জুলাই গণহত্যা

ভিকিটিয়া থেকে

টেমপ্লেট:সম্পর্কে টেমপ্লেট:তথ্যছক বেসামরিক আক্রমণ টেমপ্লেট:ছাত্র–জনতার গণঅভ্যুত্থান জুলাই গণহত্যাটেমপ্লেট:Efn বলতে ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত ছাত্র–জনতার গণঅভুত্থানের সময় আওয়ামী লীগ সরকারের চালানো দমনপীড়ন ও ব্যাপক হত্যাকাণ্ডকে বোঝায়। বিতর্কিত কোটা পদ্ধতি পুনর্বহাল ও ব্যাপক গণঅসন্তোষের জের ধরে এই গণহত্যা অভিযান পরিচালনা করে আওয়ামী লীগ সরকার, এর অঙ্গসংগঠন ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যেমনঃ পুলিশ, র‍্যাব, সেনাবাহিনীর একাংশ আর ভারতের রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস উইং (দাবিকৃত)।[১]

২০২৪ সালের জুন মাসে বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্ট সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি পুনর্বহাল করে, যার ফলে জুলাইয়ের শুরুতে কোটা সংস্কার আন্দোলন পুনরায় জোরদার হয়। কয়েক সপ্তাহ ধরে বিক্ষোভের পর, ১৫ জুলাই আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের পর উত্তেজনা বেড়ে যায়। পরবর্তী দিনগুলোতে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, যার মধ্যে পুলিশ, র‍্যাব ও বিজিবি, সেইসাথে ক্ষমতাসীন দলের ছাত্র, যুব ও স্বেচ্ছাসেবক সংগঠনের নেতাকর্মীরা আন্দোলনকারীদের সাথে সহিংস সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এই সংঘর্ষের ফলে অসংখ্য মানুষ নিহত হয়, যার মধ্যে রয়েছে আন্দোলনকারী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, দলীয় সদস্য, পথচারী ও শিশুরাও। আগস্টের শুরুর দিকে এই সহিংসতার ফলে ব্যাপক প্রাণহানি ঘটে, প্রাণহানির সংখ্যা দুইশ থেকে ছয়শ পর্যন্ত অনুমান করা হয় এবং আহতের সংখ্যা কয়েক হাজার।

এতো ব্যাপক প্রাণহানি সত্ত্বেও হাসিনা সরকার এই গণহত্যার দায় অস্বীকার করে এবং সহিংসতার জন্য অন্যান্য কারণকে দায়ী করে। ২০২৪ সালের জুলাই মাসের ঘটনাবলি তখন থেকে ব্যাপকভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয় এবং বাংলাদেশের আর্থসামাজিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এর প্রভাব সম্পর্কে বিভিন্ন মতামত রয়েছে।

পটভূমি

টেমপ্লেট:Further

২০২৪ সালের মাঝামাঝি সময়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে যে অস্থিরতা শুরু হয়েছিল, তারই একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ছিল এই গণহত্যা।[২] এই অস্থিরতার সূত্রপাত ঘটে সুপ্রিম কোর্টের একটি রায়ের মাধ্যমে, যেখানে মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের জন্য ৩০% চাকরির কোটা পুনর্বহাল করা হয়। এর আগে ২০১৮ সালে কোটা সংস্কার আন্দোলনের প্রেক্ষিতে এই কোটা সংস্কার করা হয়েছিল।[৩] এই সিদ্ধান্ত জনসাধারণ, বিশেষ করে মেধাবী শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক অসন্তোষের সৃষ্টি করে, কারণ তারা মনে করেছিল যে কোটা পদ্ধতি মেধার ভিত্তিতে সুযোগ পাওয়ার ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করে।

প্রথমে কোটা ব্যবস্থার বিরুদ্ধে শুরু হওয়া আন্দোলন দ্রুত দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে।[৪] জনগণের মধ্যে সরকারের অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা, দুর্নীতির অভিযোগ, মানবাধিকার লঙ্ঘন ও গণতান্ত্রিক উপায়ে ক্ষমতা পরিবর্তনের পথের অভাব নিয়ে যে উদ্বেগ ছিল, তা এই আন্দোলন আরও বেগবান করে।[৫]

