সাকিব আল হাসান (জন্ম: ২৪ মার্চ ১৯৮৭) একজন সাবেক বাংলাদেশী আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার, যিনি বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের হয়ে টেস্ট, ওডিআই এবং টি২০আই খেলেছেন।টেমপ্লেট:Efn তিনি মাগুরা-১ আসনের একজন সাবেক সংসদ সদস্যটেমপ্লেট:Efn তিনি তার আক্রমণাত্মক বামহাতি ব্যাটিং এবং নিয়ন্ত্রিত বামহাতি অর্থোডক্স স্পিন বোলিংয়ের জন্য পরিচিত।টেমপ্লেট:Efn তিনি বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের তিন ফরম্যাটেই অধিনায়কত্ব করেছেন। ২০১৯ সালে ইএসপিএন তাকে বিশ্বের ৯০তম বিখ্যাত ক্রীড়াবিদ হিসেবে স্থান দেয়। তাকে ব্যাপকভাবে বাংলাদেশের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ক্রীড়াবিদ এবং বিশ্বের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার হিসেবে গণ্য করা হয়।টেমপ্লেট:Efn

সাকিব আল হাসান ২০০৭ সালে ভারতের বিপক্ষে টেস্টে অভিষেক করেন। ২০০৮ সালে চট্টগ্রামে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্টে ৭ উইকেট নিয়ে তিনি আলোচনায় আসেন, যা তৎকালীন সময়ে কোনো বাংলাদেশি বোলারের সেরা বোলিং ফিগার ছিল। ২০১৬ সালে তিনি ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট জয়ী দলের অধিনায়কত্ব করেন।[১] ওডিআইতে সাকিব ৬,০০০-এর বেশি রান এবং ২৭০-এর বেশি উইকেট নিয়েছেন এবং ইতিহাসে দ্রুততম খেলোয়াড় হিসেবে ৫,০০০ রান ও ২৫০ উইকেটের ডাবল অর্জন করেন।[২] ২০১২ এশিয়া কাপে সাকিব ২৩৭ রান এবং ছয় উইকেট নিয়ে টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন।[৩] ২০১৯ আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপে তিনি ৬০৬ রান করে টুর্নামেন্টের গ্রুপ পর্বে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড গড়েন, যা পূর্বে শচীন তেন্ডুলকরের দখলে ছিল।[৪]

তিনি কলকাতা নাইট রাইডার্স-এর হয়ে ২০১২ ও ২০১৪ সালে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) জিতেছেন এবং বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) তিনবার শিরোপা জিতেছেন। তিনি রেকর্ড চারবার বিপিএলের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন। সাকিব তার ক্যারিয়ারে ৪১টি ম্যান-অব-দ্য-ম্যাচ এবং ১৬টি ম্যান-অব-দ্য-সিরিজ পুরস্কার জিতেছেন। ২০০৯ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে তিনি তিন ফরম্যাটে ১২০টি ম্যাচে বাংলাদেশ দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। সাকিব তার ক্যারিয়ারে বিভিন্ন বিতর্কের জন্যও সংবাদ শিরোনাম হয়েছেন।[৫]

সাকিব আল হাসান বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে ২০২৪ সালের জানুয়ারির নির্বাচনে মাগুরা-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।[৬] তবে, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ছাত্র–জনতার অভ্যুত্থানের সময় তিনি দেশের বাইরে (কানাডায়) ছিলেন এবং আন্দোলনে তার নীরব ভূমিকার জন্য দেশে-বিদেশে ব্যাপক সমালোচিত হন।[৭] ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর সংসদ বিলুপ্ত করা হলে তিনি তার সংসদ সদস্য পদ হারান।

পরবর্তীতে, সাকিব তার নীরবতার জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্ষমা প্রার্থনা করেন এবং আন্দোলনে নিহত ছাত্রদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। তিনি উল্লেখ করেন যে, তার রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা মূলত নিজ শহর মাগুরার উন্নয়নের উদ্দেশ্যে ছিল।[৮]

তথ্যসূত্র