<?xml version="1.0"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom" xml:lang="bn">
	<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?action=history&amp;feed=atom&amp;title=%E0%A6%9C%E0%A6%97%E0%A7%8E_%28%E0%A6%9C%E0%A7%80%E0%A6%AC%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%29</id>
	<title>জগৎ (জীববিদ্যা) - সংশোধনের ইতিহাস</title>
	<link rel="self" type="application/atom+xml" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?action=history&amp;feed=atom&amp;title=%E0%A6%9C%E0%A6%97%E0%A7%8E_%28%E0%A6%9C%E0%A7%80%E0%A6%AC%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%29"/>
	<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%9C%E0%A6%97%E0%A7%8E_(%E0%A6%9C%E0%A7%80%E0%A6%AC%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE)&amp;action=history"/>
	<updated>2026-10-09T18:17:18Z</updated>
	<subtitle>এই উইকিতে এই পাতার সংশোধনের ইতিহাস</subtitle>
	<generator>MediaWiki 1.42.3</generator>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%9C%E0%A6%97%E0%A7%8E_(%E0%A6%9C%E0%A7%80%E0%A6%AC%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE)&amp;diff=12568&amp;oldid=prev</id>
		<title>কবুতর: &quot;{{জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণিবিন্যাস}} &#039;&#039;&#039;জগৎ&#039;&#039;&#039; বা &#039;&#039;&#039;রাজ্য&#039;&#039;&#039; হচ্ছে জীববিদ্যার একটি বিশেষ শ্রেণিবিন্যাসবিদ্যার দ্বিতীয় বৃহত্তম ট্যাক্সনমিক ধাপ যা বর্গের উপরে ও ...&quot; দিয়ে পাতা তৈরি</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%9C%E0%A6%97%E0%A7%8E_(%E0%A6%9C%E0%A7%80%E0%A6%AC%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE)&amp;diff=12568&amp;oldid=prev"/>
		<updated>2025-03-11T01:18:34Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;&amp;quot;{{জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণিবিন্যাস}} &amp;#039;&amp;#039;&amp;#039;জগৎ&amp;#039;&amp;#039;&amp;#039; বা &amp;#039;&amp;#039;&amp;#039;রাজ্য&amp;#039;&amp;#039;&amp;#039; হচ্ছে জীববিদ্যার একটি বিশেষ শ্রেণিবিন্যাসবিদ্যার দ্বিতীয় বৃহত্তম &lt;a href=&quot;/index.php?title=%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B8%E0%A6%A8%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%95_%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%AA&amp;amp;action=edit&amp;amp;redlink=1&quot; class=&quot;new&quot; title=&quot;ট্যাক্সনমিক ধাপ (পাতার অস্তিত্ব নেই)&quot;&gt;ট্যাক্সনমিক ধাপ&lt;/a&gt; যা &lt;a href=&quot;/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%97_(%E0%A6%9C%E0%A7%80%E0%A6%AC%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE)&quot; title=&quot;বর্গ (জীববিদ্যা)&quot;&gt;বর্গের&lt;/a&gt; উপরে ও ...