মাত্রা

ভিকিটিয়া থেকে
কবুতর (আলোচনা | অবদান) কর্তৃক ০৯:৪৩, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখে সংশোধিত সংস্করণ ("right|thumb|400px|প্রথম চারটি স্থানিক মাত্রা সাধারণভাবে গণিতপদার্থবিজ্ঞানে '''মাত্রা''' বলতে কোন গাণিতিক দেশ বা বস্তুর ভেতরে অবস্থিত যে..." দিয়ে পাতা তৈরি)
(পরিবর্তন) ← পূর্বের সংস্করণ | সর্বশেষ সংস্করণ (পরিবর্তন) | পরবর্তী সংস্করণ → (পরিবর্তন)
চিত্র:Dimension levels.svg
প্রথম চারটি স্থানিক মাত্রা

সাধারণভাবে গণিতপদার্থবিজ্ঞানে মাত্রা বলতে কোন গাণিতিক দেশ বা বস্তুর ভেতরে অবস্থিত যেকোনও বিন্দুকে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করতে সর্বনিম্ন যতগুলি স্থানাঙ্কের প্রয়োজন হয়, সেই স্থানাঙ্কের সংখ্যাকে বোঝায়।[১][২] যেমন একটি সরলরেখা একমাত্রিক, কেননা এটি উপরে অবস্থিত কোনও বিন্দুকে সংজ্ঞায়িত করতে একটি মাত্র স্থানাঙ্কই যথেষ্ট। অপরদিকে একটি তলের উপর কোন বিন্দুকে নির্দিষ্ট করতে দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ - এই দুই দিকের স্থানাঙ্ক জানা প্রয়োজন, তাই একটি তল দ্বিমাত্রিক। তেমনিভাবে একটি ঘনকের দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও উচ্চতা - তিনটিই আছে, একারণে তা ত্রিমাত্রিক। বস্তুত, আমরা যে বস্তুজগতে বাস করি স্থানিক বিবেচনায় তার পুরোটাই ত্রিমাত্রিক। তবে গাণিতিকভাবে বহুমাত্রিক (তিনের অধিক মাত্রা) স্থানকে সংজ্ঞায়িত করা যায় এবং এই ধারণাকে ব্যবহার করে জটিল গাণিতিক সমস্যার সমাধানও করা হয়। বিজ্ঞানে কোনো কোনো ক্ষেত্রে ২০টির বেশি মাত্রা থাকার সম্ভাবনার কথাও বলা হয়। ৪নং মাত্রাটি হলো সময়।

তথ্যসূত্র

  1. Curious About Astronomy Curious.astro.cornell.edu.
  2. MathWorld: Dimension Mathworld.wolfram.com.