ইংরেজি ভাষা: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

ভিকিটিয়া থেকে
ভিকিটিয়া (আলোচনা | অবদান)
ভিকিটিয়া ইংরেজি ভাষা কে Test tqgtdpt6 শিরোনামে স্থানান্তর করেছেন: Testing vandalising capabilities
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা উচ্চতর মোবাইল সম্পাদনা
ParvejBOT (আলোচনা | অবদান)
ParvejBOT Test tqgtdpt6 পাতাটিকে ইংরেজি ভাষা শিরোনামে পুনর্নির্দেশনা ছাড়াই স্থানান্তর করেছেন: Reverting abusive move by ভিকিটিয়া
(কোনও পার্থক্য নেই)

১৫:৩৩, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে সংশোধিত সংস্করণ

ইংরেজি ভাষা (ইংরেজি: English) একটি ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা এবং জার্মানিক ভাষাগুলোর অন্তর্ভুক্ত। এটি প্রধানত যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, এবং নিউজিল্যান্ডসহ বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন দেশে ব্যবহৃত হয়। ইংরেজি বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী ভাষাগুলোর মধ্যে একটি এবং আন্তর্জাতিক যোগাযোগ, ব্যবসা, বিজ্ঞান, তথ্যপ্রযুক্তি এবং সংস্কৃতির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

ইতিহাস

ইংরেজি ভাষার উৎপত্তি ৫ম থেকে ৭ম শতাব্দীর মধ্যে অ্যাংলো-স্যাক্সনদের মাধ্যমে ব্রিটেনে হয়। প্রাচীন ইংরেজি, মধ্য ইংরেজি এবং আধুনিক ইংরেজি এই ভাষার বিবর্তনের বিভিন্ন ধাপ। উইলিয়াম শেক্সপিয়রের যুগে ইংরেজি ভাষা আধুনিক রূপ নিতে শুরু করে।[১]

বৈশিষ্ট্য

ইংরেজি একটি বিশ্লেষণাত্মক ভাষা এবং এর ব্যাকরণ অপেক্ষাকৃত সহজ। এতে ল্যাটিন এবং গ্রিক শব্দভাণ্ডারের প্রভাব রয়েছে, যা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে শব্দ তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়।[২]

বৈশ্বিক গুরুত্ব

ইংরেজি ভাষা জাতিসংঘ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, কমনওয়েলথ এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার আনুষ্ঠানিক ভাষা। এটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, বিমানচালনা এবং ইন্টারনেটের প্রাথমিক মাধ্যম।[৩]

উপসংহার

ইংরেজি ভাষার প্রভাব এবং জনপ্রিয়তা একবিংশ শতাব্দীতে আরো বৃদ্ধি পাচ্ছে। এটি বিশ্বব্যাপী মানুষের মধ্যে যোগাযোগ এবং সংস্কৃতির বিনিময়ের অন্যতম মাধ্যম।

তথ্যসূত্র