ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

ভিকিটিয়া থেকে
সম্পাদনা সারাংশ নেই
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
সম্পাদনা সারাংশ নেই
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা উচ্চতর মোবাইল সম্পাদনা
 
১ নং লাইন: ১ নং লাইন:
 
'''রায়গুণাকর ভারতচন্দ্র রায়''' (১৭১২ – ১৭৬০): অষ্টাদশ শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ [[বাঙালি]] কবি ও [[মঙ্গলকাব্য|মঙ্গলকাব্যের]] সর্বশেষ শক্তিমান কবি। [[হাওড়া জেলা]]র পেড়ো-বসন্তপুরে জন্ম । পরবর্তী জীবনে তিনি [[নদিয়া জেলা|নদিয়ার]] [[কৃষ্ণনগর]] রাজপরিবারের আশ্রয় গ্রহণ করেন। নদিয়ারাজ [[কৃষ্ণচন্দ্র রায়]] ''[[অন্নদামঙ্গল]]'' কাব্যের স্বীকৃতিতে তাঁকে ‘রায়গুণাকর’ উপাধিতে ভূষিত করেন। ''অন্নদামঙ্গল'' ও এই কাব্যের দ্বিতীয় অংশ ''[[বিদ্যাসুন্দর]]'' তাঁর শ্রেষ্ঠ কীর্তি। [[সংস্কৃত]], [[আরবি]], [[ফার্সি ভাষা|ফারসি]] ও [[হিন্দি|হিন্দুস্তানি]] ভাষার মিশ্রণে আশ্চর্য নতুন এক বাগভঙ্গি ও প্রাচীন সংস্কৃত ছন্দের অনুকরণে বাংলা কবিতায় নিপুণ ছন্দ প্রয়োগ ছিল তাঁর কাব্যের বৈশিষ্ট্য। তাঁর কাব্যের অনেক পঙ্‌ক্তি আজও [[বাংলা ভাষা]]য় প্রবচনতুল্য। যথাযথভাবেই [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর|রবীন্দ্রনাথ]] তাঁর কাব্যকে তুলনা করেন “রাজকণ্ঠের মণিমালা”-র সঙ্গে। তাঁর আর একটি বিখ্যাত কাব্য [[ সত্যনারায়ণ পাঁচালী]] বা [[সত্যপীর| সত্যপীরের]] [[পাঁচালি]]। ভারতচন্দ্র ১৭৬০ সালে মৃত্যুবরণ করেন এবং তাঁর মৃত্যুর সাথে [[মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্য|বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের]] সমাপ্তি হয়।
'''জন্ম:''' ১৭১২, হুগলি, বাংলা (বর্তমান পশ্চিমবঙ্গ, ভারত)
 
'''মৃত্যু:''' ১৭৬০
 
'''পরিচিতি:''' বাংলা ভাষার অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি, বাংলা কাব্যের রুচিবদলের অগ্রদূত
 
'''উপাধি:''' "গুণাকর" (নবাব আলীবর্দী খান প্রদত্ত)
 
== প্রধান রচনা: ==
 
* '''"অন্নদামঙ্গল"''' (বিখ্যাত মহাকাব্য, ১৭৫২)
** এর অন্যতম অংশ '''"বিদ্যাসুন্দর"''' কাহিনি, যা বাংলা সাহিত্যে বিশেষ স্থান অধিকার করে আছে।
 
ভারতচন্দ্র রায় বাংলা সাহিত্যে মঙ্গলকাব্যের ধারায় নতুনত্ব আনেন এবং সাধারণ মানুষের ভাষায় রচনা করেন, যা তাকে সমসাময়িক কবিদের মধ্যে বিশেষ খ্যাতি এনে দেয়।

১৩:৪২, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণ

রায়গুণাকর ভারতচন্দ্র রায় (১৭১২ – ১৭৬০): অষ্টাদশ শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ বাঙালি কবি ও মঙ্গলকাব্যের সর্বশেষ শক্তিমান কবি। হাওড়া জেলার পেড়ো-বসন্তপুরে জন্ম । পরবর্তী জীবনে তিনি নদিয়ার কৃষ্ণনগর রাজপরিবারের আশ্রয় গ্রহণ করেন। নদিয়ারাজ কৃষ্ণচন্দ্র রায় অন্নদামঙ্গল কাব্যের স্বীকৃতিতে তাঁকে ‘রায়গুণাকর’ উপাধিতে ভূষিত করেন। অন্নদামঙ্গল ও এই কাব্যের দ্বিতীয় অংশ বিদ্যাসুন্দর তাঁর শ্রেষ্ঠ কীর্তি। সংস্কৃত, আরবি, ফারসিহিন্দুস্তানি ভাষার মিশ্রণে আশ্চর্য নতুন এক বাগভঙ্গি ও প্রাচীন সংস্কৃত ছন্দের অনুকরণে বাংলা কবিতায় নিপুণ ছন্দ প্রয়োগ ছিল তাঁর কাব্যের বৈশিষ্ট্য। তাঁর কাব্যের অনেক পঙ্‌ক্তি আজও বাংলা ভাষায় প্রবচনতুল্য। যথাযথভাবেই রবীন্দ্রনাথ তাঁর কাব্যকে তুলনা করেন “রাজকণ্ঠের মণিমালা”-র সঙ্গে। তাঁর আর একটি বিখ্যাত কাব্য সত্যনারায়ণ পাঁচালী বা সত্যপীরের পাঁচালি। ভারতচন্দ্র ১৭৬০ সালে মৃত্যুবরণ করেন এবং তাঁর মৃত্যুর সাথে বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের সমাপ্তি হয়।