কুমিল্লা: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

ভিকিটিয়া থেকে
"{{সম্পর্কে|কুমিল্লা মহানগরী|জেলার|কুমিল্লা জেলা}} {{Infobox settlement | name = কুমিল্লা | settlement_type = মহানগরী | image_skyline = {{Photomontage | photo1a = Cumilla City Night.jpg | photo2a = Comilla Education Board 2018-10-01.jpg | photo2b = Front view of Chondimura temp..." দিয়ে পাতা তৈরি
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
 
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা উচ্চতর মোবাইল সম্পাদনা
 
(একই ব্যবহারকারী দ্বারা সম্পাদিত ২টি মধ্যবর্তী সংশোধন দেখানো হচ্ছে না)
১ নং লাইন: ১ নং লাইন:
{{সম্পর্কে|কুমিল্লা মহানগরী|জেলার|কুমিল্লা জেলা}}
'''কুমিল্লা''' [[বাংলাদেশ]]ের দক্ষিণ-পূর্ব অংশে অবস্থিত একটি [[মহানগরী]]এটি [[ঢাকা]], [[চট্টগ্রাম]] ও [[খুলনা]]পর দেশের ৪র্থ বৃহত্তম [[শহর]]। শহরের পাশ দিয়ে [[গোমতী নদী (কুমিল্লা)|গোমতী নদী]] প্রবাহিত হয়েছে।
{{Infobox settlement
 
| name                            = কুমিল্লা
কুমিল্লা প্রাচীন বাংলার একটি গুরুত্বপূর্ণ শহর। এক সময় এটি [[ত্রিপুরা রাজ্য|ত্রিপুরা রাজ্যের]] রাজধানী ছিল। শহরের [[ডুলিপাড়া]] এলাকায় [[কুমিল্লা বিমানবন্দর]] অবস্থিত। বিমানবন্দরের আশেপাশে গড়ে উঠেছে [[রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা|ইপিজেড]] ও বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠান ফলে এলাকাটি ব্যবসা-বাণিজ্যের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।
| settlement_type                = মহানগরী
 
| image_skyline                  = {{Photomontage
কুমিল্লা একটি বিভাগীয় কেন্দ্রভুক্ত শহর। আশেপাশের জেলার অনেক মানুষ কাজের জন্য কুমিল্লা শহরে আসেন। শহর থেকে প্রায় ৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত [[বিবিরবাজার স্থলবন্দর]] আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
| photo1a = Cumilla City Night.jpg
 
| photo2a = Comilla Education Board 2018-10-01.jpg
২০২২ সালে জনশুমারি ও গৃহগণনা এর প্রাথমিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, কুমিল্লা আয়তন ও জনসংখ্যার দিক থেকে দেশের ৪র্থ বৃহত্তম মহানগরী।<ref name="phc">{{সাময়িকী উদ্ধৃতি|শেষাংশ=পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ|শিরোনাম=জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ প্রাথমিক প্রতিবেদন|ইউআরএল=https://sid.gov.bd/sites/default/files/files/sid.portal.gov.bd/publications/01ad1ffe_cfef_4811_af97_594b6c64d7c3/PHC_Preliminary_Report_(Bangla)_July_2022.pdf|সাময়িকী=জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২|সংগ্রহের-তারিখ=৭ জুলাই ২০২৪}}</ref>
| photo2b = Front view of Chondimura temple, Comilla district, Bangladesh.jpg
| photo3a = Mainamati War Cemetery 2018-01-09 (2).jpg
| photo3b = Dharmasagar pond in July 2017.jpg
| photo5a = ময়নামতি রাণীর কুঠির (Maynamati Ranir Kuthir).jpg
| photo4b = Forest Cottage at BARD, Comilla.jpg
| photo4a = Roop Sagar Park, Comilla 2018-01-09 (6).jpg
| size = 250
| position = center
| color = black
| color_border = none
| border = 3
| spacing = 2
| foot_montage =
}}
| pushpin_map_caption            = চট্টগ্রাম বিভাগে কুমিল্লার অবস্থান
| pushpin_map                    = বাংলাদেশ চট্টগ্রাম বিভাগ#বাংলাদেশ
| subdivision_type                = দেশ
| subdivision_name                = [[বাংলাদেশ]]
| subdivision_type1              = [[বাংলাদেশের বিভাগসমূহ|বিভাগ]]
| subdivision_name1              = [[চট্টগ্রাম বিভাগ]]
| subdivision_type2              = [[বাংলাদেশের জেলাসমূহ|জেলা]]
| subdivision_name2              = [[কুমিল্লা জেলা]]
| established_title              = পৌরসভা স্থাপন
| established_date                = ১৮৯০
| government_type                = [[সিটি কর্পোরেশন|মেয়র - কাউন্সিলর]]
| governing_body                  = [[কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন]]
| leader_title                    = [[নগরাধ্যক্ষ|মেয়র]]
| leader_name                    = পদশূন্য
| population_as_of                = [[2022]]
| postal_code_type                = [[বাংলাদেশের পোস্ট কোডের তালিকা|পোস্ট কোড]]
| postal_code                    = ৩৫০০–৩৫৮৩
| blank1_name                    = [[বাংলাদেশের টেলিফোন নম্বরসমূহ|এলাকাভিত্তিক টেলিফোন কোড]]
| blank1_info                    = ০৮১
| blank2_name                    = উল্লেখযোগ্য ক্রীড়া দল
| blank2_info                    = [[কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস]]
| website                        = {{ইউআরএল|http://comilla.gov.bd|জেলার দাপ্তরিক ওয়েবসাইট}}
| area_footnote                  = {{r|bbspaurashava}}
| population_urban                = 634,908
| population_density_urban_km2    = auto
| population_metro                = 815,792
| population_density_metro_km2    = auto
| area_metro_km2                  = 148.37
| area_urban_km2                  = 61.22
| established_title1              = সিটি কর্পোরেশন স্থাপন
| established_date1              = ২০১১
| subdivision_name3              = [[কুমিল্লা জেলা]]
| subdivision_name4              = [[আদর্শ সদর]] ও [[সদর দক্ষিণ]]
| official_name                  = কুমিল্লা
}}
'''কুমিল্লা''' [[বাংলাদেশ]]ের দক্ষিণ-পূর্ব প্রান্তে অবস্থিত একটি [[মহানগরী]] এটি [[ঢাকা]], [[চট্টগ্রাম]] ও [[খুলনা]] নগরের পর ৪র্থ বৃহত্তম [[শহর]] । নগরীর পাশেই রয়েছে [[গোমতী নদী (কুমিল্লা)|গোমতী নদী]]প্রাচীন বাংলার শহরগুলোর মধ্যে কুমিল্লা ছিলো অন্যতম। এছাড়াও কুমিল্লা শহর একসময় ত্রিপুরা রাজ্যের রাজধানী ছিল। কুমিল্লা শহরের ডুলিপাড়া এলাকায় রয়েছে [[কুমিল্লা বিমানবন্দর]]বিমানবন্দরের সাথে গড়ে উঠেছে কুমিল্লার ইকোনমিক জোন ইপিজেডসহ বিভিন্ন শিল্প কারখানা। ফলে বিমানবন্দর এলাকা হয়ে উঠেছে ব্যবসা বাণিজ্যিক একটি শহর। কুমিল্লা শহর একটি বিভাগ কেন্দ্রীক শহর। এই জেলার আশেপাশের জেলাগুলো থেকে অনেক লোকজন কুমিল্লায় আসেন বিভিন্ন কর্মক্ষেত্রে। এছাড়াও কুমিল্লা শহরের ৫ কিলোমিটার দূরে রয়েছে বিবির বাজার স্থলবন্দর। ডিজিটাল জনশুমারী ও গৃহগণনা- ২০২২ অনুযায়ী কুমিল্লা আয়তন এবং জনসংখ্যায় দেশের ৪তম বৃহত্তর মহানগর।<ref name="phc">{{সাময়িকী উদ্ধৃতি|শেষাংশ=পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ|শিরোনাম=জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ প্রাথমিক প্রতিবেদন|ইউআরএল=https://sid.gov.bd/sites/default/files/files/sid.portal.gov.bd/publications/01ad1ffe_cfef_4811_af97_594b6c64d7c3/PHC_Preliminary_Report_(Bangla)_July_2022.pdf|সাময়িকী=জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২|সংগ্রহের-তারিখ=৭ জুলাই ২০২৪}}</ref>


==ভৌগোলিক অবস্থান==
==ভৌগোলিক অবস্থান==
৬১ নং লাইন: ১১ নং লাইন:
কুমিল্লা ভৌগোলিকভাবে ২৩°২৭′০″ উত্তর এবং ৯১°১২′০″ পূর্বে অবস্থিত। কর্কটক্রান্তি রেখা (২৩°৫') কুমিল্লা শহরের দক্ষিণ দিকে টমসম ব্রিজের উপর দিয়ে অতিক্রম করেছে। এর উত্তরে বুড়িচং ও ত্রিপুরা, দক্ষিণে লাকসাম ও চৌদ্দগ্রাম এবং পশ্চিমে বরুড়া অবস্থিত। কুমিল্লার উপর দিয়ে যেসব নদী প্রবহমান, সেগুলোর মধ্যে [[গোমতী নদী (কুমিল্লা)|গোমতী]] ও ছোট ফেনী উল্লেখযোগ্য।
কুমিল্লা ভৌগোলিকভাবে ২৩°২৭′০″ উত্তর এবং ৯১°১২′০″ পূর্বে অবস্থিত। কর্কটক্রান্তি রেখা (২৩°৫') কুমিল্লা শহরের দক্ষিণ দিকে টমসম ব্রিজের উপর দিয়ে অতিক্রম করেছে। এর উত্তরে বুড়িচং ও ত্রিপুরা, দক্ষিণে লাকসাম ও চৌদ্দগ্রাম এবং পশ্চিমে বরুড়া অবস্থিত। কুমিল্লার উপর দিয়ে যেসব নদী প্রবহমান, সেগুলোর মধ্যে [[গোমতী নদী (কুমিল্লা)|গোমতী]] ও ছোট ফেনী উল্লেখযোগ্য।


