রুদ্র সেন

ভিকিটিয়া থেকে
রুদ্র সেন
জন্মস্থান পাহাড়পুর,দিনাজপুর সদর, দিনাজপুর
মৃত্যু তারিখ ১৮ জুলাই ২০২৪(2024-07-18) (বয়স ২২–২৩)
মৃত্যুর স্থান সিলেট, বাংলাদেশ
জাতীয়তা বাংলাদেশী
পেশা ছাত্র
মাতৃশিক্ষায়তন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

রুদ্র সেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড পলিমার সায়েন্স বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি দিনাজপুর জেলার দিনাজপুর সদর উপজেলার পাহাড়পুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালীন পুলিশের হামলার শিকার হয়ে আহত হন এবং পরবর্তীতে পানিতে ডুবে তার মৃত্যু হয়।[১][২][৩]

ব্যক্তিগত জীবন ও শিক্ষা

রুদ্র সেনের পিতা সুবীর সেন এবং মাতা শিখা বণিক। দুই ভাইবোনের মধ্যে তিনি ছিলেন ছোট। তার বড় বোন সুস্মিতা সেন একজন শিক্ষার্থী। রুদ্র শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড পলিমার সায়েন্স বিভাগে অধ্যয়নরত ছিলেন। তিনি সিলেটের সুরমা আবাসিক এলাকায় বসবাস করতেন।[৪][৫][৬]

কোটা সংস্কার আন্দোলনে ভূমিকা ও মৃত্যু

রুদ্র সেন কোটা সংস্কার আন্দোলনের শুরু থেকেই সম্মুখভাগে সক্রিয় কর্মী হিসেবে ভূমিকা পালন করেছেন। গণমাধ্যমে পাওয়া তথ্যমতে, ৬ ই জুলাই ২০২৪, কোটা সংস্কার আন্দোলনের সূচনাকাল থেকে তিনি তার বন্ধুদের সাথে দাবী আদায়ে বিক্ষোভ মিছিল, মানববন্ধনসহ ঘোষিত কর্মসূচিতে অংশ নিতে থাকেন। ১৮ জুলাই দুপুরে রুদ্র সেন যথারীতি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে আন্দোলনে যোগ দেন। এ সময় পুলিশ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। আহত হন রুদ্র। এরপর বেলা তিনটার দিকে সুরমা এলাকায় পুলিশ-ছাত্রলীগের যৌথ হামলার শিকার হন শিক্ষার্থীরা। আহত হওয়ার কারণে রুদ্র নিরাপদ স্থানে সরে যেতে চেষ্টা করেন। তখন তৃতীয়বারের মতো পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল ছুড়তে থাকে। এ সময় জীবন বাঁচাতে ভেলায় চড়ে খাল পার হতে গিয়ে পানিতে পড়ে মৃত্যু হয় তার। [৭][৮]

কিংবদন্তি

রুদ্র সেনকে সম্মান জানিয়ে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের নামকরণ করা হয়েছে শহীদ রুদ্র তোরণ। এটি তার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন এবং তার আন্দোলনে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ঘোষণা করা হয়।[৯][১০]

তথ্যসূত্র