<?xml version="1.0"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom" xml:lang="bn">
	<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?action=history&amp;feed=atom&amp;title=%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%A7</id>
	<title>দুধ - সংশোধনের ইতিহাস</title>
	<link rel="self" type="application/atom+xml" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?action=history&amp;feed=atom&amp;title=%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%A7"/>
	<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%A7&amp;action=history"/>
	<updated>2026-09-25T04:32:32Z</updated>
	<subtitle>এই উইকিতে এই পাতার সংশোধনের ইতিহাস</subtitle>
	<generator>MediaWiki 1.42.3</generator>
	<entry>
		<id>https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%A7&amp;diff=15398&amp;oldid=prev</id>
		<title>Duyel: নতুন পাতা</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.bhikitia.org/index.php?title=%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%A7&amp;diff=15398&amp;oldid=prev"/>
		<updated>2026-09-21T23:56:14Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;নতুন পাতা&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;b&gt;নতুন পাতা&lt;/b&gt;&lt;/p&gt;&lt;div&gt;&amp;#039;&amp;#039;&amp;#039;দুধ&amp;#039;&amp;#039;&amp;#039; হলো [[স্তন্যপায়ী প্রাণী|স্তন্যপায়ী প্রাণীর]] [[স্তন্যগ্রন্থি]] থেকে নিঃসৃত পুষ্টিকর সাদা বা হালকা বর্ণের তরল। নবজাতক স্তন্যপায়ী প্রাণীর জন্য জীবনের প্রাথমিক পর্যায়ে দুধ প্রধান খাদ্য। মানুষের খাদ্য হিসেবেও দুধ ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। [[গরু]], [[মহিষ]], [[ছাগল]], [[ভেড়া]] ও [[উট]]সহ বিভিন্ন প্রাণীর দুধ খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মানুষ সাধারণত অন্যান্য প্রাণীর দুধ পান করে এবং দুধ থেকে বিভিন্ন [[দুগ্ধজাত খাবার]] তৈরি করে। এর মধ্যে রয়েছে [[দই]], [[মাখন]], [[পনির]], [[ছানা]], [[ঘি]], [[গুঁড়া দুধ]] ও বিভিন্ন ধরনের মিষ্টান্ন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== গঠন ও পুষ্টি ==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দুধে প্রধানত পানি, চর্বি, [[প্রোটিন]], [[ল্যাক্টোজ]], খনিজ পদার্থ ও বিভিন্ন [[ভিটামিন]] থাকে। দুধের পুষ্টিগুণ ও রাসায়নিক গঠন প্রাণীর প্রজাতি, জাত, বয়স, খাদ্য এবং দুধ উৎপাদনের পর্যায়ের ওপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গরুর দুধে সাধারণত চর্বি, প্রোটিন ও ল্যাক্টোজ থাকে। এতে [[ক্যালসিয়াম]], [[ম্যাগনেসিয়াম]], [[সেলেনিয়াম]], [[রিবোফ্লাভিন]] ও [[ভিটামিন বি১২]]সহ বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== মাতৃদুগ্ধ ==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মানুষের ক্ষেত্রে নবজাতকের প্রধান খাদ্য হলো [[মাতৃদুগ্ধ]]। সন্তান জন্মের পর প্রথম দিকে নিঃসৃত দুধকে [[কলোস্ট্রাম]] বা শালদুধ বলা হয়। এতে বিভিন্ন পুষ্টি উপাদানের পাশাপাশি রোগপ্রতিরোধে সহায়ক উপাদান থাকে। নবজাতকের প্রাথমিক বৃদ্ধি ও রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থার বিকাশে মাতৃদুগ্ধ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== প্রাণীর দুধ ==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মানুষের খাদ্য হিসেবে বিভিন্ন স্তন্যপায়ী প্রাণীর দুধ ব্যবহৃত হয়। বিশ্বে দুধ উৎপাদনের সবচেয়ে বড় অংশ আসে গরু থেকে। এছাড়া মহিষ, ছাগল, ভেড়া, উট ও অন্যান্য প্রাণী থেকেও দুধ উৎপাদিত হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
=== গরুর দুধ ===&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গরুর দুধ বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত প্রাণিজ দুধগুলোর একটি। এটি সরাসরি পান করার পাশাপাশি দই, মাখন, পনির, ছানা, ঘি ও অন্যান্য দুগ্ধজাত খাদ্য তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
=== মহিষের দুধ ===&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মহিষের দুধে সাধারণত গরুর দুধের তুলনায় বেশি চর্বি থাকে। [[দক্ষিণ এশিয়া|দক্ষিণ এশিয়াসহ]] বিভিন্ন অঞ্চলে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
=== ছাগলের দুধ ===&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ছাগলের দুধ বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ক্ষুদ্র খামার ও পারিবারিক পশুপালন ব্যবস্থায় ছাগল দুধের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
=== ভেড়ার দুধ ===&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ভেড়ার দুধ প্রধানত [[ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চল]] ও [[পশ্চিম এশিয়া|পশ্চিম এশিয়ার]] কিছু দেশে ব্যবহৃত হয়। এটি বিভিন্ন ধরনের পনির তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
