কুমিল্লা বিমানবন্দর: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

ভিকিটিয়া থেকে
সম্পাদনা সারাংশ নেই
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা উচ্চতর মোবাইল সম্পাদনা
সম্পাদনা সারাংশ নেই
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা উচ্চতর মোবাইল সম্পাদনা
 
১ নং লাইন: ১ নং লাইন:
{{Infobox airport
'''কুমিল্লা বিমানবন্দর''' [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশের]] [[কুমিল্লা জেলা|কুমিল্লা জেলায়]] অবস্থিত একটি [[বিমানবন্দর]]। এটি কুমিল্লা শহরের উত্তর-পশ্চিম দিকে, মূল শহর থেকে ৩.৩ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। বিমানবন্দরটি ৭৭ একর জমির উপর নির্মাণ করা হয়। বর্তমানে এখানে [[বাংলাদেশ সেনাবাহিনী|বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর]] একটি ঘাঁটি আছে এবং এটি বর্তমানে সাধারণ যাত্রী পরিবহনের জন্য চালু নয়। বর্তমানে এটি পরিত্যক্ত।
| name        = কুমিল্লা বিমানবন্দর
| IATA        = CLA
| ICAO        = VGCM
| type        = পরিত্যক্ত
| city-served  = [[কুমিল্লা]]
| location    = [[বাংলাদেশ]]
| elevation-f  = 26
| elevation-m  = 8
| coordinates  =
| latd = 23 | latm = 26 | lats = 12.5 | latNS = N
| longd = 91 | longm = 11 | longs = 23.5 | longEW = E
| pushpin_map  = বাংলাদেশ
| pushpin_label= VGCM
| pushpin_map_caption = বাংলাদেশে কুমিল্লা বিমানবন্দরের অবস্থান
| r1-number = 16/34
| r1-length-f = 3,380
| r1-length-m = 1,030
| r1-surface  = Asphalt
| footnotes  = উৎস: Landings.com<ref name="Landings">[http://aerobaticsweb.org/cgi-bin/search_apt?VGCM Airport record for Comilla Airport] at Landings.com. Retrieved 2013-08-08</ref><ref name="Google">{{Google maps|url=http://maps.google.com/maps?ht=en&z=13&t=k&q=23.4368055555556,91.1898611111111+%28Comilla+Airport%29|title=location of Comilla Airport|accessdate=2013-08-08}}</ref>
|website=https://geohack.toolforge.org/geohack.php?pagename=Comilla_Airport&params=23_26_12.5_N_91_11_23.5_E_region:BD_type:airport&title=Comilla+Airport+%28Comilla%29}}
'''কুমিল্লা বিমানবন্দর''' {{Airport codes|CLA|VGCM}} বাংলাদেশের [[কুমিল্লা জেলা|কুমিল্লা জেলায়]] অবস্থিত একটি [[বিমানবন্দর]]। বিমানবন্দরটি কুমিল্লার উত্তর-পশ্চিমে; মূল শহর থেকে ৩.৩ কি.মি. দূরে গড়ে উঠেছে।বিমান বন্দরটি ৭৭ একর জায়গা নিয়ে অবস্থিত। বর্তমানে এখানে বাংলাদশ সেনাবাহিনীর একটি ঘাঁটি অবস্থিত রয়েছে। এটি এমুহূর্তে পাবলিক সেবায় নিয়োজিত নয়। এই বিমানবন্দরটি এখন পরিত্যক্ত।


ঢাকা-চট্টগ্রাম-সিলেটের বাইরে দেশে যে কটি বিমানবন্দর রয়েছে কুমিল্লা তার অন্যতম। প্রতিদিনই এ বন্দরের সিগন্যাল ব্যবহার করছে দেশ-বিদেশের কমপক্ষে ৪০টি এয়ার বাস। আর সিগন্যালিং থেকে মাসে আয় হচ্ছে প্রায় ৩০ লাখ টাকা। তবে, এ বিমানবন্দরে কোনো বিমান নামে না এবং এখান থেকে কোনো বিমান ওড়ে অন্যত্র যায়ও না।
[[ঢাকা]], [[চট্টগ্রাম]] ও [[সিলেট]] ছাড়াও দেশের যে কয়েকটি বিমানবন্দর আছে, কুমিল্লা তার একটি। যদিও এখানে কোনো বিমান ওঠে বা নামে না, তবুও প্রতিদিন প্রায় ৪০টি দেশি-বিদেশি বিমান এই বিমানবন্দরের আকাশসীমার সিগন্যাল ব্যবহার করে। এই সিগন্যালিং থেকে মাসে প্রায় ৩০ লাখ টাকা আয় হয়।
[[বাংলাদেশ|বাংলাদেশে]] বর্তমানে তিনটি আন্তর্জাতিক ও পাঁচটি অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দর রয়েছে। এ ছাড়া সাতটি '''স্টল (Short Take-Off and Landing)''' বিমানবন্দর আছে, যার একটি হলো কুমিল্লা বিমানবন্দর। [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ|দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের]] সময় ১৯৪১-৪২ সালে কুমিল্লা শহরের দক্ষিণ পাশে নেউরা, ঢুলিপাড়া ও রাজাপাড়া এলাকায় এই বিমানবন্দর তৈরি করা হয়। এটি ১৯৭৬ সাল পর্যন্ত অভ্যন্তরীণ রুটে সচল ছিল। এরপর কোন এক কারণে বিমান ওঠানামা বন্ধ হয়ে যায়।