আন্দোলনের প্রতিক্রিয়ায় আওয়ামী লীগ সরকার সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়[৬] এবং সারাদেশে নিরাপত্তা বাহিনী, যেমন পুলিশ, র‍্যাব ও বিজিবি মোতায়েন করে।[৭] এর পাশাপাশি, আওয়ামী লীগের কিছু মন্ত্রী ও সদস্য দলের অঙ্গসংগঠনগুলো,[৮] যেমন ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগকে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রভাবিত করেছে বলে খবরে প্রকাশিত হয়।[৯][১০] এই ব্যবস্থাগুলোর মধ্যে প্রাণঘাতী বলপ্রয়োগও ছিল এবং প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই দলগুলোর সদস্যরা বেশ কয়েকজন আন্দোলনকারীদের হত্যা করার ঘটনায় জড়িত ছিল, যাদের অনেকেই ছাত্র ছিল।[১১]

পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠলে সরকার সারা দেশে গুলি করে হত্যা করার নির্দেশ দিয়ে কারফিউ জারি করে[১২] এবং ইন্টারনেট ও মোবাইল যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়,[১৩] যা কার্যকরভাবে বাংলাদেশকে বিচ্ছিন্ন করে দেয়। আন্দোলনকারীদের সংগঠিত হওয়া ও যোগাযোগ করার ক্ষমতা ব্যাহত করতে ফেসবুক, টিকটক ও হোয়াটসঅ্যাপের মতো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়।[১৪]

গণহত্যা

পুলিশের টহল শাহবাগ, ঢাকা

২০২৪ সালের ১৬ জুলাই, কোটা সংস্কার আন্দোলনে পুলিশের সাথে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষে ৫ জন নিহত হয়।[১৫]

২০২৪ সালের জুলাইয়ে, ঢাকার রায়েরবাজার কবরস্থানে প্রায় ৪৬টি বেওয়ারিশ লাশ দাফন করা হয়। কবরস্থানের কর্মীরা জানান যে ১৯ জুলাই থেকে এই ধরনের দাফনের সংখ্যা বাড়তে থাকে, তবে কবরস্থানের অফিসিয়াল রেকর্ডে এসব অজ্ঞাত ব্যক্তির কোনো তথ্য লিপিবদ্ধ করা হয়নি।[১৬]

২০২৪ সালের আগস্টে জানা যায় যে নিহতদের ৭৮% প্রাণঘাতী গুলির আঘাতে মারা গেছেন।[১৭] জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ১৬ জুলাই থেকে ১১ আগস্ট ২০২৪ পর্যন্ত গণহত্যায় ১৪০০ জনের বেশি নিহত হন।[১৮] তবে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন এক সাক্ষাৎকারে উল্লেখ করেন যে প্রকৃত মৃতের সংখ্যা ১,০০০-এর কাছাকাছি হতে পারে।[১৯] মৃত্যুর সংখ্যার বিষয়ে বিভিন্ন তথ্যের মধ্যে অসঙ্গতি রয়েছে।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৬ জুলাই থেকে ২৫ জুলাই পর্যন্ত ২৬৬ জন মারা গেছেন।[১৮] তবে, প্রথম আলো জানায় যে ১৬ জুলাই থেকে ১৬ আগস্ট পর্যন্ত ৬২৪ জন মারা যান, যার মধ্যে ৩৫৪ জনের মৃত্যু শেখ হাসিনার পদত্যাগের আগে ঘটে। মোট মৃতের মধ্যে ৭০ জন শিশু ছিল।[২০][২১] এছাড়া, কিছু প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে নিহতদের মধ্যে ১১৭ জন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) এবং ৮৭ জন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।[২২]

২০২৪ সালের আগস্টে, সামাজিক যোগাযোগ-মাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে যেখানে দেখা যায়, পুলিশ সদস্যরা একটি ভ্যানে মৃতদেহ জমা করছেন। রক্তমাখা কয়েকটি মৃতদেহগুলো আংশিকভাবে চাদরে মোড়ানো ছিল এবং অস্ত্রধারী পুলিশের পোশাক পরিহিত ব্যাক্তিরা সেগুলো ভ্যান-গাড়িতে তুলছিলেন। ধারণা করা হয় ভিডিওটি সাভারের আশুলিয়া থানা সংলগ্ন এলাকার এবং শেখ হাসিনার পদত্যাগের পর ৫ আগস্টের ঘটনা ছিল। ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ-মাধ্যমে ব্যাপক ক্ষোভ ও সমালোচনার জন্ম দেয়।[২৩][২৪]

