সৌদি আরব: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য
সম্পাদনা সারাংশ নেই ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা উচ্চতর মোবাইল সম্পাদনা |
সম্পাদনা সারাংশ নেই ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা উচ্চতর মোবাইল সম্পাদনা দৃশ্যমান সম্পাদনা |
||
| ১২৭ নং লাইন: | ১২৭ নং লাইন: | ||
==ধর্ম== | ==ধর্ম== | ||
[[চিত্র:Siyer-i Nebi - Imam Ali und Hamza bei dem vorgezogenen Einzelkampf in Badr gegen die Götzendiener.jpg|থাম্ব|বদরের যুদ্ধ, ১২৩ মার্চ ৬২৪ খ্রিস্টাব্দ]] | [[চিত্র:Siyer-i Nebi - Imam Ali und Hamza bei dem vorgezogenen Einzelkampf in Badr gegen die Götzendiener.jpg|থাম্ব|বদরের যুদ্ধ, ১২৩ মার্চ ৬২৪ খ্রিস্টাব্দ]] | ||
[[ইসলাম]] সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় ধর্ম। ইসলাম ও সৌদি আরবের মধ্যে যোগাযোগ (বা দেশের অন্ততপক্ষে পশ্চিমের [[হেজাজ|হিজাজ]] অঞ্চল) অনন্য শক্তিশালী। এই রাজ্য, যাকে কখনও কখনও "ইসলামের বাড়ি" বলা হয়,<ref name="bradley-expo-145">{{বই উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://archive.org/details/saudiarabiaexpos00brad|শিরোনাম=Saudi Arabia Exposed : Inside a Kingdom in Crisis|শেষাংশ=Bradley|প্রথমাংশ=John R.|তারিখ=2005|প্রকাশক=Palgrave|পাতা=[https://archive.org/details/saudiarabiaexpos00brad/page/145 145]}}</ref> তা হল [[মক্কা]] এবং [[মদিনা|মদিনার]] শহরগুলির অবস্থান, যেখানে ইসলামী ধর্মের দূত [[মুহাম্মাদ|মুহাম্মদ]] (সাঃ) বসবাস করতেন এবং মৃত্যুবরণ করেন এবং এ স্থানটি বছরে কয়েক মিলিয়ন মুসলিম [[হজ্জ|হজযাত্রীকে]] এবং হাজার হাজার আলেম এবং শিক্ষার্থীকে আকৃষ্ট করে, যারা [[মুসলিম বিশ্ব]] হতে এখানে পড়াশোনা করতে আসে। [[সৌদি আরবের বাদশাহ|সৌদি আরবের রাজার]] সরকারী উপাধি হ'ল " [[খাদেমুল হারামাইন শরিফাইন|দুটি পবিত্র মসজিদের]] রক্ষক" - এ দুটি মসজিদ হল [[মসজিদ আল-হারাম|মক্কার আল-মসজিদ আল হারাম]] এবং [[মসজিদে নববী|মদিনায় আল-মসজিদ আল-নববী]] -যাকে ইসলামের পবিত্রতম হিসাবে বিবেচনা করা হয়। <ref name="nyrob-only">{{সাময়িকী উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.nybooks.com/articles/17477|শিরোনাম=Unloved in Arabia (Book Review)|শেষাংশ=Rodenbeck|প্রথমাংশ=Max|তারিখ=October 21, 2004|সংখ্যা নং=16 | [[ইসলাম]] সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় ধর্ম। ইসলাম