন্য বিধিনিষেধও দেওয়া হয়েছিল|ইউআরএল=https://www.ekushey-tv.com/national/1360873111111154133|ইউআরএল-অবস্থা=কার্যকর|সংগ্রহের-তারিখ=২৭ নভেম্বর ২০২৪|ওয়েবসাইট=[[একুশে টেলিভিশন]]}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|তারিখ=২৮ নভেম্বর ২০২৪|ভাষা=|শিরোনাম=ইসকনের চিন্ময়কে শিশু বলাৎকারের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়|ইউআরএল=https://www.jaijaidinbd.com/politics/510963|ইউআরএল-অবস্থা=অকার্যকর|সংগ্রহের-তারিখ=২৯ নভেম্বর ২০২৪|ওয়েবসাইট=[[যায়যায়দিন]]|আর্কাইভের-তারিখ=১ ডিসেম্বর ২০২৪|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20241201101726/https://www.jaijaidinbd.com/politics/510963}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&amp;lt;ref&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://dailyinqilab.com/bangladesh/news/706852|শিরোনাম=দুশ্চরিত্র চিন্ময়কে নিয়ে দ্বিধা-বিভক্ত সনাতন ধর্মাবলম্বীরা|তারিখ=২৭ নভেম্বর ২০২৪|কর্ম=[[দৈনিক ইনকিলাব]]|সংগ্রহের-তারিখ=২৯ নভেম্বর ২০২৪}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
চিন্ময় বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক বিভাজন তৈরি করার লক্ষ্যে বিভিন্ন সমাবেশে মিথ্যা ও উস্কানিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন [[বাংলাদেশ সরকার| বাংলাদেশ সরকারের]] তথ্য উপদেষ্টা [[নাহিদ ইসলাম]]।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|শিরোনাম=দেশে সম্প্রীতি নষ্ট করার পরিকল্পনা নিয়ে চিন্ময় কাজ করছিল: উপদেষ্টা নাহিদ|ইউআরএল=https://dailyinqilab.com/national/news/706830|সংগ্রহের-তারিখ=2024-11-27|ওয়েবসাইট=দৈনিক ইনকিলাব}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ভাষা=bn|শিরোনাম=আইনজীবীকে যেভাবে কু*পিয়ে হত্যা করা হয়েছে, তা নজিরবিহীন: নাহিদ ইসলাম|ইউআরএল=https://www.banglatribune.com/national/874696/%E0%A6%86%E0%A6%87%E0%A6%A8%E0%A6%9C%E0%A7%80%E0%A6%AC%E0%A7%80%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%B9%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%98%E0%A6%9F%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%A8%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A7%80%E0%A6%A8-%E0%A6%89%E0%A6%AA%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BE|সংগ্রহের-তারিখ=2024-11-27|ওয়েবসাইট=Bangla Tribune}}&amp;lt;/ref&amp;gt; [[দৈনিক ইনকিলাব|দৈনিক ইনকিলাবে]] প্রকাশিত প্রতিবেদনে ২০২৪ সালে চট্টগ্রামের হাজারী গলিতে সেনা ও পুলিশ সদস্যদের ওপর এসিড হামলার নেপথ্যে তার ভূমিকা থাকার কথা উল্লেখ করা হয়। প্রতিবেদনে আরও বলা হয় চিন্ময় ইসকন প্রবর্তক মন্দিরের বিভিন্ন দায়িত্বে ছিলেন, সেখানে তার বিরুদ্ধে অনাথ কয়েকজন শিশুকে জোরপূর্বক বলৎকারের অভিযোগ উঠে, একপর্যায়ে তাকে মন্দিরের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়।&amp;lt;ref name=&amp;quot;ইনকিলাব&amp;quot;&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|শিরোনাম=অবশেষে গ্রেফতার ইসকনের সেই চিন্ময়|ইউআরএল=https://dailyinqilab.com/national/article/706528|সংগ্রহের-তারিখ=2024-11-27|ওয়েবসাইট=দৈনিক ইনকিলাব}}&amp;lt;/ref&amp;gt; তার বিরুদ্ধে চট্টগ্রামের হাটহাজারীর শ্রীশ্রী পুণ্ডরীক ধামে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান [[মীর মোহাম্মদ নাসিরুদ্দিন|মীর মোহাম্মদ নাসির উদ্দিনের]] মালিকানাধীন পুকুর দখলের অভিযোগ রয়েছে।&amp;lt;ref name=&amp;quot;ইনকিলাব&amp;quot;/&amp;gt; এছাড়া, চট্টগ্রামের নিউমার্কেট চত্বরে মুক্তমঞ্চে জাতীয় পতাকার ওপর গেরুয়া পতাকা উড়িয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার অবমাননা&amp;lt;ref name=&amp;quot;ইনকিলাব&amp;quot;/&amp;gt;&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|শেষাংশ=প্রতিবেদক|প্রথমাংশ=নিজস্ব|তারিখ=2024-10-30|শিরোনাম=জাতীয় পতাকার ওপর গেরুয়া পতাকা উত্তোলনের ঘটনায় দুই যুবক গ্রেপ্তার|ইউআরএল=https://www.dhakapost.com/national/319142|সংগ্রহের-তারিখ=2024-11-27|ওয়েবসাইট=dhakapost.com}}&amp;lt;/ref&amp;gt; এবং [[মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার|বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে]] বিব্রত করতে একের পর এক কর্মসূচির নামে সহিংসতার মদদ দেওয়াসহ সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সৃষ্টির চেষ্টা করার অভিযোগ রয়েছে।&amp;lt;ref name=&amp;quot;ইনকিলাব&amp;quot;/&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২০২৪ সালের জুলাইয়ে চিন্ময়কে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে ইসকন থেকে বহিষ্কার করা হয়। এর আগে তিনি [[ইসকন|ইসকনের]] চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|শিরোনাম=‘শৃঙ্খলাবিরোধী কার্যকলাপে’ জুলাইয়ে ইসকন থেকে বহিষ্কার হন চিন্ময় কৃষ্ণ দাস|ইউআরএল=https://www.dhakatimes24.com/2024/11/26/372991|সংগ্রহের-তারিখ=2024-11-27|ওয়েবসাইট=Dhakatimes News}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== প্রতিক্রিয়া ==&lt;br /&gt;
{{মূল নিবন্ধ|২০২৪-এ ভারতে বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশনে হামলা}}&lt;br /&gt;
২৮ নভেম্বর, আইনজীবী আলিফ হত্যাকাণ্ড ও চিন্ময়ের মুক্তির দাবির আন্দোলনে ইসকন বাংলাদেশের সম্পৃক্ততা নেই দাবি করে ইসকন বাংলাদেশ এবং সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে চিন্ময়কে সংগঠন থেকে বহিষ্কারের কথাও বলে।&amp;lt;ref&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি |শিরোনাম=চিন্ময়ের কার্যক্রমে ইসকন দায়ী নয় |ইউআরএল=https://www.dhakapost.com/national/325878 |প্রকাশক=ঢাকা পোস্ট |সংগ্রহের-তারিখ=২০২৪-১১-২৮}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (ভারত)|ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়]] তার গ্রেফতারের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং শান্তিপূর্ণ সমাবেশের অধিকারের ওপর জোর দিয়ে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য বাংলাদেশ সরকারকে আহ্বান জানিয়েছে।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|তারিখ=2024-11-26|শিরোনাম=India voices concern over arrest of Hindu monk in Bangladesh, urges govt to ensure minority protection|ইউআরএল=https://www.financialexpress.com/india-news/india-voices-concern-over-arrest-of-hindu-monk-in-bangladesh-urges-govt-to-ensure-minority-protection/3677686/|সংগ্রহের-তারিখ=2024-11-26|ওয়েবসাইট=Financial Express}}&amp;lt;/ref&amp;gt; বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে হিন্দু ধর্মীয় নেতা চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের গ্রেফতার নিয়ে ভারত সরকারের এই বক্তব্যকে “ভিত্তিহীন” অভিহিত করে বলেছে, এ’ধরনের বক্তব্য দু’দেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের পরিপন্থী। পাশাপাশি বলা হয় ভারত চিন্ময় দাসের গ্রেফতারের ভুল ব্যাখ্যা দিয়েছে।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|তারিখ=2024-11-27|ভাষা=bn|শিরোনাম=চিন্ময় কৃষ্ণ দাসঃ ভারতের বক্তব্য খণ্ডন করে বাংলাদেশের বিবৃতি|ইউআরএল=https://www.voabangla.com/a/7877960.html|সংগ্রহের-তারিখ=2024-11-27|ওয়েবসাইট=VOA বাংলা}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== তথ্যসূত্র ==&lt;br /&gt;
{{সূত্র তালিকা}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৮৫-এ জন্ম]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশী হিন্দু]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের বন্দী ও আটক]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘের ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:হিন্দু সন্ন্যাসী]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তি]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Protik Sikder</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%AB%E0%A7%81%E0%A6%B2_%E0%A6%87%E0%A6%B8%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AE_%E0%A6%86%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%AB_%E0%A6%B9%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%A3%E0%A7%8D%E0%A6%A1&amp;diff=11436</id>
		<title>সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যাকাণ্ড</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%AB%E0%A7%81%E0%A6%B2_%E0%A6%87%E0%A6%B8%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AE_%E0%A6%86%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%AB_%E0%A6%B9%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%A3%E0%A7%8D%E0%A6%A1&amp;diff=11436"/>
		<updated>2025-02-20T14:38:56Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Protik Sikder: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যাকাণ্ড&#039;&#039;&#039; হলো ২০২৪ সালের ২৬ নভেম্বর রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় আটক হওয়া [[চিন্ময় কৃষ্ণ দাস]]ের মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ পরবর্তী সহিংসতায় চিন্ময় দাসের অনুসারী ও [[আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ|ইসকন]] সমর্থকদের (অভিযোগকৃত) দ্বারা সংঘটিত হত্যাকাণ্ড।&amp;lt;ref&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি |ইউআরএল=https://www.jagonews24.com/national/news/984349 |শিরোনাম=চট্টগ্রামে চিন্ময় সমর্থকদের হামলায় আইনজীবী নিহত |সংগ্রহের-তারিখ=২০২৪-১১-২৭ |প্রকাশক=জাগো নিউজ ২৪}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&amp;lt;ref name=&amp;quot;j&amp;quot;&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি |ইউআরএল=https://www.jugantor.com/national/884049 |শিরোনাম=আইনজীবী সাইফুল হত্যার ভিডিও দেখে সন্দেহভাজন ৬ জন আটক |সংগ্রহের-তারিখ=২০২৪-১১-২৭ |প্রকাশক=যুগান্তর}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&amp;lt;ref name=&amp;quot;jg&amp;quot;&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি |ইউআরএল=https://www.jugantor.com/country-news/884144 |শিরোনাম=ইসকন সমর্থকদের হাতে খুন আলিফ চিরনিদ্রায় শায়িত |সংগ্রহের-তারিখ=২০২৪-১১-২৭ |প্রকাশক=যুগান্তর}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&amp;lt;ref&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি |ইউআরএল=https://thedailycampus.com/crime-and-discipline/161168/amp/%E0%A6%9A%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%87-%E0%A6%87%E0%A6%B8%E0%A6%95%E0%A6%A8-%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%95%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%86%E0%A6%87%E0%A6%A8%E0%A6%9C%E0%A7%80%E0%A6%AC%E0%A7%80%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81 |শিরোনাম=চট্টগ্রামে ইসকন সমর্থকদের হামলায় আইনজীবীর মৃত্যু |সংগ্রহের-তারিখ=২০২৪-১১-২৭ |প্রকাশক=দ্য ডেইলি ক্যাম্পাস}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&amp;lt;ref&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি |ইউআরএল=https://dailyinqilab.com/bangladesh/news/706680 |শিরোনাম=চট্টগ্রামে মসজিদে ইসকন সমর্থকদের হামলা-ভাঙচুর |সংগ্রহের-তারিখ=২০২৪-১১-২৭ |প্রকাশক=ডেইলি ইনকিলাব}}&amp;lt;/ref&amp;gt; তবে এই ঘটনায় ইসকনের সম্পৃক্ততা নেই দাবি করে ইসকন বাংলাদেশ।&amp;lt;ref name=&amp;quot;dp&amp;quot;/&amp;gt; নিহত সাইফুল ইসলাম আলিফ ২০১৮ সাল থেকে আইনজীবী হিসেবে চট্টগ্রাম আদালতে অনুশীলন করতেন এবং ২০২৩ সালে হাইকোর্টের আইনজীবী হিসেবে নিবন্ধিত হন।&amp;lt;ref name=&amp;quot;bbc&amp;quot;/&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==হত্যাকাণ্ড==&lt;br /&gt;
২০২৪ সালের ২৫শে নভেম্বর সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র ও ইসকনের বহিষ্কৃত নেতা চিন্ময় দাসকে&amp;lt;ref&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি |শিরোনাম=চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ও সনাতনী জোটের আন্দোলনের সাথে ইসকনের সম্পর্ক কী? |ইউআরএল=https://www.bbc.com/bengali/articles/cvg70zg0nk9o |প্রকাশক=বিবিসি বাংলা |সংগ্রহের-তারিখ=২০২৪-১১-২৮}}&amp;lt;/ref&amp;gt; রাষ্ট্রদোহের অভিযোগে  ঢাকা বিমানবন্দর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন চিন্ময়কে চট্টগ্রাম আদালতে তোলা হয় এবং জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয় আদালত। এ খবর পেয়ে তার অনুসারী মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করে এবং কারাগারে নিয়ে যেতে বাধা দেয়। পরিস্থিতি মোকাবেলায় পুলিশ লাঠিচার্জ, কাঁদানে গ্যাস, সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। পরে আদালত চত্বরে বিক্ষোভকারীরা বেশ কয়েকটি গাড়ি, মোটরসাইকেল ও কোর্ট বিল্ডিং কমপ্লেক্সের নিচতলায় এক আইনজীবীর চেম্বার ভাঙচুর করে। এছাড়া বিক্ষোভকারীদের ছোড়া ঢিলে আদালত মসজিদ কমপ্লেক্সের কাঁচ ভেঙে যায়।&amp;lt;ref name=&amp;quot;bbc&amp;quot;&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি |ইউআরএল=https://www.bbc.com/bengali/articles/ckglqk5zpyeo |শিরোনাম=চট্টগ্রামে নিহত আইনজীবীর পরিচয় সম্পর্কে যা জানা যাচ্ছে |সংগ্রহের-তারিখ=২০২৪-১১-২৭ |প্রকাশক=বিবিসি বাংলা}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&amp;lt;ref&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি |ইউআরএল=https://www.deshrupantor.com/554280/%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%8F%E0%A6%87-%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A7%9F-%E0%A6%95%E0%A7%83%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%A3-%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%B8 |শিরোনাম=কে এই চিন্ময় কৃষ্ণ দাস |সংগ্রহের-তারিখ=২০২৪-১১-২৭ |প্রকাশক=দেশ রূপান্তর}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&amp;lt;ref&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি |ইউআরএল=https://bangla.bdnews24.com/bangladesh/3cc42e533b73 |শিরোনাম=আইনজীবী হত্যা: ভিডিও দেখে ৬ জন আটক |সংগ্রহের-তারিখ=২০২৪-১১-২৭ |প্রকাশক=বিডিনিউজ২৪}}&amp;lt;/ref&amp;gt; সংঘর্ষের এক পর্যায়ে আদালতের বিপরীতে রঙ্গম কনভেনশন সেন্টার এলাকায় আইনজীবী আলিফকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।&amp;lt;ref name=&amp;quot;j&amp;quot; /&amp;gt;&amp;lt;ref name=&amp;quot;bbc&amp;quot; /&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
===জানাযা ও দাফন===&lt;br /&gt;
[[চট্টগ্রাম শহর|চট্টগ্রাম শহরের]] আদালত চত্ত্বর ও জমিয়তুল ফালাহ মসজিদ প্রাঙ্গণ এবং [[লোহাগাড়া উপজেলা]]য় দুই দফা জানাজা&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি |শিরোনাম=চট্টগ্রামে আইনজীবী সাইফুলের জানাজায় মানুষের ঢল |ইউআরএল=https://www.dailyjanakantha.com/bangladesh/news/747606 |সংগ্রহের-তারিখ=2024-11-27 |ওয়েবসাইট=দৈনিক জনকণ্ঠ}}&amp;lt;/ref&amp;gt; শেষে আলিফকে নিজ গ্রাম চুনতীর ফারেঙ্গা পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। এর আগে [[ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়]]সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গায়েবানা জানাযা অনুষ্ঠিত হয়।&amp;lt;ref&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি |ইউআরএল=https://www.dhakapost.com/national/325764 |শিরোনাম=চার দফা জানাজা শেষে চিরশায়িত অ্যাডভোকেট সাইফুল |সংগ্রহের-তারিখ=২০২৪-১১-২৭ |প্রকাশক=ঢাকা পোস্ট}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|তারিখ=2024-11-26 |শিরোনাম=টিএসসিতে আইনজীবী সাইফুল ইসলামের গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত |ইউআরএল=https://jamuna.tv/news/578708 |সংগ্রহের-তারিখ=2024-11-27 |ওয়েবসাইট=Jamuna Television}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি |শিরোনাম=আইনজীবী সাইফুলের জানাজায় মানুষের ঢল |ইউআরএল=https://samakal.com/whole-country/article/267389/%25E0%25A6%2586%25E0%25A6%2587%25E0%25A6%25A8%25E0%25A6%259C%25E0%25A7%2580%25E0%25A6%25AC%25E0%25A7%2580-%25E0%25A6%25B8%25E0%25A6%25BE%25E0%25A6%2587%25E0%25A6%25AB%25E0%25A7%2581%25E0%25A6%25B2%25E0%25A7%2587%25E0%25A6%25B0-%25E0%25A6%259C%25E0%25A6%25BE%25E0%25A6%25A8%25E0%25A6%25BE%25E0%25A6%259C%25E0%25A6%25BE%25E0%25A7%259F-%25E0%25A6%25AE%25E0%25A6%25BE%25E0%25A6%25A8%25E0%25A7%2581%25E0%25A6%25B7%25E0%25A7%2587%25E0%25A6%25B0-%25E0%25A6%25A2%25E0%25A6%25B2 |সংগ্রহের-তারিখ=2024-11-27 |ওয়েবসাইট=সমকাল}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==ভুক্তভোগী==&lt;br /&gt;
সাইফুল ইসলাম আলিফ বাংলাদেশের [[চট্টগ্রাম জেলা|চট্টগ্রামের]] [[লোহাগাড়া উপজেলা]]র [[চুনতি ইউনিয়ন|চুনতি]] এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। তিনি [[আধুনগর ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসা]] থেকে দাখিল, [[চট্টগ্রাম কলেজ]] থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেন এবং [[আন্তর্জাতিক ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম]](আইআইইউসি) থেকে এলএলবি ও এলএলএম পাশ করে আইন পেশায় নিযুক্ত হন। তিনি ২০১৮ সালে চট্টগ্রাম আদালতে আইন পেশা শুরু করেন। পরবর্তীতে ২০২৩ সালে হাইকোর্টের আইনজীবী হিসেবে নিবন্ধিত হন।&amp;lt;ref name=&amp;quot;jg&amp;quot;/&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==প্রতিক্রিয়া==&lt;br /&gt;
[[প্রধান উপদেষ্টা (বাংলাদেশ)|প্রধান উপদেষ্টা]] অধ্যাপক [[মুহাম্মদ ইউনূস]] আলিফ হত্যার নিন্দা জানিয়ে আইনি প্রক্রিয়ায় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।&amp;lt;ref&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি |ইউআরএল=https://www.ittefaq.com.bd/708630/%E0%A6%86%E0%A6%87%E0%A6%A8%E0%A6%9C%E0%A7%80%E0%A6%AC%E0%A7%80-%E0%A6%86%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%AB-%E0%A6%B9%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%89%E0%A6%AA%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%BE |শিরোনাম=আইনজীবী আলিফ হত্যায় প্রধান উপদেষ্টার নিন্দা |সংগ্রহের-তারিখ=২০২৪-১১-২৭ |প্রকাশক=ইত্তেফাক}}&amp;lt;/ref&amp;gt; বাংলাদেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তিবর্গ এই হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি প্রদান করে।&amp;lt;ref&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি |ইউআরএল=https://www.banglanews24.com/national/news/bd/1431061.details |শিরোনাম=চট্টগ্রামে আইনজীবী হত্যার নিন্দা ও প্রতিবাদ জামায়াতের |সংগ্রহের-তারিখ=২০২৪-১১-২৭ |প্রকাশক=বাংলানিউজ২৪}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&amp;lt;ref&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি |ইউআরএল=https://www.kalbela.com/national/142871 |শিরোনাম=চট্টগ্রামে আইনজীবী হত্যায় খেলাফত মজলিসের নিন্দা |সংগ্রহের-তারিখ=২০২৪-১১-২৭ |প্রকাশক=কালবেলা}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&amp;lt;ref&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি |ইউআরএল=https://www.jagonews24.com/amp/984405 |শিরোনাম=চট্টগ্রামে আইনজীবী হত্যার নিন্দা জানিয়ে সিপিবির বিবৃতি |সংগ্রহের-তারিখ=২০২৪-১১-২৭ |প্রকাশক=জাগো নিউজ ২৪}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আইনজীবী আলিফের জানাযা পরবর্তী সাংবাদিকদের কাছে ইসকনকে নিষিদ্ধ ঘোষণার দাবি জানায় [[বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন|বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের]] সমন্বয়ক [[সারজিস আলম]]।&amp;lt;ref&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি |শিরোনাম=ইসকন নিষিদ্ধের দাবি সারজিস আলমের |ইউআরএল=https://bangla.bdnews24.com/ctg/7b80a8bc997a |প্রকাশক=বিডিনিউজ২৪ |সংগ্রহের-তারিখ=২০২৪-১১-২৭}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
হত্যার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতার ও ইসকন নিষিদ্ধের দাবি জানায় [[হেফাজতে ইসলাম]], [[উলামা পরিষদ]], জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম, [[বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস|খেলাফত মজলিস]], [[ছাত্রশিবির]] ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতিসহ বিভিন্ন সংগঠন।&amp;lt;ref&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি |শিরোনাম=আইনজীবী হত্যার বিচার ও ইসকন নিষিদ্ধের দাবি জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের |ইউআরএল=https://www.prothomalo.com/amp/story/bangladesh/898k98dqoe |প্রকাশক=প্রথম আলো |সংগ্রহের-তারিখ=২০২৪-১১-২৭}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&amp;lt;ref&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি |শিরোনাম= এবার খেলাফত মজলিসের সমাবেশে ইসকন নিষিদ্ধের দাবি|ইউআরএল=https://www.kalbela.com/country-news/142895 |প্রকাশক=কালবেলা |সংগ্রহের-তারিখ=২০২৪-১১-২৭}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&amp;lt;ref&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি |শিরোনাম=ইসকন নিষিদ্ধের দাবিতে উত্তরায় উলামা পরিষদের বিক্ষোভ |ইউআরএল=https://www.somoynews.tv/news/2024-11-27/v5zR6N5O |প্রকাশক=[[সময় টিভি]] |সংগ্রহের-তারিখ=২০২৪-১১-২৭}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&amp;lt;ref&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি |শিরোনাম=ইসকন নিষিদ্ধের দাবি জানালো হেফাজতে ইসলাম |ইউআরএল=https://www.ittefaq.com.bd/708665/%E0%A6%87%E0%A6%B8%E0%A6%95%E0%A6%A8-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BF-%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%8B-%E0%A6%B9%E0%A7%87%E0%A6%AB%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%87%E0%A6%B8%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AE |প্রকাশক=ইত্তেফাক |সংগ্রহের-তারিখ=২০২৪-১১-২৭}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&amp;lt;ref&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি |শিরোনাম=রংপুরে ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ, ইসকন নিষিদ্ধের দাবি |ইউআরএল=https://www.dhakapost.com/country/325748 |প্রকাশক=ঢাকা পোস্ট |সংগ্রহের-তারিখ=২০২৪-১১-২৭}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&amp;lt;ref&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি |শিরোনাম=ইসকন নিষিদ্ধের দাবি সুপ্রিম কোর্ট বারের |ইউআরএল=https://www.dhakapost.com/law-courts/325894 |প্রকাশক=ঢাকা পোস্ট |সংগ্রহের-তারিখ=২০২৪-১১-২৮}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যার প্রতিবাদে বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ মিছিল, প্রতিবাদ সভা, মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতি ২৭ ও ২৮ নভেম্বর কর্মবিরতি পালন করে।&amp;lt;ref name=&amp;quot;bbc&amp;quot; /&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আইনজীবী আলিফ হত্যাকাণ্ড ও চিন্ময়ের মুক্তির দাবির আন্দোলনে ইসকন বাংলাদেশের সম্পৃক্ততা নেই দাবি করে ২৮ নভেম্বর সংবাদ সম্মেলন করে ইসকন বাংলাদেশ। মিথ্যা প্রচারণা চালিয়ে ইসকন নিষিদ্ধের মতো অযৌক্তিক দাবি তোলা হচ্ছে বলেও জানানো হয়।&amp;lt;ref name=&amp;quot;dp&amp;quot;&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি |শিরোনাম=চিন্ময়ের কার্যক্রমে ইসকন দায়ী নয় |ইউআরএল=https://www.dhakapost.com/national/325878 |প্রকাশক=ঢাকা পোস্ট |সংগ্রহের-তারিখ=২০২৪-১১-২৮}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২৮ নভেম্বর নিহত আলিফের পরিবারকে এক কোটি টাকা অর্থ সহায়তার ঘোষণা দেয় আলহাজ্ব শামসুল হক ফাউন্ডেশন।&amp;lt;ref&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি |শিরোনাম=আইনজীবী আলিফের পরিবার পাচ্ছে এক কোটি টাকা |ইউআরএল=https://dainikazadi.net/আইনজীবী-আলিফের-পরিবার-পা/ |প্রকাশক=দৈনিক আজাদী |সংগ্রহের-তারিখ=২০২৪-১১-২৮}}&amp;lt;/ref&amp;gt; ২৯ নভেম্বর নিহত আইনজীবী আলিফের পরিবারকে পাঁচ লাখ টাকা অর্থ সহায়তা দেয় আস সুন্নাহ ফাউন্ডেশন।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ভাষা=bn|শিরোনাম=আইনজীবী আলিফের পরিবারকে ৫ লাখ টাকা দিলো আস সুন্নাহ ফাউন্ডেশন|ইউআরএল=https://www.bhorerkagoj.com/national/755707|সংগ্রহের-তারিখ=2024-12-16|ওয়েবসাইট=Bhorer Kagoj}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== বিচার ==&lt;br /&gt;
রঙ্গম কনভেনশন হলের পেছনে নিয়ে আইনজীবী আলিফকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হত্যার একটি ভিডিও ফুটেজ সামাজিকমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একদল বিক্ষোভকারী আলিফকে নির্মমভাবে আক্রমণ করছে। উক্ত ভিডিও ফুটেজ দেখে আলিফ হত্যার সাথে জড়িত মোট ৭ জনকে গ্রেফতার করে। তারা হলেন রুমিত দাশ, সুমিত দাশ, গগন দাশ, নয়ন দাশ, বিশাল দাশ, আমান দাশ ও মনু মেথর।&amp;lt;ref name=&amp;quot;j&amp;quot; /&amp;gt;&amp;lt;ref&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি |শিরোনাম=পুলিশের তিন মামলা, ফুটেজ দেখে হত্যায় জড়িত সাতজন শনাক্ত |ইউআরএল=https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/3ciug2sjml |প্রকাশক=প্রথম আলো |সংগ্রহের-তারিখ=২০২৪-১১-২৮}}&amp;lt;/ref&amp;gt; এ ঘটনায় [[বিজিসি ট্রাস্ট বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ|বিজিসি ট্রাস্ট ইউনিভার্সিটির]] আইন বিভাগের এক শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।&amp;lt;ref name=&amp;quot;ap&amp;quot;&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি |শিরোনাম=সাইফুলকে যেভাবে হত্যা করা হয়, ৭ জন শনাক্ত |ইউআরএল=https://www.ajkerpatrika.com/bangladesh/ajp3lzhnh50hy |প্রকাশক=আজকের পত্রিকা |সংগ্রহের-তারিখ=২০২৪-১১-২৭}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২৯ নভেম্বর রাতে আইনজীবী আলিফের বাবা ৩১ জনের নাম উল্লেখপূর্বক ও অজ্ঞাতনামা ১০-১৫ জনের নামে কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা দায়ের করে।&amp;lt;ref&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি |শিরোনাম=আইনজীবী সাইফুল হত্যায় ৩১ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা |ইউআরএল=https://www.dhakapost.com/national/326248 |প্রকাশক=ঢাকা পোস্ট |সংগ্রহের-তারিখ=২০২৪-১১-৩০}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
৪ ডিসেম্বর রাত পৌনে ১২টার দিকে সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি চন্দনকে পুলিশ কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব থেকে গ্রেপ্তার করে।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি |তারিখ=2024-12-05 |শিরোনাম=আইনজীবী সাইফুল হত্যার প্রধান আসামি চন্দন গ্রেপ্তার |ইউআরএল=https://www.desh.tv/country-news/49348 |সংগ্রহের-তারিখ=2024-12-05 |ওয়েবসাইট=[[দেশ টিভি]]}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==গণমাধ্যমে বিকৃত তথ্য==&lt;br /&gt;
আইনজীবী আলিফ হত্যাকাণ্ডে একাধিক গণমাধ্যমে ভুল ও মিথ্যা তথ্য প্রচারিত হয়। ভারতের &#039;&#039;[[রিপাবলিক টিভি]]&#039;&#039;, &#039;&#039;অপইন্ডিয়া&#039;&#039;সহ একাধিক গণমাধ্যমে নিহত আইনজীবী আলিফকে চিন্ময় দাসের আইনজীবী দাবি করে প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এসব মাধ্যমে দাবি করা হয়, আলিফ পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছেন। ভারতীয় গণমাধ্যমে প্রচারিত দাবিটি মিথ্যা ও খারাপ উদ্দেশ্য নিয়ে ছড়ানো হচ্ছে বলে জানায় বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং ফ্যাক্টস।&amp;lt;ref&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি |ইউআরএল=https://banglanews24.com/national/news/bd/1431145.details |শিরোনাম=নিহত সাইফুলকে চিন্ময় দাসের আইনজীবী দাবি করে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে মিথ্যাচার |সংগ্রহের-তারিখ=২০২৪-১১-২৭ |প্রকাশক=বাংলানিউজ২৪}}&amp;lt;/ref&amp;gt; &lt;br /&gt;
বার্তা সংস্থা &#039;&#039;[[রয়টার্স|রয়টার্সেও]]&#039;&#039; চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার লিয়াকত আলী খানকে উদ্ধৃত করে সংবাদ প্রকাশ করে যেখানে আইনজীবী সাইফুল ইসলামকে চিন্ময় দাসের আইনজীবী দাবি করা হয়। তবে সরকারের প্রেস উইংয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে রয়টার্স বা কোনো সাংবাদিক লিয়াকত আলী খান থেকে কোনো বক্তব্য নেননি এবং রয়টার্সের প্রতিবেদন বস্তুনিষ্ঠ নয় জানিয়ে এর প্রতিবাদ জানিয়েছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ। পরবর্তীতে রয়টার্স তাদের প্রতিবেদন সংশোধন করে।&amp;lt;ref&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি |ইউআরএল=https://www.tbsnews.net/bangla/%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6/news-details-283156 |শিরোনাম=চট্টগ্রামে আইনজীবী হত্যার ঘটনায় রয়টার্সের তথ্য সরকার যেভাবে ভুল প্রমাণ করল |সংগ্রহের-তারিখ=২০২৪-১১-২৭ |প্রকাশক=দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফকে সহকারী সরকারী কৌঁসুলি উল্লেখ করেও বাংলাদেশের একাধিক গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়। যদিও তিনি রাষ্ট্রের আইনকর্তা ছিলেন না। তবে ২০২৩ সালে তিনি হাইকোর্টের আইনজীবী হিসেবে নিবন্ধিত হন।&amp;lt;ref name=&amp;quot;bbc&amp;quot;/&amp;gt;&amp;lt;ref&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি |শিরোনাম=চট্টগ্রামে নিহত আইনজীবীকে নিয়ে দেশি-বিদেশী গণমাধ্যমে ভুল দাবি |ইউআরএল=https://dismislab.com/factcheck/politics/false-claim-lawyer-death-media-chittagong/ |প্রকাশক=ডিসমিসল্যাব |সংগ্রহের-তারিখ=২০২৪-১১-২৮}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==আরও দেখুন==&lt;br /&gt;
* [[হাজারী গলির সহিংসতা]]&lt;br /&gt;
* [[ভারতে বাংলাদেশ বিরোধী অপপ্রচার]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==তথ্যসূত্র==&lt;br /&gt;
