সৌদি আরব

কবুতর (আলোচনা | অবদান) কর্তৃক ১৭:০৯, ৬ মার্চ ২০২৫ তারিখে সংশোধিত সংস্করণ ("{{উইকিউপাত্ত স্থানাঙ্ক}} {{তথ্যছক রাষ্ট্র | conventional_long_name = <span style="line-height:1.33em;">সৌদি আরব রাজ্য</span> | native_name = <span style="line-height:1.33em;">{{lang|a|المملكة العربية السعودية }}<br />''আল-মামলেকা আল-আরবিয়া আ'স-সৌদিয়া''</span> | common_name = সৌদ..." দিয়ে পাতা তৈরি)

টেমপ্লেট:উইকিউপাত্ত স্থানাঙ্ক টেমপ্লেট:তথ্যছক রাষ্ট্র

সৌদি আরব, সরকারিভাবে সৌদি আরব সাম্রাজ্য (টেমপ্লেট:Lang-ar) মধ্যপ্রাচ্যের একটি সার্বভৌম আরব রাষ্ট্র। ২১,৫০,০০০ বর্গ কিমি আয়তনের এদেশটি এশিয়ার সবচেয়ে বড় আরব দেশ এবং আলজেরিয়ার পরে আরব বিশ্বে দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ এবং কাজাখস্তান ও আলজেরিয়ার পর আয়তনে মুসলিম বিশ্বের ৩য় বৃহৎতম দেশ। সৌদি আরবের উত্তরে জর্দান ও ইরাক, উত্তরপূর্বে কুয়েত ,পূর্বে কাতার, বাহরাইন এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত অবস্থিত, দক্ষিণ-পূর্বে ওমান ও দক্ষিণে ইয়েমেন অবস্থিত।

সৌদি আরব মূলত ৫টি আমিরাতে/রাজ্য বিভক্ত। মধ্যাঞ্চলীয় আরব নজদ, উত্তরাঞ্চলীয় আরব আরার, দক্ষিণাঞ্চলীয় আরব আসির, পূর্বাঞ্চলীয় আরব আহসা ও পশ্চিমাঞ্চলীয় আরব হেজাজ। আবদুল আজিজ ইবনে সৌদ ১৯৩২ সালে এই ৫টি রাজ্য দখল করে সৌদি আরবে সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯০২ সালে নজদ, ১৯১৩ সালে আহসা, ১৯২১ সালে আরার, ১৯২৫ সালে হেজাজ ও ১৯৩০ সালে আসির এই ৫টি রাজতান্ত্রিক দেশ দখল করে সৌদি আরব সাম্রাজ্য গঠন করে। দেশটি পুরোপুরি রাজতান্ত্রিক পদ্ধতিতে পরিচালিত হয় এবং আইনের ক্ষেত্রে ইসলামি আইনের অনুসরণ করা হয়। ইসলামের দুই পবিত্র মসজিদ মসজিদুল হারাম ও মসজিদে নববীর কারণে সৌদি আরবকে দুই পবিত্র মসজিদের দেশ বলা হয়। দেশটিতে ৩,৪৭,৬০,০০০ জন বাস করে যার মধ্যে আড়াই কোটি সৌদি আর ৯৭,৬০,০০০ জন বিদেশী।টেমপ্লেট:Citation needed পৃথিবীর অন্যতম প্রধান সর্বোচ্চ তেল উৎপাদন ও রপ্তানিকারক এবং পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম হাইড্রোকার্বন মজুদকারি দেশ।টেমপ্লেট:Citation needed এই তেলের কারণে দেশটির অর্থনীতি যেমন বাড়ছে তেমনিভাবে এর মানব সম্পদ উন্নয়ন সূচকেও উপরের দিকে। তাছাড়াও একমাত্র আরব দেশ হিসেবে জি-২০ প্রধান অর্থনৈতিক শক্তির সদস্য। দেশটি তার অর্থনীতিকে কর্পোরেশন কাউন্সিল ফর দ্য আরব স্টেটস অব দ্য গালফ (জিসিসি) এর মধ্যে ডাইভারইসিফাইড করছে। পৃথিবীর চতুর্থ সর্বোচ্চ সামরিক খরচ বহনকারী দেশ সৌদি আরব।টেমপ্লেট:Citation needed দেশটিকে মধ্যপ্রাচ্যের ক্ষমতাধর দেশ হিসেবে ধরা হয়। সৌদি আরব জিসিসি, জাতিসংঘ ওআইসি ও ওপেক এর সদস্য।