ও সৌদি আরবের মধ্যে যোগাযোগ (বা দেশের অন্ততপক্ষে পশ্চিমের [[হেজাজ|হিজাজ]] অঞ্চল) অনন্য শক্তিশালী। এই রাজ্য, যাকে কখনও কখনও "ইসলামের বাড়ি" বলা হয়,<ref name="bradley-expo-145">{{বই উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://archive.org/details/saudiarabiaexpos00brad|শিরোনাম=Saudi Arabia Exposed : Inside a Kingdom in Crisis|শেষাংশ=Bradley|প্রথমাংশ=John R.|তারিখ=2005|প্রকাশক=Palgrave|পাতা=[https://archive.org/details/saudiarabiaexpos00brad/page/145 145]}}</ref> তা হল [[মক্কা]] এবং [[মদিনা|মদিনার]] শহরগুলির অবস্থান, যেখানে ইসলামী ধর্মের দূত [[মুহাম্মাদ|মুহাম্মদ]] (সাঃ) বসবাস করতেন এবং মৃত্যুবরণ করেন এবং এ স্থানটি বছরে কয়েক মিলিয়ন মুসলিম [[হজ্জ|হজযাত্রীকে]] এবং হাজার হাজার আলেম এবং শিক্ষার্থীকে আকৃষ্ট করে, যারা [[মুসলিম বিশ্ব]] হতে এখানে পড়াশোনা করতে আসে। [[সৌদি আরবের বাদশাহ|সৌদি আরবের রাজার]] সরকারী উপাধি হ'ল " [[খাদেমুল হারামাইন শরিফাইন|দুটি পবিত্র মসজিদের]] রক্ষক" - এ দুটি মসজিদ হল [[মসজিদ আল-হারাম|মক্কার আল-মসজিদ আল হারাম]] এবং [[মসজিদে নববী|মদিনায় আল-মসজিদ আল-নববী]] -যাকে ইসলামের পবিত্রতম হিসাবে বিবেচনা করা হয়।<ref name="nyrob-only">{{সাময়িকী উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.nybooks.com/articles/17477|শিরোনাম=Unloved in Arabia (Book Review)|শেষাংশ=Rodenbeck|প্রথমাংশ=Max|তারিখ=October 21, 2004|সংখ্যা নং=16}}</ref> | ||
আঠারো শতকে, ইসলামী প্রচারক [[মুহাম্মদ ইবনে আবদুল ওয়াহাব|মুহাম্মদ ইবনে আবদ-ওহহাব]] এবং আঞ্চলিক আমির, [[মুহাম্মদ বিন সৌদ|মুহাম্মদ বিন সৌদের]] মধ্যে একটি চুক্তি প্রথমে [[নজদ|নাজদ]] অঞ্চলে এবং তারপরে [[আরব উপদ্বীপ|আরব উপদ্বীপে]] [[সুন্নি (ইসলাম)|সুন্নি ইসলামের]] এক চূড়ান্ত পবিত্রতাবাদী চাপ নিয়ে আসে। সমর্থকদের দ্বারা " [[সালাফি আন্দোলন|সালাফিবাদ]] " এবং অন্যরা " [[ওয়াহাবি আন্দোলন|ওয়াহাবিবাদ]] " হিসাবে পরিচিত, ইসলামের এই ব্যাখ্যাটি রাষ্ট্রীয় ধর্ম এবং ইসলামের ব্যাখ্যা হয়ে ওঠে মুহাম্মদ বিন সৌদ এবং তার উত্তরসূরীদের দ্বারা ( [[আল সৌদ]] পরিবার), যিনি শেষ পর্যন্ত ১৯৩২ সালে আধুনিক সৌদি আরব রাজ্য তৈরি করেছিলেন। সৌদি সরকার তার পেট্রোলিয়াম রপ্তানি আয়ের কয়েক বিলিয়ন ডলার পুরো ইসলামী বিশ্বজুড়ে এবং অন্য কোথাও মসজিদ নির্মাণ, বই প্রকাশ, বৃত্তি ও ফেলোশিপ প্রদান,<ref>Kepel, Gilles (2002). ''Jihad: The Trail of Political Islam''. trans. Anthony F. Roberts, p.72</ref> আন্তর্জাতিক ইসলামী সংগঠনগুলির হোস্টিং, এবং এর ইসলামের রূপ প্রচারে ব্যয় করেছে, কখনও কখনও যাকে উল্লেখ করা হয় "পেট্রো-ইসলাম" হিসাবে।<ref>{{Harvard citation no brackets|Kepel|2002}}</ref> | |||