== ইতিহাস ==
==ইতিহাস==
[[চিত্র:Chondimura temple (12).jpg|thumb|কুমিল্লার লালমাই পাহাড়ে অবস্থিত চন্ডীমুড়া মন্দির]]
[[চিত্র:Chondimura temple (12).jpg|thumb|কুমিল্লার লালমাই পাহাড়ে অবস্থিত চন্ডীমুড়া মন্দির]]
কুমিল্লা শব্দটি উক্ত অঞ্চলের আদিনাম ''কমলাঙ্ক'' (চীনা পরিব্রাজক ওয়াং চুয়াং-এর মতে, কিয়া-মল-ঙ্কিয়া) এর ক্রমান্বয়ে পরিবর্তিত আঞ্চলিক অপভ্রংশ রূপ, যার অর্থ পদ্মফুলের দীঘি। কুমিল্লা অঞ্চলটি একসময় প্রাচীন [[সমতট]] অঞ্চলের অধীনে ছিল। পরবর্তীকালে এটি [[ত্রিপুরা]] রাজ্যের সাথে যোগ দেয়। খ্রিস্টীয় নবম শতাব্দীতে কুমিল্লা জেলা হরিকেল অঞ্চলের রাজাদের অধীনে আসে। অষ্টম শতাব্দীতে লালমাই ময়নামতি দেব বংশ এবং দশম থেকে একাদশ শতকের মাঝামাঝি পর্যন্ত চন্দ্র বংশের শাসনাধীনে ছিল। ১৭৬৫ সালে এ অঞ্চলটি ইংরেজ [[ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি|ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির]] অধীনে আসে। ১৭৬৯ সালে রাজস্ব আদায়ের সুবিধার্থে কোম্পানী একজন তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ করে। তখন ঢাকা প্রদেশের অন্তর্গত ছিল কুমিল্লা। কুমিল্লাকে ১৭৭৬ সালে কালেক্টরের অধীনস্থ করা হয়। ১৭৯০ সালে কোম্পানী শাসনামলে ত্রিপুরা নামের জেলার সৃষ্টি হয় করা হয়। তৎকালে বর্তমান কুমিল্লা, [[চাঁদপুর জেলা|চাঁদপুর]], [[ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা|ব্রাহ্মণবাড়িয়া]], [[নোয়াখালী জেলা|নোয়াখালী]], [[লক্ষ্মীপুর জেলা|লক্ষ্মীপুর]], [[ফেনী জেলা|ফেনী]], শাহবাজপুর, হাতিয়া, ত্রিপুরার কিছু অংশ, চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ ও মীরসরাই নিয়ে  সমতল অঞ্চল নিয়ে ত্রিপুরা জেলা ও পার্বত্য অঞ্চল নিয়ে পার্বত্য ত্রিপুরা নামে ভাগ করা হয়, এই জেলার সদর দপ্তর স্থাপিত হয় কুমিল্লায়। ১৮২১ সালে ত্রিপুরা জেলাকে ভাগ করে বর্তমান নোয়াখালী, ফেনী, লক্ষীপুর নিয়ে ভূলুয়া জেলা গঠিত হয়, যা পরবর্তীতে নোয়াখালী নামকরন করা হয়। ১৯৬০ সালে সদর দপ্তরের নামানুসারে ত্রিপুরা জেলার নামকরণ করা হয় কুমিল্লা এবং তখন থেকে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও কালেক্টর পদটির নামকরণ জেলা প্রশাসক করা হয়। ১৯৮৪ সালে কুমিল্লার দু'টি মহকুমা চাঁদপুর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে পৃথক জেলা হিসেবে পুনর্গঠন করা হয়।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.comilla.gov.bd/site/page/c205ec39-2144-11e7-8f57-286ed488c766/%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B0%20%E0%A6%AA%E0%A6%9F%E0%A6%AD%E0%A7%82%E0%A6%AE%E0%A6%BF|শিরোনাম=কুমিল্লা জেলা|কর্ম=comilla.gov.bd|সংগ্রহের-তারিখ=২৫ অক্টোবর ২০২১|আর্কাইভের-তারিখ=২৫ অক্টোবর ২০২১|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20211025160636/http://www.comilla.gov.bd/site/page/c205ec39-2144-11e7-8f57-286ed488c766/%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B0%20%E0%A6%AA%E0%A6%9F%E0%A6%AD%E0%A7%82%E0%A6%AE%E0%A6%BF|ইউআরএল-অবস্থা=অকার্যকর}}</ref>
কুমিল্লা শব্দটি উক্ত অঞ্চলের আদিনাম ''কমলাঙ্ক'' (চীনা পরিব্রাজক ওয়াং চুয়াং-এর মতে, কিয়া-মল-ঙ্কিয়া) এর ক্রমান্বয়ে পরিবর্তিত আঞ্চলিক অপভ্রংশ রূপ, যার অর্থ পদ্মফুলের দীঘি। কুমিল্লা অঞ্চলটি একসময় প্রাচীন [[সমতট]] অঞ্চলের অধীনে ছিল। পরবর্তীকালে এটি [[ত্রিপুরা]] রাজ্যের সাথে যোগ দেয়। খ্রিস্টীয় নবম শতাব্দীতে কুমিল্লা জেলা হরিকেল অঞ্চলের রাজাদের অধীনে আসে। অষ্টম শতাব্দীতে লালমাই ময়নামতি দেব বংশ এবং দশম থেকে একাদশ শতকের মাঝামাঝি পর্যন্ত চন্দ্র বংশের শাসনাধীনে ছিল। ১৭৬৫ সালে এ অঞ্চলটি ইংরেজ [[ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি|ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির]] অধীনে আসে। ১৭৬৯ সালে রাজস্ব আদায়ের সুবিধার্থে কোম্পানী একজন তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ করে। তখন ঢাকা প্রদেশের অন্তর্গত ছিল কুমিল্লা। কুমিল্লাকে ১৭৭৬ সালে কালেক্টরের অধীনস্থ করা হয়। ১৭৯০ সালে কোম্পানী শাসনামলে ত্রিপুরা নামের জেলার সৃষ্টি হয় করা হয়। তৎকালে বর্তমান কুমিল্লা, [[চাঁদপুর জেলা|চাঁদপুর]], [[ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা|ব্রাহ্মণবাড়িয়া]], [[নোয়াখালী জেলা|নোয়াখালী]], [[লক্ষ্মীপুর জেলা|লক্ষ্মীপুর]], [[ফেনী জেলা|ফেনী]], শাহবাজপুর, হাতিয়া, ত্রিপুরার কিছু অংশ, চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ ও মীরসরাই নিয়ে  সমতল অঞ্চল নিয়ে ত্রিপুরা জেলা ও পার্বত্য অঞ্চল নিয়ে পার্বত্য ত্রিপুরা নামে ভাগ করা হয়, এই জেলার সদর দপ্তর স্থাপিত হয় কুমিল্লায়। ১৮২১ সালে ত্রিপুরা জেলাকে ভাগ করে বর্তমান নোয়াখালী, ফেনী, লক্ষীপুর নিয়ে ভূলুয়া জেলা গঠিত হয়, যা পরবর্তীতে নোয়াখালী নামকরন করা হয়। ১৯৬০ সালে সদর দপ্তরের নামানুসারে ত্রিপুরা জেলার নামকরণ করা হয় কুমিল্লা এবং তখন থেকে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও কালেক্টর পদটির নামকরণ জেলা প্রশাসক করা হয়। ১৯৮৪ সালে কুমিল্লার দু'টি মহকুমা চাঁদপুর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে পৃথক জেলা হিসেবে পুনর্গঠন করা হয়।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.comilla.gov.bd/site/page/c205ec39-2144-11e7-8f57-286ed488c766/%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B0%20%E0%A6%AA%E0%A6%9F%E0%A6%AD%E0%A7%82%E0%A6%AE%E0%A6%BF|শিরোনাম=কুমিল্লা জেলা|কর্ম=comilla.gov.bd|সংগ্রহের-তারিখ=২৫ অক্টোবর ২০২১|আর্কাইভের-তারিখ=২৫ অক্টোবর ২০২১|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20211025160636/http://www.comilla.gov.bd/site/page/c205ec39-2144-11e7-8f57-286ed488c766/%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B0%20%E0%A6%AA%E0%A6%9F%E0%A6%AD%E0%A7%82%E0%A6%AE%E0%A6%BF|ইউআরএল-অবস্থা=অকার্যকর}}</ref>


=== ঐতিহাসিক ঘটনা ===
===ঐতিহাসিক ঘটনা===
১৭৬৪ সালে ত্রিপুরার রাজার বিরুদ্ধে [[শমসের গাজী]]র নেতৃত্বে পরিচালিত কৃষক আন্দোলন এ অঞ্চলের একটি ঐতিহাসিক ঘটনা। সাধারণ কৃষক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেও শমসের গাজী সম্পূর্ণ চাকলা রওশানাবাদ অঞ্চলের শাসক হয়েছিলেন, যা পরবর্তীকালে দক্ষিণ কুমিল্লা থেকে উত্তর [[নোয়াখালী জেলা|নোয়াখালী]] পর্যন্ত বিস্তৃত হয়। এক সময় তিনি সমগ্র কুমিল্লাকে তার শাসনাধীনে নিয়ে আসেন। পরবর্তীকালে তিনি নিজামপুর পরগনা জয় করেন। এভাবে, তিনি মেঘনা, মুহুরি ও মনুগঙ্গা নদীসমূহের মধ্যবর্তী বিশাল জনপদের মুকুটবিহীন রাজায় পরিণত হন।<ref>{{বাংলাপিডিয়া উদ্ধৃতি| নিবন্ধ = শমসের_গাজী | লেখক=আলি নওয়াজ}}</ref>
১৭৬৪ সালে ত্রিপুরার রাজার বিরুদ্ধে [[শমসের গাজী]]র নেতৃত্বে পরিচালিত কৃষক আন্দোলন এ অঞ্চলের একটি ঐতিহাসিক ঘটনা। সাধারণ কৃষক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেও শমসের গাজী সম্পূর্ণ চাকলা রওশানাবাদ অঞ্চলের শাসক হয়েছিলেন, যা পরবর্তীকালে দক্ষিণ কুমিল্লা থেকে উত্তর [[নোয়াখালী জেলা|নোয়াখালী]] পর্যন্ত বিস্তৃত হয়। এক সময় তিনি সমগ্র কুমিল্লাকে তার শাসনাধীনে নিয়ে আসেন। পরবর্তীকালে তিনি নিজামপুর পরগনা জয় করেন। এভাবে, তিনি মেঘনা, মুহুরি ও মনুগঙ্গা নদীসমূহের মধ্যবর্তী বিশাল জনপদের মুকুটবিহীন রাজায় পরিণত হন।<ref>{{বাংলাপিডিয়া উদ্ধৃতি| নিবন্ধ = শমসের_গাজী | লেখক=আলি নওয়াজ}}</ref>


৮৭ নং লাইন: ৩৭ নং লাইন:


== প্রশাসন ==
== প্রশাসন ==
অন্যান্য জেলার মতো কুমিল্লা জেলাতেও একজন জেলা প্রশাসক রয়েছেন, যিনি জেলার প্রশাসনিক কাজ পরিচালনা করেন। জেলা প্রশাসকের কার্যালয় কুমিল্লা শহরের ধর্মসাগরের পূর্ব দিকে ফৌজদারী এলাকায় অবস্থিত।


অন্যান্য জেলাসমূহের মত, কুমিল্লা জেলাতেও একজন ডেপুটি কমিশনার (ডিসি) বা জেলা প্রশাসক আছেন, যিনি জেলার সকল প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু। জেলা প্রশাসকের কার্যালয় শহরের ধর্মসাগরের পূর্বদিকে ফৌজদারী এলাকায় অবস্থিত।
কুমিল্লা শহরটি আদর্শ সদর থানার অন্তর্গত। এখানে [[কুমিল্লা সেনানিবাস]] অবস্থিত, যা বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক এলাকা। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্রিটিশ ভারতীয় সেনাবাহিনী এই ক্যান্টনমেন্ট ব্যবহার করেছিল। সেই সময় নিহত বিভিন্ন দেশের সৈন্যদের কবর এখানেই রয়েছে।


কুমিল্লা মূল শহরটি আদর্শ সদর থানার অন্তর্ভুক। কুমিল্লা সেনানিবাস বাংলাদেশের অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনা। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্রিটিশ ভারতীয় আর্মি ব্যাপকভাবে ক্যান্টনমেন্টটিকে ব্যবহার করত। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নিহত বিভিন্ন দেশের সৈন্যদের কবর এখানে রয়েছে।
'''কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন''' শহরটি পরিচালনা করে। এটি মোট '''২৭টি ওয়ার্ডে''' বিভক্ত।


'''কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন''' কর্তৃক কুমিল্লা পরিচালিত হয়। এর '''২৭টি ওয়ার্ড''' রয়েছে।
কুমিল্লা শহরের কিছু এলাকাঃ
 
* নাথেরপেটুয়া  
কুমিল্লা শহরের কিছু এলাকা হল:
 
* নাথেরপেটুয়া {{তথ্যসূত্র প্রয়োজন}}
* বাগমারা
* বাগমারা
* বড়পাড়া
* বড়পাড়া
১১২ নং লাইন: ৬০ নং লাইন:
* পেরুল (দক্ষিণ)
* পেরুল (দক্ষিণ)