&amp;quot; দিয়ে পাতা তৈরি&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;b&gt;নতুন পাতা&lt;/b&gt;&lt;/p&gt;&lt;div&gt;{{জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণিবিন্যাস}}&lt;br /&gt;
&amp;#039;&amp;#039;&amp;#039;জগৎ&amp;#039;&amp;#039;&amp;#039; বা &amp;#039;&amp;#039;&amp;#039;রাজ্য&amp;#039;&amp;#039;&amp;#039; হচ্ছে জীববিদ্যার একটি বিশেষ শ্রেণিবিন্যাসবিদ্যার দ্বিতীয় বৃহত্তম [[ট্যাক্সনমিক ধাপ]] যা [[বর্গ (জীববিদ্যা)|বর্গের]] উপরে ও [[পর্ব (জীববিদ্যা)|পর্বের]] নিচে অবস্থান করে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সভ্যতার শুরু থেকে এ পর্যন্ত জীবজগতকে শ্রেণিবিন্যাস করার জন্য বহু উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শুরুতে শ্রেণিবিন্যাসের ভিত্তি বিজ্ঞানসম্মত ছিল না। তখন শ্রেণিবিন্যাস ছিল মূলত আমাদের প্রয়োজন ভিত্তিক। যেমনঃ খাদ্য, আশ্রয় এবং পোষাকের জন্য। [[আইজাক নিউটন|নিউটন]] সর্বপ্রথম কিছুটা বিজ্ঞানসম্মত ভিত্তির উপর শ্রেণিবিন্যাস করার উদ্যোগ নেন। তিনি কিছু সাধারণ অঙ্গসংস্থানগত (morphological) বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে উদ্ভিদদের তিনটি বিভাগে ভাগ করেন - বৃক্ষ (trees), গুল্ম (shrubs) এবং লতা (herbs)। তিনি প্রাণীদের দুটি বিভাগে ভাগ করেন - লাল রক্তযুক্ত প্রাণী এবং লাল রক্তবিহীন প্রাণী। [[কার্ল লিনিয়াস|ক্যরোলাস লিনিয়াসের]] সময়ে [[উদ্ভিদ জগৎ]] এবং [[প্রাণী জগৎ]] - এই দুই রাজ্যের শ্রেণিবিন্যাস গঠিত হয়। এই দুই রাজ্যের শ্রেণিবিন্যাস বিংশ শতক পর্যন্ত ব্যবহৃত হয়েছে। কিন্তু, এই দুই রাজ্যের শ্রেণিবিন্যাস পদ্ধতি [[প্রোক্যারিওট]] এবং [[ইউক্যারিওটদের]], এককোষী এবং বহুকোষীদের, সালোকসংশ্লেষকারী ([[সবুজ শৈবাল]]) এবং ক্লোরোফিলবিহীন পরভোজী ([[ছত্রাক]]) জীবদের পৃথক করেনি। জীবজগতকে উদ্ভিদ রাজ্যে এবং প্রাণী রাজ্যে শ্রেণিবিন্যাস খুব সরলভাবে করা হয়েছিল এবং বুঝতেও সহজ ছিল। কিন্তু, বিপুল সংখ্যক জীব উদ্ভিদ বা প্রাণী রাজ্যের একটার মধ্যেও পড়ছিল না। তাই, দীর্ঘকাল যাবৎ ব্যবহৃত হওয়া দুই রাজ্যের শ্রেণিবিন্যাস পদ্ধতি অপর্যাপ্ত বলে পরিগণিত হল। জীব জগতকে পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে ৷ যথাঃ&lt;br /&gt;
# [[মনেরা]]&lt;br /&gt;
# [[প্রোটিস্টা]]&lt;br /&gt;
# [[ছত্রাক]]&lt;br /&gt;
# [[প্লান্টি]]&lt;br /&gt;
# [[অ্যানিম্যালিয়া]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== ইতিহাস ==&lt;br /&gt;
=== দুই রাজ্য ===&lt;br /&gt;