সালাফি/ওয়াহাবিরা সৌদি আরবের সংখ্যাগরিষ্ঠ। ওহাবী মিশন [[নজদ|নাজদে]] দু'শো বছর ধরে প্রাধান্য পেয়েছে, তবে দেশের বেশিরভাগ অংশে - পূর্ব প্রদেশের হেজাজ, নাজরান - এটি মাত্র ১৯১৩-১৯২৫ সাল থেকেই আধিপত্য বিস্তার করেছে।<ref name="commins-77">{{বই উদ্ধৃতি|শিরোনাম=The Wahhabi Mission and Saudi Arabia|শেষাংশ=Commins|প্রথমাংশ=David|বছর=2009|প্রকাশক=I.B.Tauris|পাতা=77}}</ref> ১৫ থেকে ২০ মিলিয়ন সৌদি নাগরিকদের বেশিরভাগ হলেন সুন্নি মুসলিম,<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.oxfordislamicstudies.com/article/opr/t125/e2114?_hi=0&_pos=2|শিরোনাম=Saudi Arabia, Islam in|প্রকাশক=[[The Oxford Dictionary of Islam]]|সংগ্রহের-তারিখ=১৮ এপ্রিল ২০২০|আর্কাইভের-তারিখ=৮ জানুয়ারি ২০১৯|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20190108134953/http://www.oxfordislamicstudies.com/article/opr/t125/e2114?_hi=0&_pos=2|ইউআরএল-অবস্থা=কার্যকর}}</ref> পূর্ব অঞ্চলগুলি বেশিরভাগই বারো ইমামী [[শিয়া ইসলাম|শিয়া]] দ্বারা জনবহুল এবং দক্ষিণ অঞ্চলে জায়েদি শিয়া রয়েছে।<ref name="shrefs">Saudi Arabia and the New Strategic Landscape - Page 30</ref> বেশ কয়েকটি সূত্রের মতে, শুধুমাত্র সৌদি সম্প্রদায়ের একটি সংখ্যালঘু নিজেকে ওহাবী হিসাবে বিবেচনা করে, যদিও অন্যান্য উৎস অনুসারে, ওহাবী সম্পর্কিত সংস্থান ৪০% পর্যন্ত, এটি একটি অত্যন্ত প্রভাবশালী সংখ্যালঘু হিসাবে পরিণত হয়েছে, খুব কমপক্ষে ১৭ মিলিয়ন আদিবাসী জনসংখ্যার ব্যবহার করে "২০০৮-৯ এর অনুমান" অনুযায়ী।<ref name="al-ahmed">{{ওয়েব উদ্ধৃতি|শিরোনাম=Human Rights in Saudi Arabia: The Role of Women, Congressional Human Rights Caucus, Testimony of Ali Al-Ahmed, Director of the Saudi Institute|তারিখ=June 4, 2002|প্রকাশক=US Congress|উক্তি=Saudi Arabia is a glaring example of religious apartheid. The religious institutions from government clerics to judges, to religious curriculum, and all religious instructions in media are restricted to the Wahhabi understanding of Islam, adhered to by less than 40% of the population.