মুরতজা পলাশ: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

ভিকিটিয়া থেকে
সম্পাদনা সারাংশ নেই
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা উচ্চতর মোবাইল সম্পাদনা দৃশ্যমান সম্পাদনা
সম্পাদনা সারাংশ নেই
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা উচ্চতর মোবাইল সম্পাদনা দৃশ্যমান সম্পাদনা
১৭ নং লাইন: ১৭ নং লাইন:
পলাশ ১৯৯০-এর দশকে ‘অরবিট’ নামক একটি সঙ্গীত ব্যান্ডের মাধ্যমে তার কর্মজীবন শুরু করেন। পরে তিনি তার প্রথম একক অ্যালবাম ''প্রেম আদ্রী'' প্রকাশ করেন। তিনি এ পর্যন্ত ৩৮টিরও বেশি একক অ্যালবাম প্রকাশ করেছেন এবং প্রায় ১,৫০০টির বেশি চলচ্চিত্রের গানে কণ্ঠ দিয়েছেন।<ref>{{Cite web |title=Mortoza Polash, A rewarding Entrepreneur and a Verified musical artist in Bangladesh |url=https://thebangladeshtoday.com/?p=57992 |website=The Bangladesh Today}}{{dead link|date=December 2025}}</ref>
পলাশ ১৯৯০-এর দশকে ‘অরবিট’ নামক একটি সঙ্গীত ব্যান্ডের মাধ্যমে তার কর্মজীবন শুরু করেন। পরে তিনি তার প্রথম একক অ্যালবাম ''প্রেম আদ্রী'' প্রকাশ করেন। তিনি এ পর্যন্ত ৩৮টিরও বেশি একক অ্যালবাম প্রকাশ করেছেন এবং প্রায় ১,৫০০টির বেশি চলচ্চিত্রের গানে কণ্ঠ দিয়েছেন।<ref>{{Cite web |title=Mortoza Polash, A rewarding Entrepreneur and a Verified musical artist in Bangladesh |url=https://thebangladeshtoday.com/?p=57992 |website=The Bangladesh Today}}{{dead link|date=December 2025}}</ref>


২০০২ সালে প্রকাশিত তার গান ‘‘মা তুমি আমার আগে যেয়ো না মরে’’ (অ্যালবাম: ''ফল খেয়েই লোভেছে'') জাতীয়ভাবে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। গানটি পরে চলচ্চিত্র ''খোদার পরে মা''-তে ব্যবহৃত হলে তিনি ২০১২ সালে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ভূষিত হন।<ref>{{cite news |title=National Film Award 2012 announced |url=http://archive.newagebd.net/257158/national-film-award-2012-announced/ |work=New Age |date=8 February 2014}}</ref><ref>{{cite news |script-title=bn:পলাশের সেরা ৫ |url=https://www.kalerkantho.com/print-edition/ronger-mela/2019/09/26/819007 |newspaper=কালের কণ্ঠ |date=২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯}}</ref>{{failed verification|date=December 2025}}
২০০২ সালে প্রকাশিত তার গান ‘‘মা তুমি আমার আগে যেয়ো না মরে’’ (অ্যালবাম: ''ফল খেয়েই লোভেছে'') জাতীয়ভাবে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। গানটি পরে চলচ্চিত্র ''খোদার পরে মা''-তে ব্যবহৃত হলে তিনি ২০১২ সালে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ভূষিত হন।<ref>{{cite news |title=National Film Award 2012 announced |url=http://archive.newagebd.net/257158/national-film-award-2012-announced/ |work=New Age |date=8 February 2014}}</ref><ref>{{cite news |script-title=bn:পলাশের সেরা ৫ |url=https://www.kalerkantho.com/print-edition/ronger-mela/2019/09/26/819007 |newspaper=কালের কণ্ঠ |date=২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯}}</ref>


