গণপরিষদ: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

ভিকিটিয়া থেকে
গণপরিষদ-এ পুনর্নির্দেশ করা হল
ট্যাগ: নতুন পুনর্নির্দেশনা মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
 
গণপরিষদ-এ করা পুনর্নির্দেশ সরানো হয়েছে
ট্যাগ: পুনর্নির্দেশ সরানো হয়েছে মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
 
১ নং লাইন: ১ নং লাইন:
#পুনর্নির্দেশ [[গণপরিষদ]]
[[চিত্র:Convención_Constituyente_Chile_4-julio-2021.jpg|থাম্ব|360x360পিক্সেল|২০২১ সালে অনুষ্ঠিত চিলির গণপরিষদের উদ্বোধনী অধিবেশন]]
'''গণপরিষদ''' হলো কতিপয় ব্যক্তিবর্গের সমাবেশ যারা কোন একটি দেশের সংবিধান বা গঠনতন্ত্র প্রণয়ন কিংবা সংস্কারের জন্য সমবেত হয়। সংবিধান সভার সদস্যরা সাধারণত [[প্রত্যক্ষ নির্বাচন|জনগণের ভোটে]] নির্বাচিত হয়। তবে পরাধীন উপনিবেশে সংবিধান সভার সদস্যরা সরকার কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত কিংবা অন্য কোন উপায়ে বাছাইকৃত হতেও পারে। কখনো বা একই সঙ্গে নির্বাচন, নিয়োগ ও দৈবচয়নের সংমিশ্রণেও গণপরিষদ গঠিত হতে পারে। <ref>{{বই উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://worldcat.org/oclc/849441803|শিরোনাম=Constitutionalism in Africa : creating opportunities, facing challenges|শেষাংশ=Oloka-Onyango, Joseph.|তারিখ=2001|প্রকাশক=Fountain Publishers|আইএসবিএন=9970-02-271-7|oclc=849441803}}</ref><ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|শেষাংশ=Ghai|প্রথমাংশ=Yash|শিরোনাম=The Role of Constituent Assemblies in Constitution Making|ইউআরএল=https://constitutionnet.org/sites/default/files/2017-08/the_role_of_constituent_assemblies_-_final_yg_-_200606.pdf|ইউআরএল-অবস্থা=live|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20210328115417/https://constitutionnet.org/sites/default/files/2017-08/the_role_of_constituent_assemblies_-_final_yg_-_200606.pdf|আর্কাইভের-তারিখ=2021-03-28}}</ref> সংবিধান সভার সাধারণত নিয়মিত [[আইনসভা]] থেকে আলাদা বলে বিবেচিত হয়, যদিও অনেকে দেশে গণপরিষদ সদস্যরা পরবর্তীতে আইনসভার সদস্য হিসেবেও নির্বাচিত হতে পারে। রাষ্ট্রের গাঠনিক দলিল হিসেবে সাধারণত গঠনতন্ত্র বা সংবিধান সংস্কারের এখতিয়ার আইনসভার থাকে না।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ভাষা=en-US|শিরোনাম=3.1.2 Constitutional assemblies|ইউআরএল=https://constitutionmakingforpeace.org/cmp_handbook/3-1-2-constitutional-assemblies/|সংগ্রহের-তারিখ=2021-10-31|ওয়েবসাইট=Constitution Making for Peace|আর্কাইভের-তারিখ=২০২১-১০-৩১|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20211031162436/https://constitutionmakingforpeace.org/cmp_handbook/3-1-2-constitutional-assemblies/|ইউআরএল-অবস্থা=অকার্যকর}}</ref><ref>{{বই উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://worldcat.org/oclc/1046612703|শিরোনাম=Constitutional Amendment in Canada|শেষাংশ=Macfarlane, Emmett, editor.|বছর=2016|আইএসবিএন=978-1-4426-1900-5|oclc=1046612703}}</ref> তাই উন্নত গণতন্ত্রচর্চাকারী দেশগুলোতে সংবিধানের মৌলিক সংস্কার করতে নতুন করে সংবিধান সভার আয়োজন করা হয়, যার নিয়ম সাধারণত সংবিধানেই লিপিবদ্ধ থাকে। সাধারণত সংবিধান প্রবর্তনের মধ্য দিয়ে উক্ত সংবিধানপ্রণয়নকারী সংবিধান সভা ভেঙ্গে দেয়া হয় এবং প্রবর্তিত সংবিধানের অধীনে নতুন আইনসভা গঠিত হয়।<ref>{{বই উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://papers.ssrn.com/sol3/papers.cfm?abstract_id=3286293|শিরোনাম=Newar Bdair – The Constituent Power|শেষাংশ=Newar Bdair.|তারিখ=2001|প্রকাশক=Fountain Publishers|আইএসবিএন=9970-02-271-7|oclc=3286293|ssrn=3286293}}</ref>
 
