শেরপুর জেলা: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য
সম্পাদনা সারাংশ নেই ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা উচ্চতর মোবাইল সম্পাদনা |
সম্পাদনা সারাংশ নেই ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা উচ্চতর মোবাইল সম্পাদনা |
||
| ১ নং লাইন: | ১ নং লাইন: | ||
''' | {{Infobox Bangladesh district | ||
| name = শেরপুর জেলা | |||
| native_name = শেরপুর | |||
| type = জেলা | |||
| map_caption = বাংলাদেশের মানচিত্রে শেরপুর জেলার অবস্থান | |||
| coordinates = {{coord|25.02056|N|90.01528|E|display=inline,title}} | |||
| division = [[ময়মনসিংহ বিভাগ]] | |||
| established = ১৯৮৪ | |||
| area_total_km2 = ১৩৬৩.৭৬ | |||
| population_total = ১৪,৯৪,৩৩৭ | |||
| population_as_of = ২০২২ | |||
| population_density_km2 = auto | |||
| literacy_rate = ৬৫.৩% | |||
| postal_code_type = ডাকঘর | |||
| postal_code = ২১০০ | |||
| website = [http://www.sherpur.gov.bd শেরপুর জেলা] | |||
}} | |||
'''শেরপুর জেলা''' বাংলাদেশের [[ময়মনসিংহ বিভাগ|ময়মনসিংহ বিভাগের]] একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। ১৯৮৪ সালে জেলা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। এই জেলার উত্তরে [[ভারত]] এর [[মেঘালয়]] দক্ষিণে বাংলাদেশর [[জামালপুর জেলা]], পূর্বে [[ময়মনসিংহ জেলা]] এবং পশ্চিমে [[জামালপুর জেলা]] অবস্থিত। | |||
== ভৌগোলিক তথ্য == | |||
শেরপুর জেলার আয়তন ১৩৬৩.৭৬ বর্গকিলোমিটার। এই জেলার বেশিরভাগ এলাকা সমতলভূমি, তবে উত্তরে পাহাড়ি অঞ্চল বিদ্যমান, যা গারো পাহাড় নামে পরিচিত। | |||
== প্রশাসনিক বিভাগ == | |||
শেরপুর জেলা ৫টি [[উপজেলা]]তে বিভক্ত: | |||
# [[শেরপুর সদর উপজেলা]] | |||
# [[নালিতাবাড়ী উপজেলা]] | |||
# [[নকলা উপজেলা]] | |||
# [[নান্দিনা উপজেলা]] | |||
# [[ঝিনাইগাতী উপজেলা]] | |||
== জনসংখ্যা == | |||
২০২২ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী, শেরপুর জেলার মোট জনসংখ্যা ১৪,৯৪,৩৩৭ জন। জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গকিলোমিটারে প্রায় ১০৯৬ জন। | |||
== অর্থনীতি == | |||
শেরপুর জেলার অর্থনীতির প্রধান ভিত্তি কৃষি। এখানে ধান, পাট, গম, সরিষা ইত্যাদি চাষ হয়। এছাড়াও ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের উপস্থিতি রয়েছে। | |||
== শিক্ষা == | |||
জেলাটির গড় সাক্ষরতার হার ৬৫.৩%। এখানে একটি সরকারি কলেজ, বিভিন্ন উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং মাদ্রাসা রয়েছে। | |||
== দর্শনীয় স্থান == | |||
* গারো পাহাড় | |||
* মালিঝি নদী | |||
* নালিতাবাড়ী জমিদার বাড়ি | |||
== বিখ্যাত ব্যক্তিত্ব == | |||
* [[মো. মতিউর রহমান]] - রাজনীতিবিদ ও সাবেক ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী | |||
* [[হাফিজুর রহমান (কবি)]] - সাহিত্যিক | |||
== আরও দেখুন == | |||
* [[ময়মনসিংহ বিভাগ]] | |||
* [[বাংলাদেশের জেলা সমূহ]] | |||
== বহিঃসংযোগ == | |||
* [http://www.sherpur.gov.bd শেরপুর জেলার সরকারি ওয়েবসাইট] | |||
{{বাংলাদেশের জেলা}} | |||
[[বিভাগ:শেরপুর জেলা]] | |||
[[বিভাগ:ময়মনসিংহ বিভাগ]] | |||
== তথ্যসূত্র == | == তথ্যসূত্র == | ||
{{সূত্র তালিকা}} | {{সূত্র তালিকা}} | ||
[[বিষয়শ্রেণী:ময়মনসিংহ বিভাগের জেলা]] | [[বিষয়শ্রেণী:ময়মনসিংহ বিভাগের জেলা]] | ||
০০:২৪, ৫ জুন ২০২৫ তারিখে সংশোধিত সংস্করণ
টেমপ্লেট:Infobox Bangladesh district
শেরপুর জেলা বাংলাদেশের ময়মনসিংহ বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। ১৯৮৪ সালে জেলা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। এই জেলার উত্তরে ভারত এর মেঘালয় দক্ষিণে বাংলাদেশর জামালপুর জেলা, পূর্বে ময়মনসিংহ জেলা এবং পশ্চিমে জামালপুর জেলা অবস্থিত।
ভৌগোলিক তথ্য
শেরপুর জেলার আয়তন ১৩৬৩.৭৬ বর্গকিলোমিটার। এই জেলার বেশিরভাগ এলাকা সমতলভূমি, তবে উত্তরে পাহাড়ি অঞ্চল বিদ্যমান, যা গারো পাহাড় নামে পরিচিত।
প্রশাসনিক বিভাগ
শেরপুর জেলা ৫টি উপজেলাতে বিভক্ত:
জনসংখ্যা
২০২২ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী, শেরপুর জেলার মোট জনসংখ্যা ১৪,৯৪,৩৩৭ জন। জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গকিলোমিটারে প্রায় ১০৯৬ জন।
অর্থনীতি
শেরপুর জেলার অর্থনীতির প্রধান ভিত্তি কৃষি। এখানে ধান, পাট, গম, সরিষা ইত্যাদি চাষ হয়। এছাড়াও ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের উপস্থিতি রয়েছে।
শিক্ষা
জেলাটির গড় সাক্ষরতার হার ৬৫.৩%। এখানে একটি সরকারি কলেজ, বিভিন্ন উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং মাদ্রাসা রয়েছে।
দর্শনীয় স্থান
- গারো পাহাড়
- মালিঝি নদী
- নালিতাবাড়ী জমিদার বাড়ি
বিখ্যাত ব্যক্তিত্ব
- মো. মতিউর রহমান - রাজনীতিবিদ ও সাবেক ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী
- হাফিজুর রহমান (কবি) - সাহিত্যিক
আরও দেখুন
বহিঃসংযোগ
বিভাগ:শেরপুর জেলা বিভাগ:ময়মনসিংহ বিভাগ