জীবকে কিছু শ্রেণিতে ভাগ করার প্রয়াস আদিকাল থেকেই  চলে আসছে। [[এরিস্টটল|অ্যারিস্টটল]] (৩৮৪-৩২২ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ) তার রচিত &amp;#039;&amp;#039;‘হিস্টোরিয়া এনিমেলিয়াম’&amp;#039;&amp;#039; গ্রন্থে প্রাণীদেরকে [[শ্রেণিবিন্যাসবিদ্যা (জীববিজ্ঞান)|শ্রেণিবিন্যাস]] করার চেষ্টা করেন। সেই কালেই তার শিষ্য থিওফ্রাস্টাস (৩৭১-২৮৭ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ) তার রচিত &amp;#039;&amp;#039;‘হিস্টোরিয়া প্ল্যানটেরাম’&amp;#039;&amp;#039; গ্রন্থে বৃক্ষের শ্রেণিবিন্যাস করার চেষ্টা করেন। &amp;lt;ref&amp;gt;{{বই উদ্ধৃতি|শিরোনাম=A short history of biology, a general introduction to the study of living things|শেষাংশ=Singer|প্রথমাংশ=Charles J.|বছর=1931|অবস্থান=Oxford}}&amp;lt;/ref&amp;gt; কার্ল লিনিয়াস (১৭০৭-১৭৭৮) আধুনিক জীববৈজ্ঞানিক নামকরণের ভিত্তি গড়ে তুলেন। তিনি জীবজগতকে প্রধান দুই ভাগে ভাগ করেন - &amp;#039;&amp;#039;Regnum Animale&amp;#039;&amp;#039; (প্রাণি জগত) ও &amp;#039;&amp;#039;Regnum Vegetabile&amp;#039;&amp;#039; (উদ্ভিদ জগত)। লিনিয়াস তৃতীয় আরেকটি জগত দাড় করান যার নাম তিনি দেন &amp;#039;&amp;#039;Regnum Lapideum&amp;#039;&amp;#039; (খনিজ পদার্থ) [[চিত্র:Two kingdom.png|থাম্ব|440x440পিক্সেল|দুই রাজ্য |কেন্দ্র]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
=== তিন রাজ্য ===&lt;br /&gt;
১৬৭৪ সালে অ্যন্টনি ভন লিউয়েন হুক, অনুজীববিজ্ঞানের জনক, লন্ডনের রয়েল সোসাইটিতে প্রথম অনুবীক্ষণিক এককোষী জীবের পর্যবেক্ষণের কথা উল্লেখ করেন। এর আগে অনুবীক্ষণিক জীবের অস্তিত্ব সম্পর্কে কারো জানা ছিলো না। শুরুর দিকে এই এককোষী অনুজীবদেরকে জীবজগতে কোনোভাবে রেখে দেওয়া হতো। ১৮৬০ সালে জন হগ একটি তৃতীয় রাজ্যে, প্রোটোকটিস্টা, এর প্রস্তাব করেন এবং &amp;#039;&amp;#039;Regnum Lapideum&amp;#039;&amp;#039; কে চতুর্থ রাজ্য হিসেবে গণ্য করেন। &amp;lt;ref&amp;gt;{{বই উদ্ধৃতি|শিরোনাম=Not plants or animals: a brief history of the origin of Kingdoms Protozoa, Protista and Protoctista|শেষাংশ=Scamardella|প্রথমাংশ=Joseph M|বছর=১৯৯৯|প্রকাশক=International Microbiology}}&amp;lt;/ref&amp;gt; &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১৮৬৬ সালে আর্নেস্ট হেকেলও তৃতীয় একটি রাজ্যের গুরুত্ব উপলব্ধি করেন এবং তিনি তার নাম দেন প্রোটিস্টা, যারা না প্রাণি রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত না উদ্ভিদ রাজ্যের অন্তর্গত। তবে তিনি &amp;#039;&amp;#039;Regnum Lapideum&amp;#039;&amp;#039; রাজ্য হিসেবে গণ্য করেননি। এককোষী প্রাণিদের নিয়ে তিনি যে রাজ্য দেন তাঁকে তিনি বলেন, প্রোটিস্টা (Protista) এবং বহুকোষী জীবদেরকে তিনি দুই রাজ্যে ভাগ করেন ১. প্রাণীজগৎ ও ২. উদ্ভিদজগৎ &lt;br /&gt;