রাজনীতি

চিত্র:সালমান বিন আব্দুল আজিজ আল সৌদ.jpg
সৌদি আরবের বাদশাহ সালমান

সৌদি আরব রাজতান্ত্রিক দেশ। এজন্য যেকোনো ধরনের রাজনৈতিক সংগঠন কিংবা জাতীয় নির্বাচন এদেশে নিষিদ্ধ।[১] ১৯৯২ সালে রাজকীয় ফরমান জারির মাধ্যমে গৃহীত মৌলিক আইন অনুযায়ী রাজাকে অবশ্যই শরিয়া (ইসলামি আইন) এবং কোরআন মেনে শাসন করতে হবে। এই আইনে কোরআন এবং সুন্নাহকে সৌদি আরবের সংবিধান হিসাবে গৃহীত হয়।[২] অধিকাংশ সমালোচকদের মতে সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা স্বৈর-একনায়কতান্ত্রিক। দি ইকোনমিস্ট প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে সৌদি আরব সরকারকে পৃথিবীর পঞ্চম সর্বোচ্চ স্বৈরাচারী সরকার হিসেবে উল্লেখ করা হয়। ২০১২ সালে পত্রিকাটির ডেমক্রেসি ইনডেক্সে প্রকাশিত এই প্রতিবেদনে আরও ১৬৭টি দেশের নাম উল্লেখিত হয়েছিল। ফ্রিডম হাউস নামক অপর একটি পত্রিকা ২০১৩ সালে দেশটিকে সর্বনিম্ন রেটিং ৭ দিয়েছে, যার অর্থ সৌদি আরবে সাধারণ জনগণ "মুক্ত নয়"। অবশ্য প্রথা অনুযায়ী ঐতিহ্যবাহী গোত্রীয় সম্মেলন মজলিসে প্রাপ্ত বয়স্ক যেকোনো ব্যক্তি বাদশাহর কাছে আবেদন করতে পারে।[৩]

জীবনযাত্রা

সৌদি নাগরিকদের জীবনযাত্রার মান উন্নত। শিক্ষার হার প্রায় ৮০.৫ শতাংশ।টেমপ্লেট:Citation needed নাগরিকেরা বিলাসবহুল জীবন যাপন করেন। ২০১৮ সালে রাশিয়ায় অনুষ্ঠিত ফিফা বিশ্বকাপে সৌদি ফুটবল দল অংশগ্রহণ করে। সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী অপরাধের হার প্রায় শূন্য।টেমপ্লেট:Citation needed আইন প্রয়োগে ইসলামি শরিয়াহ অবলম্বন করা হয়।

প্রশাসনিক অঞ্চলসমূহ

টেমপ্লেট:মূল নিবন্ধ

অঞ্চল রাজধানী আয়তন(বর্গ কিমি) জনসংখ্যা
ইস্টার্ন প্রভিন্স রিয়াদ ৬৭২,৫২২ ৪,১০৫,৭৮০

দেশের বেশির ভাগ অঞ্চলই মরুভূমি। দেশের সবচেয়ে বড় মরুভূমির নাম "রুব আল-খালী"।টেমপ্লেট:Citation needed যার পশ্চিমাংশ উর্বর।

অর্থনীতি

সৌদি আরবের মূল অর্থনীতি পেট্রোলিয়াম ভিত্তিক; বাজেটে রাজস্ব মোটামুটি ৭৫% এবং রপ্তানি আয়ের ৯০% তেল শিল্প থেকে আসে।সৌদি আরবে সমগ্র বিশ্বের ভূ-ভাগের ২০% খনিজ তেলের মজুদ রয়েছে।পরিমাণে এটা ২৬ হাজার কোটি ব্যারেল।তেল ছাড়াও গ্যাস ও স্বর্ণ খনি।জিএনপি অনুসারে সৌদি আরব বিশ্বের শীর্ষ ধনী দেশের একটি।