== জলবায়ু ==
==জলবায়ু==
কুমিল্লা শহরটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৬ মিটার/১৯ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত। মাসভিত্তিক ২৪ ঘণ্টার গড় তাপমাত্রা:
কুমিল্লা শহরটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৬ মিটার/১৯ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত। মাসভিত্তিক ২৪ ঘণ্টার গড় তাপমাত্রা:
{{আবহাওয়া বাক্স
{{আবহাওয়া বাক্স
১৬৪ নং লাইন: ১১২ নং লাইন:
}}
}}


== জনসংখ্যা ==
==জনসংখ্যা==
কুমিল্লা নগরের জনসংখ্যা হল ৭ লাখের বেশি এবং মহানগরের জনসংখ্যা প্রায় ৮ লাখ।
কুমিল্লা নগরের জনসংখ্যা হল ৭ লাখের বেশি এবং মহানগরের জনসংখ্যা প্রায় ৮ লাখ।


== ভূমি ও অর্থনীতি ==
==ভূমি ও অর্থনীতি==
;প্রধান পেশাঃ
;প্রধান পেশাঃ
কৃষিকাজ ৩৩.২৮%, ব্যবসা ১৭.৬%, চাকরি ১৯.৭৮%, কৃষি শ্রমিক ১০.৮৯%, দিনমজুর ১.৪৬%, নির্মাণ শ্রমিক ১.০৩% এবং অন্যান্য ১১.৬%।  
কৃষিকাজ ৩৩.২৮%, ব্যবসা ১৭.৬%, চাকরি ১৯.৭৮%, কৃষি শ্রমিক ১০.৮৯%, দিনমজুর ১.৪৬%, নির্মাণ শ্রমিক ১.০৩% এবং অন্যান্য ১১.৬%।  
১৯৩ নং লাইন: ১৪১ নং লাইন:
খদ্দর কাপড়, শুটকি, ডিম, পোলট্রি।
খদ্দর কাপড়, শুটকি, ডিম, পোলট্রি।


== যাতায়াত ও যোগাযোগ ব্যবস্থা ==
==যাতায়াত ও যোগাযোগ ব্যবস্থা==
[[চিত্র:Sunset at Elliotganj.jpg|থাম্ব|ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়ক, ইলিয়টগঞ্জ, কুমিল্লা]]
[[চিত্র:Sunset at Elliotganj.jpg|থাম্ব|ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়ক, ইলিয়টগঞ্জ, কুমিল্লা]]
কুমিল্লার যাতায়াত ও যোগাযোগ ব্যবস্থা অত্যন্ত উন্নতমানের। উপমহাদেশের অন্যতম প্রাচীন সড়ক [[গ্র্যান্ড ট্রাঙ্ক রোড]] কুমিল্লা শহরের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করেছে। বর্তমানে, বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়ক ঢাকা- কুমিল্লা - চট্টগ্রাম মহাসড়ক কুমিল্লা শহরের পাশ দিয়ে গেছে।  
কুমিল্লার যাতায়াত ও যোগাযোগ ব্যবস্থা অত্যন্ত উন্নতমানের। উপমহাদেশের অন্যতম প্রাচীন সড়ক [[গ্র্যান্ড ট্রাঙ্ক রোড]] কুমিল্লা শহরের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করেছে। বর্তমানে, বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়ক ঢাকা- কুমিল্লা - চট্টগ্রাম মহাসড়ক কুমিল্লা শহরের পাশ দিয়ে গেছে।  
২০১ নং লাইন: ১৪৯ নং লাইন:
কুমিল্লায় একটি অব্যবহৃত বিমানবন্দর রয়েছে যা  [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ|দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের]] সময় ব্রিটিশরা যুদ্ধবিমান উঠা-নামা করার জন্য বানিয়েছিল। আন্তঃজেলা বাস টার্মিনালটি আশ্রাফপুর, টমসমব্রীজ, শাসনগাছা ও চকবাজারে অবস্থিত এখান থেকে  ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহী, নোয়াখালী, চাঁদপুর এর বাস ছেড়ে যায় ।
কুমিল্লায় একটি অব্যবহৃত বিমানবন্দর রয়েছে যা  [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ|দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের]] সময় ব্রিটিশরা যুদ্ধবিমান উঠা-নামা করার জন্য বানিয়েছিল। আন্তঃজেলা বাস টার্মিনালটি আশ্রাফপুর, টমসমব্রীজ, শাসনগাছা ও চকবাজারে অবস্থিত এখান থেকে  ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহী, নোয়াখালী, চাঁদপুর এর বাস ছেড়ে যায় ।


== শিক্ষা ==
==শিক্ষা==
আগে কুমিল্লাকে বলা হতো শিক্ষানগরী। কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড কুমিল্লা শহরে অবস্থিত। কুমিল্লাসহ বেশ কয়েকটি জেলার প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা এই বোর্ডের অধীনে পরিচালিত হয়। আগে সম্পূর্ণ [[চট্টগ্রাম বিভাগ]] কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের অধীনে ছিল। সাম্প্রতিককালে, আলাদাভাবে [[চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড|চট্টগ্রাম]] ও [[সিলেট শিক্ষা বোর্ড]] গঠিত হয়েছে। বর্তমানে কুমিল্লায় শিক্ষার হার ৮১.৫১% (২০২৪ সালের শিক্ষা জরিপ)।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি |ইউআরএল= http://www.comilla.gov.bd/node/323071 |শিরোনাম= এক নজরে কুমিল্লা |লেখক=  |তারিখ= জুন ২০১৪ |ওয়েবসাইট=  |প্রকাশক= গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার |সংগ্রহের-তারিখ= ২০ জুন ২০১৪ |আর্কাইভের-ইউআরএল= https://web.archive.org/web/20140221192115/http://www.comilla.gov.bd/node/323071 |আর্কাইভের-তারিখ= ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ |অকার্যকর-ইউআরএল= হ্যাঁ }}</ref>
আগে কুমিল্লাকে বলা হতো শিক্ষানগরী। কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড কুমিল্লা শহরে অবস্থিত। কুমিল্লাসহ বেশ কয়েকটি জেলার প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা এই বোর্ডের অধীনে পরিচালিত হয়। আগে সম্পূর্ণ [[চট্টগ্রাম বিভাগ]] কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের অধীনে ছিল। সাম্প্রতিককালে, আলাদাভাবে [[চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড|চট্টগ্রাম]] ও [[সিলেট শিক্ষা বোর্ড]] গঠিত হয়েছে। বর্তমানে কুমিল্লায় শিক্ষার হার ৮১.৫১% (২০২৪ সালের শিক্ষা জরিপ)।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি |ইউআরএল= http://www.comilla.gov.bd/node/323071 |শিরোনাম= এক নজরে কুমিল্লা |লেখক=  |তারিখ= জুন ২০১৪ |ওয়েবসাইট=  |প্রকাশক= গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার |সংগ্রহের-তারিখ= ২০ জুন ২০১৪ |আর্কাইভের-ইউআরএল= https://web.archive.org/web/20140221192115/http://www.comilla.gov.bd/node/323071 |আর্কাইভের-তারিখ= ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ |অকার্যকর-ইউআরএল= হ্যাঁ }}</ref>


=== উল্লেখযোগ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ ===
===উল্লেখযোগ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ===
কুমিল্লাতে অবস্থিত উল্লেখযোগ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহের মধ্যে রয়েছে:<ref>জেলা তথ্য বাতায়ন</ref>  
কুমিল্লাতে অবস্থিত উল্লেখযোগ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহের মধ্যে রয়েছে:<ref>জেলা তথ্য বাতায়ন</ref>  
{{div col}}
{{div col}}
=== বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠানসমূহ ===
===বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠানসমূহ===
* [[কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়]]
*[[কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়]]
*[[বাংলাদেশ আর্মি আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়]]
*[[বাংলাদেশ আর্মি আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়]]
*[[সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়]]
*[[সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়]]
২১৪ নং লাইন: ১৬২ নং লাইন:
*[[উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়]]
*[[উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়]]


=== মেডিকেল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ ===
===মেডিকেল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ===
* [[কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ]]
*[[কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ]]
*[[ময়নামতি মেডিকেল কলেজ]]
*[[ময়নামতি মেডিকেল কলেজ]]
*[[আর্মি মেডিকেল কলেজ, কুমিল্লা]]
*[[আর্মি মেডিকেল কলেজ, কুমিল্লা]]
২২১ নং লাইন: ১৬৯ নং লাইন:
*[[সেন্ট্রাল মেডিকেল কলেজ]]
*[[সেন্ট্রাল মেডিকেল কলেজ]]


=== প্রকৌশল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ ===
===প্রকৌশল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ===
*[[ কুমিল্লা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট]]
*[[ কুমিল্লা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট]]
*[[বাংলাদেশ সার্ভে ইনস্টিটিউট]]
*[[বাংলাদেশ সার্ভে ইনস্টিটিউট]]
২২৮ নং লাইন: ১৭৬ নং লাইন:
*[[ জেনেটিক পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট]]
*[[ জেনেটিক পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট]]
*[[ কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট, কুমিল্লা ]]
*[[ কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট, কুমিল্লা ]]
=== কলেজ সমূহ ===
===কলেজ সমূহ===
* [[কুমিল্লা ক্যাডেট কলেজ]]
*[[কুমিল্লা ক্যাডেট কলেজ]]
* [[কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ]]
*[[কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ]]
* [[সোনার বাংলা কলেজ]]
*[[সোনার বাংলা কলেজ]]
* [[পারুয়ারা আবদুল মতিন খসরু কলেজ]]
*[[পারুয়ারা আবদুল মতিন খসরু কলেজ]]
* [[ইস্পাহানী পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ, কুমিল্লা]]
*[[ইস্পাহানী পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ, কুমিল্লা]]
* [[কুমিল্লা সরকারি কলেজ]]
*[[কুমিল্লা সরকারি কলেজ]]
* [[পয়ালগাছা ডিগ্রী কলেজ]]
*[[পয়ালগাছা ডিগ্রী কলেজ]]
* [[মুন্সীরহাট ডিগ্রী কলেজ]]
*[[মুন্সীরহাট ডিগ্রী কলেজ]]
* [[কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজ]]
*[[কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজ]]
* [[কুমিল্লা সরকারি সিটি কলেজ]]
*[[কুমিল্লা সরকারি সিটি কলেজ]]
* কুমিল্লা মডেল কলেজ
*কুমিল্লা মডেল কলেজ
* [[ভোলাইন বাজার উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ]]
*[[ভোলাইন বাজার উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ]]
* [[কুমিল্লা অজিত গুহ মহাবিদ্যালয়]]
*[[কুমিল্লা অজিত গুহ মহাবিদ্যালয়]]
* রূপসী বাংলা কলেজ
*রূপসী বাংলা কলেজ
* কুমিল্লা বিজ্ঞান কলেজ
*কুমিল্লা বিজ্ঞান কলেজ
* কুমিল্লা সিটি কলেজ
*কুমিল্লা সিটি কলেজ
* [[কুমিল্লা কমার্স কলেজ]]
*[[কুমিল্লা কমার্স কলেজ]]
* [[কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ড সরকারি কলেজ]]
*[[কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ড সরকারি কলেজ]]
* [[ইবনে তাইমিয়া স্কুল এন্ড কলেজ]]
*[[ইবনে তাইমিয়া স্কুল এন্ড কলেজ]]
* [[কুমিল্লা রেসিডেনশিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ]]
*[[কুমিল্লা রেসিডেনশিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ]]
* ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, কুমিল্লা সেনানিবাস
*ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, কুমিল্লা সেনানিবাস
* কুমিল্লা মহিলা মহাবিদ্যালয়  
*কুমিল্লা মহিলা মহাবিদ্যালয়


