আবরার ফাহাদ: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

ভিকিটিয়া থেকে
সম্পাদনা সারাংশ নেই
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা উচ্চতর মোবাইল সম্পাদনা
সম্পাদনা সারাংশ নেই
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা উচ্চতর মোবাইল সম্পাদনা
১৯ নং লাইন: ১৯ নং লাইন:


== ব্যক্তিগত জীবন ==
== ব্যক্তিগত জীবন ==
১৯৯৮ সালের ১২ই ফেব্রুয়ারিতে [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশের]] [[কুষ্টিয়া জেলা|কুষ্টিয়া জেলায়]] আবরার ফাহাদ জন্মগ্রহণ করেন। তার গ্রামের বাড়ি [[কুমারখালী উপজেলা|কুমারখালী উপজেলায়]]। তার পিতার নাম মো. বরকত উল্লাহ এবং মায়ের নাম রোকেয়া খাতুন। তিনি কুষ্টিয়া মিশন প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে [[প্রাথমিক শিক্ষা]] এবং পরে [[কুষ্টিয়া জিলা স্কুল|কুষ্টিয়া জিলা স্কুলে]] পড়াশোনা করেন। পরবর্তীতে তিনি [[নটর ডেম কলেজ, ঢাকা|নটর ডেম কলেজ]] থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এইচএসসি পাশ করেন। ২০১৮ সালে তিনি [[বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়|বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে]] (বুয়েট) [[তড়িৎ ও ইলেক্ট্রনিক প্রকৌশল]] বিভাগে পড়াশোনা শুরু করেছিলেন।
আবরার ফাহাদ ১৯৯৮ সালের ১২ই ফেব্রুয়ারিতে [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশের]] [[কুষ্টিয়া জেলা|কুষ্টিয়া জেলায়]] জন্মগ্রহণ করেন। তার গ্রামের বাড়ি [[কুমারখালী উপজেলা|কুমারখালী উপজেলায়]]। তার পিতার নাম মো. বরকত উল্লাহ এবং মায়ের নাম রোকেয়া খাতুন। তিনি কুষ্টিয়া মিশন প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে [[প্রাথমিক শিক্ষা]] এবং পরে [[কুষ্টিয়া জিলা স্কুল|কুষ্টিয়া জিলা স্কুলে]] পড়াশোনা করেন। পরবর্তীতে তিনি [[নটর ডেম কলেজ, ঢাকা|নটর ডেম কলেজ]] থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এইচএসসি পাশ করেন। ২০১৮ সালে তিনি [[বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়|বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে]] (বুয়েট) [[তড়িৎ ও ইলেক্ট্রনিক প্রকৌশল]] বিভাগে পড়াশোনা শুরু করেছিলেন।


তার বাবা বরকতউল্লাহ ব্র্যাকে অডিটর এবং মা রোকেয়া খাতুন কিন্ডারগার্ডেনের শিক্ষক ছিলেন।<ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://en.prothomalo.com/bangladesh/news/202923/BUET-student-Abrar%E2%80%99s-mother-repeatedly-phoned-him|শিরোনাম=BUET student Abrar's mother repeatedly phoned him that night|সংগ্রহের-তারিখ=8 October 2019}}</ref> দুই ভাইয়ের মধ্যে আবরার ছিলেন বড়। তার ছোট ভাই আবরার ফায়াজও পরবর্তীকালে বুয়েটে ভর্তি হন।
তার বাবা বরকতউল্লাহ ব্র্যাকে অডিটর এবং মা রোকেয়া খাতুন কিন্ডারগার্ডেনের শিক্ষক ছিলেন।<ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://en.prothomalo.com/bangladesh/news/202923/BUET-student-Abrar%E2%80%99s-mother-repeatedly-phoned-him|শিরোনাম=BUET student Abrar's mother repeatedly phoned him that night|সংগ্রহের-তারিখ=8 October 2019}}</ref> দুই ভাইয়ের মধ্যে তিমি ছিলেন বড়।