কার্যকরি উদ্যোগ নিলে এখানে বিমান ওঠানামার কাজ শুরু করা সম্ভব। কুমিল্লা বিভাগ না হলেও বিভাগীয় সব দপ্তর রয়েছে এ জেলায়। রয়েছে সমৃদ্ধ [[রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল|ইপিজেড]], বার্ডসহ গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। বিমানবন্দরটি চালু করা হলে এটি একটি লাভজনক বিমানবন্দর হতে পারে বলে অনেকের মত। দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয়রা বিমানবন্দরটি পুরোপুরি চালুর দাবি জানিয়ে আসছেন।
বর্তমানে কোনো বিমান ওঠানামা না করলেও, বিমানবন্দরটি চালু অবস্থায় আছে। এটি আন্তর্জাতিক রুটে চলাচলকারী অনেক বিমানের জন্য সিগন্যাল প্রদান করে। প্রতিদিন প্রায় ৪০টি বিমান এর আকাশসীমা ব্যবহার করে। ভারতের অভ্যন্তরীণ রুটের পাশাপাশি [[ব্যাংকক]], [[সিঙ্গাপুর]] এবং [[আগরতলা বিমানবন্দর|আগরতলা]]গামী বিমান এই রুট ব্যবহার করে।


কুমিল্লা এখন শীর্ষ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী জেলা। এখানকার মোট জনসংখ্যা প্রায় ৬০ লাখ। এর ১৩ শতাংশই বিদেশে কর্মরত। এছাড়া বিমানবন্দরসংলগ্ন রয়েছে রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা (ইপিজেড)। তাই এটি সচল হলে প্রবাসীদের আসা-যাওয়ার সুবিধার পাশাপাশি ইপিজেডে অনেক বিদেশি বিনিয়োগে আসবেন। পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হওয়ায় ব্যবসা-বাণিজ্যেরও প্রসার ঘটবে।
বিমানবন্দরে রয়েছে নেভিগেশন সুবিধা, কন্ট্রোল টাওয়ার, ভিএইচএফ যন্ত্রপাতি, এয়ার কমিউনিকেশন যন্ত্র, ফায়ার স্টেশন ও যাত্রীদের জন্য পৃথক রুম। এসব সুবিধা থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘদিন ধরে উদ্যোগের অভাবে বিমানবন্দরটি বন্ধ রয়েছে। চালু করতে খুব বেশি খরচও লাগে না। রানওয়ে সংস্কার ও কিছু জনবল নিয়োগ করলেই অভ্যন্তরীণ এবং আন্তর্জাতিক রুটে স্টল বিমান চালানো সম্ভব। এজন্য আনুমানিক ২০ থেকে ২৫ কোটি টাকা ব্যয় হতে পারে।


বাংলাদেশে মোট তিনটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও পাঁচটি অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দর রয়েছে। এছাড়া সাতটি শর্ট টেক অফ অ্যান্ড ল্যান্ডিং (স্টল) বিমানবন্দর রয়েছে। এই সাতটি স্টল বিমানবন্দরের একটি কুমিল্লা বিমানবন্দর। [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ|দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের]] সময় ১৯৪১-৪২ সালে নগরীর দক্ষিণ পাশে নেউরা, ঢুলিপাড়ার ও রাজাপাড়া এলাকার পাশে ৭৭ একর ভূমিতে তৈরি হয় এ বিমানবন্দর। ১৯৭৬ সাল পর্যন্ত বিমানবন্দরটি অভ্যন্তরীণ রুটে সচল ছিল। পরবর্তীতে অজ্ঞাত কারণে এখানে বিমান ওঠানামা বন্ধ হয়ে যায়।
বিমানবন্দর চালু হলে বৃহত্তর কুমিল্লার মানুষ সহজে দেশের বিভিন্ন স্থানে এবং বিদেশেও যাতায়াত করতে পারবেন। এতে প্রবাসীদের সুবিধা হবে, সময় বাঁচবে এবং ইপিজেডসহ পুরো জেলার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি আসবে। যেহেতু ইপিজেডে বেশ কিছু বিদেশি প্রতিষ্ঠান আছে, তাই বিমানবন্দর সচল হলে বিদেশি বিনিয়োগ আরও বাড়বে। এই কারণে দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয়রা বিমানবন্দর চালুর দাবিতে সোচ্চার।


