শাহারিয়ার খান আনাস

শাহারিয়ার খান আনাস (জন্ম: ১৪ অক্টোবর ২০০৭ - মৃত্যু: ৫ আগস্ট ২০২৪) ছিলেন বাংলাদেশের একজন শিক্ষার্থী ও কোটা সংস্কার আন্দোলনের সক্রিয় কর্মী। পুরান ঢাকার গেন্ডারিয়ায় অবস্থিত আদর্শ একাডেমি গেন্ডারিয়ার দশম শ্রেণির ছাত্র ছিলেন তিনি। ৫ আগস্ট ২০২৪, বাবা-মায়ের উদ্দেশ্যে বিদায়ী চিঠি লিখে কোটা সংস্কার আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেন এবং ঢাকার চানখাঁরপুল এলাকায় পুলিশের গুলিতে শহীদ হন তিনি। মৃত্যুর পর তার লেখা চিঠিটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয় এবং হত্যাকারীর বিচারের দাবিতে সারাদেশে মানুষ ফুঁসে ওঠে।[১][২]

শাহারিয়ার খান আনাস
জন্ম তারিখ টেমপ্লেট:Birth date
জন্মস্থান গেণ্ডারিয়া, ঢাকা, বাংলাদেশ
মৃত্যু তারিখ টেমপ্লেট:Death date and age
মৃত্যুর স্থান চানখাঁরপুল, ঢাকা, বাংলাদেশ
জাতীয়তা বাংলাদেশী
পেশা শিক্ষার্থী
মাতৃশিক্ষায়তন আদর্শ একাডেমি গেন্ডারিয়া

ব্যক্তিগত জীবন ও শিক্ষা

শাহারিয়ার খান আনাস পুরান ঢাকার গেন্ডারিয়ায় অবস্থিত আদর্শ একাডেমি গেন্ডারিয়ার দশম শ্রেণির ছাত্র ছিলেন। তার পিতা সাহরিয়া খান একজন ব্যবসায়ী এবং তার মাতা সানজিদা খান দিপ্তী গৃহিণী। বাবা-মায়ের তিন সন্তানের মধ্যে আনাস ছিলেন সবার বড়। তার ছোট দুই ভাই পাঁচ বছর বয়সী সাফওয়ান ও দুই বছর বয়সী সুফিয়ান। ঢাকার গেণ্ডারিয়া এলাকার দীননাথ সেন রোডে পরিবারসহ ভাড়া বাসায় থাকতেন তিনি।[৩][৪]

২০২৪ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনে তার ভূমিকা ও মৃত্যু

কোটা সংস্কার আন্দোলনে শুরু থেকেই অংশগ্রহণ করেন আনাস। মা-বাবার বাধার মুখেও আন্দোলনে যোগ দেন তিনি। ৫ আগস্ট ২০২৪, মায়ের কাছে মর্মস্পর্শী ভাষায় একটি চিঠি লিখে আন্দোলনে অংশ নেন। সেদিন দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ সংলগ্ন চানখাঁরপুল এলাকায় পুলিশের গুলিতে তিনি গুলিবিদ্ধ হন। বুকে এবং মাথায় তিনটি বুলেট লেগে শাহাদাত বরণ করেন। পরে ঢাকা মিটফোর্ড হাসপাতাল থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয় এবং তাকে জুরাইন কবরস্থানে দাফন করা হয়। তার মৃত্যুর পর লেখা চিঠিটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে।[৫][৬][৭]

কিংবদন্তি

শহিদ শাহারিয়ার খান আনাসের স্মরণে পুরান ঢাকার গেণ্ডারিয়ার দীননাথ সেন রোডের নাম পরিবর্তন করে "শহীদ আনাস সড়ক" রাখা হয়েছে।[৮]

তথ্যসূত্র