{{সূত্র তালিকা|2}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশী খুনের শিকার]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশে মানবাধিকার লঙ্ঘন]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:ধারালো অস্ত্র দ্বারা মৃত্যু]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:খুনের শিকার পুরুষ]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:২০২৪-এ বাংলাদেশে অপরাধ]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:২০২৪-এ বাংলাদেশে খুন]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:২০২৪-এ মৃত্যু]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Protik Sikder</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%97%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A6%AF%E0%A6%BC_%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%AA%E0%A6%9E%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A7%80&amp;diff=11435</id>
		<title>গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জী</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%97%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A6%AF%E0%A6%BC_%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%AA%E0%A6%9E%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A7%80&amp;diff=11435"/>
		<updated>2025-02-20T14:36:02Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Protik Sikder: &amp;quot;গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জী&amp;quot; সুরক্ষিত করা হয়েছে ([সম্পাদনা=শুধুমাত্র প্রশাসকদের জন্য অনুমোদিত] (অসীম) [স্থানান্তর=শুধুমাত্র প্রশাসকদের জন্য অনুমোদিত] (অসীম))&lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;[[File:Ewiger Kalender gregorianisch.png|থাম্ব|এভিগার কালেন্ডার]]&#039;&#039;&#039;গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জী&#039;&#039;&#039;, &#039;&#039;&#039;গ্রেগোরিয়ান বর্ষপঞ্জী&#039;&#039;&#039;, &#039;&#039;&#039;পাশ্চাত্য বর্ষপঞ্জী&#039;&#039;&#039;, বা &#039;&#039;&#039;খ্রিস্টীয় দিনপঞ্জিকা&#039;&#039;&#039; হল আন্তর্জাতিকভাবে প্রায় সর্বত্র স্বীকৃত বর্ষপঞ্জী/দিনপঞ্জিকা।&amp;lt;ref&amp;gt;[http://www.usno.navy.mil/USNO/astronomical-applications/astronomical-information-center/calendars Introduction to Calendars] {{ওয়েব আর্কাইভ|url=https://web.archive.org/web/20111019043524/http://www.usno.navy.mil/USNO/astronomical-applications/astronomical-information-center/calendars |date=১৯ অক্টোবর ২০১১ }}. [[United States Naval Observatory]]. Retrieved 15 January 2009.&amp;lt;/ref&amp;gt;&amp;lt;ref&amp;gt;[http://astro.nmsu.edu/~lhuber/leaphist.html Calendars] {{ওয়েব আর্কাইভ|ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20040401234715/http://astro.nmsu.edu/~lhuber/leaphist.html |তারিখ=১ এপ্রিল ২০০৪ }} by L. E. Doggett. Section 2.&amp;lt;/ref&amp;gt;&amp;lt;ref&amp;gt;The international standard for the representation of dates and times, [[ISO 8601]], uses the Gregorian calendar. Section 3.2.1.&amp;lt;/ref&amp;gt; ১৫৮২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি [[পোপ ত্রয়োদশ গ্রেগোরি|পোপ ত্রয়োদশ গ্রেগোরির]] এক আদেশানুসারে এই বর্ষপঞ্জীর প্রচলন ঘটে।&amp;lt;ref&amp;gt;See [[s:Inter gravissimas|Wikisource English translation]] of the (Latin) 1582 papal bull &#039;&#039;[[Inter gravissimas]]&#039;&#039;, instituting Gregorian calendar reform.&amp;lt;/ref&amp;gt; সেই বছর কিছু মুষ্টিমেয় [[রোমান ক্যাথলিক ধর্ম|রোমান ক্যাথলিক]] দেশ গ্রেগোরিয় বর্ষপঞ্জী গ্রহণ করে এবং পরবর্তীকালে ক্রমশ অন্যান্য দেশসমূহেও এটি গৃহীত হয়। আর ব্রিটেন ও যুক্তরাষ্ট্র গ্রহণ করে ১৭৫২ সালের সেপ্টেম্বরে। তখন তারা তাদের ক্যালেন্ডার থেকে ১১ দিন বাদ দেয়। তাই ১৭৫২ সালের ক্যালেন্ডারে ৩ সেপ্টেম্বর থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর এই ১১ টি দিন পাওয়া যায় না।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পোপ ত্রয়োদশ গ্রেগরি কর্তৃক বর্ষপঞ্জী সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা ছিল কারণ পূর্ববর্তী [[জুলীয় বর্ষপঞ্জি|জুলিয়ান বর্ষপঞ্জীর]] গণনা অনুসারে একটি মহাবিষুব থেকে আরেকটি মহাবিষুব পর্যন্ত সময়কাল ধরা হয়েছিল ৩৬৫.২৫ দিন, যা প্রকৃত সময়কাল থেকে প্রায় ১১ সেকেন্ড কম। এই ১১ সেকেন্ডের পার্থক্যের ফলে প্রতি ৪০০ বছর অন্তর মূল ঋতু থেকে জুলিয়ান বর্ষপঞ্জীর প্রায় তিন দিনের ব্যবধান ঘটত। পোপ ত্রয়োদশ গ্রেগরির সময়ে এই ব্যবধান ক্রমশ বেড়ে দাঁড়িয়েছিল ১০ দিনের এবং ফলস্বরূপ মহাবিষুব [[২১ মার্চ|২১ মার্চের]] পরিবর্তে ১১ মার্চ পড়েছিল। যেহেতু খ্রিস্টীয় উৎসব [[ইস্টার|ইস্টারের]] দিন নির্ণয়ের সাথে মহাবিষুব জড়িত সেহেতু মহাবিষুবের সাথে জুলিয়ান বর্ষপঞ্জীর এই ব্যবধান রোমান ক্যাথলিক গির্জার কাছে অনভিপ্রেত ছিল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গ্রেগোরিয়ান বর্ষপঞ্জীর সংস্কার দু&#039;টি ভাগে বিভক্ত ছিল: পূর্ববর্তী জুলিয়ান বর্ষপঞ্জীর সংস্কার এবং ইস্টারের তারিখ নির্ণয়ের জন্য গির্জায় ব্যবহৃত চান্দ্র পঞ্জিকার সংস্কার। জনৈক চিকিৎসক অ্যালয়সিয়াস লিলিয়াস কর্তৃক দেয় প্রস্তাবের সামান্য পরিবর্তন ঘটিয়ে এই সংস্কার করা হয়।&amp;lt;ref&amp;gt;Moyer (1983).&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== বর্ণনা ==&lt;br /&gt;
গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জী একটি সৌর পঞ্জিকা। গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জী গাণিতিক বর্ষ পঞ্জিকা। &lt;br /&gt;
গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জীকাতে ১২টি মাসের উপস্থিতি রয়েছে।&lt;br /&gt;
{| class=&amp;quot;wikitable&amp;quot;&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
! ক্রমিক || নাম || দিন&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| ১ || [[জানুয়ারি]] || ৩১&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| ২ || [[ফেব্রুয়ারি]] || ২৮ বা ২৯&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| ৩ || [[মার্চ]] || ৩১&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| ৪ || [[এপ্রিল]] || ৩০&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| ৫ || [[মে]] || ৩১&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| ৬ || [[জুন]] || ৩০&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| ৭ || [[জুলাই]] || ৩১&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| ৮ || [[আগস্ট]] || ৩১&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| ৯ || [[সেপ্টেম্বর]] || ৩০&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| ১০ || [[অক্টোবর]] || ৩১&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| ১১ || [[নভেম্বর]] || ৩০&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| ১২ || [[ডিসেম্বর]] || ৩১&lt;br /&gt;
|}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== ঘটনাপঞ্জী ==&lt;br /&gt;
&amp;lt;timeline&amp;gt;&lt;br /&gt;
DateFormat = yyyy&lt;br /&gt;
ImageSize = width:800 height:auto barincrement:38&lt;br /&gt;
PlotArea = left:20 right:20 bottom:20 top:10&lt;br /&gt;
Colors =&lt;br /&gt;
  id:noir              value:black&lt;br /&gt;
  id:canvas            value:rgb(0.97,0.97,0.97)&lt;br /&gt;
  id:gris              value:gray(0.80)&lt;br /&gt;
  id:grilleMajor       value:rgb(0.80,0.80,0.80)&lt;br /&gt;
  id:bleuclair         value:rgb(0.56,0.56,0.86)&lt;br /&gt;
  id:rouge             value:red&lt;br /&gt;
  id:rougeclair        value:rgb(0.86,0.56,0.56)&lt;br /&gt;
  id:bleuclair         value:rgb(0.76,0.76,0.96)&lt;br /&gt;
  id:grilleMinor       value:rgb(0.86,0.86,0.86)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
Period = from:1550 till:2050&lt;br /&gt;
TimeAxis = orientation:horizontal format:yyyy&lt;br /&gt;
AlignBars = justify&lt;br /&gt;
ScaleMinor = unit:year increment:50 start:1550 gridcolor:grilleMinor&lt;br /&gt;
ScaleMajor = unit:year increment:100 start:1600 gridcolor:grilleMajor&lt;br /&gt;
BackgroundColors = canvas:canvas bars:canvas&lt;br /&gt;
BarData=&lt;br /&gt;
  bar:epoque&lt;br /&gt;
  barset:evennement&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
PlotData=&lt;br /&gt;
  bar:epoque shift:(0,0) width:30&lt;br /&gt;
  from:start till:end color:gris # Arri?re plan&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
  from:start till:1581  text:&amp;quot;Julian~calendar&amp;quot; color:rougeclair  anchor:from&lt;br /&gt;
  from:1582  till:end   text:&amp;quot;Gregorian calendar&amp;quot; color:rouge&lt;br /&gt;
  barset:evennement color:noir shift:(2,0) width:25&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
  from:1582  till:1582  text:&amp;quot;1582~Spain, Portugal,  and their possessions;~Italy, Polish-Lithuanian Commonwealth&amp;quot;   shift:(2,5)&lt;br /&gt;
  from:1582  till:1582  text:&amp;quot;1582~France, Netherlands, Savoy, Luxembourg&amp;quot;&lt;br /&gt;
  from:1583  till:1583  text:&amp;quot;1583~Austria; Catholic Switzerland and Germany&amp;quot;&lt;br /&gt;
  from:1587  till:1587  text:&amp;quot;1587~Hungary&amp;quot;&lt;br /&gt;
  from:1605  till:1710  text:&amp;quot;1605-1710~Nova Scotia&amp;quot; color:bleuclair anchor:from&lt;br /&gt;
  from:1610  till:1610  text:&amp;quot;1610~Prussia&amp;quot;&lt;br /&gt;
  from:1582  till:1735  text:&amp;quot;1582-1735~Duchy of Lorraine&amp;quot; color:bleuclair anchor:from&lt;br /&gt;
  from:1648  till:1648  text:&amp;quot;1648~Alsace&amp;quot;&lt;br /&gt;
  from:1682  till:1682  text:&amp;quot;1682~Strasbourg&amp;quot;&lt;br /&gt;
  from:1700  till:1700  text:&amp;quot;1700~Protestant Germany, Switzerland;~Denmark &amp;amp; Norway&amp;quot; shift:(2,5)&lt;br /&gt;
  from:1753  till:1753  text:&amp;quot;1753~Sweden &amp;amp; Finland&amp;quot;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
  #To start again the indentation in top&lt;br /&gt;
  barset:break&lt;br /&gt;
  at:1752 #blank line&lt;br /&gt;
  at:1752 #blank line&lt;br /&gt;
  at:1752 #blank line&lt;br /&gt;
  at:1752 #blank line&lt;br /&gt;
  from:1752  till:1752  text:&amp;quot;1752~UK and its possessions&amp;quot;&lt;br /&gt;
  at:1760 #blank line&lt;br /&gt;
  from:1760  till:1760  text:&amp;quot;1760~Lorraine (Habsburg -&amp;gt; France)&amp;quot;&lt;br /&gt;
  at:1584 #blank line&lt;br /&gt;
  at:1584 #blank line&lt;br /&gt;
  from:1584  till:1584  text:&amp;quot;1584~Bohemia and Moravia&amp;quot;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
  #To start again the indentation in top&lt;br /&gt;
  barset:break&lt;br /&gt;
  from:1811  till:1811  text:&amp;quot;1811~Swiss canton of Grisons&amp;quot;&lt;br /&gt;
  from:1867  till:1867  text:&amp;quot;1867~Alaska (Russia -&amp;gt; USA)&amp;quot;&lt;br /&gt;
  from:1873  till:1873  text:&amp;quot;1873~Japan&amp;quot;&lt;br /&gt;
  from:1875  till:1875  text:&amp;quot;1875~Egypt&amp;quot;&lt;br /&gt;
  from:1896  till:1896  text:&amp;quot;1896~Korea&amp;quot;&lt;br /&gt;
  from:1912  till:1912  text:&amp;quot;1912~Albania&amp;quot;&lt;br /&gt;
  from:1915  till:1915  text:&amp;quot;1915~Latvia, Lithuania&amp;quot;&lt;br /&gt;
  from:1916  till:1916  text:&amp;quot;1916~Bulgaria&amp;quot;&lt;br /&gt;
  from:1918  till:1918  text:&amp;quot;1918~Russia, Estonia&amp;quot;&lt;br /&gt;
  from:1919  till:1919  text:&amp;quot;1919~Romania, Yugoslavia&lt;br /&gt;
  from:1922  till:1922  text:&amp;quot;1922~USSR&amp;quot;&lt;br /&gt;
  from:1923  till:1923  text:&amp;quot;1923~Greece&amp;quot;&lt;br /&gt;
  from:1926  till:1926  text:&amp;quot;1926~Turkey&amp;quot;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
  #To start again the indentation in top&lt;br /&gt;
  barset:break&lt;br /&gt;
  from:1912  till:1912  text:&amp;quot;1912 &amp;amp; 1929~China&amp;quot;  shift:(2,5)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;lt;/timeline&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== তথ্যসূত্র ==&lt;br /&gt;
{{সূত্র তালিকা}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
{{পঞ্জিকাসমূহ}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:সৌর পঞ্জিকা]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:১৫৮২-এ প্রতিষ্ঠিত]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Protik Sikder</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%AD%E0%A7%82%E0%A6%97%E0%A7%8B%E0%A6%B2&amp;diff=11404</id>
		<title>ভূগোল</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%AD%E0%A7%82%E0%A6%97%E0%A7%8B%E0%A6%B2&amp;diff=11404"/>
		<updated>2025-02-20T07:13:56Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Protik Sikder: &amp;quot;ভূগোল&amp;quot; সুরক্ষিত করা হয়েছে ([সম্পাদনা=শুধুমাত্র প্রশাসকদের জন্য অনুমোদিত] (অসীম) [স্থানান্তর=শুধুমাত্র প্রশাসকদের জন্য অনুমোদিত] (অসীম))&lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;[[চিত্র:World map 2004 CIA large 1.7m whitespace removed.jpg|right|thumb|upright=1.2|২০০৪ সালের রাজনৈতিক সীমানাসহ পৃথিবীর প্রাকৃতিক মানচিত্র]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;ভূগোল&#039;&#039;&#039; ({{lang-en|geography}}, যেটি এসেছে [[গ্রীক ভাষা|গ্রীক]] শব্দ “{{lang|el|γεωγραφία}}”, বা, &#039;&#039;geographia&#039;&#039;, থেকে; যার শাব্দিক অর্থ: &amp;quot;&#039;&#039;পৃথিবী সম্পর্কিত বর্ণনা বা আলোচনা&#039;&#039;&amp;quot;&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.etymonline.com/index.php?term=geography|শিরোনাম=Online Etymology Dictionary|শেষাংশ=Harper|প্রথমাংশ=Douglas|তারিখ=|ওয়েবসাইট=Etymonline.com|প্রকাশক=Online Etymology Dictionary|সংগ্রহের-তারিখ=10 November 2016}}&amp;lt;/ref&amp;gt;) হচ্ছে [[বিজ্ঞান|বিজ্ঞানের]] সেই শাখা যেখানে [[পৃথিবী|পৃথিবীর]] ভূমি, এর গঠন বিন্যাস, এর অধিবাসী সম্পর্কিত সমস্ত প্রপঞ্চ (phenomenon / ক্রিয়া-প্রক্রিয়া) সংক্রান্ত বিষয়াদি আলোচিত হয়।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://dictionary.reference.com/browse/geography|শিরোনাম=Geography|শেষাংশ=|প্রথমাংশ=|তারিখ=|প্রকাশক=Houghton Mifflin Company|কর্ম=The American Heritage Dictionary/ of the English Language, Fourth Edition|সংগ্রহের-তারিখ=9 October 2006}}&amp;lt;/ref&amp;gt; এই শব্দটি খ্রিস্টপূর্ব ২য় শতকে গ্রিক জ্ঞানবেত্তা [[এরাতোস্থেনেস|এরাটোসথেনিস]] (২৭৬–১৯৪ খ্রিস্টপূর্ব) প্রথম ব্যবহার করেন।&amp;lt;ref&amp;gt;{{বই উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://books.google.com/books/about/Eratosthenes_Geography.html?id=8peKyWK_SWsC|শিরোনাম=Eratosthenes&#039; Geography|শেষাংশ=Eratosthenes|প্রথমাংশ=|প্রকাশক=[[Princeton University Press]]|বছর=|আইএসবিএন=9780691142678|অবস্থান=|প্রকাশনার-তারিখ=24 January 2010|পাতাসমূহ=|অনুবাদক-শেষাংশ=Roller|অনুবাদক-প্রথমাংশ=Duane W.|উক্তি=|মাধ্যম=}}&amp;lt;/ref&amp;gt; ভূগোলে মানুষের বসবাসের জগৎ ও তার সাথে সম্পর্কিত সমস্ত বিষয় নিয়েই আলোচনা করা হয়ে থাকে। উদাহরণস্বরূপঃ ভৌত ভূগোলে জলবায়ু, ভূমি ও জল নিয়ে গবেষণা করা হয়; [[সাংস্কৃতিক ভূগোল|সাংস্কৃতিক ভূগোলে]] কৃত্রিম, মনুষ্যনির্মিত ধারণা যেমন দেশ, বসতি, যোগাযোগ ব্যবস্থা, পরিবহন, দালান, ও ভৌগোলিক পরিবেশের অন্যান্য পরিবর্তিত রূপ আলোচনা করা হয়। ভূগোলবিদেরা তাদের গবেষণায় অর্থনীতি, ইতিহাস, জীববিজ্ঞান, ভূতত্ত্ব এবং গণিতের সহায়তা নেন।&lt;br /&gt;
সাধারণতঃ প্রায়শই এটিকে [[প্রাকৃতিক ভূগোল]] ও [[মানবীয় ভূগোল]] নামক দুটি প্রধান ভাগে ভাগ করা হয়।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.physicalgeography.net/fundamentals/1b.html|শিরোনাম=CHAPTER 1: Introduction to Physical Geography|শেষাংশ=Pidwirny|প্রথমাংশ=Dr. Michael|শেষাংশ২=Jones|প্রথমাংশ২=Scott|তারিখ=|ওয়েবসাইট=Physicalgeography.net|প্রকাশক=[[University of British Columbia Okanagan]]|সংগ্রহের-তারিখ=10 November 2016}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&amp;lt;ref&amp;gt;{{বই উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://books.google.com/books/about/What_is_Geography.html?id=G_491U8PQFEC|শিরোনাম=What is Geography?|শেষাংশ=Bonnett|প্রথমাংশ=Alastair|প্রকাশক=[[SAGE Publications]]|বছর=|আইএসবিএন=9781849206495|অবস্থান=|প্রকাশনার-তারিখ=16 January 2008|পাতাসমূহ=|উক্তি=|সংগ্রহের-তারিখ=10 November 2016|মাধ্যম=}}&amp;lt;/ref&amp;gt; ভূগোলের চারটি ঐতিহাসিক গবেষণা পদ্ধতি হচ্ছেঃ প্রকৃতি ও মানবজাতি সম্পর্কিত [[স্থানিক বিশ্লেষণ]], স্থান ও অঞ্চল সম্পর্কিত [[এলাকা পঠন]], মানব-ভুমি সম্পর্ক পঠন এবং [[ভূবিজ্ঞান]]।&amp;lt;ref&amp;gt;{{সাময়িকী উদ্ধৃতি|শেষাংশ=Pattinson|প্রথমাংশ=William D.|তারিখ=Summer 1990|শিরোনাম=The Four Traditions of Geography|ইউআরএল=http://www.geog.ucsb.edu/~kclarke/G200B/four_20traditions_20of_20geography.pdf|সাময়িকী=[[Journal of Geography]]|প্রকাশক=[[National Council for Geographic Education]]|প্রকাশনার-তারিখ=1964|খণ্ড=September/October 1990|পাতাসমূহ=202–206|ডিওআই=10.1080/00221349008979196|issn=0022-1341|সংগ্রহের-তারিখ=10 November 2016}}&amp;lt;/ref&amp;gt; ভূগোলকে &amp;quot;পৃথিবী পঠন-বিভাগ&amp;quot; ও &amp;quot;মানুষ এবং [[প্রাকৃতিক বিজ্ঞান|প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের]] মধ্যকার সেতু-বন্ধন&amp;quot; বলেও উল্লেখ করা হয়ে থাকে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রাচীন গ্রিক পণ্ডিত [[এরাতোস্থেনেস|এরাটোসথেনিস]] (২৭৬-১৯৪ খ্রীস্টপূর্ব) পৃথিবীর বর্ণনা অর্থে সর্বপ্রথম এ Geography শব্দটির ব্যবহার করেছিলেন। Geography→Geo (পৃথিবী)+ graphos (বর্ণনা বা বিবরণ) অর্থাৎ Geography শব্দের অর্থ হলো পৃথিবীর বর্ণনা । বাংলা ভাষায় প্রাচীন হিন্দু পুরাণে ব্যবহৃত ভূগোল শব্দটি ‘জিওগ্রাফি’-এর প্রতিশব্দ হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে; যদিও ভূগোল শব্দটি ‘জিওগ্রাফি’ শব্দের মর্মার্থ প্রকাশ করে না। এ ছাড়া বর্তমান জিওগ্রাফির সংজ্ঞা অনুসারে ‘ভূগোল শব্দটি দিয়ে জিওগ্রাফি শব্দটিকে ধারণ করা যায় না। [[বাংলা একাডেমি|বাংলা একাডেমির]] ইংরেজি-বাংলা অভিধানে (তৃতীয় সংস্করণ, ২০১৫) জিওগ্রাফির প্রতিশব্দ ‘ভূগোলবিদ্যা’ বা ‘ভূবিজ্ঞান’ করা হয়েছে, ‘ভূগোল’ নয়। এ কারণে বাংলাভাষা সচেতন অনেক ভূগোলবিদ জিওগ্রাফির প্রতিশব্দ হিসেবে ‘ভূবিদ্যা’ শব্দটির ব্যবহারে অধিক আগ্রহী।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মানচিত্রাঙ্কনবিদ্যা|মানচিত্রাঙ্কনবিদ]] এবং বিভিন্ন স্থানের নাম ও সংখ্যা বিষয়ক অধ্যয়নকারীকে ভূগোলবিদদের সাথে মিলিয়ে ফেলা ঠিক নয়; যদিও অনেক ভূগোলবিদ ভূসংস্থান ও মানচিত্রাঙ্কন বিষয়ে অধ্যয়ন করে থাকেন, তবুও প্রকৃতপক্ষে এটা তাদের মূল বিচরণক্ষেত্র নয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== শাখা সমূহ ==&lt;br /&gt;
ভূগোলের মূল বিষয়বস্তুকে বর্ণনা এবং বিশ্লেষণের সুবিধার্থে:&lt;br /&gt;
# [[প্রাকৃতিক ভূগোল]] এবং&lt;br /&gt;
# [[মানবীয় ভূগোল]] - এই দু&#039;টি শাখায় বিভক্ত করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
=== প্রাকৃতিক ভূগোল ===&lt;br /&gt;
{{মূল নিবন্ধ|প্রাকৃতিক ভূগোল}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রাকৃতিক ভূগোল হলো ভূগোলের সেই অংশ যেখানে পৃথিবীর বিভিন্ন অংশ ও  তাদের গাঠনিক উপাদান নিয়ে আলোচনা করা হয়। এটি মূলত: [[অশ্মমণ্ডল]], [[বারিমণ্ডল]], [[বায়ুমণ্ডল]], [[ভূপৃষ্ঠ]], এবং বৈশ্বয়িক উদ্ভিদ জগৎ এবং প্রাণী জগত ([[জীবমণ্ডল]]) নিয়ে গঠিত এবং তাদের সমস্যা এবং তার সমাধান নিয়ে আলোচনা করে থাকে। প্রাকৃতিক ভূগোলের বিভিন্ন শাখা গুলো নিম্বরুপ:&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
*জ্যোতির্বিদ্যা&lt;br /&gt;
*ভূতত্ত্ববিদ্যা&lt;br /&gt;
*জলবায়ু বিজ্ঞান&lt;br /&gt;
*সমুদ্রবিদ্যা&lt;br /&gt;
*মৃত্তিকা ভূগোল&lt;br /&gt;
*উদ্ভিদবিদ্যা&lt;br /&gt;
*প্রাণীভূগোল&lt;br /&gt;
*পদার্থবিজ্ঞান&#039;&#039;&#039;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
;প্রাকৃতিক ভূগোলের সংজ্ঞা&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[ভূত্বক|ভূত্বকের]] উপরিভাগের ভৌত পরিবেশ এবং এতে কার্যরত বিভিন্ন ভূপ্রাকৃতিক প্রক্রিয়াসমূহ বিজ্ঞানের যে শাখায় সমীক্ষা করা হয়, তাকে প্রাকৃতিক ভূগোল বলে। অধিকাংশ ভূগোলবিদ ভূগোলকে প্রাকৃতিক ও মানবিক নামক দুই শাখায় বিভক্ত করতে আগ্রহী। আবার অনেকে ভূপৃষ্ঠে জীবমণ্ডলের বাস্তুসংস্থানকে উপেক্ষা করা সমীচীন নয় বিধায় ভূগোলকে প্রাকৃতিক, মানবিক ও জীবভূগোল নামক তিন শাখায় বিভক্ত করে থাকেন। বিগত কয়েক দশকে প্রাকৃতিক ভূগোলের সংজ্ঞা, বিষয়বস্তু এবং পঠনপাঠন পদ্ধতিতে ব্যাপক পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। শুরুতে প্রাকৃতিক ভূগোল বলতে কেবল প্রাকৃতিক পরিবেশের (ভূমিবন্ধুরতা, পানি ও বায়ু) অধ্যয়নকে বুঝাতো। যেমন- আর্থার হোমসের  (Arther Holmes, 1960) মতে, ‘পৃথিবী পৃষ্ঠের  বন্ধুরতা, সাগর-মহাসাগর এবং বায়ুমণ্ডলের বিষয়াদি যা নিয়ে প্রাকৃতিক পরিবেশ গঠিত, তার সমীক্ষাই হচ্ছে প্রাকৃতিক ভূগোল। [[কার্ল রিটার|কার্ল রিটারের]] (Carl Ritter, 1779-1859) মতে, ‘প্রাকৃতিক ভূগোল হচ্ছে বিজ্ঞানের সেই শাখা যা পৃথিবীর সমস্ত অবয়ব, বৈচিত্র্য ও সম্পর্কসহ একটি স্বতন্ত্র একক হিসেবে বিবেচনা করে।’ [[রিচার্ড হার্টশোর্ন|হার্টশোর্ন]] বলেন, ‘ভূপৃষ্ঠের পরিবর্তনশীল বৈশিষ্ট্যের সঠিক, সুবিন্যস্ত ও যুক্তিসঙ্গত বর্ণনা ও ব্যাখ্যা প্রদান করা প্রাকৃতিক ভূগোলের কাজ।’&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ দিক থেকে বিবেচনা করলে, প্রাকৃতিক ভূগোল কেবল কতিপয় ভূবিজ্ঞান সম্পর্কিত বিষয়ের একীভবনই নয়, এটি প্রাকৃতিক পরিবেশের সাথে মানুষের কর্মকাণ্ডের আন্তঃক্রিয়ার ধরনও পর্যালোচনা করে। ভূগোলের একটি প্রতিষ্ঠিত শাখা হিসেবে প্রাকৃতিক ভূগোল আঞ্চলিক প্রেক্ষাপটে পারিসরিক (spatial) ধরন এবং ভূপৃষ্ঠের পরিবেশের উপাদানগুলোর পারিসরিক সম্পর্ক সমীক্ষা করে। এ ছাড়াও এটি আঞ্চলিক ধরনের সাথে পারিসরিক সম্পর্কের কারণ, একই সাথে পরিবেশের উপাদানগুলোর পরিবর্তনের কারণও ব্যাখ্যা করে থাকে। এ থেকে বলা যায়, ভূমি, বায়ু, পানি এবং প্রাণী ও উদ্ভিদের জীবনধারণের সহায়ক যে জীবমণ্ডল, তার বিস্তারিত সমীক্ষাই হচ্ছে প্রাকৃতিক ভূগোল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
=== প্রাকৃতিক ভূগোলের বিকাশ ===&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রাকৃতিক বিশ্ব সম্পর্কিত জ্ঞানের আলোচনার ক্ষেত্র বোঝাতে প্রাকৃতিক ভূগোল (geography)শব্দটি ব্যবহার করা হয়। এ ক্ষেত্রটি ভূগোল জ্ঞানের পুরো শাখাটির মতোই প্রাচীন। চিরায়ত গ্রিক যুগে বিজ্ঞানের বিষয় হিসেবে ভূগোলের উৎপত্তি এবং উনবিংশ শতকের শেষভাগে নৃভূগোল (Anthropogeography) বা মানবিক ভূগোলের উৎপত্তির পূর্ব পযর্ন্ত ভূগোল ছিলো মূলত প্রাকৃতিক বিজ্ঞান : অবস্থানের সমীক্ষা ও জ্ঞাত পৃথিবীর সকল স্থানের ধারাবাহিক বর্ণনা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
=== ভারত ===&lt;br /&gt;
প্রাচীন ভারতে ভূগোল তথা ভূবিদ্যা-র আলোচনা পাওয়া যায় বেদ ও প্রাচীন [[:en:Puranas|পুরাণে]]। বেদ-এর লিখিত-রচনা কাল আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব প্রথম সহস্রাব্দের দ্বিতীয় ভাগ। [[:en:Atharvaveda|অথর্ববেদ]]-এ প্রাচীন পুরাণ-এর উৎস সম্পর্কে উল্লেখ পাওয়া যায়। বিদ্বজ্জনদের মতে খ্রিষ্টপূর্ব ১২০০ - ১০০০ অব্দে অথর্ববেদ এর স্তোত্র গুলি রচিত হয়েছিল। প্রাচীন পুরাণের রচয়িতাগণ পৃথিবীকে সাতটি মহাদেশীয় দ্বীপে ভাগ করেছিলেন - জম্বু দ্বীপ, ক্রৌঞ্চ দ্বীপ, কুশ দ্বীপ, প্লক্ষ দ্বীপ, পুষ্কর দ্বীপ, শক দ্বীপ ও শাল্মলী দ্বীপ ও সেই সব দ্বীপের জলবায়ু আর ভূ-প্রকৃতির বিবরণ দিয়েছিলেন। [[:en:Varāhamihira|বরাহমিহির]] পৃথিবীতে জল-এর সৃষ্টি, মেঘ ও বৃষ্টিপাত, মহাজাগতিক গ্রহ সম্পর্কিত বস্তু সমূহের অবস্থান আর সঞ্চারণ পথ সম্পর্কে লিখেছিলেন। প্রখ্যাত গণিতজ্ঞ ও জ্যোতির্বিদ [[আর্যভট্ট]] সেই সময়ে পৃথিবীর পরিধি ২৪৮৩৫ মাইল গণনা করেছিলেন যা প্রকৃত পরিধি থেকে ০.২ % কম ছিল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
=== চীন  ([[:en:History of geography|History of geography]]) ===&lt;br /&gt;
প্রাচীন [[চীন|চীনে]]  ভূবিদ্যা-র আলোচনা পাওয়া যায় খ্রিস্টপূর্ব পঞ্চম শতক থেকে। ভৌগোলিক মানচিত্র গঠিত হত তৎকালীন সাম্রাজ্য সমূহের অবস্থান ও বিস্তৃতি, নদী অববাহিকা, নদীপথ ও বাণিজ্য পথের অবস্থান ইত্যাদি সহ। শুই জিং নামে তৃতীয় শতকের এক অজ্ঞাতনামা লেখকের একটি বই পাওয়া গেছে যেখানে চীনের ১৩৭ টি নদীর তৎকালীন বিবরণ পাওয়া যায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জিয়া ড্যানের (৭৩০ ৮০৫ খ্রিষ্টাব্দ) মতো চীনা ভৌগোলিকের বিভিন্ন বৈদেশিক অঞ্চলের যথাযথ বর্ণনায় সমুদ্রপথে পারস্য উপসাগরের প্রবেশপথের বিবরণ ও মধ্যযুগীয় ইরানীদের দ্বারা সৃষ্ট সমুদ্রমধ্যে আলংকারিক স্তম্ভের কথা আছে যেগুলো আসলে জাহাজদের পথ দেখানোর বাতিঘর ছিল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নবম শতক থেকে দ্বাদশ শতক পর্যন্ত সোঙ সাম্রাজ্য এবং ত্রয়োদশ থেকে ষোড়শ শতক পর্যন্ত মিঙ সাম্রাজ্যের আমলে নিয়মানুগ ভৌগোলিক চর্চা সম্পর্কে জানা যায়। সোঙ সাম্রাজ্যের প্রখ্যাত কবি, পণ্ডিত এবং সরকারি আধিকারিক ফান চেংদা (১১২৬ - ১১৯৩ খ্রিষ্টাব্দ) চীনের দক্ষিণ প্রদেশগুলির বিভিন্ন অঞ্চলের ভূসংস্থান, কৃষি ও আর্থ বাণিজ্যিক পণ্যের উপর ভূ-বিদ্যার সনদ লিখেছিলেন। বহুবিদ্যাজ্ঞ চীনা বৈজ্ঞানিক শেন কুও (১০৩১ - ১০৯৫  খ্রিষ্টাব্দ) দেশের অভ্যন্তরে পাওয়া সামুদ্রিক জীবাশ্ম এবং বাঁশ গাছের এলাকা থেকে বহুদূরে পাওয়া বাঁশ গাছের জীবাশ্ম থেকে ভূমি-র গঠনের উপর আনুমানিক ধারণা সহ বহু গুরুত্বপূর্ণ লেখা লিখে গেছেন। এই সোঙ সাম্রাজ্যের সময়কালে কোরিয়া এবং মধ্যযুগীয় কম্বোডিয়া-ও উপর ভৌগোলিক বিবরণ সমন্বিত বই পাওয়া যায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মিঙ সাম্রাজ্যের ভূগোলবিদ, জু জিয়াকে (১৫৮৭ - ১৬৪১  খ্রিষ্টাব্দ) চীনের বহু প্রদেশে ভ্রমণ করেছিলেন (অনেকসময় পদব্রজে)। তিনি একটি বৃহৎ ভৌগোলিক এবং ভূসংস্থানিক সনদ লিখেছিলেন যেখানে ছোটো ছোটো গিরিখাত, অভ্র ও স্ফটিক মিশ্রিত শ্লেটপাথরের মতো খনি গর্ভের অবস্থান ইত্যাদি তথ্য সংবলিত তার ভ্রমণপথের বিবরণ লিপিবদ্ধ করে গিয়েছেন। চৈনিক লেখাগুলিতে মধ্য প্রাচ্য, ভারতবর্ষ এবং মধ্য এশিয়া-র বিভিন্ন সভ্যতার বর্ণনা আছে যেহেতু খ্রিস্টপূর্ব দ্বিতীয় শতকে পর্যটক ঝ্যাং কিয়ানের সত্যনিষ্ঠ ও গুরুত্বপূর্ণ অভিজ্ঞতা থেকে বৈদেশিক অঞ্চলের ভূসংস্থান ও ভৌগোলিক বিশেষত্ব সম্পর্কিত তথ্য পাওয়া গিয়েছিল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
=== মধ্য এশিয়া এবং ইউরোপ ===&lt;br /&gt;