বিমান ওঠানামা না করলেও এখনও চালু অবস্থাতেই আছে বিমানবন্দরটি। এ বিমানবন্দর থেকে আন্তর্জাতিক রুটে চলাচলকারী অনেক বিমানকে আকাশপথের সিগন্যাল দেওয়া হয়। প্রতিদিন এ বিমানবন্দর থেকে সিগন্যাল ব্যবহার করে অন্তত ৪০টি বিমান। এটির সিগন্যাল সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করে ভারতের অভ্যন্তরীণ রুট, ব্যাংকক ও সিঙ্গাপুরের বিমান। [[আগরতলা বিমানবন্দর|আগরতলা বিমানবন্দরে]] যাওয়া বিমানও এ রুটে চলাচল করে।


কুমিল্লা বিমানবন্দরে নেভিগেশন ফ্যাসিলিটিস, কন্ট্রোল টাওয়ার, ভিএইচএফ সেট, এয়ার কমিউনিকেশন যন্ত্রপাতি, ফায়ার স্টেশন, ফায়ার সার্ভিসসহ সব সুবিধাই রয়েছে। যাত্রীদের জন্য আলাদা রুমও আছে। সব সুবিধা থাকার পরও উদ্যোগের অভাবে গত ৪ দশকের বেশি সময় ধরে বন্ধ রয়েছে বিমানবন্দরটি। তবে এটি চালু করতে খুব বেশি অর্থেরও প্রয়োজন নেই। শুধু উদ্যোগ নিয়ে রানওয়ে মেরামত এবং ফায়ার সার্ভিস ও এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল টাওয়ারের কয়েকজন জনবল নিয়োগ করলেই এ বিমানবন্দর থেকে অভ্যন্তরীণ রুটে স্টল বিমান চলাচলের পাশাপাশি কলকাতা, আগরতলাসহ বিভিন্ন রুটে বিমান চলাচল সম্ভব। এসব কাজের জন্য প্রয়োজন মাত্র ২০ থেকে ২৫ কোটি টাকা। বিমানবন্দরটি চালু হলে বৃহত্তর কুমিল্লার মানুষ সহজেই দেশের বিভিন্ন স্থান ও আন্তর্জাতিক রুটে চলাচল করতে পারবেন। সুবিধা হবে প্রবাসীদেরও, বাঁচবে সময়। পাশাপাশি ইপিজেডসহ জেলার ব্যবসা-বাণিজ্যেও প্রসার ঘটবে। এ ইপিজেডে বেশ কয়েকটি বিদেশি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ না হওয়ার কারণে আগ্রহ থাকার পরও অনেক বিদেশি এখানে বিনিয়োগ করতে আসছেন না। ইপিজেডের পাশের বিমানবন্দরটি চালু হলে অনেক বিদেশি বিনিয়োগ ব্যাপকভাবে বাড়বে। এজন্যে দীর্ঘদিন ধরে বিমানবন্দরের সকল কার্যক্রম চালু করার জোড় দাবি জানিয়ে আসছেন স্থানীয় জনগণ।
==আরও দেখুন==
*[[বাংলাদেশের বিমানবন্দরের তালিকা]]


== আরও দেখুন ==
==তথ্যসূত্র==
* [[বাংলাদেশের বিমানবন্দরের তালিকা]]
 
== তথ্যসূত্র ==
{{সূত্র তালিকা}}
{{সূত্র তালিকা}}


== বহিঃসংযোগ ==
==বহিঃসংযোগ==
* [http://aerobaticsweb.org/cgi-bin/search_apt?VGCM Airport record for Comilla Airport] {{ওয়েব আর্কাইভ|ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20150624071622/http://aerobaticsweb.org/cgi-bin/search_apt?VGCM |তারিখ=২৪ জুন ২০১৫ }} at Landings.com
*[http://aerobaticsweb.org/cgi-bin/search_apt?VGCM Airport record for Comilla Airport] {{ওয়েব আর্কাইভ|ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20150624071622/http://aerobaticsweb.org/cgi-bin/search_apt?VGCM |তারিখ=২৪ জুন ২০১৫ }} at Landings.com
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের বিমানবন্দর]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের বিমানবন্দর]]
[[বিষয়শ্রেণী:কুমিল্লা জেলা]]
[[বিষয়শ্রেণী:কুমিল্লা জেলা]]
[[বিষয়শ্রেণী:কুমিল্লা]]
[[বিষয়শ্রেণী:কুমিল্লা]]

