আহসান হাবীব: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য
সম্পাদনা সারাংশ নেই ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা উচ্চতর মোবাইল সম্পাদনা |
সম্পাদনা সারাংশ নেই ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা উচ্চতর মোবাইল সম্পাদনা |
||
| ১ নং লাইন: | ১ নং লাইন: | ||
{{পুনর্নির্দেশ|আহসান হাবীব}} | |||
{{তথ্যছক ব্যক্তি | {{তথ্যছক ব্যক্তি | ||
| name = আহসান হাবীব | | name = আহসান হাবীব | ||
| ১৭ নং লাইন: | ১৭ নং লাইন: | ||
}} | }} | ||
'''আহসান হাবীব''' | '''আহসান হাবীব''' একজন খ্যাতিমান [[বাংলাদেশি]] [[কবি]] ও [[সাহিত্যিক]]। দীর্ঘ দিন [[দৈনিক বাংলা]] পত্রিকার সাহিত্য সম্পাদক পদের দায়িত্ব পালন সূত্রে তিনি স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশের সাহিত্য অঙ্গনে অভিভাবকের ভূমিকা রেখেছেন। তিনি চল্লিশের দশকের অন্যতম প্রধান আধুনিক কবি হিসেবে পরিগণিত। <ref>[http://www.samakal.com.bd/details.php?news=20&view=archiev&y=2011&m=05&d=14&action=&menu_type=&option=single&news_id=156171&pub_no=691&type=অসামান্য শওকত ওসমান] {{ওয়েব আর্কাইভ|ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20160305121632/http://www.samakal.com.bd/details.php?news=20&view=archiev&y=2011&m=05&d=14&action=&menu_type=&option=single&news_id=156171&pub_no=691&type=%E0%A6%85%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AF |তারিখ=৫ মার্চ ২০১৬ }}|দৈনিক সমকাল|১৪ মে ২০১১</ref> বাংলা ভাষা সাহিত্যে অবদানের জন্য তাঁকে [[বাংলাদেশ সরকার]] ১৯৭৮ সালে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা [[একুশে পদক]] এবং ১৯৯৪ সালে মরণোত্তর দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা [[স্বাধীনতা পুরস্কার]]ে ভূষিত করে।এছাড়াও আরো অনেক খেতাবে তিনি ভূষিত হয়েছিলেন। | ||
== জন্ম ও শিক্ষাজীবন == | |||
আহসান হাবীবের জন্ম ১৯১৭ সালের ২ ফেব্রুয়ারি [[পিরোজপুর|পিরোজপুরের]] শংকরপাশা গ্রামে৷ পিতার নাম হামিজুদ্দীন হাওলাদার, মাতা জমিলা খাতুন। তার ছিল পাঁচ ভাই ও চার বোন৷ অর্থনৈতিকভাবে অসচ্ছল পিতামাতার প্রথম সন্তান তিনি৷ পারিবারিকভাবে আহসান হাবীব সাহিত্য-সংস্কৃতির আবহের মধ্যে বড় হয়েছেন। সেই সূত্রে বাল্যকাল থেকেই লেখালেখির সঙ্গে যুক্ত হন তিনি। সেই সময় তার বাড়িতে ছিল আধুনিক সাহিত্যের বইপত্র ও কিছু পুথি। যেমন [[আনোয়ারা]], মনোয়ারা, মিলন মন্দির প্রভৃতি৷ এসব পড়তে