ভাইরাল ভিডিওটির প্রতিক্রিয়ায়, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ একটি চার সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করে ঘটনাটি তদন্ত করার জন্য।[২৫] অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাজাদুর রহমানের নেতৃত্বে গঠিত এই কমিটিকে ভিডিওটির সত্যতা যাচাই এবং দায়ী ব্যক্তিদের শনাক্ত করার দায়িত্ব দেওয়া হয়। যদিও পুলিশ ঘটনাস্থলে কর্মকর্তাদের উপস্থিতি স্বীকার করেছে, তবে তারা তদন্তের পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য তাদের নাম প্রকাশে বিরত রয়েছে।[২৬]

ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের নথি অনুযায়ী, আন্দোলন চলাকালীন ১,৭০০ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন, এবং ৯৮ জন মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে। তবে, চিকিৎসক ও হাসপাতালের কর্মকর্তারা বলেছেন যে, হাসপাতালে ১০০ জনেরও বেশি মারা গেছেন, তবে অনেকের মৃত্যু অফিসিয়ালি রেকর্ড করা হয়নি। এছাড়া, বেশ কয়েকটি মৃতদেহে গুলির ক্ষত ছিল, যেগুলি ময়নাতদন্তের আগে পরিবারের সদস্যরা জোরপূর্বক নিয়ে গিয়েছিল।[২৭]

তদন্ত

১৬ জুলাই-এর ঘটনার প্রতিক্রিয়ায়, হাসিনা সরকার ১৮ জুলাই ঘটনাটির তদন্তে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য বিচারপতি খন্দকার দিলিরুজ্জামানকে নিয়োগ দেয়।[২৮] পরবর্তীতে, ১ আগস্ট জুলাই ১৬ থেকে ২১ তারিখের মধ্যে সংঘটিত ঘটনাগুলো তদন্তের জন্য বিচারপতি খন্দকার দিলিরুজ্জামান, কে. এম. জাহিদ সরওয়ার এবং মোহাম্মদ শওকত আলী চৌধুরীকে নিয়ে তিন সদস্যের একটি বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।[২৮][২৯]

শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর, ১৪ আগস্ট অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল ঘোষণা করেন যে জুলাই মাসে ঘটে যাওয়া গণহত্যার জন্য অপরাধীদের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারের মুখোমুখি করা হবে।[৩০] পরবর্তীতে, জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশনের প্রধান, ভলকার টুর্ক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি জারি করেন এবং জানান যে প্রতিবাদ চলাকালে ঘটিত হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শীঘ্রই শুরু হবে।[৩১]

১৩ আগস্ট, আগস্ট ৪-এর বিক্ষোভের সময় ফেনীতে একজন অটোরিকশা চালক হত্যাকাণ্ড মামলায় সাবেক আওয়ামী লীগ সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারীকে প্রাথমিক সন্দেহভাজন হিসেবে অভিযুক্ত করা হয়। এছাড়া ফেনী সদর উপজেলা চেয়ারম্যান শুশেন চন্দ্র শীল, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং ফেনী পৌরসভার মেয়র নজরুল ইসলাম স্বপন মিয়াজীসহ আওয়ামী লীগের প্রায় ৪০০ নেতা-কর্মীদের অভিযুক্ত করা হয়।[৩২]

এছাড়াও, ১৪ আগস্টে, গত ৫ আগস্ট সাভারে গুলিবিদ্ধ নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী আলিফ আহমেদ সিয়ামের বাবা বুলবুল কবির আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে প্রথম অভিযোগ দায়ের করেন। যেখানে, তিনি শেখ হাসিনা, সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধ ও গণহত্যার অভিযোগে তদন্তের আবেদন জানান। আবেদনটিতে আওয়ামী লীগ এবং তার সহযোগী সংগঠনগুলোও অভিযুক্ত হিসেবে উল্লেখ করা হয়, যার ফলে আদালত একই দিনে একটি আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করে। ১৫ আগস্ট, শেখ হাসিনা এবং তার কয়েকজন সহযোগীর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ চলাকালে দু'জন ব্যক্তির মৃত্যু সম্পর্কিত আরও দুটি খুনের অভিযোগ দায়ের করা হয়।[৩৩][৩৪]