০৩:২৮, ৪ জুলাই ২০২৫ তারিখে সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণ

কুমিল্লা বিমানবন্দর বাংলাদেশের কুমিল্লা জেলায় অবস্থিত একটি বিমানবন্দর। এটি কুমিল্লা শহরের উত্তর-পশ্চিম দিকে, মূল শহর থেকে ৩.৩ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। বিমানবন্দরটি ৭৭ একর জমির উপর নির্মাণ করা হয়। বর্তমানে এখানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি ঘাঁটি আছে এবং এটি বর্তমানে সাধারণ যাত্রী পরিবহনের জন্য চালু নয়। বর্তমানে এটি পরিত্যক্ত।

ঢাকা, চট্টগ্রামসিলেট ছাড়াও দেশের যে কয়েকটি বিমানবন্দর আছে, কুমিল্লা তার একটি। যদিও এখানে কোনো বিমান ওঠে বা নামে না, তবুও প্রতিদিন প্রায় ৪০টি দেশি-বিদেশি বিমান এই বিমানবন্দরের আকাশসীমার সিগন্যাল ব্যবহার করে। এই সিগন্যালিং থেকে মাসে প্রায় ৩০ লাখ টাকা আয় হয়। বাংলাদেশে বর্তমানে তিনটি আন্তর্জাতিক ও পাঁচটি অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দর রয়েছে। এ ছাড়া সাতটি স্টল (Short Take-Off and Landing) বিমানবন্দর আছে, যার একটি হলো কুমিল্লা বিমানবন্দর। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ১৯৪১-৪২ সালে কুমিল্লা শহরের দক্ষিণ পাশে নেউরা, ঢুলিপাড়া ও রাজাপাড়া এলাকায় এই বিমানবন্দর তৈরি করা হয়। এটি ১৯৭৬ সাল পর্যন্ত অভ্যন্তরীণ রুটে সচল ছিল। এরপর কোন এক কারণে বিমান ওঠানামা বন্ধ হয়ে যায়।

বর্তমানে কোনো বিমান ওঠানামা না করলেও, বিমানবন্দরটি চালু অবস্থায় আছে। এটি আন্তর্জাতিক রুটে চলাচলকারী অনেক বিমানের জন্য সিগন্যাল প্রদান করে। প্রতিদিন প্রায় ৪০টি বিমান এর আকাশসীমা ব্যবহার করে। ভারতের অভ্যন্তরীণ রুটের পাশাপাশি ব্যাংকক, সিঙ্গাপুর এবং আগরতলাগামী বিমান এই রুট ব্যবহার করে।

বিমানবন্দরে রয়েছে নেভিগেশন সুবিধা, কন্ট্রোল টাওয়ার, ভিএইচএফ যন্ত্রপাতি, এয়ার কমিউনিকেশন যন্ত্র, ফায়ার স্টেশন ও যাত্রীদের জন্য পৃথক রুম। এসব সুবিধা থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘদিন ধরে উদ্যোগের অভাবে বিমানবন্দরটি বন্ধ রয়েছে। চালু করতে খুব বেশি খরচও লাগে না। রানওয়ে সংস্কার ও কিছু জনবল নিয়োগ করলেই অভ্যন্তরীণ এবং আন্তর্জাতিক রুটে স্টল বিমান চালানো সম্ভব। এজন্য আনুমানিক ২০ থেকে ২৫ কোটি টাকা ব্যয় হতে পারে।

বিমানবন্দর চালু হলে বৃহত্তর কুমিল্লার মানুষ সহজে দেশের বিভিন্ন স্থানে এবং বিদেশেও যাতায়াত করতে পারবেন। এতে প্রবাসীদের সুবিধা হবে, সময় বাঁচবে এবং ইপিজেডসহ পুরো জেলার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি আসবে। যেহেতু ইপিজেডে বেশ কিছু বিদেশি প্রতিষ্ঠান আছে, তাই বিমানবন্দর সচল হলে বিদেশি বিনিয়োগ আরও বাড়বে। এই কারণে দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয়রা বিমানবন্দর চালুর দাবিতে সোচ্চার।


আরও দেখুন

তথ্যসূত্র

বহিঃসংযোগ