মানচিত্রবিজ্ঞান: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য
নতুন পাতা ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা উচ্চতর মোবাইল সম্পাদনা |
সম্পাদনা সারাংশ নেই ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা উচ্চতর মোবাইল সম্পাদনা |
||
| ১ নং লাইন: | ১ নং লাইন: | ||
[[ | [[File:Claudius Ptolemy- The World.jpg|thumb|300px|১৪৮২ সালে জোহানেস শ্নিটজার কর্তৃক অঙ্কিত একটি মানচিত্র। এটি [[টলেমি|টলেমির]] ''[[Geography (Ptolemy)|ভূগোল]]'' গ্রন্থে দেওয়া স্থানাঙ্কের ভিত্তিতে তৈরি করা হয়।]] | ||
'''মানচিত্রাঙ্কনবিদ্যা''' বা '''মানচিত্রনির্মাণবিদ্যা''' ({{lang-en|cartography}}) হলো [[মানচিত্র]] তৈরি ও ব্যবহারের বিদ্যা। এতে মানচিত্র তৈরির বিভিন্ন পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা ও গবেষণা করা হয়। | '''মানচিত্রাঙ্কনবিদ্যা''' বা '''মানচিত্রনির্মাণবিদ্যা''' ({{lang-en|cartography}}) হলো [[মানচিত্র]] তৈরি ও ব্যবহারের বিদ্যা। এতে মানচিত্র তৈরির বিভিন্ন পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা ও গবেষণা করা হয়। | ||
০৯:১৪, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণ

মানচিত্রাঙ্কনবিদ্যা বা মানচিত্রনির্মাণবিদ্যা (ইংরেজি: cartography) হলো মানচিত্র তৈরি ও ব্যবহারের বিদ্যা। এতে মানচিত্র তৈরির বিভিন্ন পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা ও গবেষণা করা হয়।
মানচিত্রাঙ্কনবিদ্যায় পৃথিবীর বিভিন্ন স্থান ও ভৌগোলিক তথ্যকে মানচিত্রের মাধ্যমে উপস্থাপন করা হয়। এর মাধ্যমে কোনো এলাকার অবস্থান, আকার, দূরত্ব ও বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য সহজে বোঝানো যায়।
মানচিত্রাঙ্কনবিদ্যায় বিজ্ঞান, শিল্প ও বিভিন্ন প্রযুক্তির ব্যবহার করা হয়। আধুনিক সময়ে মানচিত্র তৈরিতে কম্পিউটার, উপগ্রহ এবং ভৌগোলিক তথ্য ব্যবস্থা (জিআইএস) ব্যবহার করা হয়।
মানচিত্রাঙ্কনবিদ্যা ভূগোলের একটি গুরুত্বপূর্ণ শাখা। ভূগোলবিদেরা বিভিন্ন গবেষণা ও তথ্য উপস্থাপনের জন্য মানচিত্র ব্যবহার করেন।