=== বিদ্যালয় সমূহ===
===বিদ্যালয় সমূহ===
* [[কুমিল্লা জিলা স্কুল]]
*[[কুমিল্লা জিলা স্কুল]]
* [[নবাব ফয়জুন্নেছা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়]]
*[[নবাব ফয়জুন্নেছা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়]]
* [[নাথেরপেটুয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়]]
*[[নাথেরপেটুয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়]]
*[[নাথেরপেটুয়া ফাজিল ডিগ্রী মাদরাসা]]
*[[নাথেরপেটুয়া ফাজিল ডিগ্রী মাদরাসা]]
* [[বেলঘর গোসাই বাজার উচ্চ বিদ্যালয়]]
*[[বেলঘর গোসাই বাজার উচ্চ বিদ্যালয়]]
* [[শাকেরা রজ্জব আলী উচ্চ বিদ্যালয়]]
*[[শাকেরা রজ্জব আলী উচ্চ বিদ্যালয়]]
* [[আওয়ার লেডি অব ফাতিমা গার্লস স্কুল]]
*[[আওয়ার লেডি অব ফাতিমা গার্লস স্কুল]]
* [[কুমিল্লা কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজ]]
*[[কুমিল্লা কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজ]]
* [[ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড বালক উচ্চ বিদ্যালয়]]
*[[ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড বালক উচ্চ বিদ্যালয়]]
* [[ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়]]
*[[ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়]]
* [[ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড মাধ্যমিক বিদ্যালয়]]
*[[ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড মাধ্যমিক বিদ্যালয়]]
* [[কুমিল্লা হাই স্কুল]]
*[[কুমিল্লা হাই স্কুল]]
* [[কুমিল্লা মডার্ণ হাই স্কুল]]
*[[কুমিল্লা মডার্ণ হাই স্কুল]]
* [[বুড়িচং আনন্দ পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়]]  
*[[বুড়িচং আনন্দ পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়]]
* [[ফরিদা বিদ্যায়তন]]
*[[ফরিদা বিদ্যায়তন]]
* [[পয়ালগাছা বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়]]
*[[পয়ালগাছা বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়]]
* [[ঈশ্বর পাঠশালা]]
*[[ঈশ্বর পাঠশালা]]
* [[দুর্লভপুর হাই স্কুল,কুমিল্লা]]
*[[দুর্লভপুর হাই স্কুল,কুমিল্লা]]
* [[বিবিরবাজার হাই স্কুল]]
*[[বিবিরবাজার হাই স্কুল]]
* কুমিল্লা পাইলট হাইস্কুল
*কুমিল্লা পাইলট হাইস্কুল
* ক্যামব্রিয়ান স্কুল এন্ড কলেজ, কুমিল্লা
*ক্যামব্রিয়ান স্কুল এন্ড কলেজ, কুমিল্লা
* ময়নামতি উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ
*ময়নামতি উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ
* হাউজিং এস্টেট উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজ
*হাউজিং এস্টেট উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজ
* হলি ক্রিসেন্ট হাই স্কুল
*হলি ক্রিসেন্ট হাই স্কুল
* [[রেলওয়ে পাবলিক স্কুল, কুমিল্লা]]
*[[রেলওয়ে পাবলিক স্কুল, কুমিল্লা]]
* [[বেপজা পাবলিক স্কুল, কুমিল্লা]]
*[[বেপজা পাবলিক স্কুল, কুমিল্লা]]
* হাজী আকরামউদ্দীন উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজ
*হাজী আকরামউদ্দীন উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজ
* শাকতলী উচ্চ বিদ্যালয়
*শাকতলী উচ্চ বিদ্যালয়
* [[পুলিশ লাইন হাইস্কুল, কুমিল্লা]]
*[[পুলিশ লাইন হাইস্কুল, কুমিল্লা]]
* [[সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ, কুমিল্লা|কুমিল্লা টিচার্স ট্রেনিং কলেজ]]
*[[সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ, কুমিল্লা|কুমিল্লা টিচার্স ট্রেনিং কলেজ]]
* [[মনোহরপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়]]
*[[মনোহরপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়]]
* [[গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরী উচ্চ বিদ্যালয়]]
*[[গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরী উচ্চ বিদ্যালয়]]
* চাঁদপুর বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয়
*চাঁদপুর বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয়
* শেখ ফজিলাতুন্নেসা মর্ডাণ হাইস্কুল
*শেখ ফজিলাতুন্নেসা মর্ডাণ হাইস্কুল
* [[কুমিল্লা আলিয়া মাদ্রাসা]]
*[[কুমিল্লা আলিয়া মাদ্রাসা]]
* [[কুমিল্লা নার্সিং কলেজ]]
*[[কুমিল্লা নার্সিং কলেজ]]
* [[কুমিল্লা আইন কলেজ]]
*[[কুমিল্লা আইন কলেজ]]
* [[বঙ্গবন্ধু আইন কলেজ]]
*[[বঙ্গবন্ধু আইন কলেজ]]
* [[কুমিল্লা মেডিকেল এসিসটেন্ট ট্রেনিং স্কুল]]
*[[কুমিল্লা মেডিকেল এসিসটেন্ট ট্রেনিং স্কুল]]
* [[শেখ রাসেল টেকনিক্যাল কলেজ]]
*[[শেখ রাসেল টেকনিক্যাল কলেজ]]
* [[এথনিকা স্কুল (ইংরেজি মাধ্যম)]]
*[[এথনিকা স্কুল (ইংরেজি মাধ্যম)]]
* [[কুমিল্লা গ্রামার স্কুল]]
*[[কুমিল্লা গ্রামার স্কুল]]
* [[ময়নামতি ইন্টারন্যাশনাল স্কুল]]
*[[ময়নামতি ইন্টারন্যাশনাল স্কুল]]
* [[চৌদ্দগ্রাম এইচ,জে মডেল সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়]]
*[[চৌদ্দগ্রাম এইচ,জে মডেল সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়]]
* [[মিঞা বাজার কলেজ]]
*[[মিঞা বাজার কলেজ]]
* মুন্সীরহাট প্রকৌশলী ওয়াহিদুর রহমান ডিগ্রি কলেজে
*মুন্সীরহাট প্রকৌশলী ওয়াহিদুর রহমান ডিগ্রি কলেজে
* [[আলহাজ্ব নূর মিয়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ,চৌদ্দগ্রাম(মেঘনা গ্রুপ অফ ইন্ডাস্ট্রিজ) ]]
*[[আলহাজ্ব নূর মিয়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ,চৌদ্দগ্রাম(মেঘনা গ্রুপ অফ ইন্ডাস্ট্রিজ) ]]
* [[নওয়াব ফয়জুন্নেছা সরকারি কলেজ, লাকসাম]]
*[[নওয়াব ফয়জুন্নেছা সরকারি কলেজ, লাকসাম]]
* [[লাকসাম পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়]]
*[[লাকসাম পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়]]
* নবাব ফয়জুন্নেছা ও বদরুন্নেসা যুক্ত উচ্চ বিদ্যালয়, লাকসাম
*নবাব ফয়জুন্নেছা ও বদরুন্নেসা যুক্ত উচ্চ বিদ্যালয়, লাকসাম
* [[কাশীপুর হাসেমিয়া উচ্চ বিদ্যালয়]], হোমনা
*[[কাশীপুর হাসেমিয়া উচ্চ বিদ্যালয়]], হোমনা


{{div col end}}
{{div col end}}


* [[চান্দিনা সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়]]
*[[চান্দিনা সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়]]


== পর্যটন ==
==পর্যটন==
[[চিত্র:War cemetery comilla (9).jpg|thumb|ওয়ার সিমেট্রি]]
[[চিত্র:War cemetery comilla (9).jpg|thumb|ওয়ার সিমেট্রি]]
কুমিল্লাতে বহুসংখ্যক পর্যটন আকর্ষণ রয়েছে। কুমিল্লার লালমাই ময়নামতি পাহাড়ে একটি সমৃদ্ধ প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শন রয়েছে। এখানে রয়েছে [[শালবন বৌদ্ধ বিহার|শালবন বিহার]], [[কুটিলা মুড়া]], চন্দ্রমুড়া, রূপবন মুড়া, ইটাখোলা মুড়া, সতের রত্নমুড়া, [[রাণীর বাংলার পাহাড়]], আনন্দ বাজার প্রাসাদ, ভোজ রাজদের প্রাসাদ, চন্ডীমুড়া প্রভৃতি। এসব বিহার, মুড়া ও প্রাসাদ থেকে বিভিন্ন প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে যা ময়নামতি জাদুঘরে সংরক্ষিত রয়েছে। ময়নামতি একটি বিখ্যাত বৌদ্ধ প্রত্নতাত্ত্বিক এলাকা। ময়নামতি জাদুঘরটি একটি অন্যতম পর্যটন আকর্ষণ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। ১৯২১ সালে বিশ্বকবি [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]] ও [[ভারত|ভারতের]] নেতা [[মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী|মহাত্মা গান্ধী]] কুমিল্লায় এসেছিলেন। কুমিল্লাতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নিহত বিভিন্ন দেশের সৈন্যদের কবর ও ওয়ার সেমেট্রি রয়েছে। বতর্মানে রাজশে পুর ইকোপার্ক এবং তদসংলগ্ন বিরাহিম পুরের সীমান্তবর্তী শাল বন পর্যটন স্পট হিসেবে ব্যপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে।
কুমিল্লাতে বহুসংখ্যক পর্যটন আকর্ষণ রয়েছে। কুমিল্লার লালমাই ময়নামতি পাহাড়ে একটি সমৃদ্ধ প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শন রয়েছে। এখানে রয়েছে [[শালবন বৌদ্ধ বিহার|শালবন বিহার]], [[কুটিলা মুড়া]], চন্দ্রমুড়া, রূপবন মুড়া, ইটাখোলা মুড়া, সতের রত্নমুড়া, [[রাণীর বাংলার পাহাড়]], আনন্দ বাজার প্রাসাদ, ভোজ রাজদের প্রাসাদ, চন্ডীমুড়া প্রভৃতি। এসব বিহার, মুড়া ও প্রাসাদ থেকে বিভিন্ন প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে যা ময়নামতি জাদুঘরে সংরক্ষিত রয়েছে। ময়নামতি একটি বিখ্যাত বৌদ্ধ প্রত্নতাত্ত্বিক এলাকা। ময়নামতি জাদুঘরটি একটি অন্যতম পর্যটন আকর্ষণ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। ১৯২১ সালে বিশ্বকবি [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]] ও [[ভারত|ভারতের]] নেতা [[মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী|মহাত্মা গান্ধী]] কুমিল্লায় এসেছিলেন। কুমিল্লাতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নিহত বিভিন্ন দেশের সৈন্যদের কবর ও ওয়ার সেমেট্রি রয়েছে। বতর্মানে রাজশে পুর ইকোপার্ক এবং তদসংলগ্ন বিরাহিম পুরের সীমান্তবর্তী শাল বন পর্যটন স্পট হিসেবে ব্যপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে।


<gallery mode="packed" style="text-align: center;" caption="দর্শনীয় স্থান" heights="95px" perrow="3">
<gallery mode="packed" style="text-align: center;" heights="95px" perrow="3" caption="দর্শনীয় স্থান">
File:Shalvan Vihara, Mainamati 10 September 2016 49.jpg|[[শালবল বিহার]]
File:Shalvan Vihara, Mainamati 10 September 2016 49.jpg|[[শালবল বিহার]]
File:ময়নামতি রাণীর কুঠির (Maynamati Ranir Kuthir).jpg|ময়নামতি রাণীর কুঠি
File:ময়নামতি রাণীর কুঠির (Maynamati Ranir Kuthir).jpg|ময়নামতি রাণীর কুঠি
৩৩৪ নং লাইন: ২৮২ নং লাইন:
</gallery>
</gallery>


== উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিবর্গ ==
==উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিবর্গ==
{{Main|কুমিল্লা জেলার ব্যক্তিবর্গের তালিকা}}
{{Main|কুমিল্লা জেলার ব্যক্তিবর্গের তালিকা}}
* [[মিজানুর রহমান আজহারী]] - ইসলামি বক্তা, ধর্ম প্রচারক ও লেখক।
*[[মিজানুর রহমান আজহারী]] - ইসলামি বক্তা, ধর্ম প্রচারক ও লেখক।
* [[মঈনুল হোসেন]]- [[বীর উত্তম]] খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা।
*[[মঈনুল হোসেন]]- [[বীর উত্তম]] খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা।
* মহাস্থবির [[শীলভদ্র]](৫২৯-৬৫৪)- বৌদ্ধশাস্ত্রের একজন শাস্ত্রজ্ঞ - দার্শনিক, নালন্দা বিহারের প্রধান।
*মহাস্থবির [[শীলভদ্র]](৫২৯-৬৫৪)- বৌদ্ধশাস্ত্রের একজন শাস্ত্রজ্ঞ - দার্শনিক, নালন্দা বিহারের প্রধান।
* [[নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানী]] (১৮৩৪-১৯০৪)- লেখিকা, নারী শিক্ষার অগ্রদূত, দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম মহিলা নওয়াব, ফয়জুন্নেসা বালিকা বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা।
*[[নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানী]] (১৮৩৪-১৯০৪)- লেখিকা, নারী শিক্ষার অগ্রদূত, দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম মহিলা নওয়াব, ফয়জুন্নেসা বালিকা বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা।
* [[কামিনী কুমার দত্ত]] (১৮৭৮-১৯৫৮)- সাবেক মন্ত্রী।
*[[কামিনী কুমার দত্ত]] (১৮৭৮-১৯৫৮)- সাবেক মন্ত্রী।
* [[ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত]] (১৮৮৬-১৯৭১)- সাবেক আইনমন্ত্রী, ভাষা আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী ও ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে শহীদ।  
*[[ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত]] (১৮৮৬-১৯৭১)- সাবেক আইনমন্ত্রী, ভাষা আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী ও ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে শহীদ।
* [[আসিফ মাহমুদ]] - ২০২৪ সালের কোটা বিরোধী আন্দোলন কর্মি ও অন্তবতিকালীন সরকারের শ্রম  ও ক্রীড়া উপদেষ্টা।  
*[[আসিফ মাহমুদ]] - ২০২৪ সালের কোটা বিরোধী আন্দোলন কর্মি ও অন্তবতিকালীন সরকারের শ্রম  ও ক্রীড়া উপদেষ্টা।
* ভাষা বীর ও মুক্তিযোদ্ধা [[শহীদুল্লাহ (কবি)|শহীদুল্লাহ]] (১৯২০-২০০৫)
*ভাষা বীর ও মুক্তিযোদ্ধা [[শহীদুল্লাহ (কবি)|শহীদুল্লাহ]] (১৯২০-২০০৫)
* [[আলী আকবর খাঁ|ওস্তাদ আলী আকবর খান]] (১৯২২-২০০৯)- শাস্ত্রীয় সঙ্গীত জগতের একজন অন্যতম পরিপূর্ণ সঙ্গীতজ্ঞ।  
*[[আলী আকবর খাঁ|ওস্তাদ আলী আকবর খান]] (১৯২২-২০০৯)- শাস্ত্রীয় সঙ্গীত জগতের একজন অন্যতম পরিপূর্ণ সঙ্গীতজ্ঞ।
* [[বশিরুল আলম মিয়াজী]] (১৯৭০-বর্তমান)- বিশিষ্ট শিল্পপতি ও রাজনীতিবিদ।    
*[[বশিরুল আলম মিয়াজী]] (১৯৭০-বর্তমান)- বিশিষ্ট শিল্পপতি ও রাজনীতিবিদ।
* [[কাজী জাফর আহমেদ]] (১৯৩৯-২০১৫)- সাবেক প্রধানমন্ত্রী।
*[[কাজী জাফর আহমেদ]] (১৯৩৯-২০১৫)- সাবেক প্রধানমন্ত্রী।
* [[আবদুল খালেক]] বাংলাদেশের প্রথম পুলিশের মহাপরিচালক  
*[[আবদুল খালেক]] বাংলাদেশের প্রথম পুলিশের মহাপরিচালক
* [[মুহাম্মদ আব্দুল মালেক]] বাংলাদেশের অন্যতম একজন ইসলামি ফিকাহশাস্ত্রবিদ।
*[[মুহাম্মদ আব্দুল মালেক]] বাংলাদেশের অন্যতম একজন ইসলামি ফিকাহশাস্ত্রবিদ।
* [[মোহাম্মদ নুরুল আমিন]]- বীর উত্তম। চৌদ্দগ্রাম উপজেলার কৃতি সন্তান।  
*[[মোহাম্মদ নুরুল আমিন]]- বীর উত্তম। চৌদ্দগ্রাম উপজেলার কৃতি সন্তান।
* [[মুজিবুল হক মুজিব]] (১৯৪৭- )- সাবেক রেলপথ মন্ত্রী।
*[[মুজিবুল হক মুজিব]] (১৯৪৭- )- সাবেক রেলপথ মন্ত্রী।
* আফজল খান (১৯৪৫-২০২১ )- রাজনীতিবিদ ও বহু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা।
*আফজল খান (১৯৪৫-২০২১ )- রাজনীতিবিদ ও বহু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা।
* [[আ হ ম মোস্তফা কামাল]] (১৯৪৭- )- বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী ও ২০১৪-১৫ মেয়াদে আইসিসি’র সভাপতি।
*[[আ হ ম মোস্তফা কামাল]] (১৯৪৭- )- বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী ও ২০১৪-১৫ মেয়াদে আইসিসি’র সভাপতি।
* [[আ. ক. ম. বাহাউদ্দিন বাহার]]– রাজনীতিবিদ ,তিনবারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য।
*[[আ. ক. ম. বাহাউদ্দিন বাহার]]– রাজনীতিবিদ ,তিনবারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য।
* [[খন্দকার মোশতাক আহমেদ]] (১৯১৮-১৯৯৬)- বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি, সাবেক মন্ত্রী ও মুজিবনগরে গঠিত প্রথম মন্ত্রীসভার সদস্য।
*[[খন্দকার মোশতাক আহমেদ]] (১৯১৮-১৯৯৬)- বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি, সাবেক মন্ত্রী ও মুজিবনগরে গঠিত প্রথম মন্ত্রীসভার সদস্য।
* ব্যারিস্টার [[শফিক আহমেদ]], সাবেক আইনমন্ত্রী  
*ব্যারিস্টার [[শফিক আহমেদ]], সাবেক আইনমন্ত্রী
;সমাজসেবক
;সমাজসেবক
* [[একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী]]- বাংলাদেশের ১৪ তম রাষ্ট্রপতি  
*[[একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী]]- বাংলাদেশের ১৪ তম রাষ্ট্রপতি
* [[তাজুল ইসলাম (রাজনীতিবিদ)]]  - স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী।  
*[[তাজুল ইসলাম (রাজনীতিবিদ)]]  - স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী।
* মহেশচন্দ্র ভট্টাচার্য্য (১৮৫৪-১৯৪৪)
*মহেশচন্দ্র ভট্টাচার্য্য (১৮৫৪-১৯৪৪)
* [[সৈয়দ মাহমুদ হোসেন]] বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি  
*[[সৈয়দ মাহমুদ হোসেন]] বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি
;শিক্ষাবিদ ও গবেষক
;শিক্ষাবিদ ও গবেষক
* [[ফজলুল হালিম চৌধুরী]] - [[ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়|ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের]] সাবেক ভাইস-চ্যান্সেলর।
*[[ফজলুল হালিম চৌধুরী]] - [[ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়|ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের]] সাবেক ভাইস-চ্যান্সেলর।
* ডক্টর শামসুল হক - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভাইস-চ্যান্সেলর।
*ডক্টর শামসুল হক - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভাইস-চ্যান্সেলর।
* [[মীজানুর রহমান (শিক্ষাবিদ)]]- উপাচার্য, [[জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়]]
*[[মীজানুর রহমান (শিক্ষাবিদ)]]- উপাচার্য, [[জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়]]


;সাহিত্যিক
;সাহিত্যিক
* [[বুদ্ধদেব বসু]] (১৯০৮-১৯৭৪)- বিখ্যাত বাংলা কবি, ঔপন্যাসিক, অনুবাদক ও সম্পাদক।
*[[বুদ্ধদেব বসু]] (১৯০৮-১৯৭৪)- বিখ্যাত বাংলা কবি, ঔপন্যাসিক, অনুবাদক ও সম্পাদক।
* আব্দুল কাদির (১৯০৬-১৯৮৪)- গবেষক, কবি ও সম্পাদক।
*আব্দুল কাদির (১৯০৬-১৯৮৪)- গবেষক, কবি ও সম্পাদক।
* [[আব্দুল মতিন খসরু]], সাবেক আইনমন্ত্রী ও আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য  
*[[আব্দুল মতিন খসরু]], সাবেক আইনমন্ত্রী ও আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য


* [[রকিব হাসান]] গোয়েন্দাকাহিনী লেখক
*[[রকিব হাসান]] গোয়েন্দাকাহিনী লেখক


;সঙ্গীত
;সঙ্গীত


* [[শচীন দেববর্মণ]] (১৯০৬-১৯৭৫)- এস ডি বর্মণ নামে পরিচিত, গায়ক, সুরকার ও সঙ্গীত পরিচালক।
*[[শচীন দেববর্মণ]] (১৯০৬-১৯৭৫)- এস ডি বর্মণ নামে পরিচিত, গায়ক, সুরকার ও সঙ্গীত পরিচালক।
* জান-এ-আলম চৌধুরী (১৮৮৪-১৯৬৭)- তবলাবাদক।
*জান-এ-আলম চৌধুরী (১৮৮৪-১৯৬৭)- তবলাবাদক।
* ওস্তাদ মোহাম্মদ হুসাইন খসরু (১৯০৩-১৯৫৯)- ক্লাসিকাল সঙ্গীতের গায়ক ও সুরকার।
*ওস্তাদ মোহাম্মদ হুসাইন খসরু (১৯০৩-১৯৫৯)- ক্লাসিকাল সঙ্গীতের গায়ক ও সুরকার।
* [[হিমাংশু দত্ত]] (১৯০৮-১৯৪৪) - সুরকার ও গায়ক।
*[[হিমাংশু দত্ত]] (১৯০৮-১৯৪৪) - সুরকার ও গায়ক।
* [[রাহুল দেব বর্মণ]] - আর ডি বর্মণ নামে পরিচিত, এস ডি বর্মণের ছেলে, সুরকার ও সঙ্গীত পরিচালক।
*[[রাহুল দেব বর্মণ]] - আর ডি বর্মণ নামে পরিচিত, এস ডি বর্মণের ছেলে, সুরকার ও সঙ্গীত পরিচালক।
* [[সুরেন্দ্র নারায়ণ দাশ]], (১৯০৮-১৯৮৬) শাস্ত্রীয় সঙ্গীত বিশারদ
*[[সুরেন্দ্র নারায়ণ দাশ]], (১৯০৮-১৯৮৬) শাস্ত্রীয় সঙ্গীত বিশারদ
* [[সুধীন দাশ]]
*[[সুধীন দাশ]]
* [[ব্রজলাল অধিকারী]]- গণসংগীত শিল্পী ও শহীদ।
*[[ব্রজলাল অধিকারী]]- গণসংগীত শিল্পী ও শহীদ।
* [[অলকা দাশ]], উচ্চাঙ্গ সঙ্গীত শিল্পী
*[[অলকা দাশ]], উচ্চাঙ্গ সঙ্গীত শিল্পী
* [[আসিফ আকবর]]
*[[আসিফ আকবর]]
* [[মোহাম্মদ আবুল হাশেম]] রাজনীতিবিদ ও মুক্তিযোদ্ধা।
*[[মোহাম্মদ আবুল হাশেম]] রাজনীতিবিদ ও মুক্তিযোদ্ধা।


;অন্যান্য
;অন্যান্য
* মেজর আব্দুল গণি- ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের প্রতিষ্ঠাতা।
*মেজর আব্দুল গণি- ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের প্রতিষ্ঠাতা।
* কৈলাশচন্দ্র সিনহা (১৮৫১-১৯১৪)- ঐতিহাসিক, ''রাজমালা'' বই এবং বহু ইতিহাস সম্পর্কিত প্রকাশনার গ্রন্থকার।
*কৈলাশচন্দ্র সিনহা (১৮৫১-১৯১৪)- ঐতিহাসিক, ''রাজমালা'' বই এবং বহু ইতিহাস সম্পর্কিত প্রকাশনার গ্রন্থকার।
* এয়ার ভাইস মার্শাল [[জামাল উদ্দিন আহমেদ (এয়ার মার্শাল)|জামাল উদ্দিন আহমেদ]]- বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর সাবেক চিফ এয়ার স্টাফ।
*এয়ার ভাইস মার্শাল [[জামাল উদ্দিন আহমেদ (এয়ার মার্শাল)|জামাল উদ্দিন আহমেদ]]- বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর সাবেক চিফ এয়ার স্টাফ।


== গণমাধ্যম ==
==গণমাধ্যম==
কুমিল্লায় স্থানীয়ভাবে প্রকাশিত বেশ কয়েকটি [[সংবাদপত্র]] ও অনলাইন পত্রিকা রয়েছে রয়েছে। প্রাচীনতম পত্রিকার মধ্যে আমোদ, দৈনিক পত্রিকাগুলোর মধ্যে রয়েছে দৈনিক [[কুমিল্লার কাগজ]], দৈনিক শিরোনাম&nbsp; এছাড়া কুমিল্লার বার্তা অনলাইন, দৈনিক রূপসী বাংলা, দৈনিক আমাদের কুমিল্লা, রাইজিং কুমিল্লা ও চান্দিনা উপজেলা থেকে প্রকাশিত চান্দিনা প্রতিদিন প্রভৃতি। সাপ্তাহিক পত্রিকাগুলোর মধ্যে সাপ্তাহিক আমোদ, মেগোতী, গোমতী সংবাদ, কথক, কুমিল্লা সাহিত্য পরিষদ পত্রিকা, সময়ের পথ উল্লেখযোগ্য। কিছু মাসিক পত্রিকাও এখানে রয়েছে। এছাড়াও দেশের প্রতিষ্ঠিত প্রথম সারির সব সংবাদপত্রই এখানে পাওয়া যায়। কুমিল্লাতে বেশ কয়েকটি সাংস্কৃতিক সংগঠনও রয়েছে।
কুমিল্লায় স্থানীয়ভাবে প্রকাশিত বেশ কয়েকটি [[সংবাদপত্র]] ও অনলাইন পত্রিকা রয়েছে রয়েছে। প্রাচীনতম পত্রিকার মধ্যে আমোদ, দৈনিক পত্রিকাগুলোর মধ্যে রয়েছে দৈনিক [[কুমিল্লার কাগজ]], দৈনিক শিরোনাম&nbsp; এছাড়া কুমিল্লার বার্তা অনলাইন, দৈনিক রূপসী বাংলা, দৈনিক আমাদের কুমিল্লা, রাইজিং কুমিল্লা ও চান্দিনা উপজেলা থেকে প্রকাশিত চান্দিনা প্রতিদিন প্রভৃতি। সাপ্তাহিক পত্রিকাগুলোর মধ্যে সাপ্তাহিক আমোদ, মেগোতী, গোমতী সংবাদ, কথক, কুমিল্লা সাহিত্য পরিষদ পত্রিকা, সময়ের পথ উল্লেখযোগ্য। কিছু মাসিক পত্রিকাও এখানে রয়েছে। এছাড়াও দেশের প্রতিষ্ঠিত প্রথম সারির সব সংবাদপত্রই এখানে পাওয়া যায়। কুমিল্লাতে বেশ কয়েকটি সাংস্কৃতিক সংগঠনও রয়েছে।


=== তথ্য গ্রন্থ ও সাময়িকী ===
===তথ্য গ্রন্থ ও সাময়িকী===
{{div col}}
{{div col}}
* ''স্মৃতির মিনার'', এডভোকেট এস এম মোফাখখর, সাবেক সভাপতি সুপ্রিমকোর্ট বার এসোসিয়েশন
*''স্মৃতির মিনার'', এডভোকেট এস এম মোফাখখর, সাবেক সভাপতি সুপ্রিমকোর্ট বার এসোসিয়েশন
* ''আলোকিত কুমিল্লা'', নজরূল ইসলাম দুলাল, সাংবাদিক
*''আলোকিত কুমিল্লা'', নজরূল ইসলাম দুলাল, সাংবাদিক
* ''মুক্তির সংগ্রামে কুমিল্লা'', আবুল কাসেম হৃদয়, সাংবাদিক
*''মুক্তির সংগ্রামে কুমিল্লা'', আবুল কাসেম হৃদয়, সাংবাদিক
* ''সাপ্তাহিক স্বন্দীপ'', ২১শে সংখ্যা ১৯৮৯ইং
*''সাপ্তাহিক স্বন্দীপ'', ২১শে সংখ্যা ১৯৮৯ইং
* ''সাপ্তাহিক নগরী'', ২১শে সংখ্যা ১৯৮৯ইং
*''সাপ্তাহিক নগরী'', ২১শে সংখ্যা ১৯৮৯ইং
* ''জীবন বৃত্তান্ত অভিধান'', বাংলা একাডেমি প্রণিত।
*''জীবন বৃত্তান্ত অভিধান'', বাংলা একাডেমি প্রণিত।
* ''মহাস্থবির শিলাভদ্র'', শহীদুল্লাহ মৃধা রচিত।
*''মহাস্থবির শিলাভদ্র'', শহীদুল্লাহ মৃধা রচিত।
* ''মাসিক কোরক'' ১৯৪৭ ইং ভাষা বীর ও মুক্তিযোদ্ধা কবি শহীদুল্লাহ সম্পাদিত।
*''মাসিক কোরক'' ১৯৪৭ ইং ভাষা বীর ও মুক্তিযোদ্ধা কবি শহীদুল্লাহ সম্পাদিত।
</div>


==তথ্যসূত্র ==  
==তথ্যসূত্র==  
{{সূত্র তালিকা}}
{{সূত্র তালিকা}}


== বহিঃসংযোগ ==
==বহিঃসংযোগ==
{{কমন্স বিষয়শ্রেণী}}
{{উইকিভ্রমণ}}
{{Geographic Location
|title = '''কুমিল্লা থেকে অন্যান্য স্থানের অবস্থান'''
|Northwest = [[নারায়ণগঞ্জ]] 
|North    = [[ব্রাহ্মণবাড়িয়া]] 
|Northeast = ([[ভারত]]) 
|West      = [[চাঁদপুর জেলা|চাঁদপুর]] 
|Centre    = কুমিল্লা
|East      = ([[ভারত]]) 
|Southwest = [[লক্ষ্মীপুর]] 
|South    = [[নোয়াখালী]] 
|Southeast = [[ফেনী জেলা|ফেনী]] 
}}
{{বাংলাদেশের বৃহত্তম শহরসমূহ}}
 
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের নগর]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের নগর]]
[[বিষয়শ্রেণী:কুমিল্লা]]
[[বিষয়শ্রেণী:কুমিল্লা]]
[[বিষয়শ্রেণী:ত্রিপুরার ইতিহাস]]
[[বিষয়শ্রেণী:ত্রিপুরার ইতিহাস]]
[[বিষয়শ্রেণী:৮ম শতাব্দীতে প্রতিষ্ঠিত]]
[[বিষয়শ্রেণী:৮ম শতাব্দীতে প্রতিষ্ঠিত]]

১১:৩৬, ১৭ জুলাই ২০২৫ তারিখে সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণ

কুমিল্লা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব অংশে অবস্থিত একটি মহানগরী। এটি ঢাকা, চট্টগ্রামখুলনার পর দেশের ৪র্থ বৃহত্তম শহর। শহরের পাশ দিয়ে গোমতী নদী প্রবাহিত হয়েছে।

কুমিল্লা প্রাচীন বাংলার একটি গুরুত্বপূর্ণ শহর। এক সময় এটি ত্রিপুরা রাজ্যের রাজধানী ছিল। শহরের ডুলিপাড়া এলাকায় কুমিল্লা বিমানবন্দর অবস্থিত। বিমানবন্দরের আশেপাশে গড়ে উঠেছে ইপিজেড ও বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠান ফলে এলাকাটি ব্যবসা-বাণিজ্যের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।

কুমিল্লা একটি বিভাগীয় কেন্দ্রভুক্ত শহর। আশেপাশের জেলার অনেক মানুষ কাজের জন্য কুমিল্লা শহরে আসেন। শহর থেকে প্রায় ৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত বিবিরবাজার স্থলবন্দর আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

২০২২ সালে জনশুমারি ও গৃহগণনা এর প্রাথমিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, কুমিল্লা আয়তন ও জনসংখ্যার দিক থেকে দেশের ৪র্থ বৃহত্তম মহানগরী।[১]

ভৌগোলিক অবস্থান

চিত্র:Shahid minar, comilla (1).jpg
কুমিল্লা শহরের শহীদ মিনার

কুমিল্লা ভৌগোলিকভাবে ২৩°২৭′০″ উত্তর এবং ৯১°১২′০″ পূর্বে অবস্থিত। কর্কটক্রান্তি রেখা (২৩°৫') কুমিল্লা শহরের দক্ষিণ দিকে টমসম ব্রিজের উপর দিয়ে অতিক্রম করেছে। এর উত্তরে বুড়িচং ও ত্রিপুরা, দক্ষিণে লাকসাম ও চৌদ্দগ্রাম এবং পশ্চিমে বরুড়া অবস্থিত। কুমিল্লার উপর দিয়ে যেসব নদী প্রবহমান, সেগুলোর মধ্যে গোমতী ও ছোট ফেনী উল্লেখযোগ্য।

ইতিহাস

চিত্র:Chondimura temple (12).jpg
কুমিল্লার লালমাই পাহাড়ে অবস্থিত চন্ডীমুড়া মন্দির

