বুড়িগঙ্গা নদী: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য
"{{Geobox | River |name = বুড়িগঙ্গা নদী |category_hide= 1 |native_name = |other_name = |other_name1 = |image = Burigonga River.jpg |image_size = |image_caption = বুড়িগঙ্গা নদী |etymology = |country = বাংলাদেশ |c..." দিয়ে পাতা তৈরি ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা |
সম্পাদনা সারাংশ নেই ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা উচ্চতর মোবাইল সম্পাদনা |
||
| ১০৫ নং লাইন: | ১০৫ নং লাইন: | ||
== বহিঃসংযোগ == | == বহিঃসংযোগ == | ||
{{পূর্বনির্ধারিতবাছাই:বুড়িগঙ্গা নদী}} | {{পূর্বনির্ধারিতবাছাই:বুড়িগঙ্গা নদী}} | ||
[[বিষয়শ্রেণী:কেরানীগঞ্জ উপজেলা]] | [[বিষয়শ্রেণী:কেরানীগঞ্জ উপজেলা]] | ||
১৫:৩৫, ৩ জুন ২০২৫ তারিখে সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণ
বুড়িগঙ্গা নদী বাংলাদেশের উত্তর-কেন্দ্রীয় অঞ্চলের ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ জেলার একটি নদী। নদীটির দৈর্ঘ্য ২৯ কিলোমিটার, গড় প্রস্থ ৩০২ মিটার এবং নদীটির প্রকৃতি সর্পিলাকার। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা "পাউবো" কর্তৃক বুড়িগঙ্গা নদীর প্রদত্ত পরিচিতি নম্বর উত্তর-কেন্দ্রীয় অঞ্চলের নদী নং ৪৭।[১] বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত। ৪০০ বছর আগে এই নদীর তীরেই গড়ে উঠেছিল ঢাকা শহর।
ইতিহাস
ব্রহ্মপুত্র আর শীতলক্ষ্যার পানি এক স্রোতে মিশে বুড়িগঙ্গা নদীর সৃষ্টি হয়েছিল। তবে বর্তমানে এটা ধলেশ্বরীর শাখাবিশেষ। কথিত আছে, গঙ্গা নদীর একটি ধারা প্রাচীনকালে ধলেশ্বরী হয়ে সোজা দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরে মিশেছিল। পরে গঙ্গার সেই ধারাটির গতিপথ পরিবর্তন হলে গঙ্গার সাথে তার সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। তবে প্রাচীন গঙ্গা এই পথে প্রবাহিত হতো বলেই এমন নামকরণ। মূলত ধলেশ্বরী থেকে বুড়িগঙ্গার উৎপত্তি। কলাতিয়া এর উৎপত্তিস্থল। বর্তমানে উৎসমুখটি ভরাট হওয়ায় পুরানো কোন চিহ্ন খোঁজে পাওয়া যায় না।
বুড়িগঙ্গার সৌন্দর্য বাড়ানোর কাজ করেছিলেন বাংলার সুবাদার মুকাররম খাঁ। তার শাসনামলে শহরের যেসকল অংশ নদীর তীরে অবস্থিত ছিল, সেখানে প্রতি রাতে আলোক সজ্জা করা হতো। এছাড়া নদীর বুকে অংসখ্য নৌকাতে জ্বলতো ফানুস বাতি। তখন বুড়িগঙ্গার তীরে অপরুপ সৌন্দর্য্যের সৃষ্টি হতো। ১৮০০ সালে টেইলর বুড়িগঙ্গা নদী দেখে মুগ্ধ হয়ে লিখেছিলেন- "বর্ষাকালে যখন বুড়িগঙ্গা পানিতে ভরপুর থাকে তখন দুর থেকে ঢাকাকে দেখায় ভেনিসের মতো।" তবে বুড়িগঙ্গার আগের ঐতিহ্য এখন আর নেই। কালের বিবর্তনে দখল হয়ে যাচ্ছে বুড়িগঙ্গার নদীতীর।[২]
অন্যান্য তথ্য
বুড়িগঙ্গা সাকুল্যে ৩০ কিমি দীর্ঘ। গড়পড়তা ৪০০ মিটার প্রশস্ত। গভীরতা প্রায় ৪০ মিটার। ১৯৮৪ সালে এর পানিপ্রবাহের পরিমাণ ছিল সর্বোচ্চ ২ হাজার ৯০২ কিউসেক। তবে বর্তমানে বুড়িগঙ্গার পানিপ্রবাহের পরিমাণ প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে।
চিত্রশালা
-
বড়িগঙ্গা নদীর সন্ধ্যার চিত্র
-
১৮৮৫ সালে বুড়িগঙ্গার চিত্র
-
বুড়িগঙ্গা নদীর উপরে অবস্থিত সদরঘাট বন্দর, ঢাকা
-
বুড়িগঙ্গা নদীর উপরে অবস্থিত সদরঘাট বন্দর, ঢাকা
-
বুড়িগঙ্গা (২০১৪)
-
বুড়িগঙ্গা নদী, ঢাকা
-
শহীদ বুদ্ধিজীবী সেতু, বসিলা থেকে বুড়িগঙ্গা নদীর একটি দৃশ্য (২০১৯)
আরও দেখুন
তথ্যসূত্র
- কিংবদন্তির ঢাকা, নাজির হোসেন, পৃষ্ঠা ৪২১ ও ৪২৭
- ঢাকা সমগ্র ৩, মুনতাসীর মামুন, পৃষ্ঠা ১৫০
- বাংলাদেশের নদীঃ মোকাররম হোসেন; পৃষ্ঠা ১০৩; কথাপ্রকাশ; দ্বিতীয় সংস্করণঃ আগস্ট ২০১৪