কুমিল্লা বিমানবন্দর: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য
সম্পাদনা সারাংশ নেই ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা উচ্চতর মোবাইল সম্পাদনা |
সম্পাদনা সারাংশ নেই ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা উচ্চতর মোবাইল সম্পাদনা |
||
| ১ নং লাইন: | ১ নং লাইন: | ||
'''কুমিল্লা বিমানবন্দর''' [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশের]] [[কুমিল্লা জেলা|কুমিল্লা জেলায়]] অবস্থিত একটি [[বিমানবন্দর]]। এটি কুমিল্লা শহরের উত্তর-পশ্চিম দিকে, মূল শহর থেকে ৩.৩ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। বিমানবন্দরটি ৭৭ একর জমির উপর নির্মাণ করা হয়। বর্তমানে এখানে [[বাংলাদেশ সেনাবাহিনী|বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর]] একটি ঘাঁটি আছে এবং এটি বর্তমানে সাধারণ যাত্রী পরিবহনের জন্য চালু নয়। বর্তমানে এটি পরিত্যক্ত। | |||
'''কুমিল্লা বিমানবন্দর''' | |||
ঢাকা | [[ঢাকা]], [[চট্টগ্রাম]] ও [[সিলেট]] ছাড়াও দেশের যে কয়েকটি বিমানবন্দর আছে, কুমিল্লা তার একটি। যদিও এখানে কোনো বিমান ওঠে বা নামে না, তবুও প্রতিদিন প্রায় ৪০টি দেশি-বিদেশি বিমান এই বিমানবন্দরের আকাশসীমার সিগন্যাল ব্যবহার করে। এই সিগন্যালিং থেকে মাসে প্রায় ৩০ লাখ টাকা আয় হয়। | ||
[[বাংলাদেশ|বাংলাদেশে]] বর্তমানে তিনটি আন্তর্জাতিক ও পাঁচটি অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দর রয়েছে। এ ছাড়া সাতটি '''স্টল (Short Take-Off and Landing)''' বিমানবন্দর আছে, যার একটি হলো কুমিল্লা বিমানবন্দর। [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ|দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের]] সময় ১৯৪১-৪২ সালে কুমিল্লা শহরের দক্ষিণ পাশে নেউরা, ঢুলিপাড়া ও রাজাপাড়া এলাকায় এই বিমানবন্দর তৈরি করা হয়। এটি ১৯৭৬ সাল পর্যন্ত অভ্যন্তরীণ রুটে সচল ছিল। এরপর কোন এক কারণে বিমান ওঠানামা বন্ধ হয়ে যায়। | |||
বর্তমানে কোনো বিমান ওঠানামা না করলেও, বিমানবন্দরটি চালু অবস্থায় আছে। এটি আন্তর্জাতিক রুটে চলাচলকারী অনেক বিমানের জন্য সিগন্যাল প্রদান করে। প্রতিদিন প্রায় ৪০টি বিমান এর আকাশসীমা ব্যবহার করে। ভারতের অভ্যন্তরীণ রুটের পাশাপাশি [[ব্যাংকক]], [[সিঙ্গাপুর]] এবং [[আগরতলা বিমানবন্দর|আগরতলা]]গামী বিমান এই রুট ব্যবহার করে। | |||
বিমানবন্দরে রয়েছে নেভিগেশন সুবিধা, কন্ট্রোল টাওয়ার, ভিএইচএফ যন্ত্রপাতি, এয়ার কমিউনিকেশন যন্ত্র, ফায়ার স্টেশন ও যাত্রীদের জন্য পৃথক রুম। এসব সুবিধা থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘদিন ধরে উদ্যোগের অভাবে বিমানবন্দরটি বন্ধ রয়েছে। চালু করতে খুব বেশি খরচও লাগে না। রানওয়ে সংস্কার ও কিছু জনবল নিয়োগ করলেই অভ্যন্তরীণ এবং আন্তর্জাতিক রুটে স্টল বিমান চালানো সম্ভব। এজন্য আনুমানিক ২০ থেকে ২৫ কোটি টাকা ব্যয় হতে পারে। | |||
বিমানবন্দর চালু হলে বৃহত্তর কুমিল্লার মানুষ সহজে দেশের বিভিন্ন স্থানে এবং বিদেশেও যাতায়াত করতে পারবেন। এতে প্রবাসীদের সুবিধা হবে, সময় বাঁচবে এবং ইপিজেডসহ পুরো জেলার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি আসবে। যেহেতু ইপিজেডে বেশ কিছু বিদেশি প্রতিষ্ঠান আছে, তাই বিমানবন্দর সচল হলে বিদেশি বিনিয়োগ আরও বাড়বে। এই কারণে দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয়রা বিমানবন্দর চালুর দাবিতে সোচ্চার। | |||
==আরও দেখুন== | |||
*[[বাংলাদেশের বিমানবন্দরের তালিকা]] | |||
==তথ্যসূত্র== | |||
== তথ্যসূত্র == | |||
{{সূত্র তালিকা}} | {{সূত্র তালিকা}} | ||
== বহিঃসংযোগ == | ==বহিঃসংযোগ== | ||
