হৃদয় চন্দ্র তরুয়া

ভিকিটিয়া থেকে
Duyel (আলোচনা | অবদান) কর্তৃক ০০:২৪, ১২ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখে সংশোধিত সংস্করণ
(পরিবর্তন) ← পূর্বের সংস্করণ | সর্বশেষ সংস্করণ (পরিবর্তন) | পরবর্তী সংস্করণ → (পরিবর্তন)
হৃদয় চন্দ্র তরুয়া
জন্ম তারিখ টেমপ্লেট:Birth date
জন্মস্থান ঘটকের আন্দুয়া, মির্জাগঞ্জ উপজেলা, পটুয়াখালী জেলা, বাংলাদেশ
মৃত্যু তারিখ টেমপ্লেট:Death date and age
মৃত্যুর স্থান ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, ঢাকা, বাংলাদেশ
জাতীয়তা বাংলাদেশী
পেশা শিক্ষার্থী, আন্দোলনকারী
মাতৃশিক্ষায়তন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
পিতা-মাতা রতন চন্দ্র তরুয়া (পিতা), অর্চনা রানী (মাতা)

হৃদয় চন্দ্র তরুয়া (২০০২ - ২৩ জুলাই ২০২৪) ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী এবং কোটা সংস্কার আন্দোলনের একজন সক্রিয় কর্মী। ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই চট্টগ্রামের চাটগাঁ আবাসিক এলাকায় চলমান ছাত্র-জনতার আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে গুলিবিদ্ধ হন। পরবর্তীতে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৩ জুলাই তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর পর আন্দোলন আরও তীব্র আকার ধারণ করে। [১] [২]

ব্যক্তিগত জীবন

হৃদয় চন্দ্র তরুয়ার জন্ম পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার ঘটকের আন্দুয়া গ্রামে। তার পিতা রতন চন্দ্র তরুয়া একজন কাঠমিস্ত্রী এবং মাতা অর্চনা রানী একজন গৃহিণী। দুই ভাই-বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন ছোট। তার বড় বোন মিতু রানী বিবাহিত। তারা দীর্ঘদিন যাবত পটুয়াখালী শহরের মুন্সেফপাড়া এলাকায় বসবাস করতেন । [৩] [৪]

শিক্ষা

হৃদয় ২০১৮ সালে জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষায় এবং ২০২০ সালে সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হন। পরে তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগে ভর্তি হন। [৫] [৬]

২০২৪ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনে ভূমিকা ও মৃত্যু

হৃদয় চন্দ্র তরুয়া কোটা সংস্কার আন্দোলনের শুরু থেকেই দাবী আদায়ে সক্রিয় ছিলেন। পাশাপাশি ফেসবুকে আন্দোলনের সমর্থনে বিভিন্ন পোস্ট দিয়েছেন। গণমাধ্যমে প্রকাশিত একটি ছবিতে দেখা যায় আন্দোলন চলাকালে একটি প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়ে আছেন হৃদয়। যেখানে লেখা ছিল, “কোটা রেখে কলম ধর, নিজের বীরত্ব প্রকাশ কর।” [৭] }}আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়ে তিনি প্রতিনিয়ত কর্মসূচীতে অংশগ্রহণ করতে থাকেন। যথারীতি ১৮ জুলাই দুপুরে চট্টগ্রামের বহদ্দারহাটে হৃদয় তার বন্ধুদের সাথে আন্দোলনে যোগ দেন। কিছুক্ষণ পর পুলিশ, বিজিবির সঙ্গে শিক্ষার্থীদের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া শুরু হয়। একপর্যায়ে ছাত্রলীগের ছোড়া গুলিতে বুকে গুলিবিদ্ধ হন তিনি। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে পার্কভিউ হাসপাতালে নিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজে নেয়া হয় তাকে। ২৩ জুলাই সেখানেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। [৮] [৯]

তথ্যসূত্র