মাহেরীন চৌধুরী: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য
সম্পাদনা সারাংশ নেই ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা উচ্চতর মোবাইল সম্পাদনা |
সম্পাদনা সারাংশ নেই ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা উচ্চতর মোবাইল সম্পাদনা |
||
| ১ নং লাইন: | ১ নং লাইন: | ||
'''মাহেরীন চৌধুরী''' বাংলাদেশের একজন | '''মাহেরীন চৌধুরী''' বাংলাদেশের একজন শিক্ষিকা। ২১ জুলাই ২০২৫ বাংলাদেশ বিমান দুর্ঘটনায় শিক্ষার্থীদের বাঁচাতে গিয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন। তিনি ঢাকার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে কর্মরত ছিলেন এবং শিক্ষার্থীদের জীবন বাঁচাতে গিয়ে নিজের জীবন উৎসর্গ করেন। | ||
==প্রাথমিক জীবন== | ==প্রাথমিক জীবন== | ||
মাহেরীন চৌধুরী বাড়ি নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার বগুলাগাড়ি গ্রামে। তার স্বামী নাম মনসুর হেলাল। তিনি ছিলেন বেসরকারি চাকরিজীবী। তার দুই সন্তান ছিল। তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাতিজি। তার বাবা মহিতুর রহমান জিয়াউর রহমানের খালাতো ভাই। দাদি রওশানারা চৌধুরী ছিলেন জিয়াউর রহমানের খালা। বাবা মহিতুর রহমান চৌধুরী ও মা সাবেরা চৌধুরী দুজনই সমাজসেবায় সম্পৃক্ত ছিলেন। | মাহেরীন চৌধুরী বাড়ি নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার বগুলাগাড়ি গ্রামে। তার স্বামী নাম মনসুর হেলাল। তিনি ছিলেন বেসরকারি চাকরিজীবী। তার দুই সন্তান ছিল। তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাতিজি। তার বাবা মহিতুর রহমান জিয়াউর রহমানের খালাতো ভাই। দাদি রওশানারা চৌধুরী ছিলেন জিয়াউর রহমানের খালা। বাবা মহিতুর রহমান চৌধুরী ও মা সাবেরা চৌধুরী দুজনই সমাজসেবায় সম্পৃক্ত ছিলেন। | ||
০০:১২, ২৪ জুলাই ২০২৫ তারিখে সংশোধিত সংস্করণ
মাহেরীন চৌধুরী বাংলাদেশের একজন শিক্ষিকা। ২১ জুলাই ২০২৫ বাংলাদেশ বিমান দুর্ঘটনায় শিক্ষার্থীদের বাঁচাতে গিয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন। তিনি ঢাকার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে কর্মরত ছিলেন এবং শিক্ষার্থীদের জীবন বাঁচাতে গিয়ে নিজের জীবন উৎসর্গ করেন।
প্রাথমিক জীবন
মাহেরীন চৌধুরী বাড়ি নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার বগুলাগাড়ি গ্রামে। তার স্বামী নাম মনসুর হেলাল। তিনি ছিলেন বেসরকারি চাকরিজীবী। তার দুই সন্তান ছিল। তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাতিজি। তার বাবা মহিতুর রহমান জিয়াউর রহমানের খালাতো ভাই। দাদি রওশানারা চৌধুরী ছিলেন জিয়াউর রহমানের খালা। বাবা মহিতুর রহমান চৌধুরী ও মা সাবেরা চৌধুরী দুজনই সমাজসেবায় সম্পৃক্ত ছিলেন।
কর্মজীবন
মাহেরীন ছিলেন স্থানীয় বগুলাগাড়ি স্কুল অ্যান্ড কলেজের নির্বাহী কমিটির সভাপতি।
মৃত্যু
২১ জুলাই ২০২৫ সালে সোমবার রাত ৯টার কিছু আগে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে আইসিউতেই মারা যায়।