পড়তে একসময় নিজেই কিছু লেখার তাগিদ অনুভব করেন। সাহিত্যের অনুকূল পরিবেশ নিয়ে পিরোজপুর গভর্নমেন্ট স্কুল থেকে ১৯৩৫ সালে প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। এরপর তিনি চলে আসেন [[বরিশাল জেলা|বরিশালে]]৷ ভর্তি হন সেখানকার বিখ্যাত [[ব্রজমোহন কলেজ|বিএম কলেজে]]৷ কিন্তু অর্থনৈতিক সংকটের কারণে কলেজের পড়াশোনার পাঠ শেষ পর্যন্ত অসমাপ্ত রাখতে হয় তাকে। বিএম কলেজে দেড় বছর পড়ার পর ১৯৩৬ সালের শেষার্ধে কাজের খোঁজে তিনি তৎকালীন রাজধানী [[কলকাতা|কলকাতায়]] পাড়ি জমান৷ এভাবেই কবি আহসান হাবীবের বরিশাল থেকে কলকাতায় পদার্পণ। | |||
== কর্ম ও ব্যক্তিগত জীবন == | |||
আহসান হাবীব ১৯৪৭ সালের ২১ জুন বিয়ে করেন [[বগুড়া]] শহরের কাটনারপাড়া নিবাসী মহসীন আলী মিয়ার কন্যা সুফিয়া খাতুনকে। আহসান হাবীব দুই কন্যা ([[কেয়া চৌধুরী]] ও [[জোহরা নাসরীন]]) ও দুই পুত্রের ([[মঈনুল আহসান সাবের]] ও [[মনজুরুল আহসান জাবের]]) জনক ছিলেন। পুত্র সাবের একজন স্বনামখ্যাত বাংলা ঔপন্যাসিক ও প্রকাশনালয় দিব্যপ্রকাশের কর্ণধার। | |||
১৫-১৬ বছর বয়সে স্কুলে পড়ার সময়ই ১৯৩৩ সালে স্কুল ম্যাগাজিনে তার একটি প্রবন্ধ ''ধরম'' প্রকাশিত হয়৷ ১৯৩৪ সালে তার প্রথম কবিতা ''মায়ের কবর পাড়ে কিশোর'' [[পিরোজপুর গভর্নমেন্ট স্কুল]] ম্যাগাজিনে ছাপা হয় ৷ পরবর্তী সময়ে ছাত্রাবস্থায় কলকাতার কয়েকটি সাহিত্য পত্রিকায় লেখা প্রকাশিত হলে তার নিজের সম্পর্কে আস্থা বেড়ে যায়। স্কুলে পড়াকালীন তিনি প্রবন্ধ প্রতিযোগিতার বিষয়বস্তুকে কবিতায় উপস্থাপিত করে পুরস্কৃত হয়েছিলেন। ততদিনে অবশ্য [[দেশ (পত্রিকা)|দেশ]], [[মাসিক মোহাম্মদী]], [[সাপ্তাহিক বিচিত্রা]]র মতো নামিদামি পত্রপত্রিকায় তার বেশ কিছু লেখা প্রকাশিত হয়ে গেছে৷ কলকাতায় গিয়ে শুরু হয় আহসানের সংগ্রামমুখর জীবনের পথচলা৷ সেখানে ১৯৩৭ সালে [[দৈনিক তকবির]] পত্রিকার সহ-সম্পাদকের কাজে নিযুক্ত হন । <ref name="ss">সংসদ বাঙালি চরিতাভিধান - প্রথম খণ্ড - সাহিত্য সংসদ {{আইএসবিএন|81-85626-65-0}}</ref> বেতন মাত্র ১৭ টাকা৷ পরবর্তীকালে তিনি ১৯৩৭ সাল থেকে ১৯৩৮ সাল পর্যন্ত কলকাতার বুলবুল পত্রিকা ও ১৯৩৯ সাল থেকে ১৯৪৩ সাল পর্যন্ত মাসিক [[সওগাত]] পত্রিকায় কাজ করেন ৷ এছাড়া তিনি [[আকাশবাণী]]তে কলকাতা কেন্দ্রের স্টাফ আর্টিস্ট পদে ১৯৪৩ থেকে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত কাজ করেন৷ | |||
== রচনাবলি == | |||
কাব্যগ্রন্থ, বড়দের উপন্যাস, গল্প, প্রবন্ধ-নিবন্ধ, ছোটদের ছড়া ও কবিতার বই সব মিলিয়ে আহসান হাবীবের বইয়ের সংখ্যা ২৫টি। | |||