== বিভিন্ন দেশের গণপরিষদ ==
=== বাংলাদেশ ===
{{মূল|বাংলাদেশ গণপরিষদ|সংবিধান সংস্কার কমিশন}}
[[বাংলাদেশ গণপরিষদ]] হলো ১৯৭০ সালে অনুষ্ঠিত পাকিস্তানের জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে [[শেখ মুজিবুর রহমান]] সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশের প্রথম ও এখন পর্যন্ত আয়োজিত একমাত্র গণপরিষদ।<ref>{{বই উদ্ধৃতি|শিরোনাম=গণপরিষদের বিতর্কের আলোকে বাংলাদেশের সংবিধান জন্মকথা|শেষাংশ=ইসলাম|প্রথমাংশ=কাবেদুল|বছর=সেপ্টেম্বর ২০২৩|প্রকাশক=মাওলা ব্রাদার্স|অবস্থান=ঢাকা|পাতা=৭|আইএসবিএন=978-984-97686-5-4}}</ref> ঔপনিবেশিক শাসনের ধারাবাহিকতা অবলম্বনে এই সংবিধান সভাকে গণপরিষদ হিসেবে নামাঙ্কিত করা হয়েছিল।{{তথ্যসূত্র প্রয়োজন|তারিখ=অক্টোবর ২০২৪}}
 
পাকিস্তানের তদানীন্তন সামরিক শাসক ও রাষ্ট্রপতি [[ইয়াহিয়া খান]] কর্তৃক জারিকৃত [[লিগাল ফ্রেমওয়ার্ক অর্ডার, ১৯৭০]]-এর অধীনে নির্বাচনে জয়ী প্রতিনিধিদের নিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের গণপরিষদ গঠিত হয়েছিল বলে বহু রাজনৈতিক দলসহ [[মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী]], [[বদরুদ্দীন উমর]], [[আ. স. ম. আবদুর রব]], [[ফরহাদ মজহার]] ও আরও অনেকে এই গণপরিষদকে অবৈধ বলে আখ্যায়িত করেছেন।<ref>{{সাময়িকী উদ্ধৃতি|শেষাংশ=আহমেদ|প্রথমাংশ=ফিরোজ|তারিখ=মে ২০১৫|বছর=২০১৫|শিরোনাম=বাংলাদেশের সংবিধান ও রাষ্ট্রের গতিমুখ: সূচনাকাল|ইউআরএল=https://sarbojonkotha.info/pdf/bangladesh-sanbidhan-3.pdf|সম্পাদক-শেষাংশ=মুহাম্মদ|সম্পাদক-প্রথমাংশ=আনু|সাময়িকী=সর্বজনকথা|প্রকাশনার-স্থান=ঢাকা|পাতাসমূহ=৮৬-৯৮|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20240520093704/https://sarbojonkotha.info/pdf/bangladesh-sanbidhan-3.pdf|আর্কাইভের-তারিখ=২০ মে ২০২৪|সংগ্রহের-তারিখ=২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৮}}</ref><ref>{{বই উদ্ধৃতি|শিরোনাম=গণঅভ্যুত্থান ও গঠন: বাংলাদেশে গণরাজনৈতিক ধারার বিকাশ প্রসঙ্গে|শেষাংশ=মজহার|প্রথমাংশ=ফরহাদ|বছর=আগস্ট ২০২৩|প্রকাশক=রাষ্ট্রচিন্তা|পাতাসমূহ=১৪৮-১৮০|অধ্যায়=গঠন ও গঠনতন্ত্র|আইএসবিএন=978-984-97818-0-6|অবস্থান=ঢাকা}}</ref><ref>{{বই উদ্ধৃতি|শিরোনাম=সমাজ রাষ্ট্র বিবর্তন: জ্ঞানতাপস আব্দুর রাজ্জাক গুণিজন বক্তৃতামালা (২০১৭-২০১৮)|শেষাংশ=উমর|প্রথমাংশ=বদরুদ্দীন|লেখক-সংযোগ=বদরুদ্দীন উমর|বছর=সেপ্টেম্বর ২০১৯|সম্পাদক-শেষাংশ=আহমদ|সম্পাদক-প্রথমাংশ=আহরার|প্রকাশক=বেঙ্গল