}}</ref><ref name="schwartz">{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.sullivan-county.com/immigration/schwartz.htm|শিরোনাম=Q&A with Stephen Schwartz on Wahhabism|প্রকাশক=National Review Online|উক্তি=... although no more than 40 percent of Saudi subjects, at the most, consider themselves Wahhabis, the Wahhabi clergy has controlled education in the kingdom ...|সংগ্রহের-তারিখ=১৮ এপ্রিল ২০২০|আর্কাইভের-তারিখ=২৮ আগস্ট ২০১৭|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20170828032245/http://www.sullivan-county.com/immigration/schwartz.htm|ইউআরএল-অবস্থা=কার্যকর}}</ref><ref name="IMW">{{বই উদ্ধৃতি|শিরোনাম=Islam and the Muslim World v.2|প্রকাশক=Macmillan Reference USA|পাতা=729}}</ref> | |||
==সংস্কৃতি== | ==সংস্কৃতি== | ||
১৪:২৫, ১০ জুলাই ২০২৫ তারিখে সংশোধিত সংস্করণ
| "দেশের নাম" | |
|---|---|
| রাজধানী | রিয়াদ(প্রশাসনিক ও বাণিজ্যিক), মদিনা(ধর্মীয়) |
| সবচেয়ে বড় শহর | দাম্মাম,রিয়াদ |
| সরকারি ভাষা | আরবি |
| সরকারের ধরন | শরিয়া পরিচালিত সেচ্ছারন্ত্রী রাজতন্ত্র |
| বাদশাহ | সালমান বিন আবদুল আজিজ |
| এলাকা (বর্গ কিমি) | ২১৪৯৬৯০ |
| জনসংখ্যার অনুমান | ৩৩,০০০,০০০[১] (২০১৭) |
| মুদ্রা | রিয়াল (SR) |
| ড্রাইভের ধরন | ডান |
| কলিং কোড | +৯৬৬ |
| ইন্টারনেট টিডিএল | .sa, السعودية. |
সৌদি আরব সরকারিভাবে সৌদি আরব সাম্রাজ্য মধ্যপ্রাচ্যের একটি সার্বভৌম আরব রাষ্ট্র। ২১,৫০,০০০ বর্গ কিমি আয়তনের এদেশটি এশিয়ার সবচেয়ে বড় আরব দেশ এবং আলজেরিয়ার পরে আরব বিশ্বে দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ এবং কাজাখস্তান ও আলজেরিয়ার পর আয়তনে মুসলিম বিশ্বের ৩য় বৃহৎতম দেশ। দেশটি উত্তরে জর্দান ও ইরাক, উত্তরপূর্বে কুয়েত ,পূর্বে কাতার, বাহরাইন এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত অবস্থিত, দক্ষিণ-পূর্বে ওমান ও দক্ষিণে ইয়েমেন অবস্থিত।