[[চিত্র:Three kingdom bn.png|থাম্ব|440x440পিক্সেল|তিন রাজ্য |কেন্দ্র]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
=== চার রাজ্য ===&lt;br /&gt;
অনুজীববিজ্ঞানের উৎকর্ষ সাধন হলে জানতে পারা যায় এককোষী জীবদের মাঝে আবার দুইটি ভাগ রয়েছে। কিছু এককোষী জীবের নিউক্লিয়াস সুগঠিত হয় আর কিছু জীবের নিউক্লিয়াস সুগঠিত হয়না। ১৯২৫ সালে এডওয়ার্ড চ্যটন দুইটি নতুন শব্দ জীববিজ্ঞানে আনেন ‘প্রোক্যরিয়ট’ (যাদের নিউক্লিয়াস সুগঠিত নয়) ও ইউক্যরিয়ট (যাদের নিউক্লিয়াস সুগঠিত)। &amp;lt;ref&amp;gt;{{সাময়িকী উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://www.ncbi.nlm.nih.gov/pmc/articles/PMC1197417/|শিরোনাম=The Prokaryote-Eukaryote Dichotomy: Meanings and Mythology|শেষাংশ=Sapp|প্রথমাংশ=J.|সাময়িকী=Microbiology and Molecular Biology Reviews}}&amp;lt;/ref&amp;gt; ১৯৩৮ সালে হার্বার্ট এফ. কোপল্যন্ড জীবজগৎকে চার রাজ্যে ভাগ প্রস্তাব দান করেন। এই চারটি রাজ্যের নাম হলো – ১. মনেরা ২. প্রোটিস্টা ৩. প্লান্টি ৪. এনিমেলিয়া। বর্তমানে শনাক্তকৃত ব্যকটেরিয়া ও আর্কিয়া এই মনেরা রাজ্যের অন্তর্গত। ১৯৬০ এর দিকে রজার স্টেনিয়ার ও সি.বি. ভ্যান নীল এই রাজ্যের প্রচারে সহায়তা করেন এবং এই রাজ্যের উর্দ্ধে দুইটি অধিজগতে ভাগ করেন, (১) প্রাককেন্দ্রিক অধিজগৎ ও (২) সুকেন্দ্রিক অধিজগৎ ।&lt;br /&gt;
[[চিত্র:Four kingdom.png|থাম্ব|440x440পিক্সেল|চার রাজ্য |কেন্দ্র]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
=== পাঁচ রাজ্য ===&lt;br /&gt;
হুইটটেকার পরবর্তীতে ফানজাইকে আলাদাভাবে একটি রাজ্য হিসেবে বিবেচনা করার প্রস্তাব করেন। &amp;lt;ref&amp;gt;{{বই উদ্ধৃতি|শিরোনাম=Not plants or animals: a brief history of the origin of Kingdoms Protozoa, Protista and Protoctista|শেষাংশ=Scamardella|প্রথমাংশ=Joseph M.|বছর=1999|প্রকাশক=International Microbiology}}&amp;lt;/ref&amp;gt; ১৯৬৯ সালে হুইটটেকার তার এই প্রস্তাব বাস্তবায়ন করেন যার ফলে পাঁচ রাজ্যের জীবজগৎ আমরা পাই। এটি প্রধানত পুষ্টির উপর বিবেচনা করে তৈরি করা হয়েছিলো। এই পাঁচ রাজ্যকে আমরা দুই অধি জগতের সাথে যোগ করতে পারে। হুইটটেকারের এই পত্র প্রকাশের ফলে উচ্চ বিদ্যালয়ের বইগুলোতে এই পাঁচ রাজ্যের সিস্টেমটি ব্যবহার শুরু হয়।  &lt;br /&gt;
[[চিত্র:Five kingdom bd.png|কেন্দ্র|থাম্ব|440x440পিক্সেল|পাঁচ রাজ্য ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
=== ছয় রাজ্য ===&lt;br /&gt;