পাবলিকেশন্স|অবস্থান=ঢাকা|পাতাসমূহ=১৫৬-১৮২|অধ্যায়=আর্থ-সামাজিক-রাজনৈতিক পরিবর্তনের ধারা|আইএসবিএন=978-984-93718-7-8}}</ref> কিন্তু বিতর্ক ও বিরোধিতা সত্ত্বেও শেখ মুজিবের নিরাপস অবস্থানের দরুন এক বছরেরও কম সময়ে গণপরিষদ [[বাংলাদেশের সংবিধান|বাংলাদেশের সংবিধানের]] খসড়া প্রণয়ন করে তা ১৯৭২ সালের ১৬ই ডিসেম্বরে প্রবর্তন করতে সক্ষম হয়। তবে প্রণয়নকালীন সময় থেকে আজ পর্যন্ত এই সংবিধান বিপুল সমালোচনার মধ্য দিয়ে গেছে। অনেকেই এই সংবিধানকে "[[ফ্যাসিবাদ|ফ্যাসিবাদী]]" স্বৈরতন্ত্র সৃষ্টিকারী বলে অভিহিত করেছেন।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|শেষাংশ=|প্রথমাংশ=|তারিখ=2024-08-07|ভাষা=en|শিরোনাম=Interview: Situation In Bangladesh Challenging, But Happy That A Fascist Rule Has Ended, Cultural Icon Farhad Mazhar To ETV Bharat|ইউআরএল=https://www.etvbharat.com/en/!international/situation-in-bangladesh-challenging-but-happy-that-a-fascist-rule-has-ended-says-bangladesh-intellectual-farhad-mazher-enn24080703442|সংগ্রহের-তারিখ=2024-09-27|ওয়েবসাইট=ETV Bharat News}}</ref><ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://samakal.com/opinion/article/95042/%E0%A6%86%E0%A6%B2%E0%A7%80%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%95-%E0%A6%AB%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%80-%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%A8-%E0%A6%9A%E0%A6%B2%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE|শিরোনাম=আ.লীগের নেতৃত্বে সাংবিধানিক ফ্যাসিবাদী শাসন চলছে: আম্বিয়া|তারিখ=জানুয়ারী ৩১, ২০২২|কর্ম=সমকাল|সংগ্রহের-তারিখ=সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৪}}</ref><ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|তারিখ=2024-09-16|ভাষা=en|শিরোনাম=Constitution needs rewriting to bar autocracy|ইউআরএল=https://www.thedailystar.net/news/bangladesh/news/constitution-needs-rewriting-bar-autocracy-3704011|সংগ্রহের-তারিখ=2024-09-27|ওয়েবসাইট=[[দ্য ডেইলি স্টার (বাংলাদেশ)|দ্য ডেইলি স্টার]]}}</ref><ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|শেষাংশ=Zahid|প্রথমাংশ=Selim|তারিখ=2021-03-24|ভাষা=en|শিরোনাম=JaPa emerges as opposition party|ইউআরএল=https://en.prothomalo.com/bangladesh/politics/jp-emerges-as-opposition-party|সংগ্রহের-তারিখ=2024-09-28|ওয়েবসাইট=দৈনিক প্রথম আলো}}</ref>
 