* [http://aerobaticsweb.org/cgi-bin/search_apt?VGCM Airport record for Comilla Airport] {{ওয়েব আর্কাইভ|ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20150624071622/http://aerobaticsweb.org/cgi-bin/search_apt?VGCM |তারিখ=২৪ জুন ২০১৫ }} at Landings.com | *[http://aerobaticsweb.org/cgi-bin/search_apt?VGCM Airport record for Comilla Airport] {{ওয়েব আর্কাইভ|ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20150624071622/http://aerobaticsweb.org/cgi-bin/search_apt?VGCM |তারিখ=২৪ জুন ২০১৫ }} at Landings.com | ||
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের বিমানবন্দর]] | [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের বিমানবন্দর]] | ||
[[বিষয়শ্রেণী:কুমিল্লা জেলা]] | [[বিষয়শ্রেণী:কুমিল্লা জেলা]] | ||
[[বিষয়শ্রেণী:কুমিল্লা]] | [[বিষয়শ্রেণী:কুমিল্লা]] | ||
০৩:২৮, ৪ জুলাই ২০২৫ তারিখে সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণ
কুমিল্লা বিমানবন্দর বাংলাদেশের কুমিল্লা জেলায় অবস্থিত একটি বিমানবন্দর। এটি কুমিল্লা শহরের উত্তর-পশ্চিম দিকে, মূল শহর থেকে ৩.৩ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। বিমানবন্দরটি ৭৭ একর জমির উপর নির্মাণ করা হয়। বর্তমানে এখানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি ঘাঁটি আছে এবং এটি বর্তমানে সাধারণ যাত্রী পরিবহনের জন্য চালু নয়। বর্তমানে এটি পরিত্যক্ত।
ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট ছাড়াও দেশের যে কয়েকটি বিমানবন্দর আছে, কুমিল্লা তার একটি। যদিও এখানে কোনো বিমান ওঠে বা নামে না, তবুও প্রতিদিন প্রায় ৪০টি দেশি-বিদেশি বিমান এই বিমানবন্দরের আকাশসীমার সিগন্যাল ব্যবহার করে। এই সিগন্যালিং থেকে মাসে প্রায় ৩০ লাখ টাকা আয় হয়। বাংলাদেশে বর্তমানে তিনটি আন্তর্জাতিক ও পাঁচটি অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দর রয়েছে। এ ছাড়া সাতটি স্টল (Short Take-Off and Landing) বিমানবন্দর আছে, যার একটি হলো কুমিল্লা বিমানবন্দর। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ১৯৪১-৪২ সালে কুমিল্লা শহরের দক্ষিণ পাশে নেউরা, ঢুলিপাড়া ও রাজাপাড়া এলাকায় এই বিমানবন্দর তৈরি করা হয়। এটি ১৯৭৬ সাল পর্যন্ত অভ্যন্তরীণ রুটে সচল ছিল। এরপর কোন এক কারণে বিমান ওঠানামা বন্ধ হয়ে যায়।
বর্তমানে কোনো বিমান ওঠানামা না করলেও, বিমানবন্দরটি চালু অবস্থায় আছে। এটি আন্তর্জাতিক রুটে চলাচলকারী অনেক বিমানের জন্য সিগন্যাল প্রদান করে। প্রতিদিন প্রায় ৪০টি বিমান এর আকাশসীমা ব্যবহার করে। ভারতের অভ্যন্তরীণ রুটের পাশাপাশি ব্যাংকক, সিঙ্গাপুর এবং আগরতলাগামী বিমান এই রুট ব্যবহার করে।
বিমানবন্দরে রয়েছে নেভিগেশন সুবিধা, কন্ট্রোল টাওয়ার, ভিএইচএফ যন্ত্রপাতি, এয়ার কমিউনিকেশন যন্ত্র, ফায়ার স্টেশন ও যাত্রীদের জন্য পৃথক রুম। এসব সুবিধা থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘদিন ধরে উদ্যোগের অভাবে বিমানবন্দরটি বন্ধ রয়েছে। চালু করতে খুব বেশি খরচও লাগে না। রানওয়ে সংস্কার ও কিছু জনবল নিয়োগ করলেই অভ্যন্তরীণ এবং আন্তর্জাতিক রুটে স্টল বিমান চালানো সম্ভব। এজন্য আনুমানিক ২০ থেকে ২৫ কোটি টাকা ব্যয় হতে পারে।
বিমানবন্দর চালু হলে বৃহত্তর কুমিল্লার মানুষ সহজে দেশের বিভিন্ন স্থানে এবং বিদেশেও যাতায়াত করতে পারবেন। এতে প্রবাসীদের সুবিধা হবে, সময় বাঁচবে এবং ইপিজেডসহ পুরো জেলার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি আসবে। যেহেতু ইপিজেডে বেশ কিছু বিদেশি প্রতিষ্ঠান আছে, তাই বিমানবন্দর সচল হলে বিদেশি বিনিয়োগ আরও বাড়বে। এই কারণে দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয়রা বিমানবন্দর চালুর দাবিতে সোচ্চার।
আরও দেখুন
তথ্যসূত্র
বহিঃসংযোগ
- Airport record for Comilla Airport ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২৪ জুন ২০১৫ তারিখে at Landings.com