কুমিল্লা জেলা: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য
সম্পাদনা সারাংশ নেই ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা উচ্চতর মোবাইল সম্পাদনা |
সম্পাদনা সারাংশ নেই ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা উচ্চতর মোবাইল সম্পাদনা |
||
| ৮ নং লাইন: | ৮ নং লাইন: | ||
ধর্ম অনুযায়ী, কুমিল্লার মানুষদের মধ্যে ৯৪.৬২% [[মুসলিম]], ৫.২৬% [[হিন্দু]] এবং ০.১২% মানুষ [[বৌদ্ধ]] ও অন্যান্য ধর্মের অনুসারী।<ref name="banglapedia.org">{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ভাষা=bn|শিরোনাম=কুমিল্লা জেলা - বাংলাপিডিয়া|ইউআরএল=https://bn.banglapedia.org/index.php/%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BE_%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BE|সংগ্রহের-তারিখ=2023-12-06|ওয়েবসাইট=bn.banglapedia.org}}</ref> | ধর্ম অনুযায়ী, কুমিল্লার মানুষদের মধ্যে ৯৪.৬২% [[মুসলিম]], ৫.২৬% [[হিন্দু]] এবং ০.১২% মানুষ [[বৌদ্ধ]] ও অন্যান্য ধর্মের অনুসারী।<ref name="banglapedia.org">{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ভাষা=bn|শিরোনাম=কুমিল্লা জেলা - বাংলাপিডিয়া|ইউআরএল=https://bn.banglapedia.org/index.php/%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BE_%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BE|সংগ্রহের-তারিখ=2023-12-06|ওয়েবসাইট=bn.banglapedia.org}}</ref> | ||
==ইতিহাস== | |||
===প্রতিষ্ঠাকাল=== | |||
অনেক আগে কুমিল্লা [[সমতট]] নামের একটি পুরনো জনপদের অংশ ছিল। ১৭৩৩ সালে বাংলার নবাব [[সুজাউদ্দিন খান]] ত্রিপুরা জয় করেন এবং এটি বাংলার অংশ হয়। পরে ১৭৬৫ সালে [[ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি]] এই এলাকা দখল করে। ১৭৯০ সালে ত্রিপুরা নামে একটি জেলা তৈরি হয়। তখন কুমিল্লা, চাঁদপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ফেনীসহ আরও কয়েকটি এলাকা এই জেলার অংশ ছিল। কুমিল্লা শহর ছিল জেলার প্রধান কেন্দ্র। ১৮২১ সালে এই বড় জেলার কিছু অংশ কেটে নোয়াখালী জেলা তৈরি হয়। ১৯৬০ সালে জেলার নাম ত্রিপুরা থেকে পরিবর্তন করে কুমিল্লা রাখা হয়। এরপর ১৯৮৪ সালে চাঁদপুর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া আলাদা জেলা হয়।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.comilla.gov.bd/site/page/c205ec39-2144-11e7-8f57-286ed488c766/%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B0%20%E0%A6%AA%E0%A6%9F%E0%A6%AD%E0%A7%82%E0%A6%AE%E0%A6%BF|শিরোনাম=কুমিল্লা জেলা|কর্ম=comilla.gov.bd|সংগ্রহের-তারিখ=৫ আগস্ট ২০১৯}}</ref> | |||
===নামকরণ=== | |||
অনেকেই মনে করেন “কুমিল্লা” নামটি এসেছে পুরনো নাম “কমলাঙ্ক” থেকে, যার অর্থ পদ্মফুলের দীঘি। চৈনিক পর্যটক [[হিউয়েন সাঙ]] ও [[ওয়াং চোয়াঙ]] তাদের ভ্রমণ কাহিনিতে এই এলাকার কথা লিখেছিলেন। সেখান থেকে কুমিল্লা নামটি এসেছে বলে ধারণা করা হয়।<ref>{{বই উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://archive.org/details/in.ernet.dli.2015.266799/page/n153/mode/1up?view=theater|শিরোনাম=হিউয়েন সাঙের দেখা ভারত (অনুবাদ গ্রন্থ)|লেখক= প্রেমময় দাশগুপ্ত|পৃষ্ঠা=১৪৯}}</ref> | |||