=== কাব্যগ্রন্থ === | |||
* রাত্রিশেষ (১৯৪৭) | |||
* ছায়াহরিণ (১৯৬২) | |||
* সারা দুপুর (১৯৬৪) | |||
* আশায় বসতি (১৯৭৪) | |||
* মেঘ বলে চৈত্রে যাবো (১৯৭৬) | |||
* দু'হাতে দুই আদিম পাথর (১৯৮০) | |||
* প্রেমের কবিতা (১৯৮১) | |||
* বিদীর্ণ দর্পণে মুখ (১৯৮৫) | |||
* সোনার বাংলা(১৯৭১) | |||
=== উপন্যাস === | |||
* রাণী খালের সাঁকো (১৯৬৫) | |||
* আরণ্য নীলিমা (১৯৬০) | |||
* জাফরানী রং পায়রা | |||
=== শিশু সাহিত্য === | |||
* জোছনা রাতের গল্প | |||
* ছুটির দিন দুপুরে | |||
* বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর | |||
* রেলগাড়ি ঝমামমে | |||
* রাণীখালের সাঁকো | |||
* জ্যোৎস্না রাতের গল্প | |||
* ছোট মামা দি গ্রেট | |||
* পাখিরা ফিরে আসে | |||
* রত্নদ্বীপ (ট্রেজার আইল্যান্ডর সংক্ষিপ্ত অনুবাদ) | |||
* হাজীবাবা | |||
* প্রবাল দ্বীপে অভিযান (কোরাল আইল্যান্ডর সংক্ষিপ্ত অনুবাদ)<ref>[http://gunijan.org.bd/GjProfDetails_action.php?GjProfId=136 আহসান হাবীব] গুঞ্জন</ref> | |||
=== সম্পাদিত গ্রন্থ === | |||
* কাব্যলোক | |||
* বিদেশের সেরা গল্প | |||
== পুরস্কার == | |||
* [[ইউনেসকো সাহিত্য পুরস্কার]] (১৯৬১) | |||
* [[বাংলা একাডেমি পুরস্কার]] (১৯৬১) | |||
* [[আদমজী সাহিত্য পুরস্কার]] (১৯৬৪) | |||
* [[নাসিরউদ্দীন স্বর্ণপদক]] (১৯৭৭) | |||
* [[একুশে পদক]] (১৯৭৮) | |||
* [[আবুল মনসুর আহমদ স্মৃতি পুরস্কার]] (১৯৮০) | |||
* [[আবুল কালাম স্মৃতি পুরস্কার]] (১৯৮৪) | |||
* [[স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার]] (১৯৯৪) | |||
== তথ্যসূত্র == | == তথ্যসূত্র == | ||
{{সূত্র তালিকা}} | {{সূত্র তালিকা}} | ||
== বহিঃসংযোগ == | |||
{{DEFAULTSORT:হাবীব, আহসান (কবি)}} | |||
[[বিষয়শ্রেণী:১৯১৭-এ জন্ম]] | |||
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৮৫-এ মৃত্যু]] | |||
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশী কবি]] | |||
[[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি ছোটগল্পকার]] | |||
১৪:০৯, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে সংশোধিত সংস্করণ
| আহসান হাবীব | |
|---|---|
|
|
|
| আহসান হাবীব | |
| জন্ম তারিখ | ২ ফেব্রুয়ারি ১৯১৭ |
| জন্মস্থান | শংকরপাশা, পিরোজপুর সদর, পিরোজপুর |
| মৃত্যু তারিখ | ১০ জুলাই ১৯৮৫ (বয়স ৬৮) |
| মৃত্যুর স্থান | ঢাকা, বাংলাদেশ। |
