পুরাণ
| পুরাণ | |
|---|---|
| ক্ষেত্র | ধর্ম, সাহিত্য, ইতিহাস |
| বিষয় | পুরাণসমূহ, দেবতা, সংস্কৃতি |
| Edit | see template |
পুরাণ (ইংরেজি: Purana) হলো হিন্দু ধর্মের প্রাচীন গ্রন্থসমূহ, যা ঐতিহ্য, ইতিহাস এবং বিভিন্ন দেবদেবীর কাহিনী বর্ণনা করে। এই গ্রন্থগুলো সাধারণত গাথা ও কাহিনীর আকারে রচিত, এবং এগুলোর মধ্যে প্রধানত পাঁচটি পুরাণের শ্রেণী রয়েছে: মহাপুরাণ, উপপুরাণ, এবং অন্যান্য।[১]
পুরাণের ইতিহাস
পুরাণের ইতিহাস খুব পুরনো, এবং এগুলো প্রায় ২০০ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ১২০০ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে রচিত হয়েছে। এগুলো ভিন্ন ভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ঋষি ও দার্শনিকদের দ্বারা লেখা হয়েছে।[২]
মৌলিক বিষয়সমূহ
পুরাণে কিছু মৌলিক বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত:
- দেবতাদের কাহিনী – বিভিন্ন দেবতার জন্ম, জীবন এবং কার্যকলাপের বর্ণনা।
- ঐতিহাসিক ঘটনা – প্রাচীন ভারতের ইতিহাসের বিবরণ।
- দর্শন ও আধ্যাত্মিকতা – জীবনের অর্থ এবং আধ্যাত্মিক শিক্ষা।[৩]
প্রধান পুরাণসমূহ
হিন্দু ধর্মে মোট ১৮টি মহাপুরাণের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু হলো:
- ভাগবত পুরাণ – কৃষ্ণের জীবনী এবং দর্শনের ব্যাখ্যা।
- শ্রীমদ্ভাগবত – ভগবান বিষ্ণুর কাহিনী।
- ব্রহ্মপুরাণ – সৃষ্টির কাহিনী এবং ধর্মীয় বিধান।[৪]
পুরাণের গুরুত্ব
পুরাণ শুধুমাত্র ধর্মীয় গ্রন্থ নয়, বরং এটি হিন্দু সংস্কৃতি, ইতিহাস, এবং দর্শনের একটি মৌলিক ভিত্তি। এই গ্রন্থগুলি মানুষের নৈতিকতা এবং সমাজের আদর্শ নির্ধারণে সাহায্য করে।[৫]