জাপান, চীন , দক্ষিণ কোরিয়া ও ভারত থেকে দেশটির প্রধান আমদানি হয়ে থাকে। পরিবর্তে চীন , আমেরিকা ও আমিরাত এ দেশটি থেকে রপ্তানি হয়ে থাকে।

পোশাক

সৌদি নারীরা আবায়া, বোরকা, হিজাবসহ অন্যান্য শরিয়া সমর্থিত পোশাক পরেন। পুরুষেরা আলখাল্লা, জুব্বা, গুত্রা (মাথায় পরার আরব্য পোশাক) এবং টুপি পরিধান করেন। পোশাক পরিধানের ক্ষেত্রে ইসলামি শরিয়া মেনে চলা হয়। [৪]

ধর্ম

টেমপ্লেট:মূল নিবন্ধ

চিত্র:Siyer-i Nebi - Imam Ali und Hamza bei dem vorgezogenen Einzelkampf in Badr gegen die Götzendiener.jpg
বদরের যুদ্ধ, ১২৩ মার্চ ৬২৪ খ্রিস্টাব্দ

ইসলাম সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় ধর্ম। ইসলাম ও সৌদি আরবের মধ্যে যোগাযোগ (বা দেশের অন্ততপক্ষে পশ্চিমের হিজাজ অঞ্চল) অনন্য শক্তিশালী। এই রাজ্য, যাকে কখনও কখনও "ইসলামের বাড়ি" বলা হয়,[৫] তা হল মক্কা এবং মদিনার শহরগুলির অবস্থান, যেখানে ইসলামী ধর্মের দূত মুহাম্মদ (সাঃ) বসবাস করতেন এবং মৃত্যুবরণ করেন এবং এ স্থানটি বছরে কয়েক মিলিয়ন মুসলিম হজযাত্রীকে এবং হাজার হাজার আলেম এবং শিক্ষার্থীকে আকৃষ্ট করে, যারা মুসলিম বিশ্ব হতে এখানে পড়াশোনা করতে আসে। সৌদি আরবের রাজার সরকারী উপাধি হ'ল " দুটি পবিত্র মসজিদের রক্ষক" - এ দুটি মসজিদ হল মক্কার আল-মসজিদ আল হারাম এবং মদিনায় আল-মসজিদ আল-নববী -যাকে ইসলামের পবিত্রতম হিসাবে বিবেচনা করা হয়। [৬]

আঠারো শতকে, ইসলামী প্রচারক মুহাম্মদ ইবনে আবদ-ওহহাব এবং আঞ্চলিক আমির, মুহাম্মদ বিন সৌদের মধ্যে একটি চুক্তি প্রথমে নাজদ অঞ্চলে এবং তারপরে আরব উপদ্বীপে সুন্নি ইসলামের এক চূড়ান্ত পবিত্রতাবাদী চাপ নিয়ে আসে। সমর্থকদের দ্বারা " সালাফিবাদ " এবং অন্যরা " ওয়াহাবিবাদ " হিসাবে পরিচিত, ইসলামের এই ব্যাখ্যাটি রাষ্ট্রীয় ধর্ম এবং ইসলামের ব্যাখ্যা হয়ে ওঠে মুহাম্মদ বিন সৌদ এবং তার উত্তরসূরীদের দ্বারা ( আল সৌদ পরিবার), যিনি শেষ পর্যন্ত ১৯৩২ সালে আধুনিক সৌদি আরব রাজ্য তৈরি করেছিলেন। সৌদি সরকার তার পেট্রোলিয়াম রপ্তানি আয়ের কয়েক বিলিয়ন ডলার পুরো ইসলামী বিশ্বজুড়ে এবং অন্য কোথাও মসজিদ নির্মাণ, বই প্রকাশ, বৃত্তি ও ফেলোশিপ প্রদান,[৭] আন্তর্জাতিক ইসলামী সংগঠনগুলির হোস্টিং, এবং এর ইসলামের রূপ প্রচারে ব্যয় করেছে, কখনও কখনও যাকে উল্লেখ করা হয় "পেট্রো-ইসলাম" হিসাবে। [৮]