==গণমাধ্যমে স্বীকৃতি==
==গণমাধ্যমে স্বীকৃতি==

১৪:২২, ২৩ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে সংশোধিত সংস্করণ

মুরতজা পলাশ
জন্ম তারিখ (1978-10-25) ২৫ অক্টোবর ১৯৭৮ (বয়স ৪৭)
জন্মস্থান মানিকগঞ্জ, ঢাকা, বাংলাদেশ
পেশা
  • অভিনেতা
  • গায়ক
  • পরিচালক
  • প্রযোজক
  • উদ্যোক্তা
কর্মজীবন ২০০০–বর্তমান
পুরস্কার বাংলাদেশ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (২০১২ – শ্রেষ্ঠ পুরুষ কণ্ঠশিল্পী)


মুরতজা পলাশ (জন্ম: ২৫ অক্টোবর ১৯৭৮), যিনি আলী মুরতজা পলাশ নামেও পরিচিত, একজন বাংলাদেশি অভিনেতা, গায়ক, পরিচালক, প্রযোজক ও উদ্যোক্তা। তিনি চলচ্চিত্র খোদার পরে মা-এ তার অভিনয় ও সংগীতের জন্য সর্বাধিক পরিচিত। এ চলচ্চিত্রের জন্য তিনি ২০১২ সালে শ্রেষ্ঠ পুরুষ কণ্ঠশিল্পী বিভাগে বাংলাদেশ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন।[১][২]

কর্মজীবন

পলাশ ১৯৯০-এর দশকে ‘অরবিট’ নামক একটি সঙ্গীত ব্যান্ডের মাধ্যমে তার কর্মজীবন শুরু করেন। পরে তিনি তার প্রথম একক অ্যালবাম প্রেম আদ্রী প্রকাশ করেন। তিনি এ পর্যন্ত ৩৮টিরও বেশি একক অ্যালবাম প্রকাশ করেছেন এবং প্রায় ১,৫০০টির বেশি চলচ্চিত্রের গানে কণ্ঠ দিয়েছেন।[৩]

২০০২ সালে প্রকাশিত তার গান ‘‘মা তুমি আমার আগে যেয়ো না মরে’’ (অ্যালবাম: ফল খেয়েই লোভেছে) জাতীয়ভাবে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। গানটি পরে চলচ্চিত্র খোদার পরে মা-তে ব্যবহৃত হলে তিনি ২০১২ সালে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ভূষিত হন।[৪][৫]

গণমাধ্যমে স্বীকৃতি

বাংলাদেশের ইংরেজি ও বাংলা গণমাধ্যমে মুরতজা পলাশকে একজন বহুমাত্রিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। তাকে ব্যবসায়ী, সঙ্গীতশিল্পী, আধ্যাত্মিক চিন্তাবিদ ও সমাজসেবক হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।[৬][৭][৮]

উদ্যোক্তা কার্যক্রম

২০১৩ সালে পলাশ ‘‘জেপি গ্রুপ’’ নামে একটি বহুজাতিক শিল্পগোষ্ঠী প্রতিষ্ঠা করেন। এই গ্রুপ রিয়েল এস্টেট, ফ্যাশন, শিক্ষা, মৎস্য, গণমাধ্যম, কৃষি ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। বাংলাদেশ ছাড়াও দুবাই ও সিঙ্গাপুরে এ গ্রুপের কার্যক্রম রয়েছে।[৯]

সাংস্কৃতিক সংরক্ষণ

২০২৪ সালে তিনি ‘‘Mortoza Polash: Where Heritage Meets Harmony’’ শিরোনামে একটি সংগীত প্রকাশ করেন, যা Joy Pagol Multimedia ব্যানারে মুক্তি পায়। দুবাইয়ে গানটির উদ্বোধন করা হয় এবং এটিকে উনবিংশ শতাব্দীর বাংলা আধ্যাত্মিক সংগীতের পুনরুজ্জীবন হিসেবে প্রচার করা হয়।[১০]

শিক্ষা

পলাশ শিবালয় সরকারি বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং তেরশ্রী ডিগ্রি কলেজ থেকে এইচএসসি সম্পন্ন করেন। তিনি ২০০১ সালে দেবেন্দ্র কলেজ থেকে কলা বিভাগে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন।

পুরস্কার

টেমপ্লেট:BLP unsourced section

তথ্যসূত্র