বাংলাদেশের সাম্প্রতিক [[জুলাই বিপ্লব (বাংলাদেশ)|জুলাই বিপ্লবের]] পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার নতুন করে গণপরিষদ আয়োজনের পরিকল্পনা করছে।<ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://www.jagonews24.com/en/national/news/76602|শিরোনাম=Constituent assembly to be convened for charter reform: Nahid|সংগ্রহের-তারিখ=|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20240924185219/https://www.jagonews24.com/en/national/news/76602|আর্কাইভের-তারিখ=September 24, 2024}}</ref> সেই লক্ষ্যে একটি [[সংবিধান সংস্কার কমিশন]]ও গঠন করেছে।
 
== তথ্যসূত্র ==
{{সূত্র তালিকা}}{{কর্তৃপক্ষ নিয়ন্ত্রণ}}
 
[[বিষয়শ্রেণী:গণপরিষদ]]

১০:০৩, ৫ মার্চ ২০২৫ তারিখে সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণ

চিত্র:Convención Constituyente Chile 4-julio-2021.jpg
২০২১ সালে অনুষ্ঠিত চিলির গণপরিষদের উদ্বোধনী অধিবেশন

গণপরিষদ হলো কতিপয় ব্যক্তিবর্গের সমাবেশ যারা কোন একটি দেশের সংবিধান বা গঠনতন্ত্র প্রণয়ন কিংবা সংস্কারের জন্য সমবেত হয়। সংবিধান সভার সদস্যরা সাধারণত জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়। তবে পরাধীন উপনিবেশে সংবিধান সভার সদস্যরা সরকার কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত কিংবা অন্য কোন উপায়ে বাছাইকৃত হতেও পারে। কখনো বা একই সঙ্গে নির্বাচন, নিয়োগ ও দৈবচয়নের সংমিশ্রণেও গণপরিষদ গঠিত হতে পারে। [১][২] সংবিধান সভার সাধারণত নিয়মিত আইনসভা থেকে আলাদা বলে বিবেচিত হয়, যদিও অনেকে দেশে গণপরিষদ সদস্যরা পরবর্তীতে আইনসভার সদস্য হিসেবেও নির্বাচিত হতে পারে। রাষ্ট্রের গাঠনিক দলিল হিসেবে সাধারণত গঠনতন্ত্র বা সংবিধান সংস্কারের এখতিয়ার আইনসভার থাকে না।[৩][৪] তাই উন্নত গণতন্ত্রচর্চাকারী দেশগুলোতে সংবিধানের মৌলিক সংস্কার করতে নতুন করে সংবিধান সভার আয়োজন করা হয়, যার নিয়ম সাধারণত সংবিধানেই লিপিবদ্ধ থাকে। সাধারণত সংবিধান প্রবর্তনের মধ্য দিয়ে উক্ত সংবিধানপ্রণয়নকারী সংবিধান সভা ভেঙ্গে দেয়া হয় এবং প্রবর্তিত সংবিধানের অধীনে নতুন আইনসভা গঠিত হয়।[৫]

বিভিন্ন দেশের গণপরিষদ

বাংলাদেশ

টেমপ্লেট:মূল বাংলাদেশ গণপরিষদ হলো ১৯৭০ সালে অনুষ্ঠিত পাকিস্তানের জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে শেখ মুজিবুর রহমান সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশের প্রথম ও এখন পর্যন্ত আয়োজিত একমাত্র গণপরিষদ।[৬] ঔপনিবেশিক শাসনের ধারাবাহিকতা অবলম্বনে এই সংবিধান সভাকে গণপরিষদ হিসেবে নামাঙ্কিত করা হয়েছিল।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] ভিকিটিয়া:তথ্যসূত্র প্রয়োজন

পাকিস্তানের তদানীন্তন সামরিক শাসক ও রাষ্ট্রপতি ইয়াহিয়া খান কর্তৃক জারিকৃত লিগাল ফ্রেমওয়ার্ক অর্ডার, ১৯৭০-এর অধীনে নির্বাচনে জয়ী প্রতিনিধিদের নিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের গণপরিষদ গঠিত হয়েছিল বলে বহু রাজনৈতিক দলসহ মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী, বদরুদ্দীন উমর, আ. স. ম. আবদুর রব, ফরহাদ মজহার ও আরও অনেকে এই গণপরিষদকে অবৈধ বলে আখ্যায়িত করেছেন।[৭][৮][৯] কিন্তু বিতর্ক ও বিরোধিতা সত্ত্বেও শেখ মুজিবের নিরাপস অবস্থানের দরুন এক বছরেরও কম সময়ে গণপরিষদ বাংলাদেশের সংবিধানের খসড়া প্রণয়ন করে তা ১৯৭২ সালের ১৬ই ডিসেম্বরে প্রবর্তন করতে সক্ষম হয়। তবে প্রণয়নকালীন সময় থেকে আজ পর্যন্ত এই সংবিধান বিপুল সমালোচনার মধ্য দিয়ে গেছে। অনেকেই এই সংবিধানকে "ফ্যাসিবাদী" স্বৈরতন্ত্র সৃষ্টিকারী বলে অভিহিত করেছেন।[১০][১১][১২][১৩]

বাংলাদেশের সাম্প্রতিক জুলাই বিপ্লবের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার নতুন করে গণপরিষদ আয়োজনের পরিকল্পনা করছে।[১৪] সেই লক্ষ্যে একটি সংবিধান সংস্কার কমিশনও গঠন করেছে।

তথ্যসূত্র

  1. '.
  2. The Role of Constituent Assemblies in Constitution Making
  3. 3.1.2 Constitutional assemblies
  4. '.
  5. '.
  6. '.
  7. আহমেদ, ফিরোজ (মে ২০১৫)। মুহাম্মদ, আনু, সম্পাদক। "বাংলাদেশের সংবিধান ও রাষ্ট্রের গতিমুখ: সূচনাকাল" (পিডিএফ)সর্বজনকথা। ঢাকা: ৮৬–৯৮। ২০ মে ২০২৪ তারিখে মূল (পিডিএফ) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৮  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |সংগ্রহের-তারিখ=, |year= / |date= mismatch (সাহায্য)
  8. '.
  9. '.
  10. Interview: Situation In Bangladesh Challenging, But Happy That A Fascist Rule Has Ended, Cultural Icon Farhad Mazhar To ETV Bharat
  11. আ.লীগের নেতৃত্বে সাংবিধানিক ফ্যাসিবাদী শাসন চলছে: আম্বিয়া
  12. Constitution needs rewriting to bar autocracy
  13. JaPa emerges as opposition party
  14. Constituent assembly to be convened for charter reform: Nahid