| জাতীয়তা | বাংলাদেশি |
| পেশা | কবি, সাহিত্য সম্পাদক |
| পুরস্কার | একুশে পদক (১৯৭৮) স্বাধীনতা পুরস্কার (১৯৯৪) |
আহসান হাবীব একজন খ্যাতিমান বাংলাদেশি কবি ও সাহিত্যিক। দীর্ঘ দিন দৈনিক বাংলা পত্রিকার সাহিত্য সম্পাদক পদের দায়িত্ব পালন সূত্রে তিনি স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশের সাহিত্য অঙ্গনে অভিভাবকের ভূমিকা রেখেছেন। তিনি চল্লিশের দশকের অন্যতম প্রধান আধুনিক কবি হিসেবে পরিগণিত। [১] বাংলা ভাষা সাহিত্যে অবদানের জন্য তাঁকে বাংলাদেশ সরকার ১৯৭৮ সালে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা একুশে পদক এবং ১৯৯৪ সালে মরণোত্তর দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করে।এছাড়াও আরো অনেক খেতাবে তিনি ভূষিত হয়েছিলেন।
জন্ম ও শিক্ষাজীবন
আহসান হাবীবের জন্ম ১৯১৭ সালের ২ ফেব্রুয়ারি পিরোজপুরের শংকরপাশা গ্রামে৷ পিতার নাম হামিজুদ্দীন হাওলাদার, মাতা জমিলা খাতুন। তার ছিল পাঁচ ভাই ও চার বোন৷ অর্থনৈতিকভাবে অসচ্ছল পিতামাতার প্রথম সন্তান তিনি৷ পারিবারিকভাবে আহসান হাবীব সাহিত্য-সংস্কৃতির আবহের মধ্যে বড় হয়েছেন। সেই সূত্রে বাল্যকাল থেকেই লেখালেখির সঙ্গে যুক্ত হন তিনি। সেই সময় তার বাড়িতে ছিল আধুনিক সাহিত্যের বইপত্র ও কিছু পুথি। যেমন আনোয়ারা, মনোয়ারা, মিলন মন্দির প্রভৃতি৷ এসব পড়তে পড়তে একসময় নিজেই কিছু লেখার তাগিদ অনুভব করেন। সাহিত্যের অনুকূল পরিবেশ নিয়ে পিরোজপুর গভর্নমেন্ট স্কুল থেকে ১৯৩৫ সালে প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। এরপর তিনি চলে আসেন বরিশালে৷ ভর্তি হন সেখানকার বিখ্যাত বিএম কলেজে৷ কিন্তু অর্থনৈতিক সংকটের কারণে কলেজের পড়াশোনার পাঠ শেষ পর্যন্ত অসমাপ্ত রাখতে হয় তাকে। বিএম কলেজে দেড় বছর পড়ার পর ১৯৩৬ সালের শেষার্ধে কাজের খোঁজে তিনি তৎকালীন রাজধানী কলকাতায় পাড়ি জমান৷ এভাবেই কবি আহসান হাবীবের বরিশাল থেকে কলকাতায় পদার্পণ।
কর্ম ও ব্যক্তিগত জীবন
আহসান হাবীব ১৯৪৭ সালের ২১ জুন বিয়ে করেন বগুড়া শহরের কাটনারপাড়া নিবাসী মহসীন আলী মিয়ার কন্যা সুফিয়া খাতুনকে। আহসান হাবীব দুই কন্যা (কেয়া চৌধুরী ও জোহরা নাসরীন) ও দুই পুত্রের (মঈনুল আহসান সাবের ও মনজুরুল আহসান জাবের) জনক ছিলেন। পুত্র সাবের একজন স্বনামখ্যাত বাংলা ঔপন্যাসিক ও প্রকাশনালয় দিব্যপ্রকাশের কর্ণধার।