১৯ আগস্ট ২০২৪-এ, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে তিনটি ‘গণহত্যা’ মামলার তদন্ত শুরু করেছে, যার মধ্যে অভ্যুত্থানের সময় ৪৫০ বিক্ষোভকারী হত্যার সাথে জড়িত অভিযোগ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।[৩৫]

ভারতের র-এর জড়িত থাকার অভিযোগ

২৫ সেপ্টেম্বর, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রধান প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন যে, প্রাথমিক তদন্তে প্রতিবাদকারীদের গণহত্যায় হিন্দি ভাষা ভাষী সশস্ত্র কর্মকর্তাদের জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে।[৩৬][৩৭] আহতরা অভিযোগ করেছেন যে, এসব ব্যক্তিরা হিন্দি ভাষাভাষী ছিলেন।[৩৮]

তথ্যসূত্র

  1. উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; R&AW নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  2. Verdict on quota reinstatement in government jobs
  3. Bangladesh students clash in job quota protests, at least 100 injured
  4. Student protests in Bangladesh pose serious challenge for Hasina’s government
  5. Bangladesh shuts down educational institutions after 6 students killed, dozens injured in protests
  6. Bangladesh government says ready to hold talks with quota protesters; Army deployed nationwide
  7. Chhatra League ready to respond to audacity on campus: Obaidul Quader
  8. Quota protestors clash with BCL-Jubo League in Chankharpool, 4 shot
  9. BCL, quota protesters clash
  10. 5 protesters shot, over 100 injured in clash with BCL, Jubo League men at Science Lab
  11. Bangladesh imposes curfew as protests continue
  12. Bangladesh wakes to TV, internet blackout as deadly protests spike
  13. Bangladesh's internet shutdown isolates citizens, disrupts business
  14. বাংলাদেশে কোটা-বিরোধী আন্দোলনে পাঁচ জন নিহত
  15. জুলাইয়ের শেষ ১০ দিনে রায়েরবাজারে ৪৬ বেওয়ারিশ লাশ দাফন
  16. নিহত ৭৮ শতাংশের শরীরে প্রাণঘাতী গুলির ক্ষত
  17. ১৮.০ ১৮.১ ‘জুলাই গণহত্যায়’ নিহতদের প্রকৃত সংখ্যা কবে জানা যাবে?
  18. Exclusive: Over 1,000 killed in Bangladesh violence, says Home Affairs advisor Sakhwat Hossain
  19. নিহতদের মধ্যে ৭০ শিশু–কিশোর
  20. 66 children, teenagers among killed
  21. বিএনপির ১১৭ নেতাকর্মী নিহত, জামায়াতের ৮৭
  22. ভ্যানে লাশের স্তূপ করছে পুলিশ, ভাইরাল ভিডিও নিয়ে যা জানা গেল
  23. ভ্যানে মরদেহের স্তূপের ভিডিওটি আশুলিয়া থানার পাশের
  24. আশুলিয়ায় ভ্যানে লাশের স্তূপ: ঘটনা তদন্তে ৪ সদস্যের কমিটি গঠন
  25. ভ্যান গাড়িতে ৬ জনের মরদেহ পুড়িয়ে দেয়ার ঘটনায় দুইটি অভিযোগ দায়ের
  26. হিসাবের বাইরে শতাধিক লাশ
  27. ২৮.০ ২৮.১ আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনায় বসছে সরকার, বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন
  28. তিন বিচারপতির তদন্ত কমিশন ৪ আগস্ট রংপুরে যাচ্ছে
  29. আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জুলাই গণহত্যার বিচার হবে: আইন উপদেষ্টা
  30. UN-led investigation to be launched soon: UN rights chief
  31. সাবেক এমপি নিজাম হাজারীসহ আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে হত্যা মামলা
  32. শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে গণহত্যার মামলা
  33. আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গণহত্যা মামলা
  34. Bangladesh war crimes tribunal, set up Hasina, launches 3 'mass murder' probes against founder
  35. আন্দোলনে পুলিশের পোশাকে ভিনদেশির প্রমাণ মিলেছে: তাজুল
  36. পুলিশের পোশাকে হিন্দিভাষীরা গুলি চালান: তাজুল ইসলাম
  37. আন্দোলনে পুলিশের পোশাকে হিন্দিভাষী ছিল বলে আহতদের অভিযোগ আছে | বাংলাদেশ

বহিঃসংযোগ

টেমপ্লেট:উইকিউক্তি