জর্জিয়া পূর্ব ইউরোপপশ্চিম এশিয়ার সংযোগস্থলে অবস্থিত একটি দেশ। এটি ককেশাস পর্বত অঞ্চলের অংশ। এর পশ্চিমে কৃষ্ণসাগর, উত্তরে রাশিয়া, দক্ষিণ-পশ্চিমে তুরস্ক, দক্ষিণে আর্মেনিয়া এবং দক্ষিণ-পূর্বে আজারবাইজান রয়েছে।

"দেশের নাম"
রাজধানী তিবিলিসি
সবচেয়ে বড় শহর তিবিলিসি
সরকারি ভাষা জর্জীয় ভাষা
এলাকা (বর্গ কিমি) 69700
জনসংখ্যার অনুমান ৩.৭ মিলিয়ন ({{{population_estimate_year}}})
মুদ্রা জর্জিয়ান লারি
কলিং কোড +995

দেশটির আয়তন ৬৯,৭০০ বর্গ কিলোমিটার এবং জনসংখ্যা প্রায় ৩.৭ মিলিয়ন। রাজধানী ও সবচেয়ে বড় শহর হলো তিবিলিসি, যেখানে এক-তৃতীয়াংশ জনসংখ্যা বাস করে।

জর্জিয়ার জনপ্রিয় স্কি রিসোর্ট গুদৌরি

ইতিহাস

প্রাচীনকালে জর্জিয়ায় কোলচিইবেরিয়া নামে রাজ্য ছিল। চতুর্থ শতকে খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করে তারা। এই ধর্ম তাদের একত্র করে একটি ঐক্যবদ্ধ জাতি গঠনে সাহায্য করে।

চতুর্থ ডেভিডরানী তামার এর শাসনামলে দ্বাদশ ও ত্রয়োদশ শতকে জর্জিয়ার "স্বর্ণযুগ" ছিল। এরপর এটি মঙ্গোল, তুর্কিপারস্যের শাসনের অধীনে যায়।

১৭৮৩ সালে জর্জিয়া রাশিয়ার সঙ্গে চুক্তি করে। ১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লবের পর দেশটি স্বল্প সময়ের জন্য স্বাধীনতা লাভ করে। পরে সোভিয়েত ইউনিয়ন জর্জিয়াকে ১৯২২ সালে দখল করে।

১৯৯১ সালে জর্জিয়া স্বাধীনতা লাভ করে। স্বাধীনতার পর দেশটি রাজনৈতিক সমস্যা, জাতিগত দ্বন্দ্ব এবং আবখাজিয়াদক্ষিণ ওশেটিয়া নিয়ে সমস্যা মোকাবিলা করে।

আধুনিক যুগ

২০০৩ সালের গোলাপ বিপ্লব-এর পর জর্জিয়া পশ্চিমা বিশ্বের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলে। ইউরোপীয় ইউনিয়নন্যাটোতে যোগদানের চেষ্টা শুরু করে। এই কারণে রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ হয় এবং ২০০৮ সালে রুশ-জর্জীয় যুদ্ধ হয়।

সরকার ও অর্থনীতি

জর্জিয়া একটি প্রতিনিধিত্বমূলক গণতান্ত্রিক দেশ। এটি সংসদীয় প্রজাতন্ত্র হিসেবে পরিচালিত হয়। স্বাধীনতার পর অর্থনৈতিক সংস্কার হয়েছে, যা দারিদ্র্য ও দুর্নীতি কমাতে সাহায্য করেছে।

জর্জিয়া গাঁজাকে বৈধতা দিয়েছে, এবং এটি এমন প্রথম সাবেক সমাজতান্ত্রিক দেশ। দেশটি উন্নত মানব উন্নয়ন সূচক বিশিষ্ট একটি উন্নয়নশীল রাষ্ট্র।

আন্তর্জাতিক সংস্থা

জর্জিয়া অনেক আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্য, যেমন:

আরও দেখুন

তথ্যসূত্র

বহিঃসংযোগ