১৫-১৬ বছর বয়সে স্কুলে পড়ার সময়ই ১৯৩৩ সালে স্কুল ম্যাগাজিনে তার একটি প্রবন্ধ ধরম প্রকাশিত হয়৷ ১৯৩৪ সালে তার প্রথম কবিতা মায়ের কবর পাড়ে কিশোর পিরোজপুর গভর্নমেন্ট স্কুল ম্যাগাজিনে ছাপা হয় ৷ পরবর্তী সময়ে ছাত্রাবস্থায় কলকাতার কয়েকটি সাহিত্য পত্রিকায় লেখা প্রকাশিত হলে তার নিজের সম্পর্কে আস্থা বেড়ে যায়। স্কুলে পড়াকালীন তিনি প্রবন্ধ প্রতিযোগিতার বিষয়বস্তুকে কবিতায় উপস্থাপিত করে পুরস্কৃত হয়েছিলেন। ততদিনে অবশ্য দেশ, মাসিক মোহাম্মদী, সাপ্তাহিক বিচিত্রার মতো নামিদামি পত্রপত্রিকায় তার বেশ কিছু লেখা প্রকাশিত হয়ে গেছে৷ কলকাতায় গিয়ে শুরু হয় আহসানের সংগ্রামমুখর জীবনের পথচলা৷ সেখানে ১৯৩৭ সালে দৈনিক তকবির পত্রিকার সহ-সম্পাদকের কাজে নিযুক্ত হন । [২] বেতন মাত্র ১৭ টাকা৷ পরবর্তীকালে তিনি ১৯৩৭ সাল থেকে ১৯৩৮ সাল পর্যন্ত কলকাতার বুলবুল পত্রিকা ও ১৯৩৯ সাল থেকে ১৯৪৩ সাল পর্যন্ত মাসিক সওগাত পত্রিকায় কাজ করেন ৷ এছাড়া তিনি আকাশবাণীতে কলকাতা কেন্দ্রের স্টাফ আর্টিস্ট পদে ১৯৪৩ থেকে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত কাজ করেন৷
রচনাবলি
কাব্যগ্রন্থ, বড়দের উপন্যাস, গল্প, প্রবন্ধ-নিবন্ধ, ছোটদের ছড়া ও কবিতার বই সব মিলিয়ে আহসান হাবীবের বইয়ের সংখ্যা ২৫টি।
কাব্যগ্রন্থ
- রাত্রিশেষ (১৯৪৭)
- ছায়াহরিণ (১৯৬২)
- সারা দুপুর (১৯৬৪)
- আশায় বসতি (১৯৭৪)
- মেঘ বলে চৈত্রে যাবো (১৯৭৬)
- দু'হাতে দুই আদিম পাথর (১৯৮০)
- প্রেমের কবিতা (১৯৮১)
- বিদীর্ণ দর্পণে মুখ (১৯৮৫)
- সোনার বাংলা(১৯৭১)
উপন্যাস
- রাণী খালের সাঁকো (১৯৬৫)
- আরণ্য নীলিমা (১৯৬০)
- জাফরানী রং পায়রা
শিশু সাহিত্য
- জোছনা রাতের গল্প
- ছুটির দিন দুপুরে
- বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর
- রেলগাড়ি ঝমামমে
- রাণীখালের সাঁকো
- জ্যোৎস্না রাতের গল্প
- ছোট মামা দি গ্রেট
- পাখিরা ফিরে আসে
- রত্নদ্বীপ (ট্রেজার আইল্যান্ডর সংক্ষিপ্ত অনুবাদ)
- হাজীবাবা
- প্রবাল দ্বীপে অভিযান (কোরাল আইল্যান্ডর সংক্ষিপ্ত অনুবাদ)[৩]
সম্পাদিত গ্রন্থ
- কাব্যলোক
- বিদেশের সেরা গল্প
পুরস্কার
- ইউনেসকো সাহিত্য পুরস্কার (১৯৬১)
- বাংলা একাডেমি পুরস্কার (১৯৬১)
- আদমজী সাহিত্য পুরস্কার (১৯৬৪)
- নাসিরউদ্দীন স্বর্ণপদক (১৯৭৭)
- একুশে পদক (১৯৭৮)
- আবুল মনসুর আহমদ স্মৃতি পুরস্কার (১৯৮০)
- আবুল কালাম স্মৃতি পুরস্কার (১৯৮৪)
- স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার (১৯৯৪)
তথ্যসূত্র
- ↑ শওকত ওসমান ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ৫ মার্চ ২০১৬ তারিখে|দৈনিক সমকাল|১৪ মে ২০১১
- ↑ সংসদ বাঙালি চরিতাভিধান - প্রথম খণ্ড - সাহিত্য সংসদ টেমপ্লেট:আইএসবিএন
- ↑ আহসান হাবীব গুঞ্জন