টেমপ্লেট:কাজ চলছে টেমপ্লেট:তথ্যছক ধর্মীয় ভবন গাউসুল আজম জামে মসজিদ বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার মহাখালীতে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক ও আধ্যাত্মিক গুরুত্বসম্পন্ন মসজিদ। মসজিদটি জাতীয় বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল কাছাকাছি গুলশান সড়কে অবস্থিত।[১]

ইতিহাস ও নির্মাণ

ইরাকের সাবেক রাষ্ট্রপতি সাদ্দাম হোসেনের সহযোগিতায় এবং বড়পীর আব্দুল কাদের জিলানী (রহ.)-এর পৈতৃক সম্পত্তির ওয়াকফ এস্টেটের অর্থায়নে নির্মিত এই মসজিদটি ১৯৮৯ সালে উদ্বোধন করা হয়।[২] মসজিদের জন্য তৎকালীন রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ ৮.৫ একর জমি বরাদ্দ দেন। এটি বাংলাদেশের জনগণের প্রতি ইরাক সরকারের শুভেচ্ছা ও ভালোবাসার নিদর্শন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।[৩] মসজিদটির প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন মুহাম্মদ আবদুল মান্নান যিনি বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীন সভাপতি এবং দৈনিক ইনকিলাবের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। তিনি মসজিদটির প্রতিষ্ঠাতা খতিব হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেন এবং মৃত্যুর পর মসজিদের দক্ষিণ পাশে সমাহিত করা হয়।[৪]

স্থাপত্য

মসজিদটি লাল ইট দ্বারা নির্মিত এবং বাগদাদের হজরত আবদুল কাদের জিলানী (রহ.)-এর মাজারসংলগ্ন মসজিদের অনুকরণে আধুনিক স্থাপত্যশৈলীতে নির্মিত হয়েছে। এখানে একসাথে প্রায় ২,০০০ মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারেন। মসজিদে পুরুষদের পাশাপাশি নারীদের জন্যও পৃথক নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা রয়েছে

তথ্যসূত্র