ঈজিপ্ট ও ব্যাবিলনেও প্রাচীন আলোচনা ছিল [[ভূতত্ত্ব|ভূবিদ্যা]] সম্পর্কে। ইজিপ্ট-এ নীলনদের অববাহিকা, [[ভূমধ্যসাগর]] ও [[পশ্চিম এশিয়া]] পর্যন্ত বিস্তৃত অঞ্চলের মানচিত্র এবং ব্যাবিলনে পৃথিবীর [[মানচিত্র|মানচিত্রের]] অন্যতম প্রাচীন অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া গেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গ্রিক-রোমান যুগে ভূবিদ্যা-র আলোচনা অনেক বিস্তার লাভ করে। অক্ষাংশ-দ্রাঘিমাংশ-উচ্চতা সম্পর্কিত তথ্য, নগর-পরিকল্পনা চিত্র, [[ভূমি জরিপ|ভূমির জরীপ]] ও প্রকারভেদ, নদী-র দৈর্ঘ্য-প্রস্থের পরিমাপ ইত্যাদি বিষয়ে উন্নত অনুশীলন ও ব্যবহারবিধি-র প্রচলন ছিল। আনুমানিক ৪০০ খ্রিষ্টাব্দে রোমে পিউটিন্জার টেবিল হিসাবে পরিচিত এক গোটানো মানচিত্রের সন্ধান পাওয়া গেছে যেখানে রোমান সাম্রাজ্যের মধ্যের সড়কপথগুলি দেখানো আছে এবং রোমান সাম্রাজ্যের বাইরে ব্রিটেন থেকে মধ্য-প্রাচ্য হয়ে [[আফ্রিকা]] এবং তারপর ভারত, শ্রীলঙ্কা, চীন দেশের তখনকার জ্ঞাত অংশ সমূহ নিবদ্ধ আছে। একশোটির ও বেশি চিহ্ন ব্যবহৃত হয়েছিল এই মানচিত্রটি-তে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রাচীন গ্রিক পণ্ডিত ইরাটোসথেনেস (Eratosthenese, 276-194 BC) প্রাকৃতিক ভূগোলের অগ্রপথিক। তিনি এমন এক সময় এ বিষয়ে অবদান রাখেন যখন পণ্ডিতগণ পৃথিবীর আকার ও আকৃতি সম্পর্কেই অনিশ্চিত ছিলেন। মিশরের বিভিন্ন স্থানের দূরত্বের সাথে সূর্যের আলোক রশ্মির পতনকোণের পার্থক্য হিসাব করে পৃথিবীর পরিধি নির্ণয়ের মাধ্যমে ইরাটোসথেনেস প্রাকৃতিক ভূগোলবিদ হিসেবে ইতিহাসের পাতায় চিরস্তায়ী আসন করে নিয়েছেন। এটিই ছিলো বর্তমানে পরিচিত ভূআকৃতিবিদ্যার (Geodesy) প্রথম গবেষণা। ইরাটোসথেনেসের বহু মূল্যবান ভূগোলবিষয়ক কাজের মধ্যে এটি অন্যতম। তিনি মানচিত্রের গুরুত্বের কথা উপলব্ধি করেছিলেন এবং নিজেকে একজন দক্ষ কার্টোগ্রাফার (cartographer) হিসেবে গড়ে তুলেন। যখন পণ্ডিতগণ পৃথিবী গোলাকার না চেপ্টা এ সম্পর্কে বিতর্কে লিপ্ত, তখন ইরাটোসথেনেস গোলাকার পৃথিবীর কোন কোন স্থান সূর্যালোক দ্বারা অপর মণ্ডল অপেক্ষা অধিক উষ্ণ- এ বিষয়টি উপলব্ধি করেন এবং পৃথিবীকে কতিপয় পরিবেশমণ্ডলে বিভক্ত করে মানচিত্র তৈরি করেন। তিনি সিদ্ধান্তে আসেন যে, গোলাকার পৃথিবীতে একটি নিরক্ষীয় বলয়, দুটি মেরু বলয় এবং এদের মাঝে দুটি [[নাতিশীতোষ্ণ জলবায়ু|নাতিশীতোষ্ণ বলয়]] বিদ্যমান রয়েছে। ইরাটোসথেনেসের মৃত্যুর বহু শতাব্দি পর্যন্ত অনেক পণ্ডিত ইরাটোসথেনেসের জ্ঞানকে যথার্থ বলে মেনে নিতে পারেননি (ব্লিজ, ১৯৯৩)।&amp;lt;ref name=&amp;quot;:1&amp;quot;&amp;gt;{{সাময়িকী উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://dx.doi.org/10.1177/030913339401800214|শিরোনাম=Book reviews : De Blij, H.J. and Muller, P.O. 1992: Physical geography of the global environment. Chichester: Wiley. 576 pp. £19.95 paper. ISBN 0 471 55920 2|শেষাংশ=Fielding|প্রথমাংশ=David|তারিখ=1994-06|সাময়িকী=Progress in Physical Geography|খণ্ড=18|সংখ্যা নং=2|পাতাসমূহ=310–311|ডিওআই=10.1177/030913339401800214|issn=0309-1333}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিখ্যাত গ্রিক ঐতিহাসিক [[হিরোডোটাস|হেরোডোটাস]] (Herodotus, 485-424 BC) মিসর ভ্রমণের সময় মিসরকে ‘নীল নদের দান’ বলে মন্তব্য করেন এবং নীল নদের মোহনায় পলি সঞ্চয়ের আকৃতির মাঝে গ্রিক অক্ষর ডেল্টার Δ সাদৃশ্য খুঁজে পান এ ধরনের ভূবৈচিত্র্যকে তিনি ডেল্টা (বাংলায় বদ্বীপ) নামকরণ করেন। খ্রিষ্টপূর্ব ৭৯ অব্দে প্লিনি জুনিয়র (প্লিনি সিনিয়র একজন বিজ্ঞানী ছিলেন) নেপলস উপসাগরে একটি নৌকায় দাঁড়িয়ে ভিসুভিয়াস আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত প্রত্যক্ষ করে যে লিপিবদ্ধ করেছেন, তা সত্যই বিষ্ময়কর। তিনি বর্ণনা করেছেন, আগ্নেয়গিরির উপর ব্যাঙের ছাতার আকৃতির মেঘ কীভাবে ছড়িয়ে পড়েছিলো এবং পম্পেই ও হারকোলিয়াম শহর দুটিকে জীবন্ত কবর দিয়েছিলো। নিরাপদ দূরত্বে দাঁড়িয়ে তিনি যখন আগ্নেয়গিরির ধ্বংসযজ্ঞ দেখছিলেন, তখন তিনি জানতেন না তারই মামা/মায়ের বড় ভাই ([[:en:Pliny the Elder|Pliny The Elder]])(যিনি আবার তারই দত্তক পিতা-ও ছিলেন), ভিসুভিয়াসের লাভাস্রোতে পড়ে মারা যাচ্ছেন, স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্ধারের চেষ্টা করতে গিয়ে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পরিতাপের বিষয় হচ্ছে, প্রাচীন ভূগোলবিদদের অধিকাংশ রচনা কালের গর্ভে হারিয়ে গেছে। প্রাচীন গ্রিক ও রোমান পণ্ডিতদের সামান্য কিছু রচনা যা আমাদের পর্যন্ত এসেছে তা থেকে আমরা জাতে পারি, তখনকার নদীগুলো কত প্রশস্ত আর কত খরস্রোতা ছিলো, বর্তমানে ঘুমিয়ে আছে এরূপ কিছু আগ্নেয়গিরির কর্মকাণ্ড এবং তৎকালীন কিছু উদ্ভিদের কথা, যা বর্তমানে সেসব স্থান থেকে হারিয়ে গেছে। রোমান যুগের অবসানে ইউরোপে দীর্ঘ সময়ব্যাপী অন্ধকার যুগের শুরু হয়। মধ্যযুগে ভূগোল চর্চার দীপশিখা জ্বালিয়ে রেখেছিলো আরব অঞ্চলের মুসলিম এবং চৈনিক পণ্ডিতরা। মধ্যযুগে যুদ্ধ, আগুন এবং অবহেলার কারণে প্রাচীন অনেক মূল্যবান বই, মানচিত্র, রচনা চিরতরে হারিয়ে গেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পঞ্চদশ শতকে ইউরোপীয়দের সামুদ্রিক অভিযান এবং ব্যাপক আবিষ্কারের যুগে প্রাকৃতিক ভূগোলের পুনর্জাগরণ ঘটে। পর্তুগিজরা আফ্রিকার উপকূল ঘুরে এশিয়ার পূর্বপ্রান্তে এবং কলম্বাস আটলান্টিক পাড়ি দিয়ে ফিরে এসে জানায় পশ্চিমের ভূখণ্ডের কথা। মানচিত্রাঙ্কনবিদগণ সংগ্রহকৃত জ্ঞানের ভিত্তিতে সঠিক মানচিত্র তৈরি করতে শুরু করেন। নতুন আবিষ্কৃত দেশগুলো সম্পর্কে ইউরোপের শহরগুলোতে কখন বড় বড় নদী, বরফাবৃত সুউচ্চ পর্বতমালা, বোনো উপকূল, বিস্তীর্ণ সমতলভূমি, ভয়াল ভৃগুতট, সুউচ্চ বৃক্ষপূর্ণ গভীর বনভূমি, অদ্ভুত ও ভয়ঙ্কর বন্যপ্রাণি এবং অজানা সব মানুষের কথা প্রচার হতে শুরু করে। ইউরোপীয় অভিযাত্রী ও ভাগ্যন্বেষীরা সোনা ও অন্যান্য মূল্যবান খনিজসম্পদ নিয়ে ফিরে আসেন। ভৌগোলিক জ্ঞান সম্পদ লাভের চাবিকাঠিতে পরিণত হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইউরোপীয়রা যখন বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে তাদের স্থাপিত উপনিবেশগুলোতে সম্পদ লুণ্ঠনের জন্য দিগ্বিদিক জ্ঞানশূন্য হয়ে নতুন ভূখণ্ডের সন্ধানে ছুটে চলছে, তখন কিছুসংখ্যক বিজ্ঞানী প্রাপ্ত নতুন নতুন তথ্যগুলো যাচাইয়ের জন্য ভ্রমণে বের হন। আলেকজান্ডার ফন হামবোল্ট তাদের মধ্যে অন্যতম, যিনি সম্পদ নয়- জ্ঞান আহরণের জন্য নতুন মহাদেশ আমেরিকায় পাড়ি জমিয়ছিলেন। তিনি দক্ষিণ আমেরিকার উত্তরাংশের ওরিনোকো নদী পর্যন্ত প্রায় তিন হাজার কিলোমিটার পথ পাড়ি দেন এবং ইকোয়েডর, পেরুতে মাঠজরিপ করেন। ১৮০৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার পূর্বে তিনি কিউবা ভ্রমণ করেন এবং মেক্সিকো পাগড় দেন। পরবর্তীতে তিনি সােইবেরিয়াসহ রাশিয়ার বিস্তীর্ণ অঞ্চল ভ্রমণ করেন। পরবর্তীতে প্যারিসে স্থায়ী হয়ে তিনি আমেরিকা ভ্রমণের ওপর ৩০টি বই লেখেন এবং উনিশ শতকের বংশগতিসংক্রান্ত সেরা বৈজ্ঞানিক গ্রন্থ হিবে পরিচিত ছয় খণ্ডের ‘কসমস’ সিরিজটি প্রকাশ করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
হামবোল্টের রচনা থেকে আমরা তার সময়ের প্রাকৃতিক ভূগোলের রাজ্য সম্পর্কে জানতে পারি। এটি প্রমাণিত হয় যে, প্রাকৃতিক ভূগোল কেবলমাত্র পৃথিবীর পৃষ্ঠসম্পর্কিত বিষয়াদিই অধ্যয়ন করে না, এটি এখন মৃত্তিকা, উদ্ভিজ্জ, প্রাণী, সমুদ্র এবং বায়ুমণ্ডল প্রভৃতিকে অন্তর্ভুক্ত করে সমীক্ষা করে। যদিও ‘ফিজিক্যাল জিওগ্রাফি’ শব্দটি সর্বজনীনভাবে গৃহীত হয়েছে, তথাপি ব্যাপক বিস্তৃত ক্ষেত্রের জন্য এর নাম ‘ন্যাচারাল জিওগ্রাফি’ হলেই অধিক মানানসই হতো।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
=== রাশিয়া ===&lt;br /&gt;
প্রাকৃতিক ভূগোলের উন্নয়নে তৎকালীন সম্পদশালী রাশিয়ার জারগণ (সম্রাটগণ) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। অষ্টাদশ শতাব্দির মদ্যভাগে রাশিয়ার শাসকরা অনেক ভূগোলবিদকে মেরুপ্রদেশীয় সাইবেরিয়ার বিভিন্ন সম্ভাব্যতা জরিপের জন্য প্রেরণ করেছিলেন। রাশিয়ান ভূগোলবিদগণের মধ্যে মিখাইল লমোনোসোভ (Mikhail Lomonosov, 1711-1765)-কে প্রধান হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তিনি সাইবেরিয়ার গবেষণায় নেতৃত্ব দেন। তার নেতৃত্বে পরিচালিত গবেষণার উল্লেখযোগ্য অবদানগুলো হচ্ছে- মৃত্তিকার জৈবিক উৎস উদ্‌ঘাটন, বরফখণ্ড বিচলনের একটি সমন্বিত নতির বিকাশসাধন, যা অদ্যাবধি মৌলিক হিসেবে বিবেচিত এবং তদানুযায়ী হিমবিজ্ঞান (Glaciology) নামে ভূগোলের একটি নতুন শাখার গোড়াপত্তন। লমোনোসোভের পথ ধরে উনবিংশ শতকে রাশিয়ার ভাসিলিভিচ ডকোচেভ (Vasily Vasili&#039;evich Dokuchaev, 1846 –1903)-এর মতো বিখ্যাত ভূগোলবিদের জন্ম হয়। তিনি ‘ভূখণ্ড বা অঞ্চলের সমন্বিত নীতি’ (principle of comprehensive analysis of the territory) এবং রাশিয়ান শেরনোজেম (Russian Chernozem)-এর ওপর অবদান রাখেন, যা পরবর্তী সময়ে সহজে চিহ্নিতকরণযোগ্য ভূত্বকীয় স্তর মৃত্তিকা সম্পর্কে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভৌগোলিক ধারণার সাথে পরিচিত করে| তিনি প্রথম মৃত্তিকার শ্রেণিবিন্যাস এবং মৃত্তিকা গঠনের পাঁচটি উপাদান চিহ্নিত করেন। এভাবে নতুন ভৌগোলিক সমীক্ষার ক্ষেত্র হিসেবে মৃত্তিকাবিজ্ঞান (Pedology) প্রতিষ্ঠিত হয়। একারণে ভিসিলি ডকোচেভকে মৃত্তিকাবিজ্ঞানের জনক বলা হয়। রাশিয়ান পণ্ডিতদের অবদানে জলবায়ুবিজ্ঞানও ব্যাপকভাবে সমৃদ্ধ হয়। রাশিয়ার জলবায়ুবিজ্ঞানীদের মধ্যে জার্মান বংশোদ্ভুত ভ্লাদিমির কোপেন (Wladimir Köppen) &amp;amp;nbsp;সকলের অগ্রগণ্য। তিনি বিশ্বের জলবায়ু অঞ্চলের শ্রেণিবিভাগ করেন, যা আজও সঠিক হিসেবে সমাদৃত। যাহোক, এ মহান ভূগোলবিদ তার কাজের মাধ্যমে পুরাজলবায়ুবিজ্ঞানে (Paleoclimatology) অবদান রাখেন। ‘ভূতাত্ত্বিক অতীতের জলবায়ু’ (The climates of the geological past) নামে তার গবেষণার জন্য তাকে পুরাভূগোলের (Paleogeography) জনক বলা যায় (আলম, কে. আশলাফুল-২০১৪)।&amp;lt;ref name=&amp;quot;:0&amp;quot;/&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
=== আমেরিকা ===&lt;br /&gt;
উনিশ শতকের শেষ এবং বিশ শতকের প্রথমভাগের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হচ্ছে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত [[উইলিয়াম মরিস ডেভিস|ভূগোলবিদ উইলিয়াম মরিস ডেভিস]] (W.M. Davis)-এর অবদান। ভূগোলের সাধারণ তত্ত্ব হিসেবে তার প্রদত্ত ‘ভৌগোলিক চক্র’ (geographical cycle) কেবল বিষয় হিসেবে ভূগোলকে তার দেশে প্রতিষ্ঠিত করেনি, বরং প্রাকৃতিক ভূগোলের প্রতিষ্ঠা ও বিকাশের ক্ষেত্রে একটি মহামডেল (paradigm) হিসেবে কাজ করে। ডেভিসের মতানুসারে, সময়ের বিবর্তনে ভূগঠন পর্যায়ক্রমিক পরিবর্তনের মধ্যদিয়ে যায়। (উইলিয়াম মরিস ডেভিসের এ গুরুত্বপূর্ণ কাজের ফলে [[ভূমিরূপবিদ্যা|ভূমিরূপবিজ্ঞান]] (Geomorphology) নামে ভূগোলের একটি নতুন শাখা বিকাশ লাভ করে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রাকৃতিক ভূগোলের প্রকৃতি সময়ের সাথে সাথে পরিবর্তীত হয়েছে। ১৮৫০ থেকে ১৯৫০ সালের মধ্যে জ্ঞানের এ শাখায় চারটি প্রধান ধারণা খুবই জোড়ালোভাবে প্রভাববিস্তার করেছিলো; যথা-&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
(১) &#039;&#039;&#039;সমতাবাদ&#039;&#039;&#039; (Uniformitarianism) : এ তত্ত্ব পৃথিবীর বর্তমান অবস্থর জন্য বিপর্যয় শক্তি (catastrophic force) দায়ী এ ধারণা বাতিল করে দেয়। এর পরিবর্তে ধারণা দেয় যে, অবিরত সমতাসাধনের বিদ্যমান প্রক্রিয়াসমূহ আমাদের গ্রহটির অতীত ও বর্তমান অবস্থার জন্য দায়ী।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
(২) &#039;&#039;&#039;বিবর্তনবাদ&#039;&#039;&#039; (Evolution theory) : চার্লস ডারোউনের বিবর্তনবাদ তত্ত্বে প্রভাবিত হয়ে প্রকৃতিবিজ্ঞানীগণ প্রাকৃতিক প্রপঞ্চের (phenomena) বিভিন্নতার বিবর্তনমূলক ব্যাখ্যা প্রদান শুরু করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
(৩) &#039;&#039;&#039;তথ্যানুসন্ধান ও জরিপ&#039;&#039;&#039; (Exploration and Survey) : ১৯০০ সালের পূর্বে পৃথিবীর বিভিন্ন স্থান আবিষ্কার ও সে সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের জন্য অনুসন্ধান ও জরিপ কাজে প্রাকৃতিক ভূগোলের সকল ক্ষেত্র সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলো। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
(৪) &#039;&#039;&#039;সংরক্ষণ&#039;&#039;&#039; (Conservation) : ১৮৫০ সালের প্রথম দিক থেকে একসময়ের নৈসর্গিক সৌন্দর্যবিশিষ্ট এলাকায় মানবিক উন্নয়নের ফলশ্রুতিতে পরিবেশ সংরক্ষণের চিন্তাভাবনা শুরু হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১৯৫০ সালের পর থেকে দুটি শক্তি প্রাকৃতিক ভূগোলের প্রকৃতি নির্ধারণে ব্যাপকভাবে ভূমিকা রাখে। যথা-&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
(১) &#039;&#039;&#039;সংখ্যাতাত্ত্বিক বিপ্লব&#039;&#039;&#039; (Quantitative Revolution) : এসময়ে প্রাকৃতিক ভূগোলে সংখ্যাতাত্ত্বিক পরিমাপ কেন্দ্রীয় মনোযোগের বিষয়ে পরিণত হয়। মানচিত্রায়ন, মডেলসমূহ, পরিসংখ্যান, গণিত ও প্রকল্প পরীক্ষণ সবকিছু আসে পরিমাপ থেকে। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
(২) &#039;&#039;&#039;মানব-ভূমি সম্পর্ক&#039;&#039;&#039; (Human/Land Relationships) : পরিবেশের ওপর মানুষের কর্মকাণ্ডের প্রভাব ১৯৫০ এর দশকের পর থেকে স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হতে শুরু করে। ফলশ্রুতিতে প্রাকৃতিক ভূগোলের বহু গবেষক পরিবেশের ওপর মানুষের প্রভাবের বিষয়ে সমীক্ষা শুরু করেন (আলম, কে. আশরাফুল-২০১৫)।&amp;lt;ref&amp;gt;{{বই উদ্ধৃতি|শিরোনাম=মৌলিক প্রাকৃতিক ভূগোল|শেষাংশ=আলম|প্রথমাংশ=কে. আশরাফুল|বছর=২০১৫|প্রকাশক=পারফেক্ট পাবলিকেশন্স|অবস্থান=ঢাকা|পাতাসমূহ=|আইএসবিএন=984-70203-0002-1}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
=== প্রাকৃতিক ভূগোলের উপক্ষেত্রসমূহ ===&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পৃথিবী সম্পর্কে তথ্য আহরণের মধ্য দিয়ে ভৌগোলিক জ্ঞানের চর্চা শুরু হয়েছিলো। বর্তমান যুগে মানুষের জ্ঞানের পরিধি এতো ব্যাপক ও বিস্তৃত হয়েছে যে, কোনো একজন ব্যক্তির পক্ষে সমস্ত ভৌগোলিক জ্ঞান আহরণ করা সম্ভব নয়। ফলে দেখা দিয়েছে বিশেষায়নের ঝোঁক। আলেকজান্ডার ফন হামবোল্টের মতো প্রাকৃতিক জগতের বিষয়ে সার্বিক দৃষ্টিভঙ্গি আজকের দিনে বিরল। অষ্টাদশ ও উনবিংশ শতকে ভৌগোলিক জ্ঞানের সন্ধানে উত্তরোত্তর জটিল-কঠিন পদ্ধতি বৃদ্ধির সাথে সাথে বিশেষায়ন অপরিহার্য হয়ে উঠেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিজ্ঞানে বিশেষায়নের প্রয়োজন আছে। প্রথমে সামগ্রিক জ্ঞানকে কতকগুলো বিষয়ে খণ্ড করা হয়, আবার প্রতিটি বিষয়কে কতিপয় বিশেষীকরণে ভাগ করা হয়। এভাবেই বিজ্ঞানের জ্ঞানের পরিধি বিস্তৃতি লাভ করে। বিগত শতকে প্রাকৃতিক ভূগোলের বিভিন্ন বিষয় একটি গুচ্ছ হিসেবে বিকশিত হয়েছে (ব্লিজ-১৯৯৩)।&amp;lt;ref name=&amp;quot;:1&amp;quot;/&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;১. ভূরূপবিজ্ঞান&#039;&#039;&#039; (Geomorphology) : ভূদৃশ্যের ভূগোল ‘ভূরূপবিজ্ঞান’ বা [[ভূমিরূপবিদ্যা|ভূমিরূপবিজ্ঞান]] প্রাকৃতিক ভূগোলের সর্বাপেক্ষা উৎপাদনশীল একটি ক্ষেত্র। মূল ইংরেজি পরিভাষাটি চয়ন করেন জার্মান ভূতত্ত্ববিদ আলবার্ট প্যাঙ্ক (Albert Penck)। গ্রিক তিনটি শব্দ Geo অর্থ পৃথিবী, morph অর্থ গঠন বা আকার এবং logos অর্থ বর্ণনা দিয়ে ভূপৃষ্ঠের গঠনকাঠামো সম্পর্কিত আলোচনার ক্ষেত্রকে বোঝানো হয়েছে। ভূপৃষ্ঠের অবয়বসমূহের উৎপত্তি, বিকাশ, প্রকৃতি এবং এগুলোর উদ্ভবের পশ্চাতে ক্রিয়াশীল কার্যকারণ প্রভৃতির বিজ্ঞানসম্মত পর্যালোচনাই হচ্ছে ভূরূপবিজ্ঞান। ভূরূপবিজ্ঞান হচ্ছে ভূগোলের সেই শাখা, যাতে অভ্যন্তরীণ অবস্থাসহ পৃথিবীর উপরিভাগের ভূদৃশ্য পরিবর্তনকারী প্রাকৃতিক শক্তিগুলোর প্রভাব সম্পর্কে আলোচনা করে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ভূরূপবিজ্ঞানের বিষয়বস্তু মূলত (১) ভূমির বন্ধুরতা বা ভূগঠনের দিক এবং স্কেল, (২) পদ্ধতি- যা ভূপৃষ্ঠের আকৃতি প্রদান করে, এবং (৩) যে দৃষ্টিভঙ্গিতে ভূমিরূপ পর্যালোচনা করা হচ্ছে তার ওপর নির্ভর করে (আলম, ২০১৪)।&amp;lt;ref name=&amp;quot;:0&amp;quot;/&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;২. জলবায়ুবিজ্ঞান&#039;&#039;&#039; (Climatology) : আবহবিদ্যা ও প্রাকৃতিক ভূগোল যৌথভাবে জলবায়ু ও তার বিস্তৃতি আলোচনার জন্য [[জলবায়ুবিদ্যা|জলবায়ুবিজ্ঞান]] গঠন করেছে। জলবায়ুবিজ্ঞান কেবলমাত্র জলবায়ুর শ্রেণিবিভাগ বা বিস্তৃতিই পর্যালোচনা করে না, বৃহত্তরভাবে এটি মানব সমাজের সাথে জলবায়ুর সম্পর্ক, জলবায়ু পরিবর্তন, উদ্ভিজ্জের ধরন, মৃত্তিকা গঠনসহ পরিবেশের বিভিন্ন প্রশ্ন ও অন্তর্ভুক্ত করে। পৃথিবীকে বেষ্টনকারী বায়ুমণ্ডলের উপাদন এবং এদের বৈশিষ্ট্যের বৈজ্ঞানিক পর্যালোচনাই হচ্ছে আবহবিদ্যা ও জলবায়ুবিজ্ঞান। নির্দিষ্ট সময়ে কোনো স্থানের বায়ুমণ্ডলের উপাদানগুলোর সমষ্টিগত অবস্থাকে আবহাওয়া বলে। অপরদিকে, কোনো স্থানের আবহাওয়ার দীর্ঘকালীন গড় অবস্থা পর্যালোচনা করলে যে সাধারণ অবস্থা দেখা যায়, তাকে জলবায়ু বলে। জলবায়ুবিজ্ঞানের তিনটি শাখা রয়েছে। এগুলো হলো : (১) প্রাকৃতিক জলবায়ুবিজ্ঞান, (২) আঞ্চলিক জলবায়ুবিজ্ঞান ও (৩) ফলিত জলবায়ুবিজ্ঞান।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;৩. জীবভূগোল&#039;&#039;&#039; (Biogeography) : জীববিজ্ঞানের দিক থেকে উদ্ভিদবিজ্ঞান, বাস্তুবিদ্যা ও প্রাণিবিজ্ঞান- এ তিনটি উপক্ষেত্র প্রাকৃতিক ভূগোলের সাথে সম্পর্কিত। যখন জীববিজ্ঞান এবং প্রাকৃতিক ভূগোল উপরিস্থাপিত (overlap) হয়, তখন বৃহৎ উপক্ষেত্র জীবভূগোলের সৃষ্টি হয়, কিন্তু সেখানে জীবভূগোল নিজেই বিশেষায়িত। প্রাকৃতিক ভূগোল উদ্ভিদবিদ্যার সমন্বয়ে উদ্ভিদভূগোল গঠন করে এবং প্রাণিবিদ্যার সাথে সমন্বয়ে প্রাণিভূগোল উপক্ষেত্রের সৃষ্টি করে। স্মর্তব্য যে, [[জীবভূগোল]] নিজেই বাস্তুবিদ্যার সংযোজক, যা এই উপক্ষেত্র দুটির মধ্যে অবস্থান করে; বাস্তবে প্রাণিভূগোল ও উদ্ভিদ ভূগোল উভয়েই জীবভূগোলের অন্তর্ভুক্ত। জীবমণ্ডলের পর্যালোচনাই হচ্ছে জীবভূগোল, যাতে প্রাকৃতিক পরিবেশ, মৃত্তিকা, প্রাণী ও উদ্ভিদ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। জীবভূগোল শব্দটি দ্বারা জীববিজ্ঞান ও ভূবিদ্যা উভয়কে একত্রে নির্দেশ করে। অশ্মমণ্ডল, বায়ুমণ্ডল ও বারিমণ্ডলে জীবের বসবাসের উপযোগী অংশ যা জীবমণ্ডল নামে পরিচিত- এর আলোচনার ক্ষেত্রের অন্তর্ভুক্ত। জীবমণ্ডলের জৈব বিষয়গুলো উদ্ভিদবিদ্যা, প্রাণিবিদ্যা, প্রাণ-রসায়ন প্রভৃতি শাখায় পর্যালোচনা করা হলেও জ্ঞানের পৃথক শাখা হিসেবে ভূগোল এর অর্থ ও বিষয়বস্তুর ক্ষেত্রে ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গিতে আলোকপাত করে থাকে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;৪. মৃত্তিকা ভূগোল&#039;&#039;&#039; (Soil Geography) : প্রাকৃতিক ভূগোলের উপক্ষেত্র মৃত্তিকা ভূগোলের সম্পর্ক রয়েছে [[মৃত্তিকা বিজ্ঞান|মৃত্তিকাবিজ্ঞানের]] (Soil Science) বা পেডোলজির (Pedology) সাথে। পেডোলজিস্টরা মৃত্তিকার অভ্যন্তরীণ গুণাবলি এবং মৃত্তিকার গঠন প্রক্রিয়ার ওপর আলোকপাত করে থাকেন। মৃত্তিকা ভূগোলে মৃত্তিকার পারিসরিক ধরন, বিস্তৃতি এবং জলবায়ু, উদ্ভিজ্জ ও মানুষের সাথে সম্পর্কের বিষয় আলোচনা করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;৫. সমুদ্র ভূগোল&#039;&#039;&#039; (Marine Geography) : সমুদ্র ভূগোল সমুদ্রবিজ্ঞানের সাথে গভীরভাবে সম্পর্কিত। প্রকৃতপক্ষে, এটি গঠনে সহায়তাকারী অন্যতম উপাদান যেমন মানবীয়, তেমনি প্রাকৃতিক। যে শাস্ত্রে বারিমণ্ডলের সমীক্ষা করা হয়, তাকে সমুদ্রবিজ্ঞান বলে। এটি বারিমণ্ডলের প্রাকৃতিক ও জৈবিক বিষয়গুলো বর্ণনা করে। সমুদ্রবিজ্ঞান অনেকগুলো উপক্ষেত্রে বিভক্ত। এগুলোর মধ্যে রয়েছে সমুদ্র ভূতত্ত্ব, সমুদ্র ভূরূপবিজ্ঞান, প্রাকৃতিক সমুদ্রবিদ্যা, সমুদ্রের জলের রসায়ন, জৈব সমুদ্রবিদ্যা ইত্যাদি (আলম, ২০১৪)।&amp;lt;ref name=&amp;quot;:0&amp;quot;&amp;gt;{{বই উদ্ধৃতি|শিরোনাম=বৈশ্বিক পরিবেশের প্রাকৃতিক ভূগোল|শেষাংশ=আলম|প্রথমাংশ=কে. আশরাফুল|বছর=2014|প্রকাশক=পারফেক্ট পাবলিকেশন্স|অবস্থান=ঢাকা।|পাতাসমূহ=2-41|আইএসবিএন=984-70203-0017-5}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;5. জ্যোতির্বিজ্ঞান&#039;&#039;&#039; আদি বিজ্ঞানের প্রকৃতি গুগলের নিজস্ব শাখা হলো [[জ্যোতির্বিজ্ঞান]]। ভূগোলের এই শাখায় সৌরমণ্ডল তথা মহাবিশ্বের সমস্ত গ্রহ, [[তারা|নক্ষত্র]], [[কৃষ্ণগহ্বর|ব্ল্যাকহোল]], গ্যালাক্সি সম্পর্কে ভূগোলের শাখায় আলোচনা করা হয়। একটি প্রাকৃতিক ভূগোলের একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ও প্রাচীন শাখা।&lt;br /&gt;
=== প্রাকৃতিক ভূগোলের উদ্দেশ্য ===&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বায়ু, জল, জীব, মৃত্তিকা এবং ভূগঠন প্রাকৃতিক ভূগোল আলোচনার প্রধাণ উদ্দেশ্য এবং মানুষ কর্তৃক ভূপৃষ্ঠে এসবের ব্যবহার সাধারণভাবে  আলোচনা করা হয়। আবার পৃথিবীকে মানুষের সর্বোত্তম ব্যবহারের স্বার্থে বিজ্ঞানীগণ আনুষ্ঠানিকভাবে এগুলোর বিস্তারিত আলোচনা করে থাকেন। প্রাকৃতিক ভূগোল আলোচনার উদ্দেশ্যকে তাদের মাত্রা (dimension) এবং প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য অনুসারে ভাগ করা যায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আমরা যে ভূপৃষ্ঠে বসবাস ও হাঁটাচলা করি, প্রাকৃতিক ভূগোলে ভূপৃষ্ঠ বলতে তারও থেকে বেশি কিছু বোঝায়। ভূপৃষ্ঠ কেবল একটি আয়তন (volume) নয়, বরং এর সাথে মানুষের সম্পর্ক ও অনুভবের দ্বারা একে চিহ্নিত করতে হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ আয়তনের কেন্দ্রে রয়েছে ভূপৃষ্ঠ, যেখানে আমরা বসবাস করি। এরসাথে ভূপৃষ্ঠের ঠিক নিচে ভূত্বকের একটি অংশ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ভূমিরূপ ভূত্বকের পৃষ্ঠকে সজ্জিত করেছে, যা মূলত অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক প্রাকৃতিক শক্তির কর্মকাণ্ডের ফলাফল। ভূপৃষ্ঠের উপরের বায়ুমণ্ডলের কিছু অংশ এ আয়তনের অন্তর্ভুক্ত, যা প্রাকৃতিক ভূগোলে আলোচনা করা হয়। বায়ুমণ্ডলীয় প্রক্রিয়া ও অবস্থা ভূপৃষ্ঠ সংলগ্ন আবহাওয়া ও জলবায়ুকে প্রভাবিত করে। এর মধ্যে ভূপৃষ্ঠের উপর ২০ কিলোমিটার পর্যন্ত বায়ুমণ্ডল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সুতরাং, ভূত্বকের নিচের কিছু অংশ, জল ও স্থলভাগসহ সমগ্র ভূপুৃষ্ঠ এবং এর উপরের প্রায় ২০ কিমি ব্যাপী বায়ুমণ্ডল এ আয়তনের অন্তর্ভুক্ত। বর্তমানে প্রাকৃতিক ভূগোলে স্থলভাগ বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করা হয়। কারণ এটি হাতের কাছে এবং মানুষের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত। যাহোক, খাদ্য, খনিজ, জ্বালানি ইত্যাদির প্রধাণ উৎস এবং ভূপৃষ্ঠে পরিবহনের প্রধাণ মাধ্যম হিসেবে মহাসাগরগুলো ক্রমবর্ধমানহারে মনোযোগ আকর্ষণ করছে। &amp;amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অশ্মমণ্ডল, বায়ুমণ্ডল, বারিমণ্ডল ও জীবমণ্ডলের প্রতিটি পদার্থ কিছুসংখ্যক উপাদান দ্বারা গঠিত। যেমন- বায়ুমণ্ডলকে আবহাওয়া ও জলবায়ুর প্রেক্ষিতে বিবেচনা করা হয়। শিলা, ভূমিরূপ, মৃত্তিকা ইত্যাদি অশ্মমণ্ডলের উপাদান। নদী, হ্রদ, হিমবাহ, বরফাবরণ, মহাসাগর ইত্যাদি বারিমণ্ডলের অংশ এবং উদ্ভিজ্জ ও প্রণী জীবমণ্ডলের অংশ (জেমস, এস. গার্ডনার, ১৯৭৭)।&amp;lt;sup&amp;gt;১০&amp;lt;/sup&amp;gt; প্রকৃতপক্ষে, বিভিন্ন উপাদানের সন্বেয়ে প্রাকৃতিক ভূগোলের অনেক প্রপঞ্চ (phenomenon/ক্রিয়া-প্রক্রিয়া) গঠিত হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রাকৃতিক ভূগোলে এরসব উপাদানগুলোর নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য দ্বারা পৃথিবীর বর্ণনা করা যায়। এগুলো সময়ে বা একস্থান থেকে অন্যস্থানে প্রায়শ পরিবর্তিত হয়ে থাকে। যেমন- তাপমাত্রা, আর্দ্রতা, বর্ষণ, বায়ুপ্রবাহ, বায়ুচাপ হচ্ছে বায়ুমণ্ডীয় চলরাশি বা সূচক, যা কোনো নির্দিষ্ট স্থানের ও সময়ের আবহাওয়া অবস্থা প্রকাশ করে। এদের প্রকৃতি এবং দীর্ঘ সময়কালে এগুলোর পরিবর্তন জলবায়ুর অবস্থা বর্ণনা করে। তাপমাত্রার হ্রাস-বৃদ্ধি, আর্দ্রতা, বায়ুচাপ, বায়ুপ্রবাহ, বর্ষণ ইত্যাদির হ্রাস-বৃদ্ধি ঘটায়। এসব চলরাশি বা সূচক ভৌগোলিক পার্থক্য প্রদর্শন করে, একই সাথে এর দ্বারা জলবায়ু অঞ্চল নির্ধারণ করা যায় (আলম, ২০১৪)।&amp;lt;ref name=&amp;quot;:0&amp;quot;/&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
যখন একটি চলরাশি বা সূচকের পরিবর্তন অপর একটি চলরাশি বা সূচকের পরিবর্তন ঘটায়, তখন উপাদানগুলোর মধ্যে মিথস্ক্রিয়া ঘটে।চলরাশি বা সূচক গুলো কীভাবে একে অপরের ওপর প্রভাববিস্তার করে তা জানা থাকলে প্রপঞ্চ (ক্রিয়া-প্রক্রিয়া) গুলোর পরিবর্তন ও ভৌগোলিক ব্যাখ্যা করা যায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এরূপ মিথস্ক্রিয়া সাধারণত অনেক বেশি জটিল হয়ে থাকে। বাস্তবে অসংখ্য চলরাশি বা সূচক একসাথে মিথস্ক্রিয়া করে। সিস্টেমগুলো বিশ্লেষণের মাধ্যমে এ সম্পর্কগুলোকে মডেলরূপে তৈরি করার প্রয়াস চালানো হয়। প্রাকৃতিক ভূগোলের প্রধাণ উদ্দেশ্য হচ্ছে ভূপৃষ্ঠ বা আয়তনকে বায়ুমণ্ডল, বারিমণ্ডল, অশ্মমণ্ডল, জীবমণ্ডল এবং মানুষের পারস্পরিক মিথস্কিয়াকে একটি পদ্ধতি (system) হিসেবে উপস্থাপন করা (জেমস, এস. গার্ডনার, ১৯৭৭).&amp;lt;ref&amp;gt;{{বই উদ্ধৃতি|শিরোনাম=Gardner, James S. (1977).|শেষাংশ=Gardner|প্রথমাংশ=James S.|বছর=1977|প্রকাশক=Harper&#039;s College Press|অবস্থান=New York|পাতাসমূহ=|আইএসবিএন=}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
=== প্রাকৃতিক ভূগোলের আওতা বা পরিধি ===&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রাকৃতিক ভূগোলের প্রকৃতি বিশ্লেষণ করে বলা যায়, এতে অশ্মমণ্ডল, বারিমণ্ডল, বায়ুমণ্ডল ও জীবমণ্ডল- এ চারটি মণ্ডলের উপাদানগুলোর বৈশিষ্ট্য বিস্তারিতভাবে ও গুরুত্বের সাথে পর্যালোচনা করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
উল্লেখিত চারটি উপাদান সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা লাভের জন্য পৃথিবীর উৎপত্তি, বয়স, ভূঅভ্যন্তরের গঠন এবং সমুদ্রের পর্যঙ্ক প্রভৃতির বৈশিষ্ট্যসমূহ সমীক্ষা করা হয়। ভূআলোড়নের অভ্যন্তরীণ ও বহিঃজ শক্তির অধ্যয়ন, উভয়বিধ শক্তির মিথস্ক্রিয়া এবং এদের ফলাফল সম্পর্কে সম্যক ধারণা প্রদান করে। পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ শক্তি ভূপৃষ্ঠে বিভিন্ন ধরনের উঁচুনিচু ভূমিরূপের সৃষ্টি করে। পক্ষান্তরে, বায়ুমণ্ডল থেকে সৃষ্ট বহিঃজ শক্তি ভূপৃষ্ঠের উঁচু স্থানগুলোকে সমুদ্র সমতলে নামিয়ে আনার কাজে সবসময় ব্যস্ত থাকে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রাকৃতিক ভূগোলে ভূপৃষ্ঠের পর্বতমালা, ভাঁজ, চ্যুতি প্রভৃতি বন্ধুর ভূপ্রকৃতির উৎপত্তি, বৈশিষ্ট্য এবং বিস্তৃতি বিস্তারিতভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়। [[আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের প্রকারভেদ|আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাত]], এদের বিস্তৃতি এবং অগ্ন্যুঃপাতের ফলে সৃষ্ট ভূমিরূপ ও বিপর্যয়, যা উদ্ভিদ ও প্রাণীর ওপর প্রভাববিস্তার করে সে সম্পর্কে ধারণা লাভ করা যায়। বহিঃজ শক্তির দ্বারা (বিচূর্ণীভবন, ক্ষয়ীভবন, নগ্নীভবন) সৃষ্ট ভূপৃষ্ঠের অবয়বগুলোর পর্যালোচনা থেকে ভূমিরূপ পদ্ধতি এবং এর কাজের ধরন (প্রবহমান জলরাশি, ভূগর্ভস্থ জল, সমুদ্র ঢেউ, বায়ুপ্রবাহ, হিমবাহ ইত্যাদি দ্বারা ক্ষয়, বহন ও সঞ্চয় কাজ) সম্পর্কে জানা যায় (আলম, ২০১৪)।&amp;lt;ref name=&amp;quot;:0&amp;quot;/&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বারিমণ্ডলের বৈশিষ্ট্যগুলোর পর্যালোচনায় সমুদ্র তলের বন্ধুরতা, সমুদ্রের জলের তাপমাত্রা, লবণাক্ততা, সমুদ্রের সঞ্চয়, [[জোয়ার-ভাটা]], [[মহাসাগরীয় স্রোত|সমুদ্র স্রোত]], প্রবাল প্রাচীর, এটল ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বায়ুমণ্ডল|বায়ুমণ্ডলীয়]] উপাদানগুলোর পর্যালোচনায় বায়ুমণ্ডলের সংমিশ্রণ, গঠন, উপাদান, জলবায়ু ও আবহাওয়ার নিয়ামক, সৌরতাপ, সৌর বিচ্ছুরণ, তাপসমতা, ভূপৃষ্ঠের তাপ বিকিরণ, বায়ুর চাপ, বায়ুপ্রবাহ, বর্ষণ, বায়ুভর, বায়ুপুঞ্জ, ঘূর্ণিঝড়, [[জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব|জলবায়ু পরিবর্তন]], বৈশ্বিক উষ্ণায়ন, মৃত্তিকা ক্ষয় ও সঞ্চয়ন, পরিবেশ দূষণ, দুর্যোগ ও বিপর্যয় ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, প্রাকৃতিক পরিবেশের ধারাবাহিক পর্যালোচনা একই সাথে মানুষ ও প্রাকৃতিক পরিবেশের আন্তঃক্রিয়ার সম্পর্ক প্রাকৃতিক ভূগোলের সমীক্ষার বিষয়। নিম্নলিখিত কারণে প্রাকৃতিক ভূগোলের পদ্ধতি ও বিষয়বস্তুতে প্রধাণ পরিবর্তনগুলো সূচিত হয়ে থাকে :&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১. &amp;amp;nbsp;প্রাকৃতিক ভূগোল মানুষের কল্যাণে অধিকতর অর্থবহ ও প্রায়োগিক এবং মানবীয় ভূগোলের সাথে গভীরভাবে সম্পৃক্ত। জ্ঞানের শাখা হিসেবে প্রাকৃতিক ভূগোল সংবদ্ধ এবং সমাজের সাথে অধিকতর সম্পর্কিত করার ইচ্ছা সর্বজনীন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২. [[প্রাকৃতিক দুর্যোগ]] ও বিপর্যয়ের প্রতি মানুষের অধিকতর মনোযোগ এবং প্রাকৃতিক পরিবেশের সাথে মানুষের বৈরী আচরণের ফলে পরিবেশগত ভরেসাম্য বিনষ্ঠ এবং প্রতিকারের উপায় অনুসন্ধান।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
৩. বহিরাঙ্গন ও গবেষণাগারে যান্ত্রিকায়ন ও বিভিন্ন ভূমিরূপ পদ্ধতি পরিমাপের ক্রিয়াপদ্ধতি এবং উপাত্তসমূহের গাণিতিক বিশ্লেষণের প্রতি অধিকতর গুরুত্বারোপ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
৪. কতিপয় বিশেষ অবয়ব, যেমন- বাস্তুপদ্ধতি এবং বাস্তুতান্ত্রিক স্থিতিশীলতা ও অস্থিতিশীলতা, জলবিজ্ঞান, প্লেট টেকটোনিক্স ইত্যাদির প্রতি অধিকতর মনোযোগ দেওয়া।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
৫. সাম্প্রতিক সময়ে ম্যাক্রো-টেম্পোরাল (macro-temporal) স্কেলের পরিবর্তে মাইক্রো-টেম্পোরাল (micro-temporal) স্কেল এবং বৃহৎ ম্যাক্রো-স্পেশিয়াল (macro-spatial) স্কেলের পরিবর্তে ক্ষুদ্র মাইক্রো-স্পেশিয়াল (micro-spatial) স্কেল; ভূমিরূপ ও পারিবেশিক (environmental) পদ্ধতির সমীক্ষায় সমাজের সাথে অধিক সম্পর্কযুক্ত পারিবেশিক সমস্যাসমূহ সমাধনের প্রতি অধিক গুরুত্বারোপের প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে (আলম, ২০১৪)।&amp;lt;ref name=&amp;quot;:0&amp;quot;/&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
===প্রাকৃতিক ভূগোলের শাখা===&lt;br /&gt;
&amp;lt;center&amp;gt;&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;ভূগোল অসংখ্য বৃহত্ উপশাখায় বিভক্ত, যাদের মধ্যে রয়েছে:&#039;&#039;&#039;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
:{| style=&amp;quot;border:1px solid #ddd; text-align:center; margin: auto;&amp;quot; cellspacing=&amp;quot;15&amp;quot;&lt;br /&gt;
| [[চিত্র:Línea de Wallace.jpg|96px]] || [[চিত্র:Cyclone Catarina from the ISS on March 26 2004.JPG|96px]] || [[চিত্র:90 mile beach.jpg|96px]] || [[চিত্র:Gavin Plant.JPG|96px]]&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| [[জীবভূগোল]] || [[আবহাওয়াবিদ্যা]] ও [[জলবায়ুবিদ্যা]] || [[উপকূলীয় ভূগোল]] || [[পরিবেশগত ব্যবস্থাপনা]]&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| [[চিত্র:Meridian convergence and spehrical excess.png|96px]] || [[চিত্র:Delicate Arch LaSalle.jpg|96px]] || [[চিত্র:Receding glacier-en.svg|96px]] ||[[চিত্র:Meander-bn.svg|96px]]&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| [[গাণিতিক ভূগোল]] || [[ভূতত্ত্ববিদ্যা]] || [[হিমবাহবিদ্যা]] || [[জলবিদ্যা]] ও [[জলবিজ্ঞান]]&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| [[চিত্র:Khajuraho-landscape.jpg|96px]] || [[চিত্র:World11.jpg|96px]] || [[চিত্র:Soil profile.jpg|96px]] || [[চিত্র:Pangea animation 03.gif|96px]]&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| [[ভূস্থিত বাস্তুসংস্থান]] || [[সমুদ্রবিদ্যা]] || [[মৃত্তিকাবিদ্যা]]|| [[প্রত্নভূগোল]]&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| [[চিত্র:Milankovitch Variations sv.png|96px]]&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| [[কোয়াটার্নারি বিজ্ঞান]]&lt;br /&gt;
|}&lt;br /&gt;
&amp;lt;/center&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
=== মানবীয় ভূগোল ===&lt;br /&gt;
{{মূল নিবন্ধ|মানবীয় ভূগোল}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মানবীয় ভূগোল]] হল ভূগোলের এমন একটি শাখা যা মানব সমাজের আকৃতিগত পদ্ধতি এবং প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করে। এতে [[মানুষ]], তার [[রাজনীতি|রাজনৈতিক]], [[সংস্কৃতি|সাংস্কৃতিক]], [[সমাজ|সামাজিক]], এবং [[অর্থনীতি|আর্থনৈতিক]] দিক নিয়ে পর্যালোচনাভূক্ত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মানবিক ভূগোলে পৃথিবীপৃষ্ঠে মানুষের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের বর্ণনা, স্থানিক পার্থক্য এবং এই পার্থক্যের পেছনে প্রাকৃতিক প্রভাবকের ভূমিকা পর্যালোচনা করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;lt;center&amp;gt;&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;মানবীয় ভূগোলকে অনেকগুলো বিস্তৃত ভাগে ভাগ করা যায়, যেমন:&#039;&#039;&#039;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
:{| style=&amp;quot;border:1px solid #ddd; text-align:center; margin: auto;&amp;quot; cellspacing=&amp;quot;15&amp;quot;&lt;br /&gt;
