কমিক্স

ভিকিটিয়া থেকে
কবুতর (আলোচনা | অবদান) কর্তৃক ১৮:২০, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখে সংশোধিত সংস্করণ ("'''কমিক্স''' বা '''চিত্রকথা''' হলো এক ধরনের মাধ্যম যেখানে চিত্র এবং লেখার দ্বারা কোনো ভাবনা প্রকাশ করা হয়।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://en.oxforddictionaries.com/definition/comic|শিরোনাম=co..." দিয়ে পাতা তৈরি)
(পরিবর্তন) ← পূর্বের সংস্করণ | সর্বশেষ সংস্করণ (পরিবর্তন) | পরবর্তী সংস্করণ → (পরিবর্তন)

কমিক্স বা চিত্রকথা হলো এক ধরনের মাধ্যম যেখানে চিত্র এবং লেখার দ্বারা কোনো ভাবনা প্রকাশ করা হয়।[১] কমিক্স প্রায়ই ধারাবাহিকভাবে কয়েকটি প্যানেল বা চিত্রের রূপে থাকে। বিভিন্ন লৈখিক কৌশল যেমন কথার বেলুন, আখ্যান এবং ধ্বন্যাত্মক শব্দ কথোপকথন, বর্ণনা, বিভিন্ন আওয়াজকে নির্দেশ করে। প্যানেলের আকার এবং অলঙ্করণ বর্ণনায় গতি প্রদান করে। কার্টুনিং হলো কমিক্সের সবচেয়ে সাধারণ চিত্র তৈরির মাধ্যম। কমিক্সের বিভিন্ন রূপ হলো কমিক স্ট্রিপ, সম্পাদকীয় এবং কমিক বই। বিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে “গ্রাফিক নভেল” বা “চিত্র উপন্যাস”, “কমিক অ্যালবাম” এবং “টেনকোবন” জনপ্রিয়তা লাভ করেছে এবং একবিংশ শতাব্দীতে অনলাইন ওয়েবকমিক বিস্তৃতি লাভ করেছে।

কমিক্সের ইতিহাস একেক সংস্কৃতিতে একেক পথে অগ্রসর হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা এর প্রাথমিক ইতিহাস লাসকো গুহাচিত্র পর্যন্ত নির্ধারণ করেছেন। বিংশ শতাব্দীর শেষের মধ্যভাগের আগেই কমিক্স যুক্তরাষ্ট্র, পশ্চিম ইউরোপ (বিশেষ করে ফ্রান্স এবং বেলজিয়াম) এবং জাপানে জনপ্রিয়তা লাভ করে।

টেমপ্লেট:Wide image

উৎপত্তি এবং ঐতিহ্য

ইউরোপীয়, মার্কিন এবং জাপানি কমিক্সের ঐতিহ্য তিনটি ভিন্ন পথে অগ্রসর হয়েছে।টেমপ্লেট:Sfn ইউরোপীয় কমিক্সের যাত্রা শুরু হয় ১৮২৭ সালে সুইস কার্টুনিস্ট রোডলফ টোফারের মাধ্যমে এবং মার্কিন কমিক্সের উৎপত্তি রিচার্ড এফ. আউটকল্টের ১৮৯০ এর দশকের পত্রিকার কার্টুন স্ট্রিপ দ্য ইয়েলো কিডের মাধ্যমে বিবেচনা করা হয়। যদিও অনেক আমেরিকান এখন টোফারের অগ্রগামিতা স্বীকার করে।টেমপ্লেট:Sfnm

তথ্যসূত্র

উদ্ধৃত কর্ম

বই

টেমপ্লেট:Refbegin

  • লুয়া ত্রুটি মডিউল:উদ্ধৃতি/শনাক্তক এর 47 নং লাইনে: attempt to index field 'wikibase' (a nil value)।

'.






The Adventures of Obadiah Oldbuck Part III


'.




'.




'.