যান্ত্রিক শক্তি

ভিকিটিয়া থেকে
কবুতর (আলোচনা | অবদান) কর্তৃক ১০:৪০, ৬ মার্চ ২০২৫ তারিখে সংশোধিত সংস্করণ ("thumb|right| Internal [[force lines are denser near the hole, a common stress concentration]] '''যান্ত্রিক শক্তি''' হলো সেই শক্তি, যা কোনো বস্তু তার স্থির অবস্থান বা গতিশীল অবস্থার জন্য লাভ করে​। কাজেই, যান্ত্রিক শক্তিক..." দিয়ে পাতা তৈরি)
(পরিবর্তন) ← পূর্বের সংস্করণ | সর্বশেষ সংস্করণ (পরিবর্তন) | পরবর্তী সংস্করণ → (পরিবর্তন)
চিত্র:HoleForceLines.svg
Internal force lines are denser near the hole, a common stress concentration

যান্ত্রিক শক্তি হলো সেই শক্তি, যা কোনো বস্তু তার স্থির অবস্থান বা গতিশীল অবস্থার জন্য লাভ করে​। কাজেই, যান্ত্রিক শক্তিকে দুইভাগে প্রধানত বিভক্ত করা যায়। যথা- স্থিতিশক্তি ও গতি শক্তি। স্থিতি শক্তির উদাহরণ হল ইট উপরে উঠানো বা গুলতি দিয়ে আম পারা। গতি শক্তি এর উদাহরণ হল দৌড়ানো বা গাড়ি চালানো।

সাধারণ

শক্তি হলো একটি স্কেলার রাশি এবং যান্ত্রিক শক্তি হলো গতি শক্তি এবং বিভব শক্তির যোগফল : <math display="block">E_\text{mechanical}=U+K</math>

বিভব শক্তি ' U মাধ্যাকর্ষণ বা অন্য কোনো বল দ্বারা অধীনস্থ বস্তুর অবস্থানের উপর নির্ভর করে । কোনো বস্তুর মহাকর্ষীয় বিভব শক্তি বস্তুর ওজন W-এর সমান । কাজেই কোনো ওজন W এবং বস্তুটি পৃথিবী পৃষ্ঠ থেকে h উচ্চতায় অবস্থান করলে: <math display="block">W=Fh</math>

বিভব শক্তি

স্বাভাবিক অবস্থান বা অবস্থা থেকে পরিবর্তন করে কোনো​ বস্তুকে অন্য কোনো​ অবস্থান বা অবস্থায় আনলে বস্তু কাজ করার যে সামর্থ্য অর্জন করে, তাকে বিভব শক্তি বলে। যেমন, টেবিলের উপর রাখা একটি বই একটু সরিয়ে দিলে বইয়ের মাঝে বিভব শক্তি জমা হবে। একে স্থিতি শক্তিও বলা হয়ে থাকে।

গতি শক্তি

কোন গতিশীল বস্তু তার গতির জন্য কাজ করার যে সামর্থ্য লাভ করে, তাকে গতি শক্তি বলে। যেমন, একটি চলমান বাইসাইকেল কোনো ভ্যানকে ধাক্কা দিলে ভ্যান একটু হলেও সরে যাবে। এর কারণ সেই সাইকেলে জমা হওয়া গতি শক্তি।

তথ্যসূত্র

মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই (অধ্যায়-৪; পৃষ্ঠা ১০০থেকে১০৬)