নতুনের গান: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য
সম্পাদনা সারাংশ নেই ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা উচ্চতর মোবাইল সম্পাদনা দৃশ্যমান সম্পাদনা |
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা উচ্চতর মোবাইল সম্পাদনা |
||
| (একই ব্যবহারকারী দ্বারা সম্পাদিত ২টি মধ্যবর্তী সংশোধন দেখানো হচ্ছে না) | |||
| ১ নং লাইন: | ১ নং লাইন: | ||
[[চিত্র:Nazrul.jpg|thumb|কাজী নজরুল ইসলাম]] | |||
'''নতুনের গান''' বাংলাদেশের জাতীয় কবি [[কাজী নজরুল ইসলাম]] ১৯২৯ সালে লিখে সুরারোপ করেন। এই গানটি তার লেখা ''[[সন্ধ্যা (কাব্যগ্রন্থ)|সন্ধ্যা]]'' কাব্যগ্রন্থে প্রকাশিত হয়। [[তাল|দাদরা তালে]] লেখা এই গানটি ১৯৭২ সালের ১৩ জানুয়ারি [[বাংলাদেশ সরকার|বাংলাদেশ সরকারের]] প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকে দেশের রণ-সংগীত হিসেবে নির্বাচিত হয়। | |||
বাংলাদেশের সামরিক অনুষ্ঠানে এই গানের প্রথম ২১ লাইন যন্ত্রসংগীতে বাজানো হয়ে থাকে। | |||
২০০৬ সালে [[বিবিসি বাংলা]] পরিচালিত এক জরিপে এই গানটি সর্বকালের সেরা বিশটি বাংলা গানের মধ্যে ১৮তম স্থানে ছিল। | |||
==ইতিহাস== | ==ইতিহাস== | ||
১৯২৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে নজরুল [[মুসলিম সাহিত্য সমাজ|মুসলিম সাহিত্য সমাজের]] ২য় বার্ষিক সম্মেলনের উদ্দেশ্যে [[ঢাকা|ঢাকায়]] আসেন। ঢাকায় সৈয়দ আবুল হোসেনের বাসভবনে অবস্থানকালে তিনি এই গানটি রচনা করেন। গানটি "নতুনের গান" শিরোনামে প্রথম প্রকাশিত হয় [[শিখা]] পত্রিকায়। পরে এটি [[সন্ধ্যা (কাব্যগ্রন্থ)|সন্ধ্যা]] কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত হয়।<ref>[http://banglahili.com/%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A3-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A7%9F/622-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B0%E0%A6%A3-%E0%A6%B8%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A7%80%E0%A6%A4-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%B2%E0%A7%80 বাংলাহিলি]{{অকার্যকর সংযোগ|তারিখ=এপ্রিল ২০১৯|bot=InternetArchiveBot|ঠিক করার প্রচেষ্টা=yes}}</ref> | ১৯২৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে নজরুল [[মুসলিম সাহিত্য সমাজ|মুসলিম সাহিত্য সমাজের]] ২য় বার্ষিক সম্মেলনের উদ্দেশ্যে [[ঢাকা|ঢাকায়]] আসেন। ঢাকায় সৈয়দ আবুল হোসেনের বাসভবনে অবস্থানকালে তিনি এই গানটি রচনা করেন। গানটি "নতুনের গান" শিরোনামে প্রথম প্রকাশিত হয় [[শিখা]] পত্রিকায়। পরে এটি [[সন্ধ্যা (কাব্যগ্রন্থ)|সন্ধ্যা]] কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত হয়।<ref>[http://banglahili.com/%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A3-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A7%9F/622-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B0%E0%A6%A3-%E0%A6%B8%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A7%80%E0%A6%A4-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%B2%E0%A7%80 বাংলাহিলি]{{অকার্যকর সংযোগ|তারিখ=এপ্রিল ২০১৯|bot=InternetArchiveBot|ঠিক করার প্রচেষ্টা=yes}}</ref> | ||
==গানের কথা== | == গানের কথা == | ||
'''নতুনের গান''' | |||
চল্ চল্ চল্। চল্ চল্ চল্। | |||
ঊর্ধ্ব গগনে বাজে মাদল | |||
নিম্নে উতলা ধরণী-তল | |||
অরুণ প্রাতের তরুণ দল | |||
চল্ রে চল্ রে চল্ চল্ চল্ চল্।। | |||
ঊষার দুয়ারে হানি’ আঘাত | |||
আমরা আনিব রাঙা প্রভাত | |||
আমরা টুটাব তিমির রাত | |||
বাধার বিন্ধ্যাচল। | |||