| [[চিত্র:Qichwa conchucos 01.jpg|96px]] || [[চিত্র:Pepsi in India.jpg|96px]] || [[চিত্র:Christaller model 1.jpg|96px]] || [[চিত্র:Star of life.svg|96px]]&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|[[সাংস্কৃতিক ভূগোল]] || [[উন্নয়ন ভূগোল]]|| [[অর্থনৈতিক ভূগোল]] || [[স্বাস্থ্য ভূগোল]]&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| [[চিত্র:British Empire 1897.jpg|96px]] || [[চিত্র:UN General Assembly.jpg|96px]] || [[চিত্র:Pyramide Comores.PNG|96px]] || [[চিত্র:ReligionSymbol.svg|96px]]&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| [[ঐতিহাসিক ভূগোল]] ও [[কালীক ভূগোল]]|| [[রাজনৈতিক ভূগোল]] ও [[ভৌগোলিকবিদ্যা]]|| [[জনসংখ্যা ভূগোল]] বা [[জনমিতি]]|| [[ধর্ম ভূগোল]]&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| [[চিত্র:US-hoosier-family.jpg|96px]] || [[চিত্র:RERParisVision2025.png|96px]] || [[চিত্র:Shahbazpur Meghna Tourist Spot, Tulatuli, Bhola (26).jpg|96px|]]||[[চিত্র:New-York-Jan2005.jpg|96px]]&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| [[সামাজিক ভূগোল]] || [[পরিবহন ভূগোল]] || [[পর্যটন ভূগোল]]|| [[নগর ভূগোল]]&lt;br /&gt;
|}&lt;br /&gt;
&amp;lt;/center&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কালে কালে মানবীয় ভূগোল গবেষণা করার বিভিন্ন পন্থা উদ্ভাবিত হয়েছে এবং এর অন্তর্ভুক্ত পদ্ধতিগুলো হচ্ছে:&lt;br /&gt;
*[[আচরণিক ভূগোল]]&lt;br /&gt;
*[[নারীবাদী ভূগোল]]&lt;br /&gt;
*[[সংস্কৃতি তত্ত্ব]]&lt;br /&gt;
*[[ভূজ্ঞান]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== শ্রম বিজ্ঞান ==&lt;br /&gt;
=== মানচিত্র অংকনবিদ্যা ===&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== প্রধান কয়েকজন ভূগোলবিদ ==&lt;br /&gt;
{{মূল নিবন্ধ|ভূগোলবিদদের তালিকা}}&lt;br /&gt;
*[[এরাতোস্থেনেস]] বা [[এরাতোস্থেনেস|এরাটোস্থেনিস]] (খ্রিস্টপূর্ব ২৭৬ - ১৯৪ অব্দ) : সর্বপ্রথম &amp;quot;ভূগোল&amp;quot; শব্দটি ব্যবহার করেন ও পৃথিবীর আয়তন নির্ণয় করেন।&lt;br /&gt;
*[[স্ট্রাবো]] (খ্রিষ্টপূর্ব ৬৪/৬৩ -  খ্রিষ্টীয় ২৪ অব্দ) : ভূগোল বিষয়ক প্রথম বিশ্বকোষীয় গ্রন্থ &amp;quot;The Geographica&amp;quot; -এর লেখক।&lt;br /&gt;
*[[টলেমি]] (খ্রিস্টীয় ৯০ - ১৬৮ অব্দ) : &amp;quot;Geographia&amp;quot; নামক গ্রন্থে গ্রীক ও রোমানদের আহরিত জ্ঞানকে সুসঙ্গবদ্ধ করেন।&lt;br /&gt;
*[[আল-ইদ্রিসি]] (১১০০ - ১১৬৫/৬৬) : &amp;quot;নুজহাতুল মুসতাক&amp;quot; গ্রন্থের লেখক।&lt;br /&gt;
*[[জেরারডাস মারকেটর]] (১৫১২ - ১৫৯৪) : অন্যতম প্রধান মানচিত্র অঙ্কনবিদ ও &amp;quot;মার্কেটর অভিক্ষেপ&amp;quot;-এর প্রবর্তক।&lt;br /&gt;
*[[আলেকজান্ডার ফন হুমবোল্‌ড্‌ট্]] (১৭৬৯ - ১৮৫৯) : আধুনিক ভূগোলের জনক বলে গন্য করা হয় ও &amp;quot;জীব-ভূগোল&amp;quot;-এর প্রবর্তক।&lt;br /&gt;
*[[কার্ল রিটার]] (১৭৭৯ – ১৮৫৯) : আধুনিক ভূগোলের জনক বলে গন্য করা হয় ও বার্লিন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভূগোল বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== প্রকাশন ==&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;[[African Geographical Review]]&#039;&#039;&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;[[Geographical Review]]&#039;&#039;&lt;br /&gt;
== আরও দেখুন ==&lt;br /&gt;
*[[জীবভূগোল]]&lt;br /&gt;
*[[মানচিত্রাঙ্কনবিদ্যা]]&lt;br /&gt;
*[[জলবায়ুবিদ্যা]]&lt;br /&gt;
*[[সাংস্কৃতিক ভূগোল]]&lt;br /&gt;
*[[জনসংখ্যাতত্ত্ব]]&lt;br /&gt;
*[[অর্থনৈতিক ভূগোল]]&lt;br /&gt;
*[[ভূগণিত]]&lt;br /&gt;
*[[ভৌগোলিক তথ্য ব্যবস্থা]]&lt;br /&gt;
*[[ভূমিরূপবিদ্যা]]&lt;br /&gt;
*[[হিমবিদ্যা]]&lt;br /&gt;
*[[বিশ্বজনীন অবস্থান-নির্ণায়ক ব্যবস্থা|জিপিএস]]&lt;br /&gt;
*[[ঐতিহাসিক ভূগোল]]&lt;br /&gt;
*[[জলবিজ্ঞান]]&lt;br /&gt;
*[[ভূদৃশ্য বাস্তুশাস্ত্র]]&lt;br /&gt;
*[[সমুদ্রবিজ্ঞান]]&lt;br /&gt;
*[[প্রত্নভূগোল]]&lt;br /&gt;
*[[প্রাকৃতিক মৃত্তিকাবিজ্ঞান]]&lt;br /&gt;
*[[গ্রহসম্পর্কীয় বিজ্ঞান]]&lt;br /&gt;
*[[দূর অনুধাবন]]&lt;br /&gt;
*[[পরিবহন ভূগোল]]&lt;br /&gt;
*[[নগর ভূগোল]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== তথ্যসূত্র ==&lt;br /&gt;
{{সূত্র তালিকা}}&lt;br /&gt;
== বহিঃসংযোগ ==&lt;br /&gt;
{{Subject bar |book=Geography |portal=Geography |commons=yes |wikt=yes |wikt-search=geography |n=yes |q=yes |s=yes |s-search=Portal:Geography |b=yes |b-search=Subject:Geography |v=yes |d=yes |d-search=Q1071}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:ভূগোল]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:মূল বিষয়ের নিবন্ধ]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:ভূবিজ্ঞান]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:সামাজিক বিজ্ঞান]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Protik Sikder</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%AD%E0%A7%82%E0%A6%97%E0%A7%8B%E0%A6%B2&amp;diff=11403</id>
		<title>ভূগোল</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%AD%E0%A7%82%E0%A6%97%E0%A7%8B%E0%A6%B2&amp;diff=11403"/>
		<updated>2025-02-20T07:12:48Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Protik Sikder: /* বহিঃসংযোগ */&lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;[[চিত্র:World map 2004 CIA large 1.7m whitespace removed.jpg|right|thumb|upright=1.2|২০০৪ সালের রাজনৈতিক সীমানাসহ পৃথিবীর প্রাকৃতিক মানচিত্র]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;ভূগোল&#039;&#039;&#039; ({{lang-en|geography}}, যেটি এসেছে [[গ্রীক ভাষা|গ্রীক]] শব্দ “{{lang|el|γεωγραφία}}”, বা, &#039;&#039;geographia&#039;&#039;, থেকে; যার শাব্দিক অর্থ: &amp;quot;&#039;&#039;পৃথিবী সম্পর্কিত বর্ণনা বা আলোচনা&#039;&#039;&amp;quot;&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.etymonline.com/index.php?term=geography|শিরোনাম=Online Etymology Dictionary|শেষাংশ=Harper|প্রথমাংশ=Douglas|তারিখ=|ওয়েবসাইট=Etymonline.com|প্রকাশক=Online Etymology Dictionary|সংগ্রহের-তারিখ=10 November 2016}}&amp;lt;/ref&amp;gt;) হচ্ছে [[বিজ্ঞান|বিজ্ঞানের]] সেই শাখা যেখানে [[পৃথিবী|পৃথিবীর]] ভূমি, এর গঠন বিন্যাস, এর অধিবাসী সম্পর্কিত সমস্ত প্রপঞ্চ (phenomenon / ক্রিয়া-প্রক্রিয়া) সংক্রান্ত বিষয়াদি আলোচিত হয়।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://dictionary.reference.com/browse/geography|শিরোনাম=Geography|শেষাংশ=|প্রথমাংশ=|তারিখ=|প্রকাশক=Houghton Mifflin Company|কর্ম=The American Heritage Dictionary/ of the English Language, Fourth Edition|সংগ্রহের-তারিখ=9 October 2006}}&amp;lt;/ref&amp;gt; এই শব্দটি খ্রিস্টপূর্ব ২য় শতকে গ্রিক জ্ঞানবেত্তা [[এরাতোস্থেনেস|এরাটোসথেনিস]] (২৭৬–১৯৪ খ্রিস্টপূর্ব) প্রথম ব্যবহার করেন।&amp;lt;ref&amp;gt;{{বই উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://books.google.com/books/about/Eratosthenes_Geography.html?id=8peKyWK_SWsC|শিরোনাম=Eratosthenes&#039; Geography|শেষাংশ=Eratosthenes|প্রথমাংশ=|প্রকাশক=[[Princeton University Press]]|বছর=|আইএসবিএন=9780691142678|অবস্থান=|প্রকাশনার-তারিখ=24 January 2010|পাতাসমূহ=|অনুবাদক-শেষাংশ=Roller|অনুবাদক-প্রথমাংশ=Duane W.|উক্তি=|মাধ্যম=}}&amp;lt;/ref&amp;gt; ভূগোলে মানুষের বসবাসের জগৎ ও তার সাথে সম্পর্কিত সমস্ত বিষয় নিয়েই আলোচনা করা হয়ে থাকে। উদাহরণস্বরূপঃ ভৌত ভূগোলে জলবায়ু, ভূমি ও জল নিয়ে গবেষণা করা হয়; [[সাংস্কৃতিক ভূগোল|সাংস্কৃতিক ভূগোলে]] কৃত্রিম, মনুষ্যনির্মিত ধারণা যেমন দেশ, বসতি, যোগাযোগ ব্যবস্থা, পরিবহন, দালান, ও ভৌগোলিক পরিবেশের অন্যান্য পরিবর্তিত রূপ আলোচনা করা হয়। ভূগোলবিদেরা তাদের গবেষণায় অর্থনীতি, ইতিহাস, জীববিজ্ঞান, ভূতত্ত্ব এবং গণিতের সহায়তা নেন।&lt;br /&gt;
সাধারণতঃ প্রায়শই এটিকে [[প্রাকৃতিক ভূগোল]] ও [[মানবীয় ভূগোল]] নামক দুটি প্রধান ভাগে ভাগ করা হয়।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.physicalgeography.net/fundamentals/1b.html|শিরোনাম=CHAPTER 1: Introduction to Physical Geography|শেষাংশ=Pidwirny|প্রথমাংশ=Dr. Michael|শেষাংশ২=Jones|প্রথমাংশ২=Scott|তারিখ=|ওয়েবসাইট=Physicalgeography.net|প্রকাশক=[[University of British Columbia Okanagan]]|সংগ্রহের-তারিখ=10 November 2016}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&amp;lt;ref&amp;gt;{{বই উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://books.google.com/books/about/What_is_Geography.html?id=G_491U8PQFEC|শিরোনাম=What is Geography?|শেষাংশ=Bonnett|প্রথমাংশ=Alastair|প্রকাশক=[[SAGE Publications]]|বছর=|আইএসবিএন=9781849206495|অবস্থান=|প্রকাশনার-তারিখ=16 January 2008|পাতাসমূহ=|উক্তি=|সংগ্রহের-তারিখ=10 November 2016|মাধ্যম=}}&amp;lt;/ref&amp;gt; ভূগোলের চারটি ঐতিহাসিক গবেষণা পদ্ধতি হচ্ছেঃ প্রকৃতি ও মানবজাতি সম্পর্কিত [[স্থানিক বিশ্লেষণ]], স্থান ও অঞ্চল সম্পর্কিত [[এলাকা পঠন]], মানব-ভুমি সম্পর্ক পঠন এবং [[ভূবিজ্ঞান]]।&amp;lt;ref&amp;gt;{{সাময়িকী উদ্ধৃতি|শেষাংশ=Pattinson|প্রথমাংশ=William D.|তারিখ=Summer 1990|শিরোনাম=The Four Traditions of Geography|ইউআরএল=http://www.geog.ucsb.edu/~kclarke/G200B/four_20traditions_20of_20geography.pdf|সাময়িকী=[[Journal of Geography]]|প্রকাশক=[[National Council for Geographic Education]]|প্রকাশনার-তারিখ=1964|খণ্ড=September/October 1990|পাতাসমূহ=202–206|ডিওআই=10.1080/00221349008979196|issn=0022-1341|সংগ্রহের-তারিখ=10 November 2016}}&amp;lt;/ref&amp;gt; ভূগোলকে &amp;quot;পৃথিবী পঠন-বিভাগ&amp;quot; ও &amp;quot;মানুষ এবং [[প্রাকৃতিক বিজ্ঞান|প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের]] মধ্যকার সেতু-বন্ধন&amp;quot; বলেও উল্লেখ করা হয়ে থাকে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রাচীন গ্রিক পণ্ডিত [[এরাতোস্থেনেস|এরাটোসথেনিস]] (২৭৬-১৯৪ খ্রীস্টপূর্ব) পৃথিবীর বর্ণনা অর্থে সর্বপ্রথম এ Geography শব্দটির ব্যবহার করেছিলেন। Geography→Geo (পৃথিবী)+ graphos (বর্ণনা বা বিবরণ) অর্থাৎ Geography শব্দের অর্থ হলো পৃথিবীর বর্ণনা । বাংলা ভাষায় প্রাচীন হিন্দু পুরাণে ব্যবহৃত ভূগোল শব্দটি ‘জিওগ্রাফি’-এর প্রতিশব্দ হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে; যদিও ভূগোল শব্দটি ‘জিওগ্রাফি’ শব্দের মর্মার্থ প্রকাশ করে না। এ ছাড়া বর্তমান জিওগ্রাফির সংজ্ঞা অনুসারে ‘ভূগোল শব্দটি দিয়ে জিওগ্রাফি শব্দটিকে ধারণ করা যায় না। [[বাংলা একাডেমি|বাংলা একাডেমির]] ইংরেজি-বাংলা অভিধানে (তৃতীয় সংস্করণ, ২০১৫) জিওগ্রাফির প্রতিশব্দ ‘ভূগোলবিদ্যা’ বা ‘ভূবিজ্ঞান’ করা হয়েছে, ‘ভূগোল’ নয়। এ কারণে বাংলাভাষা সচেতন অনেক ভূগোলবিদ জিওগ্রাফির প্রতিশব্দ হিসেবে ‘ভূবিদ্যা’ শব্দটির ব্যবহারে অধিক আগ্রহী।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মানচিত্রাঙ্কনবিদ্যা|মানচিত্রাঙ্কনবিদ]] এবং বিভিন্ন স্থানের নাম ও সংখ্যা বিষয়ক অধ্যয়নকারীকে ভূগোলবিদদের সাথে মিলিয়ে ফেলা ঠিক নয়; যদিও অনেক ভূগোলবিদ ভূসংস্থান ও মানচিত্রাঙ্কন বিষয়ে অধ্যয়ন করে থাকেন, তবুও প্রকৃতপক্ষে এটা তাদের মূল বিচরণক্ষেত্র নয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== শাখা সমূহ ==&lt;br /&gt;
ভূগোলের মূল বিষয়বস্তুকে বর্ণনা এবং বিশ্লেষণের সুবিধার্থে:&lt;br /&gt;
# [[প্রাকৃতিক ভূগোল]] এবং&lt;br /&gt;
# [[মানবীয় ভূগোল]] - এই দু&#039;টি শাখায় বিভক্ত করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
=== প্রাকৃতিক ভূগোল ===&lt;br /&gt;
{{মূল নিবন্ধ|প্রাকৃতিক ভূগোল}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রাকৃতিক ভূগোল হলো ভূগোলের সেই অংশ যেখানে পৃথিবীর বিভিন্ন অংশ ও  তাদের গাঠনিক উপাদান নিয়ে আলোচনা করা হয়। এটি মূলত: [[অশ্মমণ্ডল]], [[বারিমণ্ডল]], [[বায়ুমণ্ডল]], [[ভূপৃষ্ঠ]], এবং বৈশ্বয়িক উদ্ভিদ জগৎ এবং প্রাণী জগত ([[জীবমণ্ডল]]) নিয়ে গঠিত এবং তাদের সমস্যা এবং তার সমাধান নিয়ে আলোচনা করে থাকে। প্রাকৃতিক ভূগোলের বিভিন্ন শাখা গুলো নিম্বরুপ:&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
*জ্যোতির্বিদ্যা&lt;br /&gt;
*ভূতত্ত্ববিদ্যা&lt;br /&gt;
*জলবায়ু বিজ্ঞান&lt;br /&gt;
*সমুদ্রবিদ্যা&lt;br /&gt;
*মৃত্তিকা ভূগোল&lt;br /&gt;
*উদ্ভিদবিদ্যা&lt;br /&gt;
*প্রাণীভূগোল&lt;br /&gt;
*পদার্থবিজ্ঞান&#039;&#039;&#039;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
;প্রাকৃতিক ভূগোলের সংজ্ঞা&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[ভূত্বক|ভূত্বকের]] উপরিভাগের ভৌত পরিবেশ এবং এতে কার্যরত বিভিন্ন ভূপ্রাকৃতিক প্রক্রিয়াসমূহ বিজ্ঞানের যে শাখায় সমীক্ষা করা হয়, তাকে প্রাকৃতিক ভূগোল বলে। অধিকাংশ ভূগোলবিদ ভূগোলকে প্রাকৃতিক ও মানবিক নামক দুই শাখায় বিভক্ত করতে আগ্রহী। আবার অনেকে ভূপৃষ্ঠে জীবমণ্ডলের বাস্তুসংস্থানকে উপেক্ষা করা সমীচীন নয় বিধায় ভূগোলকে প্রাকৃতিক, মানবিক ও জীবভূগোল নামক তিন শাখায় বিভক্ত করে থাকেন। বিগত কয়েক দশকে প্রাকৃতিক ভূগোলের সংজ্ঞা, বিষয়বস্তু এবং পঠনপাঠন পদ্ধতিতে ব্যাপক পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। শুরুতে প্রাকৃতিক ভূগোল বলতে কেবল প্রাকৃতিক পরিবেশের (ভূমিবন্ধুরতা, পানি ও বায়ু) অধ্যয়নকে বুঝাতো। যেমন- আর্থার হোমসের  (Arther Holmes, 1960) মতে, ‘পৃথিবী পৃষ্ঠের  বন্ধুরতা, সাগর-মহাসাগর এবং বায়ুমণ্ডলের বিষয়াদি যা নিয়ে প্রাকৃতিক পরিবেশ গঠিত, তার সমীক্ষাই হচ্ছে প্রাকৃতিক ভূগোল। [[কার্ল রিটার|কার্ল রিটারের]] (Carl Ritter, 1779-1859) মতে, ‘প্রাকৃতিক ভূগোল হচ্ছে বিজ্ঞানের সেই শাখা যা পৃথিবীর সমস্ত অবয়ব, বৈচিত্র্য ও সম্পর্কসহ একটি স্বতন্ত্র একক হিসেবে বিবেচনা করে।’ [[রিচার্ড হার্টশোর্ন|হার্টশোর্ন]] বলেন, ‘ভূপৃষ্ঠের পরিবর্তনশীল বৈশিষ্ট্যের সঠিক, সুবিন্যস্ত ও যুক্তিসঙ্গত বর্ণনা ও ব্যাখ্যা প্রদান করা প্রাকৃতিক ভূগোলের কাজ।’&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ দিক থেকে বিবেচনা করলে, প্রাকৃতিক ভূগোল কেবল কতিপয় ভূবিজ্ঞান সম্পর্কিত বিষয়ের একীভবনই নয়, এটি প্রাকৃতিক পরিবেশের সাথে মানুষের কর্মকাণ্ডের আন্তঃক্রিয়ার ধরনও পর্যালোচনা করে। ভূগোলের একটি প্রতিষ্ঠিত শাখা হিসেবে প্রাকৃতিক ভূগোল আঞ্চলিক প্রেক্ষাপটে পারিসরিক (spatial) ধরন এবং ভূপৃষ্ঠের পরিবেশের উপাদানগুলোর পারিসরিক সম্পর্ক সমীক্ষা করে। এ ছাড়াও এটি আঞ্চলিক ধরনের সাথে পারিসরিক সম্পর্কের কারণ, একই সাথে পরিবেশের উপাদানগুলোর পরিবর্তনের কারণও ব্যাখ্যা করে থাকে। এ থেকে বলা যায়, ভূমি, বায়ু, পানি এবং প্রাণী ও উদ্ভিদের জীবনধারণের সহায়ক যে জীবমণ্ডল, তার বিস্তারিত সমীক্ষাই হচ্ছে প্রাকৃতিক ভূগোল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
=== প্রাকৃতিক ভূগোলের বিকাশ ===&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রাকৃতিক বিশ্ব সম্পর্কিত জ্ঞানের আলোচনার ক্ষেত্র বোঝাতে প্রাকৃতিক ভূগোল (geography)শব্দটি ব্যবহার করা হয়। এ ক্ষেত্রটি ভূগোল জ্ঞানের পুরো শাখাটির মতোই প্রাচীন। চিরায়ত গ্রিক যুগে বিজ্ঞানের বিষয় হিসেবে ভূগোলের উৎপত্তি এবং উনবিংশ শতকের শেষভাগে নৃভূগোল (Anthropogeography) বা মানবিক ভূগোলের উৎপত্তির পূর্ব পযর্ন্ত ভূগোল ছিলো মূলত প্রাকৃতিক বিজ্ঞান : অবস্থানের সমীক্ষা ও জ্ঞাত পৃথিবীর সকল স্থানের ধারাবাহিক বর্ণনা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
=== ভারত ===&lt;br /&gt;
প্রাচীন ভারতে ভূগোল তথা ভূবিদ্যা-র আলোচনা পাওয়া যায় বেদ ও প্রাচীন [[:en:Puranas|পুরাণে]]। বেদ-এর লিখিত-রচনা কাল আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব প্রথম সহস্রাব্দের দ্বিতীয় ভাগ। [[:en:Atharvaveda|অথর্ববেদ]]-এ প্রাচীন পুরাণ-এর উৎস সম্পর্কে উল্লেখ পাওয়া যায়। বিদ্বজ্জনদের মতে খ্রিষ্টপূর্ব ১২০০ - ১০০০ অব্দে অথর্ববেদ এর স্তোত্র গুলি রচিত হয়েছিল। প্রাচীন পুরাণের রচয়িতাগণ পৃথিবীকে সাতটি মহাদেশীয় দ্বীপে ভাগ করেছিলেন - জম্বু দ্বীপ, ক্রৌঞ্চ দ্বীপ, কুশ দ্বীপ, প্লক্ষ দ্বীপ, পুষ্কর দ্বীপ, শক দ্বীপ ও শাল্মলী দ্বীপ ও সেই সব দ্বীপের জলবায়ু আর ভূ-প্রকৃতির বিবরণ দিয়েছিলেন। [[:en:Varāhamihira|বরাহমিহির]] পৃথিবীতে জল-এর সৃষ্টি, মেঘ ও বৃষ্টিপাত, মহাজাগতিক গ্রহ সম্পর্কিত বস্তু সমূহের অবস্থান আর সঞ্চারণ পথ সম্পর্কে লিখেছিলেন। প্রখ্যাত গণিতজ্ঞ ও জ্যোতির্বিদ [[আর্যভট্ট]] সেই সময়ে পৃথিবীর পরিধি ২৪৮৩৫ মাইল গণনা করেছিলেন যা প্রকৃত পরিধি থেকে ০.২ % কম ছিল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
=== চীন  ([[:en:History of geography|History of geography]]) ===&lt;br /&gt;
প্রাচীন [[চীন|চীনে]]  ভূবিদ্যা-র আলোচনা পাওয়া যায় খ্রিস্টপূর্ব পঞ্চম শতক থেকে। ভৌগোলিক মানচিত্র গঠিত হত তৎকালীন সাম্রাজ্য সমূহের অবস্থান ও বিস্তৃতি, নদী অববাহিকা, নদীপথ ও বাণিজ্য পথের অবস্থান ইত্যাদি সহ। শুই জিং নামে তৃতীয় শতকের এক অজ্ঞাতনামা লেখকের একটি বই পাওয়া গেছে যেখানে চীনের ১৩৭ টি নদীর তৎকালীন বিবরণ পাওয়া যায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জিয়া ড্যানের (৭৩০ ৮০৫ খ্রিষ্টাব্দ) মতো চীনা ভৌগোলিকের বিভিন্ন বৈদেশিক অঞ্চলের যথাযথ বর্ণনায় সমুদ্রপথে পারস্য উপসাগরের প্রবেশপথের বিবরণ ও মধ্যযুগীয় ইরানীদের দ্বারা সৃষ্ট সমুদ্রমধ্যে আলংকারিক স্তম্ভের কথা আছে যেগুলো আসলে জাহাজদের পথ দেখানোর বাতিঘর ছিল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নবম শতক থেকে দ্বাদশ শতক পর্যন্ত সোঙ সাম্রাজ্য এবং ত্রয়োদশ থেকে ষোড়শ শতক পর্যন্ত মিঙ সাম্রাজ্যের আমলে নিয়মানুগ ভৌগোলিক চর্চা সম্পর্কে জানা যায়। সোঙ সাম্রাজ্যের প্রখ্যাত কবি, পণ্ডিত এবং সরকারি আধিকারিক ফান চেংদা (১১২৬ - ১১৯৩ খ্রিষ্টাব্দ) চীনের দক্ষিণ প্রদেশগুলির বিভিন্ন অঞ্চলের ভূসংস্থান, কৃষি ও আর্থ বাণিজ্যিক পণ্যের উপর ভূ-বিদ্যার সনদ লিখেছিলেন। বহুবিদ্যাজ্ঞ চীনা বৈজ্ঞানিক শেন কুও (১০৩১ - ১০৯৫  খ্রিষ্টাব্দ) দেশের অভ্যন্তরে পাওয়া সামুদ্রিক জীবাশ্ম এবং বাঁশ গাছের এলাকা থেকে বহুদূরে পাওয়া বাঁশ গাছের জীবাশ্ম থেকে ভূমি-র গঠনের উপর আনুমানিক ধারণা সহ বহু গুরুত্বপূর্ণ লেখা লিখে গেছেন। এই সোঙ সাম্রাজ্যের সময়কালে কোরিয়া এবং মধ্যযুগীয় কম্বোডিয়া-ও উপর ভৌগোলিক বিবরণ সমন্বিত বই পাওয়া যায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মিঙ সাম্রাজ্যের ভূগোলবিদ, জু জিয়াকে (১৫৮৭ - ১৬৪১  খ্রিষ্টাব্দ) চীনের বহু প্রদেশে ভ্রমণ করেছিলেন (অনেকসময় পদব্রজে)। তিনি একটি বৃহৎ ভৌগোলিক এবং ভূসংস্থানিক সনদ লিখেছিলেন যেখানে ছোটো ছোটো গিরিখাত, অভ্র ও স্ফটিক মিশ্রিত শ্লেটপাথরের মতো খনি গর্ভের অবস্থান ইত্যাদি তথ্য সংবলিত তার ভ্রমণপথের বিবরণ লিপিবদ্ধ করে গিয়েছেন। চৈনিক লেখাগুলিতে মধ্য প্রাচ্য, ভারতবর্ষ এবং মধ্য এশিয়া-র বিভিন্ন সভ্যতার বর্ণনা আছে যেহেতু খ্রিস্টপূর্ব দ্বিতীয় শতকে পর্যটক ঝ্যাং কিয়ানের সত্যনিষ্ঠ ও গুরুত্বপূর্ণ অভিজ্ঞতা থেকে বৈদেশিক অঞ্চলের ভূসংস্থান ও ভৌগোলিক বিশেষত্ব সম্পর্কিত তথ্য পাওয়া গিয়েছিল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
=== মধ্য এশিয়া এবং ইউরোপ ===&lt;br /&gt;
ঈজিপ্ট ও ব্যাবিলনেও প্রাচীন আলোচনা ছিল [[ভূতত্ত্ব|ভূবিদ্যা]] সম্পর্কে। ইজিপ্ট-এ নীলনদের অববাহিকা, [[ভূমধ্যসাগর]] ও [[পশ্চিম এশিয়া]] পর্যন্ত বিস্তৃত অঞ্চলের মানচিত্র এবং ব্যাবিলনে পৃথিবীর [[মানচিত্র|মানচিত্রের]] অন্যতম প্রাচীন অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া গেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গ্রিক-রোমান যুগে ভূবিদ্যা-র আলোচনা অনেক বিস্তার লাভ করে। অক্ষাংশ-দ্রাঘিমাংশ-উচ্চতা সম্পর্কিত তথ্য, নগর-পরিকল্পনা চিত্র, [[ভূমি জরিপ|ভূমির জরীপ]] ও প্রকারভেদ, নদী-র দৈর্ঘ্য-প্রস্থের পরিমাপ ইত্যাদি বিষয়ে উন্নত অনুশীলন ও ব্যবহারবিধি-র প্রচলন ছিল। আনুমানিক ৪০০ খ্রিষ্টাব্দে রোমে পিউটিন্জার টেবিল হিসাবে পরিচিত এক গোটানো মানচিত্রের সন্ধান পাওয়া গেছে যেখানে রোমান সাম্রাজ্যের মধ্যের সড়কপথগুলি দেখানো আছে এবং রোমান সাম্রাজ্যের বাইরে ব্রিটেন থেকে মধ্য-প্রাচ্য হয়ে [[আফ্রিকা]] এবং তারপর ভারত, শ্রীলঙ্কা, চীন দেশের তখনকার জ্ঞাত অংশ সমূহ নিবদ্ধ আছে। একশোটির ও বেশি চিহ্ন ব্যবহৃত হয়েছিল এই মানচিত্রটি-তে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রাচীন গ্রিক পণ্ডিত ইরাটোসথেনেস (Eratosthenese, 276-194 BC) প্রাকৃতিক ভূগোলের অগ্রপথিক। তিনি এমন এক সময় এ বিষয়ে অবদান রাখেন যখন পণ্ডিতগণ পৃথিবীর আকার ও আকৃতি সম্পর্কেই অনিশ্চিত ছিলেন। মিশরের বিভিন্ন স্থানের দূরত্বের সাথে সূর্যের আলোক রশ্মির পতনকোণের পার্থক্য হিসাব করে পৃথিবীর পরিধি নির্ণয়ের মাধ্যমে ইরাটোসথেনেস প্রাকৃতিক ভূগোলবিদ হিসেবে ইতিহাসের পাতায় চিরস্তায়ী আসন করে নিয়েছেন। এটিই ছিলো বর্তমানে পরিচিত ভূআকৃতিবিদ্যার (Geodesy) প্রথম গবেষণা। ইরাটোসথেনেসের বহু মূল্যবান ভূগোলবিষয়ক কাজের মধ্যে এটি অন্যতম। তিনি মানচিত্রের গুরুত্বের কথা উপলব্ধি করেছিলেন এবং নিজেকে একজন দক্ষ কার্টোগ্রাফার (cartographer) হিসেবে গড়ে তুলেন। যখন পণ্ডিতগণ পৃথিবী গোলাকার না চেপ্টা এ সম্পর্কে বিতর্কে লিপ্ত, তখন ইরাটোসথেনেস গোলাকার পৃথিবীর কোন কোন স্থান সূর্যালোক দ্বারা অপর মণ্ডল অপেক্ষা অধিক উষ্ণ- এ বিষয়টি উপলব্ধি করেন এবং পৃথিবীকে কতিপয় পরিবেশমণ্ডলে বিভক্ত করে মানচিত্র তৈরি করেন। তিনি সিদ্ধান্তে আসেন যে, গোলাকার পৃথিবীতে একটি নিরক্ষীয় বলয়, দুটি মেরু বলয় এবং এদের মাঝে দুটি [[নাতিশীতোষ্ণ জলবায়ু|নাতিশীতোষ্ণ বলয়]] বিদ্যমান রয়েছে। ইরাটোসথেনেসের মৃত্যুর বহু শতাব্দি পর্যন্ত অনেক পণ্ডিত ইরাটোসথেনেসের জ্ঞানকে যথার্থ বলে মেনে নিতে পারেননি (ব্লিজ, ১৯৯৩)।&amp;lt;ref name=&amp;quot;:1&amp;quot;&amp;gt;{{সাময়িকী উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://dx.doi.org/10.1177/030913339401800214|শিরোনাম=Book reviews : De Blij, H.J. and Muller, P.O. 1992: Physical geography of the global environment. Chichester: Wiley. 576 pp. £19.95 paper. ISBN 0 471 55920 2|শেষাংশ=Fielding|প্রথমাংশ=David|তারিখ=1994-06|সাময়িকী=Progress in Physical Geography|খণ্ড=18|সংখ্যা নং=2|পাতাসমূহ=310–311|ডিওআই=10.1177/030913339401800214|issn=0309-1333}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিখ্যাত গ্রিক ঐতিহাসিক [[হিরোডোটাস|হেরোডোটাস]] (Herodotus, 485-424 BC) মিসর ভ্রমণের সময় মিসরকে ‘নীল নদের দান’ বলে মন্তব্য করেন এবং নীল নদের মোহনায় পলি সঞ্চয়ের আকৃতির মাঝে গ্রিক অক্ষর ডেল্টার Δ সাদৃশ্য খুঁজে পান এ ধরনের ভূবৈচিত্র্যকে তিনি ডেল্টা (বাংলায় বদ্বীপ) নামকরণ করেন। খ্রিষ্টপূর্ব ৭৯ অব্দে প্লিনি জুনিয়র (প্লিনি সিনিয়র একজন বিজ্ঞানী ছিলেন) নেপলস উপসাগরে একটি নৌকায় দাঁড়িয়ে ভিসুভিয়াস আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত প্রত্যক্ষ করে যে লিপিবদ্ধ করেছেন, তা সত্যই বিষ্ময়কর। তিনি বর্ণনা করেছেন, আগ্নেয়গিরির উপর ব্যাঙের ছাতার আকৃতির মেঘ কীভাবে ছড়িয়ে পড়েছিলো এবং পম্পেই ও হারকোলিয়াম শহর দুটিকে জীবন্ত কবর দিয়েছিলো। নিরাপদ দূরত্বে দাঁড়িয়ে তিনি যখন আগ্নেয়গিরির ধ্বংসযজ্ঞ দেখছিলেন, তখন তিনি জানতেন না তারই মামা/মায়ের বড় ভাই ([[:en:Pliny the Elder|Pliny The Elder]])(যিনি আবার তারই দত্তক পিতা-ও ছিলেন), ভিসুভিয়াসের লাভাস্রোতে পড়ে মারা যাচ্ছেন, স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্ধারের চেষ্টা করতে গিয়ে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পরিতাপের বিষয় হচ্ছে, প্রাচীন ভূগোলবিদদের অধিকাংশ রচনা কালের গর্ভে হারিয়ে গেছে। প্রাচীন গ্রিক ও রোমান পণ্ডিতদের সামান্য কিছু রচনা যা আমাদের পর্যন্ত এসেছে তা থেকে আমরা জাতে পারি, তখনকার নদীগুলো কত প্রশস্ত আর কত খরস্রোতা ছিলো, বর্তমানে ঘুমিয়ে আছে এরূপ কিছু আগ্নেয়গিরির কর্মকাণ্ড এবং তৎকালীন কিছু উদ্ভিদের কথা, যা বর্তমানে সেসব স্থান থেকে হারিয়ে গেছে। রোমান যুগের অবসানে ইউরোপে দীর্ঘ সময়ব্যাপী অন্ধকার যুগের শুরু হয়। মধ্যযুগে ভূগোল চর্চার দীপশিখা জ্বালিয়ে রেখেছিলো আরব অঞ্চলের মুসলিম এবং চৈনিক পণ্ডিতরা। মধ্যযুগে যুদ্ধ, আগুন এবং অবহেলার কারণে প্রাচীন অনেক মূল্যবান বই, মানচিত্র, রচনা চিরতরে হারিয়ে গেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পঞ্চদশ শতকে ইউরোপীয়দের সামুদ্রিক অভিযান এবং ব্যাপক আবিষ্কারের যুগে প্রাকৃতিক ভূগোলের পুনর্জাগরণ ঘটে। পর্তুগিজরা আফ্রিকার উপকূল ঘুরে এশিয়ার পূর্বপ্রান্তে এবং কলম্বাস আটলান্টিক পাড়ি দিয়ে ফিরে এসে জানায় পশ্চিমের ভূখণ্ডের কথা। মানচিত্রাঙ্কনবিদগণ সংগ্রহকৃত জ্ঞানের ভিত্তিতে সঠিক মানচিত্র তৈরি করতে শুরু করেন। নতুন আবিষ্কৃত দেশগুলো সম্পর্কে ইউরোপের শহরগুলোতে কখন বড় বড় নদী, বরফাবৃত সুউচ্চ পর্বতমালা, বোনো উপকূল, বিস্তীর্ণ সমতলভূমি, ভয়াল ভৃগুতট, সুউচ্চ বৃক্ষপূর্ণ গভীর বনভূমি, অদ্ভুত ও ভয়ঙ্কর বন্যপ্রাণি এবং অজানা সব মানুষের কথা প্রচার হতে শুরু করে। ইউরোপীয় অভিযাত্রী ও ভাগ্যন্বেষীরা সোনা ও অন্যান্য মূল্যবান খনিজসম্পদ নিয়ে ফিরে আসেন। ভৌগোলিক জ্ঞান সম্পদ লাভের চাবিকাঠিতে পরিণত হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইউরোপীয়রা যখন বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে তাদের স্থাপিত উপনিবেশগুলোতে সম্পদ লুণ্ঠনের জন্য দিগ্বিদিক জ্ঞানশূন্য হয়ে নতুন ভূখণ্ডের সন্ধানে ছুটে চলছে, তখন কিছুসংখ্যক বিজ্ঞানী প্রাপ্ত নতুন নতুন তথ্যগুলো যাচাইয়ের জন্য ভ্রমণে বের হন। আলেকজান্ডার ফন হামবোল্ট তাদের মধ্যে অন্যতম, যিনি সম্পদ নয়- জ্ঞান আহরণের জন্য নতুন মহাদেশ আমেরিকায় পাড়ি জমিয়ছিলেন। তিনি দক্ষিণ আমেরিকার উত্তরাংশের ওরিনোকো নদী পর্যন্ত প্রায় তিন হাজার কিলোমিটার পথ পাড়ি দেন এবং ইকোয়েডর, পেরুতে মাঠজরিপ করেন। ১৮০৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার পূর্বে তিনি কিউবা ভ্রমণ করেন এবং মেক্সিকো পাগড় দেন। পরবর্তীতে তিনি সােইবেরিয়াসহ রাশিয়ার বিস্তীর্ণ অঞ্চল ভ্রমণ করেন। পরবর্তীতে প্যারিসে স্থায়ী হয়ে তিনি আমেরিকা ভ্রমণের ওপর ৩০টি বই লেখেন এবং উনিশ শতকের বংশগতিসংক্রান্ত সেরা বৈজ্ঞানিক গ্রন্থ হিবে পরিচিত ছয় খণ্ডের ‘কসমস’ সিরিজটি প্রকাশ করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
হামবোল্টের রচনা থেকে আমরা তার সময়ের প্রাকৃতিক ভূগোলের রাজ্য সম্পর্কে জানতে পারি। এটি প্রমাণিত হয় যে, প্রাকৃতিক ভূগোল কেবলমাত্র পৃথিবীর পৃষ্ঠসম্পর্কিত বিষয়াদিই অধ্যয়ন করে না, এটি এখন মৃত্তিকা, উদ্ভিজ্জ, প্রাণী, সমুদ্র এবং বায়ুমণ্ডল প্রভৃতিকে অন্তর্ভুক্ত করে সমীক্ষা করে। যদিও ‘ফিজিক্যাল জিওগ্রাফি’ শব্দটি সর্বজনীনভাবে গৃহীত হয়েছে, তথাপি ব্যাপক বিস্তৃত ক্ষেত্রের জন্য এর নাম ‘ন্যাচারাল জিওগ্রাফি’ হলেই অধিক মানানসই হতো।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
=== রাশিয়া ===&lt;br /&gt;
প্রাকৃতিক ভূগোলের উন্নয়নে তৎকালীন সম্পদশালী রাশিয়ার জারগণ (সম্রাটগণ) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। অষ্টাদশ শতাব্দির মদ্যভাগে রাশিয়ার শাসকরা অনেক ভূগোলবিদকে মেরুপ্রদেশীয় সাইবেরিয়ার বিভিন্ন সম্ভাব্যতা জরিপের জন্য প্রেরণ করেছিলেন। রাশিয়ান ভূগোলবিদগণের মধ্যে মিখাইল লমোনোসোভ (Mikhail Lomonosov, 1711-1765)-কে প্রধান হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তিনি সাইবেরিয়ার গবেষণায় নেতৃত্ব দেন। তার নেতৃত্বে পরিচালিত গবেষণার উল্লেখযোগ্য অবদানগুলো হচ্ছে- মৃত্তিকার জৈবিক উৎস উদ্‌ঘাটন, বরফখণ্ড বিচলনের একটি সমন্বিত নতির বিকাশসাধন, যা অদ্যাবধি মৌলিক হিসেবে বিবেচিত এবং তদানুযায়ী হিমবিজ্ঞান (Glaciology) নামে ভূগোলের একটি নতুন শাখার গোড়াপত্তন। লমোনোসোভের পথ ধরে উনবিংশ শতকে রাশিয়ার ভাসিলিভিচ ডকোচেভ (Vasily Vasili&#039;evich Dokuchaev, 1846 –1903)-এর মতো বিখ্যাত ভূগোলবিদের জন্ম হয়। তিনি ‘ভূখণ্ড বা অঞ্চলের সমন্বিত নীতি’ (principle of comprehensive analysis of the territory) এবং রাশিয়ান শেরনোজেম (Russian Chernozem)-এর ওপর অবদান রাখেন, যা পরবর্তী সময়ে সহজে চিহ্নিতকরণযোগ্য ভূত্বকীয় স্তর মৃত্তিকা সম্পর্কে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভৌগোলিক ধারণার সাথে পরিচিত করে| তিনি প্রথম মৃত্তিকার শ্রেণিবিন্যাস এবং মৃত্তিকা গঠনের পাঁচটি উপাদান চিহ্নিত করেন। এভাবে নতুন ভৌগোলিক সমীক্ষার ক্ষেত্র হিসেবে মৃত্তিকাবিজ্ঞান (Pedology) প্রতিষ্ঠিত হয়। একারণে ভিসিলি ডকোচেভকে মৃত্তিকাবিজ্ঞানের জনক বলা হয়। রাশিয়ান পণ্ডিতদের অবদানে জলবায়ুবিজ্ঞানও ব্যাপকভাবে সমৃদ্ধ হয়। রাশিয়ার জলবায়ুবিজ্ঞানীদের মধ্যে জার্মান বংশোদ্ভুত ভ্লাদিমির কোপেন (Wladimir Köppen) &amp;amp;nbsp;সকলের অগ্রগণ্য। তিনি বিশ্বের জলবায়ু অঞ্চলের শ্রেণিবিভাগ করেন, যা আজও সঠিক হিসেবে সমাদৃত। যাহোক, এ মহান ভূগোলবিদ তার কাজের মাধ্যমে পুরাজলবায়ুবিজ্ঞানে (Paleoclimatology) অবদান রাখেন। ‘ভূতাত্ত্বিক অতীতের জলবায়ু’ (The climates of the geological past) নামে তার গবেষণার জন্য তাকে পুরাভূগোলের (Paleogeography) জনক বলা যায় (আলম, কে. আশলাফুল-২০১৪)।&amp;lt;ref name=&amp;quot;:0&amp;quot;/&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
=== আমেরিকা ===&lt;br /&gt;
উনিশ শতকের শেষ এবং বিশ শতকের প্রথমভাগের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হচ্ছে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত [[উইলিয়াম মরিস ডেভিস|ভূগোলবিদ উইলিয়াম মরিস ডেভিস]] (W.M. Davis)-এর অবদান। ভূগোলের সাধারণ তত্ত্ব হিসেবে তার প্রদত্ত ‘ভৌগোলিক চক্র’ (geographical cycle) কেবল বিষয় হিসেবে ভূগোলকে তার দেশে প্রতিষ্ঠিত করেনি, বরং প্রাকৃতিক ভূগোলের প্রতিষ্ঠা ও বিকাশের ক্ষেত্রে একটি মহামডেল (paradigm) হিসেবে কাজ করে। ডেভিসের মতানুসারে, সময়ের বিবর্তনে ভূগঠন পর্যায়ক্রমিক পরিবর্তনের মধ্যদিয়ে যায়। (উইলিয়াম মরিস ডেভিসের এ গুরুত্বপূর্ণ কাজের ফলে [[ভূমিরূপবিদ্যা|ভূমিরূপবিজ্ঞান]] (Geomorphology) নামে ভূগোলের একটি নতুন শাখা বিকাশ লাভ করে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রাকৃতিক ভূগোলের প্রকৃতি সময়ের সাথে সাথে পরিবর্তীত হয়েছে। ১৮৫০ থেকে ১৯৫০ সালের মধ্যে জ্ঞানের এ শাখায় চারটি প্রধান ধারণা খুবই জোড়ালোভাবে প্রভাববিস্তার করেছিলো; যথা-&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
(১) &#039;&#039;&#039;সমতাবাদ&#039;&#039;&#039; (Uniformitarianism) : এ তত্ত্ব পৃথিবীর বর্তমান অবস্থর জন্য বিপর্যয় শক্তি (catastrophic force) দায়ী এ ধারণা বাতিল করে দেয়। এর পরিবর্তে ধারণা দেয় যে, অবিরত সমতাসাধনের বিদ্যমান প্রক্রিয়াসমূহ আমাদের গ্রহটির অতীত ও বর্তমান অবস্থার জন্য দায়ী।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
(২) &#039;&#039;&#039;বিবর্তনবাদ&#039;&#039;&#039; (Evolution theory) : চার্লস ডারোউনের বিবর্তনবাদ তত্ত্বে প্রভাবিত হয়ে প্রকৃতিবিজ্ঞানীগণ প্রাকৃতিক প্রপঞ্চের (phenomena) বিভিন্নতার বিবর্তনমূলক ব্যাখ্যা প্রদান শুরু করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
(৩) &#039;&#039;&#039;তথ্যানুসন্ধান ও জরিপ&#039;&#039;&#039; (Exploration and Survey) : ১৯০০ সালের পূর্বে পৃথিবীর বিভিন্ন স্থান আবিষ্কার ও সে সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের জন্য অনুসন্ধান ও জরিপ কাজে প্রাকৃতিক ভূগোলের সকল ক্ষেত্র সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলো। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
