জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক বস্তু
টেমপ্লেট:বাংলা নয় জ্যোতির্বিজ্ঞানের আলোচ্য মহাবিশ্বজুড়ে নির্দিষ্ট পথে ঘূর্ণায়মান বা চলমান সব ধরনের বস্তুকে জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক বস্তু (Astronomical Objects) বা খ-বস্তু (Celestial Objects) বলে। পৃথিবীসহ পৃথিবীর বাইরে মহাশূন্যে অবস্থিত সব বস্তুই এর অন্তর্ভুক্ত।[১] খ-বস্তুগুলির সাথে ঘনিষ্ঠ আরেকটি ধারণা হল জ্যোতিষ্ক, তবে দুইটি একই বস্তু নির্দেশ করে না; পৃথিবী ব্যতীত অন্যান্য সব খ-বস্তুকে জ্যোতিষ্ক (Celestial Bodies) বলা হয়।
ছায়াপথ বা তার চেয়ে বড় মাপের জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক বস্তু
মহাবিশ্বকে একটি উচ্চ-থেকে-নিম্ন মাপের ক্রমে বিন্যাসযোগ্য কতগুলি উপাদানের একটি সমবায় হিসেবে দেখা যায়।[২] সবচেয়ে বড় মাপনীতে এই সমবায়ের মৌলিক উপাদান হল ছায়াপথ। ছায়াপথগুলিকে দল ও স্তবকে সংগঠিত করা যায়, যেগুলি আবার প্রায়শই কোনও অতিস্তবকের ভেতরে অবস্থান করে। অতিস্তবকগুলি আবার বিশাল বিশাল সব সূত্রের মধ্যে অবস্থিত, যেগুলি মহাবিশ্বের প্রায় ফাঁকা শূন্যস্থানগুলিকে সীমায়িত করেছে এবং সমগ্র পর্যবেক্ষণযোগ্য মহাবিশ্বব্যাপী একটি জালিকা তৈরি করেছে।[৩]
ছায়াপথগুলি বিচিত্র রূপের হয়ে থাকে। গঠন ও বিবর্তনের ইতিহাসের উপর ভিত্তি করে এগুলি অনিয়মিত ছায়াপথ, উপবৃত্তাকার ছায়াপথ, চাকতি ছায়াপথ, ইত্যাদি বিভিন্ন আকৃতি ধারণ করতে পারে এবং অন্যান্য ছায়াপথের সাথে আন্তঃক্রিয়ার ফলে ছায়াপথের একীভবন ঘটতে পারে।[৪] চাকতি ছায়াপথগুলিকে আবার মসূরাকার ছায়াপথ (দ্বি-উত্তল ছায়াপথ) এবং কুণ্ডলাকার ছায়াপথ এই দুই প্রকারের ছায়াপথে ভাগ করা যায়। কুণ্ডলাকার ছায়াপথগুলির বিশেষ বৈশিষ্ট্য, যেমন কুণ্ডলাকার বাহু এবং আভা থাকতে পারে। বেশিরভাগ ছায়াপথের কেন্দ্রে একটি অত্যুচ্চ ভরবিশিষ্ট কৃষ্ণগহ্বর থাকে, যা একটি সক্রিয় ছায়াপথ কেন্দ্রের জন্ম দিতে পারে। ছায়াপথগুলির পরিসীমায় বামন ছায়াপথ ও বর্তুলাকার স্তবক থাকতে পারে।[৫]
একটি ছায়াপথের অভ্যন্তভাগ
অবস্থান অনুসারে শ্রেণিবিন্যাস
জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক বস্তুসমূহ
| সৌরজগৎ | সৌরজগৎ-বহির্ভূত বস্তুসমূহ | ||
|---|---|---|---|
| সরল বস্তুসমূহ | যৌগিক বস্তুসমূহ | প্রসারিত বস্তুসমূহ | |
|
|
||