=== উটের দুধ ===&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শুষ্ক ও মরু অঞ্চলে উটের দুধ গুরুত্বপূর্ণ খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। [[আফ্রিকা]] ও [[এশিয়া|এশিয়ার]] কিছু অঞ্চলে উট পালন ও দুধ উৎপাদন স্থানীয় অর্থনীতির অংশ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== দুধ সংগ্রহ ==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দুধ উৎপাদনের জন্য গৃহপালিত প্রাণী যেমন গরু, মহিষ, ছাগল ও ভেড়া পালন করা হয়। প্রাণী থেকে দুধ হাতে অথবা যান্ত্রিক পদ্ধতিতে দোহন করা হয়। দুধ পচনশীল হওয়ায় সংগ্রহের পর দ্রুত শীতলীকরণ, সংরক্ষণ বা প্রক্রিয়াজাত করা প্রয়োজন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== প্রক্রিয়াজাতকরণ ==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
খাদ্য হিসেবে বাজারজাত করার আগে দুধ বিভিন্নভাবে প্রক্রিয়াজাত করা হয়। [[পাস্তুরায়ণ]] দুধের ক্ষতিকর অণুজীবের সংখ্যা কমানোর একটি প্রচলিত পদ্ধতি। এছাড়া দুধকে [[সমসত্ত্বীকরণ]] করা, ঠান্ডা করা, ঘনীভূত করা বা শুকিয়ে গুঁড়া দুধে পরিণত করা যায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দুধ প্রক্রিয়াজাত করে বিভিন্ন দুগ্ধজাত খাবার তৈরি করা হয়। এসব খাবারের মধ্যে দই, পনির, মাখন, ছানা, ঘি, গুঁড়া দুধ ও আইসক্রিম উল্লেখযোগ্য।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== বিশ্বে দুধ উৎপাদন ==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দুধ বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কৃষিজাত খাদ্যপণ্য। [[জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা]]র তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে বিশ্বে মোট দুধ উৎপাদনের পরিমাণ ছিল প্রায় ৯৮৫ মিলিয়ন টন। এর মধ্যে গরুর দুধের অংশ ছিল প্রায় ৮১ শতাংশ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[ভারত]] বিশ্বের বৃহত্তম দুধ উৎপাদনকারী দেশ। [[যুক্তরাষ্ট্র]], [[পাকিস্তান]], [[চীন]] ও [[ব্রাজিল]]ও বিশ্বের প্রধান দুধ উৎপাদনকারী দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== অর্থনৈতিক গুরুত্ব ==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দুধ উৎপাদন বিশ্বের বহু মানুষের জীবিকার সঙ্গে যুক্ত। বিশেষ করে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে ক্ষুদ্র কৃষক ও পারিবারিক খামারগুলো দুধ উৎপাদনের মাধ্যমে খাদ্য, পুষ্টি ও আয় পেয়ে থাকে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্যের চাহিদা জনসংখ্যা বৃদ্ধি, নগরায়ণ, আয় বৃদ্ধি এবং খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তনের সঙ্গে অনেক দেশে বৃদ্ধি পাচ্ছে। দুধ উৎপাদন কৃষি, পশুপালন, খাদ্যশিল্প ও বাণিজ্যের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== বাংলাদেশে দুধ ==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাংলাদেশে গরু, মহিষ ও ছাগলসহ বিভিন্ন গৃহপালিত প্রাণী থেকে দুধ উৎপাদন করা হয়। দেশে দুধ সরাসরি পান করার পাশাপাশি দই, ছানা, মিষ্টি, ঘি ও অন্যান্য দুগ্ধজাত খাবার তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাংলাদেশের খাদ্যসংস্কৃতিতে দুধের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী মিষ্টান্ন যেমন [[রসগোল্লা]], [[সন্দেশ]], [[ক্ষীর]], [[দুধ চমচম]] ও [[কাঁচাগোল্লা]] তৈরিতে দুধ বা দুধজাত উপাদান ব্যবহৃত হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== স্বাস্থ্য ও পুষ্টি ==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দুধে থাকা প্রোটিন, ক্যালসিয়াম ও বিভিন্ন ভিটামিন শরীরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি সরবরাহ করে। বিশেষ করে ক্যালসিয়াম ও প্রোটিন [[হাড়]] ও [[দাঁত|দাঁতের]] স্বাভাবিক গঠন ও রক্ষণাবেক্ষণে ভূমিকা রাখে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তবে সবার জন্য দুধ সমানভাবে উপযোগী নয়। কিছু মানুষের [[ল্যাক্টোজ অসহিষ্ণুতা]] থাকতে পারে, যার ফলে দুধ পান করার পর হজমজনিত সমস্যা দেখা দিতে পারে। দুধে অ্যালার্জিও কিছু মানুষের ক্ষেত্রে দেখা যায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== আরও দেখুন ==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
* [[মাতৃদুগ্ধ]]&lt;br /&gt;
* [[দুগ্ধজাত খাবার]]&lt;br /&gt;
* [[দুগ্ধ খামার]]&lt;br /&gt;
* [[পাস্তুরায়ণ]]&lt;br /&gt;
* [[দুধের গুঁড়া]]&lt;br /&gt;
* [[দই]]&lt;br /&gt;
* [[পনির]]&lt;br /&gt;
* [[মাখন]]&lt;br /&gt;
* [[ছানা]]&lt;br /&gt;
* [[ঘি]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== তথ্যসূত্র ==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
{{সূত্র তালিকা}}&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Duyel</name></author>
	</entry>
</feed>