(৪) &#039;&#039;&#039;সংরক্ষণ&#039;&#039;&#039; (Conservation) : ১৮৫০ সালের প্রথম দিক থেকে একসময়ের নৈসর্গিক সৌন্দর্যবিশিষ্ট এলাকায় মানবিক উন্নয়নের ফলশ্রুতিতে পরিবেশ সংরক্ষণের চিন্তাভাবনা শুরু হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১৯৫০ সালের পর থেকে দুটি শক্তি প্রাকৃতিক ভূগোলের প্রকৃতি নির্ধারণে ব্যাপকভাবে ভূমিকা রাখে। যথা-&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
(১) &#039;&#039;&#039;সংখ্যাতাত্ত্বিক বিপ্লব&#039;&#039;&#039; (Quantitative Revolution) : এসময়ে প্রাকৃতিক ভূগোলে সংখ্যাতাত্ত্বিক পরিমাপ কেন্দ্রীয় মনোযোগের বিষয়ে পরিণত হয়। মানচিত্রায়ন, মডেলসমূহ, পরিসংখ্যান, গণিত ও প্রকল্প পরীক্ষণ সবকিছু আসে পরিমাপ থেকে। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
(২) &#039;&#039;&#039;মানব-ভূমি সম্পর্ক&#039;&#039;&#039; (Human/Land Relationships) : পরিবেশের ওপর মানুষের কর্মকাণ্ডের প্রভাব ১৯৫০ এর দশকের পর থেকে স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হতে শুরু করে। ফলশ্রুতিতে প্রাকৃতিক ভূগোলের বহু গবেষক পরিবেশের ওপর মানুষের প্রভাবের বিষয়ে সমীক্ষা শুরু করেন (আলম, কে. আশরাফুল-২০১৫)।&amp;lt;ref&amp;gt;{{বই উদ্ধৃতি|শিরোনাম=মৌলিক প্রাকৃতিক ভূগোল|শেষাংশ=আলম|প্রথমাংশ=কে. আশরাফুল|বছর=২০১৫|প্রকাশক=পারফেক্ট পাবলিকেশন্স|অবস্থান=ঢাকা|পাতাসমূহ=|আইএসবিএন=984-70203-0002-1}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
=== প্রাকৃতিক ভূগোলের উপক্ষেত্রসমূহ ===&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পৃথিবী সম্পর্কে তথ্য আহরণের মধ্য দিয়ে ভৌগোলিক জ্ঞানের চর্চা শুরু হয়েছিলো। বর্তমান যুগে মানুষের জ্ঞানের পরিধি এতো ব্যাপক ও বিস্তৃত হয়েছে যে, কোনো একজন ব্যক্তির পক্ষে সমস্ত ভৌগোলিক জ্ঞান আহরণ করা সম্ভব নয়। ফলে দেখা দিয়েছে বিশেষায়নের ঝোঁক। আলেকজান্ডার ফন হামবোল্টের মতো প্রাকৃতিক জগতের বিষয়ে সার্বিক দৃষ্টিভঙ্গি আজকের দিনে বিরল। অষ্টাদশ ও উনবিংশ শতকে ভৌগোলিক জ্ঞানের সন্ধানে উত্তরোত্তর জটিল-কঠিন পদ্ধতি বৃদ্ধির সাথে সাথে বিশেষায়ন অপরিহার্য হয়ে উঠেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিজ্ঞানে বিশেষায়নের প্রয়োজন আছে। প্রথমে সামগ্রিক জ্ঞানকে কতকগুলো বিষয়ে খণ্ড করা হয়, আবার প্রতিটি বিষয়কে কতিপয় বিশেষীকরণে ভাগ করা হয়। এভাবেই বিজ্ঞানের জ্ঞানের পরিধি বিস্তৃতি লাভ করে। বিগত শতকে প্রাকৃতিক ভূগোলের বিভিন্ন বিষয় একটি গুচ্ছ হিসেবে বিকশিত হয়েছে (ব্লিজ-১৯৯৩)।&amp;lt;ref name=&amp;quot;:1&amp;quot;/&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;১. ভূরূপবিজ্ঞান&#039;&#039;&#039; (Geomorphology) : ভূদৃশ্যের ভূগোল ‘ভূরূপবিজ্ঞান’ বা [[ভূমিরূপবিদ্যা|ভূমিরূপবিজ্ঞান]] প্রাকৃতিক ভূগোলের সর্বাপেক্ষা উৎপাদনশীল একটি ক্ষেত্র। মূল ইংরেজি পরিভাষাটি চয়ন করেন জার্মান ভূতত্ত্ববিদ আলবার্ট প্যাঙ্ক (Albert Penck)। গ্রিক তিনটি শব্দ Geo অর্থ পৃথিবী, morph অর্থ গঠন বা আকার এবং logos অর্থ বর্ণনা দিয়ে ভূপৃষ্ঠের গঠনকাঠামো সম্পর্কিত আলোচনার ক্ষেত্রকে বোঝানো হয়েছে। ভূপৃষ্ঠের অবয়বসমূহের উৎপত্তি, বিকাশ, প্রকৃতি এবং এগুলোর উদ্ভবের পশ্চাতে ক্রিয়াশীল কার্যকারণ প্রভৃতির বিজ্ঞানসম্মত পর্যালোচনাই হচ্ছে ভূরূপবিজ্ঞান। ভূরূপবিজ্ঞান হচ্ছে ভূগোলের সেই শাখা, যাতে অভ্যন্তরীণ অবস্থাসহ পৃথিবীর উপরিভাগের ভূদৃশ্য পরিবর্তনকারী প্রাকৃতিক শক্তিগুলোর প্রভাব সম্পর্কে আলোচনা করে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ভূরূপবিজ্ঞানের বিষয়বস্তু মূলত (১) ভূমির বন্ধুরতা বা ভূগঠনের দিক এবং স্কেল, (২) পদ্ধতি- যা ভূপৃষ্ঠের আকৃতি প্রদান করে, এবং (৩) যে দৃষ্টিভঙ্গিতে ভূমিরূপ পর্যালোচনা করা হচ্ছে তার ওপর নির্ভর করে (আলম, ২০১৪)।&amp;lt;ref name=&amp;quot;:0&amp;quot;/&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;২. জলবায়ুবিজ্ঞান&#039;&#039;&#039; (Climatology) : আবহবিদ্যা ও প্রাকৃতিক ভূগোল যৌথভাবে জলবায়ু ও তার বিস্তৃতি আলোচনার জন্য [[জলবায়ুবিদ্যা|জলবায়ুবিজ্ঞান]] গঠন করেছে। জলবায়ুবিজ্ঞান কেবলমাত্র জলবায়ুর শ্রেণিবিভাগ বা বিস্তৃতিই পর্যালোচনা করে না, বৃহত্তরভাবে এটি মানব সমাজের সাথে জলবায়ুর সম্পর্ক, জলবায়ু পরিবর্তন, উদ্ভিজ্জের ধরন, মৃত্তিকা গঠনসহ পরিবেশের বিভিন্ন প্রশ্ন ও অন্তর্ভুক্ত করে। পৃথিবীকে বেষ্টনকারী বায়ুমণ্ডলের উপাদন এবং এদের বৈশিষ্ট্যের বৈজ্ঞানিক পর্যালোচনাই হচ্ছে আবহবিদ্যা ও জলবায়ুবিজ্ঞান। নির্দিষ্ট সময়ে কোনো স্থানের বায়ুমণ্ডলের উপাদানগুলোর সমষ্টিগত অবস্থাকে আবহাওয়া বলে। অপরদিকে, কোনো স্থানের আবহাওয়ার দীর্ঘকালীন গড় অবস্থা পর্যালোচনা করলে যে সাধারণ অবস্থা দেখা যায়, তাকে জলবায়ু বলে। জলবায়ুবিজ্ঞানের তিনটি শাখা রয়েছে। এগুলো হলো : (১) প্রাকৃতিক জলবায়ুবিজ্ঞান, (২) আঞ্চলিক জলবায়ুবিজ্ঞান ও (৩) ফলিত জলবায়ুবিজ্ঞান।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;৩. জীবভূগোল&#039;&#039;&#039; (Biogeography) : জীববিজ্ঞানের দিক থেকে উদ্ভিদবিজ্ঞান, বাস্তুবিদ্যা ও প্রাণিবিজ্ঞান- এ তিনটি উপক্ষেত্র প্রাকৃতিক ভূগোলের সাথে সম্পর্কিত। যখন জীববিজ্ঞান এবং প্রাকৃতিক ভূগোল উপরিস্থাপিত (overlap) হয়, তখন বৃহৎ উপক্ষেত্র জীবভূগোলের সৃষ্টি হয়, কিন্তু সেখানে জীবভূগোল নিজেই বিশেষায়িত। প্রাকৃতিক ভূগোল উদ্ভিদবিদ্যার সমন্বয়ে উদ্ভিদভূগোল গঠন করে এবং প্রাণিবিদ্যার সাথে সমন্বয়ে প্রাণিভূগোল উপক্ষেত্রের সৃষ্টি করে। স্মর্তব্য যে, [[জীবভূগোল]] নিজেই বাস্তুবিদ্যার সংযোজক, যা এই উপক্ষেত্র দুটির মধ্যে অবস্থান করে; বাস্তবে প্রাণিভূগোল ও উদ্ভিদ ভূগোল উভয়েই জীবভূগোলের অন্তর্ভুক্ত। জীবমণ্ডলের পর্যালোচনাই হচ্ছে জীবভূগোল, যাতে প্রাকৃতিক পরিবেশ, মৃত্তিকা, প্রাণী ও উদ্ভিদ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। জীবভূগোল শব্দটি দ্বারা জীববিজ্ঞান ও ভূবিদ্যা উভয়কে একত্রে নির্দেশ করে। অশ্মমণ্ডল, বায়ুমণ্ডল ও বারিমণ্ডলে জীবের বসবাসের উপযোগী অংশ যা জীবমণ্ডল নামে পরিচিত- এর আলোচনার ক্ষেত্রের অন্তর্ভুক্ত। জীবমণ্ডলের জৈব বিষয়গুলো উদ্ভিদবিদ্যা, প্রাণিবিদ্যা, প্রাণ-রসায়ন প্রভৃতি শাখায় পর্যালোচনা করা হলেও জ্ঞানের পৃথক শাখা হিসেবে ভূগোল এর অর্থ ও বিষয়বস্তুর ক্ষেত্রে ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গিতে আলোকপাত করে থাকে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;৪. মৃত্তিকা ভূগোল&#039;&#039;&#039; (Soil Geography) : প্রাকৃতিক ভূগোলের উপক্ষেত্র মৃত্তিকা ভূগোলের সম্পর্ক রয়েছে [[মৃত্তিকা বিজ্ঞান|মৃত্তিকাবিজ্ঞানের]] (Soil Science) বা পেডোলজির (Pedology) সাথে। পেডোলজিস্টরা মৃত্তিকার অভ্যন্তরীণ গুণাবলি এবং মৃত্তিকার গঠন প্রক্রিয়ার ওপর আলোকপাত করে থাকেন। মৃত্তিকা ভূগোলে মৃত্তিকার পারিসরিক ধরন, বিস্তৃতি এবং জলবায়ু, উদ্ভিজ্জ ও মানুষের সাথে সম্পর্কের বিষয় আলোচনা করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;৫. সমুদ্র ভূগোল&#039;&#039;&#039; (Marine Geography) : সমুদ্র ভূগোল সমুদ্রবিজ্ঞানের সাথে গভীরভাবে সম্পর্কিত। প্রকৃতপক্ষে, এটি গঠনে সহায়তাকারী অন্যতম উপাদান যেমন মানবীয়, তেমনি প্রাকৃতিক। যে শাস্ত্রে বারিমণ্ডলের সমীক্ষা করা হয়, তাকে সমুদ্রবিজ্ঞান বলে। এটি বারিমণ্ডলের প্রাকৃতিক ও জৈবিক বিষয়গুলো বর্ণনা করে। সমুদ্রবিজ্ঞান অনেকগুলো উপক্ষেত্রে বিভক্ত। এগুলোর মধ্যে রয়েছে সমুদ্র ভূতত্ত্ব, সমুদ্র ভূরূপবিজ্ঞান, প্রাকৃতিক সমুদ্রবিদ্যা, সমুদ্রের জলের রসায়ন, জৈব সমুদ্রবিদ্যা ইত্যাদি (আলম, ২০১৪)।&amp;lt;ref name=&amp;quot;:0&amp;quot;&amp;gt;{{বই উদ্ধৃতি|শিরোনাম=বৈশ্বিক পরিবেশের প্রাকৃতিক ভূগোল|শেষাংশ=আলম|প্রথমাংশ=কে. আশরাফুল|বছর=2014|প্রকাশক=পারফেক্ট পাবলিকেশন্স|অবস্থান=ঢাকা।|পাতাসমূহ=2-41|আইএসবিএন=984-70203-0017-5}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;5. জ্যোতির্বিজ্ঞান&#039;&#039;&#039; আদি বিজ্ঞানের প্রকৃতি গুগলের নিজস্ব শাখা হলো [[জ্যোতির্বিজ্ঞান]]। ভূগোলের এই শাখায় সৌরমণ্ডল তথা মহাবিশ্বের সমস্ত গ্রহ, [[তারা|নক্ষত্র]], [[কৃষ্ণগহ্বর|ব্ল্যাকহোল]], গ্যালাক্সি সম্পর্কে ভূগোলের শাখায় আলোচনা করা হয়। একটি প্রাকৃতিক ভূগোলের একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ও প্রাচীন শাখা।&lt;br /&gt;
=== প্রাকৃতিক ভূগোলের উদ্দেশ্য ===&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বায়ু, জল, জীব, মৃত্তিকা এবং ভূগঠন প্রাকৃতিক ভূগোল আলোচনার প্রধাণ উদ্দেশ্য এবং মানুষ কর্তৃক ভূপৃষ্ঠে এসবের ব্যবহার সাধারণভাবে  আলোচনা করা হয়। আবার পৃথিবীকে মানুষের সর্বোত্তম ব্যবহারের স্বার্থে বিজ্ঞানীগণ আনুষ্ঠানিকভাবে এগুলোর বিস্তারিত আলোচনা করে থাকেন। প্রাকৃতিক ভূগোল আলোচনার উদ্দেশ্যকে তাদের মাত্রা (dimension) এবং প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য অনুসারে ভাগ করা যায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আমরা যে ভূপৃষ্ঠে বসবাস ও হাঁটাচলা করি, প্রাকৃতিক ভূগোলে ভূপৃষ্ঠ বলতে তারও থেকে বেশি কিছু বোঝায়। ভূপৃষ্ঠ কেবল একটি আয়তন (volume) নয়, বরং এর সাথে মানুষের সম্পর্ক ও অনুভবের দ্বারা একে চিহ্নিত করতে হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ আয়তনের কেন্দ্রে রয়েছে ভূপৃষ্ঠ, যেখানে আমরা বসবাস করি। এরসাথে ভূপৃষ্ঠের ঠিক নিচে ভূত্বকের একটি অংশ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ভূমিরূপ ভূত্বকের পৃষ্ঠকে সজ্জিত করেছে, যা মূলত অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক প্রাকৃতিক শক্তির কর্মকাণ্ডের ফলাফল। ভূপৃষ্ঠের উপরের বায়ুমণ্ডলের কিছু অংশ এ আয়তনের অন্তর্ভুক্ত, যা প্রাকৃতিক ভূগোলে আলোচনা করা হয়। বায়ুমণ্ডলীয় প্রক্রিয়া ও অবস্থা ভূপৃষ্ঠ সংলগ্ন আবহাওয়া ও জলবায়ুকে প্রভাবিত করে। এর মধ্যে ভূপৃষ্ঠের উপর ২০ কিলোমিটার পর্যন্ত বায়ুমণ্ডল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সুতরাং, ভূত্বকের নিচের কিছু অংশ, জল ও স্থলভাগসহ সমগ্র ভূপুৃষ্ঠ এবং এর উপরের প্রায় ২০ কিমি ব্যাপী বায়ুমণ্ডল এ আয়তনের অন্তর্ভুক্ত। বর্তমানে প্রাকৃতিক ভূগোলে স্থলভাগ বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করা হয়। কারণ এটি হাতের কাছে এবং মানুষের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত। যাহোক, খাদ্য, খনিজ, জ্বালানি ইত্যাদির প্রধাণ উৎস এবং ভূপৃষ্ঠে পরিবহনের প্রধাণ মাধ্যম হিসেবে মহাসাগরগুলো ক্রমবর্ধমানহারে মনোযোগ আকর্ষণ করছে। &amp;amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অশ্মমণ্ডল, বায়ুমণ্ডল, বারিমণ্ডল ও জীবমণ্ডলের প্রতিটি পদার্থ কিছুসংখ্যক উপাদান দ্বারা গঠিত। যেমন- বায়ুমণ্ডলকে আবহাওয়া ও জলবায়ুর প্রেক্ষিতে বিবেচনা করা হয়। শিলা, ভূমিরূপ, মৃত্তিকা ইত্যাদি অশ্মমণ্ডলের উপাদান। নদী, হ্রদ, হিমবাহ, বরফাবরণ, মহাসাগর ইত্যাদি বারিমণ্ডলের অংশ এবং উদ্ভিজ্জ ও প্রণী জীবমণ্ডলের অংশ (জেমস, এস. গার্ডনার, ১৯৭৭)।&amp;lt;sup&amp;gt;১০&amp;lt;/sup&amp;gt; প্রকৃতপক্ষে, বিভিন্ন উপাদানের সন্বেয়ে প্রাকৃতিক ভূগোলের অনেক প্রপঞ্চ (phenomenon/ক্রিয়া-প্রক্রিয়া) গঠিত হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রাকৃতিক ভূগোলে এরসব উপাদানগুলোর নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য দ্বারা পৃথিবীর বর্ণনা করা যায়। এগুলো সময়ে বা একস্থান থেকে অন্যস্থানে প্রায়শ পরিবর্তিত হয়ে থাকে। যেমন- তাপমাত্রা, আর্দ্রতা, বর্ষণ, বায়ুপ্রবাহ, বায়ুচাপ হচ্ছে বায়ুমণ্ডীয় চলরাশি বা সূচক, যা কোনো নির্দিষ্ট স্থানের ও সময়ের আবহাওয়া অবস্থা প্রকাশ করে। এদের প্রকৃতি এবং দীর্ঘ সময়কালে এগুলোর পরিবর্তন জলবায়ুর অবস্থা বর্ণনা করে। তাপমাত্রার হ্রাস-বৃদ্ধি, আর্দ্রতা, বায়ুচাপ, বায়ুপ্রবাহ, বর্ষণ ইত্যাদির হ্রাস-বৃদ্ধি ঘটায়। এসব চলরাশি বা সূচক ভৌগোলিক পার্থক্য প্রদর্শন করে, একই সাথে এর দ্বারা জলবায়ু অঞ্চল নির্ধারণ করা যায় (আলম, ২০১৪)।&amp;lt;ref name=&amp;quot;:0&amp;quot;/&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
যখন একটি চলরাশি বা সূচকের পরিবর্তন অপর একটি চলরাশি বা সূচকের পরিবর্তন ঘটায়, তখন উপাদানগুলোর মধ্যে মিথস্ক্রিয়া ঘটে।চলরাশি বা সূচক গুলো কীভাবে একে অপরের ওপর প্রভাববিস্তার করে তা জানা থাকলে প্রপঞ্চ (ক্রিয়া-প্রক্রিয়া) গুলোর পরিবর্তন ও ভৌগোলিক ব্যাখ্যা করা যায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এরূপ মিথস্ক্রিয়া সাধারণত অনেক বেশি জটিল হয়ে থাকে। বাস্তবে অসংখ্য চলরাশি বা সূচক একসাথে মিথস্ক্রিয়া করে। সিস্টেমগুলো বিশ্লেষণের মাধ্যমে এ সম্পর্কগুলোকে মডেলরূপে তৈরি করার প্রয়াস চালানো হয়। প্রাকৃতিক ভূগোলের প্রধাণ উদ্দেশ্য হচ্ছে ভূপৃষ্ঠ বা আয়তনকে বায়ুমণ্ডল, বারিমণ্ডল, অশ্মমণ্ডল, জীবমণ্ডল এবং মানুষের পারস্পরিক মিথস্কিয়াকে একটি পদ্ধতি (system) হিসেবে উপস্থাপন করা (জেমস, এস. গার্ডনার, ১৯৭৭).&amp;lt;ref&amp;gt;{{বই উদ্ধৃতি|শিরোনাম=Gardner, James S. (1977).|শেষাংশ=Gardner|প্রথমাংশ=James S.|বছর=1977|প্রকাশক=Harper&#039;s College Press|অবস্থান=New York|পাতাসমূহ=|আইএসবিএন=}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
=== প্রাকৃতিক ভূগোলের আওতা বা পরিধি ===&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রাকৃতিক ভূগোলের প্রকৃতি বিশ্লেষণ করে বলা যায়, এতে অশ্মমণ্ডল, বারিমণ্ডল, বায়ুমণ্ডল ও জীবমণ্ডল- এ চারটি মণ্ডলের উপাদানগুলোর বৈশিষ্ট্য বিস্তারিতভাবে ও গুরুত্বের সাথে পর্যালোচনা করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
উল্লেখিত চারটি উপাদান সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা লাভের জন্য পৃথিবীর উৎপত্তি, বয়স, ভূঅভ্যন্তরের গঠন এবং সমুদ্রের পর্যঙ্ক প্রভৃতির বৈশিষ্ট্যসমূহ সমীক্ষা করা হয়। ভূআলোড়নের অভ্যন্তরীণ ও বহিঃজ শক্তির অধ্যয়ন, উভয়বিধ শক্তির মিথস্ক্রিয়া এবং এদের ফলাফল সম্পর্কে সম্যক ধারণা প্রদান করে। পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ শক্তি ভূপৃষ্ঠে বিভিন্ন ধরনের উঁচুনিচু ভূমিরূপের সৃষ্টি করে। পক্ষান্তরে, বায়ুমণ্ডল থেকে সৃষ্ট বহিঃজ শক্তি ভূপৃষ্ঠের উঁচু স্থানগুলোকে সমুদ্র সমতলে নামিয়ে আনার কাজে সবসময় ব্যস্ত থাকে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রাকৃতিক ভূগোলে ভূপৃষ্ঠের পর্বতমালা, ভাঁজ, চ্যুতি প্রভৃতি বন্ধুর ভূপ্রকৃতির উৎপত্তি, বৈশিষ্ট্য এবং বিস্তৃতি বিস্তারিতভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়। [[আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের প্রকারভেদ|আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাত]], এদের বিস্তৃতি এবং অগ্ন্যুঃপাতের ফলে সৃষ্ট ভূমিরূপ ও বিপর্যয়, যা উদ্ভিদ ও প্রাণীর ওপর প্রভাববিস্তার করে সে সম্পর্কে ধারণা লাভ করা যায়। বহিঃজ শক্তির দ্বারা (বিচূর্ণীভবন, ক্ষয়ীভবন, নগ্নীভবন) সৃষ্ট ভূপৃষ্ঠের অবয়বগুলোর পর্যালোচনা থেকে ভূমিরূপ পদ্ধতি এবং এর কাজের ধরন (প্রবহমান জলরাশি, ভূগর্ভস্থ জল, সমুদ্র ঢেউ, বায়ুপ্রবাহ, হিমবাহ ইত্যাদি দ্বারা ক্ষয়, বহন ও সঞ্চয় কাজ) সম্পর্কে জানা যায় (আলম, ২০১৪)।&amp;lt;ref name=&amp;quot;:0&amp;quot;/&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বারিমণ্ডলের বৈশিষ্ট্যগুলোর পর্যালোচনায় সমুদ্র তলের বন্ধুরতা, সমুদ্রের জলের তাপমাত্রা, লবণাক্ততা, সমুদ্রের সঞ্চয়, [[জোয়ার-ভাটা]], [[মহাসাগরীয় স্রোত|সমুদ্র স্রোত]], প্রবাল প্রাচীর, এটল ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বায়ুমণ্ডল|বায়ুমণ্ডলীয়]] উপাদানগুলোর পর্যালোচনায় বায়ুমণ্ডলের সংমিশ্রণ, গঠন, উপাদান, জলবায়ু ও আবহাওয়ার নিয়ামক, সৌরতাপ, সৌর বিচ্ছুরণ, তাপসমতা, ভূপৃষ্ঠের তাপ বিকিরণ, বায়ুর চাপ, বায়ুপ্রবাহ, বর্ষণ, বায়ুভর, বায়ুপুঞ্জ, ঘূর্ণিঝড়, [[জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব|জলবায়ু পরিবর্তন]], বৈশ্বিক উষ্ণায়ন, মৃত্তিকা ক্ষয় ও সঞ্চয়ন, পরিবেশ দূষণ, দুর্যোগ ও বিপর্যয় ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, প্রাকৃতিক পরিবেশের ধারাবাহিক পর্যালোচনা একই সাথে মানুষ ও প্রাকৃতিক পরিবেশের আন্তঃক্রিয়ার সম্পর্ক প্রাকৃতিক ভূগোলের সমীক্ষার বিষয়। নিম্নলিখিত কারণে প্রাকৃতিক ভূগোলের পদ্ধতি ও বিষয়বস্তুতে প্রধাণ পরিবর্তনগুলো সূচিত হয়ে থাকে :&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১. &amp;amp;nbsp;প্রাকৃতিক ভূগোল মানুষের কল্যাণে অধিকতর অর্থবহ ও প্রায়োগিক এবং মানবীয় ভূগোলের সাথে গভীরভাবে সম্পৃক্ত। জ্ঞানের শাখা হিসেবে প্রাকৃতিক ভূগোল সংবদ্ধ এবং সমাজের সাথে অধিকতর সম্পর্কিত করার ইচ্ছা সর্বজনীন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২. [[প্রাকৃতিক দুর্যোগ]] ও বিপর্যয়ের প্রতি মানুষের অধিকতর মনোযোগ এবং প্রাকৃতিক পরিবেশের সাথে মানুষের বৈরী আচরণের ফলে পরিবেশগত ভরেসাম্য বিনষ্ঠ এবং প্রতিকারের উপায় অনুসন্ধান।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
৩. বহিরাঙ্গন ও গবেষণাগারে যান্ত্রিকায়ন ও বিভিন্ন ভূমিরূপ পদ্ধতি পরিমাপের ক্রিয়াপদ্ধতি এবং উপাত্তসমূহের গাণিতিক বিশ্লেষণের প্রতি অধিকতর গুরুত্বারোপ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
৪. কতিপয় বিশেষ অবয়ব, যেমন- বাস্তুপদ্ধতি এবং বাস্তুতান্ত্রিক স্থিতিশীলতা ও অস্থিতিশীলতা, জলবিজ্ঞান, প্লেট টেকটোনিক্স ইত্যাদির প্রতি অধিকতর মনোযোগ দেওয়া।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
৫. সাম্প্রতিক সময়ে ম্যাক্রো-টেম্পোরাল (macro-temporal) স্কেলের পরিবর্তে মাইক্রো-টেম্পোরাল (micro-temporal) স্কেল এবং বৃহৎ ম্যাক্রো-স্পেশিয়াল (macro-spatial) স্কেলের পরিবর্তে ক্ষুদ্র মাইক্রো-স্পেশিয়াল (micro-spatial) স্কেল; ভূমিরূপ ও পারিবেশিক (environmental) পদ্ধতির সমীক্ষায় সমাজের সাথে অধিক সম্পর্কযুক্ত পারিবেশিক সমস্যাসমূহ সমাধনের প্রতি অধিক গুরুত্বারোপের প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে (আলম, ২০১৪)।&amp;lt;ref name=&amp;quot;:0&amp;quot;/&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
===প্রাকৃতিক ভূগোলের শাখা===&lt;br /&gt;
&amp;lt;center&amp;gt;&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;ভূগোল অসংখ্য বৃহত্ উপশাখায় বিভক্ত, যাদের মধ্যে রয়েছে:&#039;&#039;&#039;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
:{| style=&amp;quot;border:1px solid #ddd; text-align:center; margin: auto;&amp;quot; cellspacing=&amp;quot;15&amp;quot;&lt;br /&gt;
| [[চিত্র:Línea de Wallace.jpg|96px]] || [[চিত্র:Cyclone Catarina from the ISS on March 26 2004.JPG|96px]] || [[চিত্র:90 mile beach.jpg|96px]] || [[চিত্র:Gavin Plant.JPG|96px]]&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| [[জীবভূগোল]] || [[আবহাওয়াবিদ্যা]] ও [[জলবায়ুবিদ্যা]] || [[উপকূলীয় ভূগোল]] || [[পরিবেশগত ব্যবস্থাপনা]]&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| [[চিত্র:Meridian convergence and spehrical excess.png|96px]] || [[চিত্র:Delicate Arch LaSalle.jpg|96px]] || [[চিত্র:Receding glacier-en.svg|96px]] ||[[চিত্র:Meander-bn.svg|96px]]&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| [[গাণিতিক ভূগোল]] || [[ভূতত্ত্ববিদ্যা]] || [[হিমবাহবিদ্যা]] || [[জলবিদ্যা]] ও [[জলবিজ্ঞান]]&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| [[চিত্র:Khajuraho-landscape.jpg|96px]] || [[চিত্র:World11.jpg|96px]] || [[চিত্র:Soil profile.jpg|96px]] || [[চিত্র:Pangea animation 03.gif|96px]]&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| [[ভূস্থিত বাস্তুসংস্থান]] || [[সমুদ্রবিদ্যা]] || [[মৃত্তিকাবিদ্যা]]|| [[প্রত্নভূগোল]]&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| [[চিত্র:Milankovitch Variations sv.png|96px]]&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| [[কোয়াটার্নারি বিজ্ঞান]]&lt;br /&gt;
|}&lt;br /&gt;
&amp;lt;/center&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
=== মানবীয় ভূগোল ===&lt;br /&gt;
{{মূল নিবন্ধ|মানবীয় ভূগোল}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মানবীয় ভূগোল]] হল ভূগোলের এমন একটি শাখা যা মানব সমাজের আকৃতিগত পদ্ধতি এবং প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করে। এতে [[মানুষ]], তার [[রাজনীতি|রাজনৈতিক]], [[সংস্কৃতি|সাংস্কৃতিক]], [[সমাজ|সামাজিক]], এবং [[অর্থনীতি|আর্থনৈতিক]] দিক নিয়ে পর্যালোচনাভূক্ত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মানবিক ভূগোলে পৃথিবীপৃষ্ঠে মানুষের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের বর্ণনা, স্থানিক পার্থক্য এবং এই পার্থক্যের পেছনে প্রাকৃতিক প্রভাবকের ভূমিকা পর্যালোচনা করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;lt;center&amp;gt;&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;মানবীয় ভূগোলকে অনেকগুলো বিস্তৃত ভাগে ভাগ করা যায়, যেমন:&#039;&#039;&#039;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
:{| style=&amp;quot;border:1px solid #ddd; text-align:center; margin: auto;&amp;quot; cellspacing=&amp;quot;15&amp;quot;&lt;br /&gt;
| [[চিত্র:Qichwa conchucos 01.jpg|96px]] || [[চিত্র:Pepsi in India.jpg|96px]] || [[চিত্র:Christaller model 1.jpg|96px]] || [[চিত্র:Star of life.svg|96px]]&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|[[সাংস্কৃতিক ভূগোল]] || [[উন্নয়ন ভূগোল]]|| [[অর্থনৈতিক ভূগোল]] || [[স্বাস্থ্য ভূগোল]]&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| [[চিত্র:British Empire 1897.jpg|96px]] || [[চিত্র:UN General Assembly.jpg|96px]] || [[চিত্র:Pyramide Comores.PNG|96px]] || [[চিত্র:ReligionSymbol.svg|96px]]&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| [[ঐতিহাসিক ভূগোল]] ও [[কালীক ভূগোল]]|| [[রাজনৈতিক ভূগোল]] ও [[ভৌগোলিকবিদ্যা]]|| [[জনসংখ্যা ভূগোল]] বা [[জনমিতি]]|| [[ধর্ম ভূগোল]]&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| [[চিত্র:US-hoosier-family.jpg|96px]] || [[চিত্র:RERParisVision2025.png|96px]] || [[চিত্র:Shahbazpur Meghna Tourist Spot, Tulatuli, Bhola (26).jpg|96px|]]||[[চিত্র:New-York-Jan2005.jpg|96px]]&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| [[সামাজিক ভূগোল]] || [[পরিবহন ভূগোল]] || [[পর্যটন ভূগোল]]|| [[নগর ভূগোল]]&lt;br /&gt;
|}&lt;br /&gt;
&amp;lt;/center&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কালে কালে মানবীয় ভূগোল গবেষণা করার বিভিন্ন পন্থা উদ্ভাবিত হয়েছে এবং এর অন্তর্ভুক্ত পদ্ধতিগুলো হচ্ছে:&lt;br /&gt;
*[[আচরণিক ভূগোল]]&lt;br /&gt;
*[[নারীবাদী ভূগোল]]&lt;br /&gt;
*[[সংস্কৃতি তত্ত্ব]]&lt;br /&gt;
*[[ভূজ্ঞান]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== শ্রম বিজ্ঞান ==&lt;br /&gt;
=== মানচিত্র অংকনবিদ্যা ===&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== প্রধান কয়েকজন ভূগোলবিদ ==&lt;br /&gt;
{{মূল নিবন্ধ|ভূগোলবিদদের তালিকা}}&lt;br /&gt;
*[[এরাতোস্থেনেস]] বা [[এরাতোস্থেনেস|এরাটোস্থেনিস]] (খ্রিস্টপূর্ব ২৭৬ - ১৯৪ অব্দ) : সর্বপ্রথম &amp;quot;ভূগোল&amp;quot; শব্দটি ব্যবহার করেন ও পৃথিবীর আয়তন নির্ণয় করেন।&lt;br /&gt;
*[[স্ট্রাবো]] (খ্রিষ্টপূর্ব ৬৪/৬৩ -  খ্রিষ্টীয় ২৪ অব্দ) : ভূগোল বিষয়ক প্রথম বিশ্বকোষীয় গ্রন্থ &amp;quot;The Geographica&amp;quot; -এর লেখক।&lt;br /&gt;
*[[টলেমি]] (খ্রিস্টীয় ৯০ - ১৬৮ অব্দ) : &amp;quot;Geographia&amp;quot; নামক গ্রন্থে গ্রীক ও রোমানদের আহরিত জ্ঞানকে সুসঙ্গবদ্ধ করেন।&lt;br /&gt;
*[[আল-ইদ্রিসি]] (১১০০ - ১১৬৫/৬৬) : &amp;quot;নুজহাতুল মুসতাক&amp;quot; গ্রন্থের লেখক।&lt;br /&gt;
*[[জেরারডাস মারকেটর]] (১৫১২ - ১৫৯৪) : অন্যতম প্রধান মানচিত্র অঙ্কনবিদ ও &amp;quot;মার্কেটর অভিক্ষেপ&amp;quot;-এর প্রবর্তক।&lt;br /&gt;
*[[আলেকজান্ডার ফন হুমবোল্‌ড্‌ট্]] (১৭৬৯ - ১৮৫৯) : আধুনিক ভূগোলের জনক বলে গন্য করা হয় ও &amp;quot;জীব-ভূগোল&amp;quot;-এর প্রবর্তক।&lt;br /&gt;
*[[কার্ল রিটার]] (১৭৭৯ – ১৮৫৯) : আধুনিক ভূগোলের জনক বলে গন্য করা হয় ও বার্লিন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভূগোল বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== প্রকাশন ==&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;[[African Geographical Review]]&#039;&#039;&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;[[Geographical Review]]&#039;&#039;&lt;br /&gt;
== আরও দেখুন ==&lt;br /&gt;
*[[জীবভূগোল]]&lt;br /&gt;
*[[মানচিত্রাঙ্কনবিদ্যা]]&lt;br /&gt;
*[[জলবায়ুবিদ্যা]]&lt;br /&gt;
*[[সাংস্কৃতিক ভূগোল]]&lt;br /&gt;
*[[জনসংখ্যাতত্ত্ব]]&lt;br /&gt;
*[[অর্থনৈতিক ভূগোল]]&lt;br /&gt;
*[[ভূগণিত]]&lt;br /&gt;
*[[ভৌগোলিক তথ্য ব্যবস্থা]]&lt;br /&gt;
*[[ভূমিরূপবিদ্যা]]&lt;br /&gt;
*[[হিমবিদ্যা]]&lt;br /&gt;
*[[বিশ্বজনীন অবস্থান-নির্ণায়ক ব্যবস্থা|জিপিএস]]&lt;br /&gt;
*[[ঐতিহাসিক ভূগোল]]&lt;br /&gt;
*[[জলবিজ্ঞান]]&lt;br /&gt;
*[[ভূদৃশ্য বাস্তুশাস্ত্র]]&lt;br /&gt;
*[[সমুদ্রবিজ্ঞান]]&lt;br /&gt;
*[[প্রত্নভূগোল]]&lt;br /&gt;
*[[প্রাকৃতিক মৃত্তিকাবিজ্ঞান]]&lt;br /&gt;
*[[গ্রহসম্পর্কীয় বিজ্ঞান]]&lt;br /&gt;
*[[দূর অনুধাবন]]&lt;br /&gt;
*[[পরিবহন ভূগোল]]&lt;br /&gt;
*[[নগর ভূগোল]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== তথ্যসূত্র ==&lt;br /&gt;
{{সূত্র তালিকা}}&lt;br /&gt;
== বহিঃসংযোগ ==&lt;br /&gt;
{{Subject bar |book=Geography |portal=Geography |commons=yes |wikt=yes |wikt-search=geography |n=yes |q=yes |s=yes |s-search=Portal:Geography |b=yes |b-search=Subject:Geography |v=yes |d=yes |d-search=Q1071}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:ভূগোল]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:মূল বিষয়ের নিবন্ধ]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:ভূবিজ্ঞান]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:সামাজিক বিজ্ঞান]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Protik Sikder</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%A2%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE_%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8&amp;diff=11384</id>
		<title>ঢাকা সেনানিবাস</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%A2%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE_%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8&amp;diff=11384"/>
		<updated>2025-02-18T08:41:06Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Protik Sikder: &amp;quot;ঢাকা সেনানিবাস&amp;quot; সুরক্ষিত করা হয়েছে ([সম্পাদনা=শুধুমাত্র প্রশাসকদের জন্য অনুমোদিত] (অসীম) [স্থানান্তর=শুধুমাত্র প্রশাসকদের জন্য অনুমোদিত] (অসীম)) [প্রপাতাকার]&lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;{{তথ্যছক সামরিক সংস্থাপন&lt;br /&gt;
| name=ঢাকা সেনানিবাস&lt;br /&gt;
| location= [[ঢাকা]]&lt;br /&gt;
| image=ঢাকা সেনানিবাস.png&lt;br /&gt;
| ensign=&lt;br /&gt;
| caption=&lt;br /&gt;
| type= [[সেনানিবাস]]&lt;br /&gt;
| built=&lt;br /&gt;
| materials=&lt;br /&gt;
| used=&lt;br /&gt;
| controlledby=[[বাংলাদেশ সেনাবাহিনী]]&lt;br /&gt;
| garrison=&lt;br /&gt;
| current_commander=&lt;br /&gt;
| battles=&lt;br /&gt;
|code=১২০৬&lt;br /&gt;
|country=[[বাংলাদেশ]]|map=|ensign_size=200px}}&lt;br /&gt;
[[চিত্র:Birsreshto Shaheed Jahangir Gate.jpg|থাম্ব|বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ জাহাঙ্গীর গেট]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;ঢাকা সেনানিবাস&#039;&#039;&#039; [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশের]] [[ঢাকা]] শহরে অবস্থিত [[বাংলাদেশ সেনাবাহিনী]]র একটি সেনানিবাস।&amp;lt;ref name=description&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি |ইউআরএল=http://www.army.mil.bd/ |শিরোনাম=সংরক্ষণাগারভুক্ত অনুলিপি |সংগ্রহের-তারিখ=১২ সেপ্টেম্বর ২০১৬ |আর্কাইভের-তারিখ=৩১ ডিসেম্বর ২০২০ |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20201231032729/https://www.army.mil.bd/ |ইউআরএল-অবস্থা=অকার্যকর }}&amp;lt;/ref&amp;gt; এখানে [[বাংলাদেশ সেনাবাহিনী]]র সদর দপ্তর অবস্থিত। এছাড়াও [[বাংলাদেশ বিমান বাহিনী]]র সদর দপ্তর এই সেনানিবাসে অবস্থিত। সেনানিবাসটি ঢাকা মহানগরীর উত্তর-পূর্ব প্রান্তে অবস্থিত।&amp;lt;ref name=&amp;quot;:0&amp;quot;&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://bn.banglapedia.org/index.php?title=ক্যান্টনমেন্ট_থানা|শিরোনাম=ক্যান্টনমেন্ট থানা|ওয়েবসাইট=bn.banglapedia.org|সংগ্রহের-তারিখ=2016-11-06}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==স্থাপনা==&lt;br /&gt;
* ৬ষ্ঠ বিমান প্রতিরক্ষা গোলন্দাজ ব্রিগেড&lt;br /&gt;
* সেনা সদরদপ্তর&lt;br /&gt;
* বিমান সদরদপ্তর&lt;br /&gt;
* ১৪তম স্বাধীন প্রকৌশলী ব্রিগেড&lt;br /&gt;
* ৮৬ তম স্বাধীন সংকেত ব্রিগেড&lt;br /&gt;
* সেনা নিরাপত্তা ইউনিট&lt;br /&gt;
* বিএএফ ঘাঁটি বঙ্গবন্ধু&lt;br /&gt;
* বিএএফ ঘাঁটি বাশার&lt;br /&gt;
* [[বানৌজা হাজী মহসিন]]&lt;br /&gt;
* [[প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর]] (ডিজিএফআই)-এর সদর দপ্তর&lt;br /&gt;
* ডিজিএফআই ঢাকা ডিটেক্টমেন্ট&lt;br /&gt;
* [[৪৬তম স্বাধীন পদাতিক ব্রিগেড]]&lt;br /&gt;
* লজিস্টিক এরিয়া কমান্ড সদর দপ্তর&lt;br /&gt;
* ২৪তম ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেড&lt;br /&gt;
* স্বাধীন [[রাষ্ট্রপতির গার্ড রেজিমেন্ট]]&lt;br /&gt;
* অ্যাডহক আর্মি এভিয়েশন গ্রুপ&lt;br /&gt;
* স্টেশন কমান্ড সদর দপ্তর&lt;br /&gt;
* সেন্ট্রাল অর্ডানেন্স ডিপো&lt;br /&gt;
* সেন্ট্রাল মেকানিক্যাল ট্রান্সপোর্ট ডিপো&lt;br /&gt;
* আন্তঃবাহিনী নির্বাচন পর্ষদ (আইএসএসবি)&lt;br /&gt;
* [[আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর]] (আইএসপিআর)&lt;br /&gt;
* ঢাকা সেনানিবাস কেন্দ্রীয় মসজিদ&lt;br /&gt;
* [[ঢাকা সেনানিবাস রেলওয়ে স্টেশন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমুহ ==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
* [[আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল কলেজ, ঢাকা]]&lt;br /&gt;
* [[আদমজী ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল]]&lt;br /&gt;