===মুক্তিযুদ্ধের ঘটনাবলি=== | |||
১৯৭১ সালের [[মুক্তিযুদ্ধ]]ে কুমিল্লা ২ নম্বর সেক্টরের অংশ ছিল। এই সেক্টরের নেতৃত্ব দিয়েছেন [[মেজর খালেদ মোশাররফ]] এবং [[মেজর এ.টি.এম. হায়দার]]। | |||
===মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্ন=== | |||
*<nowiki>**বধ্যভূমি**: কুমিল্লার বিভিন্ন জায়গায় মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের বধ্যভূমি রয়েছে।</nowiki> | |||
*<nowiki>**গণকবর**: যুদ্ধের সময় অনেক জায়গায় গণকবর তৈরি হয়েছিল।</nowiki> | |||
*<nowiki>**স্মৃতিস্তম্ভ**: কুমিল্লায় ৪টি স্মৃতিস্তম্ভ আছে।</nowiki> | |||
*<nowiki>**মঠ**: ২টি পুরনো মঠ এখনো আছে।</nowiki><ref name="banglapedia.org" /> | |||
===ঐতিহ্য=== | |||
কুমিল্লা একটি ঐতিহ্যবাহী জেলা। এখানে অনেক সুন্দর ও বিখ্যাত জিনিস তৈরি হয়। | |||
*<nowiki>**রসমালাই**: কুমিল্লার তৈরি রসমালাই সারা দেশে বিখ্যাত।</nowiki> | |||
*<nowiki>**খাদি কাপড়**: এখানকার হাতে তৈরি খদ্দর কাপড় এক সময় </nowiki>[[কলকাতা]] ও [[মুম্বাই]]তেও পাঠানো হতো। | |||
*<nowiki>**বাঁশের বাঁশি**: </nowiki>[[হোমনা]] উপজেলার শ্রীমদ্দি গ্রামের বাঁশি দেশে-বিদেশে পাঠানো হয়। | |||
*<nowiki>**অন্যান্য শিল্প**: এখানকার </nowiki>[[তাঁত]], [[কুটির শিল্প]], [[মৃৎশিল্প]], [[কারু শিল্প]] ও [[শীতল পাটি]] খুব বিখ্যাত।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.comilla.gov.bd/site/page/c959a9f1-2144-11e7-8f57-286ed488c766/%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B0%20%E0%A6%90%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A7%8D%E0%A6%AF|শিরোনাম=কুমিল্লা জেলা|কর্ম=comilla.gov.bd|সংগ্রহের-তারিখ=৫ আগস্ট ২০১৯}}</ref> | |||
==তথ্যসূত্র== | ==তথ্যসূত্র== | ||
{{সূত্র তালিকা}} | {{সূত্র তালিকা}} | ||
[[বিষয়শ্রেণী:চট্টগ্রাম বিভাগের জেলা]] | [[বিষয়শ্রেণী:চট্টগ্রাম বিভাগের জেলা]] | ||
১৯:২৫, ২ জুলাই ২০২৫ তারিখে সংশোধিত সংস্করণ
কুমিল্লা জেলা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত একটি জেলা। এটি চট্টগ্রাম বিভাগর অংশ। কুমিল্লা শহর ঢাকা থেকে ৯৬ কিলোমিটার এবং চট্টগ্রাম থেকে ১৪৮ কিলোমিটার দূরে। এই জেলা আগে কমলাঙ্ক নামে পরিচিত ছিল, যার মানে পদ্মফুলের দীঘি। কুমিল্লা খাদি কাপড় এবং রসমালাইর জন্য অনেক বিখ্যাত। কুমিল্লা একটি “এ” শ্রেণির জেলা।[১]
আয়তন ও অবস্থান
কুমিল্লা জেলা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব অংশে অবস্থিত। এই জেলার আয়তন ৩,০৮৭.৩৩ বর্গ কিলোমিটার। এটি ঢাকা থেকে প্রায় ৯৭ কিলোমিটার এবং চট্টগ্রাম থেকে প্রায় ১৪৯ কিলোমিটার দূরে। কুমিল্লার উত্তরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ও নারায়ণগঞ্জ জেলা, দক্ষিণে ফেনী জেলা ও নোয়াখালী জেলা, পূর্বে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য এবং পশ্চিমে চাঁদপুর জেলা ও মুন্সীগঞ্জ জেলা আছে।[২]