সালাফি/ওয়াহাবিরা সৌদি আরবের সংখ্যাগরিষ্ঠ। ওহাবী মিশন নাজদে দু'শো বছর ধরে প্রাধান্য পেয়েছে, তবে দেশের বেশিরভাগ অংশে - পূর্ব প্রদেশের হেজাজ, নাজরান - এটি মাত্র ১৯১৩-১৯২৫ সাল থেকেই আধিপত্য বিস্তার করেছে। [৯] ১৫ থেকে ২০ মিলিয়ন সৌদি নাগরিকদের বেশিরভাগ হলেন সুন্নি মুসলিম,[১০] পূর্ব অঞ্চলগুলি বেশিরভাগই বারো ইমামী শিয়া দ্বারা জনবহুল এবং দক্ষিণ অঞ্চলে জায়েদি শিয়া রয়েছে। [১১] বেশ কয়েকটি সূত্রের মতে, শুধুমাত্র সৌদি সম্প্রদায়ের একটি সংখ্যালঘু নিজেকে ওহাবী হিসাবে বিবেচনা করে, যদিও অন্যান্য উৎস অনুসারে, ওহাবী সম্পর্কিত সংস্থান ৪০% পর্যন্ত, এটি একটি অত্যন্ত প্রভাবশালী সংখ্যালঘু হিসাবে পরিণত হয়েছে, খুব কমপক্ষে ১৭ মিলিয়ন আদিবাসী জনসংখ্যার ব্যবহার করে "২০০৮-৯ এর অনুমান" অনুযায়ী। [১২][১৩][১৪] তদুপরি, পরবর্তী বৃহত্তম অধিভুক্তিটি সালাফিবাদের সাথে, যা ওয়াহাবিবাদের সমস্ত কেন্দ্রীয় নীতিগুলিকে অন্তর্ভুক্ত করে, এতে বেশ কয়েকটি ছোটখাটো অতিরিক্ত স্বীকৃত নীতি এই দুটিকে পৃথক করে। [তথ্যসূত্র প্রয়োজন] ভিকিটিয়া:তথ্যসূত্র প্রয়োজন

অমুসলিমদের দ্বারা অমুসলিম ধর্মীয় উপকরণ (যেমন বাইবেল ) বিতরণ সৌদি আরবে অমুসলিমদের দ্বারা ধর্ম প্রচার করা অবৈধ।

সংস্কৃতি

টেমপ্লেট:খালি অনুচ্ছেদ

আরও দেখুন

লুয়া ত্রুটি mw.title.lua এর 346 নং লাইনে: bad argument #2 to 'title.new' (unrecognized namespace name 'প্রবেশদ্বার')।

তথ্যসূত্র

  1. ↑ '.
  2. ↑ '.
  3. ↑ '.
  4. ↑ Abaya Not Mandatory for foreigners
  5. ↑ '.
  6. ↑ Rodenbeck, Max (অক্টোবর ২১, ২০০৪)। "Unloved in Arabia (Book Review)" (16)। 
  7. ↑ Kepel, Gilles (2002). Jihad: The Trail of Political Islam. trans. Anthony F. Roberts, p.72
  8. ↑ টেমপ্লেট:Harvard citation no brackets
  9. ↑ '.
  10. ↑ Saudi Arabia, Islam in The Oxford Dictionary of Islam.
  11. ↑ Saudi Arabia and the New Strategic Landscape - Page 30
  12. ↑ US Congress.
  13. ↑ Q&A with Stephen Schwartz on Wahhabism National Review Online.
  14. ↑ '.

বহিঃসংযোগ

টেমপ্লেট:দেশের নিবন্ধ টেমপ্লেট:এশিয়া