* [[আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ]]&lt;br /&gt;
*[[শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজ]]&lt;br /&gt;
*[[শহিদ বীর-উত্তম লে. আনোয়ার গার্লস কলেজ|শহীদ বীর উত্তম লেঃ আনোয়ার গার্লস কলেজ]]&lt;br /&gt;
*[[বিএএফ শাহীন কলেজ ঢাকা]]&lt;br /&gt;
*[[বিএএফ শাহীন কলেজ কুর্মিটোলা]]&lt;br /&gt;
*[[বাংলাদেশ নৌবাহিনী কলেজ ঢাকা]]&lt;br /&gt;
*[[ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড আদর্শ বিদ্যা নিকেতন]]&lt;br /&gt;
*[[ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট গার্লস পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ|ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট গার্লস স্কুল ও কলেজ]]&lt;br /&gt;
*[[নির্ঝর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== তথ্যসূত্র ==&lt;br /&gt;
{{সূত্র তালিকা}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
{{বাংলাদেশের সেনানিবাস}}&lt;br /&gt;
{{ঢাকা}}&lt;br /&gt;
{{অসম্পূর্ণ}}&lt;br /&gt;
{{স্থানাঙ্ক|23.828240|N|90.388962|W|display=title}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:ঢাকা]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের সেনানিবাস]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:ঢাকা সেনানিবাস]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Protik Sikder</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%AA%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE_%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BF_%E0%A6%95%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%9C&amp;diff=11370</id>
		<title>পটিয়া সরকারি কলেজ</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%AA%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE_%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BF_%E0%A6%95%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%9C&amp;diff=11370"/>
		<updated>2025-02-17T11:42:48Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Protik Sikder: &amp;quot;পটিয়া সরকারি কলেজ&amp;quot; সুরক্ষিত করা হয়েছে ([সম্পাদনা=শুধুমাত্র প্রশাসকদের জন্য অনুমোদিত] (অসীম) [স্থানান্তর=শুধুমাত্র প্রশাসকদের জন্য অনুমোদিত] (অসীম)) [প্রপাতাকার]&lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;পটিয়া সরকারি কলেজ [[চট্টগ্রাম জেলা]]র [[পটিয়া উপজেলা]]য় অবস্থিত একটি সরকারি কলেজ। এটি ১৯৬২ সালে স্থাপিত হয় এবং এটি [[জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে]]র অধিভুক্ত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==অবস্থান==&lt;br /&gt;
অত্র কলেজটি [[চট্টগ্রাম জেলা]]র [[পটিয়া থানা]]র পাশে অবস্থিত।&lt;br /&gt;
== বিভাগ সমূহ ==&lt;br /&gt;
ডিগ্রী পাস কোর্স ছাড়াও বর্তমানে ব্যবস্থাপনা, হিসাববিজ্ঞান, গণিত, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, অর্থনীতি, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি, দর্শন, বাংলা ও ইংরেজি-এ ১১টি বিষয়ে  অনার্স কোর্সের কার্যক্রম চলছে এবং আরো বিষয়ে অনার্স কোর্স চালু প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সম্প্রতি ব্যবস্থাপনা, হিসাববিজ্ঞান বিষয় নিয়ে মাস্টার্স কোর্স চালু হয়েছে।&lt;br /&gt;
==তথ্যসূত্র==&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Protik Sikder</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%AA%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE_%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BF_%E0%A6%95%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%9C&amp;diff=11369</id>
		<title>পটিয়া সরকারি কলেজ</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%AA%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE_%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BF_%E0%A6%95%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%9C&amp;diff=11369"/>
		<updated>2025-02-17T11:42:06Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Protik Sikder: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;পটিয়া সরকারি কলেজ [[চট্টগ্রাম জেলা]]র [[পটিয়া উপজেলা]]য় অবস্থিত একটি সরকারি কলেজ। এটি ১৯৬২ সালে স্থাপিত হয় এবং এটি [[জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে]]র অধিভুক্ত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==অবস্থান==&lt;br /&gt;
অত্র কলেজটি [[চট্টগ্রাম জেলা]]র [[পটিয়া থানা]]র পাশে অবস্থিত।&lt;br /&gt;
== বিভাগ সমূহ ==&lt;br /&gt;
ডিগ্রী পাস কোর্স ছাড়াও বর্তমানে ব্যবস্থাপনা, হিসাববিজ্ঞান, গণিত, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, অর্থনীতি, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি, দর্শন, বাংলা ও ইংরেজি-এ ১১টি বিষয়ে  অনার্স কোর্সের কার্যক্রম চলছে এবং আরো বিষয়ে অনার্স কোর্স চালু প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সম্প্রতি ব্যবস্থাপনা, হিসাববিজ্ঞান বিষয় নিয়ে মাস্টার্স কোর্স চালু হয়েছে।&lt;br /&gt;
==তথ্যসূত্র==&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Protik Sikder</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%AA%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE_%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BF_%E0%A6%95%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%9C&amp;diff=11368</id>
		<title>পটিয়া সরকারি কলেজ</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%AA%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE_%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BF_%E0%A6%95%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%9C&amp;diff=11368"/>
		<updated>2025-02-17T11:41:51Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Protik Sikder: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;পটিয়া সরকারি কলেজ [[চট্টগ্রাম জেলা]]র [[পটিয়া উপজেলা]]য় অবস্থিত একটি সরকারি কলেজ। এটি ১৯৬২ সালে স্থাপিত হয় এবং এটি [[জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে]]র অধিভুক্ত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==অবস্থান==&lt;br /&gt;
অত্র কলেজটি [[চট্টগ্রাম জেলা]]র [[পটিয়া থানা]]র পাশে অবস্থিত।&lt;br /&gt;
== বিভাগ সমূহ ==&lt;br /&gt;
ডিগ্রী পাস কোর্স ছাড়াও বর্তমানে ব্যবস্থাপনা, হিসাববিজ্ঞান, গণিত, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, অর্থনীতি, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি, দর্শন, বাংলা ও ইংরেজি-এ ১১টি বিষয়ে  অনার্স কোর্সের কার্যক্রম চলছে এবং আরো বিষয়ে অনার্স কোর্স চালু প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সম্প্রতি ব্যবস্থাপনা, হিসাববিজ্ঞান বিষয় নিয়ে মাস্টার্স কোর্স চালু হয়েছে।&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Protik Sikder</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%AA%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE_%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BF_%E0%A6%95%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%9C&amp;diff=11367</id>
		<title>পটিয়া সরকারি কলেজ</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%AA%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE_%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BF_%E0%A6%95%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%9C&amp;diff=11367"/>
		<updated>2025-02-17T11:41:16Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Protik Sikder: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;পটিয়া সরকারি কলেজ চট্টগ্রাম জেলার পটিয়া উপজেলায় অবস্থিত একটি সরকারি কলেজ। এটি ১৯৬২ সালে স্থাপিত হয় এবং এটি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==অবস্থান==&lt;br /&gt;
অত্র কলেজটি [[চট্টগ্রাম জেলা]]র [[পটিয়া থানা]]র পাশে অবস্থিত।&lt;br /&gt;
== বিভাগ সমূহ ==&lt;br /&gt;
ডিগ্রী পাস কোর্স ছাড়াও বর্তমানে ব্যবস্থাপনা, হিসাববিজ্ঞান, গণিত, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, অর্থনীতি, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি, দর্শন, বাংলা ও ইংরেজি-এ ১১টি বিষয়ে  অনার্স কোর্সের কার্যক্রম চলছে এবং আরো বিষয়ে অনার্স কোর্স চালু প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সম্প্রতি ব্যবস্থাপনা, হিসাববিজ্ঞান বিষয় নিয়ে মাস্টার্স কোর্স চালু হয়েছে।&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Protik Sikder</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%AA%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE_%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BF_%E0%A6%95%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%9C&amp;diff=11366</id>
		<title>পটিয়া সরকারি কলেজ</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%AA%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE_%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BF_%E0%A6%95%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%9C&amp;diff=11366"/>
		<updated>2025-02-17T11:39:44Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Protik Sikder: &amp;quot;পটিয়া সরকারি কলেজ চট্টগ্রাম জেলার পটিয়া উপজেলায় অবস্থিত একটি সরকারি কলেজ। এটি ১৯৬২ সালে স্থাপিত হয় এবং এটি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত।&amp;quot; দিয়ে পাতা তৈরি&lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;পটিয়া সরকারি কলেজ চট্টগ্রাম জেলার পটিয়া উপজেলায় অবস্থিত একটি সরকারি কলেজ। এটি ১৯৬২ সালে স্থাপিত হয় এবং এটি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত।&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Protik Sikder</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6_%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A6%A8&amp;diff=11365</id>
		<title>বাংলাদেশ টেলিভিশন</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6_%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A6%A8&amp;diff=11365"/>
		<updated>2025-02-17T07:20:55Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Protik Sikder: &amp;quot;বাংলাদেশ টেলিভিশন&amp;quot; সুরক্ষিত করা হয়েছে ([সম্পাদনা=শুধুমাত্র প্রশাসকদের জন্য অনুমোদিত] (অসীম) [স্থানান্তর=শুধুমাত্র প্রশাসকদের জন্য অনুমোদিত] (অসীম)) [প্রপাতাকার]&lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;{{এর সাথে বিভ্রান্ত হবেন না|বাংলাদেশে টেলিভিশন}}&lt;br /&gt;
{{Infobox TV channel&lt;br /&gt;
| name         = বাংলাদেশ টেলিভিশন&lt;br /&gt;
| logo         = বাংলাদেশ টেলিভিশনের লোগো.svg&lt;br /&gt;
| branding     = বিটিভি &lt;br /&gt;
| headquarters = [[রামপুরা]], [[ঢাকা]]&lt;br /&gt;
| country      = {{BAN}}&lt;br /&gt;
| language     = [[বাংলা ভাষা|বাংলা]]&lt;br /&gt;
| broadcast area=[[এশিয়া]], [[মধ্যপ্রাচ্য]], আংশিক [[আফ্রিকা]]&lt;br /&gt;
| network_type = সংবাদ (২০ শতাংশ), উন্নয়ন এবং শিক্ষাপ্রদ (30%), সাংস্কৃতিক ও বিনোদন (৩৫ শতাংশ) এবং অন্যান্য (১৫ শতাংশ).&lt;br /&gt;
| slogan       =  &lt;br /&gt;
| picture_format = [[এইচডিটিভি]]&lt;br /&gt;
| available    = [[বাংলাদেশ]]&lt;br /&gt;
| owner        = [[বাংলাদেশ সরকার|গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার]]&lt;br /&gt;
| launch       = ২৫ ডিসেম্বর, ১৯৬৪&lt;br /&gt;
| founder      = [[গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার]]&lt;br /&gt;
| key_people   = কাজী আবু জাফর মোহাম্মদ হাসান সিদ্দিকী&lt;br /&gt;
| website      = [http://www.btv.gov.bd/ www.btv.gov.bd]&lt;br /&gt;
| terr avail   = উপলভ্য [[বাংলাদেশ]], [[মধ্যপ্রাচ্য]]&lt;br /&gt;
| terr serv 1    = উপলভ্য [[বাংলাদেশ]], [[মধ্যপ্রাচ্য]]&lt;br /&gt;
| cable chan 1   = স্থানীয় তালিকা পরীক্ষণ&lt;br /&gt;
| sat serv 1 = [[আকাশ ডিটিএইচ]]&lt;br /&gt;
| sat chan 1 = চ্যানেল ১১১&lt;br /&gt;
| cable serv 1 = উপলভ্য অধিকাংশ তারের সিস্টেম&lt;br /&gt;
| sister names = [[বিটিভি নিউজ]]&amp;lt;br/&amp;gt;[[বিটিভি চট্টগ্রাম]]&amp;lt;br/&amp;gt;[[সংসদ বাংলাদেশ টেলিভিশন]]&lt;br /&gt;
|online chan 1={{ইউআরএল|https://www.btvlive.gov.bd/}}&lt;br /&gt;
}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;বাংলাদেশ টেলিভিশন&#039;&#039;&#039;, সাধারণত &#039;&#039;&#039;বিটিভি&#039;&#039;&#039; নামে পরিচিত, হচ্ছে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন সংস্থা। এটি মূলে ১৯৬৪ সালে [[পাকিস্তান টেলিভিশন কর্পোরেশন|পাকিস্তান টেলিভিশন কর্পোরেশনের]] [[পূর্ব পাকিস্তান]] বিভাগ হিসেবে স্থাপিত হয়। এটি বিশ্বের প্রাচীনতম বাংলা ভাষার টেলিভিশন সংস্থা, এবং এটি [[বাংলাদেশ বেতার|বাংলাদেশ বেতারের]] ভ্রাতৃপ্রতিম, যা, বিটিভির সাথে, সরকার মালিকানাধীন এবং পরিচালিত।&amp;lt;ref&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি|শিরোনাম=Autonomy of BB and BTV|ইউআরএল=https://www.thedailystar.net/news-detail-197482|তারিখ=৭ আগস্ট ২০১১|সংগ্রহের-তারিখ=২৮ এপ্রিল ২০২২|কর্ম=[[দ্য ডেইলি স্টার (বাংলাদেশ)|দ্য ডেইলি স্টার]]}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাংলাদেশ টেলিভিশন টেরেস্ট্রিয়াল টেলিভিশনে উপলব্ধ দেশের একমাত্র টেলিভিশন সংস্থা।&amp;lt;ref name=&amp;quot;bdtv&amp;quot;&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://www.bbc.com/bengali/news/story/2009/04/printable/090427_satv |শিরোনাম=টেরেস্ট্রিয়াল সুবিধা একমাত্র বিটিভির |প্রকাশক=[[বিবিসি বাংলা]]|সংগ্রহের-তারিখ=২৮ এপ্রিল ২০২২}}&amp;lt;/ref&amp;gt; এটি প্রাথমিকভাবে টেলিভিশন লাইসেন্স ফি এর মাধ্যমে অর্থায়ন করা হয়। যদিও এটি অনেক পুরষ্কারপ্রাপ্ত অনুষ্ঠানসমূহ প্রযোজনা করেছে, এটি প্রায়শই সরকারের মুখপত্র এবং তাদের মানসম্পন্ন অনুষ্ঠানসমূহের অভাব বলে অভিযোগ করা হয়েছে। উভয় বাংলাদেশ টেলিভিশনের সদর দপ্তর এবং প্রশাসনিক ভবন ঢাকার [[রামপুরা থানা]]য় অবস্থিত।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.btv.gov.bd/site/page/8082f0a6-7b63-42d8-acb6-d7e2a4f9a505/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%85%E0%A6%AB%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%82%E0%A6%B9 |শিরোনাম=বিটিভির অফিসসমূহ|সংগ্রহের-তারিখ=২৮ এপ্রিল ২০২২|ওয়েবসাইট=বাংলাদেশ টেলিভিশন}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১৯৯০-এর দশকের শেষ দিকের পর্যন্ত বাংলাদেশ টেলিভিশন ছিল বাংলাদেশের একমাত্র টেলিভিশন চ্যানেল, এবং এটি প্রচুর জনপ্রিয় একটি টেলিভিশন চ্যানেল ছিল। বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেলের উত্থানের পর, বিশেষত বেশিরভাগ সময় এটিকে সরকারি প্রচারযন্ত্র হিসেবে ব্যবহারের কারণে, বিটিভির জনপ্রিয়তা ব্যাপকভাবে হ্রাস পায়।&amp;lt;ref&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি|শিরোনাম=দ্য ডেইলি স্টার Web Edition Vol. 5 Num 240|ইউআরএল=http://archive.thedailystar.net/2005/01/27/d50127060168.htm|তারিখ=২৭ জানুয়ারি ২০০৫|সংগ্রহের-তারিখ=২৪ ডিসেম্বর ২০২১|কর্ম=দ্য ডেইলি স্টার|আর্কাইভের-তারিখ=২১ সেপ্টেম্বর ২০২২|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20220921191506/http://archive.thedailystar.net/2005/01/27/d50127060168.htm|ইউআরএল-অবস্থা=অকার্যকর}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাংলাদেশ টেলিভিশন দুটি পূর্ণাঙ্গ টেলিভিশন কেন্দ্র এবং ১৪টি রিলে কেন্দ্র চালায়। ২০০৪ সালে এটি [[স্যাটেলাইট টেলিভিশন|স্যাটেলাইটে]] বিটিভি ওয়ার্ল্ড এর উদ্বোধন করে। এটি এশিয়া প্যাসিফিক ব্রডকাস্টিং ইউনিয়ন এবং এশিয়াভিশনের সদস্য, এবং ইউরোপিয়ান ব্রডকাস্টিং ইউনিয়নের সহযোগী সদস্য।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://www.abu.org.my/portfolio-item/btv/|শিরোনাম=Bangladesh Television (BTV)|সংগ্রহের-তারিখ=২৮ এপ্রিল ২০২২|ওয়েবসাইট=এশিয়া প্যাসিফিক ব্রডকাস্টিং ইউনিয়ন}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&amp;lt;ref name=&amp;quot;eknojor&amp;quot;&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.btv.gov.bd/site/page/2cddc9f2-6535-4bdc-8ba5-3a354382584d/- |শিরোনাম=এক নজরে|সংগ্রহের-তারিখ=২৮ এপ্রিল ২০২২|ওয়েবসাইট=বাংলাদেশ টেলিভিশন}}&amp;lt;/ref&amp;gt; স্যাটেলাইটের মাধ্যমে বিটিভির সিগনাল এশিয়া এবং ইউরোপ ও আফ্রিকার কিছু অংশে গ্রহণ করা যায়। বাংলাদেশ টেলিভিশন সংসদীয় টেলিভিশন চ্যানেল, [[সংসদ বাংলাদেশ টেলিভিশন]], এরও ভ্রাতৃপ্রতিম। বিটিভি ওয়ার্ল্ডকেও বিটিভি ঢাকার তুলনায় ভিন্ন সময়সূচী সহ একটি স্বাধীন বিনোদন টেলিভিশন চ্যানেলে রূপান্তরিত করা হবে।&amp;lt;ref&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি|শিরোনাম=পূর্ণাঙ্গ বিনোদন চ্যানেল হচ্ছে বিটিভি ওয়ার্ল্ড|ইউআরএল=https://www.jugantor.com/todays-paper/anando-nagar/504590/%E0%A6%AA%E0%A7%82%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A3%E0%A6%BE%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%8B%E0%A6%A6%E0%A6%A8-%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B2-%E0%A6%B9%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%AD%E0%A6%BF-%E0%A6%93%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%A1|শেষাংশ=আহসান|প্রথমাংশ=সোহেল|তারিখ=৩ জানুয়ারি ২০২২|সংগ্রহের-তারিখ=২৮ এপ্রিল ২০২২|কর্ম=[[দৈনিক যুগান্তর]]}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==ইতিহাস==&lt;br /&gt;
=== পাকিস্তান টেলিভিশনের যুগ (১৯৬৪-১৯৭১) ===&lt;br /&gt;
[[পাকিস্তান]] আমলে রাষ্ট্রপতি [[আইয়ুব খান|আইয়ুব খানের]] উদ্যোগে পাকিস্তানে [[টেলিভিশন]] আনা হয়। তিনি ২৭ নভেম্বর ১৯৬৪ সালে পাকিস্তানের [[লাহোর|লাহোরে]] প্রথম টেলিভিশন সেন্টারের উদ্বোধন করেন। দ্বিতীয় টেলিভিশন সেন্টারটি করা হয় [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশে]] (তখন [[পূর্ব পাকিস্তান]])। ঢাকায় ডি.আই.টি ভবনে (বর্তমান [[রাজউক ভবন]]) ১৯৬৪ সালের ২৫ ডিসেম্বর পাকিস্তান টেলিভিশন কর্পোরেশনের ঢাকা কেন্দ্র উদ্বোধন করা হয়। টেলিভিশনে প্রথম প্রচারিত অনুষ্ঠানে প্রথম গান গেয়েছিলেন [[ফেরদৌসী রহমান]], গানটি ছিল [[আবু হেনা মোস্তফা কামাল|আবু হেনা মোস্তফা কামালের]] লেখা &#039;&#039;এই যে আকাশ নীল হল আজ / এ শুধু তোমার প্রেমে&#039;&#039;। টেলিভিশন কেন্দ্রের প্রথম প্রযোজক ছিলেন [[মুস্তাফা মনোয়ার]], জামান আলী খান ও মনিরুল আলম ; পরবর্তীতে আসেন [[শহীদ কাদরী]], [[আবদুল্লাহ আল মামুন]], [[সৈয়দ আবদুল হাদী]], দীন মোহাম্মদ, [[মোহাম্মদ জাকারিয়া]], [[আতিকুল হক চৌধুরী]]।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আর অনুষ্ঠান বিভাগের প্রথম ব্যবস্থাপক ছিলেন [[কলিম শরাফী]]। সেসময় টেলিভিশনে প্রযুক্তির অভাবের কারণে সব অনুষ্ঠান লাইভ অর্থাৎ সরাসরি সম্প্রচার করা হতো এবং চ্যানেল ছিল একটি, চলতো সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টা থেকে রাত সাড়ে এগারোটা পর্যন্ত। টিভির সম্প্রচার সীমা ছিল [[ঢাকা]] শহরের চারপাশে দশ মাইল, তবে এর বাইরে [[ময়মনসিংহ]], [[কুমিল্লা]], [[ফরিদপুর]] থেকেও তা দেখা যেত। ঢাকা টেলিভিশনের স্থাপনা তৈরি, পুরোপুরি চালু করা ও কিছুদিন দেখাশোনা করার দায়িত্বে ছিল জাপানি টেলিভিশন কোম্পানি [[এনএইচকে]]।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১৯৭১ সালের ৪ মার্চে পাকিস্তান টেলিভিশনের ঢাকা কেন্দ্র অনানুষ্ঠানিকভাবে &amp;quot;ঢাকা টেলিভিশন&amp;quot; নামে পরিবর্তন হয়, এবং টেলিভিশন শিল্পীরা পাকিস্তান টেলিভিশনের জন্য কাজ করা প্রত্যাখ্যান করেছে, যেহেতু পূর্ব পাকিস্তানিরা স্বায়ত্তশাসনের জন্য সংগ্রাম করেছে।&amp;lt;ref&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি|শিরোনাম=রেডিও-টেলিভিশন কেন্দ্রের নতুন নামকরণ|ইউআরএল=https://www.risingbd.com/feature/news/448769|তারিখ=৪ মার্চ ২০২২|সংগ্রহের-তারিখ=৭ মে ২০২২|কর্ম=রাইজিংবিডি}}&amp;lt;/ref&amp;gt; ১৯৭১ সালের ২৩ মার্চে যখন বাংলাদেশ একটি মুক্ত রাষ্ট্র ঘোষিত হয়, টেলিভিশন বাংলাদেশের পতাকা এবং জাতীয় সঙ্গীত, [[আমার সোনার বাংলা]], দেখানো শুরু করে, পাকিস্তানের পতাকা এবং জাতীয় সঙ্গীত পরিবর্তে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে হুমকি দেওয়া হয়েছিল যে, পাকিস্তানের পতাকা টেলিভিশনে প্রদর্শন না করলে বাঙালি শ্রমিকদের টেলিভিশন কেন্দ্রে প্রবেশে বাধা দেওয়া হবে। কিন্তু ২৩ মার্চের রাতে ঢাকা টেলিভিশনে বাংলাদেশপন্থী গান প্রচারিত হয়। ফলস্বরূপ, [[পাকিস্তান সশস্ত্র বাহিনী]] ডিআইটি ভবনের নিয়ন্ত্রণ নেয়, কিন্তু [[মুক্তিবাহিনী]] দ্বারা আক্রমণ করা হয়। সেই মুহুর্তে, মানুষ তার টেলিভিশন শিল্পের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য লড়াইয়ে যোগ দেয়।&amp;lt;ref&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি|শিরোনাম=২৩ মার্চ, ১৯৭১: বঙ্গবন্ধু স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেন|ইউআরএল=https://www.bd-journal.com/other/27692/%E0%A7%A8%E0%A7%A9-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%9A-%E0%A7%A7%E0%A7%AF%E0%A7%AD%E0%A7%A7-%E0%A6%AC%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A7%81-%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A7%80%E0%A6%A8-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE-%E0%A6%89%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8B%E0%A6%B2%E0%A6%A8-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%A8|তারিখ=২৩ মার্চ ২০১৮|সংগ্রহের-তারিখ=৭ মে ২০২২|কর্ম=বাংলাদেশ জার্নাল}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&amp;lt;ref&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি|শিরোনাম=Bangladesh Television in the 70s|ইউআরএল=https://www.thedailystar.net/bangladesh-television-in-the-70s-49056|শেষাংশ=সাগর|প্রথমাংশ=ফরিদুর রেজা|তারিখ=১১ আগস্ট ২০১৪|সংগ্রহের-তারিখ=৭ মে ২০২২|কর্ম=দ্য ডেইলি স্টার}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
=== স্বাধীনতা এবং সরকারি একচেটিয়া (১৯৭১-১৯৯৭) ===&lt;br /&gt;
১৯৭১ সালের [[মুক্তিযুদ্ধ|মুক্তিযুদ্ধের]] পর পাকিস্তান টেলিভিশনের ঢাকা কেন্দ্র বাংলাদেশ টেলিভিশন নামে পরিবর্তন হয়, এবং পিটিভির সাথে সম্পর্ক হারিয়েছে। পরের সালের ১৫ সেপ্টেম্বরে এটি একটি স্বায়ত্তশাসিত কর্পোরেশন থেকে সরকারি প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর হয়।&amp;lt;ref name=eknojor/&amp;gt; ১৯৭৪ সালে নেটওয়ার্কটি এটির প্রথম উপকেন্দ্র [[নাটোর|নাটোরে]] উদ্বোধন করে।&amp;lt;ref name=&amp;quot;agrajatra&amp;quot;/&amp;gt; ১৯৭৫ সালে এটির দপ্তর এবং স্টুডিও ঢাকার রামপুরায় নতুনভাবে নির্মিত সদর দপ্তরে স্থানান্তর করা হয়। ১৯৭৭ সালে [[ফজলে লোহানী]] বিবিসির দ্য ডেভিড ফ্রস্ট শো এর উপর ভিত্তি করে বিটিভির জন্য একটি নতুন ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান তৈরি করেন, [[যদি কিছু মনে না করেন]], যা উনার মৃত্যুর ঠিক পরেই শেষ হয়।&amp;lt;ref&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://www.dailynayadiganta.com/post-editorial/452070/%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AE-%E0%A6%B0-%E0%A6%A3-%E0%A6%AB%E0%A6%9C%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%80|শিরোনাম=স্ম র ণ : ফজলে লোহানী|কর্ম=[[দৈনিক নয়া দিগন্ত]]|তারিখ=৩০ অক্টোবর ২০১৯|সংগ্রহের-তারিখ=৫ মে ২০২২}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১৯৮০ সালে বাংলাদেশ টেলিভিশন রঙিন সম্প্রচার শুরু করে, যা [[দক্ষিণ এশিয়া]]য় প্রথম আনুষ্ঠানিক পূর্ণকাল রঙিন টেলিভিশন সম্প্রচারের চিহ্নিত করেছে।&amp;lt;ref name=&amp;quot;eknojor&amp;quot;/&amp;gt;&amp;lt;ref name=&amp;quot;agrajatra&amp;quot;/&amp;gt; ১৯৮৫ সাল হিসেবে ভারতের [[পশ্চিমবঙ্গ|পশ্চিমবঙ্গে]] টেলিভিশন সেট বিটিভির টেরেস্ট্রিয়াল সিগনাল গ্রহণ করতে পারে, সাতক্ষীরা উপকেন্দ্রের মাধ্যমে। এটি ১৯৯২ সালে [[বিবিসি]] এবং [[সিএনএন|সিএনএনের]] সম্প্রচার রিলে করে শুরু করে, যা বাংলাদেশে বিদেশী টেলিভিশনের প্রথম উপস্থিতির চিহ্নিত করেছে।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://www.e-barta247.com/archive/details?n=4110|শিরোনাম=বাংলাদেশ টেলিভিশন ও এর সংক্ষিপ্ত ইতিহাস|তারিখ=৮ অক্টোবর ২০১৭|সংগ্রহের-তারিখ=৫ মে ২০২২|ওয়েবসাইট=ইবার্তা২৪৭.কম}}&amp;lt;/ref&amp;gt; ১৯৯৪ সালে বিটিভি এটির প্রথম প্যাকেজ নাটক, [[আতিকুল হক চৌধুরী]] পরিচালিত &#039;&#039;প্রাচীর পেরিয়ে&#039;&#039;, প্রচারিত করে।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://www.banglanews24.com/entertainment/news/bd/204625.details|শিরোনাম=নাট্যকারই নন, শিল্পী নির্মাণের কারিগর আতিকুল হক চৌধুরী|তারিখ=১৮ জুন ২০১৩|সংগ্রহের-তারিখ=৫ মে ২০২২|ওয়েবসাইট=বাংলানিউজটুয়েন্টিফোর}}&amp;lt;/ref&amp;gt; ১৯৯৫ সালের ১৯ ডিসেম্বরে নেটওয়ার্কটি  এটির [[বিটিভি চট্টগ্রাম|চট্টগ্রাম]] কেন্দ্রের উদ্বোধন করে।&amp;lt;ref&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%AD%E0%A6%BF-%E0%A6%9A%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AE-%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0-%E0%A7%A8%E0%A7%AB-%E0%A6%AC%E0%A6%9B%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%B2|শিরোনাম=বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্রের রজতজয়ন্তীর নানা আয়োজন|কর্ম=প্রথম আলো|প্রথমাংশ=কায়সার|শেষাংশ=ওমর|তারিখ=১৫ ডিসেম্বর ২০২১|সংগ্রহের-তারিখ=৫ মে ২০২২}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১৯৮০ থেকে ১৯৯০ দশকের পর্যন্ত বাংলাদেশ টেলিভিশন অনেক গুলো জনপ্রিয় টেলিভিশন অনুষ্ঠান তৈরি করেছে, যেমন &#039;&#039;[[এইসব দিনরাত্রি]]&#039;&#039;, &#039;&#039;[[বহুব্রীহি (ধারাবাহিক নাটক)|বহুব্রীহি]]&#039;&#039;, &#039;&#039;অয়োময়&#039;&#039;, &#039;&#039;[[ইত্যাদি]]&#039;&#039;, &#039;&#039;[[কোথাও কেউ নেই]]&#039;&#039;, &#039;&#039;[[আজ রবিবার]]&#039;&#039;, এবং আরও কিছু। এটিতে &#039;&#039;[[আলিফ লায়লা]]&#039;&#039; এবং &#039;&#039;[[দ্য সোর্ড অব টিপু সুলতান]]&#039;&#039; এর মতো বিদেশি অনুষ্ঠানও প্রচারিত হতো, এমনকি অনেক জনপ্রিয় কার্টুনও দেখানো হতো যেগুলো নেটওয়ার্কের সাফল্যে সাহায্য করেছে।&amp;lt;ref name=&amp;quot;nineties&amp;quot;&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://bangla.bdnews24.com/glitz/article2049720.bdnews|শিরোনাম=আলিফ লায়লা যেভাবে এসেছিল বিটিভিতে|তারিখ=২১ এপ্রিল ২০২২|সংগ্রহের-তারিখ=৭ মে ২০২২|কর্ম=বাংলানিউজটুয়েন্টিফোর|আর্কাইভের-তারিখ=১৪ মে ২০২২|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20220514164408/https://bangla.bdnews24.com/glitz/article2049720.bdnews|ইউআরএল-অবস্থা=অকার্যকর}}&amp;lt;/ref&amp;gt; ১৯৯৭ সালের মেতে বাংলাদেশ টেলিভিশন এটির সেই সালে ঘটিত ঘূর্ণিঝড়ের উপরের কভারেজের জন্যে একটি এশিয়াভিশন অ্যাওয়ার্ড জিতেছে।&amp;lt;ref&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি|শিরোনাম=BTV gets &#039;Asiavision Award&#039;|ইউআরএল=https://www.thedailystar.net/news/btv-gets-asiavision-award|তারিখ=১৭ মে ১৯৯৭|সংগ্রহের-তারিখ=৭ মে ২০২২|কর্ম=দ্য ডেইলি স্টার}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
=== বিটিভির পতন এবং বেসরকারি টেলিভিশনের উত্থান (১৯৯৭-২০১৮) ===&lt;br /&gt;
বাংলাদেশ টেলিভিশন বাংলাদেশের একমাত্র টেলিভিশন সম্প্রচারক ছিল&amp;lt;ref name=&amp;quot;obsolete&amp;quot;&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি|শিরোনাম=Is BTV obsolete?|ইউআরএল=https://www.thedailystar.net/star-weekend/spotlight/bangladesh-lost-darling-1482172|শেষাংশ=করিম|প্রথমাংশ=নাইমুল|তারিখ=২৭ অক্টোবর ২০১৭|সংগ্রহের-তারিখ=২৮ এপ্রিল ২০২২|কর্ম=দ্য ডেইলি স্টার}}&amp;lt;/ref&amp;gt; ১৯৯৭ সালে স্যাটেলাইট টেলিভিশনে [[এটিএন বাংলা]]র উদ্বোধন এবং ২০০০ সালে টেরেস্ট্রিয়াল টেলিভিশনে [[একুশে টেলিভিশন|একুশে টেলিভিশনের]] উদ্বোধনের পর্যন্ত। বছর ধরে প্রতিযোগিতা বাড়ার সাথে সাথে বিটিভি হ্রাস পায় এবং স্থবির হয়ে পড়ে এবং বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলগুলি স্থানীয়দের মধ্যে আরও জনপ্রিয়তা লাভ করে। বাংলাদেশ কেবল টিভি ভিউয়ারস ফরাম দ্বারা একটি ২০১৭ সালের জরিপে দেখায় যে কেবল টেলিভিশন দর্শকের মধ্যে শুধু ২৫% থেকে ৩০% স্থানীয় টেলিভিশন দেখে, এর মধ্যে বিটিভি সবচেয়ে কম দর্শকসংখ্যা পায়, এবং বেশিরভাগ গ্রামীণ দর্শকরা দেখেছিলেন, যাদের কাছে শুধুমাত্র টেরেস্ট্রিয়াল টেলিভিশন উপলব্ধি আছে।&amp;lt;ref&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি|শিরোনাম=বিটিভির দর্শক, আয় কমছে, ঋণ করে চ্যানেল বাড়াচ্ছে|ইউআরএল=https://www.prothomalo.com/bangladesh/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%A6%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B6%E0%A6%95-%E0%A6%86%E0%A7%9F-%E0%A6%95%E0%A6%AE%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%8B%E0%A6%A3-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B2-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A7%9C%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%9B%E0%A7%87|লেখক=শরিফুজ্জামান|তারিখ=৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬|সংগ্রহের-তারিখ=২৮ এপ্রিল ২০২২|কর্ম=[[প্রথম আলো]]}}&amp;lt;/ref&amp;gt; বিটিভির মহাপরিচালক, হারুন-অর-রশীদ, একবার বলেছিলেন যদি বিটিভি পরিবর্তন না করে এটি &#039;অপ্রচলিত&#039; হয়ে যাবে।&amp;lt;ref name=&amp;quot;obsolete&amp;quot;/&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কিন্তু ২০০৫ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ টেলিভিশন চৌদ্দটি উপকেন্দ্র স্থাপিত করেছে, যেগুলো দেশের ৯৩% এলাকায় পৌঁছে যায়।&amp;lt;ref name=&amp;quot;agrajatra&amp;quot;&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://www.techtunes.io/setelite-tv/tune-id/598436|শিরোনাম=বাংলাদেশে টেলিভিশনের অগ্রযাত্রার কথা|সংগ্রহের-তারিখ=২৮ এপ্রিল ২০২২|ওয়েবসাইট=টেকটিউনস|শেষাংশ=আল ফারুক|প্রথমাংশ=আব্দুল্লাহ|আর্কাইভের-তারিখ=১৮ জুন ২০২২|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20220618213915/https://www.techtunes.io/setelite-tv/tune-id/598436|ইউআরএল-অবস্থা=অকার্যকর}}&amp;lt;/ref&amp;gt; ২০০৪ সালে [[বিটিভি ওয়ার্ল্ড|বিটিভি ওয়ার্ল্ডের]] মাধ্যমে বাংলাদেশ টেলিভিশন আন্তর্জাতিক স্যাটেলাইট সম্প্রচার শুরু করেছে। ২০০৭ [[উত্তর ভারত]] মহাসাগরের ঘূর্ণিঝড় মৌসুম দ্বারা ঘটিত বিদ্যুত বিচ্ছিন্নের কারণে ২০০৭ সালের ১৭ নভেম্বরে বিটিভি তিন ঘণ্টার কাছাকাছির জন্য সম্প্রচার বন্ধ রাখে।&amp;lt;ref&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি|শিরোনাম=BTV off air for 3 hrs|ইউআরএল=https://www.thedailystar.net/news-detail-12002|তারিখ=১৭ নভেম্বর ২০০৭|সংগ্রহের-তারিখ=২৮ এপ্রিল ২০২২|ভাষা=ইংরেজি|কর্ম=দ্য ডেইলি স্টার}}&amp;lt;/ref&amp;gt; ২০১১ সালের ২৫ জানুয়ারিতে এটির ভ্রাতৃপ্রতিম [[সংসদ বাংলাদেশ টেলিভিশন]] সম্প্রচার শুরু করে, যা [[জাতীয় সংসদ ভবন|জাতীয় সংসদ ভবনের]] থেকে সরাসরি অনুষ্ঠান সম্প্রচার করে।&amp;lt;ref&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://www.banglanews24.com/national/news/bd/83765.details|শিরোনাম=Jatiya Sangsad television|তারিখ=২৪ জানুয়ারি ২০১২|কর্ম=বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর|সংগ্রহের-তারিখ=২৮ এপ্রিল ২০২২}}&amp;lt;/ref&amp;gt; সেই দিনে বাংলাদেশ টেলিভিশন ডিজিটাল টেরেস্ট্রিয়াল টেলিভিশনে সম্প্রচার শুরু করে।&amp;lt;ref name=&amp;quot;eknojor&amp;quot; /&amp;gt; ২০১৪ সালের জুনে বিটিভির একটি অব্যবহৃত ফ্রিকোয়েন্সি বাতিল করা হয়েছে যেহেতু এটি বাংলাদেশে মোবাইল অপারেটরদের ৩জি সার্ভিস ব্যাহত করেছে।&amp;lt;ref&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি|শিরোনাম=Regulator scraps BTV&#039;s unused frequency|ইউআরএল=https://www.thedailystar.net/regulator-scraps-btvs-unused-frequency-26927|শেষাংশ=মামুন|প্রথমাংশ=আব্দুল্লাহ|তারিখ=৪ জুন ২০১৪|সংগ্রহের-তারিখ=২৮ এপ্রিল ২০২২|কর্ম=দ্য ডেইলি স্টার}}&amp;lt;/ref&amp;gt; ২০১৬ সালের ১ ডিসেম্বরে বাংলাদেশ টেলিভিশন দেশের প্রথম টেলিভিশন জাদুঘর উদ্বোধন করেছে।&amp;lt;ref&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি|শিরোনাম=বাংলাদেশের প্রথম টেলিভিশন জাদুঘর|ইউআরএল=https://www.jagonews24.com/m/mass-media/news/233725|তারিখ=১৮ মার্চ ২০১৭|সংগ্রহের-তারিখ=২৮ এপ্রিল ২০২২|কর্ম=[[জাগো নিউজ]]}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
