বাংলাদেশের আদমশুমারি ও গৃহগণনা ২০১১

ভিকিটিয়া থেকে
কবুতর (আলোচনা | অবদান) কর্তৃক ১০:০১, ৮ মার্চ ২০২৫ তারিখে সংশোধিত সংস্করণ ("{{তথ্যছক আদমশুমারি | name = আদমশুমারি ও গৃহগণনা ২০১১ | logo = | logo_caption = | image = | image_caption = | country = বাংলাদেশ | date = ১৫ — ১৯ মার্চ ২০১১ | population = ১৪,৯৭,৭২,৩৬৪ | percent_change = {{increase}} ১৪.৯৭% | region_type = বিভাগ | most_populous = {{nowrap|ঢাকা বি..." দিয়ে পাতা তৈরি)
(পরিবর্তন) ← পূর্বের সংস্করণ | সর্বশেষ সংস্করণ (পরিবর্তন) | পরবর্তী সংস্করণ → (পরিবর্তন)

টেমপ্লেট:তথ্যছক আদমশুমারি

আদমশুমারি ও গৃহগণনা ২০১১ বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত ৫ম আদমশুমারি, যা ১৫ মার্চ থেকে ১৯ মার্চ ২০১১ সালে ৫ দিন ব্যাপী অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ১০ বছর পর পর আদমশুমারি পরিচালনা করে থাকে। ২০১১ আদমশুমারি তিন পর্যায়ে সম্পন্ন হয়েছে— এক. মূল গণনা, দুই. পোস্ট এনুমারেশন চেক তিন. সাধারণ গণনা: একটি নির্দিষ্ট এলাকা যাচাই। ১৬ জুলাই ২০১১ সালে আদমশুমারির প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।[১] প্রতিবেদন অনুসারে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল ১৪,২৩,১৯,০০০ জন[২], জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১৪.৪% এবং বার্ষিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.৩৪%। ১৫ বছরের ঊর্ধ্ব নারী-পুরুষের স্বাক্ষরতা হার ছিল ৫৩.০%।

আদমশুমারি

যুগ্ম সচিব মোঃ শাহজাহান আলী মোল্লা ২০১১ আদমশুমারির মহাপরিচালক ছিলেন। পূর্বের মত এবারেও আদমশুমারির তথ্য ইংরেজিতে নথিভূক্ত করা হয়, যদিও তথ্য সংগ্রহের ভাষা ছিল বাংলা। ২০১১ সালে, বাংলাদেশভারত তাদের সীমান্ত এলাকায় প্রথম বারের মত যৌথভাবে আদমশুমারি পরিচালনা করে।[৩]

২০১১ আদমশুমারির প্রাথমিক ফল প্রকাশের প্রায় এক বছর পর ২০১২ সালের ১৬ জুলাই চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশিত হয়।[৪]

টেমপ্লেট:জনসংখ্যার পিরামিড

তথ্যসূত্র

টেমপ্লেট:বাংলাদেশের আদমশুমারি