জ্যোতির্বিদ্যা: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য
অ ভিকিটিয়া জ্যোতির্বিদ্যা কে Test 59ui5ptm শিরোনামে স্থানান্তর করেছেন: Testing vandalising capabilities ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা উচ্চতর মোবাইল সম্পাদনা |
অ ParvejBOT Test 59ui5ptm পাতাটিকে জ্যোতির্বিদ্যা শিরোনামে পুনর্নির্দেশনা ছাড়াই স্থানান্তর করেছেন: Reverting abusive move by ভিকিটিয়া |
(কোনও পার্থক্য নেই)
| |
১৫:৩১, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণ
জ্যোতির্বিদ্যা (Astronomy) হল বিজ্ঞানের সেই শাখা যা মহাজাগতিক বস্তু, মহাবিশ্ব এবং মহাজাগতিক প্রাকৃতিক ঘটনাগুলির অধ্যয়ন করে। এটি প্রাচীনতম বিজ্ঞানগুলির মধ্যে একটি এবং এই বিষয়ে গবেষণা মানব সভ্যতার শুরু থেকেই চলে আসছে।[১]
প্রধান শাখাসমূহ
জ্যোতির্বিদ্যা প্রধানত কয়েকটি ভাগে বিভক্ত:
- পদার্থবিজ্ঞানের জ্যোতির্বিদ্যা: মহাজাগতিক বস্তুগুলির পদার্থবিজ্ঞানীয় বৈশিষ্ট্য ও প্রক্রিয়া নিয়ে গবেষণা।
- তাত্ত্বিক জ্যোতির্বিদ্যা: গাণিতিক মডেল ও কম্পিউটার সিমুলেশন ব্যবহার করে মহাজাগতিক বস্তু ও ঘটনাগুলি বোঝার চেষ্টা।
- অবলক্ষণিক জ্যোতির্বিদ্যা: দূরবীণ ও অন্যান্য যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে মহাজাগতিক বস্তু ও ঘটনাগুলি পর্যবেক্ষণ।[২]
প্রাচীন জ্যোতির্বিদ্যা
প্রাচীন সভ্যতাগুলি জ্যোতির্বিদ্যার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। মেসোপটেমিয়া, মিশর, গ্রিস, ভারত ও চীন প্রাচীন জ্যোতির্বিদ্যার প্রাচীন কেন্দ্র ছিল।।[৩]
আধুনিক জ্যোতির্বিদ্যা
আধুনিক জ্যোতির্বিদ্যা অনেক দূর এগিয়ে গেছে এবং এর গবেষণায় ব্যবহার করা হয় টেলিস্কোপ, স্পেকট্রোমিটার ও কম্পিউটার মডেলিংয়ের মতো অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি। বর্তমান জ্যোতির্বিদ্যার গবেষণায় বড় বড় পর্যবেক্ষণমূলক কেন্দ্রগুলি যেমন হাবল স্পেস টেলিস্কোপ এবং গ্রাউন্ড-বেইজড টেলিস্কোপগুলি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।[৪]