=== বিটিভির নবজাগরণ (২০১৮-বর্তমান) ===&lt;br /&gt;
২০১৮ সালের মধ্যে বাংলাদেশ টেলিভিশন এটির জনপ্রিয়তা এবং প্রাসঙ্গিকতা আবার ফিরে পায়, নেটওয়ার্কটি এটির অনুষ্ঠানসমূহ সংশোধন করার পর, যার ফলে দর্শকসংখ্যা অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে বলে দাবি করে সরকার। [[তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় (বাংলাদেশ)|তথ্যমন্ত্রী]] [[হাসানুল হক ইনু]] বললেন দেশের ৮৩ শতাংশ বিটিভি দেখেছে সেই সালে।&amp;lt;ref&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি|শিরোনাম=জনপ্রিয়তা বেড়েছে বিটিভির|ইউআরএল=https://www.jagonews24.com/mass-media/news/434838|তারিখ=২১ জুন ২০১৮|সংগ্রহের-তারিখ=২৮ এপ্রিল ২০২২|কর্ম=জাগো নিউজ}}&amp;lt;/ref&amp;gt; [[মাছরাঙ্গা টিভি]] এবং [[নাগরিক (টিভি চ্যানেল)|নাগরিকের]] সাথে বিটিভি বাংলাদেশে [[২০১৮ ফিফা বিশ্বকাপ]] প্রচারিত করার সম্প্রচারক ছিল।&amp;lt;ref&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি|শিরোনাম=BTV, Nagorik TV, Maasranga to show WC|ইউআরএল=https://www.rtvonline.com/sports/43998/%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%A8-%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%AA|তারিখ=১৪ জুন ২০১৮|সংগ্রহের-তারিখ=২৮ এপ্রিল ২০২২|কর্ম=[[আরটিভি]]}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২০১৯ সালের ২ সেপ্টেম্বরে [[বঙ্গবন্ধু-১]] স্যাটেলাইটের মাধ্যমে এটি ভারতের ডিডি ফ্রি ডিশে সম্প্রচার শুরু করেছে।&amp;lt;ref&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি|শিরোনাম=সোমবার থেকে ভারতে বিটিভির সম্প্রচার শুরু|ইউআরএল=https://www.jugantor.com/national/216060/%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%A5%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B6%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%81|তারিখ=১ সেপ্টেম্বর ২০১৯|সংগ্রহের-তারিখ=২ জানুয়ারি ২০২২|কর্ম=দৈনিক যুগান্তর}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&amp;lt;ref&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি|শিরোনাম=Bangabandhu satellite to telecast BTV in India|ইউআরএল=https://www.dhakatribune.com/technology/2019/07/04/bangabandhu-satellite-to-telecast-btv-in-india|শেষাংশ=হোসেন|প্রথমাংশ=ইমরান|তারিখ=৪ জুলাই ২০১৯|সংগ্রহের-তারিখ=২ জানুয়ারি ২০২২|কর্ম=[[ঢাকা ট্রিবিউন]]}}&amp;lt;/ref&amp;gt; ২০১৯ সালে বিটিভির ৫৫তম বার্ষিকী উদযাপন করার জন্য বেসরকারি [[চ্যানেল আই]] এটির সদর দপ্তরে একটি বিশেষ অনুষ্ঠান আয়োজিত করে, এবং সেটি উভয় নেটওয়ার্কে সম্প্রচার হয়।&amp;lt;ref&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি|শিরোনাম=চ্যানেল আই চত্বরে বিটিভি’র জন্মদিন!|ইউআরএল=https://www.banglatribune.com/600497/%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B2-%E0%A6%86%E0%A6%87-%E0%A6%9A%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E2%80%99%E0%A6%B0-%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%A8|তারিখ=২৫ ডিসেম্বর ২০১৯|সংগ্রহের-তারিখ=২৮ এপ্রিল ২০২২|কর্ম=[[বাংলা ট্রিবিউন]]|আর্কাইভের-তারিখ=৯ নভেম্বর ২০২১|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20211109194154/https://www.banglatribune.com/600497/%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B2-%E0%A6%86%E0%A6%87-%E0%A6%9A%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E2%80%99%E0%A6%B0-%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%A8|ইউআরএল-অবস্থা=অকার্যকর}}&amp;lt;/ref&amp;gt; বিটিভি ভবনে বিটিভি ২০২০ সালের ৮ ফেব্রুয়ারিতে দুটি নতুন ডিজিটাল স্টুডিও উদ্বোধন করেছে, নেটওয়ার্কের রেনেসাঁর অংশে।&amp;lt;ref&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি|শিরোনাম=বিটিভির নতুন দুই ডিজিটাল স্টুডিওর যাত্রা শুরু|ইউআরএল=https://www.jugantor.com/todays-paper/anando-nagar/275619/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%A8-%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%87-%E0%A6%A1%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B2-%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%81%E0%A6%A1%E0%A6%BF%E0%A6%93%E0%A6%B0-%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%B6%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%81|তারিখ=৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০|সংগ্রহের-তারিখ=২৮ এপ্রিল ২০২২|কর্ম=দৈনিক যুগান্তর}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[কোভিড-১৯ এর বৈশ্বিক মহামারী]]র সময় বিটিভি, সংসদ বাংলাদেশ টেলিভিশনের সাথে, মাধ্যমিক ছাত্রদের জন্য শিক্ষামূলক অনুষ্ঠান সম্প্রচার করা শুরু করে।&amp;lt;ref&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি|শিরোনাম=সংসদ টিভিতে মাধ্যমিকের ক্লাস শুরু আজ|ইউআরএল=https://www.bd-journal.com/bangladesh/113407/%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A6%A6-%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B8-%E0%A6%B6%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%81-%E0%A6%86%E0%A6%9C|তারিখ=২৯ মার্চ ২০২০||সংগ্রহের-তারিখ=২৮ এপ্রিল ২০২২|কর্ম=বাংলাদেশ জার্নাল}}&amp;lt;/ref&amp;gt; এটি এটির কিছু পুরোনো অনুষ্ঠানের পুনঃপ্রচারও দেখায়।&amp;lt;ref&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি|শিরোনাম=&#039;বহুব্রীহি&#039;র পর আজ ফিরছে &#039;এইসব দিনরাত্রি&#039;|ইউআরএল=https://www.prothomalo.com/entertainment/tv/%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A7%81%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A6%B9%E0%A6%BF-%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%9C-%E0%A6%AB%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%8F%E0%A6%87%E0%A6%B8%E0%A6%AC-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF|শেষাংশ=আলী|প্রথমাংশ=মাসুম|তারিখ=১২ মে ২০২০|সংগ্রহের-তারিখ=২৮ এপ্রিল ২০২২|কর্ম=প্রথম আলো}}&amp;lt;/ref&amp;gt; বিটিভি ছাত্রদের জন্য দূরবর্তী শিক্ষাকে আরও কার্যকর করার জন্য একটি শিক্ষামূলক চ্যানেল প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দিয়েছে, যা ২০০৮ সালেও পূর্বের পরিকল্পনা করা হয়েছিল।&amp;lt;ref&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি|শিরোনাম=শিক্ষা টিভি সত্বর হোক, তবে বিটিভির বাইরে থাক|ইউআরএল=https://www.prothomalo.com/opinion/column/%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%BE-%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%AD%E0%A6%BF-%E0%A6%B8%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%B0-%E0%A6%B9%E0%A7%8B%E0%A6%95-%E0%A6%A4%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%95|লেখক=শরিফুজ্জামান|তারিখ=১৩ সেপ্টেম্বর ২০২০|সংগ্রহের-তারিখ=২৮ এপ্রিল ২০২২|কর্ম=প্রথম আলো}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&amp;lt;ref&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি|শিরোনাম=Plan to start BTV edn channel|ইউআরএল=https://www.thedailystar.net/news-detail-37512|তারিখ=২১ মে ২০০৮|সংগ্রহের-তারিখ=২৮ এপ্রিল ২০২২|কর্ম=দ্য ডেইলি স্টার}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২০২১ সালের ১৩ মার্চে বাংলাদেশ টেলিভিশন আরও ছয়টি আঞ্চলিক টেলিভিশন কেন্দ্র স্থাপন করার ঘোষণা করে, যা ২০২৩ সালের মধ্যে সম্পন্ন হবে।&amp;lt;ref name=&amp;quot;eknojor&amp;quot; /&amp;gt;&amp;lt;ref&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://www.jagonews24.com/amp/650318 |লিপির-শিরোনাম=bn:বাংলাদেশ টেলিভিশনের আরো ৬টি কেন্দ্র স্থাপন হবে : তথ্যমন্ত্রী |তারিখ=১৩ মার্চ ২০২১|সংগ্রহের-তারিখ=২৮ এপ্রিল ২০২২}}&amp;lt;/ref&amp;gt; ২০২১ সালের মেতে নেটওয়ার্কটি এটির অ্যাপ চালু করে, যেটির মধ্যে চারটি চ্যানেল, বিটিভি ঢাকা, বিটিভি চট্টগ্রাম, বিটিভি ওয়ার্ল্ড, এবং সংসদ টেলিভিশন, দেখা যাবে।&amp;lt;ref&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি|শিরোনাম=বিটিভির অ্যাপ উদ্বোধন, দেখা যাবে যেকোনো দেশ থেকে|ইউআরএল=https://www.jagonews24.com/mass-media/news/666797|তারিখ=১২ মে ২০২১|সংগ্রহের-তারিখ=২৮ এপ্রিল ২০২২|কর্ম=জাগো নিউজ}}&amp;lt;/ref&amp;gt; ২০২১ সালের ২৪ সেপ্টেম্বরে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী [[হাছান মাহমুদ]] বিটিভির খুলনা কেন্দ্রকে উপকেন্দ্রের থেকে একটি পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রে রূপান্তর করার ঘোষণা করেন।&amp;lt;ref&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি|শিরোনাম=খুলনায় পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হবে বিটিভি- তথ্যমন্ত্রী|ইউআরএল=https://www.provatisongbad.com/khulna-division/btv-will-be-fully-launched-in-khulna-information-minister/|তারিখ=২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১|সংগ্রহের-তারিখ=২৮ এপ্রিল ২০২২|কর্ম=প্রভাতী সংবাদ|আর্কাইভের-তারিখ=১৬ জুন ২০২২|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20220616101625/https://www.provatisongbad.com/khulna-division/btv-will-be-fully-launched-in-khulna-information-minister/|ইউআরএল-অবস্থা=অকার্যকর}}&amp;lt;/ref&amp;gt; ২০২১ সালের ২৫ ডিসেম্বরে বাংলাদেশ টেলিভিশনের এইচডি সম্প্রচার শুরু হয়।&amp;lt;ref&amp;gt;[https://www.kalerkantho.com/online/entertainment/2021/12/26/1104956 বিটিভির আরো ৬টি চ্যানেল চালু হচ্ছে, কালের কণ্ঠ, ২৬ ডিসেম্বর ২০২১]&amp;lt;/ref&amp;gt;&amp;lt;ref&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি|শিরোনাম=৫৮তম বর্ষে এইচডি সম্প্রচারে বিটিভি|ইউআরএল=https://www.banglanews24.com/entertainment/news/bd/901582.details|তারিখ=২৫ ডিসেম্বর ২০২১|সংগ্রহের-তারিখ=২৮ এপ্রিল ২০২২|কর্ম=বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== কেন্দ্র সমূহ ==&lt;br /&gt;
[[File:Bangladesh Television (BTV) head office inside view 06.jpg|thumb|বাংলাদেশ টেলিভিশনের কেন্দ্রসমূহ]]&lt;br /&gt;
বাংলাদেশ টেলিভিশনের পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রের সংখ্যা মাত্র দুটি, যেগুলো [[ঢাকা]]য় এবং [[চট্টগ্রাম|চট্টগ্রামে]]। দেশজুড়ে বিটিভির চৌদ্দটি রিলে স্টেশনের মাধ্যমে টেরেস্ট্রিয়াল টেলিভিশনে দেখা যায়। রিলে স্টেশনগুলো অথবা উপকেন্দ্রগুলো [[নাটোর]], [[খুলনা]], [[ময়মনসিংহ]], [[সিলেট]], [[রংপুর]], [[নোয়াখালী]], [[ব্রাহ্মণবাড়িয়া]], [[ঠাকুরগাঁও]], [[রাজশাহী]], [[ঝিনাইদহ]], [[সাতক্ষীরা]], [[পটুয়াখালী]], [[উখিয়া]] এবং [[রাঙ্গামাটি]]তে স্থাপিত।&amp;lt;ref name=&amp;quot;eknojor&amp;quot;/&amp;gt; ২০২১ সালের মার্চে বিটিভির আরো ছয়টি কেন্দ্র স্থাপিত করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
=== পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্র ===&lt;br /&gt;
* &#039;&#039;&#039;বিটিভি ঢাকা&#039;&#039;&#039; - বাংলাদেশ টেলিভিশনের মূল কেন্দ্র, স্থাপিত হয় ১৯৬৪ সালে পাকিস্তান টেলিভিশনের নামে। এটি &#039;বিটিভি&#039; নামে পরিচিত। বিটিভি ঢাকার সম্প্রচার স্যাটেলাইটে বিটিভি ওয়ার্ল্ডৈর মাধ্যমে সারাদেশে রিলে করা হয়।&lt;br /&gt;
* &#039;&#039;&#039;[[বিটিভি চট্টগ্রাম]]&#039;&#039;&#039; - বাংলাদেশ টেলিভিশনের দ্বিতীয় এবং একমাত্র আঞ্চলিক কেন্দ্র, স্থাপিত হয় ১৯৯৬ সালে। স্যাটেলাইটে যাত্রা শুরু করে ২০১৬ সালে এবং ২০২১ সালের ১৯ ডিসেম্বরে এটির ২৪ ঘন্টা সম্প্রচার উদ্বোধন করা হয়।&lt;br /&gt;
* &#039;&#039;&#039;[[বিটিভি নিউজ]]&#039;&#039;&#039; - বাংলাদেশ টেলিভিশনের আওতাধীন সংবাদ ভিত্তিক চ্যানেল যা ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ এ যাত্রা শুরু করে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
=== উপকেন্দ্র ===&lt;br /&gt;
{|class=&amp;quot;wikitable sortable&amp;quot; style=&amp;quot;text-align:middle;&lt;br /&gt;
!শহর&lt;br /&gt;
!কেন্দ্র&lt;br /&gt;
!স্থাপিত&lt;br /&gt;
!নোটসমূহ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| [[নাটোর]]&lt;br /&gt;
| বিটিভি নাটোর উপকেন্দ্র&lt;br /&gt;
| ১৯৭৪&lt;br /&gt;
| প্রথমে ছিলো একটি আঞ্চলিক কেন্দ্র; পরে ঢাকা কেন্দ্রের রিলে বানানো হয়।&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| [[খুলনা]]&lt;br /&gt;
| বিটিভি খুলনা উপকেন্দ্র&lt;br /&gt;
| ১৯৭৭&amp;lt;ref&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি|লিপির-শিরোনাম=bn:সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হলেও চার বছরে চালু হয়নি খুলনা বিটিভি|ইউআরএল=https://dailysangram.com/post/184906-%E0%A6%B8%E0%A6%95%E0%A6%B2-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%A4%E0%A6%BF-%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A8-%E0%A6%B9%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%93-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%9B%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%81-%E0%A6%B9%E0%A7%9F%E0%A6%A8%E0%A6%BF-%E0%A6%96%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%AD%E0%A6%BF|তারিখ=২২ এপ্রিল ২০১৫|সংগ্রহের-তারিখ=১৩ জানুয়ারি ২০২২|কর্ম=[[দৈনিক সংগ্রাম]] |ভাষা=bn}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
| শীঘ্রই পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্র হবে&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| [[ময়মনসিংহ]]&lt;br /&gt;
| বিটিভি ময়মনসিংহ উপকেন্দ্র&lt;br /&gt;
| ১৯৭৯&lt;br /&gt;
| শীঘ্রই পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্র হবে&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| সিলেট&lt;br /&gt;
| বিটিভি সিলেট উপকেন্দ্র&lt;br /&gt;
| ১৯৯৫&amp;lt;ref&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি|লিপির-শিরোনাম=bn:দীর্ঘ প্রতীক্ষায়ও স্থাপন হয়নি বিটিভির সিলেট কেন্দ্র|ইউআরএল=https://samakal.com/todays-print-edition/tp-mohanagar/article/1701265946/%E0%A6%A6%E0%A7%80%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%98-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A6%93-%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A6%A8-%E0%A6%B9%E0%A7%9F%E0%A6%A8%E0%A6%BF-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%9F-%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0|শেষাংশ=Babul|প্রথমাংশ=Faisal Ahmed|তারিখ=২৮ জানুয়ারি ২০১৭|সংগ্রহের-তারিখ=১৩ জানুয়ারি ২০২২|কর্ম=[[সমকাল]]|আর্কাইভের-তারিখ=১২ নভেম্বর ২০২১|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20211112054745/https://samakal.com/todays-print-edition/tp-mohanagar/article/1701265946/%E0%A6%A6%E0%A7%80%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%98-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A6%93-%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A6%A8-%E0%A6%B9%E0%A7%9F%E0%A6%A8%E0%A6%BF-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%9F-%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0|ইউআরএল-অবস্থা=অকার্যকর}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
| শীঘ্রই পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্র হবে&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| [[রংপুর]]&lt;br /&gt;
| বিটিভি রংপুর উপকেন্দ্র&lt;br /&gt;
| ১৯৭৮&lt;br /&gt;
| শীঘ্রই পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্র হবে, জানুয়ারি ২০২১ তে ঘোষণা দেওয়া হয়।&amp;lt;ref&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://www.jagonews24.com/amp/634752|লিপির-শিরোনাম=bn:ভ্যাকসিন আসা নিয়ে শঙ্কা নেই: তথ্যমন্ত্রী|তারিখ=৮ জানুয়ারি ২০২১|সংগ্রহের-তারিখ=১৩ জানুয়ারি ২০২২|ওয়েবসাইট=জাগো নিউজ ২৪|ভাষা=bn}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| [[নোয়াখালী]]&lt;br /&gt;
| বিটিভি নোয়াখালী উপকেন্দ্র&lt;br /&gt;
| &lt;br /&gt;
| &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| [[ব্রাহ্মণবাড়িয়া]]&lt;br /&gt;
| বিটিভি ব্রাহ্মণবাড়িয়া উপকেন্দ্র&lt;br /&gt;
|&lt;br /&gt;
|&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| [[ঠাকুরগাঁও]]&lt;br /&gt;
| বিটিভি ঠাকুরগাঁও উপকেন্দ্র&lt;br /&gt;
| &lt;br /&gt;
| &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| [[রাজশাহী]]&lt;br /&gt;
| বিটিভি রাজশাহী উপকেন্দ্র&lt;br /&gt;
| ২০০১&amp;lt;ref&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি|লিপির-শিরোনাম=bn:বিটিভির স্টুডিও হচ্ছে রাজশাহীতে|ইউআরএল=https://www.banglanews24.com/national/news/bd/306616.details|তারিখ=১৪ জুলাই ২০১৪|সংগ্রহের-তারিখ=১৩ জানুয়ারি ২০২২|কর্ম=বাংলা নিউজ ২৪}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
| শীঘ্রই পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্র হবে&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| [[ঝিনাইদহ]]&lt;br /&gt;
| বিটিভি ঝিনাইদহ উপকেন্দ্র&lt;br /&gt;
|&lt;br /&gt;
|&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| [[সাতক্ষীরা]]&lt;br /&gt;
| বিটিভি সাতক্ষীরা উপকেন্দ্র&lt;br /&gt;
| ১৯৮০ দশকের দিকে&lt;br /&gt;
| &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| [[পটুয়াখালী]]&lt;br /&gt;
| বিটিভি পটুয়াখালী উপকেন্দ্র&lt;br /&gt;
|&lt;br /&gt;
|&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| [[উখিয়া উপজেলা|উখিয়া]], [[কক্সবাজার জেলা|কক্সবাজার]]&lt;br /&gt;
| বিটিভি উখিয়া উপকেন্দ্র&lt;br /&gt;
| ২০০৫&amp;lt;ref&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি|লিপির-শিরোনাম=bn:টেকনাফ ও উখিয়ায় দুই মাস ধরে বিটিভির অনুষ্টান দেখা যাচ্ছে না|ইউআরএল=https://www.dailyjanakantha.com/details/article/146846/%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%AB-%E0%A6%93-%E0%A6%89%E0%A6%96%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%87-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B8-%E0%A6%A7%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%96%E0%A6%BE-%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%9B%E0%A7%87/|তারিখ=৮ অক্টোবর ২০১৫|সংগ্রহের-তারিখ=১৩ জানুয়ারি ২০২২|কর্ম=[[জনকন্ঠ]]}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
|&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| [[রাঙামাটি]]&lt;br /&gt;
| বিটিভি রাঙ্গামাটি উপকেন্দ্র&lt;br /&gt;
| ২০০১&amp;lt;ref&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি|লিপির-শিরোনাম=bn:পাহাড় ধসের ঝুঁকিতে রাঙ্গামাটি বিটিভি উপকেন্দ্র ভবন|ইউআরএল=https://archive1.ittefaq.com.bd/print-edition/others/2018/01/29/253636.html|তারিখ=২৯ জানুয়ারি ২০১৮|সংগ্রহের-তারিখ=১৩ জানুয়ারি ২০২২|কর্ম=[[দৈনিক ইত্তেফাক]]|আর্কাইভের-তারিখ=১৬ নভেম্বর ২০২১|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20211116051701/https://archive1.ittefaq.com.bd/print-edition/others/2018/01/29/253636.html|ইউআরএল-অবস্থা=অকার্যকর}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
| &lt;br /&gt;
|}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==জনপ্রিয় প্রোগ্রাম==&lt;br /&gt;
===জনপ্রিয় অনুষ্ঠান===&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;[[যদি কিছু মনে না করেন]]&#039;&#039; (১৯৬৭-৬৮, ১৯৮২-৮৫)&lt;br /&gt;
:[[ফজলে লোহানী]]র উপস্থাপিত ম্যাগাজিন-জাতীয় অনুষ্ঠান। সেসময় করাচি টেলিভিশনে &#039;&#039;গর তু বুরা না মানে&#039;&#039; নামে একটি অনুষ্ঠান চলছিল, এই অনুষ্ঠানটি সেটির সাথে খানিকটা সাদৃশ্যপূর্ণ। কিছুদিন পর লোহানী লন্ডনে চলে যান এবং অনুষ্ঠানটি বন্ধ হয়ে যায়। পরে ১৯৮২ সালের দিকে দেশে ফিরে তিনি অনুষ্ঠানটি পাক্ষিকভাবে আবার শুরু করেন। এবার অনুষ্ঠানটিতে বিনোদনের অংশে মূল কাজ করেন [[হানিফ সংকেত]], লোহানী থাকেন প্রতিবেদন অংশে। ১৯৮৫ সালে লোহানীর মৃত্যুর পর অনুষ্ঠানটি বন্ধ হয়ে যায়।&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;হারজিত&#039;&#039; (১৯৭৩-৭৪)&lt;br /&gt;
:[[আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ|আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের]] নির্মিত ও উপস্থাপিত ধাঁধার অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানটিতে দেখুনো বিভিন্নরকম ধাঁধার মধ্যে একটি ছিল &amp;quot;কবির লড়াই&amp;quot;। কবিতার মাধ্যমে আলাপ চালানোর এই লড়াইয়ে সেসময় অংশ নিয়েছিলেন [[রুদ্র মহম্মদ শহীদুল্লাহ]], [[জাহিদ হায়দার]], [[মুহম্মদ নূরুল হুদা]] প্রমুখ তরুণ কবিগণ।&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;সপ্তবর্ণা&#039;&#039; (১৯৭৫-৭৬)&lt;br /&gt;
:[[আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ|আবদুল্লাহ আবু সায়ীদেরই]] আরেকটি ধাঁধার অনুষ্ঠান। &#039;&#039;হারজিতের&#039;&#039; চেয়ে বড় পরিসরে এটি আয়োজন করা হয়েছিল। এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমেই সেসময় নবপরিচিত [[পপসংগীত]]কে (এখন [[ব্যান্ডগান]]) প্রথম জাতীয় কোনো গণমাধ্যমে উপস্থাপন করা হয়। অনুষ্ঠানের গাননির্ভর ধাঁধাগুলোয় অংশ নেন পপশিল্পী [[ফেরদৌস ওয়াহিদ]], [[ফিরোজ সাঁই]], [[ফকির আলমগীর]] ও [[পিলু মমতাজ]]। অনুষ্ঠানটির শেষ পর্বে পপশিল্পী [[আজম খান]]ও উপস্থিত হন এবং তার নতুন গান &#039;&#039;আলাল ও দুলাল&#039;&#039; গেয়ে শোনান। অনুষ্ঠানটির জন্য সায়ীদ ১৯৭৭ সালে শ্রেষ্ঠ টিভি উপস্থাপকের পুরস্কার লাভ করেন।&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;আপনার ডাক্তার&#039;&#039; (১৯৭০ দশক)&lt;br /&gt;
:খ্যাতিমান ডাক্তার [[একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী]] (পরবর্তীতে বাংলাদেশের [[রাষ্ট্রপতি]]) চিকিৎসাবিষয়ক এই অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করতেন এবং এর জন্য ১৯৭৮ সালে শ্রেষ্ঠ টিভি উপস্থাপকের পুরস্কার লাভ করেন।&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;আনন্দমেলা&#039;&#039; (১৯৭৫-বর্তমান)&lt;br /&gt;
:[[আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ]] এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমেই &amp;quot;ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান&amp;quot; নামক ধারাটি সৃষ্টি করেন। শুরুতে ১৯৭৫ সালে [[ঈদ]] উপলক্ষে এই বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান তৈরি করা হয়, প্রথম ৫ বছরে এর ১০টি পর্ব প্রচারিত হয়, যার আটটি সায়ীদ করেছিলেন; পরবর্তীতে অন্য অনেকে এটি উপস্থাপনা করে চলেছেন। বিটিভি এটিকে ঈদের মূল অনুষ্ঠান হিসেবেই প্রচার করে থাকে।&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;চতুরঙ্গ&#039;&#039; (১৯৭৮-৭৯)&lt;br /&gt;
:&#039;&#039;আনন্দমেলার&#039;&#039; পর [[আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ]] এই ম্যাগাজিন অনুষ্ঠানটি শুরু করেন। নাচ, গান, নাটিকা, ধাঁধা সবকিছু মিলিয়ে নিজস্ব উপস্থাপনায় তিনি অনুষ্ঠানটিকে জনপ্রিয় করে তোলেন। এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমেই জাদুকর [[জুয়েল আইচ]] জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন।&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;ভরা নদীর বাঁকে&#039;&#039; (১৯৯০ দশক)&lt;br /&gt;
:[[মোস্তফা জামান আব্বাসী]]র উপস্থাপিত গ্রামবাংলার লোকসংগীত বিষয়ক অনুষ্ঠান।&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;[[ইত্যাদি]]&#039;&#039; (১৯৮৯-বর্তমান)&lt;br /&gt;
:[[হানিফ সংকেত|হানিফ সংকেতের]] নির্মিত ও উপস্থাপিত ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান। এটি প্রথমে পাক্ষিক, পরে মাসিক এবং এখন ত্রৈমাসিকভাবে প্রচারিত হয়; তবে ঈদ উপলক্ষে বিশেষ পর্বের আয়োজন করা হয়।&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;শুভেচ্ছা&#039;&#039; (১৯৯৭?)&lt;br /&gt;
:আবদুন নূর তুষার এই বিনোদনমূলক ম্যাগাজিন অনুষ্ঠানটি প্রচার করেন।&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;[[মাটি ও মানুষ]]&#039;&#039;&lt;br /&gt;
:[[শাইখ সিরাজ|শাইখ সিরাজের]] উপস্থাপিত কৃষিবিষয়ক অনুষ্ঠান।&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;[[সময়ের কথা]]&#039;&#039;&lt;br /&gt;
:সৈয়দ মুনির খসরুর পরিকল্পনা ও উপস্থাপনা এবং আবদুন নূর তুষারের পরিচালনায় দৈনন্দিন সামাজিক-রাজনৈতিক বিষয়ে আলোচনা, খানিকটা টকশোর মতো।&lt;br /&gt;
* [[সিসিমপুর]] (২০০৪-বর্তমান)&lt;br /&gt;
:পুতুল দিয়ে তৈরি শিশুতোষমূলক অনুষ্ঠান।&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;[[নতুন কুঁড়ি]]&#039;&#039; (১৯৬৬-,১৯৭৬-২০০৬)&lt;br /&gt;
:মুস্তফা মনোয়ারের এই অনুষ্ঠানটি ছিল মূলত শিশুশিল্পীদের নিয়ে।&lt;br /&gt;
* বিটিভি জাতীয় বিতর্ক&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;মাতৃভাষা&#039;&#039;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
=== জনপ্রিয় নাটক ===&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;মুখরা রমণী বশীকরণ&#039;&#039; (১৯৬০ দশক)&lt;br /&gt;
:[[উইলিয়াম শেক্সপিয়র|উইলিয়াম শেক্সপিয়রের]] লেখা নাটক &#039;&#039;টেমিং অফ দ্য শ্রু&#039;&#039;র অনুবাদ করেন [[মুনীর চৌধুরী]] এবং মুস্তাফা মনোয়ার সেটি নিয়ে নাটক পরিচালনা ও প্রযোজনা করেন। নাটকটিতে মূল অভিনেতা ও অভিনেত্রী ছিলেন [[গোলাম মুস্তফা]] ও আজমীরী জামান (রেশমা)।&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;[[সংশপ্তক]]&#039;&#039;&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;[[কোথাও কেউ নেই]]&#039;&#039;&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;[[আজ রবিবার]]&#039;&#039;&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;বহুব্রীহি&#039;&#039;&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;নক্ষত্রের রাত&#039;&#039;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
===আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠান প্রচার=== &lt;br /&gt;
{{div col}}&lt;br /&gt;
*স্পেলবাইন্ডার&lt;br /&gt;
*স্পেলবাইন্ডার- ল্যান্ড অফ দ্যা ড্রাগন লর্ড&lt;br /&gt;
* কেয়ার বেয়ারস&lt;br /&gt;
* ডালাস&lt;br /&gt;
* ফেয়ারী টেল থিয়েটার &lt;br /&gt;
* [[আলিফ লায়লা]]&lt;br /&gt;
* ফ্যামিলি টাইস&lt;br /&gt;
* নাইট রাইডার&lt;br /&gt;
* &#039;&#039;[[ম্যাকগাইভার]]&#039;&#039;&lt;br /&gt;
*[[gta vice city|মিয়ামি ভাইস]]&lt;br /&gt;
* পারফেক্ট স্ট্রানজারস&lt;br /&gt;
* রভেন&lt;br /&gt;
* স্মার্ফস&lt;br /&gt;
* দ্যা বিল কসবি শো&lt;br /&gt;
* দ্যা গার্ল ফ্রোম টুমোরো&lt;br /&gt;
* দ্যা টুইলাইট জোন&lt;br /&gt;
* দ্যা এক্স-ফাইলস&lt;br /&gt;
* থান্ডার ক্যাটস&lt;br /&gt;
* [[হাতিম]]&lt;br /&gt;
* টুইন পিকস&lt;br /&gt;
* [[দাই জাং গিউম|জুয়েল ইন দ্য প্যালেস]]&lt;br /&gt;
*[[রবিনহুড]]&lt;br /&gt;
*&#039;&#039;ইনক্রেডিবল হাল্ক&#039;&#039;&lt;br /&gt;
{{div col end}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
===জনপ্রিয় কার্টুন ধারাবাহিক প্রচার===&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
* [[জুমানজি]]&lt;br /&gt;
* [[গডজিলা: দ্য সিরিজ|গডজিলা]]&lt;br /&gt;
* [[উডি উডপেকার]]&lt;br /&gt;
* [[ব্যানানাস ইন পাজামাস]]&lt;br /&gt;
* [[সামুরাই এক্স]]&lt;br /&gt;
* [[ক্যাপ্টেন প্ল্যানেট]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== সম্প্রচার মাধ্যম সমূহ ==&lt;br /&gt;
এনালগ টেরিস্ট্রিয়াল সম্প্রচার: সারাদেশের সকল ট্রান্সমিশন কেন্দ্র  থেকে &amp;lt;br/&amp;gt;&lt;br /&gt;
ডিজিটাল টেরিস্ট্রিয়াল সম্প্রচার: শুধুমাত্র ঢাকা,  চট্টগ্রাম ও খুলনা ট্রান্সমিশন  কেন্দ্র থেকে &amp;lt;br/&amp;gt;&lt;br /&gt;