দেশটি মূলত ৫টি আমিরাতে বা রাজ্য বিভক্ত। মধ্যাঞ্চলীয় আরব নজদ, উত্তরাঞ্চলীয় আরব আরার, দক্ষিণাঞ্চলীয় আরব আসির, পূর্বাঞ্চলীয় আরব আহসা ও পশ্চিমাঞ্চলীয় আরব হেজাজ। আবদুল আজিজ ইবনে সৌদ ১৯৩২ সালে ৫টি রাজ্য দখল করে সৌদি আরবে সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯০২ সালে নজদ, ১৯১৩ সালে আহসা, ১৯২১ সালে আরার, ১৯২৫ সালে হেজাজ ও ১৯৩০ সালে আসির এই ৫টি রাজতান্ত্রিক দেশ দখল করে সৌদি আরব সাম্রাজ্য গঠন করে। দেশটি পুরোপুরি রাজতান্ত্রিক পদ্ধতিতে পরিচালিত হয় এবং আইনের ক্ষেত্রে ইসলামি আইনের অনুসরণ করা হয়। ইসলামের দুই পবিত্র মসজিদ মসজিদুল হারাম ও মসজিদে নববীর কারণে সৌদি আরবকে দুই পবিত্র মসজিদের দেশ বলা হয়। দেশটিতে ৩,৪৭,৬০,০০০ জন বাস করে যার মধ্যে আড়াই কোটি সৌদি আর ৯৭,৬০,০০০ জন বিদেশী। পৃথিবীর অন্যতম প্রধান সর্বোচ্চ তেল উৎপাদন ও রপ্তানিকারক এবং পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম হাইড্রোকার্বন মজুদকারি দেশ। এই তেলের কারণে দেশটির অর্থনীতি যেমন বাড়ছে তেমনিভাবে এর মানব সম্পদ উন্নয়ন সূচকেও উপরের দিকে। তাছাড়াও একমাত্র আরব দেশ হিসেবে জি-২০ প্রধান অর্থনৈতিক শক্তির সদস্য। দেশটি তার অর্থনীতিকে কর্পোরেশন কাউন্সিল ফর দ্য আরব স্টেটস অব দ্য গালফ (জিসিসি) এর মধ্যে ডাইভারইসিফাইড করছে। পৃথিবীর চতুর্থ সর্বোচ্চ সামরিক খরচ বহনকারী দেশ সৌদি আরব। দেশটিকে মধ্যপ্রাচ্যের ক্ষমতাধর দেশ হিসেবে ধরা হয়। সৌদি আরব জিসিসি, জাতিসংঘ ওআইসি ও ওপেক এর সদস্য।
রাজনীতি

সৌদি আরব রাজতান্ত্রিক দেশ। এজন্য যেকোনো ধরনের রাজনৈতিক সংগঠন কিংবা জাতীয় নির্বাচন এদেশে নিষিদ্ধ।[২] ১৯৯২ সালে রাজকীয় ফরমান জারির মাধ্যমে গৃহীত মৌলিক আইন অনুযায়ী রাজাকে অবশ্যই শরিয়া (ইসলামি আইন) এবং কোরআন মেনে শাসন করতে হবে। এই আইনে কোরআন এবং সুন্নাহকে সৌদি আরবের সংবিধান হিসাবে গৃহীত হয়।[৩] অধিকাংশ সমালোচকদের মতে সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা স্বৈর-একনায়কতান্ত্রিক। দি ইকোনমিস্ট প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে সৌদি আরব সরকারকে পৃথিবীর পঞ্চম সর্বোচ্চ স্বৈরাচারী সরকার হিসেবে উল্লেখ করা হয়। ২০১২ সালে পত্রিকাটির ডেমক্রেসি ইনডেক্সে প্রকাশিত এই প্রতিবেদনে আরও ১৬৭টি দেশের নাম উল্লেখিত হয়েছিল। ফ্রিডম হাউস নামক অপর একটি পত্রিকা ২০১৩ সালে দেশটিকে সর্বনিম্ন রেটিং ৭ দিয়েছে, যার অর্থ সৌদি আরবে সাধারণ জনগণ "মুক্ত নয়"। অবশ্য প্রথা অনুযায়ী ঐতিহ্যবাহী গোত্রীয় সম্মেলন মজলিসে প্রাপ্ত বয়স্ক যেকোনো ব্যক্তি বাদশাহর কাছে আবেদন করতে পারে।[৪]
জীবনযাত্রা
সৌদি নাগরিকদের জীবনযাত্রার মান উন্নত। শিক্ষার হার প্রায় ৮০.৫ শতাংশ। নাগরিকেরা বিলাসবহুল জীবন যাপন করেন। ২০১৮ সালে রাশিয়ায় অনুষ্ঠিত ফিফা বিশ্বকাপে সৌদি ফুটবল দল অংশগ্রহণ করে। সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী অপরাধের হার প্রায় শূন্য। আইন প্রয়োগে ইসলামি শরিয়াহ অবলম্বন করা হয়।