কুমিল্লা শব্দটি উক্ত অঞ্চলের আদিনাম কমলাঙ্ক (চীনা পরিব্রাজক ওয়াং চুয়াং-এর মতে, কিয়া-মল-ঙ্কিয়া) এর ক্রমান্বয়ে পরিবর্তিত আঞ্চলিক অপভ্রংশ রূপ, যার অর্থ পদ্মফুলের দীঘি। কুমিল্লা অঞ্চলটি একসময় প্রাচীন সমতট অঞ্চলের অধীনে ছিল। পরবর্তীকালে এটি ত্রিপুরা রাজ্যের সাথে যোগ দেয়। খ্রিস্টীয় নবম শতাব্দীতে কুমিল্লা জেলা হরিকেল অঞ্চলের রাজাদের অধীনে আসে। অষ্টম শতাব্দীতে লালমাই ময়নামতি দেব বংশ এবং দশম থেকে একাদশ শতকের মাঝামাঝি পর্যন্ত চন্দ্র বংশের শাসনাধীনে ছিল। ১৭৬৫ সালে এ অঞ্চলটি ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির অধীনে আসে। ১৭৬৯ সালে রাজস্ব আদায়ের সুবিধার্থে কোম্পানী একজন তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ করে। তখন ঢাকা প্রদেশের অন্তর্গত ছিল কুমিল্লা। কুমিল্লাকে ১৭৭৬ সালে কালেক্টরের অধীনস্থ করা হয়। ১৭৯০ সালে কোম্পানী শাসনামলে ত্রিপুরা নামের জেলার সৃষ্টি হয় করা হয়। তৎকালে বর্তমান কুমিল্লা, চাঁদপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, শাহবাজপুর, হাতিয়া, ত্রিপুরার কিছু অংশ, চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ ও মীরসরাই নিয়ে সমতল অঞ্চল নিয়ে ত্রিপুরা জেলা ও পার্বত্য অঞ্চল নিয়ে পার্বত্য ত্রিপুরা নামে ভাগ করা হয়, এই জেলার সদর দপ্তর স্থাপিত হয় কুমিল্লায়। ১৮২১ সালে ত্রিপুরা জেলাকে ভাগ করে বর্তমান নোয়াখালী, ফেনী, লক্ষীপুর নিয়ে ভূলুয়া জেলা গঠিত হয়, যা পরবর্তীতে নোয়াখালী নামকরন করা হয়। ১৯৬০ সালে সদর দপ্তরের নামানুসারে ত্রিপুরা জেলার নামকরণ করা হয় কুমিল্লা এবং তখন থেকে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও কালেক্টর পদটির নামকরণ জেলা প্রশাসক করা হয়। ১৯৮৪ সালে কুমিল্লার দু'টি মহকুমা চাঁদপুর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে পৃথক জেলা হিসেবে পুনর্গঠন করা হয়।[২]

ঐতিহাসিক ঘটনা

১৭৬৪ সালে ত্রিপুরার রাজার বিরুদ্ধে শমসের গাজীর নেতৃত্বে পরিচালিত কৃষক আন্দোলন এ অঞ্চলের একটি ঐতিহাসিক ঘটনা। সাধারণ কৃষক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেও শমসের গাজী সম্পূর্ণ চাকলা রওশানাবাদ অঞ্চলের শাসক হয়েছিলেন, যা পরবর্তীকালে দক্ষিণ কুমিল্লা থেকে উত্তর নোয়াখালী পর্যন্ত বিস্তৃত হয়। এক সময় তিনি সমগ্র কুমিল্লাকে তার শাসনাধীনে নিয়ে আসেন। পরবর্তীকালে তিনি নিজামপুর পরগনা জয় করেন। এভাবে, তিনি মেঘনা, মুহুরি ও মনুগঙ্গা নদীসমূহের মধ্যবর্তী বিশাল জনপদের মুকুটবিহীন রাজায় পরিণত হন।[৩]

শমসের গাজী ১৭১২ সালে উত্তর চট্টগ্রামের দক্ষিণ শিক পরগনার কুঙ্গুরা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন, যা পরবর্তীকালে ত্রিপুরার মানিক রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হয়। স্থানীয় জমিদার নাসির মোহাম্মদের অফিসে তেহশিলদার হিসেবে কাজ করার সময় তিনি একজন স্বর্গীয় পীরের আশীর্বাদ পেয়েছিলেন বলে জনশ্রুতি রয়েছে।[৪]

শিশুকাল থেকেই শমসের গাজী ছিলেন সাহসী এবং বুদ্ধিমান। তৎকালীন সময়ে চাকলা রওশানাবাদ ত্রিপুরা রাজ্যের অধীনে ছিল। এর জমিদার ছিলেন নাসির মাহমুদ। নাসির মাহমুদ শমসেরকে অত্যন্ত যত্নের সাথে বড় করে তোলেন। কিন্তু তরুণ বয়সে শমসের অত্যন্ত উচ্চাভিলাষী ছিলেন। তিনি জমিদারের কন্যাকে বিবাহ করতে চাইলে, তার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করা হয় এবং তাকে বন্দী করার নির্দেশ দেওয়া হয়। এদিকে শমসের গাজী একটি সশস্ত্র বাহিনী গঠন করেন। এর মাধ্যমে ১৭৪৫ সালে তিনি নাসির মাহমুদের রাজ্য দখল করেন।

ব্রিটিশ শাসনামলের শুরুর দিকে, জমিদারী প্রথা কৃষকদের জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলেছিল। শমসের গাজী ছিলেন বিজ্ঞ, যোগ্য, দয়ালু এবং উদার শাসক। তিনি দরিদ্র কৃষকদের কষ্ট লাঘবের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নেন এবং অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটাতে সক্ষম হন। ফলে, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম কমতে থাকে। তিনি হিন্দু মুসলমান কৃষকদের জন্য নিষ্কর ভূমির ব্যবস্থা করেন। তিনি রাজধানী জগন্নাথ সোনাপুরের ভিতরে ও বাইরে বহু সংখ্যক দীঘি খনন করেন এবং বিদ্যালয় স্থাপন করেন। তিনি যেসব দীঘি স্থাপন করেছিলেন, তার মধ্যে 'কাইয়ার সাগর' ছিল সবচেয়ে বড়।[৫]

দক্ষিণ শিক এবং মেহেরকুল পরগনার শাসক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে, শমসের ত্রিপুরার দিকে মনোনিবেশ করেন এবং ১৭৪৮ সালে রাজা কৃষ্ণ মানিক্যকে বেশ কয়েকটি যুদ্ধের মাধ্যমে পরাজিত করে তাকে রাজ্য থেকে বিতাড়িত করে ত্রিপুরা দখল করেন। তবে রাজ্যের পাহাড়ী উপজাতিরা কৃষ্ণ মানিক্যের পক্ষে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে এবং শমসেরের প্রবল বিরোধিতা করে।[৬]

কৃষ্ণ মানিক শমসের গাজীকে মোকাবেলা করার জন্য কুকি সৈন্যদের দুইটি শক্তিশালী অভিযান দল পাঠান। কিন্তু শমসেরের অসাধারণ রণকৌশল ও বীরত্বের কাছে দুইটি অভিযানই ব্যর্থ হয়। শমসের গাজী ত্রিপুরার রাজধানী উদয়পুর দখল করেন। এরপর তিনি আগরতলা যান এবং নবাব মীর কাসিমের প্রতিরক্ষা বুহ্য ভেদ করার প্রচেষ্টা চালান। কিন্তু মীর কাসিম শমসেরকে আলোচনার জন্য মিথ্যা আমন্ত্রণ জানান এবং তার আহবানে সাড়া দিতে গিয়ে ১৭৬০ সালে শমসের গাজী নিহত হন। এভাবে কৃষ্ণ মানিক তার হারানো রাজ্য পুনরুদ্ধার করেন।

১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গের সময় কুমিল্লা শহরে গুলিবর্ষণে একজন মুসলমান নিহত হলে, পুরো কুমিল্লা জুড়ে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা বিস্তৃত হয়। ১৯২১ সালের ২১ নভেম্বর দেশব্যাপী হরতাল পালনের প্রস্তুতিগ্রহণের সময়, এখানে কাজী নজরুল ইসলাম দেশাত্মবোধক গান রচনা করেন এবং প্রিন্স অফ ওয়েলসের ভারত সফরের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তোলেন। এই সময়ে, দেশের জাতীয়তাবাদী সংগঠন অভয় আশ্রম একটি বিপ্লবী প্রতিষ্ঠান রূপে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরমহাত্মা গান্ধী এই সময়েই কুমিল্লা সফর করেন। ১৯৩১ সালে, চৌদ্দগ্রাম উপজেলার মোহিনি গ্রামে চার হাজারেরও বেশি কৃষক একটি ভূমি রাজস্ব করের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে। ব্রিটিশ গুর্খা সৈন্যরা সমবেত কৃষক জনতার উপর নির্বিচারে গুলি বর্ষণ করলে চারজন নিহত হয়। ১৯৩২ সালে লাকসাম উপজেলার হাসনাবাদে আরেকটি কৃষক সমাবেশে পুলিশ গুলি চালালে দুইজন নিহত হয় এবং বহুসংখ্যক আহত হয়।

১৯৩১ সালের ১৪ ডিসেম্বর ফয়জুন্নেসা বালিকা বিদ্যালয়ের দুই ছাত্রী সুনীতি চৌধুরীশান্তি ঘোষ গুলি করে ম্যাজিস্ট্রেট স্টিভেন্সকে হত্যা করে। স্বাধীনতা আন্দোলনে কোন নারীর অংশগ্রহণ সেবারই প্রথম ঘটে।

কুমিল্লার যেসব স্থান বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়ের গণহত্যার চিহ্ন বহন করে চলেছে সেগুলো হলঃ লাকসাম, কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট, হোমনা, বেলতলী ও রসুলপুর। এছাড়াও বেতিয়ারা, মোজাফফরগঞ্জ, নাগারিপাড়া, ক্যান্টনমেন্ট, কৃষ্ণপুর, ধনাঞ্জয়, দিলাবাদ ও লাকসাম বিডি ফ্যাক্টরি এলাকায় গণকবর পাওয়া গেছে।কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ, বেতিয়ারা, পুলিশ লাইন, ক্যান্টনমেন্ট, লাকসাম, পলিটেকনিক ইনস্টিটিউশন এবং হারাতলীতে শহীদদের উদ্দেশ্যে নির্মিত স্মৃতিসৌধ রয়েছে।

এছাড়া যুদ্ধের সময় বহু মুক্তিযোদ্ধাকে ধরে এনে চৌদ্দগ্রাম হরিশ্চর ব্রিজের ওপর নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। অনেক মুক্তিযোদ্ধাকে বস্তার ভেতর ভরে বস্তার মুখ বন্ধ করে ব্রিজের ওপর থেকে খালের পানিতে ফেলে দেয়া হয়। তাদের একজনও বাঁচতে পারেননি। কুমিল্লার নাঙ্গলকোট থানার চেহরিয়া গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা ডা. লুৎফর রহমানের বাড়ি থেকে ২ জন মুক্তিযোদ্ধাকে ধরে নিয়ে যায় রাজাকাররা। তাদের একজন পালাতে সক্ষম হলেও আরেকজনকে নৃশংসভাবে হত্যা করে রাজাকার বাহিনী।

প্রশাসন

অন্যান্য জেলার মতো কুমিল্লা জেলাতেও একজন জেলা প্রশাসক রয়েছেন, যিনি জেলার প্রশাসনিক কাজ পরিচালনা করেন। জেলা প্রশাসকের কার্যালয় কুমিল্লা শহরের ধর্মসাগরের পূর্ব দিকে ফৌজদারী এলাকায় অবস্থিত।

কুমিল্লা শহরটি আদর্শ সদর থানার অন্তর্গত। এখানে কুমিল্লা সেনানিবাস অবস্থিত, যা বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক এলাকা। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্রিটিশ ভারতীয় সেনাবাহিনী এই ক্যান্টনমেন্ট ব্যবহার করেছিল। সেই সময় নিহত বিভিন্ন দেশের সৈন্যদের কবর এখানেই রয়েছে।

কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন শহরটি পরিচালনা করে। এটি মোট ২৭টি ওয়ার্ডে বিভক্ত।

কুমিল্লা শহরের কিছু এলাকাঃ

  • নাথেরপেটুয়া
  • বাগমারা
  • বড়পাড়া
  • বেলঘর
  • ভোলাইন (উত্তর)
  • ভোলাইন (দক্ষিণ)
  • বিজয়পুর
  • চাপাপুর
  • দুর্লভপুর
  • চৌয়ারা
  • গালিয়ারা
  • পূর্ব জোড়কানন
  • পশ্চিম জোড়কানন
  • পেরুল (উত্তর)
  • পেরুল (দক্ষিণ)