জনসংখ্যা
২০২২ সালের তথ্য অনুযায়ী কুমিল্লা জেলায় প্রায় ৬২ লাখ মানুষ বাস করে। প্রতি বর্গ কিলোমিটারে প্রায় ১,৯৭৪ জন মানুষ বসবাস করে। এখানকার অনেক মানুষ পড়তে ও লিখতে পারে। সাক্ষরতার হার ৮২%।[৩] ধর্ম অনুযায়ী, কুমিল্লার মানুষদের মধ্যে ৯৪.৬২% মুসলিম, ৫.২৬% হিন্দু এবং ০.১২% মানুষ বৌদ্ধ ও অন্যান্য ধর্মের অনুসারী।[২]
ইতিহাস
প্রতিষ্ঠাকাল
অনেক আগে কুমিল্লা সমতট নামের একটি পুরনো জনপদের অংশ ছিল। ১৭৩৩ সালে বাংলার নবাব সুজাউদ্দিন খান ত্রিপুরা জয় করেন এবং এটি বাংলার অংশ হয়। পরে ১৭৬৫ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি এই এলাকা দখল করে। ১৭৯০ সালে ত্রিপুরা নামে একটি জেলা তৈরি হয়। তখন কুমিল্লা, চাঁদপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ফেনীসহ আরও কয়েকটি এলাকা এই জেলার অংশ ছিল। কুমিল্লা শহর ছিল জেলার প্রধান কেন্দ্র। ১৮২১ সালে এই বড় জেলার কিছু অংশ কেটে নোয়াখালী জেলা তৈরি হয়। ১৯৬০ সালে জেলার নাম ত্রিপুরা থেকে পরিবর্তন করে কুমিল্লা রাখা হয়। এরপর ১৯৮৪ সালে চাঁদপুর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া আলাদা জেলা হয়।[৪]
নামকরণ
অনেকেই মনে করেন “কুমিল্লা” নামটি এসেছে পুরনো নাম “কমলাঙ্ক” থেকে, যার অর্থ পদ্মফুলের দীঘি। চৈনিক পর্যটক হিউয়েন সাঙ ও ওয়াং চোয়াঙ তাদের ভ্রমণ কাহিনিতে এই এলাকার কথা লিখেছিলেন। সেখান থেকে কুমিল্লা নামটি এসেছে বলে ধারণা করা হয়।[৫]
মুক্তিযুদ্ধের ঘটনাবলি
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে কুমিল্লা ২ নম্বর সেক্টরের অংশ ছিল। এই সেক্টরের নেতৃত্ব দিয়েছেন মেজর খালেদ মোশাররফ এবং মেজর এ.টি.এম. হায়দার।
মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্ন
- **বধ্যভূমি**: কুমিল্লার বিভিন্ন জায়গায় মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের বধ্যভূমি রয়েছে।
- **গণকবর**: যুদ্ধের সময় অনেক জায়গায় গণকবর তৈরি হয়েছিল।
- **স্মৃতিস্তম্ভ**: কুমিল্লায় ৪টি স্মৃতিস্তম্ভ আছে।
- **মঠ**: ২টি পুরনো মঠ এখনো আছে।[২]
ঐতিহ্য
কুমিল্লা একটি ঐতিহ্যবাহী জেলা। এখানে অনেক সুন্দর ও বিখ্যাত জিনিস তৈরি হয়।
- **রসমালাই**: কুমিল্লার তৈরি রসমালাই সারা দেশে বিখ্যাত।
- **খাদি কাপড়**: এখানকার হাতে তৈরি খদ্দর কাপড় এক সময় কলকাতা ও মুম্বাইতেও পাঠানো হতো।
- **বাঁশের বাঁশি**: হোমনা উপজেলার শ্রীমদ্দি গ্রামের বাঁশি দেশে-বিদেশে পাঠানো হয়।
- **অন্যান্য শিল্প**: এখানকার তাঁত, কুটির শিল্প, মৃৎশিল্প, কারু শিল্প ও শীতল পাটি খুব বিখ্যাত।[৬]
তথ্যসূত্র
- ↑ জেলাগুলোর শ্রেণি হালনাগাদ করেছে সরকার বাংলানিউজ২৪.
- ↑ ২.০ ২.১ ২.২ কুমিল্লা জেলা - বাংলাপিডিয়া
- ↑ উদ্ধৃতি ত্রুটি:
<ref>ট্যাগ বৈধ নয়;comillaনামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি - ↑ কুমিল্লা জেলা
- ↑ '.
- ↑ কুমিল্লা জেলা