ফ্লোরেন্স

ভিকিটিয়া থেকে
কবুতর (আলোচনা | অবদান) কর্তৃক ০৭:৩১, ১১ মার্চ ২০২৫ তারিখে সংশোধিত সংস্করণ ("{{Infobox Italian comune |name =ফ্লোরেন্স |official_name =''Comune di Firenze'' |native_name =''Firenze'' | image_skyline = {{multiple image | border = infobox | perrow = 1/3/2/1 | total_width = 290 | align = center | caption_align = center | image1 = FirenzeDec092023 01.jpg | caption1 = Florence from Piazzale Michelangelo | image2 = Palazzo Pitti nel tardo pomeriggio.jpg | caption2..." দিয়ে পাতা তৈরি)
(পরিবর্তন) ← পূর্বের সংস্করণ | সর্বশেষ সংস্করণ (পরিবর্তন) | পরবর্তী সংস্করণ → (পরিবর্তন)

টেমপ্লেট:Infobox Italian comune ফ্লোরেন্স (টেমপ্লেট:Lang-it; টেমপ্লেট:IPA-it) মধ্য ইতালির তুস্কানি (তুস্কানা) অঞ্চল ও ফ্লোরেন্স প্রদেশের প্রধান শহর হিসেবে খ্যাত। রোমের উত্তর-পশ্চিমে প্রায় ২৩০ কিলোমিটার দূরে এ শহরের অবস্থান। ১৮৬৫ থেকে ১৮৭০ সাল পর্যন্ত মেয়াদকালে এ শহরটি আধুনিক ইতালি রাজতন্ত্রের রাজধানী হিসেবে পরিচিত ছিল। আর্নো নদীর তীরে অবস্থিত ফ্লোরেন্সের সবচেয়ে জনবহুল, যার সংখ্যা প্রায় ৩,৭০,০০০জন।[১] ঐতিহাসিক দৃষ্টিকোণ বিশ্লেষণ ও শহরের গুরুত্ব অনুধাবন করে ইউনেস্কো ১৯৮২ সালে এ শহরকে বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে। সুপ্রাচীন ভবনগুলোয় চিত্রিত শিল্পশৈলীর মাধ্যমে ফ্লোরেন্সের জনগণের ধর্মীয়, শিল্পকলা, শক্তিমত্তা, এমন-কি অর্থ-প্রাচুর্য্যের নিদর্শন লক্ষ্য করা যায়। এ শহরের সর্বাপেক্ষা জনপ্রিয় ব্যক্তিত্বদের মধ্যে রয়েছেন লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি, মাইকেল অ্যাঞ্জেলো, দাঁন্তে, ম্যাকিয়াভেলী, গ্যালিলিওসহ সুপরিচিত মেডিসি পরিবারের শাসকদের নাম সবিশেষ উল্লেখযোগ্য।

ইতিহাস

ঐতিহাসিক দৃষ্টিকোণ থেকে ফ্লোরেন্সের রয়েছে গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস। খ্রীষ্ট-পূর্ব প্রথম শতাব্দীতে রোমান সামরিক উপনিবেশ হিসেবে ফ্লোরেন্সকে দেখা যায়। মধ্যযুগে ইউরোপের ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রধান কেন্দ্রস্থল হিসেবে বিবেচিত ছিল ফ্লোরেন্স, যা ঐ সময়ে অন্যতম সমৃদ্ধশালী শহরে পরিণত করেছিল।[২] প্রায়শঃই এ শহরকে ইতালির পুণঃজাগরণের পীঠস্থান রূপে গণ্য করা হয়ে থাকে। এ শহরটি দীর্ঘদিন মেডিসি পরিবার কর্তৃক শাষিত হয়েছে। পাশাপাশি, অনেক ধর্মযাজক ও প্রজাতান্ত্রিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে রাজনৈতিক ইতিহাস গড়ে উঠে।[৩] চতুর্দশ শতক থেকে ষোড়শ শতক পর্যন্ত জ্ঞানচর্চা, চিত্রকলাস্থাপত্যকলার জন্যও শহরটি বিখ্যাত। যারফলে এ শহরকে মধ্যযুগের এথেন্স নামে ডাকা হয়।[৪] বলা হয়ে থাকে যে, প্রায় এক হাজার বিখ্যাত ইউরোপীয় চিত্রকর দ্বিতীয় শতকে এখানে পদার্পণ করেন। তন্মধ্যে প্রায় ৩৫০ জন ফ্লোরেন্সে বসবাস কিংবা কাজ করেছেন। ফ্লোরেন্সের বর্তমান গৌরবোজ্জ্বল দিক বলতে প্রধানত সুদূর অতীতকেই নির্দেশ করে।

তথ্যসূত্র

  1. Bilancio demografico anno 20010, dati ISTAT ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ৯ জুলাই ২০১১ তারিখে
  2. Economy of Renaissance Florence, Richard A. Goldthwaite, Book – Barnes & Noble Search.barnesandnoble.com.
  3. '.
  4. Spencer Baynes, L.L.D., and W. Robertson Smith, L.L.D., Encyclopædia Britannica. Akron, Ohio: The Werner Company, 1907: p.675

পাদটীকা

'.




'.




'.




  • Chaney, Edward(2003), A Traveller's Companion to Florence.

'.




'.




'.




'.




'.




'.




  • Ferdinand Schevill, History of Florence: From the Founding of the City Through the Renaissance (Frederick Ungar, 1936) is the standard overall history of Florence.

'.




বহিঃসংযোগ

টেমপ্লেট:Sister project links

টেমপ্লেট:ইতালির শহর টেমপ্লেট:Regional capitals of Italy টেমপ্লেট:World Heritage Sites in Italy টেমপ্লেট:European Capital of Culture টেমপ্লেট:Province of Florence

বিষয়শ্রেণী:ইতালির শহর