জলবায়ু

কুমিল্লা শহরটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৬ মিটার/১৯ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত। মাসভিত্তিক ২৪ ঘণ্টার গড় তাপমাত্রা: টেমপ্লেট:আবহাওয়া বাক্স

জনসংখ্যা

কুমিল্লা নগরের জনসংখ্যা হল ৭ লাখের বেশি এবং মহানগরের জনসংখ্যা প্রায় ৮ লাখ।

ভূমি ও অর্থনীতি

প্রধান পেশাঃ

কৃষিকাজ ৩৩.২৮%, ব্যবসা ১৭.৬%, চাকরি ১৯.৭৮%, কৃষি শ্রমিক ১০.৮৯%, দিনমজুর ১.৪৬%, নির্মাণ শ্রমিক ১.০৩% এবং অন্যান্য ১১.৬%।

১০.০৭%(প্রায়) মানুষ দরিদ্র সীমার নিচে বসবাস করে।

ব্যবহারযোগ্য ভূমিঃ

মোট আবাদযোগ্য জমি ২৪৩৫৯৬.৯৩ হেক্টর; একফসলা জমি ১৮.০৫%, দোফসলা জমি ৬৩.৯৯% এবং ত্রিফসলা জমি ১৭.৯৬%।

ভূমি নিয়ন্ত্রণঃ

কৃষকদের মধ্যে ৫৬% ভূমিহীন কৃষক, ২০% ছোট কৃষক, ২০% মধ্যম কৃষক এবং ৪% ধনী কৃষক।

ভূমির মূল্যঃ

ভাল মানের প্রতি শতাংশ ভূমির বাজারমূল্য হচ্ছে ১২৫০০ টাকা।

প্রধান ফসলঃ

ধান, পাট, গম, তেলবীজ, বেগুন ইত্যাদি।

প্রধান ফলঃ

আম, কাঁঠাল, কলা, নারিকেল, তাল, পেয়ারা ও কালোজাম।

ফিশারি, ডেইরি ও পোলট্রিঃ

ডেইরি ২৮ টি, পোলট্রি ১০৯ টি, ফিশারি ২৭ টি, হ্যাচারি ৬৯ টি ও নার্সারি ২০০ টি।

শিল্পকারখানাঃ

সপ্তদশ শতকের শেষার্ধে, ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি এ অঞ্চলের চার্পাতা নামক স্থানে একটি কটন মিল স্থাপন করে। বর্তমানে কুমিল্লার খদ্দর কাপড় সারা দেশে অত্যন্ত বিখ্যাত।

হাট ও বাজার এবং মেলাঃ

কুমিল্লার শহরের প্রধান প্রধান হাট ও বাজারসমূহ হচ্ছেঃ চকবাজার, রাজগঞ্জ, বাদশামিয়া বাজার, রানীর বাজার, বৌ বাজার, টমচমব্রীজ, গোলমার্কেট, পদুয়ার বাজার ইত্যাদি। বিখ্যাত মেলাসমূহের মধ্যে ময়নামতি মেলা, পুনরা মেলা, চন্দলা মেলা, বায়রা মেলা, বেতাখালী মেলা, ঠান্ডা কালিবাড়ি মেলা প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।

প্রধান রপ্তানী পণ্যঃ

খদ্দর কাপড়, শুটকি, ডিম, পোলট্রি।

যাতায়াত ও যোগাযোগ ব্যবস্থা

চিত্র:Sunset at Elliotganj.jpg
ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়ক, ইলিয়টগঞ্জ, কুমিল্লা

কুমিল্লার যাতায়াত ও যোগাযোগ ব্যবস্থা অত্যন্ত উন্নতমানের। উপমহাদেশের অন্যতম প্রাচীন সড়ক গ্র্যান্ড ট্রাঙ্ক রোড কুমিল্লা শহরের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করেছে। বর্তমানে, বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়ক ঢাকা- কুমিল্লা - চট্টগ্রাম মহাসড়ক কুমিল্লা শহরের পাশ দিয়ে গেছে।

রাজধানী ঢাকা থেকে কুমিল্লার দূরত্ব ৯৭ কিলোমিটার। সড়ক অথবা রেলপথের মাধ্যমে ভ্রমণ করা যায়। তবে রেলপথে ঢাকা থেকে কুমিল্লা যেতে মোট ১৯৭ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করতে হয়। স্থানীয় প্রশাসন আরএইচডি, এলজিইডিসিটি কর্পোরেশন সকল রাস্তা তদারকি করে থাকে। কুমিল্লাতে আরএইচডি এবং এলজিইডি'র আঞ্চলিক সদর দপ্তর রয়েছে।

কুমিল্লায় একটি অব্যবহৃত বিমানবন্দর রয়েছে যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্রিটিশরা যুদ্ধবিমান উঠা-নামা করার জন্য বানিয়েছিল। আন্তঃজেলা বাস টার্মিনালটি আশ্রাফপুর, টমসমব্রীজ, শাসনগাছা ও চকবাজারে অবস্থিত এখান থেকে ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহী, নোয়াখালী, চাঁদপুর এর বাস ছেড়ে যায় ।

শিক্ষা

আগে কুমিল্লাকে বলা হতো শিক্ষানগরী। কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড কুমিল্লা শহরে অবস্থিত। কুমিল্লাসহ বেশ কয়েকটি জেলার প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা এই বোর্ডের অধীনে পরিচালিত হয়। আগে সম্পূর্ণ চট্টগ্রাম বিভাগ কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের অধীনে ছিল। সাম্প্রতিককালে, আলাদাভাবে চট্টগ্রামসিলেট শিক্ষা বোর্ড গঠিত হয়েছে। বর্তমানে কুমিল্লায় শিক্ষার হার ৮১.৫১% (২০২৪ সালের শিক্ষা জরিপ)।[৭]

উল্লেখযোগ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ

কুমিল্লাতে অবস্থিত উল্লেখযোগ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহের মধ্যে রয়েছে:[৮] টেমপ্লেট:Div col

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠানসমূহ

মেডিকেল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ

প্রকৌশল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ

কলেজ সমূহ

বিদ্যালয় সমূহ

টেমপ্লেট:Div col end

পর্যটন

চিত্র:War cemetery comilla (9).jpg
ওয়ার সিমেট্রি

কুমিল্লাতে বহুসংখ্যক পর্যটন আকর্ষণ রয়েছে। কুমিল্লার লালমাই ময়নামতি পাহাড়ে একটি সমৃদ্ধ প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শন রয়েছে। এখানে রয়েছে শালবন বিহার, কুটিলা মুড়া, চন্দ্রমুড়া, রূপবন মুড়া, ইটাখোলা মুড়া, সতের রত্নমুড়া, রাণীর বাংলার পাহাড়, আনন্দ বাজার প্রাসাদ, ভোজ রাজদের প্রাসাদ, চন্ডীমুড়া প্রভৃতি। এসব বিহার, মুড়া ও প্রাসাদ থেকে বিভিন্ন প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে যা ময়নামতি জাদুঘরে সংরক্ষিত রয়েছে। ময়নামতি একটি বিখ্যাত বৌদ্ধ প্রত্নতাত্ত্বিক এলাকা। ময়নামতি জাদুঘরটি একটি অন্যতম পর্যটন আকর্ষণ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। ১৯২১ সালে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরভারতের নেতা মহাত্মা গান্ধী কুমিল্লায় এসেছিলেন। কুমিল্লাতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নিহত বিভিন্ন দেশের সৈন্যদের কবর ও ওয়ার সেমেট্রি রয়েছে। বতর্মানে রাজশে পুর ইকোপার্ক এবং তদসংলগ্ন বিরাহিম পুরের সীমান্তবর্তী শাল বন পর্যটন স্পট হিসেবে ব্যপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে।

উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিবর্গ

টেমপ্লেট:Main

সমাজসেবক
শিক্ষাবিদ ও গবেষক
সাহিত্যিক
  • বুদ্ধদেব বসু (১৯০৮-১৯৭৪)- বিখ্যাত বাংলা কবি, ঔপন্যাসিক, অনুবাদক ও সম্পাদক।
  • আব্দুল কাদির (১৯০৬-১৯৮৪)- গবেষক, কবি ও সম্পাদক।
  • আব্দুল মতিন খসরু, সাবেক আইনমন্ত্রী ও আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য
সঙ্গীত
অন্যান্য
  • মেজর আব্দুল গণি- ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের প্রতিষ্ঠাতা।
  • কৈলাশচন্দ্র সিনহা (১৮৫১-১৯১৪)- ঐতিহাসিক, রাজমালা বই এবং বহু ইতিহাস সম্পর্কিত প্রকাশনার গ্রন্থকার।
  • এয়ার ভাইস মার্শাল জামাল উদ্দিন আহমেদ- বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর সাবেক চিফ এয়ার স্টাফ।

গণমাধ্যম

কুমিল্লায় স্থানীয়ভাবে প্রকাশিত বেশ কয়েকটি সংবাদপত্র ও অনলাইন পত্রিকা রয়েছে রয়েছে। প্রাচীনতম পত্রিকার মধ্যে আমোদ, দৈনিক পত্রিকাগুলোর মধ্যে রয়েছে দৈনিক কুমিল্লার কাগজ, দৈনিক শিরোনাম  এছাড়া কুমিল্লার বার্তা অনলাইন, দৈনিক রূপসী বাংলা, দৈনিক আমাদের কুমিল্লা, রাইজিং কুমিল্লা ও চান্দিনা উপজেলা থেকে প্রকাশিত চান্দিনা প্রতিদিন প্রভৃতি। সাপ্তাহিক পত্রিকাগুলোর মধ্যে সাপ্তাহিক আমোদ, মেগোতী, গোমতী সংবাদ, কথক, কুমিল্লা সাহিত্য পরিষদ পত্রিকা, সময়ের পথ উল্লেখযোগ্য। কিছু মাসিক পত্রিকাও এখানে রয়েছে। এছাড়াও দেশের প্রতিষ্ঠিত প্রথম সারির সব সংবাদপত্রই এখানে পাওয়া যায়। কুমিল্লাতে বেশ কয়েকটি সাংস্কৃতিক সংগঠনও রয়েছে।

তথ্য গ্রন্থ ও সাময়িকী

টেমপ্লেট:Div col

  • স্মৃতির মিনার, এডভোকেট এস এম মোফাখখর, সাবেক সভাপতি সুপ্রিমকোর্ট বার এসোসিয়েশন
  • আলোকিত কুমিল্লা, নজরূল ইসলাম দুলাল, সাংবাদিক
  • মুক্তির সংগ্রামে কুমিল্লা, আবুল কাসেম হৃদয়, সাংবাদিক
  • সাপ্তাহিক স্বন্দীপ, ২১শে সংখ্যা ১৯৮৯ইং
  • সাপ্তাহিক নগরী, ২১শে সংখ্যা ১৯৮৯ইং
  • জীবন বৃত্তান্ত অভিধান, বাংলা একাডেমি প্রণিত।
  • মহাস্থবির শিলাভদ্র, শহীদুল্লাহ মৃধা রচিত।
  • মাসিক কোরক ১৯৪৭ ইং ভাষা বীর ও মুক্তিযোদ্ধা কবি শহীদুল্লাহ সম্পাদিত।

তথ্যসূত্র

  1. পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ। "জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ প্রাথমিক প্রতিবেদন" (পিডিএফ)জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২। সংগ্রহের তারিখ ৭ জুলাই ২০২৪ 
  2. কুমিল্লা জেলা
  3. টেমপ্লেট:বাংলাপিডিয়া উদ্ধৃতি
  4. 'Gazinama' authored by Sheikh Manohar[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ] Tripurainfo
  5. Ponds Banglapedia
  6. Tripura Major Events[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ] Tripurainfo
  7. এক নজরে কুমিল্লা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার.
  8. জেলা তথ্য বাতায়ন

বহিঃসংযোগ