প্রশাসনিক অঞ্চলসমূহ
| অঞ্চল | রাজধানী | আয়তন(বর্গ কিমি) | জনসংখ্যা |
|---|---|---|---|
| ইস্টার্ন প্রভিন্স | রিয়াদ | ৬৭২,৫২২ | ৪,১০৫,৭৮০ |
দেশের বেশির ভাগ অঞ্চলই মরুভূমি। দেশের সবচেয়ে বড় মরুভূমির নাম "রুব আল-খালী"। যার পশ্চিমাংশ উর্বর।
অর্থনীতি
সৌদি আরবের মূল অর্থনীতি পেট্রোলিয়াম ভিত্তিক; বাজেটে রাজস্ব মোটামুটি ৭৫% এবং রপ্তানি আয়ের ৯০% তেল শিল্প থেকে আসে।সৌদি আরবে সমগ্র বিশ্বের ভূ-ভাগের ২০% খনিজ তেলের মজুদ রয়েছে।পরিমাণে এটা ২৬ হাজার কোটি ব্যারেল।তেল ছাড়াও গ্যাস ও স্বর্ণ খনি।জিএনপি অনুসারে সৌদি আরব বিশ্বের শীর্ষ ধনী দেশের একটি।
জাপান, চীন , দক্ষিণ কোরিয়া ও ভারত থেকে দেশটির প্রধান আমদানি হয়ে থাকে। পরিবর্তে চীন , আমেরিকা ও আমিরাত এ দেশটি থেকে রপ্তানি হয়ে থাকে।
পোশাক
সৌদি নারীরা আবায়া, বোরকা, হিজাবসহ অন্যান্য শরিয়া সমর্থিত পোশাক পরেন। পুরুষেরা আলখাল্লা, জুব্বা, গুত্রা (মাথায় পরার আরব্য পোশাক) এবং টুপি পরিধান করেন। পোশাক পরিধানের ক্ষেত্রে ইসলামি শরিয়া মেনে চলা হয়। [৫]
ধর্ম

ইসলাম সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় ধর্ম। ইসলাম ও সৌদি আরবের মধ্যে যোগাযোগ (বা দেশের অন্ততপক্ষে পশ্চিমের হিজাজ অঞ্চল) অনন্য শক্তিশালী। এই রাজ্য, যাকে কখনও কখনও "ইসলামের বাড়ি" বলা হয়,[৬] তা হল মক্কা এবং মদিনার শহরগুলির অবস্থান, যেখানে ইসলামী ধর্মের দূত মুহাম্মদ (সাঃ) বসবাস করতেন এবং মৃত্যুবরণ করেন এবং এ স্থানটি বছরে কয়েক মিলিয়ন মুসলিম হজযাত্রীকে এবং হাজার হাজার আলেম এবং শিক্ষার্থীকে আকৃষ্ট করে, যারা মুসলিম বিশ্ব হতে এখানে পড়াশোনা করতে আসে। সৌদি আরবের রাজার সরকারী উপাধি হ'ল " দুটি পবিত্র মসজিদের রক্ষক" - এ দুটি মসজিদ হল মক্কার আল-মসজিদ আল হারাম এবং মদিনায় আল-মসজিদ আল-নববী -যাকে ইসলামের পবিত্রতম হিসাবে বিবেচনা করা হয়।[৭]
আঠারো শতকে, ইসলামী প্রচারক মুহাম্মদ ইবনে আবদ-ওহহাব এবং আঞ্চলিক আমির, মুহাম্মদ বিন সৌদের মধ্যে একটি চুক্তি প্রথমে নাজদ অঞ্চলে এবং তারপরে আরব উপদ্বীপে সুন্নি ইসলামের এক চূড়ান্ত পবিত্রতাবাদী চাপ নিয়ে আসে। সমর্থকদের দ্বারা " সালাফিবাদ " এবং অন্যরা " ওয়াহাবিবাদ " হিসাবে পরিচিত, ইসলামের এই ব্যাখ্যাটি রাষ্ট্রীয় ধর্ম এবং ইসলামের ব্যাখ্যা হয়ে ওঠে মুহাম্মদ বিন সৌদ এবং তার উত্তরসূরীদের দ্বারা ( আল সৌদ পরিবার), যিনি শেষ পর্যন্ত ১৯৩২ সালে আধুনিক সৌদি আরব রাজ্য তৈরি করেছিলেন। সৌদি সরকার তার পেট্রোলিয়াম রপ্তানি আয়ের কয়েক বিলিয়ন ডলার পুরো ইসলামী বিশ্বজুড়ে এবং অন্য কোথাও মসজিদ নির্মাণ, বই প্রকাশ, বৃত্তি ও ফেলোশিপ প্রদান,[৮] আন্তর্জাতিক ইসলামী সংগঠনগুলির হোস্টিং, এবং এর ইসলামের রূপ প্রচারে ব্যয় করেছে, কখনও কখনও যাকে উল্লেখ করা হয় "পেট্রো-ইসলাম" হিসাবে।[৯]
সালাফি/ওয়াহাবিরা সৌদি আরবের সংখ্যাগরিষ্ঠ। ওহাবী মিশন নাজদে দু'শো বছর ধরে প্রাধান্য পেয়েছে, তবে দেশের বেশিরভাগ অংশে - পূর্ব প্রদেশের হেজাজ, নাজরান - এটি মাত্র ১৯১৩-১৯২৫ সাল থেকেই আধিপত্য বিস্তার করেছে।[১০] ১৫ থেকে ২০ মিলিয়ন সৌদি নাগরিকদের বেশিরভাগ হলেন সুন্নি মুসলিম,[১১] পূর্ব অঞ্চলগুলি বেশিরভাগই বারো ইমামী শিয়া দ্বারা জনবহুল এবং দক্ষিণ অঞ্চলে জায়েদি শিয়া রয়েছে।[১২] বেশ কয়েকটি সূত্রের মতে, শুধুমাত্র সৌদি সম্প্রদায়ের একটি সংখ্যালঘু নিজেকে ওহাবী হিসাবে বিবেচনা করে, যদিও অন্যান্য উৎস অনুসারে, ওহাবী সম্পর্কিত সংস্থান ৪০% পর্যন্ত, এটি একটি অত্যন্ত প্রভাবশালী সংখ্যালঘু হিসাবে পরিণত হয়েছে, খুব কমপক্ষে ১৭ মিলিয়ন আদিবাসী জনসংখ্যার ব্যবহার করে "২০০৮-৯ এর অনুমান" অনুযায়ী।[১৩][১৪][১৫]
সংস্কৃতি
আরও দেখুন
তথ্যসূত্র
- ↑ Official annual projection
- ↑ '.
- ↑ '.
- ↑ '.
- ↑ Abaya Not Mandatory for foreigners
- ↑ '.
- ↑ Rodenbeck, Max (অক্টোবর ২১, ২০০৪)। "Unloved in Arabia (Book Review)" (16)।
- ↑ Kepel, Gilles (2002). Jihad: The Trail of Political Islam. trans. Anthony F. Roberts, p.72
- ↑ টেমপ্লেট:Harvard citation no brackets
- ↑ '.
- ↑ Saudi Arabia, Islam in The Oxford Dictionary of Islam.
- ↑ Saudi Arabia and the New Strategic Landscape - Page 30
- ↑ US Congress.
- ↑ Q&A with Stephen Schwartz on Wahhabism National Review Online.
- ↑ '.
বহিঃসংযোগ
- মধ্যপ্রাচ্য
- এশিয়ার রাষ্ট্র
- ১৭৪৪-এ প্রতিষ্ঠিত
- ইসলামি সহযোগিতা সংস্থার সদস্য রাষ্ট্র
- সৌদি আরব
- ইসলামি রাজতন্ত্র
- জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্র
- আরব লিগের সদস্য রাষ্ট্র
- জি২০ সদস্য
- উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের সদস্য রাষ্ট্র
- ওপেকের সদস্য রাষ্ট্র
- আরব উপদ্বীপ
- আরবিভাষী দেশ ও অঞ্চল
- রাজ্য
- মধ্যপ্রাচ্যের রাষ্ট্র
- নিকট প্রাচ্যের রাষ্ট্র
- পশ্চিম এশিয়ার রাষ্ট্র
- সার্বভৌম রাষ্ট্র

