দ্বীপ

কবুতর (আলোচনা | অবদান) কর্তৃক ০৯:১১, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখে সংশোধিত সংস্করণ ("right|thumb|[[ফিজির একটি দ্বীপ]] thumb|An island in the [[Seine river (France)]] thumb|[[Ko Samui|Samui island, Surat Thani, Thailand]] [[চিত্র:Small Island in Lower Saranac Lake.jpg|thumb|A small island in [[Lower Saranac Lake]..." দিয়ে পাতা তৈরি)
(পরিবর্তন) ← পূর্বের সংস্করণ | সর্বশেষ সংস্করণ (পরিবর্তন) | পরবর্তী সংস্করণ → (পরিবর্তন)

চারিদিকে পানি বা জল দ্বারা পরিবেষ্টিত ভূখণ্ডকে দ্বীপ বলা হয়। নিকটবর্তী একাধিক দ্বীপের গুচ্ছকে দ্বীপপুঞ্জ বলা হয়।

ফিজির একটি দ্বীপ
চিত্র:Ile du Berceau Samois-sur-Seine.jpg
An island in the Seine river (France)
চিত্র:KoSamuiNaThonFromJungle OwlofDoom.jpg
Samui island, Surat Thani, Thailand
চিত্র:Small Island in Lower Saranac Lake.jpg
A small island in Lower Saranac Lake in the Adirondacks in the U.S.

দ্বীপ প্রধানত দুই রকমের হয়—মহাদেশীয় দ্বীপ এবং মহাসাগরীয় দ্বীপ।এছাড়া কৃত্রিম দ্বীপও রয়েছে। মহাদেশীয় দ্বীপ হল মহাদেশের কোনো অংশ সমুদ্রের পানিতে ডুবে গিয়ে কিছু অংশ যদি স্থল দেখা যায় সেটা।আর মহাসাগরেরর মাঝে, স্থলের সংযোগ নাই এমন দ্বীপ হল মহাসাগরীয় দ্বীপ।

দ্বীপ শব্দটির উৎপত্তি হলো "দুই দিকে অপ (পানি) যার", অর্থাৎ চতুর্দিকে পানি বা জল বেষ্টিত ভূখণ্ড হতে।

নানাভাবে দ্বীপ সৃষ্টি হতে পারে, যেমন পলি সঞ্চিত হয়ে, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত থেকে, অথবা প্রবাল সঞ্চিত হয়ে। অস্ট্রেলিয়া মহাদেশকে অনেক সময় বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ বলা হয়। এর পরেই রয়েছে গ্রিনল্যান্ড। বাংলাদেশের সেন্ট মার্টিন্স দ্বীপ একটি প্রবাল দ্বীপ। বাংলাদেশের বৃহত্তম দ্বীপ হলো ভোলা দ্বীপ