১৯৭৭ সালে, রাবোসোমাল আরএনএ এর ভিত্তিতে কার্ল ওস ও তার সহযোগীরা মনেরাকে দুই ভাগে ভাগ করার চিন্তা করেন। (১) ইউব্যকটেরিয়া (যা পরবর্তীতে যাদেরকে ব্যকটেরিয়া নামকরণ করা হয়) এবং (২) আর্কিব্যকটেরিয়া (যাদেরকে পরবর্তীতে আর্কিয়া নামকরণ করা হয়)। &amp;lt;ref&amp;gt;{{সাময়িকী উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://link.springer.com/article/10.1007/BF01796092|শিরোনাম=An ancient divergence among the bacteria|শেষাংশ=Balch|প্রথমাংশ=W.E|সাময়িকী=J. Mol. Evol.}}&amp;lt;/ref&amp;gt; এর ফলে ছয় রাজ্যের জীবজগৎ আমরা দেখতে পাই।&lt;br /&gt;
[[চিত্র:Six kingdom.png|কেন্দ্র|থাম্ব|440x440পিক্সেল|ছয় রাজ্য ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== সংজ্ঞা এবং সংশ্লিষ্ট পদ ==&lt;br /&gt;
১৭৩৫ সালে [[কার্ল লিনিয়াস]] যখন জীববিজ্ঞানে পদ ভিত্তিক নামকরণ ব্যবস্থা চালু করেন, তখন সর্বোচ্চ পদমর্যাদার নাম দেওয়া হয় &amp;quot;কিংডম&amp;quot; এবং এর পরে আরও চারটি প্রধান পদমর্যাদা দেওয়া হয়-[[শ্রেণি (জীববিদ্যা)|শ্রেণী]], বর্গ, [[গণ (জীববিদ্যা)|গণ]] এবং [[প্রজাতি]] পরবর্তীতে আরও দুটি পদ প্রবর্তিত হয়, ক্রমান্বয়ে রাজ্য, পর্ব বা বিভাগ, [[শ্রেণি (জীববিদ্যা)|শ্রেণী]], বর্গ, [[পরিবার (জীববিজ্ঞান)|পরিবার]], [[গণ (জীববিদ্যা)|গণ]] এবং [[প্রজাতি]] তৈরি করে। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আরও উপসর্গগুলি যুক্ত করা যেতে পারে, সাবকিংডম বা উপ-রাজ্য (&amp;#039;&amp;#039;সাবগ্রেনাম)&amp;#039;&amp;#039; এবং ইনফ্রাকিংডম (এছাড়াও ইনফ্রারেনাম নামে পরিচিত) হলো রাজ্যের অধীনে দুটি উপ-পদ। সুপারকিংডমকে ডোমেন বা রাজ্যের সমতুল্য বা রাজ্য এবং ডোমেন বা সাবডোমেইনের মধ্যে একটি স্বাধীন পদ হিসাবে বিবেচনা করা যেতে পারে। কিছু শ্রেণীবিভাগ পদ্ধতিতে অতিরিক্ত পদমর্যাদা হিসেবে &amp;#039;&amp;#039;শাখা&amp;#039;&amp;#039; (ল্যাটিন: &amp;#039;&amp;#039;রামুস&amp;#039;&amp;#039;) সাবকিংডম এবং ইনফ্রাকিংডম এর মধ্যে সন্নিবেশ করা যেতে পারে, যেমন, ক্যাভালিয়ার-স্মিথের শ্রেণীবিন্যাসে প্রোটোস্টোমিয়া এবং ডিউটেরোস্টোমিয়া।&amp;lt;ref name=&amp;quot;Cavalier-Smith 1998 203–66&amp;quot;&amp;gt;{{সাময়িকী উদ্ধৃতি|শেষাংশ=Cavalier-Smith|প্রথমাংশ=T.|বছর=1998|শিরোনাম=A revised six-kingdom system of life|ইউআরএল=http://journals.cambridge.org/action/displayAbstract?fromPage=online&amp;amp;aid=685|পাতাসমূহ=203–66|doi=10.1111/j.1469-185X.1998.tb00030.x|pmid=9809012|ইউআরএল-সংগ্রহ=subscription}}&amp;lt;/ref&amp;gt;&lt;br /&gt;
== তথ্যসূত্র ==&lt;br /&gt;
{{সূত্র তালিকা}}&lt;br /&gt;
[[বিষয়শ্রেণী:জীববিজ্ঞান পরিভাষা]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>কবুতর</name></author>
	</entry>
</feed>