গোলাম নাফিজ: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য
bn>Duyel সম্পাদনা সারাংশ নেই |
অ ParvejBOT Test gmkpl7yr পাতাটিকে গোলাম নাফিজ শিরোনামে পুনর্নির্দেশনা ছাড়াই স্থানান্তর করেছেন: Reverting abusive move by ভিকিটিয়া |
| (২ জন ব্যবহারকারী দ্বারা সম্পাদিত ২টি মধ্যবর্তী সংশোধন দেখানো হচ্ছে না) | |
(কোনও পার্থক্য নেই)
| |
১৫:৩৩, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণ
| গোলাম নাফিজ | |
|---|---|
| মৃত্যু তারিখ | ৪ আগস্ট ২০২৪ (বয়স ১৬–১৭) |
| মৃত্যুর স্থান | ফার্মগেট, ঢাকা, বাংলাদেশ |
| পিতা-মাতা | গোলাম আহমেদ (পিতা) নাসিমা আক্তার (মাতা) |
গোলাম নাফিজ একজন বাংলাদেশী শিক্ষার্থী ও আন্দোলনকর্মী যে ৪ আগস্ট ২০২৪ সালে ছাত্র–জনতার অভ্যুত্থানের ও অসহযোগ আন্দোলনে নিহত হয়। হাসপাতালে নেওয়ার সময় সে একটি রিকশায় শুয়েছিল। রিকশায় শুয়ে থাকা অবস্থায় তোলা তাঁর ছবিটি তাঁকে ছাত্র–জনতার অভ্যুত্থানের অন্যতম আলোচিত ব্যক্তিত্বে পরিণত করেছিল।[১]
ব্যক্তিগত জীবন
নাফিজ গোলাম আহমেদ ও নাসিমা আক্তার দম্পতির দ্বিতীয় সন্তান ছিল। সে তাঁর দুই ভাইয়ের মধ্যে কনিষ্ঠতম ছিল। সে তাঁর পরিবারের সঙ্গে ঢাকার মহাখালীতে বসবাস করত। নাফিজ বনানী বিদ্যানিকেতন স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে তাঁর সেকেন্ডারি স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষা উত্তীর্ণ হয়।[১] এরপর সে নৌবাহিনী কলেজ, ঢাকায় একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হয়, কিন্তু কোনোদিন কলেজে যেতে পারে নি।[২]
অসহযোগ আন্দোলন ও মৃত্যু
নাফিজ ২০২৪ সালে কোটা সংস্কার আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিল। অসহযোগ আন্দোলনের প্রথমদিন আন্দোলনে অংশ নিতে নাফিজ তাঁর বন্ধুদের সঙ্গে নিয়ে ফার্মগেট–খামারবাড়ি এলাকায় যায়। স্থানীয় সময় বিকাল ৪.৩০ টার দিকে ফার্মগেট চৌরাস্তায় সে পুলিশের গুলিতে গুলিবিদ্ধ হয়। গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর তাঁর সহ-আন্দোলনকারীরা তাঁকে একটি রিকশায় তুলে দেয় যেটি তাঁকে নিকটতম হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করে। রিকশাচালক নূর মোহাম্মদের মতে, সে তখন অচেতন ছিল এবং তখনও জীবিত ছিল। কিন্তু ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা রিকশাটিকে রাস্তায় বাঁধা দেয়, যার ফলে তাঁকে হাসপাতালে নিতে বিলম্ব হয়। হাসপাতালে পৌঁছানোর পর চিকিৎসক নাফিজকে মৃত ঘোষণা করেন।[১][৩] হাসপাতালে যাওয়ার পথে, দৈনিক মানবজমিনের চিত্রসাংবাদিক জীবন আহমেদ নাফিজের একটি স্মরণীয় ছবি ধারণ করেন। যেখানে তাঁকে বাংলাদেশের পতাকা মাথার চারপাশে বাঁধা, রিকশার পাদানিতে শোয়া এবং বাহু ও পা ছড়িয়ে পড়ে থাকা অবস্থায় দেখা যায়। ছবিটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ ভাইরাল হয় এবং পরদিন মানবজমিনের প্রথম পৃষ্ঠায় ছাপা হয়।[১] তাঁর পিতা সারারাত ধরে তাঁকে হাসপাতাল থেকে হাসপাতালে খুঁজে বেড়ান, কেবলমাত্র পরদিনই শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে তাঁর ছেলের মরদেহ খুঁজে পান।[১]
স্মৃতি

১৯ আগস্ট ২০২৪ সালে অন্তর্বর্তী সরকারের দুইজন উপদেষ্টা ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম দুইজন সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম ও আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া তার বাড়ি পরিদর্শন করেন এবং নাফিজের পিতামাতার প্রতি সান্ত্বনা জানান।[৪] বনানী বিদ্যানিকেতন স্কুল অ্যান্ড কলেজ তাঁদের একটি ভবনের নাম নাফিজের নামে নামকরণ করেছে।[৫]
আরও দেখুন
তথ্যসূত্র
- ↑ ১.০ ১.১ ১.২ ১.৩ ১.৪ পাদানিতে ঝুলতে থাকা গুলিবিদ্ধ নাফিজ তখনো রিকশার রড ধরে ছিল
- ↑ Son Died In Quota Reform Protest | ‘I could not believe my eyes’
- ↑ How rickshaw puller Noor tried to save Nafiz
- ↑ 'খাটিয়ায় রাখার পর বুঝতে পারলাম, আমার নাফিজ এত বড় হয়ে গেছে'
- ↑ রিকশার পাদানিতে ঝুলতে থাকা গুলিবিদ্ধ নাফিজের নামে ভবন