স্যাটেলাইট সম্প্রচার: দেশব্যাপী ও দেশের বাইরে। &amp;lt;br/&amp;gt;&lt;br /&gt;
ইন্টারনেট সম্প্রচার: btvlive.gov.bd অফিশিয়াল সম্প্রচার মাধ্যম এ&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== আরও দেখুন ==&lt;br /&gt;
* [[বাংলাদেশ টেলিভিশন স্টেশন তালিকা]]&lt;br /&gt;
== তথ্যসূত্র ==&lt;br /&gt;
{{সূত্র তালিকা}}&lt;br /&gt;
===গ্রন্থপঞ্জি===&lt;br /&gt;
* {{বই উদ্ধৃতি |শিরোনাম=আমার উপস্থাপক জীবন |শেষাংশ=সায়ীদ |প্রথমাংশ=আবদুল্লাহ আবু |লেখক-সংযোগ=আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ |বছর=2005 |প্রকাশক=সময় |অবস্থান=ঢাকা |আইএসবিএন=984-458-510-4 |ইউআরএল= |সূত্র=harv}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== বহিঃসংযোগ ==&lt;br /&gt;
* [http://www.btv.gov.bd/ বাংলাদেশ টেলিভিশনের ওয়েবসাইট]&lt;br /&gt;
* {{কমন্স বিষয়শ্রেণী-একই সরলরেখা}}&lt;br /&gt;
* {{ফেসবুক}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
{{বাংলাদেশের টেলিভিশন চ্যানেল}}&lt;br /&gt;
{{বাংলা ভাষার টেলিভিশন চ্যানেল}}&lt;br /&gt;
{{তথ্য মন্ত্রণালয় (বাংলাদেশ)}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের সরকারি টেলিভিশন]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের টেলিভিশন চ্যানেল]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলা ভাষার টেলিভিশন চ্যানেল]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৬৪-এ প্রতিষ্ঠিত টেলিভিশন চ্যানেল ও স্টেশন]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:ঢাকার গণমাধ্যম]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশ টেলিভিশন]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশে টেলিভিশন]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:পাকিস্তান টেলিভিশন কর্পোরেশন]]&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় (বাংলাদেশ)]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Protik Sikder</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A6%A4%E0%A6%B2%E0%A7%80_%E0%A6%95%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%9C&amp;diff=11364</id>
		<title>পাহাড়তলী কলেজ</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A6%A4%E0%A6%B2%E0%A7%80_%E0%A6%95%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%9C&amp;diff=11364"/>
		<updated>2025-02-17T07:19:00Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Protik Sikder: &amp;quot;পাহাড়তলী কলেজ&amp;quot; সুরক্ষিত করা হয়েছে: অতিরিক্ত ধ্বংসপ্রবণতা ([সম্পাদনা=শুধুমাত্র প্রশাসকদের জন্য অনুমোদিত] (অসীম)) [প্রপাতাকার]&lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;&#039;&#039;&#039;পাহাড়তলী ডিগ্রি কলেজ&#039;&#039;&#039; [[চট্টগ্রাম]]ে অবস্থিত একটি স্নাতক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এটি ১৯৬৫ খ্রিষ্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি [[জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়]]ের অধিভুক্ত।কলেজটিতে বিজ্ঞান,ব্যবসায় শিক্ষা,মানবিক বিভাগে পড়ানো হয়।&amp;lt;ref&amp;gt;[http://institute.alormela.org/bangladesh/chittagong/chittagong-dist/national-university-college/1662-pahartali-college-chittagong পাহাড়তলী কলেজ]&amp;lt;/ref&amp;gt;&amp;lt;ref&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি|শিরোনাম=Pahartali College|ইউআরএল=https://www.nubd.info/college/college.php?code=4342|কর্ম=National University Info|ভাষা=en}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== কলেজ ভবন ==&lt;br /&gt;
•মূল ভবন (দুইতলা বিশিষ্ট বৃহৎ এই ভবনে একই সাথে বিজ্ঞান,ব্যবসা,মানবিক,লাইব্রেরী,ল্যাব ও ডিগ্রি শাখার কিছু কার্যক্রম পরিচালিত হয়)&lt;br /&gt;
•আইসিটি ভবন (পাঁচ তলা বিশিষ্ট)&lt;br /&gt;
•বিজ্ঞান ভবন (তিনতলা বিশিষ্ট)&lt;br /&gt;
==মাঠ==&lt;br /&gt;
কলেজটিতে মূল ভবনের সামনে বড় একটি মাঠ রয়েছে।&lt;br /&gt;
==কৃতি শিক্ষার্থী==&lt;br /&gt;
== অনুষদ ও বিভাগসমূহ ==&lt;br /&gt;
বিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা,সমাজবিজ্ঞান অনুষদের প্রায় ১৩ টি বিষয়ে এখানে পড়ানো হয়ে থাকে।&lt;br /&gt;
=== উচ্চমাধ্যমিক ===&lt;br /&gt;
* বিজ্ঞান&lt;br /&gt;
* ব্যবসায় শিক্ষা&lt;br /&gt;
* মানবিক&lt;br /&gt;
=== স্নাতক(পাস) ===&lt;br /&gt;
* বিএ(পাস)&lt;br /&gt;
* বিএসএস(পাস)&lt;br /&gt;
* বিবিএস(পাস)&lt;br /&gt;
==তথ্যসূত্র==&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Protik Sikder</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A6%A4%E0%A6%B2%E0%A7%80_%E0%A6%95%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%9C&amp;diff=11363</id>
		<title>পাহাড়তলী কলেজ</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A6%A4%E0%A6%B2%E0%A7%80_%E0%A6%95%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%9C&amp;diff=11363"/>
		<updated>2025-02-17T07:18:24Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Protik Sikder: &amp;quot;&amp;#039;&amp;#039;&amp;#039;পাহাড়তলী ডিগ্রি কলেজ&amp;#039;&amp;#039;&amp;#039; চট্টগ্রামে অবস্থিত একটি স্নাতক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এটি ১৯৬৫ খ্রিষ্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত।কলেজটিতে বি...&amp;quot; দিয়ে পাতা তৈরি&lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;&#039;&#039;&#039;পাহাড়তলী ডিগ্রি কলেজ&#039;&#039;&#039; [[চট্টগ্রাম]]ে অবস্থিত একটি স্নাতক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এটি ১৯৬৫ খ্রিষ্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি [[জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়]]ের অধিভুক্ত।কলেজটিতে বিজ্ঞান,ব্যবসায় শিক্ষা,মানবিক বিভাগে পড়ানো হয়।&amp;lt;ref&amp;gt;[http://institute.alormela.org/bangladesh/chittagong/chittagong-dist/national-university-college/1662-pahartali-college-chittagong পাহাড়তলী কলেজ]&amp;lt;/ref&amp;gt;&amp;lt;ref&amp;gt;{{সংবাদ উদ্ধৃতি|শিরোনাম=Pahartali College|ইউআরএল=https://www.nubd.info/college/college.php?code=4342|কর্ম=National University Info|ভাষা=en}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== কলেজ ভবন ==&lt;br /&gt;
•মূল ভবন (দুইতলা বিশিষ্ট বৃহৎ এই ভবনে একই সাথে বিজ্ঞান,ব্যবসা,মানবিক,লাইব্রেরী,ল্যাব ও ডিগ্রি শাখার কিছু কার্যক্রম পরিচালিত হয়)&lt;br /&gt;
•আইসিটি ভবন (পাঁচ তলা বিশিষ্ট)&lt;br /&gt;
•বিজ্ঞান ভবন (তিনতলা বিশিষ্ট)&lt;br /&gt;
==মাঠ==&lt;br /&gt;
কলেজটিতে মূল ভবনের সামনে বড় একটি মাঠ রয়েছে।&lt;br /&gt;
==কৃতি শিক্ষার্থী==&lt;br /&gt;
== অনুষদ ও বিভাগসমূহ ==&lt;br /&gt;
বিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা,সমাজবিজ্ঞান অনুষদের প্রায় ১৩ টি বিষয়ে এখানে পড়ানো হয়ে থাকে।&lt;br /&gt;
=== উচ্চমাধ্যমিক ===&lt;br /&gt;
* বিজ্ঞান&lt;br /&gt;
* ব্যবসায় শিক্ষা&lt;br /&gt;
* মানবিক&lt;br /&gt;
=== স্নাতক(পাস) ===&lt;br /&gt;
* বিএ(পাস)&lt;br /&gt;
* বিএসএস(পাস)&lt;br /&gt;
* বিবিএস(পাস)&lt;br /&gt;
==তথ্যসূত্র==&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Protik Sikder</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%9C_%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%A1%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE&amp;diff=11362</id>
		<title>জাজ মাল্টিমিডিয়া</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%9C_%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%A1%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE&amp;diff=11362"/>
		<updated>2025-02-17T07:10:07Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Protik Sikder: &amp;quot;জাজ মাল্টিমিডিয়া&amp;quot; সুরক্ষিত করা হয়েছে ([সম্পাদনা=শুধুমাত্র প্রশাসকদের জন্য অনুমোদিত] (অসীম) [স্থানান্তর=শুধুমাত্র প্রশাসকদের জন্য অনুমোদিত] (অসীম))&lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;&#039;&#039;&#039;জাজ মাল্টিমিডিয়া&#039;&#039;&#039; বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম চলচ্চিত্র প্রযোজনা ও পরিবেশনা প্রতিষ্ঠান। এটি চলচ্চিত্র নির্মাণ, প্রযোজনা, পরিবেশন এবং অন্যান্য মিডিয়া সম্পর্কিত কাজের জন্য পরিচিত। প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশে আধুনিক চলচ্চিত্র শিল্পের অন্যতম পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ করছে এবং জনপ্রিয় চলচ্চিত্রগুলোর প্রযোজনা, পরিবেশন ও বাণিজ্যিক সফলতায় বিশাল ভূমিকা রেখেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== প্রতিষ্ঠা এবং কার্যক্রম: ==&lt;br /&gt;
জাজ মাল্টিমিডিয়া ২০০৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ছিলেন &#039;&#039;&#039;আলমগীর কবির&#039;&#039;&#039;। প্রতিষ্ঠানটি প্রথম থেকেই চলচ্চিত্রের নতুন ধারার প্রযোজনা ও পরিবেশনা শুরু করে। এটি তৃতীয় বিশ্বের চলচ্চিত্র শিল্পের সাথে সংযুক্ত হতে চেয়েছিল এবং চলচ্চিত্রের গুণগত মানের উন্নয়ন ঘটাতে চেয়েছিল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র: ==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
* &#039;&#039;&#039;অপারেশন এক্স&#039;&#039;&#039; (২০১৮)&lt;br /&gt;
* &#039;&#039;&#039;ঢাকা অ্যাটাক&#039;&#039;&#039; (২০১৭)&lt;br /&gt;
* &#039;&#039;&#039;যুদ্ধ&#039;&#039;&#039; (২০২২)&lt;br /&gt;
* &#039;&#039;&#039;পদ্মাপুরাণ&#039;&#039;&#039; (২০২৩)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== প্রতিষ্ঠানটির বৈশিষ্ট্য: ==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
* &#039;&#039;&#039;বাণিজ্যিক প্রযোজনা:&#039;&#039;&#039; জাজ মাল্টিমিডিয়া মূলত বাণিজ্যিক চলচ্চিত্র প্রযোজনা করে থাকে, যা বিশেষ করে কমার্শিয়াল দর্শকদের আকর্ষণ করতে সফল।&lt;br /&gt;
* &#039;&#039;&#039;নতুন প্রযুক্তি ব্যবহারের প্রচেষ্টা:&#039;&#039;&#039; চলচ্চিত্র নির্মাণে নতুন প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটি আধুনিক প্রযুক্তি এবং বিশেষ ইফেক্ট ব্যবহার করে চলচ্চিত্রের মান উন্নয়নে কাজ করছে।&lt;br /&gt;
* &#039;&#039;&#039;দেশীয় শিল্পের প্রচারণা:&#039;&#039;&#039; জাজ মাল্টিমিডিয়া দেশীয় চলচ্চিত্র শিল্পের প্রচারে ও বিকাশে বড় ভূমিকা পালন করছে এবং আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে অংশ নিচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জাজ মাল্টিমিডিয়া বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্পের প্রযোজনা, পরিবেশন ও বিতরণের ক্ষেত্রে অন্যতম শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে উঠেছে।&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Protik Sikder</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A6%BE_%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%A8&amp;diff=11339</id>
		<title>লোহাগাড়া ইউনিয়ন</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A6%BE_%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%A8&amp;diff=11339"/>
		<updated>2025-02-15T09:39:02Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Protik Sikder: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;*[[লোহাগড়া ইউনিয়ন]] এর সাথে মিলিয়ে ফেলবেন না।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;লোহাগাড়া&#039;&#039;&#039; [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশের]] [[চট্টগ্রাম জেলা]]র অন্তর্গত [[লোহাগাড়া উপজেলা]]র একটি [[ইউনিয়ন]]।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== আয়তন ==&lt;br /&gt;
লোহাগাড়া ইউনিয়নের আয়তন ২,৭৭৬ একর (১১.২৩ বর্গ কিলোমিটার)। আয়তনের দিক থেকে এটি লোহাগাড়া উপজেলার সবচেয়ে ছোট ইউনিয়ন।&amp;lt;ref name=&amp;quot;ইউনিয়ন পরিসংখ্যান&amp;quot;&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি |শিরোনাম=ইউনিয়ন পরিসংখ্যান সংক্রান্ত জাতীয় তথ্য |ইউআরএল=http://www.bbs.gov.bd/WebTestApplication/userfiles/Image/National%20Reports/Union%20Statistics.pdf |ওয়েবসাইট=web.archive.org |প্রকাশক=Wayback Machine |সংগ্রহের-তারিখ=১৪ মার্চ ২০২০ |আর্কাইভের-তারিখ=৮ ডিসেম্বর ২০১৫ |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20151208044832/http://www.bbs.gov.bd/WebTestApplication/userfiles/Image/National%20Reports/Union%20Statistics.pdf |ইউআরএল-অবস্থা=bot: unknown }}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== জনসংখ্যার উপাত্ত ==&lt;br /&gt;
[[বাংলাদেশের আদমশুমারি ও গৃহগণনা-২০১১|২০১১ সালের আদমশুমারি]] অনুযায়ী লোহাগাড়া ইউনিয়নের মোট জনসংখ্যা ৩৫,০১০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১৭,৭৫০ জন এবং মহিলা ১৭,২৬০ জন। মোট পরিবার ৬,৭০৭টি।&amp;lt;ref name=&amp;quot;ইউনিয়ন পরিসংখ্যান&amp;quot;/&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== ইতিহাস ==&lt;br /&gt;
লোহাগাড়া ইউনিয়ন ১৯৬৮ সালে ১৮নং কাউন্সিল হিসেবে [[সাতকানিয়া উপজেলা]]র অন্তর্ভুক্ত ছিল। ১৯৮৩ সালে বিভক্ত হওয়ার পর থেকে লোহাগাড়া উপজেলার অধীনে ৬নং লোহাগাড়া ইউনিয়ন পরিষদ হিসেবে কার্যক্রম শুরু করে।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://lohagaraup.chittagong.gov.bd/site/page/9d952c3f-2144-11e7-8f57-286ed488c766|শিরোনাম=লোহাগাড়া ইউনিয়নের ইতিহাস - লোহাগাড়া ইউনিয়ন - লোহাগাড়া ইউনিয়ন|কর্ম=lohagaraup.chittagong.gov.bd|সংগ্রহের-তারিখ=৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭|আর্কাইভের-তারিখ=১৯ মে ২০২০|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20200519113755/http://lohagaraup.chittagong.gov.bd/site/page/9d952c3f-2144-11e7-8f57-286ed488c766|ইউআরএল-অবস্থা=অকার্যকর}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==তথ্যসূত্র==&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Protik Sikder</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A6%BE_%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%A8&amp;diff=11338</id>
		<title>লোহাগড়া ইউনিয়ন</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A6%BE_%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%A8&amp;diff=11338"/>
		<updated>2025-02-15T09:38:05Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Protik Sikder: &amp;quot;লোহাগড়া ইউনিয়ন&amp;quot; সুরক্ষিত করা হয়েছে ([সম্পাদনা=শুধুমাত্র প্রশাসকদের জন্য অনুমোদিত] (অসীম) [স্থানান্তর=শুধুমাত্র প্রশাসকদের জন্য অনুমোদিত] (অসীম)) [প্রপাতাকার]&lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;*[[লোহাগাড়া ইউনিয়ন]] এর সাথে মিলিয়ে ফেলবেন না।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;লোহাগড়া ইউনিয়ন&#039;&#039;&#039; [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশের]] [[খুলনা বিভাগ|খুলনা বিভাগের]] [[নড়াইল জেলা|নড়াইল জেলার]] [[লোহাগড়া উপজেলা|লোহাগড়া উপজেলার]] একটি প্রশাসনিক অঞ্চল।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://lohagoraup.bagerhat.gov.bd/|শিরোনাম=লোহাগড়া ইউনিয়ন|শেষাংশ=|প্রথমাংশ=|তারিখ=|ওয়েবসাইট=বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20200527132540/http://lohagoraup.bagerhat.gov.bd/|আর্কাইভের-তারিখ=২০২০-০৫-২৭|সংগ্রহের-তারিখ=2019-08-15|ইউআরএল-অবস্থা=অকার্যকর}}&amp;lt;/ref&amp;gt; এটি ২৫.৯০ কিমি২ (১০.০০ বর্গমাইল) এলাকা জুড়ে অবস্থিত এবং ২০১১ সালের আদমশুমারীর হিসাব অনুযায়ী এখানকার জনসংখ্যা ছিল প্রায়  ৯,৭০০ জন।&amp;lt;ref name=&amp;quot;আদমশুমারী&amp;quot;&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি | সংগ্রহের-তারিখ=2020-02-16 |  ইউআরএল = http://www.bbs.gov.bd | শিরোনাম = বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==ভৌগোলিক অবস্থান==&lt;br /&gt;
ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী ইউনিয়নটির উত্তরে ও পুর্বে মধুমতী নদী, দক্ষিণে-মল্লিকুপর ইউনিয়ন ও লোহাগড়া পৌরসভা, পশ্চিমে জয়পুর ইউনিয়ন অবস্থিত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==তথ্যসূত্র==&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Protik Sikder</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A6%BE_%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%A8&amp;diff=11337</id>
		<title>লোহাগড়া ইউনিয়ন</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A6%BE_%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%A8&amp;diff=11337"/>
		<updated>2025-02-15T09:37:51Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Protik Sikder: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;*[[লোহাগাড়া ইউনিয়ন]] এর সাথে মিলিয়ে ফেলবেন না।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;লোহাগড়া ইউনিয়ন&#039;&#039;&#039; [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশের]] [[খুলনা বিভাগ|খুলনা বিভাগের]] [[নড়াইল জেলা|নড়াইল জেলার]] [[লোহাগড়া উপজেলা|লোহাগড়া উপজেলার]] একটি প্রশাসনিক অঞ্চল।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://lohagoraup.bagerhat.gov.bd/|শিরোনাম=লোহাগড়া ইউনিয়ন|শেষাংশ=|প্রথমাংশ=|তারিখ=|ওয়েবসাইট=বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20200527132540/http://lohagoraup.bagerhat.gov.bd/|আর্কাইভের-তারিখ=২০২০-০৫-২৭|সংগ্রহের-তারিখ=2019-08-15|ইউআরএল-অবস্থা=অকার্যকর}}&amp;lt;/ref&amp;gt; এটি ২৫.৯০ কিমি২ (১০.০০ বর্গমাইল) এলাকা জুড়ে অবস্থিত এবং ২০১১ সালের আদমশুমারীর হিসাব অনুযায়ী এখানকার জনসংখ্যা ছিল প্রায়  ৯,৭০০ জন।&amp;lt;ref name=&amp;quot;আদমশুমারী&amp;quot;&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি | সংগ্রহের-তারিখ=2020-02-16 |  ইউআরএল = http://www.bbs.gov.bd | শিরোনাম = বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==ভৌগোলিক অবস্থান==&lt;br /&gt;
ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী ইউনিয়নটির উত্তরে ও পুর্বে মধুমতী নদী, দক্ষিণে-মল্লিকুপর ইউনিয়ন ও লোহাগড়া পৌরসভা, পশ্চিমে জয়পুর ইউনিয়ন অবস্থিত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==তথ্যসূত্র==&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Protik Sikder</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A6%BE_%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%A8&amp;diff=11336</id>
		<title>লোহাগড়া ইউনিয়ন</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A6%BE_%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%A8&amp;diff=11336"/>
		<updated>2025-02-15T09:37:37Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Protik Sikder: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;*[[লোহাগাড়া ইউনিয়ন]] এর সাথে মিলিয়ে ফেলবেন না।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;লোহাগড়া ইউনিয়ন&#039;&#039;&#039; [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশের]] [[খুলনা বিভাগ|খুলনা বিভাগের]] [[নড়াইল জেলা|নড়াইল জেলার]] [[লোহাগড়া উপজেলা|লোহাগড়া উপজেলার]] একটি প্রশাসনিক অঞ্চল।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://lohagoraup.bagerhat.gov.bd/|শিরোনাম=লোহাগড়া ইউনিয়ন|শেষাংশ=|প্রথমাংশ=|তারিখ=|ওয়েবসাইট=বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20200527132540/http://lohagoraup.bagerhat.gov.bd/|আর্কাইভের-তারিখ=২০২০-০৫-২৭|সংগ্রহের-তারিখ=2019-08-15|ইউআরএল-অবস্থা=অকার্যকর}}&amp;lt;/ref&amp;gt; এটি ২৫.৯০ কিমি২ (১০.০০ বর্গমাইল) এলাকা জুড়ে অবস্থিত এবং ২০১১ সালের আদমশুমারীর হিসাব অনুযায়ী এখানকার জনসংখ্যা ছিল প্রায়  ৯,৭০০ জন।&amp;lt;ref name=&amp;quot;আদমশুমারী&amp;quot;&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি | সংগ্রহের-তারিখ=2020-02-16 |  ইউআরএল = http://www.bbs.gov.bd | শিরোনাম = বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==ভৌগোলিক অবস্থান==&lt;br /&gt;
ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী ইউনিয়নটির উত্তরে ও পুর্বে মধুমতী নদী, দক্ষিণে-মল্লিকুপর ইউনিয়ন ও লোহাগড়া পৌরসভা, পশ্চিমে জয়পুর ইউনিয়ন অবস্থিত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==তথ্যসূত্র==&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Protik Sikder</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A6%BE_%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%A8&amp;diff=11335</id>
		<title>লোহাগড়া ইউনিয়ন</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A6%BE_%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%A8&amp;diff=11335"/>
		<updated>2025-02-15T09:37:13Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Protik Sikder: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;=== [[লোহাগাড়া ইউনিয়ন]] এর সাথে মিলিয়ে ফেলবেন না। ===&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;লোহাগড়া ইউনিয়ন&#039;&#039;&#039; [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশের]] [[খুলনা বিভাগ|খুলনা বিভাগের]] [[নড়াইল জেলা|নড়াইল জেলার]] [[লোহাগড়া উপজেলা|লোহাগড়া উপজেলার]] একটি প্রশাসনিক অঞ্চল।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://lohagoraup.bagerhat.gov.bd/|শিরোনাম=লোহাগড়া ইউনিয়ন|শেষাংশ=|প্রথমাংশ=|তারিখ=|ওয়েবসাইট=বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20200527132540/http://lohagoraup.bagerhat.gov.bd/|আর্কাইভের-তারিখ=২০২০-০৫-২৭|সংগ্রহের-তারিখ=2019-08-15|ইউআরএল-অবস্থা=অকার্যকর}}&amp;lt;/ref&amp;gt; এটি ২৫.৯০ কিমি২ (১০.০০ বর্গমাইল) এলাকা জুড়ে অবস্থিত এবং ২০১১ সালের আদমশুমারীর হিসাব অনুযায়ী এখানকার জনসংখ্যা ছিল প্রায়  ৯,৭০০ জন।&amp;lt;ref name=&amp;quot;আদমশুমারী&amp;quot;&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি | সংগ্রহের-তারিখ=2020-02-16 |  ইউআরএল = http://www.bbs.gov.bd | শিরোনাম = বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==ভৌগোলিক অবস্থান==&lt;br /&gt;
ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী ইউনিয়নটির উত্তরে ও পুর্বে মধুমতী নদী, দক্ষিণে-মল্লিকুপর ইউনিয়ন ও লোহাগড়া পৌরসভা, পশ্চিমে জয়পুর ইউনিয়ন অবস্থিত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==তথ্যসূত্র==&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Protik Sikder</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A6%BE_%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%A8&amp;diff=11334</id>
		<title>লোহাগড়া ইউনিয়ন</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A6%BE_%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%A8&amp;diff=11334"/>
		<updated>2025-02-15T09:36:05Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Protik Sikder: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;[[লোহাগাড়া ইউনিয়ন]] এর সাথে মিলিয়ে ফেলবেন না।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;লোহাগড়া ইউনিয়ন&#039;&#039;&#039; [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশের]] [[খুলনা বিভাগ|খুলনা বিভাগের]] [[নড়াইল জেলা|নড়াইল জেলার]] [[লোহাগড়া উপজেলা|লোহাগড়া উপজেলার]] একটি প্রশাসনিক অঞ্চল।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://lohagoraup.bagerhat.gov.bd/|শিরোনাম=লোহাগড়া ইউনিয়ন|শেষাংশ=|প্রথমাংশ=|তারিখ=|ওয়েবসাইট=বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20200527132540/http://lohagoraup.bagerhat.gov.bd/|আর্কাইভের-তারিখ=২০২০-০৫-২৭|সংগ্রহের-তারিখ=2019-08-15|ইউআরএল-অবস্থা=অকার্যকর}}&amp;lt;/ref&amp;gt; এটি ২৫.৯০ কিমি২ (১০.০০ বর্গমাইল) এলাকা জুড়ে অবস্থিত এবং ২০১১ সালের আদমশুমারীর হিসাব অনুযায়ী এখানকার জনসংখ্যা ছিল প্রায়  ৯,৭০০ জন।&amp;lt;ref name=&amp;quot;আদমশুমারী&amp;quot;&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি | সংগ্রহের-তারিখ=2020-02-16 |  ইউআরএল = http://www.bbs.gov.bd | শিরোনাম = বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==ভৌগোলিক অবস্থান==&lt;br /&gt;
ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী ইউনিয়নটির উত্তরে ও পুর্বে মধুমতী নদী, দক্ষিণে-মল্লিকুপর ইউনিয়ন ও লোহাগড়া পৌরসভা, পশ্চিমে জয়পুর ইউনিয়ন অবস্থিত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==তথ্যসূত্র==&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Protik Sikder</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A6%BE_%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%A8&amp;diff=11333</id>
		<title>লোহাগড়া ইউনিয়ন</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A6%BE_%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%A8&amp;diff=11333"/>
		<updated>2025-02-15T09:35:26Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Protik Sikder: &amp;quot;&amp;#039;&amp;#039;&amp;#039;লোহাগড়া ইউনিয়ন&amp;#039;&amp;#039;&amp;#039; বাংলাদেশের খুলনা বিভাগের নড়াইল জেলার লোহাগড়া উপজেলার একটি প্রশাসনিক অঞ্চল।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃ...&amp;quot; দিয়ে পাতা তৈরি&lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;&#039;&#039;&#039;লোহাগড়া ইউনিয়ন&#039;&#039;&#039; [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশের]] [[খুলনা বিভাগ|খুলনা বিভাগের]] [[নড়াইল জেলা|নড়াইল জেলার]] [[লোহাগড়া উপজেলা|লোহাগড়া উপজেলার]] একটি প্রশাসনিক অঞ্চল।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://lohagoraup.bagerhat.gov.bd/|শিরোনাম=লোহাগড়া ইউনিয়ন|শেষাংশ=|প্রথমাংশ=|তারিখ=|ওয়েবসাইট=বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20200527132540/http://lohagoraup.bagerhat.gov.bd/|আর্কাইভের-তারিখ=২০২০-০৫-২৭|সংগ্রহের-তারিখ=2019-08-15|ইউআরএল-অবস্থা=অকার্যকর}}&amp;lt;/ref&amp;gt; এটি ২৫.৯০ কিমি২ (১০.০০ বর্গমাইল) এলাকা জুড়ে অবস্থিত এবং ২০১১ সালের আদমশুমারীর হিসাব অনুযায়ী এখানকার জনসংখ্যা ছিল প্রায়  ৯,৭০০ জন।&amp;lt;ref name=&amp;quot;আদমশুমারী&amp;quot;&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি | সংগ্রহের-তারিখ=2020-02-16 |  ইউআরএল = http://www.bbs.gov.bd | শিরোনাম = বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==ভৌগোলিক অবস্থান==&lt;br /&gt;
ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী ইউনিয়নটির উত্তরে ও পুর্বে মধুমতী নদী, দক্ষিণে-মল্লিকুপর ইউনিয়ন ও লোহাগড়া পৌরসভা, পশ্চিমে জয়পুর ইউনিয়ন অবস্থিত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==তথ্যসূত্র==&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Protik Sikder</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A6%BE_%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%A8&amp;diff=11332</id>
		<title>লোহাগাড়া ইউনিয়ন</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A6%BE_%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%A8&amp;diff=11332"/>
		<updated>2025-02-15T09:34:03Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Protik Sikder: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;[[লোহাগড়া ইউনিয়ন]] এর সাথে মিলিয়ে ফেলবেন না।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;লোহাগাড়া&#039;&#039;&#039; [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশের]] [[চট্টগ্রাম জেলা]]র অন্তর্গত [[লোহাগাড়া উপজেলা]]র একটি [[ইউনিয়ন]]।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== আয়তন ==&lt;br /&gt;
লোহাগাড়া ইউনিয়নের আয়তন ২,৭৭৬ একর (১১.২৩ বর্গ কিলোমিটার)। আয়তনের দিক থেকে এটি লোহাগাড়া উপজেলার সবচেয়ে ছোট ইউনিয়ন।&amp;lt;ref name=&amp;quot;ইউনিয়ন পরিসংখ্যান&amp;quot;&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি |শিরোনাম=ইউনিয়ন পরিসংখ্যান সংক্রান্ত জাতীয় তথ্য |ইউআরএল=http://www.bbs.gov.bd/WebTestApplication/userfiles/Image/National%20Reports/Union%20Statistics.pdf |ওয়েবসাইট=web.archive.org |প্রকাশক=Wayback Machine |সংগ্রহের-তারিখ=১৪ মার্চ ২০২০ |আর্কাইভের-তারিখ=৮ ডিসেম্বর ২০১৫ |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20151208044832/http://www.bbs.gov.bd/WebTestApplication/userfiles/Image/National%20Reports/Union%20Statistics.pdf |ইউআরএল-অবস্থা=bot: unknown }}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== জনসংখ্যার উপাত্ত ==&lt;br /&gt;
[[বাংলাদেশের আদমশুমারি ও গৃহগণনা-২০১১|২০১১ সালের আদমশুমারি]] অনুযায়ী লোহাগাড়া ইউনিয়নের মোট জনসংখ্যা ৩৫,০১০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১৭,৭৫০ জন এবং মহিলা ১৭,২৬০ জন। মোট পরিবার ৬,৭০৭টি।&amp;lt;ref name=&amp;quot;ইউনিয়ন পরিসংখ্যান&amp;quot;/&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== ইতিহাস ==&lt;br /&gt;
লোহাগাড়া ইউনিয়ন ১৯৬৮ সালে ১৮নং কাউন্সিল হিসেবে [[সাতকানিয়া উপজেলা]]র অন্তর্ভুক্ত ছিল। ১৯৮৩ সালে বিভক্ত হওয়ার পর থেকে লোহাগাড়া উপজেলার অধীনে ৬নং লোহাগাড়া ইউনিয়ন পরিষদ হিসেবে কার্যক্রম শুরু করে।&amp;lt;ref&amp;gt;{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://lohagaraup.chittagong.gov.bd/site/page/9d952c3f-2144-11e7-8f57-286ed488c766|শিরোনাম=লোহাগাড়া ইউনিয়নের ইতিহাস - লোহাগাড়া ইউনিয়ন - লোহাগাড়া ইউনিয়ন|কর্ম=lohagaraup.chittagong.gov.bd|সংগ্রহের-তারিখ=৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭|আর্কাইভের-তারিখ=১৯ মে ২০২০|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20200519113755/http://lohagaraup.chittagong.gov.bd/site/page/9d952c3f-2144-11e7-8f57-286ed488c766|ইউআরএল-অবস্থা=অকার্যকর}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==তথ্যসূত্র==&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Protik Sikder</name></author>
	</entry>
</feed>