== মৃত্যু ==
== মৃত্যু ==

১০:১৪, ১০ মার্চ ২০২৫ তারিখে সংশোধিত সংস্করণ

আবরার ফাহাদ
চিত্র:আবরার ফাহাদ.jpg
জন্ম তারিখ (১৯৯৮-০২-১২)১২ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৮
জন্মস্থান কুষ্টিয়া, বাংলাদেশ
মৃত্যু তারিখ ৭ অক্টোবর ২০১৯(2019-10-07) (বয়স ২১)
মৃত্যুর স্থান শেরে বাংলা হল, বুয়েট, ঢাকা, বাংলাদেশ
জাতীয়তা বাংলাদেশী
পেশা ছাত্র

আবরার ফাহাদ ছিলেন বাংলাদেশী বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় তথা বুয়েটের তড়িৎ ও ইলেক্ট্রনিক প্রকৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। ২০১৯ সালে শেখ হাসিনার ভারত সফরে স্বাক্ষরিত হওয়া কয়েকটি চুক্তির সমালোচনা করে ফেসবুকে একটি পোস্ট দেওয়ায়[১] বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতা তাকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করে।[২] ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে নিশ্চিত করা হয়েছে যে শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে ভোঁতা জিনিসের মাধ্যমে পিটিয়ে হত্যা করা হয়।[৩] ২০২৫ সালে তাকে মরণোত্তর বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।[৪]

ব্যক্তিগত জীবন

আবরার ফাহাদ ১৯৯৮ সালের ১২ই ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশের কুষ্টিয়া জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তার গ্রামের বাড়ি কুমারখালী উপজেলায়। তার পিতার নাম মো. বরকত উল্লাহ এবং মায়ের নাম রোকেয়া খাতুন। তিনি কুষ্টিয়া মিশন প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে প্রাথমিক শিক্ষা এবং পরে কুষ্টিয়া জিলা স্কুলে পড়াশোনা করেন। পরবর্তীতে তিনি নটর ডেম কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এইচএসসি পাশ করেন। ২০১৮ সালে তিনি বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) তড়িৎ ও ইলেক্ট্রনিক প্রকৌশল বিভাগে পড়াশোনা শুরু করেছিলেন।

তার বাবা বরকতউল্লাহ ব্র্যাকে অডিটর এবং মা রোকেয়া খাতুন কিন্ডারগার্ডেনের শিক্ষক ছিলেন।[৫] দুই ভাইয়ের মধ্যে তিমি ছিলেন বড়।

মৃত্যু

টেমপ্লেট:মূল নিবন্ধ তড়িৎ ও ইলেক্ট্রনিক প্রকৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ শেরে বাংলা হলের ২০১১ নম্বর রুমে নিহত হয়েছেন। তিনি একই হলের ১০১১ নম্বর কক্ষে থাকতেন। আবরার ১০ দিন আগে ছুটিতে বাড়িতে এসেছিল এবং ২০ অক্টোবর পর্যন্ত থাকতে চেয়েছিলেন। পরীক্ষা কাছাকাছি চলে আসায় তিনি পড়াশোনা করতে হলে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।[৬]

আবরার ফাহাদ ২০১৯ সালের ৬ই অক্টোবর দিবাগত রাতে বুয়েটের শেরেবাংলা হলে ছাত্রলীগের একদল নেতা-কর্মীর হাতে নির্মম নির্যাতনে নিহত হয়।[৭] বুয়েটের শের-ই-বাংলা হলের নিচতলায় ৭ অক্টোবর ২০১৯ ভোর তিনটায় পুলিশ আবরারের লাশ উদ্ধার করে। মেডিকেল অফিসার ডা. মো. মাশুক এলাহী রাত ৩ টার দিকে আবরারকে মৃত ঘোষণা করেন।[৮]

তথ্যসূত্র