নব নবীনের গাহিয়া গান | |||
সজীব করিব মহাশ্মাশান | |||
আমরা দানিব নূতন প্রাণ | |||
বাহুতে নবীন বল। | |||
চল্ রে নও জোয়ান | |||
শোন্ রে পাতিয়া কান | |||
মৃত্যু-তোরণ-দুয়ারে-দুয়ারে | |||
জীবনের আহবান। | |||
ভাঙ্ রে ভাঙ্ আগল | |||
চল্ রে চল্ রে চল্ চল্ চল্ চল্।। | |||
কোরাসঃ ঊর্ধ্ব আদেশ হানিছে বাজ, শহীদী-ঈদের সেনারা সাজ, দিকে দিকে চলে কুচ-কাওয়াজ— খোল রে নিদ-মহল! | '''কোরাসঃ''' | ||
ঊর্ধ্ব আদেশ হানিছে বাজ, | |||
শহীদী-ঈদের সেনারা সাজ, | |||
দিকে দিকে চলে কুচ-কাওয়াজ— | |||
খোল রে নিদ-মহল! | |||
কবে সে খেয়ালী বাদশাহী, সেই সে অতীতে আজো চাহি' যাস মুসাফির গান গাহি' ফেলিস অশ্রুজল। | কবে সে খেয়ালী বাদশাহী, | ||
সেই সে অতীতে আজো চাহি' | |||
যাস মুসাফির গান গাহি' | |||
ফেলিস অশ্রুজল। | |||
যাক রে তখত-তাউস জাগ রে জাগ বেহুঁশ। ডুবিল রে দেখ কত পারস্য কত রোম গ্রিক রুশ, জাগিল তা'রা সকল, জেগে ওঠ হীনবল! আমরা গড়িব নতুন করিয়া ধুলায় তাজমহল! চল্ চল্ | যাক রে তখত-তাউস | ||
জাগ রে জাগ বেহুঁশ। | |||
ডুবিল রে দেখ কত পারস্য | |||
কত রোম গ্রিক রুশ, | |||
জাগিল তা'রা সকল, | |||
জেগে ওঠ হীনবল! | |||
আমরা গড়িব নতুন করিয়া | |||
ধুলায় তাজমহল! | |||
চল্ চল্ চল্। | |||
</poem> | |||
==আরও দেখুন== | ==আরও দেখুন== | ||
| ২৬ নং লাইন: | ৬৫ নং লাইন: | ||
==তথ্যসূত্র== | ==তথ্যসূত্র== | ||
{{সূত্র তালিকা | {{সূত্র তালিকা}} | ||
১৮:৫৭, ১৩ জুলাই ২০২৫ তারিখে সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণ

নতুনের গান বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ১৯২৯ সালে লিখে সুরারোপ করেন। এই গানটি তার লেখা সন্ধ্যা কাব্যগ্রন্থে প্রকাশিত হয়। দাদরা তালে লেখা এই গানটি ১৯৭২ সালের ১৩ জানুয়ারি বাংলাদেশ সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকে দেশের রণ-সংগীত হিসেবে নির্বাচিত হয়।
বাংলাদেশের সামরিক অনুষ্ঠানে এই গানের প্রথম ২১ লাইন যন্ত্রসংগীতে বাজানো হয়ে থাকে।
২০০৬ সালে বিবিসি বাংলা পরিচালিত এক জরিপে এই গানটি সর্বকালের সেরা বিশটি বাংলা গানের মধ্যে ১৮তম স্থানে ছিল।
ইতিহাস
১৯২৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে নজরুল মুসলিম সাহিত্য সমাজের ২য় বার্ষিক সম্মেলনের উদ্দেশ্যে ঢাকায় আসেন। ঢাকায় সৈয়দ আবুল হোসেনের বাসভবনে অবস্থানকালে তিনি এই গানটি রচনা করেন। গানটি "নতুনের গান" শিরোনামে প্রথম প্রকাশিত হয় শিখা পত্রিকায়। পরে এটি সন্ধ্যা কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত হয়।[১]
গানের কথা
নতুনের গান
চল্ চল্ চল্। চল্ চল্ চল্। ঊর্ধ্ব গগনে বাজে মাদল নিম্নে উতলা ধরণী-তল অরুণ প্রাতের তরুণ দল চল্ রে চল্ রে চল্ চল্ চল্ চল্।।
ঊষার দুয়ারে হানি’ আঘাত আমরা আনিব রাঙা প্রভাত আমরা টুটাব তিমির রাত বাধার বিন্ধ্যাচল। নব নবীনের গাহিয়া গান সজীব করিব মহাশ্মাশান আমরা দানিব নূতন প্রাণ বাহুতে নবীন বল।
চল্ রে নও জোয়ান শোন্ রে পাতিয়া কান মৃত্যু-তোরণ-দুয়ারে-দুয়ারে জীবনের আহবান। ভাঙ্ রে ভাঙ্ আগল চল্ রে চল্ রে চল্ চল্ চল্ চল্।।
কোরাসঃ ঊর্ধ্ব আদেশ হানিছে বাজ, শহীদী-ঈদের সেনারা সাজ, দিকে দিকে চলে কুচ-কাওয়াজ— খোল রে নিদ-মহল!
কবে সে খেয়ালী বাদশাহী, সেই সে অতীতে আজো চাহি' যাস মুসাফির গান গাহি' ফেলিস অশ্রুজল।
যাক রে তখত-তাউস জাগ রে জাগ বেহুঁশ। ডুবিল রে দেখ কত পারস্য কত রোম গ্রিক রুশ, জাগিল তা'রা সকল, জেগে ওঠ হীনবল! আমরা গড়িব নতুন করিয়া ধুলায় তাজমহল! চল্ চল্ চল্। </poem>
আরও দেখুন
- আমার সোনার বাংলা (বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত)
- নজরুলগীতি
পাদটীকা
টেমপ্লেট:Refbegin টেমপ্লেট:Cnote টেমপ্লেট:Refend